দারুল উলুম আজিজিয়া মাদ্রাসা, চরশুভী , দৌলত খাঁন, ভোলা।

  • Home
  • Bangladesh
  • Bhola
  • দারুল উলুম আজিজিয়া মাদ্রাসা, চরশুভী , দৌলত খাঁন, ভোলা।

দারুল উলুম আজিজিয়া মাদ্রাসা, চরশুভী , দৌলত খাঁন, ভোলা। দ্বীনি ইলম শিক্ষা করা প্রত্যেক নর-নারীর উপর ফরজ

আমাদের মাদ্রাসার মাহফিল সকলের কাছে দোয়া চাই আল্লাহ যেন ভরপুর কামিয়াব করেন এবং যত আসবাব প্রয়োজন গায়েব থেকে ব্যবস্থা ক...
22/10/2024

আমাদের মাদ্রাসার মাহফিল সকলের কাছে দোয়া চাই আল্লাহ যেন ভরপুর কামিয়াব করেন এবং যত আসবাব প্রয়োজন গায়েব থেকে ব্যবস্থা করে দেন।

শীর্ষ আলেমগণদের নিয়ে চলছে পরামর্শ সভা।মহিউসসুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান শায়খে যাত্রাবাড়ী হাফিজাহুল্লাহ'র নেতৃত্বে এদেশ...
21/09/2024

শীর্ষ আলেমগণদের নিয়ে চলছে পরামর্শ সভা।

মহিউসসুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান শায়খে যাত্রাবাড়ী হাফিজাহুল্লাহ'র নেতৃত্বে এদেশের শীর্ষ আলেম ওলামাদের নিয়ে জাতীয় পরামর্শ সভা শুরু হয়েছে।

11/09/2024

ভিডিওর শেষ অংশে বাদ্য সম্বলিত গানের অংশটুকু জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

দেখেন একটা মানুষ কতটা দুমুখী আচরণ করলে এমন দোয়া করতে পারে, এরা আওয়ামী লীগের জন্য পতাকা ওয়ালা গাড়ির দোয়া করে, বিএনপির জন্যও পতাকা ওয়ালা গাড়ির দোয়া করে, আওয়ামী লীগের পতাকা ওয়ালা গাড়ি তো ডুবে গিয়েছে, এবার বিএনপি'র পালা, তারা যত দ্রুত বুঝতে পারবে, ততই তাদের জন্য ভালো, এই ধরনের মুনাফিক দ্বারা দোয়া করি নিজেদের ধানের শীষ যেন না ডুবায়।

যে সমস্ত ওস্তাদরা বিভিন্ন কিছুর লোভে এখন ওনার পক্ষ হয়ে কথা বলেন, আপনারা ভালো করে মনে রাখুন একদিন আপনাদের বিপক্ষে সে কথা বলতে সামান্য সময়ের জন্য দ্বিধাবোধ করবে না, যেমনটা আমরা তার অতীতের কর্মকাণ্ড থেকে বুঝতে পেরেছি।

আল্লাহ তাআলা সবাইকে সহিহ বুঝ দান করুন।

মাওলানা মাহবুব সাহেব। খতিব সাহেব হিসেবে প্রসিদ্ধ। পটুয়াখালীর মানুষ। থাকেন ভোলার দৌলতখানে। দৌলতখান মার্কায মসজিদের ইমাম-...
07/09/2024

মাওলানা মাহবুব সাহেব। খতিব সাহেব হিসেবে প্রসিদ্ধ। পটুয়াখালীর মানুষ। থাকেন ভোলার দৌলতখানে। দৌলতখান মার্কায মসজিদের ইমাম-খতিব। চরশুভী মাদ্রাসার শিক্ষক।

হুজুরকে নিয়ে এখন ফেইসবুকে খুব লেখালেখি হচ্ছে। পক্ষে-বিপক্ষে। উভয় পক্ষের লেখাজোকা পড়ে যতটুকু বুঝতে পারলাম, যারা পক্ষে লিখছে তারা সবাই তার ছাত্র। বিপক্ষে যারা লিখছে তাদের সবাই তার ছাত্র না হলেও সিংহভাগ তার ছাত্র। আর এই বিপক্ষের জনসংখ্যাই বেশি মনে হল। যাহোক, উভয় গ্রুপের দাবিদাওয়ার সারসংক্ষেপ নিম্নে তুলে ধরা হল।

যারা বিপক্ষে লিখছে, তাদের বিপক্ষে থাকার কারণ ও আমার বিশ্লেষণ।
১. কারণ: হুজুরের আচরণ খারাপ। ছাত্রদের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার করেন।
বিশ্লেষণ: আমি যেহেতু হুজুরের সরাসরি ছাত্র না কাজেই আমি কখনো এগুলো ফেইস করি নি। তবে চরশুভী মাদ্রাসার ছাত্র থাকা অবস্থায় তার ব্যাপারে এ ধরণের কথাবার্তা শুনেছি বেশ ক'বার। সেখান থেকে চলে আসার পরও বাড়ি গেলে শুনতাম।
২. কা: মাদ্রাসার অন্যান্য উস্তাদের সাথে খারাপ আচরণ করেন।
বি: অন্যান্যদের ব্যাপারে আমি জানি না, তবে মাওলানা কাসেম সাহেব হুজুরের সাথে প্রকাশ্যেই খোঁচাখুঁচি করতেন। হয়ত দুষ্টুমি হিসেবে করতেন, তবে কাসেম সাহেব হুজুর যে তাতে নারাজ হতেন তা স্পষ্ট ছিল।
৩. কা: বেশ ক'জনকে নাকি ক্যাডার দিয়ে মারধরের হুমকি দিয়েছেন।
বি: এর বাস্তবতা আমি জানি না। ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ জানার কথাও নয়।
৪. কা: আওয়ামী লীগের সাথে তার উঠাবসা ছিল।
বি: এটা অবশ্য আমি দোষের মনে করি না। একজন ইমাম সাহেব সকলের সাথেই সুসম্পর্ক বজায় রাখবেন এটা স্বাভাবিক। তবে ইদানিংকালে হুজুরের কিছু ভিডিও দেখে মনে হলো, এটা স্বাভাবিক কোন সম্পর্ক নয়। একেবারে গলায় গলায় ভাব যাকে বলে, এটা মনে হয় দোষণীয়।

যারা পক্ষে লিখছে, তাদের পক্ষে থাকার কারণ ও আমার বিশ্লেষণ।
১. কা: উস্তাদের সাথে বেয়াদবি করা যাবে না।
বি: এক্ষেত্রে আমি বলতে চাই, এ ধরনের সত্য প্রকাশ করাটা বেয়াদবি নয়। তার দোষগুলো প্রমাণিত হলে সম্মানের সাথে বিদায় করে দেয়াটাও দোষণীয় নয়।
২. কা: তিনি মাদ্রাসায় ইসলামী আন্দোলনের পোলাপানের বিরোধিতা করতেন, এ কারণে ইসলামী আন্দোলনের পোলাপান তার বিরোধিতা করছে।
বি: এ ক্ষেত্রে আমি বলতে চাই, চরশুভী মাদ্রাসার একজন ছাত্র যে ইসলামী আন্দোলনের একসময়কার দায়িত্বশীল ছিল, সেও তো দেখলাম হুজুরের পক্ষ নিয়েছে। তাহলে এই দাবিটা কতটুকু সত্য, তা কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়।

পরিশেষে নিজের পক্ষ থেকে আরও কিছু কথা বলি। প্রথমে বলে নেই আমি যদিও হুজুরের সরাসরি ছাত্র না অর্থাৎ তার কাছে কোনো কিতাব পড়িনি, তবে জামিয়ার ছাত্র হিসেবে তিনিও আমার উস্তাদ।
পর কথা হলো, ছোটবেলা থেকে যতটুকু দেখেছি, এলাকার মানুষ মাদ্রাসাকে খুব ভালবাসতো। তবে বেশ ক'বছর এমনটা মনে হচ্ছে না। কারণ হিসেবে যতটুকু শুনেছি বুঝেছি, তা হলো এর কারণ তিনি। অর্থাৎ তার আওয়ামী ঘনিষ্ঠতা। তাছাড়া তার খারাপ আচরণ বা অসঙ্গতিপূর্ণ শব্দ ব্যবহারের বিষয়গুলোও সমাজে টুকটাক জানাজানি হয়। এটাও শুনেছি যে, তার কারণে নাকি মাদ্রাসায় উস্তাদদের মধ্যে গ্রুপিং হয়েছে।

তো এখন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ যা ভালো মনে করে তা-ই হবে। তবে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মনে হচ্ছে, উস্তাদে মুহতারাম মাওলানা মাহবুব সাহেব তথা খতিব সাহেব হুজুরকে সসম্মানে অব্যহতি দেয়াটা এখন সকলের জন্যই উপকারী।

(লেখাটি চরশুভী মাদ্রাসার এক সাবেক ছাত্রের ওয়াল থেকে নেওয়া হয়েছে)

মরহুমের নামাজে জানাজা আগামীকাল শুক্রবার, সকাল ১০.০০ টায় চরশুভী মাদ্রাসার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
05/09/2024

মরহুমের নামাজে জানাজা আগামীকাল শুক্রবার, সকাল ১০.০০ টায় চরশুভী মাদ্রাসার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

05/09/2024

চরশুভী মাদ্রাসার সভাপতি:- সুলতান উদ্দিন হাওলাদার বাড়ির বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব দেলোয়ার হোসেন দেলু মিয়া আজ ৩:৩০ সময় ইন্তেকাল করেন।

ইন্না-লিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাহি রাজিউন।

আল্লাহ তাআলা মরহুমের ভুল ত্রুটি মাফ করে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন।

জানাযার সময় পরবর্তী পোস্টে জানিয়ে দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ!

(সচেতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, লেখাটি বড় হলেও আশা করি সবটুকু পড়বেন) ভোলা জেলার দৌলতখান মার্কাজ মসজিদের ইমাম ও খতীব, ...
05/09/2024

(সচেতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, লেখাটি বড় হলেও আশা করি সবটুকু পড়বেন)

ভোলা জেলার দৌলতখান মার্কাজ মসজিদের ইমাম ও খতীব, চরশুভী মাদ্রাসার শিক্ষক মাওঃ মাহবুবুর রহমান পটুয়াখালী (খতিব সাহেব) সাধারণ মানুষ তাকে "লীগ মাওলানা" ও "টন মাওলানা" নামেও চিনে। তিনি বিগত দিনে আওয়ামী লীগের হয়ে ওপেন সভা সমাবেশে বক্তব্যও দিয়েছেন, লীগের দালালি করে পটুয়াখালীতে বহু সম্পাদ গড়েছেন, এমনকি তার নামে এমন গুঞ্জনও শোনা যায় যে ৫ ই আগস্ট এর পরে দৌলতখান আওয়ামী লীগের এমপি জনাব মুকুল সাহেব ও দৌলতখান পৌরসভার মেয়র জাকির হোসেন তালুকদার প্রথমে তার বাসায় আশ্রয় নিয়েছিল, একবার ভেবে দেখুন একটা আলেম আওয়ামী লীগ সরকারের এমপি এবং নেতাকর্মীদের কতটুকু প্রিয় হলে, তাদেরকে সে আশ্রয় দিয়ে থাকে।

গতকাল রাতে চরশুভী মাদ্রাসার সংলগ্ন পাটোয়ারী বাড়ীর, মরহুম আলী আহমদ সাহেব রহ. (দৌলতখান বাজার কাঠপট্টি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক পরিচালক) এর ছেলে মাওলানা ফয়জুল্লাহ সাহেব চরশুভী মাদ্রাসার প্রবীণ উস্তাদ ওস্তাদের সাথে মাহবুব সাহেবের অপকর্ম এবং তার বিরুদ্ধে যেসব কাজকর্ম করেছে সে বিষয়ে কথা বলতে গিয়েছে, মাহবুব সাহেব এ কথা শুনা মাত্র রাত ৯ টায় একটি হায়েস গাড়ি নিয়ে (বহিরাগত লোক, যারা কখনো চরশুভী মাদ্রাসার সূরা অথবা অন্য কোন কমিটিতে নাই) দৌলতখানের বিএনপির নেতা বশির মেম্বার ও হাঃ জহিরকে সাথে নিয়ে চরশুভী মাদ্রাসা যায়, সেখানে মাওঃ ফয়জুল্লাহ সাহেবকে অন্যান্য প্রবীণ ওস্তাদের সামনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তাকে লাথিও মারতে যান, মাওলানা ফয়জুল্লাহ মাদ্রাসা এলাকার সন্তান একজন আলেমের সন্তান, সে দৌলতখানে উড়ে এসে জুড়ে বসে নাই মাওলানা মাহবুব সাহেবের মত, মাওলানা ফয়জুল্লাহ সাহেবের সাথে যে ঘটনা ঘটেছে এ ঘটনায় তার বাড়ির ভাই ব্রাদার যারা দেশ-বিদেশে অবস্থান করেছে তারা মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে,
তার অত্যাচারের শিকার হয়নি এমন আলেম ভোলায় খুব কম মানুষ আছে, প্রকাশ্যে যাদের উপকার করেছে বলে ধারণা করা যায় সেগুলোও তার নিজের স্বার্থে করেছে, অথবা নিজের প্রতিনিধি হিসেবে কারো উপকার করেছে,

আরেকটি বিশেষ কথা বলে রাখি সেটি হল চরশুভী মাদ্রাসায় এখন তার হাতে নিয়োগপ্রাপ্ত যে সমস্ত শিক্ষকরা আছে সে সমস্ত শিক্ষকরা তার পক্ষে অনলাইন অফলাইনে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা চালায় এবং তার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য ছাত্রদেরকে প্রেসার দিচ্ছে, এবং মাদ্রাসায় কখন কি হয় এগুলো সব তাকে সাথে সাথে জানানো হয় যেমনটা হয়েছে মাওলানা ফয়জুল্লাহ পরামর্শ করতে আসার পর।

ভোলার সকল আলেমদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছে, বিগতদিনে হেফাজত বিরোধী কর্ম কান্ড করে বর্তমানে হেফাজতকে ধংশ করার পায়তারা করছে, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ছাড়াই নিজে সেক্রেটারী হয়ে দৌলতখানে হেফাজতের কমিটি করছে, এর বিরোধিতা করায় হেফাজত মামলায় কারা নির্জাতিত মাজলুম ভোলার পাতাবুনিয়া পীর সাহেব হুজুরের ছেলে হেমায়েতকে মার্ডারের হুমকি দিয়েছে। তার ভয়ে কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস করেনা। তার ছাত্রদের মুখের কথা বিগতদিনে যারা হেফাজতের মিছিলে গিয়েছে তাদেরকে তিনি ক্লাসের মধ্যে "সোনা কাটা মুজাহিদ" বলে কটাক্ষ করেছে, (কতটা নিম্নমানের ফ্যামিলি থেকে আসলে একজন আলেমের ভাষা এমন হতে পারে) তার বিরুদ্ধে কোন ছাত্র কথা বললে সাথে সাথে বিনা নোটিশে তাকে ভহিস্কার করা হয়েছে।

দৌলতখানবাসী গতকালের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে, আমরা তার চাই সে তার অবস্থান থেকে চলে যাক, মাদ্রাসা ও মসজিদ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ছাত্র জনতার আন্দোলনের আগেই তাকে অব্যবহিত দিয়ে মসজিদ মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া হোক, আমরা কোন লীগ দালালকে মাদ্রাসা মসজিদে দেখতে চাই না।

এখন যদি লীগ মাওঃ মাহবুব সাহেবকে মাদ্রাসা ও মসজিদ থেকে অব্যহতি দেওয়া না হয়, পরবর্তী দায়ভার যারা এখন তাকে সাপোর্ট দিচ্ছে তারা নিতে হবে, এপর্যন্ত সে কোন মাদ্রাসা থেকে সম্মানে বিদায় নিতে পারে নাই, প্রথমে চরগুমানি মাদ্রাসা ছিল, এখান থেকেও ছাত্র জনতার তোপের মুখে পড়ে চলে আসতে হয়েছে অনৈতিক কাজের দায়ে, তারপরে চর খলিফা মাদ্রাসায় এসেছিল সেখান থেকেও ছাত্র-জনতার তোপের মুখে অনৈতিক কাজের দেয় বিদায় নিতে হয়েছে, আমরা চাইনা চরশুভী মাদরাসা থেকেও সেই ভাবে বিদায় হোক, সে যদি স্ব-সম্মানে নিজে অব্যাহতি পত্র দিয়ে চলে যায় আমরা তার এই কাজকে সাধুবাদ জানাবো।

প্রচারে:- চরশুভী মাদ্রাসার প্রবীণ ও বর্তমানে প্রকাশ্যে কথা না বল শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল।

Address

Bhola

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দারুল উলুম আজিজিয়া মাদ্রাসা, চরশুভী , দৌলত খাঁন, ভোলা। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share