Sociology Research and Writing Club, University of Dhaka

Sociology Research and Writing Club, University of Dhaka Sociology Research and Writing Club,University of Dhaka is a dynamic platform for academic excellence

Happy World Book Day 2026 y'all 😭
22/04/2026

Happy World Book Day 2026 y'all 😭

ওরা ১১ জন '‘ওরা ১১ জন’ ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত, স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে চলচ্চিত্রায়িত প্রথম...
28/03/2026

ওরা ১১ জন

'‘ওরা ১১ জন’ ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত, স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে চলচ্চিত্রায়িত প্রথম চলচ্চিত্র।

চলচ্চিত্রটির কাহিনি ব্যক্তিগত জীবন ও জাতীয় সংগ্রামের এক গভীর মেলবন্ধন তুলে ধরে। খসরু, তার বোন মিতা, প্রতিবেশী শীলা এবং পারভেজ—এই চরিত্রগুলোর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা হঠাৎ করেই ভেঙে যায় মুক্তিযুদ্ধের সূচনায়। খসরু দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে যুদ্ধে যোগ দেয় এবং আরও দশজন তরুণকে নিয়ে একটি গেরিলা বাহিনী গঠন করে, যেখানে সে নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করে। অন্যদিকে, পারভেজ মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করতে গিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে বন্দী হয়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়; তার চোখের সামনে পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা হয়। শীলা নির্যাতনের শিকার হয় এবং মিতা আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবায় আত্মনিয়োগ করেও শেষ পর্যন্ত একই নিষ্ঠুরতার সম্মুখীন হয়।

এই চলচ্চিত্রে যুদ্ধের নৃশংসতা, মানবিক বেদনা এবং আত্মত্যাগের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। একই সঙ্গে এটি দেখায়, কীভাবে সাধারণ মানুষের জীবন যুদ্ধের অভিঘাতে সম্পূর্ণরূপে বদলে যায় এবং তারা ব্যক্তিগত সুখ-স্বপ্ন ত্যাগ করে জাতীয় মুক্তির সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করে।শেষ পর্যন্ত শত্রুবাহিনীর আত্মসমর্পণ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয়ের মধ্য দিয়ে যুদ্ধের অবসান ঘটে। কিন্তু এই বিজয়ের পেছনে লুকিয়ে থাকে অসংখ্য অপূর্ণতা—কেউ আর ঘরে ফেরে না, কেউ ফিরে এসে আপনজনকে খুঁজে পায় না। এই অপূরণীয় ক্ষতির মধ্য দিয়েই স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্য উপলব্ধি করা যায়।

“ওরা ১১ জন” একটি গভীর আবেগময় ও বাস্তবধর্মী চলচ্চিত্র, যা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে কেবল ঘটনাপ্রবাহ হিসেবে নয়, বরং মানুষের বেদনা, ত্যাগ ও অদম্য সাহসের এক জীবন্ত দলিল হিসেবে উপস্থাপন করে।চলচ্চিত্রটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, স্বাধীনতা দিবসের আনন্দের পেছনে রয়েছে অসংখ্য মানুষের রক্ত, অশ্রু এবং অমলিন সাহসের ইতিহাস।

মাটির ময়নামাটির ময়না চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পটভূমি ফুটিয়ে তোলে চলচ্চিত্রটিতে স...
27/03/2026

মাটির ময়না

মাটির ময়না চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পটভূমি ফুটিয়ে তোলে চলচ্চিত্রটিতে সরাসরি ১৯৭১ সালের যুদ্ধ না দেখানো হলেও সেই সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা, সাংস্কৃতিক দ্বন্দ্ব এবং পরিচয়ের সংকট তুলে ধরে—যা মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি তৈরি করে।

গল্পটি একটি শিশুর দৃষ্টিতে বলা হয়েছে, যা একদিকে শিশুশুলভ সরলতার বহিঃপ্রকাশ করে , অন্যদিকে গভীর অর্থবহ ভাব প্রকাশ করে। আনুর অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষার কঠোরতা, পারিবারিক মতভেদ এবং সমাজে আধুনিকতা ও রক্ষণশীলতার সংঘাত স্পষ্টভাবে উঠে আসে। এই দ্বন্দ্ব ব্যক্তিগত নয়; এটি পুরো সমাজের ভেতরের টানাপোড়েনকে প্রকাশ করে।
চলচ্চিত্রটি দেখায় কীভাবে সামাজিকীকরণের মাধ্যমে মানুষের চিন্তাধারা গড়ে ওঠে। একইসঙ্গে, ধর্মকে সামাজিক নিয়ন্ত্রণের একটি মাধ্যম হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

এছাড়া, সাংস্কৃতিক দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থান ধীরে ধীরে গড়ে উঠতে দেখা যায়। এখানে স্বাধীনতা হঠাৎ কোনো ঘটনা নয়; বরং দীর্ঘদিনের সামাজিক ও মানসিক পরিবর্তনের ফল।

“মাটির ময়না” একটি শক্তিশালী প্রতীক—শৈশবের নিষ্পাপতা, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা এবং ভঙ্গুর বাস্তবতার প্রকাশ। এটি চলচ্চিত্রটিকে আরও গভীর অর্থ দেয় এবং দর্শককে ভাবতে বাধ্য করে। এটি দেখায়, স্বাধীনতা শুধু রাজনৈতিক অর্জন নয় বরং সমাজের ভেতরের দ্বন্দ্ব ও পরিবর্তনের ফল।

হাঙর নদী গ্রেনেড সেলিনা হোসেন রচিত “হাঙর নদী গ্রেনেড” উপন্যাসটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি গভীর তাৎপ...
27/03/2026

হাঙর নদী গ্রেনেড

সেলিনা হোসেন রচিত “হাঙর নদী গ্রেনেড” উপন্যাসটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি গভীর তাৎপর্যপূর্ণ কথাসাহিত্য, যেখানে ব্যক্তিগত জীবন ও সামষ্টিক জাতীয় সংগ্রামের এক জটিল সমাজতাত্ত্বিক মেলবন্ধন উপস্থাপিত হয়েছে। কাহিনির কেন্দ্রে থাকা আমেনা বেগমের পরিবার একটি সাধারণ গ্রামীণ সামাজিক কাঠামোর প্রতিচ্ছবি, যেখানে পারিবারিক সম্পর্ক, লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকা এবং দৈনন্দিন জীবনের নিয়মাবলি বিদ্যমান। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এই স্থিতিশীল সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়ে এবং যুদ্ধের বাস্তবতা তাদেরকে নতুন সামাজিক ভূমিকা গ্রহণে বাধ্য করে। মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় ও সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে আমেনা বেগম ধীরে ধীরে এক প্রথাগত গৃহিণী থেকে সক্রিয় প্রতিরোধের অংশে রূপান্তরিত হন, যা নারীর সামাজিক অবস্থান ও ক্ষমতায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

উপন্যাসে যুদ্ধকালীন সমাজের রূপান্তর, সামাজিক সংহতি এবং নৈতিক দ্বন্দ্ব স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। আমেনা বেগমের সিদ্ধান্ত—যেখানে মাতৃত্বের ব্যক্তিগত আবেগ এবং জাতীয় স্বার্থের মধ্যে সংঘাত তৈরি হয়—তা সমাজতাত্ত্বিকভাবে “individual vs collective interest” দ্বন্দ্বকে নির্দেশ করে। একই সঙ্গে এটি দেখায় কীভাবে বৃহত্তর সামাজিক সংকট ব্যক্তির পরিচয়, মূল্যবোধ এবং ভূমিকা পুনর্গঠন করে। এখানে সাধারণ মানুষের নীরব অংশগ্রহণ, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা একটি “collective consciousness” বা সামষ্টিক চেতনাকে নির্দেশ করে, যা মুক্তিযুদ্ধের মতো বৃহৎ সামাজিক আন্দোলনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

এই উপন্যাস মূলত দেখায় যে স্বাধীনতা অর্জন কেবল সামরিক লড়াইয়ের ফল নয়, বরং একটি সমাজের ভেতরে বিদ্যমান সম্পর্ক, মূল্যবোধ, ত্যাগ এবং প্রতিরোধের সম্মিলিত প্রকাশ। ব্যক্তিগত পরিচয়কে অতিক্রম করে জাতীয় পরিচয়ে আত্মনিয়োগ, নারীর ক্ষমতায়ন, এবং সংকটকালে সামাজিক কাঠামোর পরিবর্তন—এই সবকিছুর মধ্য দিয়ে উপন্যাসটি একটি গভীর সমাজতাত্ত্বিক বাস্তবতা তুলে ধরে, যেখানে স্বাধীনতা একটি সামাজিক নির্মাণ (social construct) হিসেবে প্রতিভাত হয়।

গেরিলানাসির উদ্দিন ইউসুফ পরিচালিত "গেরিলা"(২০১১) চলচ্চিত্রটি আমাদের মহান বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের চেতনাকে গভীরভাবে ধা...
26/03/2026

গেরিলা

নাসির উদ্দিন ইউসুফ পরিচালিত "গেরিলা"(২০১১) চলচ্চিত্রটি আমাদের মহান বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের চেতনাকে গভীরভাবে ধারণ করে নির্মিত একটি শক্তিশালী শিল্পকর্ম। এটি কেবল একটি চলচ্চিত্র নয়, বরং ১৯৭১ সালের আত্মত্যাগ, বেদনা ও অদম্য সাহসের একটি জীবন্ত দলিল।

চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রে থাকা বিলকিস বেগম (অভিনয়ে জয়া আহসান) গ্রামবাংলার একজন সাধারণ নারীকে তুলে ধরে যার জীবন আবর্তিত হয় পরিবারকে ঘিরে। কিন্ত ১৯৭১ সালে যখন পূর্ব বাংলা বিপর্যস্ত, তখন তার স্বামীকে ধরে নিয়ে যায় নির্মম অত্যাচারী পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। বিলকিস বুঝতে পারে যে,স্বামীর নিখোঁজ হয়ে যাওয়া কেবল তার ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়,এটি তাকে জাগিয়ে তোলে এক বৃহত্তর সত্যের মুখোমুখি যে, স্বাধীনতা ছাড়া কোনো নিরাপত্তা নেই। এই উপলব্ধিই তাকে ধীরে ধীরে গড়ে তোলে এক সাহসী গেরিলা যোদ্ধায়।

চলচ্চিত্রে শহুরে গেরিলা যুদ্ধ, গোপন অভিযান এবং প্রতিনিয়ত মৃত্যুভয়ের মধ্যেও সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ়তা অত্যন্ত বাস্তব ও আবেগঘনভাবে ফুটে উঠেছে। প্রতিটি মুহূর্তে ধরা পড়ার আশঙ্কা, নির্যাতনের ভয়, কিংবা মৃত্যুর সম্ভাবনা, সবকিছুকে অতিক্রম করে যোদ্ধারা এগিয়ে চলে এক স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নের দিকে।

স্বাধীনতা দিবসের প্রেক্ষাপটে এই চলচ্চিত্র বিশেষ তাৎপর্য বহন করে, কারণ এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, স্বাধীনতা কোনো সহজলভ্য অর্জন নয়। বিলকিসের মতো অসংখ্য সাধারণ মানুষ, যাদের নাম ইতিহাসে নেই, তাদের সাহস, ত্যাগ এবং নিঃশব্দ অবদানেই আজকের এই স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে।একই সঙ্গে গেরিলা নারীর ভূমিকার এক শক্তিশালী পুনঃনির্মাণ করে। বিলকিস শুধু একজন ভুক্তভোগী নন; তিনি প্রতিরোধের প্রতীক, স্বাধীনতার এক দৃঢ় কণ্ঠস্বর। তার সংগ্রাম আমাদের শেখায় কিভাবে দেশের প্রয়োজনে ব্যক্তি পরিচয়, ভয় এবং সীমাবদ্ধতা সবকিছু অতিক্রম করা সম্ভব।

সার্বিকভাবে, এই চলচ্চিত্র আমাদের স্বাধীনতা দিবসের প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করতে সাহায্য করে। এটি মনে করিয়ে দেয় যে স্বাধীনতা কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, বরং এটি এক চলমান চেতনা, যা গড়ে উঠেছে রক্ত, ত্যাগ এবং অসীম সাহসের বিনিময়ে।

আগুনের পরশমণিহুমায়ুন আহমেদ রচিত “আগুনের পরশমণি” উপন্যাসটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কথাসা...
26/03/2026

আগুনের পরশমণি

হুমায়ুন আহমেদ রচিত “আগুনের পরশমণি” উপন্যাসটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কথাসাহিত্য, যেখানে ব্যক্তিগত জীবন ও স্বাধীনতার সংগ্রামের এক অনন্য মেলবন্ধন তুলে ধরা হয়েছে। কাহিনির কেন্দ্রে থাকা মতিন সাহেবের পরিবার প্রথমে একান্ত ব্যক্তিগত জীবনযাপনে অভ্যস্ত থাকলেও, গেরিলা যোদ্ধা বদিউল আলমের আগমনের মাধ্যমে তারা প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতার লড়াইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মধ্যে দেশপ্রেম, সাহস এবং ত্যাগের চেতনা বিকশিত হয়, যা তাদের ব্যক্তিগত ভয় ও সংকটকে অতিক্রম করতে সহায়তা করে। উপন্যাসে গেরিলা যোদ্ধাদের দুঃসাহসিক অভিযান, অনিশ্চয়তা এবং মৃত্যুভয় সত্ত্বেও তাদের অটল মনোবল বিশেষভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। আশফাকের মতো চরিত্রের দৃঢ়তা এবং আত্মোৎসর্গ, কিংবা আহত অবস্থায়ও আলমের সংগ্রামী মানসিকতা—সবকিছুই স্বাধীনতার জন্য ব্যক্তিগত জীবন বিসর্জনের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে ওঠে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের নীরব সহায়তা ও অন্তর্নিহিত সাহসও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এই উপন্যাস মূলত দেখায় যে স্বাধীনতা কেবল যুদ্ধক্ষেত্রের বীরত্বগাথা নয়, বরং অসংখ্য সাধারণ মানুষের অদৃশ্য অবদান, ত্যাগ ও ভালোবাসার সমষ্টি। ব্যক্তিগত আবেগ, সম্পর্ক এবং স্বপ্নকে অতিক্রম করে বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে আত্মনিয়োগের মধ্য দিয়েই স্বাধীনতার প্রকৃত তাৎপর্য এখানে উদ্ভাসিত হয়েছে।

স্বাধীনতা-একটি চলমান প্রক্রিয়া।“স্বাধীনতা” শুধুমাত্র একটি অর্জিত ইতিহাস নয় বরং এটি একটি জীবন্ত চেতনা যা প্রতিনিয়ত আমা...
26/03/2026

স্বাধীনতা-একটি চলমান প্রক্রিয়া।

“স্বাধীনতা” শুধুমাত্র একটি অর্জিত ইতিহাস নয় বরং এটি একটি জীবন্ত চেতনা যা প্রতিনিয়ত আমাদের চিন্তা, কাজ এবং সামাজিক আচরণের মধ্যে প্রতিফলিত হয়। স্বাধীনতা শুধুমাত্র একটি অতীত নয়—এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রতিদিনের সিদ্ধান্ত, মত প্রকাশের সাহস এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার মধ্য দিয়েই স্বাধীনতার বাস্তব চর্চা ঘটে।

স্বাধীনতা এমন এক অবস্থা যেখানে একজন ব্যক্তি ভয়, দমন বা বাধা ছাড়াই নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারে এবং নিজের পরিচয়কে ধারণ করতে পারে। তবে এই স্বাধীনতা কখনো একক নয়; এটি সবসময় পারস্পরিক। একজন মানুষের স্বাধীনতা তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে যখন তিনি অন্য একজনের স্বাধীনতা ও অধিকারের প্রতি সম্মান রাখে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে স্বাধীনতা কেবল অধিকার নয়, এটি একটি দায়িত্ব।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে “স্বাধীনতা” একটি গভীর আবেগ ও গৌরবের বিষয়। স্বাধীনতা আমাদের জাতীয় পরিচয়, ভাষা, সংস্কৃতি এবং আত্মমর্যাদার প্রতীক। তবে বাস্তবতার দিকে তাকালে দেখা যায়, স্বাধীনতার এই চেতনাকে সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা এখনও আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য, অন্যায়, মতপ্রকাশের সীমাবদ্ধতা কিংবা সামাজিক বাধাগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আমরা পুরোপুরি স্বাধীন নই। স্বাধীনতা এখনও পূর্ণতা পায়নি। তাই এটি একটি চলমান যাত্রা, যা প্রতিনিয়ত নতুনভাবে অর্জন করতে হয়।

স্বাধীনতা কেবল একটি দিবস উদযাপনের বিষয় নয়। এটি প্রতিদিনের জীবনে ধারণ করার, চর্চা করার এবং রক্ষা করার দায়িত্ব। ব্যক্তি থেকে সমাজ—সকল স্তরেই আমাদের সচেতনতা, নৈতিকতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমে স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থকে বাস্তবায়ন করতে হবে।

সোশিওলজিস্টরা ঈদ নিয়ে যা কখনো বললেননিঈদ মোবারক সবাইকে!
20/03/2026

সোশিওলজিস্টরা ঈদ নিয়ে যা কখনো বললেননি

ঈদ মোবারক সবাইকে!

সময় কিন্তু ঘনিয়ে এলো!
15/03/2026

সময় কিন্তু ঘনিয়ে এলো!

📣 আর মাত্র ১ দিন সময় আছে। জমা দিলে দেন, নাইলে নাই। রেজিস্ট্রেশন ক্লজ কইরা ফেলাইবো। বিস্তারিত কমেন্টে...
14/03/2026

📣 আর মাত্র ১ দিন সময় আছে। জমা দিলে দেন, নাইলে নাই। রেজিস্ট্রেশন ক্লজ কইরা ফেলাইবো।

বিস্তারিত কমেন্টে...

Address

University Of Dhaka
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sociology Research and Writing Club, University of Dhaka posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share