29/09/2026
মাদোক ডন ও জামায়াত নেতার জনসাধারণের জমি দখল, নুরুল ইসলাম নামে এক বিজনেস ম্যান আছে ঢাকা শহরে। নুরুল ইসলাম হলেন গ্যাংস্টার ডন সুইডেন আসলামের ভগ্নিপতি এবং সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর, আর জে টাজ এবং দিশা ইসলামের বাবা।খুব একটা লাইম লাইটে নাই। তবে তার সহায় সম্পত্তি, অর্থবিত্ত সবমিলিয়ে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা!তিনি ব্যাংক এবং চীনা পণ্য আমদানি ব্যবসার অর্থায়নকারী; এর ফলে তিনি মানি লন্ডারিং ও হুন্ডির মাধ্যমে সহজেই অর্থ পাচার করতে সক্ষম হন।
উনার উপার্জিত অর্থের প্রায় পুরোটাই অবৈধ। ঢাকা শহরের আন্ডারওয়ার্ল্ড এর সুইডেন আসলাম তার শালা। কথিত শালা ও হতে পারে। এই রেফারেন্স আর ব্যাকাপে তেঁজগায় শিল্পাঞ্চল ও এই জোনে হাজার কোটি টাকার বেশি সম্পদ লুটপাট করেছে।
নুরুল ইসলাম এর প্রধান পেশা মদ বেচাকেনা! জ্বী ঢাকা মহানগর সহ বাংলাদেশের সব মদের ওয়ার হাইজের একক মালিক সে।
নুরুল ইসলাম এর কোন ছেলেনাই৷ ২ কন্যা। একজনের নাম তাসনিম বর্ষা ইসলাম। অপরজন দিশা ইসলাম।
এই দিশা ইসলাম টা কে?
: ইউটিউবার সালমান মুক্তাদিরের ওয়াইফ।
সালমান কেন বিবাহিত এই মহিলাকে ২ বাচ্চা কে সহ বিয়ে করলো?
শুধুই ভালোবাসার জন্য?
: সালমান আগাগোড়া একটা বিজনেস মাইন্ডেড ছেলে। ওর মার্কেটিং লাইন আপ ভালো। দিশা তার বাপের পৈতৃক সম্পত্তির ২০ হাজার কোটি টাকার অর্ধেক ১০ হাজার কোটি টাকা পাবে। এই অর্থ আর সাম্রাজ্য ঘুরেফিরে সালমান এর হাতেই উঠবে কয়েক বছর এর মধ্যে। অলরেডি বড় একটা অংশের মালিকানা ও পাইছে৷ সালমান জেনে বুঝেই কোপ টা দিছে এইখানে।
দিশা ইসলাম এর প্রথম স্বামী শ্রীলঙ্কান। সালমান এর বউয়ের যে ২ মাইয়া। এরা অরিজিনাল শ্রীলঙ্কান। দিশার আগের সংসারের।
দিশাকে বিয়ে করার মূল উদ্দেশ্য একটাই মদের এই সিন্ডিকেট এর ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণভার তার কন্ট্রোলে নেওয়া।
নুরুল ইসলাম এর ৬ টা বার।
ফুওয়াং- তেঁজগাও ব্রাঞ্চ।
ফুওয়াং- কক্সবাজার ব্রাঞ্চ।
বুফেট লাউঞ্জ- কুয়াকাটা।
আইরিশ ক্লাব- পোস্তগোলা।
হলিদি বার- ডেমরা, কোণাপাড়া।
থাইক্লাব- মিরপুর।
এই ৬ টা বার মূলত ব্ল্যাক মানি হোয়াইট করার জায়গা। আর মানি লন্ডারিংয়ের হাব!
নুরুল ইসলাম এর ৪ টা ওয়্যার হাউজ আছে। এইচকবির, তেজঁগাও, ঢাকায়। টসবর্ণ, বিমানবন্দরে।
তার আয়ের প্রধান উৎস,
মদের আমদানি, সংরক্ষণ ও খুচরা বিক্রির একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক। কাগজে সবকিছু বৈধ দেখালেও বাস্তবে এই নেটওয়ার্কের বড় অংশ চলে ট্যাক্স ফাঁকি, ক্যাশ ট্রানজেকশন ও রেকর্ড ম্যানিপুলেশনের ওপর।
প্রশ্ন হলো,
একটি উচ্চ-নিয়ন্ত্রিত পণ্যের ব্যবসা কীভাবে এত কম আলোচনায় থেকে যায়?
আন্ডারওয়ার্ল্ড রেফারেন্স আর জামায়াত বিএনপি ও প্রশাসনের সবাইকে টাকা পয়সা দিয়ে। আওয়ামী লীগ আমলে এই নুরুল ইসলাম সর্বোচ্চ সুবিধাভোগী ছিল। আমলাদের ম্যানেজ করে।
সীমিত লাইসেন্সে আমদানি, আংশিক ভ্যাট–ট্যাক্স পরিশোধ, ওয়্যারহাউজে স্টক ঘোরানো, নিজস্ব বার–লাউঞ্জে অতিরিক্ত বিক্রি দেখানো, বিপুল ক্যাশকে ব্যবসায়িক আয় বানানো!
এভাবে প্রতি বছর প্রায় হাজার কোটি টাকার অর্থ সিস্টেমের বাইরে ঘোরে। এগুলো মানি কনভার্সন সেন্টার। ভুয়া ইভেন্ট, অতিরিক্ত বিলিং, ক্যাশ-হেভি সেল। সব মিলিয়ে ব্ল্যাক মানি ধোয়ার নিখুঁত কাঠামো।
এত বড় অপারেশন কি একা সম্ভব?
: না নুরুল ইসলাম ক্লান্ত। উত্তরাধিকার, বিয়ে এবং ক্ষমতা হস্তান্তর হয়েছে। বিজনেস লাইন ও ট্রান্সফার হয়েছে। কারণ নুরুল ইসলাম এর কোনো পুত্র নেই। দুই কন্যা। তাই সালমান চান্স টা গ্রহণ করে, আড়ালে এই নেটওয়ার্ক এখন তার হাতে।
নুরুল ইসলাম এর একটা ওয়্যারহাউজ এর ও সব চালানের কাগজ নেই, স্টক আর রেকর্ডে গরমিল, ব্যাচ নম্বর মিল নাই।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফ। চাঁপাইনবাবগঞ্জের জামায়াত নেতা মাহাতাবুল ইসলামের ছেলে।
৩০ কোটি টাকার বিনিময়ে মাদকের ডিজি হয়েছে। এই ফান্ডিং ও নুরুল ইসলাম এর! মাদকের এক উর্ধতন কর্মকর্তা ডিজি মারুফের হয়ে মাসিক ৬০ লাখ টাকা নুরুলের কাছ থেকে সংগ্রহ করে। এইজন্য সব ইলিগ্যাল বিজনেস লিগ্যাল তাদের।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রেইড দিলে হাজার কোটি টাকার গড়মিল এক রাতেই পাবে। কিন্তু দিবে না। কারণ এইখানে বর্তমানে জামায়াতের ব্যাকাপ আছে। জুলাই মাসে ২৪ এ জঙ্গি দের পেছনে নুরুল ইসলাম এর অবৈধ মদ বিক্রির টাকা থেকে ও ফান্ড যায়! এটা সালমান ও দিশার হাত দিয়ে। অনেকেই ভাবে সালমান ডলার খেয়ে আন্দোলন করেছিল জঙ্গি দের সাথে। এটা ভুল। সালমান নিজেই ইনভেস্ট করে। আর এই ১ বছরে তারচেয়ে ৫০০ গুণ বেশি উঠাইয়া নেয় অবৈধ মদ আমদানি করে!
৯৯% মুসলিম দেশে এত বার আর ওয়্যার হাউজ থাকে কিভাবে?
তৌহিদী জনতাদের উচিৎ এইসব বার আর ওয়্যারহাউজ পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া। পাশাপাশি মালিকপক্ষ কে দোররা মারা মদ বেচার জন্য।
সালমান মুক্তাদির কে মূলত ইউটিউবার মনে হলেও বাস্তবে সে একজন মাদক ব্যবসায়ী। লিগ্যাল চ্যানেলের আড়ালে ইলিগ্যাল মদ ব্যবসায়ী।
এই যে ১০ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি আছে। সালমান কি ভাবছে? ভবিষ্যতে এ এই টাকা ওর লাইফ এর সিকিউরিটি দিবে? পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা দিবে? শেখ হাসিনা কে নিয়ে অনেক কিছুই লিখেছে, বলেছে। আজ হোক আর কাল হোক ওর এই মাদক সাম্রাজ্যের লাইন ধরে টান দিবই। পুরা সিন্ডিকেট আর সাম্রাজ্য উড়াতে ২৪ ঘন্টা টাইম লাগবে। স্রেফ ২৪ ঘন্টা!
সাম্রাজ্য বা ক্ষমতার দাপট নিয়ে জনমতের কোনো মাথাব্যথা নেই! অর্থের প্রভাব আছে ঠিকই, কিন্তু নীরবতারও নিজস্ব এক সুনির্দিষ্ট শক্তি রয়েছে। দশ হাজার কোটি টাকা দিয়ে আইনজীবী, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বুলেট-প্রুফ গাড়ি, প্রশাসন এবং মিথ্যা কেনা সম্ভব; কিন্তু তা দিয়ে সমাজের নৈতিক অবস্থান বা বিবেককে প্রভাবিত করা যায় না! আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করার জন্য অর্থলগ্নিকারী মাদক কারবারিদের এই অশুভ আঁতাতকে উন্মোচন করা জরুরি... তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে অর্থায়ন করেছে... এবং এখনও তা অব্যাহত রেখেছে... কারণ অতীতে আওয়ামী লীগ সরকার তাদের অবৈধ মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল...
মূল ঘটনা হলো: এই ছেলেকে সামনে রেখে জামাতের লোকজন জমি ও ভবন দখল করে রেখেছিলো। সেই ভবন ও জমি হাতছাড়া হয়ে প্রকৃত মালিকের কাছে চলে গেছে। তারপর এ নাটক সাজানো হয়েছে।৫ আগস্টের পরও সেকুলার-লিবারেলদের শিক্ষা হয়নি। কোনো কিছু না বুঝেই পিয়ার প্রেসারে পড়ে রাজাকারদের সাথে হুক্কা হুয়া করতে যায়। কিন্তু রাজাকারদের সাথে সুর মিলিয়ে মেইনস্ট্রিম রাজনীতিক দলকে ভিলিফাই করবেন না। এ ভুল আপনারা আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে করেছিলেন। এটা করবেন না। রাজাকারদের নতুন প্রকল্প হলো— বিএনপি আওয়ামী লীগ দুইটাই খারাপ, দুইটাই চান্দাবাজ, শুধু জামাত ভালো, এই গুজব প্রতিষ্ঠা করা। এবং এ প্রকল্পের সেকুলারবেশধারী এজেন্ট হলো হাফ-প্যান্ট মুক্তাদির গং।
Public sentiments doesn’t care about empires! Money has weight, silence has precision.
Ten thousand crores can buy lawyers, security, bullet proof car, administration and lies but it can’t convince societies moral compass!
We need to expose these nexus of financier drug dealers to protect our future generation...they funded anti Bangladrsh conspiracy...still funding...
Because previously,AwamiLeague government rated their illegal drugs business...
অনেকেই অবাক হচ্ছেন, আমি অবাক নই। জাপানে রোড পার্জ, ইন্দোনেশিয়ায় জাকার্তা মেথড, মধ্যপ্রাচ্যের আরব স্প্রিং - সকল আমেরিকান হস্তক্ষেপের সমাজ পরিবর্তন, ইতিহাস পরিবর্তন এভাবেই করা হয়েছে। জাপানের ইয়াকুজা থেকে ইন্দোনেশিয়ার মুসলিম সন্ত্রাসী অথবা সিরিয়া, ইয়েমেন, অথবা লিবিয়াতে একই কাজ করা হয়েছে। সমাজে প্রতিষ্ঠিত ফেব্রিককে ধ্বংস করার জন্য সন্ত্রাসী, অপরাধী ও থাগ বা গুন্ডা বদমাস সাইকোপ্যাথ সোশিওপ্যাথদের ক্ষমতায় বসানো হয়েছে এবং তাদের খুন খারাবী করার অধিকার দেয়া হয়েছে ইনডেমনিটির মাধ্যেমে। উদ্দেশ্য খুন খারাবী, ধর্ষণ ও জঘন্য অপরাধকে স্বাভাবীকিকরণ করা। যেন ধীর ধীরে মানুষ এগুলো থেকে মনযোগ সরিয়ে নেয়। তারা যেন সামাজিক বিষয়গুলো থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেয় এবং সারাদিন নিজ স্বার্থ ও নিজের ইন্দ্রিয় উপভোগ ছাড়া আর কিছু না ভাবে। বাঙ্গু মুসলামান যারা ২৪ এনেছে এবং এখনও সেটাকে সমর্থন করছে তাদের নিশ্চয়ই এতে আপত্তি নেই।
—অধ্যাপক ড. আরিফ
দেশদ্রোহী লালবদর নাহিদা,,,আপনার জন্য আমার একটুও কষ্ট হচ্ছেনা, খারাপ লাগতেছে না।
তবে খুব কষ্ট হচ্ছে আপনার ১৩ বছরের ছেলের জন্য।
আপনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক হয়েও জুলাই আন্দোলনে স্লোগান দিয়েছিলেন,,,,, "স্বজন হারা বেদনা চু'দিনা।"
আহ, কি নির্মম মনমানসিকতা আপনার। এখন থেকে প্রতিমুহূর্ত স্বজন হারানোর ব্যথা অনুভব করেন।
আল্লাহতালা আপনার ছেলেকে, জান্নাতবাসী করুক, আমিন।
অপ্রতিমের সোশাল মিডিয়া কনটেন্ট দেখলাম! যা দেখলাম তাতে উদ্বেগ জাগলো অন্য কারণে। ওর যা বয়স তাতে সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করার বৈধতা ওর ছিলো না। মোবাইল- বাইক এসবের মালিকানা তার পক্ষে যায় না। কারণ ও নিরীহ ছিলো না। বেসিকালি সব কনটেন্ট স্বাক্ষ্য দেয় সে অল্প বয়সে উচ্ছন্নে যাওয়া বখাটে এবং কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। ব্যাড প্যারেন্টিং ছাড়া এই ইস্যুতে আর কিছু নাই।
প্রশ্ন আসে এভাবে মৃত্যু কি মেনে নেয়া যায়? এমন যদি হতো এটা হঠাৎ একটা ঘটনা, মানুষ বিচলিত হতো। হয়নি। কারণ তাদের সয়ে গেছে। সহ্য ক্ষমতা বেড়ে গেছে। একই দিনে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে ভাত চুরির অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে মারা হলো। সপরিবারে নিহত হলেন এক প্রবাসী। টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হলেন আরেকজন হিন্দু! বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া গেলো আরো কয়েকটি মরদেহ! এটা একটা সমাজব্যবস্থার একদিনের ছবি, যার বন্দোবস্ত কিংবা আয়োজন আপনারা সবাই মিলে করেছেন। দোষী আপনারা, অন্য কেউ না...
#সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬ ゚ ゚viralfbreelsfypシ゚viral #জুলাই২৪ ゚