06/09/2025
আসসালামু আলাইকুম,
ঈদে মিলাদুন্নবী "নবীর আদর্শে আলোকিত সমাজ "
ঈদে মিলাদুন্নবী মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে এক গভীর আবেগের দিন। এই দিনেই জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্ব মানবতার মুক্তির দূত, হযরত মুহাম্মদ (সা.)। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে মক্কার কুরাইশ বংশে তাঁর জন্ম এক নতুন ইতিহাসের সূচনা করে। অন্ধকার, কুসংস্কার আর অন্যায়ের ছায়ায় ঢাকা পৃথিবী আলোর পরশ পায় তাঁর আগমনে।
শৈশবেই পিতৃহারা হয়ে নবী (সা.) কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন। কিন্তু সেই দুঃখকষ্ট তাঁকে করে তোলে দয়ার প্রতীক, ধৈর্যের মূর্তি। সততা ও সত্যবাদিতার জন্য তিনি পরিচিত হন “আল-আমিন” নামে। ৪০ বছর বয়সে তিনি নবুওতের দায়িত্ব পান, এবং আল্লাহর একত্ববাদ, ন্যায় ও মানবতার বার্তা বিশ্বকে শোনান।
তিনি শিখিয়েছেন—মানবতার সেবা ইবাদতেরই অংশ। এতিমের মাথায় হাত রাখা, নারীর অধিকার রক্ষা, দাস-মুক্তির উদ্যোগ, প্রতিবেশীর খোঁজ নেওয়া—এসবই ছিল তাঁর জীবনযাপনের অংশ। নবীর প্রতিটি কাজ ছিল দয়া, সহানুভূতি ও ন্যায়ের দৃষ্টান্ত।
আজকের পৃথিবী যখন হিংসা, বিভেদ, দুর্নীতি ও অবিচারে আচ্ছন্ন, তখন নবীর আদর্শই আমাদের একমাত্র দিশা। যদি আমরা তাঁর দেখানো সততা, ন্যায় ও ভ্রাতৃত্বকে জীবনে ধারণ করি, তবে গড়ে উঠতে পারে এক শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ।