JU Dairies

JU Dairies Here, All the photos are taken in JU or related to JU. We just publish their photos to share the Beauty of Jahangirnagar University.

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়;

তুমি আমার তারুণ্যের নীল আকাশে ভাসা এক চিরচেনা স্বপ্ন,
তোমার লাল ইটের পথ ধরে হেঁটেই শিখেছি ভালোবাসা, প্রতিবাদ আর আপন আপনত্বের বর্ণমালা। All the photos are collected (From FB , Google, etc)
*Only Photographers reserved the right of their photos.

এটা হচ্ছে অরিজিনাল ছবি। এর আগে এআই নির্মিত ছবিগুলো বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। ধ/র্ষ/ণচেষ্টাকারী প্রান্তিক গেইট দিয়ে প্রবেশ করেছ...
15/05/2026

এটা হচ্ছে অরিজিনাল ছবি। এর আগে এআই নির্মিত ছবিগুলো বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে।

ধ/র্ষ/ণচেষ্টাকারী প্রান্তিক গেইট দিয়ে প্রবেশ করেছিলো।

ছবি কর্টেসি: Mehedi Mamun

13/05/2026

বোনের ধর্ষণ এবং হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে ঈদের পরে আন্দোলনে যাচ্ছে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অসাধারণ শিক্ষার্থীরা।

13/05/2026

সবার কাছে আমার প্রশ্ন - পুরো বিশ্ববিদ্যালয় চুপ কেনো ? আপনাদের ভয়েস রাইজ করার জন্য আমার কি মারা যাওয়াই উচিত ছিলো ?

মে ১২, ২০২৬ তারিখে দিবাগত রাত আনুমানিক ১১:১৩ মিনিটে পুরাতন ফজিলতুন্নেসা হল সংলগ্ন আল বেরুনী এক্সটেনশনের মধ্যবর্তী রাস্তায় সাদা টিশার্ট, কালো প্যান্ট পরিহিত এক ব্যক্তি আমাকে অনুসরণ করেন। সন্দেহজনক গতিবিধি দেখে আমি তাকে তার পরিচয় জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান তিনি ৪৮তম আবর্তন এর শিক্ষার্থী এবং তার বাসা বিশমাইল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরমাল পরিচয় জিজ্ঞেস করলে তিনি তা বলতে পারেন না এবং পরক্ষণেই তিনি তার হাতে থাকা কোন দড়িসদৃশ বস্তু আমার গলায় পেঁচিয়ে আমাকে টেনে হিঁচড়ে রাস্তার পাশের অন্ধকার ঝোপঝাড়ে নিয়ে যান। তিনি সেখানে আমার নাক-মুখ চেপে ধরে শ্বা/সরো/ধ করে হ/tta করার চেষ্টা করেন এবং আমাকে বিবস্ত্র করার চেষ্টা করেন । ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছিঁ/ড়ে, কেটে যায়। এক পর্যায়ে আমি তাকে অনুরোধ করি তিনি যা বলবেন আমি তাই করবো কিন্তু তিনি যেনো আমাকে ho/ত্যা না করেন। এতে আশ্বস্ত হয়ে সে বাঁধন কিছুটা শিথীল করলে সেই সুযোগে আমি সাহায্যের জন্য "হেল্প হেল্প" "বাঁচাও বাঁচাও” বলে চিৎকার করি। আমার চিৎকারে পার্শ্ববর্তী রাস্তায় লোক জড়ো হলে সে ঝোপঝাড় এর ভিতরে পালিয়ে যায়। আমি বের হয়ে চিশতী, শফিক ভাই, জাহীদ ভাই সহ কয়েকজনকে ঘটনা সম্পর্কে অবগত করলে তারা তাকে খুঁজতে গিয়ে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে আমাকে প্রত্যক্ষদর্শীরা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যান ও আমি প্রাথমিক চিকিৎসা পাই। অতঃপর আমরা সবাই প্রক্টর অফিসে অপরাধী শণাক্তকরণ ও ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যাই এবং সিসি-টিভি ফুটেজে পুরো ঘটনা ধরা পড়ে।

[ শ্বাসরো/ধে/র সময় আমার চোখ মুখ চারদিক অন্ধকার হয়ে যায় , আসামির বাম কানে ও পাশের গাছে আঁচড় দেই । আর এক সেকেন্ড বেশি চেপে রাখলে আমি মারা যাইতাম । একটা ছেলের জায়গায় দুই টা ছেলে থাকলে বা আমার জায়গায় একটু দুর্বল মেয়ে থাকলে সকালে নগ্ন লা/শ পাওয়া যেতো । তারপর মশাল জ্বালিয়ে কয়েকজন মিছিল করতো। তারপর কিছুদিন পরে সবাই অন্য ব্যস্ততায় ভুলে যেতো। মাঝখান থেকে শুধু আমার পরিবার সাফার করতো । কিন্তু বেঁচে ফেরার জন্য এই ঘটনাকে ওতোটা গুরুত্ব দেওয়া হলো না কারণ - ইনস্ট্যান্ট বলার পরেও যে- "আসামী জঙ্গলের ভিতরেই আছে," সজল ভাই (প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা) সহ যারা ছিলো তারা প্রপারলি খুঁজে দেখে নাই। এক মিনিট খুঁজেই বলে যে- পাই না । ১১ টার ঘটনা কিন্তু সব গেট বন্ধ করছে ১২.৩০ টায় । জাকসু এর নারী নেত্রী আসছেন ২.৩০ টায় তাও আসার পরে কোনো দিক নির্দেশনা তো দূরে থাক, আমার সাথেও কথা বলে নাই। কাইন্ড অফ জাস্ট মুখ দেখাইতে বা অ্যাটেনডেন্স দিতে আসছেন। সিসি ক্যামেরা চেক করার জন্য অপারেটর নাকি রাতে থাকে না। আমার প্রশ্ন দুর্ঘটনা কি দিনে বেশি ঘটে নাকি রাতে? রাতে কেনো থাকবে না একজন ? আবার দুই দিন হলো নাকি সালাম-বরকত আর কোয়ার্টার এর মধ্যবর্তী সিসি ক্যামেরা নষ্ট। সাংবাদিকদের কেও একজন পুরো ক্লিপ নিতে চাইলে আমি মানা করি যে শুধু ক্রিমিনাল এর ভিডিও নেন। তিনি তখন তার পরিচয় দেওয়া শুরু করেন। আমি তখন বলি আপনি যে ই হন আমি আমার কোনো কিছু দিতে চাচ্ছি না। অতঃপর আমার নিরাপত্তা, কনসেন্ট এর চেয়ে তার মেল ইগোর প্রায়োরিটি বেশি হয় , তিনি রাগ করে বের হয়ে যান। প্রক্টর স্যার বললেন সকালে নাকি চিঠি দিতে হবে তারপর বিশ্ববিদ্যালয় স্টেপ নিবে। আমার পাশে থাকা শিক্ষার্থীদের চাপে পরে পুলিশ কে কল দিয়েছেন তিনি, তারপর রাতেই কমপ্লেইন দেওয়া হয়েছে। সকাল ৮ টায় নাকি জিডি হবে। আমার সবার কাছে প্রশ্ন - পুরো বিশ্ববিদ্যালয় চুপ কেনো? আপনাদের ভয়েস রাইজ করার জন্য আমার কী মা/রা যাওয়াই উচিত ছিলো ? ]

এমতাবস্থায়, আমি শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এবং আমি ও ক্যাম্পাসের নারী শিক্ষার্থীরা আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে পাবলিক স্পেসে এরকম ধর্ষণ ও ho/ত্যা/চেষ্টার মতো ভয়াবহ ঘটনার বিরুদ্ধে প্রশাসনকে পূর্ণাঙ্গ এবং সর্বোচ্চ আইনী ব্যবস্থা অতি দ্রুত নিশ্চিত করার জোর দাবী জানাই এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যেন না ঘটে সে ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের দাবী জানাই ।

আপুরা যারা ছিলেন তাদেরকে ধন্যবাদ দিয়ে আমি শেষ করতে পারবো না। আপনারা যেভাবে সাপোর্ট, সিকিউরিটি, প্রাইভেসি মেইনটেইন করছেন আর ভয়েস রেইজ করছেন অতুলনীয়। আর ভাই দের ও অনেক ধন্যবাদ পরে হলেও আমার প্রাইভেসি বোঝার জন্য আর এতক্ষণ বাইরে থেকেও ধৈর্য্য ধারণ করে পাশে থাকার জন্য। যে ভাইরা টহল দিছেন, এভিডেন্স কালেক্ট করছেন তাদেরকে ধন্যবাদ দিয়ে শেষ করতে পারবো না। কিন্তু আপনারা সবাই প্লিজ প্রেশার ক্রিয়েট করুন। আদারওয়াইজ আরো খারাপ দিনের অপেক্ষা করুন।

(প্রাইভেসির জন্য ভিক্টিমের নাম পরিচয় কিছু আমরা প্রকাশ করছি না। সব এভিডেন্স প্রক্টর আর পুলিশ এর কাছে আছে । আর ক্রিমিনাল এর ছবি, ভিডিও সবার কাছেই আছে এবং ঘটনার সত্যতা ও ভয়াবহতা সিসিটিভি ফুটেজে উপস্থিত সবাই দেখেছে)

#জাবি

গতকাল রাতে আমরা যারা প্রক্টর অফিসে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রত্যক্ষ করেছি, বিশ্বাস করেন প্রত্যেকটা মানুষ ট্রমাটাইজড। ঘটনার...
13/05/2026

গতকাল রাতে আমরা যারা প্রক্টর অফিসে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রত্যক্ষ করেছি, বিশ্বাস করেন প্রত্যেকটা মানুষ ট্রমাটাইজড।

ঘটনার ২ মিনিটের একটা সিসিটিভি ফুটেজ আমার জীবনে দেখা সবচেয়ে বিভীষিকাময়, ভয়ানক এবং জঘন্যতম এক্সপেরিয়েন্সটা দিয়েছে।

অনেকেই জানতে চাচ্ছেন মূল ঘটনা কী?

ঘটনার ১৩ ঘন্টা হয়ে গেলেও এটা লিখে ওঠার মতো সাহস পাচ্ছি না। তাও সবাইকে আলাদাভাবে যেহেতু জানানো সম্ভব না, চেষ্টা করছি গুছিয়ে লেখার৷

রাত ১১ টা ১০ বা এর আশেপাশের সময়ে সাদা টিশার্ট এবং কালো প্যান্ট পরা এক যুবক ভিকটিম নারী শিক্ষার্থীর পিছু নেয় সালাম-বরকত হল সংলগ্ন "জামাইর দোকান" এরিয়া থেকে।

পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হল এবং আল-বেরুনী এক্সটেনশনের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডের মাঝামাঝি রাস্তায় এলে, ক্রিমিনালের অস্বাভাবিক গতিবিধি লক্ষ্য করে উক্ত নারী শিক্ষার্থী জানতে চান যুবকটি ক্যাম্পাসের কিনা।

পরিচিত হতে চাইলে, ক্রিমিনাল উত্তর দেয়, সে জাবি-৪৮ ব্যাচ। এই পুরো কনভারসেশনের ডিউরেশন ৪০ সেকেন্ডের কাছাকাছি।

এরইমধ্যে পেছন থেকে ক্রিমিনাল, ভিকটিমের খুব কাছাকাছি চলে আসে। এবং ২-৩ সেকেন্ডের ব্যবধানে, ১১.১৩ এর দিকে কোনোকিছু আন্দাজ করা বা বুঝে ওঠার আগেই, পেছন থেকে একটা নাইলনের জাল সর্বশক্তি দিয়ে ভিকটিমের গলায় পেঁচিয়ে ফেলে।

খুবই এগ্রেসিভলি পেছন থেকে গলায় পেঁচানো নাইলনের নেট টেনে টেনে, মুখে হাত দিয়ে শ্বাস রোধ করে মেয়েটাকে পাশের ঝোঁপের ভেতরে টেনে-হিচড়ে নিয়ে যায় ক্রিমিনাল।

ক্রিমিনালের ইনটেশন ক্লিয়ারলি "হ`**`ত্যা এবং ধ'_--র্ষ--_ণ'"।

ভিকটিমের ভাষ্য অনুযায়ী আর এক সেকেন্ডও এই অবস্থায় থাকলে, নিশ্চিত "মৃ_--_ত্যু" হতো। তার নিঃশ্বাস একেবারেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। বাঁচার জন্য তখন তিনি ক্রিমিনালকে বলেন, সে যা চায়, ভিকটিম দিবে। কিন্তু প্রাণটা যেন কেড়ে না নেয়।

তখন কিছুটা আশ্বস্ত হয়ে, ক্রিমিনাল মুখ থেকে হাত সরায় এবং গলার বাঁধন কিছুটা শিথিল করে। সাথে সাথে মেয়েটা "হেল্প হেল্প" বলে চিৎকার করে ওঠে।

এবং দুঃখের বিষয় হচ্ছে, ৩ টা বাইক, ১ টা রিকশা পাশ থেকে চলে গিয়েছে৷ তারা এই শব্দ শুনে তাকিয়েছেও ঝোঁপের দিকে। কিন্তু কেউই এগিয়ে আসেনি।

মেয়েটার গগনবিদারী চিৎকার, বাঁচার আকুতি ওখানে ফুটেজ দেখা প্রত্যেকটা মানুষকে কাঁদিয়েছে। হে আল্লাহ! কী অসহায় মুহূর্ত!

এরপর ১১.১৫ তে ভিকটিম ধ্বস্তাধস্তি করে এক পর্যায়ে বের হয়ে আসতে সক্ষম হয় এবং কোনোমতে মেইন রাস্তায় এসে দাঁড়ায়।

এরপর ওই বাইকগুলো ফিরে আসে এবং ভিকটিমকে প্রক্টর অফিস ও মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়।

পরবর্তীতে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা প্রক্টর অফিসে জমায়েত হই।এবং সিসিটিভি ফুটেজ চেক করে ক্রিমিনালকে আইডেন্টিফাই করা যায়।

সিসিটিভি ক্যামেরা নষ্ট, আলোক-স্বল্পতা, অবাধ বহিরাগত প্রবেশ, জবাবদিহিতার অভাব, নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশাসনের নীরব ভূমিকা বা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা- সবকিছুই প্রচন্ড হতাশ করে।

তবে, এই হতাশার মাঝেও, শান্তি এটুকুই:

ভিকটিম আমার দেখা পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী, সাহসী আর বুদ্ধিমতী মানুষ। No words can express her courage.
I'm so proud of you, my Girl!

এই ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমরা থাকবো। প্রশ্ন করবো। লড়াই করবো আমাদের বোনের জন্য।

আসেন লড়াইটা একসাথে করি। নাহয় আজ উক্ত ভিকটিম, কাল আমি, পরশু আপনি বা আপনার কোনো বান্ধবী/বোন/মা/প্রেমিকা হবো এই নরপিশাচদের শিকার।

এই ঘটনার সুরাহা না হলে, "জাহাঙ্গীরনগর মেয়েদের জন্য স্বর্গ " এই ন্যারেটিভটা আর এক্সিস্টই করবে না!

বিঃদ্রঃ ভিকটিমের প্রাইভেসিকে সর্বোচ্চ সম্মান জানিয়েছি আমরা। এই সম্মানটা আপনারাও জানাবেন বলেই আমি বিশ্বাস রাখি। নাম, ব্যাচ, ডিপার্টমেন্ট এগুলো কেউ সামনে আইনেন না প্লিজ।

-Mirza Saki, BGE 49

দেশের সর্ব বৃহৎ লাইব্রেরি।  নির্মিতব্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
10/05/2026

দেশের সর্ব বৃহৎ লাইব্রেরি।

নির্মিতব্য

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

স্নিগ্ধ শান্তির সকাল।© Shopnil Hazrat
08/05/2026

স্নিগ্ধ শান্তির সকাল।

© Shopnil Hazrat

Fifty Shades of JU© চিত্র মানব।                     #জাবি
07/05/2026

Fifty Shades of JU

© চিত্র মানব।

#জাবি

চৌরঙ্গীতে আসলে  বাতাসে হৃদয় ছুয়ে যায়....
07/05/2026

চৌরঙ্গীতে আসলে বাতাসে হৃদয় ছুয়ে যায়....

06/05/2026

জারুলের ছায়ায় বসে হারিয়ে যাই ভাবনায়,
বেগুনি রঙে মাখা স্মৃতিগুলো ভেসে যায় আপনায়।


#জাবি

একই মঞ্চের কতো রূপ ফুটে উঠে বন্ধুত্বের জন্য আয়োজনে। ক্রেডিট: Taimur Rahman
06/05/2026

একই মঞ্চের কতো রূপ ফুটে উঠে বন্ধুত্বের জন্য আয়োজনে।

ক্রেডিট: Taimur Rahman

পিরিতের বেড়া ভেঙে নিজ হলের লিচু খেলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় মীর মশাররফ হোসেন (এমএইচ) হলের শিক্ষার্থীরা। ;)হল সংসদের...
05/05/2026

পিরিতের বেড়া ভেঙে নিজ হলের লিচু খেলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় মীর মশাররফ হোসেন (এমএইচ) হলের শিক্ষার্থীরা। ;)

হল সংসদের উদ্যোগে গাছ থেকে লিচু সংগ্রহ করে রুমে রুমে পৌঁছে দেন ৫৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।
দারুণ একটি উদ্যোগ।

ছবি: শাহরিয়া নাজিম রিয়াদ [ ভিপি , এমএইচ হল সংসদ]

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JU Dairies posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your university to be the top-listed University?

Share