The University of Dhaka

The University of Dhaka This is the only Official page of the University of Dhaka.

The University of Dhaka is at the moment one of the leading institutions of higher education in Asia. The University of Dhaka is dedicated to the advancement of learning, and is committed to promoting research in all fields of knowledge. As there are plans for further expansion of facilities, plans for new avenues and opportunities, the course curricula are updated and new research projects are un

dertaken every year. As the pioneer and the largest seat of learning in the country, the University of Dhaka has taken the task to foster the transformation processes of the individual students and the country as a whole through its educational and research facilities keeping up with the demands of the day.

জাতীয় পরিবেশ পদক লাভ করায় ঢাবির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা)-কে বিশেষ সম্মাননা প্রদান‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫’ লাভ করায় ঢ...
10/08/2026

জাতীয় পরিবেশ পদক লাভ করায় ঢাবির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা)-কে বিশেষ সম্মাননা প্রদান

‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫’ লাভ করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আজ ১০ আগস্ট ২০২৬ সোমবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এক অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার, রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন ও হিসাব পরিচালক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন। এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা)-এর ছেলে-মেয়ে ও অফিস প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫’ লাভ করায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তাঁর এই অর্জনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার অত্যন্ত গর্বিত। গবেষণার এই ধারা অব্যাহত রেখে তিনি দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আরও সুনাম বয়ে আনবেন এবং আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থানকে সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে উপাচার্য আশা প্রকাশ করেন। প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে বিশ্বমানের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনি অন্য শিক্ষক ও গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি গবেষণা ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

উল্লেখ্য, পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে অসাধারণ অবদানের জন্য গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন ক্যাটাগরিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫’ লাভ করেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় গত ৭ জুন ২০২৬ এসংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে। গত ০৯ জুলাই ২০২৬ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট থেকে তিনি ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫’ গ্রহণ করেন।

প্রসঙ্গত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) এবং রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম পরিবেশ, বায়ু দূষণ ও প্রযুক্তি বিষয়ে প্রায় ২৫ বছর যাবৎ গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। বায়ু দূষণ, Atmospheric Science , জলবায়ু পরিবর্তন ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা পরিচালনা করে তিনি বাংলাদেশের বায়ুর মানোন্নয়ন, দূষণের উৎস শনাক্তকরণ ও এসংক্রান্ত প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁর অসংখ্য গবেষণা প্রবন্ধ দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম দেশ-বিদেশে অসংখ্য সম্মেলন ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন এবং ১৫০টিরও বেশি থিসিস তত্ত্বাবধান করেন।

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
পরিচালক
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাবি আন্তঃহল হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় ছাত্র বিভাগে জগন্নাথ হল এবং ছাত্রী বিভাগে রোকেয়া হল চ্যাম্পিয়নঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আন্...
10/08/2026

ঢাবি আন্তঃহল হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় ছাত্র বিভাগে জগন্নাথ হল এবং ছাত্রী বিভাগে রোকেয়া হল চ্যাম্পিয়ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আন্তঃহল হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় ছাত্র বিভাগে জগন্নাথ হল চ্যাম্পিয়ন এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল রানার্স-আপ হয়েছে। ছাত্রী বিভাগে রোকেয়া হল চ্যাম্পিয়ন এবং শামসুন নাহার হল রানার্স-আপ হয়েছে।

ছাত্রদের গ্রুপে হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের মানিক হাসান মীর ২৪টি গোল করে সেরা গোলদাতা হয়েছেন। এছাড়া, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের মো, মোনায়েম বিশ্বাস সেরা গোলরক্ষক এবং জগন্নাথ হলের গাথী ডারড সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন।
প্রতিযোগিতায় ছাত্রীদের গ্রুপে রোকেয়া হলের ইশরাত জাহান ২২টি গোল করে সেরা গোলদাতা ও তিথি রানী সেরা গোল রক্ষক হন। শামসুন নাহার হলের লামিয়া আক্তার লিমা সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন ।

প্রতিযোগিতা শেষে আজ ১০ আগস্ট ২০২৬ সোমবার শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হ্যান্ডবল কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এস এম মোস্তফা আল মামুন- সহ কেন্দ্রের কর্মকর্তাবৃন্দ, ডাকসুর নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন হলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
পরিচালক
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

10/08/2026

‘রক্তাক্ত জুলাই ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা |
ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদ

ঢাবি বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের নবীনবরণ ও বি...
10/08/2026

ঢাবি বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা আজ ১০ আগস্ট ২০২৬ সোমবার ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবু সায়েমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী নূরুল ইসলাম, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহ কাওসার মুস্তাফা আবুল উলায়ী, আন্তঃধর্মীয় ও আন্তঃসংস্কৃতি সংলাপ কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ এবং ছাত্র উপদেষ্টা ড. মুহা. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এবং ড. মো. দিদারুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। বিভাগের শিক্ষার্থী নূরুদ্দীন মুহাম্মাদ ও রিফাহ্ তাসনিয়া জামান অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।

প্রো- ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, ধৈর্য, সহনশীলতা, পরমতসহিষ্ণুতা, পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রাখতে হবে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আন্তঃসম্পর্ক উন্নয়নের উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষামূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেন।



মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
পরিচালক
জনসংযোগ দফতর
ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা‎ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন উপলক্...
10/08/2026

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা

‎ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা আজ ১০ আগস্ট ২০২৬ সোমবার স্কুল চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

‎ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. জামিল উদ্দীনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক হোসনে আরা বেগম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. ইসরাফিল প্রাং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মো. ইমরান কবির স্বাগত বক্তব্য দেন। সহকারী অধ্যাপক তাহেরা ইয়াসমিন, মো. সাইফুল ইসলাম আকন এবং প্রভাষক মোমিনুল ইসলাম অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে সমাজ থেকে সকল বৈষম্য দূর করতে হবে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে। স্বৈরাচারী বা ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধে সতর্ক থাকার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান। ন্যায়, সমতা ও মানবিক মূল্যবোধভিত্তিক একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে উপজীব্য করে ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া, রচনা ও চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।



মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
পরিচালক
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

A four-month professional programme on International Certification in Inclusive Insurance concluded The Certificate givi...
10/08/2026

A four-month professional programme on International Certification in Inclusive Insurance concluded

The Certificate giving and Closing Ceremony of International Certification in Inclusive Insurance programme was held on 8 August 2026 at Dhaka University (DU). The Centre for Policy Research on Business and Development (CPRBD) of the University of Dhaka organized this event in collaboration with the United Nations Development Programme (UNDP) Bangladesh.
The four-month programme brought together 10 National Trainers and 35 industry participants from insurance companies, banks, microfinance institutions, development organizations, research and consulting institutions, and other relevant organizations, with the aim of strengthening professional capacity to develop and deliver accessible, affordable and customer-centric insurance solutions for underserved communities. The programme covered four key areas: inclusive insurance and customer-centric product design; partnerships and distribution; customer-centric marketing, education, servicing and claims management; and building internal capacity to provide inclusive insurance, with a Training of Trainers component designed to establish a sustainable pool of national trainers and strengthen continued capacity development in Bangladesh.
Member (Non-Life) of Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) Mohammad Abu Bakar Siddique addressed the program as chief guest while Dean of the Faculty of Business Studies of DU Prof. Dr. Mahmood Osman Imam and Assistant Resident Representative of UNDP Bangladesh Sarder M. Asaduzzaman addressed it as special guests. Professor of DU International Business Department Dr. Suborna Barua delivered the opening remarks while Associate Professor Dr. Aditi Shams gave vote of thanks. Chairman of the Department of Banking and Insurance Prof. Dr. Md. Shahidul Islam Zahid and Chairman of the Department of International Business Dr. Abul Khayer also addressed it.


Md. Rafiqul Islam
Director
Public Relations Office
University of Dhaka

ঢাবি অখণ্ডমণ্ডলীর ত্রয়োবিংশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও নবীনবরণচরিত্র গঠন আন্দোলনের পথিকৃৎ স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের আদর্শে...
09/08/2026

ঢাবি অখণ্ডমণ্ডলীর ত্রয়োবিংশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও নবীনবরণ

চরিত্র গঠন আন্দোলনের পথিকৃৎ স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের আদর্শে উদ্বুদ্ধ সংগঠন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অখণ্ডমণ্ডলী’র ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, নবীনবরণ এবং নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান গতকাল ৭ আগস্ট ২০২৬ শুক্রবার জগন্নাথ হলের কিশোরীলাল রায় চৌধুরী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

"চরিত্র গঠন ও অভ্যুন্নত মানব জাতির মুক্তির আকাঙ্ক্ষাই ধর্মের আসল কথা" শীর্ষক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অখণ্ডমণ্ডলীর সভাপতি ও জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশীষ পাল।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ধর্মদেশনায় হিসেবে বাণী তুলে ধরেন অযাচক আশ্রম বাংলাদেশের অধ্যক্ষ ডা. যুগল ব্রহ্মচারী।

অখণ্ড আশ্রম বাংলাদেশের সভাপতি নির্মল ব্রহ্মচারী, বাংলাদেশ অখণ্ড সংগঠনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পূর্ণেন্দু কুমার রায়, ডা. দিলীপ নাথ, অমূল্য রতন দেবনাথ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার দেব, অধ্যাপক ডা. মানবেন্দ্র নাথ নাগ, ডা. হরিপদ মজুমদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অখণ্ডমণ্ডলীর সাধারণ সম্পাদক লিজন পাল।

অনুষ্ঠানে ২০২৪-২০২৫ ও ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের দুই শতাধিক নবীন শিক্ষার্থীকে বরণ করা হয়। পাশাপাশি ১০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়।

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
পরিচালক
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

09/08/2026

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের মাস্টার অব প্রফেশনাল ব্যাংকিং (এমপিবি) প্রোগ্রামের ১৬তম ব্যাচের ...
09/08/2026

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের মাস্টার অব প্রফেশনাল ব্যাংকিং (এমপিবি) প্রোগ্রামের ১৬তম ব্যাচের নবীনবরণ গতকাল ৮ আগস্ট ২০২৬ শনিবার সন্ধ্যায় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফারুক মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাহমুদ ওসমান ইমাম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. আওলাদ হোসাইন সম্মানিত অতিথি এবং ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম (শহীদুল জাহীদ) বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন এমপিবি প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর ও ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অধ্যাপক ড. হাসিনা শেখ।


মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
পরিচালক
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অর্জনকে অর্থবহ করতেগণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে হবে: ঢাবি উপাচার্যঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচ...
09/08/2026

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অর্জনকে অর্থবহ করতে
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে হবে: ঢাবি উপাচার্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। এই অর্জনকে অর্থবহ করতে হলে অতীতের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে শিক্ষা নিয়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

আজ ৯ আগস্ট ২০২৬, রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার আর্টস অডিটোরিয়ামে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন, আগামীর বাংলাদেশের প্রত্যাশা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান। স্বাগত বক্তব্য দেন উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এ কাউসার। উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নুরুল আমিন অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আলোচনা সভা শুরু হয়। পরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কেন তারা রাস্তায় নেমেছিল, কী চিন্তা ও প্রত্যাশা নিয়ে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল এবং আগামী বাংলাদেশ নিয়ে তাদের ভাবনা কী-এসব জানা ও বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু স্মৃতিচারণ নয়, গণ-অভ্যুত্থানের কারণ ও তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশাগুলোর অনুধাবন করতে হবে।

তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি একা একটি রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠানকে পরিবর্তন কিংবা ধ্বংস করতে পারে না। উপর থেকে তৃণমূল পর্যন্ত একটি সহযোগী কাঠামো তৈরি হলেই স্বৈরাচারী ব্যবস্থা দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে। বিগত ১৭ বছরে রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে এমন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, যার প্রভাব থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও মুক্ত ছিল না। গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতির নামে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন এবং ভিন্নমত দমনের মতো ঘটনা ঘটেছে।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় সেসময় শিক্ষকরা হয়রানি, চাকরিচ্যুতি ও মামলা-মোকদ্দমার শিকার হয়েছেন। শিক্ষক সমিতিতে দায়িত্ব পালনকালে তাকেও নির্দিষ্ট পক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বক্তব্য প্রদানের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি সবসময় শিক্ষকদের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকেছেন। ভিন্নমতকে দমন করা কোনোভাবেই গণতন্ত্রের অংশ হতে পারে না।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ করে উপাচার্য তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব ছিল। শিক্ষার্থীরা যখন ন্যায্য দাবিতে রাজপথে রক্ত দিচ্ছিল, তখন শিক্ষকরা অফিসে বসে থাকতে পারেন না। আমরা তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছে। এখন নেতিবাচক রাজনীতি থেকে বের হয়ে ইতিবাচক চিন্তার দিকে এগিয়ে যেতে হবে। দীর্ঘদিনের জঞ্জাল একদিনে দূর করা সম্ভব নয়; এজন্য সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে এবং নিয়ম ও ন্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।

উপাচার্য বলেন, ক্ষমতা স্থায়ী নয়; দায়িত্বই মুখ্য। ‘আমি’ নয়, ‘দেশ’-এই চিন্তাকে সামনে আনতে হবে। দেশ ভালো থাকলে আমরাও ভালো থাকব।

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি চাই না; আমরা ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন চাই। অপরাধের বিচার হতে হবে, তবে তা প্রতিহিংসার ভিত্তিতে নয়, আইনের ভিত্তিতে। একই সঙ্গে দেশে ফ্যাসিবাদী রাজনীতির পুনরুত্থান কিংবা সামাজিক সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়-এমন কোনো কর্মকাণ্ডও কাম্য নয়।

‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এই চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ পুনর্গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, আগামী প্রজন্মের জন্য একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের সাবেক ডিন ও ইংরেজি বিভাগের অনারারি অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন, স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়াসহ অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।



ফররুখ মাহমুদ
উপ পরিচালক
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The University of Dhaka posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to The University of Dhaka:

Shortcuts

Share