Mahdi Hassan

Mahdi Hassan আমাদের অন্তর সবসময়ই চিরসত্য টি আমাদের কে বলে আমরা যা কিছুই করিনা কেন সবই।

23/03/2026
18/11/2021

পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে, পরিকল্পনা পরিবর্তন করো,
কিন্তু লক্ষ পরিবর্তন করবে না,,,
(আরতুগ্রুল গাজী)

06/11/2021

অতীতকে তুমি বদলাতে পারবে না, কিন্তু তুমি চাইলে বর্তমানকে ব্যবহার করে ভবিষ্য‌ৎকে আরো সুন্দর করে সাজিয়ে নিতে পারো।
❣️❣️

26/10/2021

কতবার ফিরে আসি, ওয়াদা করি, কতবার কত কথা বলি, কতবার নিশ্চুপ থাকি, কতবার রুটিন করি, কতবার তাই আবার ভাঙ্গি, শুধু তো আমার রবই জানে এসব কথা। শুধু আমার রবই জানে আমার সব সুখ, দুঃখ, কান্না, আনন্দ, নির্ঘুম রাত, কষ্টের সকাল,কল্পনা, বাস্তবতা, সপ্ন, আশা , ভরসা। তাকেই যে ভালোবাসি। তাকে ভালোবেসেই যে জীবন পার করতে চাই। তার খুশিতেই তে মৃত্যুবরণ করতে চাই....

يا الله! اللهم اني اسالك حسن الخاتمه!

20/10/2021

আজকের দিন থেকে আগামীকাল আমি ধ্বংসের ধারে,পরশুদিন আমি ধ্বংসের আরও বেশি পারে।

হালাল ও হারামের পার্থক্যের একটি রূপক দৃশ্য!হালাল সবসময়ই—নির্ভয়। নির্বিঘ্ন। নির্মল। নিঃসঙ্কোচ। সচ্ছন্দ। সাবলীল। আর হারাম ...
25/09/2021

হালাল ও হারামের পার্থক্যের একটি রূপক দৃশ্য!

হালাল সবসময়ই—
নির্ভয়। নির্বিঘ্ন। নির্মল। নিঃসঙ্কোচ। সচ্ছন্দ। সাবলীল।

আর হারাম সবসময়ই—
অপবিত্র। অগোচর। অপাক্তেয়। অযোগ্য। অভব্য। অসভ্য। অপূর্ণ। অগ্রহনযোগ্য।

রাব্বে কারীম আমাদের সবসময় হালালে অভ্যস্ত করুন। হারাম থেকে যোজন যোজন দূর সরিয়ে রাখুন। আমিন।

©

18/09/2021

হাফেজ আবু রায়হানের বর্তমান অবস্থা | আবু রায়হানের চিকিৎসার দ্বায়িত্ব নিয়েছে তারবিয়াহ চ্যারিটি ও পবিত্র কুরআনের আলো।
পরিচালনায় শায়খ মোখতার আহমাদ

09/09/2021

নিজের জমি বিক্রি করে বই ছাপিয়ে হাদিয়া দেওয়ার মাধ্যমে ইলম বিতরণ করেন এমন কাউকে চিনেন ?

তিনি হলেন,মুফতীয়ে আযম আব্দুস সালাম সাহেব রাহিমাহুল্লাহ । হাটহাজারী মাদরাসা কেন্দ্রিক তাঁর পরিচয় ছাড়াও তাঁকে সংক্ষেপে চিনতে পারেন এভাবে-

▪️তিনি বর্তমান বাংলাদেশের মুফতীয়ে আ'জম

▪️তিনি জগদ্বিখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা ইউসুফ বানূরী (রহঃ) এবং মুফতী ওয়ালী হাসান টুংকী (রহঃ) এর হাতেগড়া শিষ্য।

▪️ ইফতা পড়াকালীন ২ বৎসরে প্রায় ৪০ হাজার পৃষ্ঠারও অধিক মুতালা'আ করেছেন।

▪️ পরবর্তীতে সেখানে দায়িত্ব পালনকালীন ৩০ বছরে ৩ লক্ষাধিক ফতোয়া তাঁর স্বাক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে।

▪️তিনি জামিয়া বানূরী টাউন করাচীতে দীর্ঘকাল প্রধান মুফতীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

▪️তিনি সেখানে মুসলিম ও তিরমিযীর দরস দিতেন।

▪️উর্দূ ভাষায় তাঁর রচিত গবেষণাধর্মী বই এখনো পাকিস্তানে ব্যাপক মূল্যায়ন হয়।

▪️তাঁর রচিত গ্রন্থাবলীর মধ্যে ৫ খন্ডে "জাহিরুল ফতাওয়া" এক অনবদ্য ফতোয়াগ্রন্থ।

এ ফতোওয়া গ্রন্থ নিয়ে মূল্যবান এক স্বপ্নের বাশারতও আছে।

▪️তিনি পাকিস্তান থাকাকালীন কোন ফিকহী সেমিনার তাঁকে ছাড়া যেন কল্পনাই করা যেতনা !

▪️দেশে চলে আসার প্রবল ইচ্ছা সত্ত্বেও তাঁর পদে যোগ্য কাউকে না পাওয়ায় তৎকালীন মুহতামিম মুজাহিদে ইসলাম শহীদ ড. নিজামুদ্দীন শামেযী (রহঃ) তার চলে আসার দরখাস্ত মঞ্জুর করছিলেননা, পরিশেষে শারীরীক অসুস্থতা বেড়ে গেলে তিনি অব্যাহতি দিয়ে দেশে চলে আসলেও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ তাঁর প্রধান মুফতী পদে অন্য কাউকে নিয়োগ দেননি, (নায়েব) সহকারী দিয়েই কাজ আঞ্জাম দিতেন। মুফতীয়ে আযম বাংলাদেশ থেকে সময়ে সময়ে গিয়ে তাদরীস ও ফতোওয়ার কার্য আঞ্জাম দিতেন।

তারপর শারীরিক দুর্বলতা ও ভিসা জটিলতা শুরু হওয়ার পর থেকে বেশ কয়েক বছর যাবত যাতায়াত বন্ধ।

দূর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে এ জীবন্ত মহীরুহ কে পাকিস্তান মূল্যায়ণ করতে পারলেও আমরা চিনতে পারিনি।
সাম্প্রতিক জুমআ' ও জামাত কেন্দ্রিক মাসআলায় তাঁর ফতোয়ার আলোকে সবাই নড়ে চড়ে বসেন। এবং নযরে সানী করতে শুরু করেন নিজেদের রায়ের উপর।

হজরত মুফতীয়ে আযম আবদুস সালাম ছাহেব হাফিজাহুল্লাহ আমাদেরকে লক্ষ্য করে বললেনঃ-

'আমি যখন রুম থেকে বের হলাম, তখন হঠাৎ মনের মধ্যে ইচ্ছা জাগলো যে আজ তোমাদের জামিয়া নিউ টাউন পাকিস্তানের কাহিনী শুনাবো।তো প্রথমে তোমাদের একটি কথা বলি, যদি তোমরা আল্লাহ তাআলার কাছে কিছু চাও, তাহলে আখেরাতের জিনিসই চাও।

আল্লাহ তাআলার রেযা চাও, তাঁর ইলম চাও, তাঁর মুহাব্বাত চাও।

জামিয়া নিউ টাউনে আমার একত্রিশ বছর কেটেছে।
তিন বছর লেখা-পড়ায় আর আঠাশ বছর উসতায হিসাবে।
আস্ত বাংলা মূলকের মধ্যে ওখানে আমি একাই ছিলাম।
কোন আত্মীয়-স্বজন ছিল না। কাছের কোন মানুষ-ই ছিল না।

আমরা দরসে মাগরিবের পর মুতালাআ করতাম। এশার পর যার যার রুমে চলে যেতাম। একদিন এশার সময় যার যার রুমে চলে যাব, এমন সময় হঠাৎ একজন এক এক করে জিজ্ঞেস করতে লাগলো যে, দুনিয়াতে তারা কী কী চায় ?
সবাই যার ইচ্ছা বললো।

যখন আমার পালা এলো , তখন আমি বললাম, ভাই আমি এই দরসগাহের মতো একটি রুম চাই। যেখানে আলমারি ভর্তি কিতাব থাকবে, আর আমি বসে বসে মুতালাআ করতে পারব!

এই কথাটি বলার সময় আমার মাথায় জামিয়া নিউ টাউনে খেদমত করার ধারণাই ছিল না। কেননা, জামিয়া নিউ টাউনে আমার খেদমত করার কোন কারণই ছিল না।
আমার কোন আত্মীয়-স্বজন নেই, যারা আমার জন্য সুপারিশ করবে।

অতপর জুমাদাল উলার পনেরো তারিখ জামিয়া থেকে আমরা ফারিগ হলাম। আমি ইরাদা করলাম যে, দেশে চলে যাব। আল্লামা ইউসুফ বিন্নুরী (রাহিঃ) এর কাছে গিয়ে দেশে আসার জন্য ইযাজত চাইলাম।

তিনি আমাকে বললেন, "তুমি দু'মাস মাদরাসার খুসুসি মেহমান খানায় থাকো।"

জামিয়া নিউ টাউনে দুটি মেহমান খানা ছিল। একটি ছাত্র ও উসতাযদের মেহমানদের জন্য আর অন্যটি আম মেহমানদের জন্য।

আল্লামা বিন্নুরী আরো বললেন, "বাদশাহ খান (মেহমান খানার খাদিম) সকাল-সন্ধ্যা তোমার খাবার পৌঁছে দেবে।
দু'মাস পর তোমার ব্যাপারে আমরা কিছু ভাববো।"

তিনি কী ভাববেন তা বলেননি। আমি ভেবেছি হয়ত অন্যকিছু। চারদিন মেহমান খানার বন্ধ রুমে কেটে গেল।
হঠাৎ ভাবলাম করাচী চলে যাই। ওখানে আমার একজন দোস্ত একটি মসজিদের ইমাম। তার কাছে চলে যাওয়ার ইরাদা করলাম।

বাদশাহ খানকে ডেকে বললাম, আমি আমার এক দোস্তের সাথে দেখা করতে যাচ্ছি। শায়খ বিন্নুরী জিজ্ঞেস করলে তা বলবে, ব্যস আর কিছু বলবে না।

করাচীতে দোস্তের কাছে চলে গেলাম।

একদিন দু'দিন করে পনেরো দিন থেকে গেলাম। পনেরো নাম্বার দিনে স্বপ্নে দেখলাম যে, আল্লামা বিন্নুরী আমার গ্রামের বাড়ীতে আমাকে খুঁজতে গেছেন। তখন আমি আমাদের গ্রামের মসজিদে অজু করছি। মুয়াজ্জিন সাহেব এসে আমাকে বললেন, আরে আপনি এখানে! এদিকে আল্লামা বিন্নুরী আপনার জন্য আপনার ঘরে বসে অপেক্ষা করছেন। যান, তাঁর জন্য খাবার-দাবারের ইন্তেজাম করেন।

অতঃপর দেখলাম যে, আমি ঘরে পৌঁছে গেছি।
আল্লামা বিন্নুরী আমাকে দেখে বললেন,"তুমি কোথায় ?
তোমাকে আমি নিতে এসেছি"।

শায়খ বিন্নুরীর কাছে আমার পিতা দাঁড়িয়ে ছিলেন।
আমি শুধু চোখ তুলে তাঁর দিকে তাকালাম। সাথে সাথে আমার পিতা বললেন, তুমি হযরতের সাথে চলে যাও।
আমার কোন বাঁধা নেই।

তখন শায়খ বিন্নুরী বললেন, "তুমি নিউ টাউনে যে খেদমত করতে পারবে, দুনিয়ার কোথাও আর তেমন খেদমত করতে পারবে না। আমি আজ চলে যাচ্ছি, তুমি আগামীকাল রওয়ানা হয়ে যেয়। প্রতি বছরের শেষ দিকে বাড়ীতে এসে মা-বাবার খেদমত করতে পারবে"।

অতঃপর দেখলাম, আল্লামা বিন্নুরীকে নৌকায় তুলে দেয়ার জন্য আমাদের বাড়ীর কাছের নদীতে আসলাম। আল্লামা বিন্নুরী নৌকার ইঞ্জিল স্টার্ট দিয়ে নৌকা নিয়ে চলে গেলেন।
আর আমি বাড়ীতে যাওয়ার জন্য ফিরতি পথ ধরলাম।

এই অবস্থায় আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল। চেয়ে দেখি আমি করাচীতে!আরে আমি না বাড়ীতে ছিলাম! আল্লামা বিন্নুরীকে খানা খাওয়ালাম! এখানে কীভাবে এলাম!!

অতঃপর আসল ঘটনা স্মরণ হলে, আমার দোস্তকে বললাম যে, আজ আমি নিউ টাউন যাব। স্বপ্নের কথা তাঁকে বললাম না।

করাচী থেকে নিউ টাউনের দূরত্ব হলো, সাত-আট মাইলের।
কিন্তু আমার কাছে গাড়ী ভাড়ার টাকা নেই। দোস্তকেও বললাম না টাকার কথা। কারো কাছে হাতপাতা আমার তবিয়ত বিরোধী। করাচী থেকে হেঁটেই রওয়ানা দিলাম।
দশঘন্টা পর জামিয়া নিউ টাউনে পৌঁছলাম।

প্রথমেই দেখা হলো মুফতী অলি হাসান (রাহিঃ) এর সাথে।
তখন তিনি তিরমিযির দরস দিয়ে মাত্র মাদরাসার দফতরে বসছেন। আমাকে দেখেই বললেন,"আরে ইয়ার তুমি কোথায় চলে গেলে !? আমরা তোমাকে খুঁজে খুুঁজে হয়রান!"

মুফতী ছাহেব (রাহিঃ) সবাইকে ইয়ার বলে সম্বোধন করতেন।
উনার কথা শেষ হওয়ার সাথে সাথে পাকিস্তান বেফাকুল মাদারিসের নাযিম মাওলানা ইদরিস ছাহেব (রাহিঃ) দফতরে ঢুকেই আমার হাত ধরে মুফতী ছাহেবকে বললেন,"ও একটা চোর! আমাদেরকে না বলেই কোথায় চলে গিয়েছিল।
ওকে ভালভাবে ধরে রাখুন"।

মাওলানা ইদরিস ছাহেব মুফতী ছাহেবকে আরো বললেন," ওর কদর করো, ও চলে গেলে ওকে আর তোমরা পাবে না"।

মাওলানা ইদরিস ছাহেব মুফতী ছাহেবকে আরো বললেন,"আমাকে একটি কাগজ দিন"।

মুফতী ছাহেব তাঁকে কাগজ দিলে, মাওলানা ইদরিস ছাহেব আমাকে বললেন," এখানে দু'লাইনের একটি দরখাস্ত লেখো মাওলানা ইউসুফ বান্নুরীর কাছে যে, আমি শুনেছি আপনার মাদরাসায় একজন মুফতীর পদ খালি আছে। আমাকে রাখার জন্য মুনাসিব মনে করলে মেহেরবানি হবে"।

মাওলানা ইদ্রিস ছাহেব বললেন আর আমি লেখলাম।
যবান তাঁর কলম আমার।

লেখা শেষ হলে তিনি নিজে দরখাস্তের মধ্যে দস্তখত করে মুফতী ছাহেবকে বললেন, "তুমিও এখানে দস্তখত করো"।
মুফতী ছাহেব দস্তখত করলে মাওলানা ইদ্রিস ছাহেব আমাকে বললেন, "এখনি এটা নিয়ে আল্লামা বিন্নুরির কাছে যাও"।

আমি আল্লামা বিন্নুরির কামরায় গিয়ে দেখি দরজা অর্ধেক খোলা অর্ধেক বন্ধ।

আস্তে করে একটি টোকা দিলাম।

ভিতর থেকে হুংকার আসলো, কে ?

বাঘের বাচ্চা, বাঘের মতোই আওয়াজ!বললাম, আবদুস সালাম।
তিনি বললেন, ভিতরে আস।

ভিতরে গেলে আমাকে বললেন," তুমি কোথায় চলে গিয়েছিলে! ?

আমি তোমাকে খুঁজতেছি"। বললাম, এক দোস্তের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম, দেরি হয়ে গেছে। অতঃপর দরখাস্ত তাঁর কাছে দিলাম।

তিনি বললেন, "ব্যস কাজ তো হয়ে গেল, মুফতী ছাহেব আর বেফাকের নাযিম যেখানে দস্তখত করেছেন, সেখানে আমার বলার আর কী আছে! তুমি এখনি গিয়ে দারুল ইফতায় বসে যাও"।

তাঁর কামরা থেকে বের হয়ে দেখি মাওলানা ইদ্রিস ছাহেব ও মুফতী ছাহেব আমার জন্য অপেক্ষা করছেন।
আমাকে দেখেই তাঁরা জিজ্ঞাস করলেন, "তিনি কী বললেন ?"

বললাম, তিনি বলছেন, এখনি দারুল ইফতায় বসার জন্য।
তখন মাওলানা ইদ্রিস ছাহেব মুফতী ছাহেবকে লক্ষ্য করে বললেন, "ও-কে তুমি নিজে তোমার সাথে রেখে সবকিছু শিখিয়ে দেবে"।

অতঃপর মুফতী ছাহেব হুজুর আমাকে নিয়ে দারুল ইফতায় গেলেন। তাঁর ডেস্কের পর'ই আমার ডেস্ক বসালেন!
আমার ডেস্কের পর অন্যান্য মুফতী ছাহেবদের ডেস্ক!!

আছরের পর নিজ রুমে ঢুকে কেঁদে ফেললাম।
(এই কথা বলার সময় হুজুর কেঁদে ফেললেন) জামিয়া নিউ টাউনের মতো মাদরাসায় আমার খেদমত করার সুযোগ হলো! এখানে তো আমার কেউ নেই! আমি তো আল্লাহ তাআলার কাছে শুধু একটি কিতাব ভর্তি আলমারি চেয়েছিলাম। তার পরিবর্তে এতো বড় বিনিময় যে পাবো তা-তো কল্পনাও করিনি!!

শায়খ চাটগামি বলেন, আল্লাহ তাআলার কাছে কিছু চাইলে আখেরাতের জিনিস চান। বান্দা যখন আল্লাহর কাছে আখেরাতের কোন জিনিস চায়, আল্লাহ তখন হেসে ফেলেন!
আরে আমার বান্দা আমার কাছে এতো ছোট জিনিস চাচ্ছে!
আল্লাহ তাআলা তখন বান্দার ধারণার বাইরে আরো বড় নিয়ামত দান করেন। চাইলে আল্লাহ তাআলার রেযা, মুহাববাত, ইলম চাও।'

আহ্ হজরত আজ আমাদের এতিম করে চলে গেলেন।

লিখেছেন, আবদুল্লাহ আল নোমান ও হাসান আনহার ভাই

08/09/2021

“একজন বিদ্যানের মৃত্যু মানে জগতের মৃত্যু”

উপমহাদেশের অন্যতম বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী চট্টগ্রাম’এর প্রধান মুফতি ও সিনিয়র মুহাদ্দিস, আল্লামা ইউসুফ বিন্নুরি রাহিমাহুল্লাহর অন্যতম শিষ্য, ফিকহ্ ও ফতোয়ার পুরোধা ব্যক্তিত্ব, বহু ফিকহী গ্রন্থের রচয়িতা, মুফতিয়ে আযম বাংলাদেশ, আল্লামা আবদুস সালাম চাটগামী রহ. আমাদের এতিম করে মাওলায়ে হাকিকীর সান্নিধ্যে পৌছে গেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

রাব্বে কারীমের নিকট আরজি, শাইখুল উলামা ওয়াল ফুকাহা, লাখো আলেমের উস্তায, অত্যন্ত নরম হৃদয়ের অধিকারী এ বান্দাকে জান্নাতের সুউচ্চ মাকাম দান করুন।

মরহুমের পরলোক গমনে শুধু হাটহাজারি মাদরাসায় শূন্যতা নয়; বরং পুরো মুসলিম মিল্লাতের মাঝে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা পূরণ হবার নয়। আল্লাহর কাছে মিনতি যে, জামাআতে উলামার উপর রহম করুন। উম্মুল মাদারিসের জন্য নি‘মাল বদল দান করুন। আমীন।

মৃত্যু নিয়ে এতো সুন্দর লেখা আগে পড়িনিএকটু পড়েই দেখুন না। জাযাকাল্লাহ।পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্...
07/09/2021

মৃত্যু নিয়ে এতো সুন্দর লেখা আগে পড়িনি
একটু পড়েই দেখুন না। জাযাকাল্লাহ।

পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি -

"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"

يُجَرِّدُونَنِي مِنْ مَلَابِسِي

তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,

يَغْسِلُونَني

আমাকে গোসল করাবে,

يَكْفِنُونَنِي

(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,

يُخْرِجُونَنِي مِنْ بَيْتِي

আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,

يَذهَبُونَ بِي لِمَسَكِنِي الجَدِيدِ (القَبْرُ)

আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,

وَسَيَأتِي كَثِيرُونَ لِتَشْيِيْعِ الجَنَازَتِي

আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,

بَلْ سَيَلْغِي الكَثِيرُ مِنهُم أَعْمَالَهُ وَمَوَاعِيدَهُ لِأَجْلِي دَفْنِي

অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,

وَقَدْ يَكُونُ الكَثِيرُ مِنهُم لَمْ يَفَكِّرْ في نَصِيحَتِي يَوماً مِنْ الأيّامِ

কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,

أَشْيَائِي سَيَتِمُّ التَّخَلُّصُ مِنهَا

আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,

مَفَاتِيحِي

আমার চাবির গোছাগূলো,

كِتَابِي

আমার বইপত্র,

حَقِيبَتِي

আমার ব্যাগ,

أَحْذِيَتِي

আমার ‍জুতোগুলো,

وإنْ كانَ أَهْلِي مُوَفِّقِينَ فَسَوفَ يَتَصَدِّقُونَ بِها لِتَنْفَعَنِي

হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,

تَأَكِّدُوا بِأَنَّ الدُّنيا لَنْ تَحْزَنْ عَلَيَّ

এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,

وَلَنْ تَتَوَقَّفْ حَرَكَةُ العَالَمِ

এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,

وَالاِقْتِصَادُ سَيَسْتَمِرُ

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে,

وَوَظِيْفَتِي سَيَأتِي غَيرِي لِيَقُومَ بَها

আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,

وَأَمْوَالِي سِيَذْهَبُ حَلَالاً لِلوَرَثِةِ

আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,

بَينَمَا أنا سَأُحَاسِبُ عَليها

অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,

القَلِيلُ والكَثِيرُ.....النَقِيرُ والقَطمِيرُ......

ছোট এবং বড়….অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)

وَإن أَوَّلَ ما مَوتِي هو اِسمِي !!!!

আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!

لِذَلكَ عِنْذَما يَمُوتُ سَيَقُولُونَ عَنِّي أَينَ "الجُنَّةُت"...؟

কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?

وَلَن يَنَادُونِي بَاِسمِي....

কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,

وَعِندَما يُرِيدُونَ الصَّلاةَ عَلَيَّ سِيَقُلُونَ اُحْضُرُوا "الجَنَازَةَ" !!!

যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,

وَلَن يُنَادُونِي يِاسْمِي ....!

তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না….!

وَعِندَما يَشْرَعُونَ بِدَفنِي سَيَقُولُونَ قَرِّبُوا المَوتَ وَلَنْ يَذكُرُوا اِسمِي ....!

আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না…!

لِذَلِكَ لَن يَغُرَّنِي نَسبِي وَلا قَبِيلَتِي وَلَن يَغُرَّنِي مَنْصَبِي وَلا شَهرَتِي ....

এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,

فَمَا أَتْفَهُ هَذِهِ الدُّنْيَا وَمَا أَعْظَمَ مُقَلِّبُونَ عَليهِ .....

এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়…

فَيا أَيُّهَا الحَيُّ الآنَ ..... اِعْلَمْ أَنَّ الحُزْنَ عَليكَ سَيَكُونُ على ثَلَاثَةٍ أَنْواعٍ:

অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,….জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দু:খ করা হবে,

1ــ النَّاسُ الَّذِينَ يَعْرِفُونَكَ سَطْحَيّاً سَيَقُولُونَ مِسْكِينٌ

১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,

2ــ أَصْدِقَاؤُكَ سَيَحْزُنُونَ سَاعَات أَو أَيَّامَاً ثُمَّ يَعُودُونَ إِلَى حَدِيثِهِم بَلْ وَضَحِكَهُم.....

২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দু:খ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,

3ــ الحُزْنُ العَمِيقُ فِي البَيْتِ سَيَحْزُنُ أَهْلِكَ أُسْبُوعاً.... أُيسْبُوعَينِ شَهراً ....شَهرَينِ أَو حَتَّى سَنَةً وَبَعْدَهَا سَيَضْعُونَكَ فِي أَرْشِيفِ الذَّكَرِيّاتِ !!!

৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দু:খ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!!!

اِنْتَهَتْ قِصَّتُكَ بَينَ النَّاسِ وَبَدَأَتْ قِصَّتُكَ الحَقِيْقِيّةِ وَهِيَ الآخِرةُ ....

মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,

لَقدْ زَالَ عِندَكَ:

তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):

1ــ الجَمَالُ

১. সৌন্দর্য্য

2ــ والمَالُ

২. ধনসম্পদ

3ــ والصَحَّةُ

৩. সুস্বাস্থ্য

4ــ والوَلَدُ

৪. সন্তান-সন্তদি

5ــ فَارقَت الدَّور

৫. বসতবাড়ি

6ــ القُصُورُ

৬. প্রাসাদসমূহ

7ــ الزَوجُ

৭. জীবনসঙ্গী

وَلَمْ يَبْقِ إِلَّا عَمَلُكَ

তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,

وَبَدَأَتِ الحَيَاةُ الحَقِيقَيَّةُ

শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,

وَالسُّؤَالُ هُنا : ماذا أَعْدَدْتَ لِلقُبَرِكَ وَآخِرَةَكَ مِنَ الآنَ ؟؟؟

আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?

هَذِهِ حَقِيقَةٌ تَحْتَاجُ إلى تَأمَّلٍ

*ব্স্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,*

لِذَلِكَ أحرصُ عَلى :

এজন্য ‍তুমি যত্নবান হও,

1ــ الفَرَائِضِ

১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি

2ــ النَّوَافِلِ

২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি

3ــ صَدَقَةُ السِّرِّ

৩. গোপন সাদাকাহ’র প্রতি

4ــ عَمَلُ الصَّلِحِ

৪. ভালো কাজের প্রতি

5ــ صَلاةُ اللَّيلِ

৫. রাতের নামাজের প্রতি

لَعَلَّكَ تَنْجُو....

যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো….

إِنْ سَاعَدْتَ عَلى تَذْكِيرِ النَّاسِ بِهَذِهِ المُقَالَةِ وَأنتَ حَيُّ الآنَ سَتَجِدُ أَثَرَ تَذكِيرِكَ في مِيزَانِكَ يَومَ القِيامَةِ بِإِذْنِ اللهِ .....

এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ’র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,

قال الله تَعالى : ((فَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَ تَنْفَعُ المُؤمِنِينَ))

আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))

لِمَاذَا يَخْتَارُ المَيِّتِ "الصَّدَقَةَ لو رَجَعَ للدُّنيا....

তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?

كَمَا قَالَ تَعَالى: ((رَبِّ لَو لا أَخَّرْتَنِي إلى أَجَلٍ قَرِيبٍ فَأَصَّدَّقَ....))

আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম….))

ولَمْ يَقُلْ :

তারা বলবে না,

لِأعتَمَرَ

উমরাহ পালন করতাম,

أو لِأُصَلَّي

অথবা, সালাত আদায় করতাম,

أو لِأصُومُ

অথবা, রোজা রাখতাম,

قالَ العُلَماءُ : ما ذَكَرَ المَيِّتُ الصَّدَقَةَ إلا لِعَظِيمِ مَا رَأى مِن أَثَرِها بَعدَ مَوتِهِ

আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ’র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে,

فَأَكْثِرُوا مِنَ الصَّدَقَةِ وَمِن أَفضَلِ ما تَتَصَدَّقُ بِهِ الآنَ 10 ثَوَان مِنْ وَقْتِكَ لِنشَرِ هذا الكَلامَ بِنِيَّةِ النَّصْحِ فَالكَلمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ.

আর, গুরুত্ববহ এই সাদাকাহ’র কাজটি তুমি এই কথাগুলো ছড়িয়ে দিয়ে মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করে করতে পারো, যদি তোমার উদ্দেশ্য হয় এর মাধ্যমে মানুষকে উপদেশ প্রদান করা। কারণ, উত্তম কথা হল এক ধরণের সাদাকাহ।।।
-সংগৃহীত।

15/08/2021

Address

Dhaka

Telephone

+8801986762500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahdi Hassan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share