DCU Insider

DCU Insider Dhaka Central University is formally known as 7 college, was a part under Dhaka University.

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিএনপি এখন ভারতের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক স্থাপন করতে চাইছে...BNP is now seeking to establish new ...
12/04/2026

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিএনপি এখন ভারতের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক স্থাপন করতে চাইছে...BNP is now seeking to establish new relations with India due to the war in the Middle East

অনুগ্রহ করে কমেন্ট বক্সে সংবাদপত্রের লিঙ্কে বিস্তারিত চেক করুন

#বাংলাদেশেরদুর্নীতি #২৬মার্চস্বাধীনতাদিবস ゚viralfbreelsfypシ゚viral ゚ #সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬ #জুলাই২৪ #রাজনীতি #রাজনীতিরখবর #রাজনীতি #রাজনীতির

মিষ্টার রজার (খলিল রহমান) এখন ভারতে—হাতে যেন এক বিশাল ‘আবদারের ঝুলি’। দেখলে মনে হয়, কূটনীতি না, যেন আলাদিনের চেরাগ খোঁজ...
11/04/2026

মিষ্টার রজার (খলিল রহমান) এখন ভারতে—হাতে যেন এক বিশাল ‘আবদারের ঝুলি’। দেখলে মনে হয়, কূটনীতি না, যেন আলাদিনের চেরাগ খোঁজার মিশনে গেছেন!

প্রথম আবদার—শেখ হাসিনাকে ফেরত চাই। ভারতের উত্তর সোজা আগের মতোই —“আগে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক বৈধতা, তারপর কথা!”
সোজা হিসাব: আগে নিজেদের ঘর গুছান, তারপর দরজা খোলার আশা করুন।

এরপরের তালিকাও বেশ লম্বা—
🌾 গম চাই
🍚 চাল চাই
🛢️ তেল চাই
🌊 গঙ্গা চুক্তির নবায়ন চাই

কিন্তু সময় বদলেছে।
ভারত এখন আর শুধু ‘দাতা’ না—তারা ‘বিনিময়ে বিশ্বাসী’। দিনভর ভারত বিরোধিতা করবেন আর রাতে এসে ক্ষমা চাইবেন, তা হবে না।

ভারতের শর্তও পরিষ্কার—
✔️ তিস্তায় অন্য কারও (ইঙ্গিত চীনের দিকে) প্রবেশ না
✔️ নিরাপত্তা ইস্যুতে জিরো টলারেন্স
✔️ সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিশ্চিত
✔️ আর রাজনৈতিক ভারসাম্যে রাজনৈতিক সকল মিথ‍্যা মামলা প্রত্যাহার।

অর্থাৎ, সাহায্য ফ্রি না—সবকিছুরই দাম আছে।

এখন আসল প্রশ্ন👇
আমরা কি শর্ত মেনে সুবিধা নেবো?
নাকি “না” বলতে গিয়ে নিজেরাই চাপে পড়বো?

কথাটা কঠিন, কিন্তু সত্য—
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আবেগ না, স্বার্থই শেষ কথা।

👉 দরকার না অন্ধ সমর্থন, না অন্ধ বিরোধিতা
👉 দরকার স্মার্ট দরকষাকষি

কারণ, যারা নিজের স্বার্থ বুঝে না—
তাদের হয়ে অন্যরা সিদ্ধান্ত নিয়ে দেয়।

আপনি কী মনে করেন?
আমাদের পথ কোনটা হওয়া উচিত? 👇

-Prof,Dr.Arif...
#বাংলাদেশেরদুর্নীতি #জুলাই২৪ #২৬মার্চস্বাধীনতাদিবস ゚viralfbreelsfypシ゚viral ゚ #সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬

08/04/2026

কুমিল্লা জেলা এনসিপি'র সমন্বয়ক সাথী'র দেহ ব্যবসার বিডিও

গণনা নিরক্ষরতা একটি ক্লাস এইট পাস প্রধানমন্ত্রী থেকে...তারেক  বলেছেন...গত ১৫ বছরে নাকি ২৩৪ বিলিয়ন ডলার চুরি করেছে জননেত্...
05/04/2026

গণনা নিরক্ষরতা একটি ক্লাস এইট পাস প্রধানমন্ত্রী থেকে...তারেক বলেছেন...
গত ১৫ বছরে নাকি ২৩৪ বিলিয়ন ডলার চুরি করেছে জননেত্রী শেখ হাসিনা।
চলুন একটু ঠান্ডা মাথায় দেখি—সংখ্যাগুলো কী বলে 👇

📊 বাংলাদেশের বছরভিত্তিক উন্নয়ন বাজেট (ADP):
২০০৮-০৯ → ≈ ৩.৬ বিলিয়ন
২০১২-১৩ → ≈ ৬.৭ বিলিয়ন
২০১৬-১৭ → ≈ ১৪.১ বিলিয়ন
২০১৯-২০ → ≈ ২৩.৯ বিলিয়ন
২০২২-২৩ → ≈ ২৬.৮ বিলিয়ন
সকলকে নিজের মতো ভাববেন না প্রিয়‼️
মিথ্যাবাদী মিস্টার ১০% এর প্রোপাগান্ডা ও আমাদের পর্যবেক্ষণ।
🚨 তথ্য বলছে সত্য কথা, প্রপাগান্ডা নয়!
২০০৯ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত:
💰 বাংলাদেশের মোট বাজেট ≈ $425–475 বিলিয়ন
🏗️ উন্নয়ন খাতে ব্যয় ≈ $154 বিলিয়ন
👔 নন‑ADP/অপারেটিং খরচ ≈ $270–320 বিলিয়ন
✅ এর মধ্যে বেতন, সরকারি ঋণ, সামাজিক নিরাপত্তা, প্রশাসন সব আছে
এদিকে কোনো উক্তি অনুযায়ী পাচার হয়েছে $234 বিলিয়ন! 😳
🎯 প্রশ্ন: উন্নয়ন বাজেট যেখানে $১৫৪ বিলিয়ন সেখানে $234 বিলিয়ন “পাচার” হয় কিভাবে?
🎯 প্রশ্ন: স্কুল, হাসপাতাল, সেতু, রাস্তা, ড্রেন, বিদ্যুৎ, পানির কাজগুলো কি হয়নি? নাকি জীনের বাদশা এসে করে দিয়ে গিয়েছে?
🎯 প্রশ্ন: সরকারি, আধাসরকারী, স্বায়িত্বশাসিত, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর বেতন ভাতা আর সরকারি অফিস পরিচালনা খরচ ছাড়া কিভাবে চলছে?
📌 তথ্যই বলে দেয়:
তথ্যে জানলে সাধারণ বিবেকবান মানুষও বলবে এটা নির্লজ্জ মিথ্যাচার, মানুষকে বিভ্রান্ত করার চক্রান্ত।

💬 মূল কথা:
“মিস্টার ১০% সকলকেই নিজের মতো মনে করেন।”
আমরা তথ্যভিত্তিক, বাস্তব উন্নয়ন দেখেই বলতে পারি — প্রপাগান্ডা, মিথ্যাচার এই শেখ হাসিনার করা ডিজিটাল যুগে চলে না।
গুগুল চেটজিপিটি আছে না?

👉 মোট মিলিয়ে প্রায় ২৩০ বিলিয়ন ডলার ১৬ বছরের টোটাল বাজেট।

এখন প্রশ্নটা খুব সোজা—

❝ যদি এই পুরো টাকাই “পাচার” হয়ে যায়,
তাহলে দেশে যা দেখা যাচ্ছে—ওগুলো কী? ❞

📌 একটু পেছনে যাই—বিএনপি আমলে..

🔹 জিডিপি ছিল → ৭০ বিলিয়ন ডলার
🔹 মাথাপিছু আয় → ৪৭৭ ডলার
🔹 বিদ্যুৎ উৎপাদন → ১৭০০ মেগাওয়াট
🔹 রিজার্ভ → ১.২ বিলিয়ন ডলার

📌 আর এখন?

🔹 জিডিপি → ≈ ৪৯০ বিলিয়ন ডলার
🔹 মাথাপিছু আয় → ≈ ২৯৮৭ ডলার
🔹 বিদ্যুৎ সক্ষমতা → ≈ ৩৮,০০০ মেগাওয়াট
🔹 ইকোনমিক জোন → ১১৩টি
🔹 মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, হাজার হাজার ব্রিজ
🔹 লাখ লাখ ঘর, বহুতল স্কুল, হাসপাতাল

এখন একটু লজিক লাগান—

👉 ৭০ বিলিয়ন থেকে ৫০০ বিলিয়ন জিডিপি করা
👉 ৪৭৭ ডলার থেকে ৩০০০ ডলার আয় বাড়ানো
👉 ১৭০০ মেগাওয়াট থেকে ৩৮,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

❗ এইসব করতে গেলে তো টাকা লাগে, নাকি তসবি পরে সুবহানাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ বললে জান্নাতে গাছ লাগানোর মত দুনিয়াতেও সকল উন্নয়ন হয়ে যায়?

এমন কিছুই হয় না দুনিয়াতে আসলে কাজ করে দেখাতে হয়।

তাহলে দুইটা অপশন—
সব উন্নয়ন সত্যি → আর “২৩৪ বিলিয়ন পাচার” গল্পটা অতিরঞ্জিত/রাজনৈতিক ভয়ানক চাপাবাজি, যেটা সুদখোর ই/উ/নু/স ছড়িয়ে ছিল সেটাকে ই'উনুস এর যোগ্য শিষ্য তারেক ভাইয়া গ্রহণ করেছে।

বাজেটের সব টাকা পাচার হয়েছে → তাহলে
👉 পদ্মা সেতু কে বানালো?
👉 মেট্রোরেল কে বানালো?
👉 বিদ্যুৎ কে বাড়ালো?

জ্বীন-পরী নাকি?

আসুন একটি সহজ অংক করি।

আওয়ামী লীগ যখন ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসে, তখন বাংলাদেশের জিডিপি ছিল ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৪ সালে এটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। ১৫ বছরে গড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬-৭ শতাংশের মধ্যে।

কিন্তু যদি, যেমনটি ইউনূস দাবি করেছে, আওয়ামী লীগের আমলে ১৫ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়ে গেছে, সেই হিসেবে আজকের জিডিপি হতো ৬৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার- যার মানে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১০-১১ শতাংশ। কিন্তু ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা এমন কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি।

অতএব, ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচারের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমস কি এই সাধারণ অংকটি বিবেচনায় নিয়েছিল অপপ্রচারমূলক এই তথ্যচিত্রটি তৈরি এবং সম্প্রচার করার সময় যা শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগারের উদ্দেশ্যে ইউনূসের মিথ্যাচারকেই প্রচার করেছে?

কিন্তু, আমি বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন এখানে সংযুক্তিতে এবং লিঙ্কে উপস্থাপন করেছি কমেন্ট বক্সে...অনুগ্রহ করে কমেন্ট বক্সে বিশ্বব্যাংকের রিসার্চ লিংক চেক করুন এবং নিচে দেওয়া ছবিগুলো দেখুন...

আপনার সন্তানকে গনিত শেখান

কাকাতুয়া, ময়না-টিয়া, এরাও কথা বলতে পারে, মানুষের মত শব্দ বাক্য উচ্চারণ করতে পারে। কিন্তু সেটা শুধুমাত্র অনুকরণ, হুবহু উচ্চারণ- কিন্তু তার মানে সে বুঝেনা- যেমন হিরো আলম চীনা কিংবা সিংহলি ভাষায় গান গায়- কিন্তু তার অর্থ বুঝেনা।
গনিত না জানলে বিষয়টা এমনই হয়- আমরা তোতাপাখির মত অনুকরণ করে যাই - উপলব্ধি থাকে শিশুর মতো।

উপরের কথাগুলো বলার কারন সাম্প্রতিক কিছু খবর।
বেশ কিছুদিন আগে এক বুদ্ধিজীবী সাংবাদিক বন্ধুর একটি কলাম পড়েছিলাম। সেখানে তিনি ফ‍্যামিলি কার্ড নিয়ে লিখেছিলেন। সুন্দর হিসাব করে দেখিয়ে দিয়েছিলেন কিভাবে কোটি কোটি পরিবারকে অনুদান দেয়া সম্ভব। সে হিসাবে তিনি বলেছিলেন বিগত সরকার ২৫০ বিলিয়ন ডলার পাচার করছে, গড়ে বছরে ১৬ বিলিয়ন ডলার। আর ফ‍্যামিলি ভাতা দিতে বছরে এক তিন ভাগের একভাগ লাগবে।
সুতরাং যদি টাকা পাচার বন্ধ করা যায়, তাহলেই চলবে।

সম্প্রতি খবরে আবারও প্রকাশিত ২০০৯-২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ে হাসিনা সরকার ২৫০ বিলিয়ন ডলার বাইরে পাচার করেছে। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে সন্দেহ নেই- আর আমার মত আদার ব‍্যাপারির পক্ষে এটা জানা সম্ভব না কত বিলিয়নে কত মিলিয়ন হয়, আমার আওকাতের বাইরে এসব হিসাব।
তবুও ইচ্ছে হলো একটু হিসাব করে দেখতে সমস্যা কি- অংক না জানলেও ক‍্যালকুলেটর তো আছে।

এর আগে জানা জরুরী এরা ২৫০ বিলিয়ন ডলার পেল কোথায়? আমি তো এক টাকাও দেই নি কাউকে।
আসলে দিয়েছি, যদিও সরাসরি দেইনি। জনগন ট‍্যাক্স দেয়, সে টাকা দিয়ে বাজেট হয় দেশের উন্নয়নের জন্য। আর সে উন্নয়নের টাকা থেকে তারা টাকা চুরি করে বিদেশে নিয়ে যায়- এভাবেই ঘটে টাকা পাচার।

এবার দেখা যাক বাজেটে কি ঘটে।
২০২৪-২০২৫ সালের মোট বাজেট
ছিল প্রায় ৬৯ বিলিয়ন ডলার, আর উন্নয়ন বাজেট ছিল প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার।
তাহলে বাকি ৪৫ বিলিয়ন ডলার কোথায় গিয়েছে?
সেটাকে বলা হয় অপারেটিং বাজেট, এবং সেটাই মোট বাজেটের প্রায় ৬০%।
অপারেটিং বাজেট কি?
সহজ ভাবে বলতে গেলে সরকার চালানোর খরচ।

অপারেটিং ব্যয়ের মধ্যে থাকে
• সরকারি কর্মচারীর বেতন
• পেনশন
• অফিস চালানোর খরচ
• ওষুধ, বই, ইউটিলিটি, জ্বালানি
• ঋণের সুদ
• ভর্তুকি
• সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা

উন্নয়ন বাজেটে থাকেঃ

* সেতু, রাস্তা, রেললাইন
• নতুন হাসপাতাল/স্কুল ভবন
• বিদ্যুৎ প্রকল্প
• পানি উন্নয়ন প্রকল্প
• বড় অবকাঠামো
• ADP প্রকল্প

মানে বাজেটের ৬০% খরচ হয় সরকার চালানোর জন‍্য বাকিটা উন্নয়নের জন্য।
তহলে চুরি হয় কোথা থেকে?
কারো বেতন চুরি হয় না, চুরি হয় উন্নয়ন বাজেট থেকে।
যেমন সরকার বাজেট করে একটা হাতী কেনার জন্য- কিন্তু কিনে ইঁদুর, বাকী টাকা মেরে দেয়।
কারা টাকাটা মারে?
হাসিনা সরকারের সময় উন্নয়ন প্রজেক্টে জড়িত সবাই।(অন‍্য কোন সরকারের আমলে এসব হয় না)

এবার দেখা যাক ২০০৯-২০২৪ পর্যন্ত উন্নয়ন বাজেট কত ছিল।
২০০৯-১০ঃ ৪.৯৭ বিলিয়ন
২০০১০-১১ঃ ৬.১৪ বিলিয়ন
২০১১-১২ঃ ৬.৮৪ বিলিয়ন
২০১২-১৩ঃ ৭.৩৫ বিলিয়ন
২০১৩-১৪ঃ ৯.৪৭ বিলিয়ন
২০১৪-১৫ঃ ১১.১২ বিলিয়ন
২০১৫-১৬ঃ ১৩.১৬ বিলিয়ন
২০১৬-১৭ঃ ১৪.৯১ বিলিয়ন
২০১৭-১৮ঃ ১৯.৩০ বিলিয়ন
২০১৮-১৯ঃ ২১.৫২ বিলিয়ন
২০১৯-২০ঃ ২৫.০৭ বিলিয়ন
২০২০-২১ঃ ২৫.৩৪ বিলিয়ন
২০২১-২২ঃ ২৭.৮৭ বিলিয়ন
২০২২-২৩ঃ ২৮.৩০ বিলিয়ন
২০২৩-২৪ঃ ২৬.১১ বিলিয়ন
সর্বমোটঃ ২৪৫.৭৬ বিলিয়ন ডলার

মানে ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আনুমানিক মোট ২৪৬ বিলিয়ন ডলার উন্নয়ন বাজেট ছিল।
আর এখান থেকে হাসিনা এবং তার সহযোগীরা চুরি করছে ২৫০ বিলিয়ন ডলার।
কিভাবে চুরি করল?
ব‍্যাখ‍্যা সহজ।
যেমন ৩ বিলিয়ন ডলার বাজেট করল পদ্মা ব্রিজের জন্য- সেখানে বাঁশের সাঁকো তৈরী করল ১০ হাজার ডলার দিয়ে- পুরো পয়সা চুরি করে পাচার

আবার মনে করেন মেট্রোরেলের জন‍্য বাজেট করল ২ বিলিয়ন।
মেট্রোরেল না করে ১০০ ইজি বাইক কিনে এয়ারপোর্ট মতিঝিল সার্ভিস দিল- ২ বিলিয়ন পাচার।

সবচেয়ে বড় চুরি টা করছে রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রে।
১২ বিলিয়ন ডলার বাজেট - সবচেয়ে বড়।
কিন্তু কি করছে?
১ লাখ টাকা দিয়ে একটা জেনারেটর কিনে বলছে এটাই পারমানবিক বিদ্যুৎ-পুরো ১২ বিলিয়ন ডলার পাচার।
তারপর?
তারপরেও সমস্যা থেকে যায়- ১৬ বছরের যত উন্নয়ন বাজেট হয়েছে, যদি সবটাকা খেয়ে ফেলে, তারপরেও ২৫০ বিলিয়ন হয় না।
যাকগা, এত টাকার হিসাবে ৪-৫ বিলিয়ন ভুল হতেই পারে।

এবার শেষ একটা স‍্যাম্পল দিয়ে শেষ করব। পদ্মা ব্রিজে কত টাকা মারা হয়েছে তা হিসাব করা কঠিন- কারন এমন আরেকটি ব্রিজ অন‍্য কোথাও নেই।

তবে বাংলাদেশে যে নিউক্লিয়ার রিয়েকটর বসানো হয়েছে-সেখানে কত মারা হয়েছে তা বের করা সহজ। কারন রাশিয়ার একই কোম্পানি তুরস্ক, মিশর, হাংগেরিতে রিয়েক্টর বসিয়েছে। একেকটা ১০০০ মেগাওয়াটের।
সেগুলোর বাজেট নিম্নরূপ।

রূপপুর (2 ইউনিট, V-523): ~ US$12.65 bn
El Dabaa, Egypt (২ইউনিট): ~ US$14.3–15.6bn
Paks II, Hungary (2 ইউনিট): ~ €12.5 bn
Akkuyu, Turkey (২ইউনিট): ~ US$10 bn

এটা হলো একটা উদাহরণ, কিভাবে ২৪৬ বিলিয়ন বাজেট থেকে ২৫০ বিলিয়ন চুরি করা যায়

এবার শেষ কথা বলি-
রাস্তায় ট্রাকের পেছনে অনেক নীতি বাক্য লেখা থাকে।
এরকম একটি হলো “আপনার সন্তানকে স্কুলে পাঠান”
আমার মনে হয় লেখা উচিৎ- আপনার ছেলেকে গনিত শেখান-
তাহলে বড় হয়ে বৈজ্ঞানিক হয়ে বলতে পারবে কিভাবে ২৪৬ বিলিয়ন বাজেট থেকে ২৫০ বিলিয়ন পাচার করা যায়।

-Prof,Dr.Arif...

#সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬ ゚ #জুলাই২৪ #২৬মার্চস্বাধীনতাদিবস ゚viralfbreelsfypシ゚viral #বাংলাদেশেরদুর্নীতি

04/04/2026

হলে গিয়ে সিনামা দেখার সময় হয় অন্য দিকে টিকার অভাবে হাম রোগের কারণে শিশুদের মৃত্যু হচ্ছে হাসপাতালে, হাসপাতালে গিয়ে শিশু রোগীদের দেখার সময় নাই তারেক জিয়ার কাছে।।

ধিক্কার নিউ জেন-জি দের। তোরাই শেষ করে দিলি সোনার বাংলাদেশ কে।

#প্রপাগান্ডানয় ゚ #সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬ ゚viralfbreelsfypシ゚viral #২৬মার্চস্বাধীনতাদিবস #জুলাই২৪

04/04/2026

হলে গিয়ে সিনামা দেখার সময় হয় অন্য দিকে টিকার অভাবে হাম রোগের কারণে শিশুদের মৃত্যু হচ্ছে হাসপাতালে, হাসপাতালে গিয়ে শিশু রোগীদের দেখার সময় নাই তারেক জিয়ার কাছে।।

ধিক্কার নিউ জেন-জি দের। তোরাই শেষ করে দিলি সোনার বাংলাদেশ কে। #প্রপাগান্ডানয় #সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬ ゚ ゚viralfbreelsfypシ゚viral #২৬মার্চস্বাধীনতাদিবস #জুলাই২৪

হলে গিয়ে সিনামা দেখার সময় হয় অন্য দিকে টিকার অভাবে হাম রোগের কারণে শিশুদের মৃত্যু হচ্ছে হাসপাতালে, হাসপাতালে গিয়ে শিশু র...
04/04/2026

হলে গিয়ে সিনামা দেখার সময় হয় অন্য দিকে টিকার অভাবে হাম রোগের কারণে শিশুদের মৃত্যু হচ্ছে হাসপাতালে, হাসপাতালে গিয়ে শিশু রোগীদের দেখার সময় নাই তারেক জিয়ার কাছে।।

ধিক্কার নিউ জেন-জি দের। তোরাই শেষ করে দিলি সোনার বাংলাদেশ কে।

#সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬ ゚ #২৬মার্চস্বাধীনতাদিবস #প্রপাগান্ডানয় #জুলাই২৪ ゚viralfbreelsfypシ゚viral

তারেক ভাই বলেছেন...গত ১৫ বছরে নাকি ২৩৪ বিলিয়ন ডলার চুরি করেছে জননেত্রী শেখ হাসিনা।চলুন একটু ঠান্ডা মাথায় দেখি—সংখ্যাগুলো...
02/04/2026

তারেক ভাই বলেছেন...
গত ১৫ বছরে নাকি ২৩৪ বিলিয়ন ডলার চুরি করেছে জননেত্রী শেখ হাসিনা।
চলুন একটু ঠান্ডা মাথায় দেখি—সংখ্যাগুলো কী বলে 👇

📊 বাংলাদেশের বছরভিত্তিক উন্নয়ন বাজেট (ADP):
২০০৮-০৯ → ≈ ৩.৬ বিলিয়ন
২০১২-১৩ → ≈ ৬.৭ বিলিয়ন
২০১৬-১৭ → ≈ ১৪.১ বিলিয়ন
২০১৯-২০ → ≈ ২৩.৯ বিলিয়ন
২০২২-২৩ → ≈ ২৬.৮ বিলিয়ন
সকলকে নিজের মতো ভাববেন না প্রিয়‼️
মিথ্যাবাদী মিস্টার ১০% এর প্রোপাগান্ডা ও আমাদের পর্যবেক্ষণ।
🚨 তথ্য বলছে সত্য কথা, প্রপাগান্ডা নয়!
২০০৯ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত:
💰 বাংলাদেশের মোট বাজেট ≈ $425–475 বিলিয়ন
🏗️ উন্নয়ন খাতে ব্যয় ≈ $154 বিলিয়ন
👔 নন‑ADP/অপারেটিং খরচ ≈ $270–320 বিলিয়ন
✅ এর মধ্যে বেতন, সরকারি ঋণ, সামাজিক নিরাপত্তা, প্রশাসন সব আছে
এদিকে কোনো উক্তি অনুযায়ী পাচার হয়েছে $234 বিলিয়ন! 😳
🎯 প্রশ্ন: উন্নয়ন বাজেট যেখানে $১৫৪ বিলিয়ন সেখানে $234 বিলিয়ন “পাচার” হয় কিভাবে?
🎯 প্রশ্ন: স্কুল, হাসপাতাল, সেতু, রাস্তা, ড্রেন, বিদ্যুৎ, পানির কাজগুলো কি হয়নি? নাকি জীনের বাদশা এসে করে দিয়ে গিয়েছে?
🎯 প্রশ্ন: সরকারি, আধাসরকারী, স্বায়িত্বশাসিত, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর বেতন ভাতা আর সরকারি অফিস পরিচালনা খরচ ছাড়া কিভাবে চলছে?
📌 তথ্যই বলে দেয়:
তথ্যে জানলে সাধারণ বিবেকবান মানুষও বলবে এটা নির্লজ্জ মিথ্যাচার, মানুষকে বিভ্রান্ত করার চক্রান্ত।

💬 মূল কথা:
“মিস্টার ১০% সকলকেই নিজের মতো মনে করেন।”
আমরা তথ্যভিত্তিক, বাস্তব উন্নয়ন দেখেই বলতে পারি — প্রপাগান্ডা, মিথ্যাচার এই শেখ হাসিনার করা ডিজিটাল যুগে চলে না।
গুগুল চেটজিপিটি আছে না?

👉 মোট মিলিয়ে প্রায় ২৩০ বিলিয়ন ডলার ১৬ বছরের টোটাল বাজেট।

এখন প্রশ্নটা খুব সোজা—

❝ যদি এই পুরো টাকাই “পাচার” হয়ে যায়,
তাহলে দেশে যা দেখা যাচ্ছে—ওগুলো কী? ❞

📌 একটু পেছনে যাই—বিএনপি আমলে..

🔹 জিডিপি ছিল → ৭০ বিলিয়ন ডলার
🔹 মাথাপিছু আয় → ৪৭৭ ডলার
🔹 বিদ্যুৎ উৎপাদন → ১৭০০ মেগাওয়াট
🔹 রিজার্ভ → ১.২ বিলিয়ন ডলার

📌 আর এখন?

🔹 জিডিপি → ≈ ৪৯০ বিলিয়ন ডলার
🔹 মাথাপিছু আয় → ≈ ২৯৮৭ ডলার
🔹 বিদ্যুৎ সক্ষমতা → ≈ ৩৮,০০০ মেগাওয়াট
🔹 ইকোনমিক জোন → ১১৩টি
🔹 মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, হাজার হাজার ব্রিজ
🔹 লাখ লাখ ঘর, বহুতল স্কুল, হাসপাতাল

এখন একটু লজিক লাগান—

👉 ৭০ বিলিয়ন থেকে ৫০০ বিলিয়ন জিডিপি করা
👉 ৪৭৭ ডলার থেকে ৩০০০ ডলার আয় বাড়ানো
👉 ১৭০০ মেগাওয়াট থেকে ৩৮,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

❗ এইসব করতে গেলে তো টাকা লাগে, নাকি তসবি পরে সুবহানাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ বললে জান্নাতে গাছ লাগানোর মত দুনিয়াতেও সকল উন্নয়ন হয়ে যায়?

এমন কিছুই হয় না দুনিয়াতে আসলে কাজ করে দেখাতে হয়।

তাহলে দুইটা অপশন—
সব উন্নয়ন সত্যি → আর “২৩৪ বিলিয়ন পাচার” গল্পটা অতিরঞ্জিত/রাজনৈতিক ভয়ানক চাপাবাজি, যেটা সুদখোর ই/উ/নু/স ছড়িয়ে ছিল সেটাকে ই'উনুস এর যোগ্য শিষ্য তারেক ভাইয়া গ্রহণ করেছে।

বাজেটের সব টাকা পাচার হয়েছে → তাহলে
👉 পদ্মা সেতু কে বানালো?
👉 মেট্রোরেল কে বানালো?
👉 বিদ্যুৎ কে বাড়ালো?

জ্বীন-পরী নাকি?

আসুন একটি সহজ অংক করি।

আওয়ামী লীগ যখন ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসে, তখন বাংলাদেশের জিডিপি ছিল ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৪ সালে এটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। ১৫ বছরে গড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬-৭ শতাংশের মধ্যে।

কিন্তু যদি, যেমনটি ইউনূস দাবি করেছে, আওয়ামী লীগের আমলে ১৫ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়ে গেছে, সেই হিসেবে আজকের জিডিপি হতো ৬৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার- যার মানে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১০-১১ শতাংশ। কিন্তু ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা এমন কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি।

অতএব, ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচারের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমস কি এই সাধারণ অংকটি বিবেচনায় নিয়েছিল অপপ্রচারমূলক এই তথ্যচিত্রটি তৈরি এবং সম্প্রচার করার সময় যা শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগারের উদ্দেশ্যে ইউনূসের মিথ্যাচারকেই প্রচার করেছে?
কিন্তু, আমি বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন এখানে সংযুক্তিতে এবং
নীচের লিঙ্কে মন্তব্য বাক্সে উপস্থাপন করছি।

-Prof,Dr.Arif...

゚viralfbreelsfypシ゚viral #জুলাই২৪ #২৬মার্চস্বাধীনতাদিবস #সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬ ゚ #বাংলাদেশ #উন্নয়ন #তথ্যভিত্তিক #বাজেট #প্রপাগান্ডানয় #ভাইরাল

01/04/2026

রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের সময়, Biden প্রশাসন রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের উপর নিষেধাজ্ঞা অনুমোদন করেছিল...যা এখন ট্রাম্প প্রত্যাহার করেছেন...
শেখ হাসিনা কীভাবে আমাদের দেশে তেল ও গ্যাস সরবরাহ করতে পেরেছিলেন ?

আপনাদের মনে কি একবারও এই প্রশ্ন আসেনি যে, বাংলাদেশকে কেন বারবার ভারত থেকেই তেল কিনতে হচ্ছে? কেন রাশিয়া বা অন্যকোনো দেশ থেকে তেল কিনতে গেলে আম্রিকার অনুমতি লাগছে?

ঘটনাটা ঘটেছিল ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ এর নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগে। ঘটিয়েছিল ডিপ স্টেটের মূল হোতা মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার সরকার। তারা আম্রিকার সাথে একটা Non-disclosure Agreement (NDA) সাইন করে গোলামির শেষ শিকলটা এদেশের মানুষের পায়ে পরিয়ে দিয়ে গেছে।

NDA অর্থ হলো, কোনো গণমাধ্যমে, ফোরামে বা পাবলিক ফেইজে এই চুক্তি প্রকাশ করা যাবে না। যে চুক্তিতে অনেকগুলো মেনে নেওয়া গোলামির একটি হচ্ছে—ভারত ছাড়া অন্যকোনো দেশ থেকে তেল কিনতে হলে বাংলাদেশকে আম্রিকার অনুমতি নিতে হবে। আপনারা আম্রিকার কাছ থেকে অনুমতি নেওয়ার ব্যাপারটা সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে দেখেছেন, কিন্তু কেন অনুমতি নিতে হবে সেটা জানানো যায়নি।

তাহলে ভারতের বড় গোলাম কে হলো—হাসিনা না ইউনূস?

আরেকটা মারাত্মক গোলামি হচ্ছে— অ*স্ত্র, বিমানসহ প্রযুক্তিখাতে যতরকমের ইকুইপমেন্টস আছে, তা আম্রিকা দ্বারা নির্ধারিত ট্যারিফ দিয়ে শুধু তাদের কাছ থেকেই কেনা যাবে।

এখন আপনারা প্রশ্ন করতে পারেন যে কেন বাংলাদেশ সরকার ওই চুক্তিতে সাইন করল?

প্রথম উত্তর, ডিপ স্টেট তথা আম্রিকান প্রশাসনই টেবিলের দুইপাশে ছিল; আর দ্বিতীয় উত্তর, বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি পণ্যে ৩ শতাংশ ট্যারিফ কমিয়ে দেওয়ার ধোকাবাজি। ধোকাবাজি এজন্য যে, ৩ শতাংশ ট্যারিফ কমিয়ে অন্যদিকে আম্রিকার পণ্য আমদানি করতে বাধ্য করিয়ে ৩০ শতাংশ অধিক মুনাফা কামিয়ে নেওয়া।

সবচেয়ে ভয়ংকর তথ্য হচ্ছে, আগামী ১৫ বছরে বাংলাদেশের কোনো সরকারই এই চুক্তি বাতিল করতে পারবে না। আরও আছে, বলা যাবে না।

তৌহিদী-জনতা, এবার লাফাও আর বলো—দিল্লি না ঢাকা? 🤓
যদিও ইউনূসের অনুসারী কট্টর বিএনপি-জামায়াত সহযোগিতা সরকার স্বাস্থ্য খাতে তাদের দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

অনুগ্রহ করে কমেন্ট সেকশনে নিউজ লিংক এবং নিচের প্রমাণ videoতে আরও বর্ণনা দেখুন

Prof,Dr.Arif...

゚ #সন্ধ্যাকালীননির্বাচন২৬ ゚viralfbreelsfypシ゚viral #২৬মার্চস্বাধীনতাদিবস #জুলাই২৪

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DCU Insider posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share