25/09/2025
সাত কলেজের চূড়ান্ত সমাধান করার পক্ষে সবাই। কোন উপায়ে সমাধান হবে সেটা সামষ্টিক আলোচনার ফলাফল। খসড়া প্রণয়নে কারো একক মতামত প্রাধান্য না দিয়ে সবার মতামতের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছে ইউজিসি।
- বৈষম্যগুলো তুলে ধরার সময় একেকজনকে একেক ভূমিকা রাখতে হয়েছে। আন্দোলনে ভূমিকা রাখা মানেই কারো ব্যক্তিগত মতামতে কোনো সমাধান রাষ্ট্র করে না৷ কাজেই কারো ব্যক্তিগত মতামতে অধ্যাদেশ বা আইন হয় না। তাহলে এখনই হয়ে যেত।
অংশীজনের পরামর্শের সামষ্টিক রুপ অনুযায়ী আইনের ভিত্তি দাঁড়ায়।
অংশীজন শুধুমাত্র শিক্ষার্থী না। -
এখানে শিক্ষাবিদ, শিক্ষা বিটের সাংবাদিক, রাজনৈতিক দল, সচেতন মহল, আমলা সবার অংশগ্রহণ থাকে।
কাজেই - শুধুমাত্র ফেসবুক সমালোচনা করে এটার সুষ্ঠু সমাধান হবে না। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে মতামতগুলো মন্ত্রণালয়ে তুলে ধরুন। যে যেভাবে পারেন।
- আমি চাই কালই অধ্যাদেশ দিয়ে ভিসি নিয়োগ করে সবার মানসিক টেনশন দূর হোক। কিন্তু মন্ত্রণালয় অংশীজনের মতামত ছাড়া আইন জারি করলে এবং সেই আইনের বিরুদ্ধে কেউ রিট করলে টিকে না। এজন্য মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রতিটি নাগরিকের মতামত গুরুত্বপূর্ণ। সবাই, নিজ নিজ অবস্থান থেকে কোন উপায়ে বিশ্ববিদ্যালয় হলে সবচেয়ে ভালো হয় সেসব তুলে ধরুন। একজন আরেকজনকে অনেক বড় ভাবা বন্ধ করুন। রাষ্ট্র নিয়ম মতো চলে। রাষ্ট্র আবেগ দিয়ে কিছু করে না। তাহলে দীর্ঘ এক বছর স্নায়ুযুদ্ধ করতে হত না।
- মোঃ আব্দুর রহমান।