Irha's desire

Call Website Contact the university

Irha's desire "যে নিজেকে পানি দিয়ে ভেজায়, সে কাপড় বদলায়। যে ঘাম দিয়ে ভেজায়, সে ভাগ্য বদলায়। আর যে রক্ত দিয়ে ভেজায়, সে ইতিহাস বদলায়।" - ইবনে আরাবি

"স্যার আমি স্ট্রোক করা মানুষ,পেটের দায়ে আসছি, আমার গাড়ির তার কাইটেন না স্যার। আমি হাঁটতে পারি না স্যার "কান্না করতে কর...
15/10/2026

"স্যার আমি স্ট্রোক করা মানুষ,পেটের দায়ে আসছি, আমার গাড়ির তার কাইটেন না স্যার। আমি হাঁটতে পারি না স্যার "

কান্না করতে করতে এমন ভাবেই বলতেছিলো রিক্সাচালক এই ভাইটি। কথা বলার সময় শরীর কাঁপতে থাকা+ চোখের ডেভিয়েশন দেখে মনে হইছে আসলেই স্ট্রোকের রোগী উনি।

কিন্তু পুলিশ শুনেনি তার কথা। রিক্সার তার কেটে দিয়েছে। একজন সুস্থ রিক্সাওয়ালার তার কেটে দিলে, সে ঠেলে রিক্সা নিয়ে যেতে পারবে। কিন্তু এই প্যারালাইসিস রোগীটা কিভাবে রিক্সা নিয়ে যাবে??

হ্যা তার অপরাধ ছিলো। কিন্তু সব জায়গায় আইন চলে না ভাই। কিছু কিছু জায়গায় মানবিকতা দেখানো উচিত।

অসুস্থ শরীর নিয়ে, একপাশে অবশ হওয়া অনুভূতি আর ভিজে যাওয়া দুই চোখে বেঁচে থাকার এই বুকফাটা আকুতিকে যে আইন দেখতে পায় না, সেই আইনের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা থাকবে কীভাবে?

দেশে খু'ন গুম রেপ হচ্ছে। সেগুলার ব্যাপারে আইন তো ঠিকই অন্ধ।

আইন তৈরি হয় মানুষের জন্য। কিন্তু সেই মানুষ কেই যদি কানতে হয় এরকম অসহায় ভাবে,তাইলে আইনের দাম থাকলো কই?

অপরাধের বিচার হতে পারে, কিন্তু মানবিকতার চেয়ে বড় কোনো আইন এই জগতে নেই। রিকশার কেটে ফেলা তার হয়তো আবার জোড়া লাগবে, কিন্তু একজন অসহায়, পঙ্গু মানুষের বুকে যে গভীর আঁচড় কেটে দেওয়া হলো, সেটার মাশুল দেবে কে?

মোঃ মেহেদী হাসান সাগর

12/10/2026

হাদীর চাইতে নুরের জনপ্রিয়তা বেশি। বিশ্বাস না হলে জানাজার ব্যবস্থা করে দেখেন।

☺️
10/10/2026

☺️

05/10/2026

Jahangirnagar University, Written in Poetry ❤️

A Film hy Himution-হিমুশন



ভাবা যায়! ছবির এই স্মার্ট, সাহেবি মানুষটিই ‘লালসালু’র কালজয়ী লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ!ছোটবেলা থেকে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহকে কল্পন...
24/09/2026

ভাবা যায়! ছবির এই স্মার্ট, সাহেবি মানুষটিই ‘লালসালু’র কালজয়ী লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ!

ছোটবেলা থেকে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহকে কল্পনা করলেই চোখের সামনে ভেসে উঠত খোঁচা খোঁচা কাঁচা-পাকা দাড়ি-গোঁফ, খাদি পাঞ্জাবি আর একেবারে সাদামাটা এক লেখকের চেহারা। অথচ ছবিতে তাঁকে দেখে সত্যিই অবাক হতে হয়!

চল্লিশের দশকের এই প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিকের কলমে উঠে এসেছে গ্রামবাংলার জীবন, মানুষের মনস্তত্ত্ব, বিশ্বাস, অন্ধত্ব আর সমাজের নানা গভীর বাস্তবতা। ‘লালসালু’, ‘বহিপীর’, ‘চাঁদের অমাবস্যা’, ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ বাংলা সাহিত্যে তাঁর সৃষ্টি আজও সমানভাবে আলোচিত।

সবচেয়ে অবাক করার বিষয়, যাঁর লেখায় এত গভীরভাবে ফুটে উঠেছে বাংলার মাটি ও মানুষের জীবন, তাঁকেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে একেবারে ভিন্ন এক রূপে স্মার্ট, আধুনিক ও স্বাধীনচেতা ব্যক্তিত্বে! ❤️

সাহিত্যিকের চেহারা কেমন হবে সে ধারণাটাও যেন সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ একাই বদলে দিয়েছিলেন! 😮‍💨

সাহিত্যকে জানার পাশাপাশি, সাহিত্যিক মানুষটিকেও একটু নতুন করে জানুন।

সংগৃহীত

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চুয়েট থেকে যাত্রা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ...
21/09/2026

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চুয়েট থেকে যাত্রা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক নেতৃত্বের দায়িত্বে পৌঁছেছেন প্রকৌশলী ড. নিয়াজ লতিফ। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পারডু ইউনিভার্সিটি নর্থওয়েস্টের একাডেমিক বিষয়ক সহযোগী উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে তিনি রবার্টস ইমপ্যাক্ট ল্যাব এবং বাণিজ্যিকীকরণ ও উৎপাদন উৎকর্ষ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক।

ড. নিয়াজ লতিফের এই অবস্থানে পৌঁছানোর গল্পের শুরু বাংলাদেশে। চুয়েটের যাত্রার আগের সময়ের শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতায় তিনি যান্ত্রিক প্রকৌশল বিষয়ে পড়াশোনা করেন। চুয়েট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ইউএসএর প্রোফাইলে তাঁকে যান্ত্রিক প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং তাঁর ভর্তি বছর ১৯৭২ দেখানো হয়েছে। পরবর্তী সময়ে উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান।

যুক্তরাষ্ট্রে তিনি সাউথ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর এবং কৃষি প্রকৌশলে আরেকটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর মিসৌরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি প্রকৌশলে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। তাঁর পেশাগত জীবনের শুরু হয় লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি-ইউনিসে প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষক হিসেবে। পরে তিনি নর্দার্ন কেনটাকি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।

একপর্যায়ে তাঁর একাডেমিক নেতৃত্বের পরিধি আরও বড় হতে থাকে। ১৯৯৯ সালে তিনি পারডু ইউনিভার্সিটি ওয়েস্ট লাফায়েটে শিল্প প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরে প্রযুক্তি কলেজে রাজ্যব্যাপী প্রযুক্তি প্রশাসনের সহকারী ডিনের দায়িত্বও পালন করেন। এরপর ২০০৭ সালে তিনি পারডু ইউনিভার্সিটি নর্থওয়েস্টে যোগ দেন এবং প্রযুক্তি কলেজের ডিন হিসেবে দায়িত্ব নেন।

ডিন হিসেবে তাঁর দায়িত্বের পরিধি ছিল বিস্তৃত। প্রযুক্তি শিক্ষার বিভিন্ন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কর্মসূচি পরিচালনার পাশাপাশি তিনি গবেষণা, শিল্পের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযোগ এবং নতুন একাডেমিক কর্মসূচি গড়ে তোলার কাজে যুক্ত ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে বিভিন্ন গবেষণা ও উদ্ভাবনকেন্দ্রিক উদ্যোগও বিস্তৃত হয়। পারডু ইউনিভার্সিটি নর্থওয়েস্টের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর একাডেমিক ও গবেষণা প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, প্রকৌশল শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও ড. নিয়াজ লতিফের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৌশল শিক্ষা ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অ্যাক্রেডিটেশন ও প্রকৌশল প্রযুক্তি শিক্ষার মানোন্নয়নেও তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি একসময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি, ব্যবস্থাপনা ও ফলিত প্রকৌশলবিষয়ক সংগঠনের নির্বাহী বোর্ডের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

পারডু ইউনিভার্সিটি নর্থওয়েস্টে তাঁর দায়িত্বের পরিধি সময়ের সঙ্গে আরও বিস্তৃত হয়েছে। গবেষণা ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার নেতৃত্বেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রম, স্নাতকোত্তর কর্মসূচি এবং বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্রের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকার অভিজ্ঞতা তাঁর একাডেমিক নেতৃত্বকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

আজকের অবস্থানে এসে চুয়েটের সাবেক এই শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানে একাডেমিক নীতি, শিক্ষা ও গবেষণাসংক্রান্ত নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত। একজন বাংলাদেশি প্রকৌশলীর শিক্ষার্থীজীবন থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছানোর এই দীর্ঘ পথ তাঁর পেশাগত যাত্রার বিস্তৃত পরিসরকে তুলে ধরে।

চুয়েটের শ্রেণিকক্ষ থেকে শুরু হওয়া সেই যাত্রা এখন পারডু ইউনিভার্সিটি নর্থওয়েস্টের একাডেমিক নেতৃত্বে। আর সেই নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়গুলোর একটি হলো একাডেমিক বিষয়ক সহযোগী উপাচার্য ড. নিয়াজ লতিফ।

ইন্টার্ন ডাক্তারদের শপথ গ্রহণ!এই মুহূর্তটা শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি বছরের পর বছর পরিশ্রম, অপেক্ষা আর স্বপ্ন পূরণের...
21/09/2026

ইন্টার্ন ডাক্তারদের শপথ গ্রহণ!
এই মুহূর্তটা শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি বছরের পর বছর পরিশ্রম, অপেক্ষা আর স্বপ্ন পূরণের এক গর্বিত মুহূর্ত।

আজ যারা সাদা কোট গায়ে দিয়ে শপথ নিচ্ছে, একদিন তারাও ছিল তোমার মতোই একজন মেডিকেল ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। বইয়ের পাতায় ডুবে থাকা, রাত জেগে পড়া, মডেল টেস্ট দেওয়া আর বারবার নিজেকে প্রস্তুত করার সেই দিনগুলো পেরিয়েই আজকের এই অবস্থান। ❤️

কল্পনা করো - একদিন তুমিও এই সাদা কোট গায়ে দাঁড়িয়ে থাকবে। তোমার হাতেও থাকবে শপথের কাগজ, আর চোখের সামনে থাকবে তোমার বহুদিনের স্বপ্নের বাস্তব রূপ। 🩺

সেই দিনটা হয়তো আজ অনেক দূরের মনে হচ্ছে।
কিন্তু মনে রেখো - বড় স্বপ্ন একদিনে পূরণ হয় না, প্রতিদিনের ছোট ছোট অধ্যবসায়ই একদিন সেই স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করে।

তাই আজ থেকেই প্রস্তুত হও।
সঠিক পরিকল্পনা, নিয়মিত অনুশীলন আর সঠিক দিকনির্দেশনাকে সঙ্গী করে এগিয়ে চলো তোমার স্বপ্নের পথে।

21/09/2026

দেশের সব ব্যাংক ও বিকাশ-নগদ-রকেটের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

20/09/2026
We are Sorry, অপ্রতিম! 🙏
20/09/2026

We are Sorry, অপ্রতিম! 🙏

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Irha's desire posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Irha's desire:

Shortcuts

Share