05/09/2024
(সচেতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, লেখাটি বড় হলেও আশা করি সবটুকু পড়বেন)
ভোলা জেলার দৌলতখান মার্কাজ মসজিদের ইমাম ও খতীব, চরশুভী মাদ্রাসার শিক্ষক মাওঃ মাহবুবুর রহমান পটুয়াখালী (খতিব সাহেব) সাধারণ মানুষ তাকে "লীগ মাওলানা" ও "টন মাওলানা" নামেও চিনে। তিনি বিগত দিনে আওয়ামী লীগের হয়ে ওপেন সভা সমাবেশে বক্তব্যও দিয়েছেন, লীগের দালালি করে পটুয়াখালীতে বহু সম্পাদ গড়েছেন, এমনকি তার নামে এমন গুঞ্জনও শোনা যায় যে ৫ ই আগস্ট এর পরে দৌলতখান আওয়ামী লীগের এমপি জনাব মুকুল সাহেব ও দৌলতখান পৌরসভার মেয়র জাকির হোসেন তালুকদার প্রথমে তার বাসায় আশ্রয় নিয়েছিল, একবার ভেবে দেখুন একটা আলেম আওয়ামী লীগ সরকারের এমপি এবং নেতাকর্মীদের কতটুকু প্রিয় হলে, তাদেরকে সে আশ্রয় দিয়ে থাকে।
গতকাল রাতে চরশুভী মাদ্রাসার সংলগ্ন পাটোয়ারী বাড়ীর, মরহুম আলী আহমদ সাহেব রহ. (দৌলতখান বাজার কাঠপট্টি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক পরিচালক) এর ছেলে মাওলানা ফয়জুল্লাহ সাহেব চরশুভী মাদ্রাসার প্রবীণ উস্তাদ ওস্তাদের সাথে মাহবুব সাহেবের অপকর্ম এবং তার বিরুদ্ধে যেসব কাজকর্ম করেছে সে বিষয়ে কথা বলতে গিয়েছে, মাহবুব সাহেব এ কথা শুনা মাত্র রাত ৯ টায় একটি হায়েস গাড়ি নিয়ে (বহিরাগত লোক, যারা কখনো চরশুভী মাদ্রাসার সূরা অথবা অন্য কোন কমিটিতে নাই) দৌলতখানের বিএনপির নেতা বশির মেম্বার ও হাঃ জহিরকে সাথে নিয়ে চরশুভী মাদ্রাসা যায়, সেখানে মাওঃ ফয়জুল্লাহ সাহেবকে অন্যান্য প্রবীণ ওস্তাদের সামনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তাকে লাথিও মারতে যান, মাওলানা ফয়জুল্লাহ মাদ্রাসা এলাকার সন্তান একজন আলেমের সন্তান, সে দৌলতখানে উড়ে এসে জুড়ে বসে নাই মাওলানা মাহবুব সাহেবের মত, মাওলানা ফয়জুল্লাহ সাহেবের সাথে যে ঘটনা ঘটেছে এ ঘটনায় তার বাড়ির ভাই ব্রাদার যারা দেশ-বিদেশে অবস্থান করেছে তারা মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে,
তার অত্যাচারের শিকার হয়নি এমন আলেম ভোলায় খুব কম মানুষ আছে, প্রকাশ্যে যাদের উপকার করেছে বলে ধারণা করা যায় সেগুলোও তার নিজের স্বার্থে করেছে, অথবা নিজের প্রতিনিধি হিসেবে কারো উপকার করেছে,
আরেকটি বিশেষ কথা বলে রাখি সেটি হল চরশুভী মাদ্রাসায় এখন তার হাতে নিয়োগপ্রাপ্ত যে সমস্ত শিক্ষকরা আছে সে সমস্ত শিক্ষকরা তার পক্ষে অনলাইন অফলাইনে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা চালায় এবং তার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য ছাত্রদেরকে প্রেসার দিচ্ছে, এবং মাদ্রাসায় কখন কি হয় এগুলো সব তাকে সাথে সাথে জানানো হয় যেমনটা হয়েছে মাওলানা ফয়জুল্লাহ পরামর্শ করতে আসার পর।
ভোলার সকল আলেমদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছে, বিগতদিনে হেফাজত বিরোধী কর্ম কান্ড করে বর্তমানে হেফাজতকে ধংশ করার পায়তারা করছে, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ছাড়াই নিজে সেক্রেটারী হয়ে দৌলতখানে হেফাজতের কমিটি করছে, এর বিরোধিতা করায় হেফাজত মামলায় কারা নির্জাতিত মাজলুম ভোলার পাতাবুনিয়া পীর সাহেব হুজুরের ছেলে হেমায়েতকে মার্ডারের হুমকি দিয়েছে। তার ভয়ে কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস করেনা। তার ছাত্রদের মুখের কথা বিগতদিনে যারা হেফাজতের মিছিলে গিয়েছে তাদেরকে তিনি ক্লাসের মধ্যে "সোনা কাটা মুজাহিদ" বলে কটাক্ষ করেছে, (কতটা নিম্নমানের ফ্যামিলি থেকে আসলে একজন আলেমের ভাষা এমন হতে পারে) তার বিরুদ্ধে কোন ছাত্র কথা বললে সাথে সাথে বিনা নোটিশে তাকে ভহিস্কার করা হয়েছে।
দৌলতখানবাসী গতকালের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে, আমরা তার চাই সে তার অবস্থান থেকে চলে যাক, মাদ্রাসা ও মসজিদ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ছাত্র জনতার আন্দোলনের আগেই তাকে অব্যবহিত দিয়ে মসজিদ মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া হোক, আমরা কোন লীগ দালালকে মাদ্রাসা মসজিদে দেখতে চাই না।
এখন যদি লীগ মাওঃ মাহবুব সাহেবকে মাদ্রাসা ও মসজিদ থেকে অব্যহতি দেওয়া না হয়, পরবর্তী দায়ভার যারা এখন তাকে সাপোর্ট দিচ্ছে তারা নিতে হবে, এপর্যন্ত সে কোন মাদ্রাসা থেকে সম্মানে বিদায় নিতে পারে নাই, প্রথমে চরগুমানি মাদ্রাসা ছিল, এখান থেকেও ছাত্র জনতার তোপের মুখে পড়ে চলে আসতে হয়েছে অনৈতিক কাজের দায়ে, তারপরে চর খলিফা মাদ্রাসায় এসেছিল সেখান থেকেও ছাত্র-জনতার তোপের মুখে অনৈতিক কাজের দেয় বিদায় নিতে হয়েছে, আমরা চাইনা চরশুভী মাদরাসা থেকেও সেই ভাবে বিদায় হোক, সে যদি স্ব-সম্মানে নিজে অব্যাহতি পত্র দিয়ে চলে যায় আমরা তার এই কাজকে সাধুবাদ জানাবো।
প্রচারে:- চরশুভী মাদ্রাসার প্রবীণ ও বর্তমানে প্রকাশ্যে কথা না বল শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল।