Jamia Faruqia Wayejul Uloom Islamabad

Jamia Faruqia Wayejul Uloom Islamabad Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jamia Faruqia Wayejul Uloom Islamabad, College & University, Islamabad, Sarail, Brahmanbaria.

আলহামদুলিল্লাহ! আমাদের মাদ্রাসার যে সকল ছাত্র বেফাক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে, তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে...
30/11/2025

আলহামদুলিল্লাহ! আমাদের মাদ্রাসার যে সকল ছাত্র বেফাক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে, তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে দামী দামী কিতাবসমূহের বিশেষ পুরস্কার।এই মূল্যবান গ্রন্থগুলো তাদের মেধা ও কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি। আমরা আশা করি, এই পুরস্কার তাদের আগামী দিনের ইলমী পথচলায় আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে এবং তারা দ্বীনের খেদমতে নিজেদেরকে আরও যোগ্য করে তুলবে। আল্লাহ তাদের জীবনের পথ চলা মসৃণ করেন, জীবনের পরীক্ষায়, আখেরাতের পরীক্ষায় কামিয়াব করেন।হ্যাশট্যাগ: #কেন্দ্রীয়_পরীক্ষা_সাফল্য #পুরস্কার_বিতরণ ্জন

লেখা প্রশিক্ষণের আগে ও পরের অবস্থা। আল্লাহ লেখাটাকে ধরে রাখার তৌফিক দান করেন।
15/05/2025

লেখা প্রশিক্ষণের আগে ও পরের অবস্থা। আল্লাহ লেখাটাকে ধরে রাখার তৌফিক দান করেন।

ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য
04/04/2025

ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য

03/04/2025

আমাদের হুফফাজে "এসো আরবি শিখি" তিন খণ্ড সম্পূর্ণভাবে পাঠদান করা হয় মাদানী নেসাবের সূতিকাগার মাদরাসাতুল মাদিনায় প্রশিক্ষিত ওস্তাদদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে।

03/04/2025

আমাদের ই'দাদী জামাতের বৈশিষ্ট্য:

✅ প্রায়োগিক শিক্ষাপদ্ধতি – মিজান কিতাব অত্যন্ত প্রায়োগিক ও অনুশীলননির্ভর পদ্ধতিতে পড়ানো হয়, যা শিক্ষার্থীদের বাস্তব জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করে।

✅ উন্নত আরবি শিক্ষা – "আসো আরবি শিখি" তিন খণ্ড সম্পূর্ণভাবে পাঠদান করা হয় মাদানী নেসাবের সূতিকাগার মাদরাসাতুল মাদিনায় প্রশিক্ষিত ওস্তাদদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে।

✅ – শিক্ষার্থীদের জন্য আত তামরীনুল কিতাবি পূর্ণাঙ্গভাবে শেষ করার ব্যবস্থা রয়েছে, যা তাদের ভাষাগত দক্ষতা বাড়ায়।

✅ বহুভাষিক শিক্ষা ব্যবস্থা – উর্দু ও ফারসি ভাষার পাশাপাশি বাংলার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়, যাতে শিক্ষার্থীরা মাতৃভাষায়ও দক্ষ হতে পারে।

✅ রোজনামচা লেখার বাধ্যবাধকতা – শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিদিন রোজনামচা লেখা বাধ্যতামূলক, যা তাদের আত্মউন্নয়ন ও লেখনীর দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

✅ সাপ্তাহিক সবিনা- কুরআন কারীমের ইয়াদ মজবুত রাখার জন্য প্রতি সপ্তাহে সবিনার ব্যবস্থা করা হয়।

এই বৈশিষ্ট্যগুলো আমাদের ই'দাদী জামাতকে অনন্য ও আলোকিত করে তুলেছে।

30/03/2025

عيد الفطر المبارك، وكلّ عام وأنتم في نعمة وافرة وسعادة دائمة.

আলহামদুলিল্লাহ ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ।
27/03/2025

আলহামদুলিল্লাহ ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ।

27/03/2025
20/03/2025

يا طلاب العِلمِ، وَيا طالِبي الفَصَاحَةِ وَالبَيانِ، يسرُّنا أن نُعرِّفَكُم بكتابٍ نَفيسٍ حَمَلَ مِن زُخرفِ العِلمِ وبهاءِ النحوِ، فهُوَ بُستانٌ للعقلِ، مِفتاحٌ لأسرارِ اللغةِ… كتابٌ جَمَعَ بين يَدَيْهِ من أسرارِ النحوِ ما لا يُحْصِيها العَدُّ.
إنه كتابٌ يسيرُ معك في دربِ الفهمِ، يفتحُ لكَ أبوابَ الإعرابِ ويكشفُ الغُموضَ عن جواهرِ الكلامِ. من حروفِ الجر إلى علاماتِ الجزمِ، يجمعُ لكَ من الحكمِ النحويِّة ما يشرقُ العقل، وتهفو له النُّفوسُ.

لا تَدَعُوا هذه الفرصةَ تَفُوتكُم، واقتَنُوا هذا الكتابَ الثمينَ الذي سَيُضيءُ لكُم طريقَكُم إلى علم النحو ومجال العربية الفسيح —إن شاء الله العزيز—.

16/03/2025

যাকাতের টাকা মাদরাসায় খরচ করার শরয়ি বিধান!

যাকাত শরিয়ার অন্যতম একটি ফরজ বিধান। ইসলামি অর্থনীতির মূল ভিত্তিই হচ্ছে যাকাত। যে রাষ্ট্র রাষ্ট্রীয়ভাবে যাকাত আদায় করার বিধান প্রতিষ্ঠিত থাকবে সে রাষ্ট্র অল্প কিছু দিনের একটি মডেল রাষ্ট্র হিসেবে পরিনত হবে।

যাকাত আদায় করা যেমন ফরজ ঠিক তেমনি কুরআন বর্ণিত নির্দিষ্ট খাতে যাকাতের টাকা দেয়াও ফরজ।কোন ব্যক্তি যাকাত দিল; কিন্তু কুরআনে বর্ণিত খাতে নির্দিষ্টভাবে মালিক বানিয়ে যাকাত দিল না, তাহলে তার যাকাত আদায় হবে না।

কুরআনে বর্ণিত যাকাতের নির্দিষ্ট খাতসমূহ

إِنَّمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَاءِ وَالْمَسَاكِينِ وَالْعَامِلِينَ عَلَيْهَا وَالْمُؤَلَّفَةِ قُلُوبُهُمْ وَفِي الرِّقَابِ وَالْغَارِمِينَ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ وَابْنِ السَّبِيلِ ۖ فَرِيضَةً مِنَ اللَّهِ ۗ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
যাকাত হল কেবল ফকির, মিসকীন, যাকাত আদায় কারী ও যাদের চিত্ত আকর্ষণ প্রয়োজন তাদে হক এবং তা দাস-মুক্তির জন্যে-ঋণ গ্রস্তদের জন্য, আল্লাহর পথে জেহাদকারীদের জন্যে এবং মুসাফিরদের জন্যে, এই হল আল্লাহর নির্ধারিত বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
(সূরাঃ আত তাওবাহ, আয়াতঃ ৬০)

উক্ত আয়াতে আটটি খাত বর্ণিত হয়েছে-
১. ফকির
২. মিসকীন
৩. যাকাত আদায় কারী কর্মী
৪. অমুসলিমদের চিত্ত আকর্ষণ প্রয়োজনে
( উক্ত খাতটি ওমর রা: এর যুগে এস সর্বসম্মতিক্রমে বাদ দেয়া হয়েছে)
৫. দাস-মুক্তির জন্যে
৬. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি
৭. মুজাহিদ
৮. মুসাফির

কোন ব্যক্তির যাকাত আদায় হওয়ার জন্য অপরিহার্য শর্ত হল, উপরোক্ত আটটি খাতের কোনো একটি খাতে নির্দিষ্টভাবে মালিক বানিয়ে যাকাত দেয়া।

বহু আগ থেকেই এ দেশের মাদরাসাগুলোতে মাদ্রাসা কতৃপক্ষ যাকাতের টাকা কালেকশন করে মাদ্রাসায় জমা করেন (এটা অবশ্যই ভালো দিক)। পরবর্তীতে একেক মাদ্রাসা একেকভাবে ঐ টাকাগুলোকে মাদ্রাসায় খরচ করেন। বিভিন্ন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে আমরা পাঁচটি পদ্ধতি জানতে পেরেছি, যে পাঁচটি পদ্ধতি অবলম্বন করে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ যাকাতের টাকা মাদ্রাসার খরচ করেন। পাঁচ পদ্ধতির বিবরণ নিম্নরূপ-

১. মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ যাকাতের টাকা কালেকশন করে কোন প্রকার হিলা ও মালিকানা নির্দিষ্ট না করেই যেথায় ইচ্ছা সেথায় যাকাতের টাকা খরচ করেন।

২. মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ যাকাতের টাকা কালেকশন করে কোন একজন শিক্ষককে হিলানামক তামাশা করে নামকাওয়াস্তে মালিক বানিয়ে ঐ টাকা যেথায় ইচ্ছা সেথায় খরচ করেন।

৩. মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ যাকাতের টাকা কালেকশন করে কোন একজন ছাত্রকে হিলানামক তামাশা করে নামকাওয়াস্তে মালিক বানিয়ে ঐ টাকা যেথায় ইচ্ছা সেথায় খরচ করেন।

৪. মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ গরীব অসহায় ছাত্রদের পক্ষ থেকে উকিল হয়ে মানুষের কাছ থেকে যাকাতের টাকা কালেকশন করে আবার ঐ ছাত্রদের উকিল হয়েই ঐ টাকা যেথায় ইচ্ছা সেথায় খরচ করেন।

৫. মাদরাসা কর্তৃপক্ষ গরীব-অসহায় ছাত্রদের পক্ষ থেকে উকিল হয়ে যাকাতের টাকা কালেকশন করে নির্দিষ্ট যাকাত ফান্ডে জমা রাখেন।‌ অতঃপর ঐ মাদ্রাসার অসহায় ছাত্রছাত্রীরা যারা মাদ্রাসায় নির্ধারিত টাকা দিতে পারেন না, তারা ঐ ফান্ড থেকে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা গ্রহণ করে নিজেদের মালিকানা সাব্যস্ত করে নিজ প্রয়োজনে খরচ করেন অর্থাৎ নিজেদের পড়া লেখার খরচ পরিশোধ করেন।

উক্ত পাঁচ পদ্ধতির মধ্যে শেষের পদ্ধতিটি হল সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি। এতে যেমন কোনো ফাঁক ফোকর নেই; তেমনি নেই হিলা নামক তামাশার অবতারণা।

চারনাম্বার পদ্ধতিটি হল আশংকাজনক। তাই চার নাম্বার পদ্ধতিটি গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা উচিত।

আর প্রথম তিন পদ্ধতিতে যাকাতের টাকা মাদ্রাসার খরচ করলে যাকাতদাতার যাকাত আদায় হবে না। ফলে এর জন্য যাকাতদাতাসহ মাদ্রাসা কতৃপক্ষকে কেয়ামতের দিন জবাবদিহিতার কাঠ গড়ায় দাঁড়াতে হবে এবং কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে।

যাকাতগ্রহীতা যেমন নির্দিষ্ট খাতে যাকাত ব্যয় করা জরুরি, ঠিক তেমনি যাকাতদাতাও যাকাত দেওয়ার পূর্বে এটা জেনে নেওয়া জরুরী যে, তার যাকাতের টাকা নির্দিষ্ট খাতে শরয়ি পদ্ধতিতে খরচ করা হয় কিনা।

প্রথম পদ্ধতিতে যাকাত আদায় না হওয়ার কারণ

যাকাতের জন্য অপরিহার্য শর্ত হচ্ছে মালিকানা। অর্থাৎ যাকাত আদায়ের জন্য দাতাকে অবশ্যই নির্দিষ্টভাবে কুরআনে বর্ণিত কোন খাতকে মালিক বানিয়ে দেওয়া জরুরি। সুতরাং প্রথম পদ্ধতিতে যেহুত মালিকানা সাব্যস্ত হচ্ছে না, তাই এক্ষেত্রে যাকাত দাতার যাকাত আদায় হবে না। এবং যাকাত গ্রহিতাকেও এর জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

দ্বিতীয় পদ্ধতিতে যাকাত আদায় না হওয়ার কারণ

যাকাত দাতা যখন যাকাতের টাকাকে ব্যয় করার জন্য কোনো খাতকে নির্দিষ্ট করে দেয় তখন যাকাত গ্রহীতার জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়ে ঐ নির্দিষ্ট খাতে যাকাতের টাকা ব্যয় করা। আর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ যেহুত নিজেদের জন্য যাকাতের টাকা কালেকশন করে না এবং যাকাত দাতাও মাদরাসার কোন শিক্ষককে যাকাতের টাকা দেন না বরং মাদ্রাসার অসহায় গরিব ছাত্রদেরকে যাকাতের টাকা দেন। সেই হিসেবে কোন দরিদ্র ওস্তাদকে হিলা নামক তামাশা করে মালিক বানিয়ে যাকাতের টাকা অন্য খাতে ব্যয় করা মানে কারো মাল অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করা। তাই এক্ষেত্রে যাকাত দাতার যাকাত আদায় হবে না। এবং যাকাত গ্রহিতাকেও এর জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

তৃতীয় পদ্ধতিতে যাকাত আদায় না হওয়ার কারণ

তৃতীয় পদ্ধতিতে ছাত্রকে মালিক বানানো হলেও; এই মালিক বানোটা সামাজিকতা ও নাটক বৈ কিছুই নয়। কেননা যে ছাত্রকে হিলা নামক তামাশা করে মালিক বানানো হয় ঐ ছাত্র মূলত নিজেও নিজেকে পূর্ণ মালিক মনে করে না। কেননা, এসব ক্ষেত্রে পরোক্ষভাবে ছাত্র পূর্ণ টাকা মাদ্রাসায় দিয়ে দিতে বাধ্য থাকে। এভাবে হিলা করে যাকাতের টাকা অন্য খাতে ব্যয় করা শরিয়াকে আমাশার বস্তু বানানো ছাড়া কিছুই নয়।

এই পদ্ধতিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বৈধ মনে করে গ্রহণ করে নিলে অচিরেই দ্বীন সর্বত্র তামাশার বস্তুতে পরিণত হবে। সাধারণ মানুষ যখন এটা জানতে পারবে তখন তারাই তাদের যাকাতের টাকা এভাবে হিলা করে নিজেদের জন্য বৈধ করে নিবে। তখন মদখোর ও সুদখোর এবং সমস্ত হারাম পেশাজীবীরা এভাবেই নিজেদের হারাম টাকাকে হিলা নামক তামাশা করে হালাল করে নিবে। চিন্তা করা যায়! তখন দ্বীনটা কোন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছবে।

সুতরাং দ্বীনকে তামাশার বস্তু বানাতে না চাইলে এ ধরনের পদ্ধতি থেকে আমাদেরকে নিরাপদ দূরে থাকা জরুরি। কোন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এ পদ্ধতি গ্রহণ করলে যাকাতদাতার যাকাত আদায় হবে না। এবং যাকাত গ্রহিতাকেও এর জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

৪র্থ পদ্ধতি গ্রহণ করা উচিত না হওয়ার কারণ

ছাত্রদের পক্ষ থেকে যাকাতের টাকা গ্রহণ ও ব্যয়ের উকিল হওয়া। দুই চুক্তিকে একত্র করা লাজেম আসে। আর দুই চুক্তিকে একত্র করা শরিয়ায় বৈধ নয়। দ্বিতীয়ত যাকাতদাতা যে উদ্দেশ্যে মাদ্রাসায় যাকাত দেন এ পদ্ধতি গ্রহণ করলে সে উদ্দেশ্য ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। তাই এ পদ্ধতি গ্রহণ না করা উচিত।

আর পঞ্চম পদ্ধতিই বৈধ ও সব দিক দিয়ে সব চেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি

অর্থাৎ মাদরাসা কর্তৃপক্ষ গরীব অসহায় ছাত্রদের পক্ষ থেকে উকিল হয়ে যাকাতের টাকা কালেকশন করে নির্দিষ্ট যাকাত ফান্ডে জমা রাখবে।‌ অতঃপর ঐ মাদরাসার অসহায় ছাত্র-ছাত্রীরা যারা মাদরাসায় নির্ধারিত টাকা দিতে সক্ষম নয়, তারা ঐ ফান্ড থেকে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা গ্রহণ করে নিজেদের মালিকানা সাব্যস্ত করে নিজ প্রয়োজনে খরচ করেন অর্থাৎ নিজেদের পড়া লেখার খরচ পরিশোধ করবে।

ধরুন আপনার মাদরাসায় এ বছর রমজানে যাকাতবাবদ 10 লক্ষ টাকা কালেকশন হয়েছে। এই পুরো টাকাকে আপনি গোরাবা ফান্ডে জমা রাখুন। এবার ধরুন আপনার মাদরাসার মোট ছাত্র-ছাত্রী আছে ৬০ জন। এর মধ্যে গরীব অসহায় হল ৩০ জন। এবং আপনার মাদরাসার প্রত্যেক ছাত্রের খোরাকি ও যাবতীয়চার্যসহ মাসিক বিল হচ্ছে ৩০০০ টাকা।

এখন গরীব-অসহায় ৩০ জন ছাত্র গোরাবা ফান্ডের দশ লক্ষ টাকা থেকে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে গ্রহণ করে নিজেদের থেকে পাওয়া টাকা মাদরাসায় পরিশোধ করবে। বা প্রত্যেক ছাত্র পুরো বছরের টাকা একসাথে গোরাবা ফান্ড থেকে গ্রহণ করে এক সাথে নিজেদের এক বছরের পড়া লেখার খরচবাবদ পূর্ণ টাকা পরিশোধ করবে।

এখানে ৩০০০ টাকা আনুমানিক বলা হয়েছে। আপনার মাদরাসায় যদি আবাসিকচার্য, শিক্ষকবেতন ও খোরাকিসহ প্রতি ছাত্রের পিছনে আরো বেশি খরচ হয়, তাহলে আপনার মাদরাসার খরচ অনুযায়ী প্রত্যেক ছাত্রের তিন, চার ,পাঁচ, ছয় হাজার বা বেশি হলে আরো বেশি নির্ধারণ করে প্রত্যেক ছাত্রকে ঐ টাকা গোরাবা ফান্ড থেকে গ্রহণ করিয়ে মাদরাসার যাবতীয় বিল পরিশোধের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এটাই যাকাতদাতা ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের জন্য কল্যাণকর হবে ইনশাআল্লাহ।

এর বিপরীতে যদি প্রথম তিন পদ্ধতিতে যাকাতের টাকা মাদরাসায় খরচ করা হয় তাহলে যাকাত আদায় না হওয়ার কারণে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে যাকাত আদায় না করার যে শাস্তির বিবরণ কুরআন ও সুন্নায় বর্ণিত হয়েছে তা ভোগ করতে হবে।

যাকাত আদায় না করা প্রসঙ্গে কুরআনে বর্ণিত শাস্তির কিছু নমুনা-

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّ كَثِيرًا مِنَ الْأَحْبَارِ وَالرُّهْبَانِ لَيَأْكُلُونَ أَمْوَالَ النَّاسِ بِالْبَاطِلِ وَيَصُدُّونَ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ ۗ وَالَّذِينَ يَكْنِزُونَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلَا يُنْفِقُونَهَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَبَشِّرْهُمْ بِعَذَابٍ أَلِيمٍ
হে ঈমানদারগণ! পন্ডিত ও সংসারবিরাগীদের অনেকে লোকদের মালামাল অন্যায়ভাবে ভোগ করে চলছে এবং আল্লাহর পথ থেকে লোকদের নিবৃত রাখছে। আর যারা স্বর্ণ ও রূপা জমা করে রাখে এবং তা ব্যয় করে না আল্লাহর পথে, তাদের কঠোর আযাবের সুসংবাদ শুনিয়ে দিন।
(সূরাঃ আত তাওবাহ, আয়াতঃ ৩৪)

يَوْمَ يُحْمَىٰ عَلَيْهَا فِي نَارِ جَهَنَّمَ فَتُكْوَىٰ بِهَا جِبَاهُهُمْ وَجُنُوبُهُمْ وَظُهُورُهُمْ ۖ هَٰذَا مَا كَنَزْتُمْ لِأَنْفُسِكُمْ فَذُوقُوا مَا كُنْتُمْ تَكْنِزُونَ
সে দিন জাহান্নামের আগুনে তা উত্তপ্ত করা হবে এবং তার দ্বারা তাদের ললাট, পার্শ্ব ও পৃষ্ঠদেশকে দগ্ধ করা হবে (সেদিন বলা হবে), এগুলো যা তোমরা নিজেদের জন্যে জমা রেখেছিলে, সুতরাং এক্ষণে আস্বাদ গ্রহণ কর জমা করে রাখার।
(সূরাঃ আত তাওবাহ, আয়াতঃ ৩৫)

وَلَا يَحْسَبَنَّ الَّذِينَ يَبْخَلُونَ بِمَا آتَاهُمُ اللَّهُ مِنْ فَضْلِهِ هُوَ خَيْرًا لَهُمْ ۖ بَلْ هُوَ شَرٌّ لَهُمْ ۖ سَيُطَوَّقُونَ مَا بَخِلُوا بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ۗ وَلِلَّهِ مِيرَاثُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۗ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ
আল্লাহ তাদেরকে নিজের অনুগ্রহে যা দান করেছেন তাতে যারা কৃপণতা করে এই কার্পন্য তাদের জন্য মঙ্গলকর হবে বলে তারা যেন ধারণা না করে। বরং এটা তাদের পক্ষে একান্তই ক্ষতিকর প্রতিপন্ন হবে। যাতে তারা কার্পন্য করে সে সমস্ত ধন-সম্পদকে কিয়ামতের দিন তাদের গলায় বেড়ী বানিয়ে পরানো হবে। আর আল্লাহ হচ্ছেন আসমান ও যমীনের পরম সত্ত্বাধিকারী। আর যা কিছু তোমরা কর; আল্লাহ সে সম্পর্কে জানেন।
(সূরাঃ আল ইমরান, আয়াতঃ ১৮০)

وَجَمَعَ فَأَوْعَىٰ
সম্পদ পুঞ্জীভূত করেছিল, অতঃপর আগলিয়ে রেখেছিল।
(সূরাঃ আল মা'আরিজ, আয়াতঃ ১৮)

الَّذِينَ لَا يُؤْتُونَ الزَّكَاةَ وَهُمْ بِالْآخِرَةِ هُمْ كَافِرُونَ
যারা যাকাত দেয় না এবং পরকালকে অস্বীকার করে।
(সূরাঃ হা-মীম সেজদাহ, আয়াতঃ ৭)

আল্লাহ আমাদের সবাইকে যাকাতকে তার সঠিক খাতে ব্যয় করে আল্লাহ পাকড়াও থেকে হিফাজত করুন। আমিন!
منقول

15/03/2025

যাকাতের কিছু জরুরী মাসায়েলঃ
১. যদি কোন সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন বালেগ মুসলমানের কাছে নিজের প্রয়োজনীয় আসবাব সামগ্রী, ব্যবহার্য দ্রব্যাদি ও বাসগৃহ ইত্যাদি ব্যতীত ঋণমুক্তভাবে যাকাতের নেসাব পরিমান সম্পদ থাকে অর্থাৎ সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ (৮৭.৪৮ গ্রাম) বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রৌপ্য (৬১২.৩৬ গ্রাম) কিংবা সমপরিমাণ টাকা বা ব্যবসার মাল থাকে এবং তার উপর বছর অতিক্রান্ত হয় তাহলে উক্ত সম্পদের চল্লিশ ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ শতকরা আড়াই পার্সেন্ট হারে যাকাত আদায় করা তার উপর ফরয। (আলমগীরী ১/১৭০-১৭৬, শামী ৩/১৭৩-১৭৯)
২. যদি কিছু স্বর্ণ, কিছু রূপা ও কিছু নগদ টাকা থাকে কিন্তু পৃথক পৃথকভাবে কোনটার নেসাবই পূর্ণ হয় না, তবে সবগুলোর মূল্য একত্রে যোগ করলে যে কোন একটির নেসাব পুরা হয়ে যায়, তাহলে তার উপর যাকাত ফরয হবে। - তাতারখানিয়া ২/১৭৪, আলমগীরী ১/১৭৯, শামী ৩/২৩৪
৩. যদি কারো কাছে বছরের শুরু ও শেষে নেসাব পরিমাণ মাল থাকে কিন্তু বছরের মাঝে ১/২ মাস নেসাব থেকে কম থাকে তাহলে তার উপর যাকাত দেয়া ফরয। হ্যাঁ, যদি বছরের মাঝে সম্পদ সম্পূর্ণরূপে নিঃশেষ হয়ে যায়, তাহলে পূর্বের হিসাব বাদ যাবে। পুনরায় যখন নেসাবের মালিক হবে তখন থেকে নতুন হিসাব ধরা হবে। এবং তখন থেকে এক বছর অতিবাহিত হলে যাকাত ফরয হবে।- আলমগীরী ১/১৭৫, শামী ৩/১৮৩ ও ২৩৩
৪. অর্থ-সম্পদের প্রত্যেকটা অংশের উপর পূর্ণ এক বছর অতিবাহিত হওয়া শর্ত নয়। কাজেই কারো কাছে যদি বছরের শুরুতে ৪০,০০০/- টাকা থাকে আর তা বাড়তে বাড়তে বছরের শেষে এক লক্ষ টাকা হয়ে যায় তাহলে বছরের শেষে তাকে এক লক্ষ টাকার যাকাত দিতে হবে।- তাতারখানিয়া ২/১৯৩, আলমগীরী ১/১৭৫
৫. ব্যবসার উপকরণের উপর যাকাত আসে না। যেমনঃ মিল, কারখানা, দোকান, উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, মেশিন, ভাড়ায় খাটানো হয় এমন বাড়ি-গাড়ি, রিক্সা, সিএনজি, বাস, ট্রাক, লঞ্চ, স্টিমার ইত্যাদি। তবে এগুলো দ্বারা উৎপাদিত পণ্য ও উপার্জিত টাকা নেসাব পরিমাণ হলে তার যাকাত দিতে হবে।- শামী ৩/১৮৩, ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ৩/৫৩
৬. ব্যবসার মাল যার যাকাত আদায় করা শরীয়ত ফরয করেছে, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে ঐ মাল যা মানুষ ব্যবসার উদ্দেশ্যে ক্রয় করেছে। যেমনঃ কেউ প্লট-ফ্ল্যাট, গাড়ি ইত্যাদি ভবিষ্যতে বিক্রি করে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ক্রয় করল, এ সমস্ত মালের যাকাত আদায় করা ফরয। পক্ষান্তরে কারো যদি ক্রয় করার সময় দোদুল্যমানতা থাকে যে নিজের প্রয়োজনে ব্যবহারও করতে পারে, আর লাভ পাইলে বিক্রিও করতে পারে; তাহলে তা ব্যবসার মাল হিসাবে গণ্য হবে না এবং এর যাকাতও ওয়াজিব হবে না। হ্যাঁ, পরবর্তীতে তা বিক্রি করলে বিক্রয়লব্ধ টাকার যাকাত দিতে হবে। যদি সে পূর্ব থেকেই নেসাবের মালিক হয়ে থাকে তাহলে ঐ নেসাবের সাথে এ টাকারও যাকাত আদায় করবে। অন্যথায় এই টাকা নেসাব পরিমাণ হলে বছর অতিবাহিত হওয়ার পর এর যাকাত ওয়াজিব হবে।- আদদুররুল মুখতার ৩/১৯৪-৯৫, খুলাসাতুল ফাতাওয়া ২/২৪০, ফাতাওয়ায়ে বাযযাজিয়া ৪/৮৪, বাদায়েউস সানায়ে ২/৯২, আহসানুল ফাতাওয়া ৪/২৬৭, ফিকহী মাকালাত ৩/১৫১
৭. দোকান ও ব্যবসার মালের হিসাব তিন প্রকারে করা যায়। (১) খুচরা মূল্য (২) পাইকারী মূল্য (৩) সমস্ত মাল একত্রে বিক্রি করলে যে দাম হয়। যাকাতের হিসাবের সময় তৃতীয় প্রকারের মূল্যের হিসাবে যাকাত দিলেও চলবে। তবে সতর্কতামূলক দ্বিতীয় প্রকার অর্থাৎ পাইকারী মূল্যের হিসাবে যাকাত দেয়া উত্তম। -ফিকহী মাকালাত ৩/১৫০, ফাতাওয়ায়ে ওসমানী ২/৬৭
৮. বিক্রিত পণ্যের বকেয়া টাকা হস্তগত হওয়ার পর পেছনের বছর গুলোর যাকাতও একত্রে আদায় করতে হবে। আর যদি বকেয়া টাকা বা ঋণ ফেরত পাওয়ার আশা না থাকে, তাহলে যাকাত দিতে হবে না। তবে পেলে বিগত সকল বছরের যাকাত দিতে হবে।- আলমগীরী ১/১৭৫, শামী ৩/২৩৬-২৩৭
৯. স্বর্ণ ও রূপার উপর সর্বাবস্থায় যাকাত আসে, চাই তা অলংকার আকারে থাকুক কিংবা কাঁচা টুকরা আকারে। ব্যবহৃত হোক কিংবা বাক্সে সংরক্ষিত থাকুক বা কাপড়ে, টুপিতে চশমা ও ঘড়িতে কারূকার্যরূপে থাকুক সর্বাবস্থায় যাকাত আদায় করা ফরয।- আল-বাহরুর রায়ক ২/৩৯৪, শামী ৩/২২৭
১০. মহিলাদের মালিকানায় যে স্বর্ণ বা রূপার অলংকার থাকে এগুলো নেসাব পরিমাণ হলে এগুলোর যাকাত দেয়া তাদের উপর ফরয। নগদ টাকা না থাকলে এগুলো বিক্রি করে হলেও যাকাত আদায় করতে হবে। আর স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি নিয়ে যাকাত আদায় করে দেয় তাহলেও যাকাত আদায় হয়ে যাবে। উল্লেখ্য, অলংকার যদি স্বামীর মালিকানায় থাকে আর স্ত্রীকে ব্যবহারের জন্য দেয় তাহলে সে অলংকারের যাকাত স্বামীকে আদায় করতে হবে।- আহকামুল কুরআন ৩/১৩৯, শামী ৩/২২৭, ফাতাওয়ায়ে মাহমূদিয়া ৩/১০৮
১১. স্বর্ণের সাথে যে পরিমাণ খাদ থাকে, খাদের অংশ বাদ দিয়ে শুধু স্বর্ণের অংশের যাকাত আদায় করাই যথেষ্ট। শামী ৩/২৩০, আহসানুল ফাতাওয়া ৪/২৭০
১২. প্রভিডেন্ড ফান্ডের টাকা হাতে আসার পর বছর অতিবাহিত হলে যাকাত ফরয হবে। কিন্তু যে টাকাটা চাকরীজীবীর হাতে আসার পর স্বেচ্ছায় ঐ ফান্ডে বা অন্য কোন কোম্পানীর নিকট হস্তান্তর করে, তার যাকাত প্রতি বছর আদায় করতে হবে।- শামী ৩/২৩৬, আহসানুল ফাতওয়া ৪/২৬০, মাহমূদিয়া ১৭/১১১
১৩. বিভিন্ন ব্যাংক ও কোম্পানীর শেয়ার যদি দাম বাড়লে বিক্রি করে দিবে এ উদ্দেশ্যে ক্রয় করা হয় তাহলে তার পূর্ণ বাজার দরের উপর যাকাত আসবে। আর যদি কোম্পানী হতে বাৎসরিক লাভ কামানোর উদ্দেশ্যে ক্রয় করা হয়, তাহলে কোম্পানীর যে পরিমাণ সম্পদ যাকাত যোগ্য (যা ব্যালেন্সশীটের সাহায্যে বেরা করা যাবে।) শেয়ার প্রতি তার আনুপাতিক হার যা হয় শুধুমাত্র রমাণের যাকাত দিতে হবে। তবে যদি যাকাতযোগ্য সম্পদের পরিমাণ জানা সম্ভব না হয় তাহলে সতর্কতামূলক শেয়ারের পূর্ণ বাজার মূল্যের যাকাত দেয়া চাই।- আল-বাহরুর রায়েক ২/৪০০, আহসানুল ফাতাওয়া ৪/২৮৭, ইসলাম আওর জাদীদ মায়িশাত ওয়া তিজারত, পৃ. ৯২-৯৪, ফাতাওয়ায়ে উসমানি ২/৭১
১৪. ইসলামী ব্যাংকগুলোতে যদি কেউ ১০/১৫ বছরের জন্য F.D.R করে এককালীন বা মাসে মাসে টাকা জমা করতে থাকে এগুলোর যাকাত হিসাব করার নিয়ম হলো যাকাতের বছর শেষে ঐ একাউন্ট ক্লোজড করলে মূল টাকাসহ যত টাকা লাভ পাওয়া যাবে পুরা টাকার যাকাত আদায় করতে হবে। উল্লেখ্য, সুদী ব্যাংকে F.D.R করলে প্রতি বছর মূল জমাকৃত টাকার যাকাত আদায় করতে হবে। যদি প্রতি বছর যাকাত আদায় না করে তাহলে মেয়াদ শেষে টাকা উত্তোলন করলে একসাথে পিছনের সকল বছরের মূল টাকার যাকাত আদায় করতে হবে। আর সূদের অংশ পুরাটাই সাদাকা করে দিবে।- জাদীদ ফিকহী মাসায়েল ১/২১৬
১৫. জীবন বীমা কোম্পানীর নিকট জমাকৃত প্রিমিয়ামের যাকাত আদায় করতে হবে।- ফাতাওয়ায়ে উসমানী ২/৭১
১৬. ব্যাংকে ব্যক্তি মালিকানাধীন সকল প্রকার একাউন্টে গচ্ছিত টাকার যাকাত আদায় করা জরুরী। তদ্রুপ বিভিন্ন সমিতি, সমবায় ও সোসাইটির মধ্যে সদস্যগণ মুযারাবা হিসাবে যে টাকা বিনিয়োগ করে থাকে, সেগুলো নেসাব পরিমাণ হলে বা অন্য মালের সাথে মিলে নেসাব পরিমাণ হলে যাকাত আদায় করা জরুরী।- ফাতাওয়া রহীমীয়া ২/১৪, আপকে মাসায়েল আওর উনকা হল ৩/৩৭৫
১৭. ব্যাংকের একাউন্টে বা অন্য কোথাও গচ্ছিত টাকা তেমনিভাবে যেকোন যাকাতযোগ্য সম্পদ যদি বন্ধক রাখা হয় তাহলে তার যাকাত আদায় করা লাগবে না।- বাদায়েউস সানায়ে ২/৮৮, আল-বাহরুর রায়েক ২/৩৫৫
১৮. সিকিউরিটি মানি হিসাবে যে টাকা দোকান ও বাড়ির মালিকগণ গ্রহণ করে থাকে; যদি চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মাসে তা ভাড়া বাবদ কর্তন করা হয়, তাহলে মালিকদেরকে ঐ টাকার যাকাত দিতে হবে। আর যদি তা ফেরতযোগ্য হয় অর্থাৎ দোকান বা বাড়ি ছেড়ে দিলে তা ফেরত দেয়া হয় ও মালিকগণ ঐ টাকা খরচ না করে আমানত হিসাবে রাখেন তাহলে ভাড়াটিয়াকে ঐ টাকার যাকাত দিতে হবে।- ফাতহুল কাদীর ২/১২১, জাদীদ ফিকহী মাসায়েল ১/২১৭-১৯
১৯. জমি, প্ল্যাট বা অন্য কিছু কিনে প্রাথমিক যে টাকা দিয়ে বায়না করা হয় সে টাকার মালিক বিক্রেতা। অতএব বিক্রেতাকে এর যাকাত দিতে হবে।- ফাতাওয়ায়ে উসমানী ২/৭২
২০. ঋণ দুই প্রকার (১) ব্যক্তিগত ও সাংসারিক প্রয়োজনে মানুষ যে ঋণ নেয়। যাকাতের নেসাব থেকে এ ধরনের ঋণের টাকা বিয়োগ করে বাকী মালের যাকাত দিতে হবে। (২) বাণিজ্যিক ঋণ যা বাণিজ্যিক স্বার্থে যেমন মিল-কারখানা করা, কাঁচা মাল ক্রয় করা ইত্যাদি এগুলোর জন্য যে ঋণ নেয়া হয় যদি তা দ্বারা যাকাতযোগ্য সম্পদ যেমন কাঁচা মাল ইত্যাদি ক্রয় করে, তাহলে এই ঋণও যাকাতের নেসাব থেকে বিয়োগ করা যাবে। আর যদি এর দ্বারা এমন সম্পদ ক্রয় করা হয় যা যাকাতযোগ্য নয় যেমন মেশিনারী জিনিস ইত্যাদি। তাহলে এ ঋণ যাকাতের মূল নেসাব থেকে বিয়োগ করা যাবে না। উল্লেখ্য, বাণিজ্যিক ঋণ দ্বারা যদি যাকাতযোগ্য মাল ক্রয় করা হয় তাহলে যাকাতের হিসাবের সময় আগামী এক বছরে পরিশোধযোগ্য পরিমাণ ঋণই শুধু বিয়োগ করা যাবে। এর অতিরিক্তটা এই বছরে বিয়োগ করা যাবে না। যে বছর পরিশোধ করবে ঐ বছর বিয়োগ করতে পারবে।- ফাতাওয়ায়ে ওসমানী ২/৮৩, ফিকহী মাকালাত ৩/১৫৫-৫৬, জাদীদ ফিকহী মাসায়েল ২/৬৭, ইসলাম আওর জাদীদ মাঈশাত ওয়া তিজারত, ৯৪
২১. কাউকে ঋণ দেয়ার পর আদায়ে গড়িমসি করলে তা যাকাত হিসাবে কর্তন করা যাবে না। হঁ্যা, যাকাতের টাকা তার হাতে দিয়ে পূর্বের পাওনা বাবদ তা উসূল করে নিতে পারবে। তাতারখানিয়া ২/১৯৯, তাহতাবী আলাল মারাকী, পৃ. ৭১৫
২২. যাকাত ওয়াজিব হওয়ার পর যদি যাকাত অনাদায়ী থাকে আর ইত্যবসরে সমস্ত মাল বরবারদ হয়ে যায় তাহলে আর যাকাত আদায় করা লাগবে না। আর যদি কিছু মাল বরবাদ হয় তাহলে ঐ অংশের যাকাত দেয়া লাগবে না। তবে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে নষ্ট করে তাহলে যাকাত আদায় করা আবশ্যক।- আদদুররুল মুখতার ও শামী ৩/২০৭-২০৮
২৩. স্ত্রীর মহর অনাদায়ী থাকলে যদি তা পরিশোধ করার ইচ্ছা থাকে তাহলে যাকাতের নেসাব থেকে এই ঋণ বিয়োগ করে বাকী অংশের যাকাত দিলে চলবে। আর যদি পরিশোধ করার ইচ্ছা না থাকে তাহলে এটাকে এই বছরের নেসাব থেকে বিয়োগ করা যাবে না।- আলমগীরী ১/১৭৩
২৪. কেউ যদি হজের জন্য টাকা জমা করে তাহলে ঐ টাকার যাকাত আদায় করাও ফরয। হজের কাজে টাকা খরচ হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতি বছর ঐ টাকার যাকাত আদায় করতে হবে। আলমগীরী ১/১৭৩
২৫. কেউ যদি বাড়ি করার উদ্দেশ্যে টাকা জমা করে তাহলে বাড়ির কাজে ঐ টাকা খরচ হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতি বছর ঐ টাকার যাকাত আদায় করতে হবে। -নায়াদিদুরুল ফিকহ ১/৩৭৮-৩৮৪
২৬. যে মাল ক্রয় করার পর এখনো হস্তগত হয়নি তার যাকাত দেয়া লাগবে না। হ্যাঁ, হস্তগত হওয়ার পর যাকাত আদায় করা জরুরী।- আল বাহরুর রায়েক ২/৩৫৫ জাদীদ ফিকহী মাসায়েল ১/২১৯
২৭. হালাল ও হারাম মাল একত্রে মিশ্রিত হলে যদি হারাম মালের পরিমাণ ও মালিক জানা থাকে তাহলে তা মালিককে ফেরত দেয়া জরুরী। আর যদি পরিমাণ জানা থাকে; কিন্তু মালিক জানা নেই বা তাকে পৌছানো সম্ভব নয়; তাহলে এক্ষেত্রে ঐ টাকাগুলো মালিকের পক্ষ থেকে সাদাকা করে দিবে। পক্ষান্তরে যদি হারাম মালের পরিমান ও মালিক জানা না থাকে; আর হালাল মালের পরিমাণ হারামের চেয়ে বেশি হয় ও হারাম মাল চিহ্নিত করা না যায় এ ক্ষেত্রে সকল মাল একত্রে হিসাব করে পুরাটার যাকাত আদায় করা জরুরী।- শামী ৩/২১৭-২১৮, েইমদাদুল ফাতাওয়া ২/১৪, জাদীদ ফিকহী মাসায়েল ১/২১৬-২১৭
২৮. স্বর্ণ-অলংকার ছাড়া অন্য কোন ধাতুর অলংকার বা মুক্ত কিংবা অন্য কোন মূল্যবান পাথরের অলংকার ব্যবসার উদ্দেশ্যে ক্রয়কৃত না হলে এগুলোর যাকাত দেয়া লাগবে না।- আরুরুল মুখতা-১৯৪

সম্পাদনায়ঃ
#মুফতী_দিলাওয়ার_হুসাইন

أول غرس أثمر من إصدارات مركز التطوير للمنهج النظامي تقبله الله ونفع به كما نفع بأصله
15/03/2025

أول غرس أثمر من إصدارات مركز التطوير للمنهج النظامي
تقبله الله ونفع به كما نفع بأصله

"متن العوامل"— هو الفاتحة الميمونة، والبداية المأمونة، دخل به إلى رحاب النحو الأولون والآخرون، واستظهره عن ظهر القلب السابقون واللاحقون، فكان إرثا معروفاً في المعاهد والمدارس، وكنزا ثمينا في الحلقات العلمية.

يزفه مركز التطوير للمنهج النظامي إلى قرائه الكرام بحلته القشيبة. 🌿

Address

Islamabad, Sarail
Brahmanbaria

Telephone

+8801715971573

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jamia Faruqia Wayejul Uloom Islamabad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share