তিতুমীর কলেজ ইনসাইডার

Website

তিতুমীর কলেজ ইনসাইডার Government Titumir College is a University college in the city of Dhaka in the Mohakhali area in Dhaka, Bangladesh.

29/09/2026

মাদোক ডন ও জামায়াত নেতার জনসাধারণের জমি দখল, নুরুল ইসলাম নামে এক বিজনেস ম্যান আছে ঢাকা শহরে। নুরুল ইসলাম হলেন গ্যাংস্টার ডন সুইডেন আসলামের ভগ্নিপতি এবং সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর, আর জে টাজ এবং দিশা ইসলামের বাবা।খুব একটা লাইম লাইটে নাই। তবে তার সহায় সম্পত্তি, অর্থবিত্ত সবমিলিয়ে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা!তিনি ব্যাংক এবং চীনা পণ্য আমদানি ব্যবসার অর্থায়নকারী; এর ফলে তিনি মানি লন্ডারিং ও হুন্ডির মাধ্যমে সহজেই অর্থ পাচার করতে সক্ষম হন।

উনার উপার্জিত অর্থের প্রায় পুরোটাই অবৈধ। ঢাকা শহরের আন্ডারওয়ার্ল্ড এর সুইডেন আসলাম তার শালা। কথিত শালা ও হতে পারে। এই রেফারেন্স আর ব্যাকাপে তেঁজগায় শিল্পাঞ্চল ও এই জোনে হাজার কোটি টাকার বেশি সম্পদ লুটপাট করেছে।

নুরুল ইসলাম এর প্রধান পেশা মদ বেচাকেনা! জ্বী ঢাকা মহানগর সহ বাংলাদেশের সব মদের ওয়ার হাইজের একক মালিক সে।

নুরুল ইসলাম এর কোন ছেলেনাই৷ ২ কন্যা। একজনের নাম তাসনিম বর্ষা ইসলাম। অপরজন দিশা ইসলাম।

এই দিশা ইসলাম টা কে?
: ইউটিউবার সালমান মুক্তাদিরের ওয়াইফ।

সালমান কেন বিবাহিত এই মহিলাকে ২ বাচ্চা কে সহ বিয়ে করলো?
শুধুই ভালোবাসার জন্য?
: সালমান আগাগোড়া একটা বিজনেস মাইন্ডেড ছেলে। ওর মার্কেটিং লাইন আপ ভালো। দিশা তার বাপের পৈতৃক সম্পত্তির ২০ হাজার কোটি টাকার অর্ধেক ১০ হাজার কোটি টাকা পাবে। এই অর্থ আর সাম্রাজ্য ঘুরেফিরে সালমান এর হাতেই উঠবে কয়েক বছর এর মধ্যে। অলরেডি বড় একটা অংশের মালিকানা ও পাইছে৷ সালমান জেনে বুঝেই কোপ টা দিছে এইখানে।

দিশা ইসলাম এর প্রথম স্বামী শ্রীলঙ্কান। সালমান এর বউয়ের যে ২ মাইয়া। এরা অরিজিনাল শ্রীলঙ্কান। দিশার আগের সংসারের।

দিশাকে বিয়ে করার মূল উদ্দেশ্য একটাই মদের এই সিন্ডিকেট এর ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণভার তার কন্ট্রোলে নেওয়া।

নুরুল ইসলাম এর ৬ টা বার।
ফুওয়াং- তেঁজগাও ব্রাঞ্চ।
ফুওয়াং- কক্সবাজার ব্রাঞ্চ।
বুফেট লাউঞ্জ- কুয়াকাটা।
আইরিশ ক্লাব- পোস্তগোলা।
হলিদি বার- ডেমরা, কোণাপাড়া।
থাইক্লাব- মিরপুর।

এই ৬ টা বার মূলত ব্ল্যাক মানি হোয়াইট করার জায়গা। আর মানি লন্ডারিংয়ের হাব!

নুরুল ইসলাম এর ৪ টা ওয়্যার হাউজ আছে। এইচকবির, তেজঁগাও, ঢাকায়। টসবর্ণ, বিমানবন্দরে।

তার আয়ের প্রধান উৎস,
মদের আমদানি, সংরক্ষণ ও খুচরা বিক্রির একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক। কাগজে সবকিছু বৈধ দেখালেও বাস্তবে এই নেটওয়ার্কের বড় অংশ চলে ট্যাক্স ফাঁকি, ক্যাশ ট্রানজেকশন ও রেকর্ড ম্যানিপুলেশনের ওপর।

প্রশ্ন হলো,
একটি উচ্চ-নিয়ন্ত্রিত পণ্যের ব্যবসা কীভাবে এত কম আলোচনায় থেকে যায়?
আন্ডারওয়ার্ল্ড রেফারেন্স আর জামায়াত বিএনপি ও প্রশাসনের সবাইকে টাকা পয়সা দিয়ে। আওয়ামী লীগ আমলে এই নুরুল ইসলাম সর্বোচ্চ সুবিধাভোগী ছিল। আমলাদের ম্যানেজ করে।

সীমিত লাইসেন্সে আমদানি, আংশিক ভ্যাট–ট্যাক্স পরিশোধ, ওয়্যারহাউজে স্টক ঘোরানো, নিজস্ব বার–লাউঞ্জে অতিরিক্ত বিক্রি দেখানো, বিপুল ক্যাশকে ব্যবসায়িক আয় বানানো!

এভাবে প্রতি বছর প্রায় হাজার কোটি টাকার অর্থ সিস্টেমের বাইরে ঘোরে। এগুলো মানি কনভার্সন সেন্টার। ভুয়া ইভেন্ট, অতিরিক্ত বিলিং, ক্যাশ-হেভি সেল। সব মিলিয়ে ব্ল্যাক মানি ধোয়ার নিখুঁত কাঠামো।

এত বড় অপারেশন কি একা সম্ভব?
: না নুরুল ইসলাম ক্লান্ত। উত্তরাধিকার, বিয়ে এবং ক্ষমতা হস্তান্তর হয়েছে। বিজনেস লাইন ও ট্রান্সফার হয়েছে। কারণ নুরুল ইসলাম এর কোনো পুত্র নেই। দুই কন্যা। তাই সালমান চান্স টা গ্রহণ করে, আড়ালে এই নেটওয়ার্ক এখন তার হাতে।

নুরুল ইসলাম এর একটা ওয়্যারহাউজ এর ও সব চালানের কাগজ নেই, স্টক আর রেকর্ডে গরমিল, ব্যাচ নম্বর মিল নাই।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফ। চাঁপাইনবাবগঞ্জের জামায়াত নেতা মাহাতাবুল ইসলামের ছেলে।
৩০ কোটি টাকার বিনিময়ে মাদকের ডিজি হয়েছে। এই ফান্ডিং ও নুরুল ইসলাম এর! মাদকের এক উর্ধতন কর্মকর্তা ডিজি মারুফের হয়ে মাসিক ৬০ লাখ টাকা নুরুলের কাছ থেকে সংগ্রহ করে। এইজন্য সব ইলিগ্যাল বিজনেস লিগ্যাল তাদের।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রেইড দিলে হাজার কোটি টাকার গড়মিল এক রাতেই পাবে। কিন্তু দিবে না। কারণ এইখানে বর্তমানে জামায়াতের ব্যাকাপ আছে। জুলাই মাসে ২৪ এ জঙ্গি দের পেছনে নুরুল ইসলাম এর অবৈধ মদ বিক্রির টাকা থেকে ও ফান্ড যায়! এটা সালমান ও দিশার হাত দিয়ে। অনেকেই ভাবে সালমান ডলার খেয়ে আন্দোলন করেছিল জঙ্গি দের সাথে। এটা ভুল। সালমান নিজেই ইনভেস্ট করে। আর এই ১ বছরে তারচেয়ে ৫০০ গুণ বেশি উঠাইয়া নেয় অবৈধ মদ আমদানি করে!

৯৯% মুসলিম দেশে এত বার আর ওয়্যার হাউজ থাকে কিভাবে?
তৌহিদী জনতাদের উচিৎ এইসব বার আর ওয়্যারহাউজ পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া। পাশাপাশি মালিকপক্ষ কে দোররা মারা মদ বেচার জন্য।

সালমান মুক্তাদির কে মূলত ইউটিউবার মনে হলেও বাস্তবে সে একজন মাদক ব্যবসায়ী। লিগ্যাল চ্যানেলের আড়ালে ইলিগ্যাল মদ ব্যবসায়ী।

এই যে ১০ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি আছে। সালমান কি ভাবছে? ভবিষ্যতে এ এই টাকা ওর লাইফ এর সিকিউরিটি দিবে? পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা দিবে? শেখ হাসিনা কে নিয়ে অনেক কিছুই লিখেছে, বলেছে। আজ হোক আর কাল হোক ওর এই মাদক সাম্রাজ্যের লাইন ধরে টান দিবই। পুরা সিন্ডিকেট আর সাম্রাজ্য উড়াতে ২৪ ঘন্টা টাইম লাগবে। স্রেফ ২৪ ঘন্টা!
সাম্রাজ্য বা ক্ষমতার দাপট নিয়ে জনমতের কোনো মাথাব্যথা নেই! অর্থের প্রভাব আছে ঠিকই, কিন্তু নীরবতারও নিজস্ব এক সুনির্দিষ্ট শক্তি রয়েছে। দশ হাজার কোটি টাকা দিয়ে আইনজীবী, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বুলেট-প্রুফ গাড়ি, প্রশাসন এবং মিথ্যা কেনা সম্ভব; কিন্তু তা দিয়ে সমাজের নৈতিক অবস্থান বা বিবেককে প্রভাবিত করা যায় না! আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করার জন্য অর্থলগ্নিকারী মাদক কারবারিদের এই অশুভ আঁতাতকে উন্মোচন করা জরুরি... তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে অর্থায়ন করেছে... এবং এখনও তা অব্যাহত রেখেছে... কারণ অতীতে আওয়ামী লীগ সরকার তাদের অবৈধ মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল...

মূল ঘটনা হলো: এই ছেলেকে সামনে রেখে জামাতের লোকজন জমি ও ভবন দখল করে রেখেছিলো। সেই ভবন ও জমি হাতছাড়া হয়ে প্রকৃত মালিকের কাছে চলে গেছে। তারপর এ নাটক সাজানো হয়েছে।৫ আগস্টের পরও সেকুলার-লিবারেলদের শিক্ষা হয়নি। কোনো কিছু না বুঝেই পিয়ার প্রেসারে পড়ে রাজাকারদের সাথে হুক্কা হুয়া করতে যায়। কিন্তু রাজাকারদের সাথে সুর মিলিয়ে মেইনস্ট্রিম রাজনীতিক দলকে ভিলিফাই করবেন না। এ ভুল আপনারা আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে করেছিলেন। এটা করবেন না। রাজাকারদের নতুন প্রকল্প হলো— বিএনপি আওয়ামী লীগ দুইটাই খারাপ, দুইটাই চান্দাবাজ, শুধু জামাত ভালো, এই গুজব প্রতিষ্ঠা করা। এবং এ প্রকল্পের সেকুলারবেশধারী এজেন্ট হলো হাফ-প্যান্ট মুক্তাদির গং।
Public sentiments doesn’t care about empires! Money has weight, silence has precision.
Ten thousand crores can buy lawyers, security, bullet proof car, administration and lies but it can’t convince societies moral compass!

We need to expose these nexus of financier drug dealers to protect our future generation...they funded anti Bangladrsh conspiracy...still funding...

Because previously,AwamiLeague government rated their illegal drugs business...

অনেকেই অবাক হচ্ছেন, আমি অবাক নই। জাপানে রোড পার্জ, ইন্দোনেশিয়ায় জাকার্তা মেথড, মধ্যপ্রাচ্যের আরব স্প্রিং - সকল আমেরিকান হস্তক্ষেপের সমাজ পরিবর্তন, ইতিহাস পরিবর্তন এভাবেই করা হয়েছে। জাপানের ইয়াকুজা থেকে ইন্দোনেশিয়ার মুসলিম সন্ত্রাসী অথবা সিরিয়া, ইয়েমেন, অথবা লিবিয়াতে একই কাজ করা হয়েছে। সমাজে প্রতিষ্ঠিত ফেব্রিককে ধ্বংস করার জন্য সন্ত্রাসী, অপরাধী ও থাগ বা গুন্ডা বদমাস সাইকোপ্যাথ সোশিওপ্যাথদের ক্ষমতায় বসানো হয়েছে এবং তাদের খুন খারাবী করার অধিকার দেয়া হয়েছে ইনডেমনিটির মাধ্যেমে। উদ্দেশ্য খুন খারাবী, ধর্ষণ ও জঘন্য অপরাধকে স্বাভাবীকিকরণ করা। যেন ধীর ধীরে মানুষ এগুলো থেকে মনযোগ সরিয়ে নেয়। তারা যেন সামাজিক বিষয়গুলো থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেয় এবং সারাদিন নিজ স্বার্থ ও নিজের ইন্দ্রিয় উপভোগ ছাড়া আর কিছু না ভাবে। বাঙ্গু মুসলামান যারা ২৪ এনেছে এবং এখনও সেটাকে সমর্থন করছে তাদের নিশ্চয়ই এতে আপত্তি নেই।

—অধ্যাপক ড. আরিফ

দেশদ্রোহী লালবদর নাহিদা,,,আপনার জন্য আমার একটুও কষ্ট হচ্ছেনা, খারাপ লাগতেছে না।
তবে খুব কষ্ট হচ্ছে আপনার ১৩ বছরের ছেলের জন্য।

আপনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক হয়েও জুলাই আন্দোলনে স্লোগান দিয়েছিলেন,,,,, "স্বজন হারা বেদনা চু'দিনা।"

আহ, কি নির্মম মনমানসিকতা আপনার। এখন থেকে প্রতিমুহূর্ত স্বজন হারানোর ব্যথা অনুভব করেন।

আল্লাহতালা আপনার ছেলেকে, জান্নাতবাসী করুক, আমিন।
অপ্রতিমের সোশাল মিডিয়া কনটেন্ট দেখলাম! যা দেখলাম তাতে উদ্বেগ জাগলো অন‍্য কারণে। ওর যা বয়স তাতে সোশাল মিডিয়া ব‍্যবহার করার বৈধতা ওর ছিলো না। মোবাইল- বাইক এসবের মালিকানা তার পক্ষে যায় না। কারণ ও নিরীহ ছিলো না। বেসিকালি সব কনটেন্ট স্বাক্ষ‍্য দেয় সে অল্প বয়সে উচ্ছন্নে যাওয়া বখাটে এবং কিশোর গ‍্যাংয়ের সদস‍্য। ব‍্যাড প‍্যারেন্টিং ছাড়া এই ইস‍্যুতে আর কিছু নাই।

প্রশ্ন আসে এভাবে মৃত‍্যু কি মেনে নেয়া যায়? এমন যদি হতো এটা হঠাৎ একটা ঘটনা, মানুষ বিচলিত হতো। হয়নি। কারণ তাদের সয়ে গেছে। সহ‍্য ক্ষমতা বেড়ে গেছে। একই দিনে একজন বিশ্ববিদ‍্যালয়ের ছাত্রকে ভাত চুরির অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে মারা হলো। সপরিবারে নিহত হলেন এক প্রবাসী। টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হলেন আরেকজন হিন্দু! বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া গেলো আরো কয়েকটি মরদেহ! এটা একটা সমাজব‍্যবস্থার একদিনের ছবি, যার বন্দোবস্ত কিংবা আয়োজন আপনারা সবাই মিলে করেছেন। দোষী আপনারা, অন‍্য কেউ না...


#সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬ ゚ ゚viralfbreelsfypシ゚viral #জুলাই২৪ ゚

27/09/2026

জাতিসংঘে বাঙ্গু, পাকি ও জায়ন-ইসরায়েলি মুসলিম লবি,
এবার পোদানমন্ত্রী বাংলা ভাষার ** মেরে দিলো জাতিসংঘে!

সবার আগে পাকিস্তান।🙂

বিএনপি মানে পাকিস্তানি israeli muslim
এই হচ্ছে আমাদের দেশের রাজাকারদের বাপের দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ! কমনসেন্স দেখেন! নিজেই স্বীকার করে নিলো তার দেশেই আসলে টে/রোরিস্ট দিয়ে ভর্তি!
সবার আগে পাকিস্তান।🙂

বিএনপি'র জন্ম লগ্ন থেকে জিয়াউর রহমান থেকে খালেদা জিয়া খালেদা জিয়া থেকে তারেক রহমান সবাইরে পাকিস্তানি প্রেম এবং জামাতকে পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে জন্ম লগ্ন থেকে বিএনপি যদি জামাতকে পৃষ্টি পোষকতা না করত এই জামাতের অস্তিত্ব কোনদিন বাংলাদেশে থাকতো না এই পুষ্ঠু পোষাকতার কারণে ৫৪ বছর পরে এসে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের বাংলার জনগণকে এই কষ্ট করতে হচ্ছে

অনেকেই অবাক হচ্ছেন, আমি অবাক নই। জাপানে রোড পার্জ, ইন্দোনেশিয়ায় জাকার্তা মেথড, মধ্যপ্রাচ্যের আরব স্প্রিং - সকল আমেরিকান হস্তক্ষেপের সমাজ পরিবর্তন, ইতিহাস পরিবর্তন এভাবেই করা হয়েছে। জাপানের ইয়াকুজা থেকে ইন্দোনেশিয়ার মুসলিম সন্ত্রাসী অথবা সিরিয়া, ইয়েমেন, অথবা লিবিয়াতে একই কাজ করা হয়েছে। সমাজে প্রতিষ্ঠিত ফেব্রিককে ধ্বংস করার জন্য সন্ত্রাসী, অপরাধী ও থাগ বা গুন্ডা বদমাস সাইকোপ্যাথ সোশিওপ্যাথদের ক্ষমতায় বসানো হয়েছে এবং তাদের খুন খারাবী করার অধিকার দেয়া হয়েছে ইনডেমনিটির মাধ্যেমে। উদ্দেশ্য খুন খারাবী, ধর্ষণ ও জঘন্য অপরাধকে স্বাভাবীকিকরণ করা। যেন ধীর ধীরে মানুষ এগুলো থেকে মনযোগ সরিয়ে নেয়। তারা যেন সামাজিক বিষয়গুলো থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেয় এবং সারাদিন নিজ স্বার্থ ও নিজের ইন্দ্রিয় উপভোগ ছাড়া আর কিছু না ভাবে। বাঙ্গু মুসলামান যারা ২৪ এনেছে এবং এখনও সেটাকে সমর্থন করছে তাদের নিশ্চয়ই এতে আপত্তি নেই।

—অধ্যাপক ড. আরিফ

#সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬ ゚ ゚viralfbreelsfypシ゚viral #জুলাই২৪ ゚

ভাইয়ার উপর এখনও নিষেধাজ্ঞা? কেনও সে ক্ষুদ্র এলাকার বাইরে যেতে পারবে না ?          #সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬  ゚    ゚viralf...
24/09/2026

ভাইয়ার উপর এখনও নিষেধাজ্ঞা? কেনও সে ক্ষুদ্র এলাকার বাইরে যেতে পারবে না ?


#সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬ ゚ ゚viralfbreelsfypシ゚viral #জুলাই২৪ ゚

23/09/2026

বিএনপি নিউ ইয়র্ক থেকে পালিয়ে গেছে।জাতিসংঘের অধিবেশন চলাকালীন সময় ইউনুস ও খলিলুর রহমান মিলে একটি রুম ভাড়া নিয়ে বক্তৃতা দিয়েছে যেখানে বলা হয়েছে জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছে।

একটা মানুষ কতটা নির্লজ্জ হলে পদে পদে এমন মিথ্যাচার করে বেড়ায়। আবার বাঙ্গু মিডিয়া এটাকে ফলাও করে প্রচার করেছে...

হয়তো এ কারণেই বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন সহযোগীরা বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতার অভাবে এই অনির্বাচিত মাফিয়া সিন্ডিকেটের নৈরাজ্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে... আর একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে চাইছে...সম্ভবত একপেশে বৈদেশিক নীতি এবং পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির বেড়াজালে আটকে পড়ার কারণেই আমাদের মূল্যস্ফীতি এত বেশি। জ্বালানি সরবরাহের উৎসে বৈচিত্র্যের অভাব ও বিঘ্নিত সরবরাহ ব্যবস্থার ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে; এর ফলে শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং বেকারত্ব বাড়ছে। জ্বালানিসহ বিভিন্ন উৎস থেকে সার ও বীজ সংগ্রহের সীমাবদ্ধতার কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। একইসাথে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ছে ও রপ্তানি কমছে, এবং দেশে উৎপাদনযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও খাদ্যপণ্য আমদানির পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে।

ডিজিএফআই (DGFI)-এর গোপন তদন্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হলে দলটি ৫৩% ভোট পাবে; এছাড়া বিএনপি ২৪%, জামায়াত-এনসিপি ১১% এবং জাতীয় পার্টি ৭% ভোট পাবে। অনুগ্রহ করে নিচের নথিটি দেখুন।

এই সরকার কোনো সিন্ডিকেট দ্বারা পরিচালিত—বিএনপি বা ইউনূস দ্বারা নয়; এরা আসলে সেই সিন্ডিকেটেরই প্রতিনিধি। এদের মধ্যে রয়েছে ডানপন্থী 'হিজবুত তাহরীর' ও জান্তা-সমর্থিত সামরিক গোষ্ঠীর লোক; আছে 'ডিপ স্টেট'-এর (যেমন পিটার হাস ও ট্রেসি জ্যাকবসন—যারা খলিল গ্যাংয়ের সাথে যুক্ত) অনুসারীরা; আছে আশিক চৌধুরীর মতো এনজিও-সমর্থিত এবং হুমায়ুন কবিরের মতো বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাসের মদদপুষ্ট ব্যক্তিরা...

—অধ্যাপক ড. আরিফ

#সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬ ゚ ゚viralfbreelsfypシ゚viral #জুলাই২৪ ゚

জাতিসংঘের অধিবেশন চলাকালীন সময় ইউনুস ও খলিলুর রহমান মিলে একটি রুম ভাড়া নিয়ে বক্তৃতা দিয়েছে যেখানে বলা হয়েছে জাতিসংঘে ভাষ...
23/09/2026

জাতিসংঘের অধিবেশন চলাকালীন সময় ইউনুস ও খলিলুর রহমান মিলে একটি রুম ভাড়া নিয়ে বক্তৃতা দিয়েছে যেখানে বলা হয়েছে জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছে।

একটা মানুষ কতটা নির্লজ্জ হলে পদে পদে এমন মিথ্যাচার করে বেড়ায়। আবার বাঙ্গু মিডিয়া এটাকে ফলাও করে প্রচার করেছে...

হয়তো এ কারণেই বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন সহযোগীরা বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতার অভাবে এই অনির্বাচিত মাফিয়া সিন্ডিকেটের নৈরাজ্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে... আর একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে চাইছে...সম্ভবত একপেশে বৈদেশিক নীতি এবং পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির বেড়াজালে আটকে পড়ার কারণেই আমাদের মূল্যস্ফীতি এত বেশি। জ্বালানি সরবরাহের উৎসে বৈচিত্র্যের অভাব ও বিঘ্নিত সরবরাহ ব্যবস্থার ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে; এর ফলে শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং বেকারত্ব বাড়ছে। জ্বালানিসহ বিভিন্ন উৎস থেকে সার ও বীজ সংগ্রহের সীমাবদ্ধতার কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। একইসাথে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ছে ও রপ্তানি কমছে, এবং দেশে উৎপাদনযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও খাদ্যপণ্য আমদানির পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে।

ডিজিএফআই (DGFI)-এর গোপন তদন্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হলে দলটি ৫৩% ভোট পাবে; এছাড়া বিএনপি ২৪%, জামায়াত-এনসিপি ১১% এবং জাতীয় পার্টি ৭% ভোট পাবে। অনুগ্রহ করে নিচের নথিটি দেখুন।

এই সরকার কোনো সিন্ডিকেট দ্বারা পরিচালিত—বিএনপি বা ইউনূস দ্বারা নয়; এরা আসলে সেই সিন্ডিকেটেরই প্রতিনিধি। এদের মধ্যে রয়েছে ডানপন্থী 'হিজবুত তাহরীর' ও জান্তা-সমর্থিত সামরিক গোষ্ঠীর লোক; আছে 'ডিপ স্টেট'-এর (যেমন পিটার হাস ও ট্রেসি জ্যাকবসন—যারা খলিল গ্যাংয়ের সাথে যুক্ত) অনুসারীরা; আছে আশিক চৌধুরীর মতো এনজিও-সমর্থিত এবং হুমায়ুন কবিরের মতো বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাসের মদদপুষ্ট ব্যক্তিরা...

—অধ্যাপক ড. আরিফ

#সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬ ゚ ゚viralfbreelsfypシ゚viral #জুলাই২৪ ゚

ডিজিএফআই (DGFI)-এর গোপন তদন্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হলে দলটি ৫৩% ভোট পাবে; এ...
22/09/2026

ডিজিএফআই (DGFI)-এর গোপন তদন্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হলে দলটি ৫৩% ভোট পাবে; এছাড়া বিএনপি ২৪%, জামায়াত-এনসিপি ১১% এবং জাতীয় পার্টি ৭% ভোট পাবে। অনুগ্রহ করে নিচের নথিটি দেখুন।

May be that's why global development partners are walking away from this unelected mafia syndicate annerchy for it's lack of credibility & acceptance...and a terrorist country using this opportunity to take revange of their defeat on 1971 liberation war...

-Prof,Dr.Arif...

হয়তো এ কারণেই বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন সহযোগীরা বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতার অভাবে এই অনির্বাচিত মাফিয়া সিন্ডিকেটের নৈরাজ্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে... আর একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে চাইছে...

—অধ্যাপক ড. আরিফ

#সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬ ゚ ゚viralfbreelsfypシ゚viral #জুলাই২৪ ゚

"এই ছবিটা বিএনপি'র একজন উপজেলাকর্মী পাঠালেন। বললেন, দেখেন তো, এখানে বিএনপি'র কেউ আছে কি না? তৃণমূল কানেক্টেড ফিল করে, আপ...
22/09/2026

"এই ছবিটা বিএনপি'র একজন উপজেলাকর্মী পাঠালেন। বললেন, দেখেন তো, এখানে বিএনপি'র কেউ আছে কি না? তৃণমূল কানেক্টেড ফিল করে, আপন মনে করে, এমন কাউকে এ ছবিতে দেখা যায় কি না? ১৭ বছর বিএনপিকে যারা টিকিয়ে রেখেছিলো, তারা কেউ প্রধানমন্ত্রীর পাশে বসা কি না?

আমি অনেকক্ষণ ছবিটা দেখলাম। তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী ছাড়া কাউকে চিনতে পারিনি। বলবেন, এদের ছবি তো ফেসবুক খুললেই দেখা যায়, না চেনার কী আছে? এখানেই মুশকিল।

এই ছবির কাউকে বিএনপি'র প্রতিনিধি মনে করি না। এখানে একজনও নেই, যাকে দেখে তৃণমূল বিএনপি ভাববে, ঐ যে উনি, আমাদের সঙ্গী, আমাদের লোক, বিএনপির লোক!
এই সরকার কোনো সিন্ডিকেট দ্বারা পরিচালিত—বিএনপি বা ইউনূস দ্বারা নয়; এরা আসলে সেই সিন্ডিকেটেরই প্রতিনিধি। এদের মধ্যে রয়েছে ডানপন্থী 'হিজবুত তাহরীর' ও জান্তা-সমর্থিত সামরিক গোষ্ঠীর লোক; আছে 'ডিপ স্টেট'-এর (যেমন পিটার হাস ও ট্রেসি জ্যাকবসন—যারা খলিল গ্যাংয়ের সাথে যুক্ত) অনুসারীরা; আছে আশিক চৌধুরীর মতো এনজিও-সমর্থিত এবং হুমায়ুন কবিরের মতো বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাসের মদদপুষ্ট ব্যক্তিরা... —অধ্যাপক ড. আরিফ...
This government is run by a syndicate, not bnp nor was yunus...these people are that syndicates representatives...
Some right wing hijbuttehir,janat backed military,some deep state's (peter harsh,tracy jacobson's which are khalil gang) , some NGO backed like ashik choudhury, some foreign embassy backed like humayun kabir...

যেকোনো এয়ারলাইন্সে ফার্স্ট বা বিজনেস ক্লাসে ভ্রমণ করলে সংশ্লিষ্ট লাউঞ্জে খাবার বিনামূল্যে পাওয়া যায়—যতবার ইচ্ছা নেওয়ার সুযোগও থাকে।

তারেক রহমান এবং তাঁর সঙ্গে ছবি তোলা সবাইকে দেখলাম তার্কি এয়ারলাইন্সের লাউঞ্জ বসা এবং সেখান থেকেই খাবার নিচ্ছেন। তাহলে প্রশ্নটা খুব স্বাভাবিক—

লাউঞ্জে শত রকমের ফ্রি খাবার থাকার পরও কেন খাবার কিনে খেতে হবে? এটাতো টাকার অপচয় হবার কথা। 🙂

নাকি, পত্রিকায় প্রকাশিত এই সংবাদগুলো “সস্তা” খাবারের সস্তা হাস্যকর গল্প?

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যতবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণের জন্য গেছেন অধিকাংশ সময়ই বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইট ব্যবহার করছেন। জাতিসংঘে যাওয়ার সময় কিংবা আসার সময় যাত্রীদের সাথে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার এমন নিয়মিত ফ্লাইটের শত শত ছবি এবং ভিডিও আছে।

ইউনুস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গেছিলো এমিরেটস এয়ারলাইন্স এর বিশেষ ফ্লাইটে এবং আজ জনাব তারেক রহমান গেলেন টার্কিশ এয়ারলাইন্সের আভিজাত ফ্লাইটে।
তারপর নাটক দেখলাম তুরস্কে নেমে উনি লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার কিনে খাচ্ছেন সাধারণ সেজে। কি সার্কাস! উনি যে ফ্লাইটে গেছেন সেই ফ্লাইটে সুস্বাদু খাবার, বিশেষ ডায়েট এবং শারীরিক প্রয়োজনের জন্য স্পেশাল মিল থাকে।

ডায়াবেটিক মিল, গ্লুটেন-ফ্রি মিল, ভেগান ও ভেজিটেরিয়ান ও হালাল ফুড থাকে। সাধারণ খাবারের মধ্যে মুরগির মাংস, গরুর মাংস ও পাস্তা থাকে। মিষ্টি বা ডেজার্ট হিসাবে চকলেট বা ঐতিহ্যবাহী তার্কি প্রেস্ট্রি থাকে। কমলা বা আপেলের জুস, সফট ড্রিকস, চা ও কপি এবং ওয়াইন বা বিয়ার থাকে। তাহলে ভাইয়ার আর কি খাবারের দরকার ছিলো। অভিনয়ে করে সাধারণ মানুষের সাথে রাষ্ট্রীয় লু*টপাটের লুকোচুরি। আগাইয়ে যান ভাইয়া সময় আর বেশি নেই!

সবার আগে বাংলাদেশ বলে তারেক রহমান টার্কিশ এয়ারলাইন্স করে জাতিসংঘের অধিবেশনে যাচ্ছে। তারেক সাহেবের সবার আগে বাংলাদেশের নমুনা এখন জাতির সামনে পরিষ্কার।

জাতিসংঘের অধিবেশনের দুই প্রধানমন্ত্রীর ছবি।
শেখ হাসিনা: ৭৮তম UNGA — ২০২৩ সালে।
তারেক রহমান: ৮১তম UNGA — ২০২৬ সালে।

শেখ হাসিনা: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স
(দেশি বিমান)
তারেক রহমান: টার্কিশ এয়ারলাইন্স
(বিদেশি ভি আই পি)

দুজনেই জাতিসংঘের অধিবেশনে গেছেন। একজন সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে বিমানে সাক্ষাৎ করতে ব্যস্ত। আরেকজন বিজনেস ক্লাসে ভাব নিয়ে, পেছনে নিজের কর্মীদের নিয়ে শোআপে ব্যস্ত।

একজন দেশীয় বিমান ব্যবহার করতেন, আরেকজন বিদেশি বিমান ছাড়া চলেই না। কিন্তু তারপরেও শেখ হাসিনা খারাপ, আর তারেক জিয়া পূর্ণিমার চাঁদ!

“সবার আগে বাংলাদেশ" ডায়লগ দিযে তিনি নিজের দেশের বিমানটাও ব্যবহার করেন না। এইটাতেই প্রমাণিত হয় যে, সবার আগে বাংলাদেশ বলা ডায়লগ ছিল শুধু মাত্র জনগণের আবেগকে পুঁজি করে ক্ষমতায় আসা। আর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশ ও দেশের মানুষের প্রয়োজনে রাজনীতি করেন বলেই, কারো কাছে মাথা নত করেননি। প্রকৃত অর্থে শেখ হাসিনা হচ্ছেন একজন দেশপ্রেমিক সফল রাষ্ট্র নায়ক।

-Prof,Dr.Arif...

21/09/2026
এক সমঋের ডিজিএফআই এর পেইড রাইটার সিনিয়র সাংবাদিক বোরহান কবিরের পোস্টে অভিযোগ অত‍্যন্ত গুরুতর। সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে করা ...
21/09/2026

এক সমঋের ডিজিএফআই এর পেইড রাইটার সিনিয়র সাংবাদিক বোরহান কবিরের পোস্টে অভিযোগ অত‍্যন্ত গুরুতর।

সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ নিয়ে নিস্চিত নাহয়ে মন্তব্য করবো না। তবে যদি অভিযোগ সত্য হয় তবে নিশ্চিত এটা “Bad Loan” হবে। আর “Bad Loan” উদ্ধার করা প্রয় অসম্ভব।

যেমনটি হয়েছে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোঃ শফিক সাহের বাংলাদেশ ব‍্যাংকের নীতিমালা পাশ কাটিয়ে তার আপন বড় ভাই মরহুম আনিসুল হকের ছেলের নাবিদের “দেশ টিভি” (নামটা যদি সঠিক মনে করে থাকি) কে ট্রাস্ট ব্যাংক থেকে ৬০০ কোটি টাকা লোন দেওয়ার ব‍্যাবস্থা করেছিলেন সেনাপ্রধান ও ট্রাস্ট ব‍্যাংকের চেয়ারম‍্যান হিসাবে। পরবর্তীতে ঐ ৬০০ কোটি টাকা “Bad Loan” হয়ে যায়, যেটা সম্ভবতঃ এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

তবে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার ও তার স্ত্রীর দুর্নীতির প্রমান এই মিডিয়াতেই দেখেছি। চট্টগ্রাম পোর্টের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান নৌবাহিনী প্রধান হইতে তদবির‍্যর করতে এই প্রতিরক্ষা উপদেস্টার বিখ্যাত (??) স্ত্রীকে একটি নতুন জীপ উপহার দিয়েছেন (নীচের গোয়েন্দা প্রতিবেদন দেখুন)।
আর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার ঐ মালয়েশিঋায় ৩২ কোটি টাকায়, কেউ বলে আরো অনেক বেশী মুল‍্যে দুইটি বিলাসবহুল ফ্লাট কেনার কথা সেনানিবাসে মুখরোচক আলোচনা। সঠিক জায়গামত কান পাতলেই শুনতে পাবেন।

যাক- Syed Kabir এর ওয়াল হতে নেওয়া পোস্টটি নীচে দেওয়া হলো-
সেনাবাহিনীতেও শুরু হয়েছে লুটপাট, ক্ষুব্ধ সেনা সদস্যরা-

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর সর্বত্র লুটপাটের উৎসব চলছে। এই লুটপাটে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা এবং সেনা প্রধান নিজেই। দুটি দুর্নীতির ঘটনায় সেনাবাহিনীর ভেতরে চলছে চরম অস্থিরতা এবং উত্তেজনা-
• ঢাকা সেনানিবাসে সিএমএইচ এর পাশে একটি বহুতল কার পার্কিং এর কাজ প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা এ কে এম শামছুল ইসলামের পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়েছে। কোন নিয়মনীতি অনুসরণ না করেই শামছুল ইসলামের নির্দেশে এই কাজ দেয়া হয়। বিনিময়ে সামরিক উপদেষ্টা মালয়েশিয়ায় দুটি বাড়ি উপহার পেয়েছেন। এনিয়ে সেনাবাহিনীতে চলছে ক্ষোভ এবং অসন্তোষ।
• দাঁড়িওয়ালা সেনাপ্রধান যিনি সেনাবাহিনীতে ইসলামীকরনে ভীষণ মনোযোগী, তিনিও এখন আখের গোছাতে ব্যস্ত। সম্প্রতি ট্রাস্ট ব্যাংক তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৬০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে একটি অখ্যাত প্রতিষ্ঠানকে। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকারের নির্দেশে তানভীর কনস্ট্রাকশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে এই বিপুল অঙ্কের টাকা ঋণ দেয়া হয়। এই ঋণ প্রদানে ব্যাংকের এমডির আপত্তি ছিল। তিনি আশংকা প্রকাশ করেছিলেন যে, এরকম একটি অগ‍্যাত, অখ‍্যাত প্রতিষ্ঠান কে ঋণ দেয়া হবে ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু সেনাপ্রধান একরকম জোর করে এই ঋণঅনুমোদন করান। এরফলে ট্রাস্ট ব্যাংক সমস‍্যায় পরতে পারে, এতে বিপদে পরতে পারেন সেনা সদস্যরা যারা মূলত এই ব্যাংকেই তাদের কষ্টার্জিত টাকা জমা রাখেন।
সেনা সদস্যরা এইসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করেছেন।মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান এবং একজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা। তিনি তাঁর ব্যবহৃত দুটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে নিজের ছবি ডিসপ্লে ছবি হিসেবে বেশ কিছুদিন ধরে ব্যবহার করছেন।

অনেকেই অবাক হচ্ছেন, আমি অবাক নই। জাপানে রোড পার্জ, ইন্দোনেশিয়ায় জাকার্তা মেথড, মধ্যপ্রাচ্যের আরব স্প্রিং - সকল আমেরিকান হস্তক্ষেপের সমাজ পরিবর্তন, ইতিহাস পরিবর্তন এভাবেই করা হয়েছে। জাপানের ইয়াকুজা থেকে ইন্দোনেশিয়ার মুসলিম সন্ত্রাসী অথবা সিরিয়া, ইয়েমেন, অথবা লিবিয়াতে একই কাজ করা হয়েছে। সমাজে প্রতিষ্ঠিত ফেব্রিককে ধ্বংস করার জন্য সন্ত্রাসী, অপরাধী ও থাগ বা গুন্ডা বদমাস সাইকোপ্যাথ সোশিওপ্যাথদের ক্ষমতায় বসানো হয়েছে এবং তাদের খুন খারাবী করার অধিকার দেয়া হয়েছে ইনডেমনিটির মাধ্যেমে। উদ্দেশ্য খুন খারাবী, ধর্ষণ ও জঘন্য অপরাধকে স্বাভাবীকিকরণ করা। যেন ধীর ধীরে মানুষ এগুলো থেকে মনযোগ সরিয়ে নেয়। তারা যেন সামাজিক বিষয়গুলো থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেয় এবং সারাদিন নিজ স্বার্থ ও নিজের ইন্দ্রিয় উপভোগ ছাড়া আর কিছু না ভাবে। বাঙ্গু মুসলামান যারা ২৪ এনেছে এবং এখনও সেটাকে সমর্থন করছে তাদের নিশ্চয়ই এতে আপত্তি নেই।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার দুই ক‍্যাশিয়ার-

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এখন সশস্ত্র বাহিনীকে টাকার খনি বানিয়েছেন। সব কেনাকাটা আর টেন্ডারে তাঁকে কমিশন দেয়া বাধ্যতামূলক।
সামরিক উপদেষ্টার কালেকশনের জন্য আছে দুই এজেন্ট। এদের একজন চট্টগ্রাম পোর্ট এর চেয়ারম্যান রিয়াল এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান।অন‍্যজন ১৩তম বিএমএ লং কোর্সের মেজর(অবঃ) ওয়াহেদ। সেনাপ্রধান ওয়াকারও ১৩ তম লং কোর্সের। ওয়াহেদ এখন ঘনঘন সেনাসদরে যান সামরিক উপদেষ্টার পক্ষাবলম্বন টেন্ডার তদারকি করতে। আর টাকা যায় চট্টগ্রাম পোর্ট এর চেয়ারম্যান রিয়াল এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানের কাছে। মুনির এটা পাঠিয়ে দেন বিদেশে।এভাবেই চলছে সশস্ত্র বাহিনীতে লুটপাট।

এই সরকার কোনো সিন্ডিকেট দ্বারা পরিচালিত—বিএনপি বা ইউনূস দ্বারা নয়; এরা আসলে সেই সিন্ডিকেটেরই প্রতিনিধি। এদের মধ্যে রয়েছে ডানপন্থী 'হিজবুত তাহরীর' ও জান্তা-সমর্থিত সামরিক গোষ্ঠীর লোক; আছে 'ডিপ স্টেট'-এর (যেমন পিটার হাস ও ট্রেসি জ্যাকবসন—যারা খলিল গ্যাংয়ের সাথে যুক্ত) অনুসারীরা; আছে আশিক চৌধুরীর মতো এনজিও-সমর্থিত এবং হুমায়ুন কবিরের মতো বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাসের মদদপুষ্ট ব্যক্তিরা... —অধ্যাপক ড. আরিফ...

—অধ্যাপক ড. আরিফ


#সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬ ゚ ゚viralfbreelsfypシ゚viral #জুলাই২৪ ゚

Address

বীর উত্তম এ কে খন্দকার সড়ক, মহাখালী
Dhaka
1213

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তিতুমীর কলেজ ইনসাইডার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share