20/10/2025
ঐতিহ্য! ঐতিহ্য!! ঐতিহ্য!!!
কবি নজরুল সরকারি কলেজের আছে ১৫১ বছরের পুরোনো ঐতিহ্য।
আমার ভাইয়েরা যেভাবে ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্য রক্ষায় লেখালেখি করতেছেন তাদের সাথে একমত না হয়ে পারলাম না। সেই ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্য নিয়ে কিছু লিখতে ইচ্ছা করতেছে।প্রথমেই জানতে হবে কিভাবে আজকের এই কবি নজরুল সরকারি কলেজ নামটি এসেছে-
১. সর্বপ্রথম ১৮৭৪ সালে, মোহসীন তহবিলের অনুদানে মোহসানিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসার (বর্তমানে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ) মডেলে নির্মিত হয়েছিল । পরবর্তীতে এই প্রতিষ্ঠানটি "ঢাকা মাদ্রাসা" নামে পরিচিত হয়।
২. ১৯১৫ সালে এটি ঢাকা হাই মাদ্রাসায় পরিণত হয়।
৩. ১৯১৬ সালে, অ্যাংলো-পারস্য বিভাগটি "ঢাকা সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়" নামে একটি পৃথক বিদ্যালয়ে পরিণত হয়।
৪. ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর , স্কুলটিকে কলেজে উন্নীত করা হয় এবং এর নামকরণ করা হয় "ইসলামিয়া ইন্টারমিডিয়েট কলেজ"।
৫. ১৯৬৮ সালে, কলেজ বিভাগের নামকরণ করা হয় "সরকারি ইসলামিয়া কলেজ ঢাকা"।
৬. সর্বশেষ ১৯৭২ সালে এর নামকরণ করা হয় "কবি নজরুল সরকারি কলেজ"।
প্রথমেই এটি ছিলো একটি মাদ্রাসা। বিবর্তনের ফলে এর নাম হয় "ঢাকা হাই মাদ্রাসা"। পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে, "ঢাকা হাই মাদ্রাসা" থেকে অ্যাংলো-পারস্য বিভাগটি "ঢাকা সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়" নামে একটি পৃথক বিদ্যালয়ে পরিণত হয়। ।তখন যদি ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা হতো এবং উচ্চ বিদ্যালয় করা না হতো আজকের কবি নজরুল কলেজ পাইতাম না।
তারপর ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর , স্কুলটিকে কলেজে উন্নীত করা হয় এবং এর নামকরণ করা হয় "ইসলামিয়া ইন্টারমিডিয়েট কলেজ"।তখন যদি স্বাতন্ত্র্য ও ঐতিহ্যের কথা বলে ইন্টারমিডিয়েট চালু না করা হতো আজকের কবি নজরুল কলেজ পাইতাম না।
এরপর ১৯৭৯ সালে কলেজে বিজ্ঞান,মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষা শুরু হয়।এরপর ১৯৯৩ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মাস্টার্স কোর্স চালু হয়।এরপর ২০১৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি।
তাহলে এখন আমরা কোন ঐতিহ্যে ফিরে যাবো-
১.মোহসানিয়া মাদ্রাসা
২.ঢাকা হাই মাদ্রাসা
৩.ঢাকা গভঃ মুসলিম হাই স্কুল
৪.ইসলামিয়া ইন্টারমিডিয়েট কলেজ
৫.সরকারি ইসলামিয়া কলেজ
৬.জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
৭.অধিভুক্ত সাত কলেজ
সবার মতামত চাই কোন ঐতিহ্যে ফিরে যাওয়া উত্তম।
আমার ব্যক্তিগত মতামত ১ নম্বরে ফেরত গেলে সব থেকে পুরোনো ঐতিহ্য ফিরে পাওয়া সম্ভব।