30/04/2026
পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস চালু ছাড়া কোনো একটি সেশনও যদি এড করে তাহলে সেশনজট হবে। কারণ পরিক্ষা নিতে না পারলে ফলাফল কিভাবে দিবে, ফলাফল দিতে না পারলে সার্টিফিকেট কিভাবে দিবে ?
রানিং নিয়ে একদম সরাসরি কয়েকটি সাক্ষাৎকারে ভিসি স্যার বললো কাজ করবে, অধ্যাদেশ ৫৭ এর ক অনুযায়ী বৈধতাও দেওয়া আছে। আগে পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস না-কি আগেই সবাইকে পরিচয়হীন করে সেশনজটে ডুবিয়ে মারবে ? বোধবুদ্ধিতে যেটুকু বুঝি আগে পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস এবং রেজিস্ট্রার অফিস নিয়ে চূড়ান্ত সমাধান করে নিতে হবে।
ন্যাশনাল থেকে ঢাবিতে আসার সময় প্রায় দু'বছরের সেশনজট হয়েছে। তারপর পরিক্ষা নিয়েও ৯/১০ মাসে ফলাফল দিতে পারেনি। এলোমেলো না লিখে যৌক্তিকভাবে কেউ যদি কালই সমাধান করে ফেলতে পারে সবাই বাহবা দিবে। ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে থাকার পক্ষে একজন শিক্ষার্থীও না। কিন্তু প্রক্রিয়া ছাড়া পরিচয়হীন করে দিলে যে সেশনজট তৈরি হবে এবং রানিং শিক্ষার্থীরা বিপদে পড়বে তাঁর দায় কি অতিউৎসাহী কেউ নিবে ?
আজকে অফিস চূড়ান্ত করে আগামীকাল বলো, পরশু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব নিতে বাধ্য। একজায়গায় ৩ ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা কখনোই থাকেনি। এখানেও থাকার চান্স নেই। অফিস হওয়ার পরও এড না করলে তখন যে কথা বলবে তাঁর সাথেই সবার সহমর্মিতা থাকবে। কিন্তু অফিহীনভাবে সবাইকে কে বিপদে ফেলতে চাইবে ?
- মোঃ আব্দুর রহমান।