18/09/2026
কিয়াংসাং স্টেশন থেকে মেট্রো দিয়ে সাসাং যাচ্ছিলাম। গন্তবে পৌছানোর পর এক্সিট হতে গিয়ে কার্ড পাঞ্চ করতে গিয়ে কার্ড খুজে পাই না। মনভুলো পন্ডিত ট্টেনে ফেলে রেখে আসছে।ইমার্জেন্সি বাটন প্রেস করতেই হম্পদম্প করে ছুটে এলো সাদা ভদ্রলোক। কার্ড হারিয়েছি বললেই সে নিজে গেট খুলে দিয়ে স্টেশন অফিসে নিয়ে গেলো। বললো ক্যাশ টাকা দিয়ে পেমেন্ট করেন। পেমেন্টের পর বললাম আমার এই চারটি কার্ড হারিয়েছে। কি করবো এখন।
ওনি সহ ইয়াং এক মহিলা আমার কথা শুনে অস্থির হয়ে উঠলেন। কিভাবে হলো? কোথা থেকে উঠছি,,,কি কি ছিলো, বিস্তারিত জানার চেষ্টা করলো। ভদ্রলোক ভাললই ইংরেজি জানে বলে আমাকে বেগ পেতে হয় নিই। তবে কিয়াংসাং আর ইয়াংসাং বুঝাতে সময় লেগেছে। কারণ দুটো দুইদিকের স্টেশন। খাতায় বিস্তারিত অভিযোগ লিখে, আমাকে নিয়ে নিচে আসলেন কোন দিক দিয়ে নেমেছি মনে করতে পারি কি না। আমি সেটাও না বলতে পারাতে ওনি ওনার মাথা চুলকালো অনেকক্ষণ। বুঝলাম অনেক টেনশন করতেছে।
নিজেই বললাম Relux plz. ১০ মিনিট সময় চাওয়ার পর তিনজন মিলে একের পর এক ফোন করতে লাগলো। আমি দুরে যাবো তাই সময় দিতে অপারগতা পোষন করলাম। ওনি বিস্তারিত নিয়ে অফিসিয়াল নাম্বার দিয়ে বিদায় জানাতে হাত নাড়তেই বললো টাকা আছে তোমার কাছে?
কোথায় যাবো জিজ্ঞেস করতেই বললো- lets go..
আমাকে স্টেশন পর্যন্ত পৌছে দিলো।
দুরের যাত্রার বাস আধাঘন্টা যেতেই ফোন আসলো তার দেওয়া নাম্বার থেকে।
বললো তোমার হারানো জিনিস পাওয়া গেছে। কখন এবং কোথায় নিতে পারবে। বললাম সোমবার ক্লাস আছে, ৯-১০ এর মধ্যে নিতে যাবো বললাম, ওনি নিকটস্থ স্টেশনে পৌছে দিবে বলে,,,আমার সমস্যার জন্য আন্তরিক ক্ষমা প্রার্থনা করলেন।
সোমবার ৯:৫৫ এ ফোন দিছে আমি কখন আসবো। বললাম ১১ মধ্যে আসবো। আবার ১১ বাজার সাথে সাথে ফোন দিছে। কোন সমস্যা কি না। কেন আসছি না।
এগারোটার পর গিয়ে হাজির হলাম।
গিয়ে বলার সাথে সাথে কার্ড নিয়ে হাজির।
বাসার ঠিকানা থাকলে পৌছে দিতো বলে সরি বলে গদগদ।
মনে মনে ভাবলাম এতগুলো কার্ড হারানোর পরও এত দ্রুত অক্ষত অবস্থায় পাওয়াও যায়।
কি আজিব সিস্টেম
চলে আসো কোরিয়া,,
-জাহিদুল ইসলাম
সাবেক জবি শিবির নেতা।