ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় Official page of Bangladesh Islami Chhatrashibir, Jagannath University.

মহান জুলাই বিপ্লবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ ইকরামুল হক সাজিদের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে ছাত্রশিবির জগন্নাথ ব...
14/08/2026

মহান জুলাই বিপ্লবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ ইকরামুল হক সাজিদের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করছে।

এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ও কৃতী শিক্ষার্থীদের মিষ্টিমুখ ও সংবর্ধনা প্রদান করে ছাত্রশিবির জগন্নাথ ব...
12/08/2026

এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ও কৃতী শিক্ষার্থীদের মিষ্টিমুখ ও সংবর্ধনা প্রদান করে ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শাখা সেক্রেটারি ইব্রাহিম খলিলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় গবেষণা সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শাখা অফিস সম্পাদক তারিকুল ইসলাম এবং শাখা স্কুল ও কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক।

শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে ন্যস্ত করার আত্মঘাতী ও নীতিবিবর্জিত সিদ্ধান্তের প্রতিবাদবেসরকারি শিক্ষাপ্রতি...
10/08/2026

শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে ন্যস্ত করার আত্মঘাতী ও নীতিবিবর্জিত সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা পুনরায় স্থানীয় ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার সম্ভাব্য আত্মঘাতী ও নীতিবিবর্জিত সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। ছাত্রশিবির মনে করে, দেশের শিক্ষাখাত যখন নানাবিধ সংকটে জর্জরিত, তখন নিয়োগ প্রক্রিয়াকে পুনরায় স্থানীয় প্রভাবশালীদের হাতে সোপর্দ করার এই উদ্যোগ প্রকারান্তরে শিক্ষা ব্যবস্থার কফিনে শেষ পেরেক ঠোকার শামিল।

আজ ১০ আগস্ট (সোমবার) এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ বলেন, “একটি মেধাভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও উন্নত রাষ্ট্র বিনির্মাণের প্রধান শর্ত হলো মানসম্মত ও নৈতিকতাসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা। আর মানসম্মত শিক্ষার মূল কারিগর হলেন যোগ্য শিক্ষক। অতীতে স্থানীয় ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যে নজিরবিহীন আর্থিক লেনদেন, চরম স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক আধিপত্য এবং জাল সনদের মহোৎসব দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে, তা থেকে উত্তরণের জন্যই এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে মেধাক্রমের ভিত্তিতে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বর্তমান নীতিনির্ধারকদের এমন একটি অন্ধকার যুগে ফিরে যাওয়ার চিন্তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “এনটিআরসিএ-এর বর্তমান পদ্ধতিতে দূরবর্তী কর্মস্থলে পদায়ন বা প্রশাসনিক ধীরগতির মতো কিছু কাঠামোগত দুর্বলতা থাকতে পারে। এসব সমস্যার সমাধান নিয়োগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সুনির্দিষ্ট বদলি নীতিমালা প্রণয়ন এবং মেধাক্রম অনুযায়ী দ্রুত নিয়োগের মাধ্যমে করা সম্ভব। কিন্তু তা না করে নিয়োগের মূল ক্ষমতা পুনরায় স্থানীয় ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হলে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব ও আর্থিক লেনদেনের সুযোগ তৈরি হবে। এতে মেধাবী ও যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হবেন এবং শিক্ষাব্যবস্থার মান আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একজন অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগের ক্ষতি শুধু একজন যোগ্য প্রার্থীর অধিকার হরণে সীমাবদ্ধ থাকে না; এর প্রভাব পড়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও ভবিষ্যতের ওপর।”

নেতৃবৃন্দ বলেন, “দেশের শিক্ষাখাতসহ প্রায় প্রতিটি সেক্টর যখন নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে, তখন শিক্ষক নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে নতুন করে অনিয়মের সুযোগ তৈরি করা কোনোভাবেই দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হতে পারে না। মানসম্মত শিক্ষক, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও কর্মমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করাই যেখানে বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে নিয়োগ ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মেধাভিত্তিক করা প্রয়োজন। সমস্যার সমাধান করতে হবে নিয়োগ ব্যবস্থার সংস্কারের মাধ্যমে, মেধাভিত্তিক কাঠামো দুর্বল করে নয়।”

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এই আত্মঘাতী ও নীতিবিবর্জিত সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। তারা বলেন, “শিক্ষাখাত জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। এই খাতে এমন কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না, যা দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও মেধার অবমূল্যায়নের পথ উন্মুক্ত করে। শিক্ষাব্যবস্থার স্বার্থে সরকারকে অবশ্যই এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হবে।”

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সকল কৃত...
10/08/2026

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সকল কৃতি শিক্ষার্থীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন।

জকসু নেতৃবৃন্দ এবং ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি, ছাত্র ফ্রন্ট, ইনকিলাব মঞ্চ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের নৃশংস সন্ত্রা...
05/08/2026

জকসু নেতৃবৃন্দ এবং ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি, ছাত্র ফ্রন্ট, ইনকিলাব মঞ্চ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-এর নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি, ছাত্র ফ্রন্ট, ইনকিলাব মঞ্চ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের সংঘটিত নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর হাতে প্রকল্পের দায়িত্ব হস্তান্তর, ৭ একর জমিতে ১৬০০ শিক্ষার্থীর জন্য অস্থায়ী আবাসন নির্মাণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের উন্নয়নের দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্ববায়ক ও জকসুর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক মোঃ নূর মোহাম্মদের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্ল্যাকার্ড নিয়ে অডিটোরিয়ামে প্রবেশ করেন। সেখানে ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা তাদের প্ল্যাকার্ড কেড়ে নিয়ে জোরপূর্বক অডিটোরিয়াম থেকে বের করে দেয়।
পরবর্তীতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শহীদ ইকরামুল হক সাজিদ ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় জকসুর ভিপি ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম এবং জকসুর জিএস ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আব্দুল আলিম আরিফসহ জকসুর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হয়ে আন্দোলনের দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।
একপর্যায়ে প্রক্টর নাসির উদ্দীন স্যার ঘটনাস্থলে এসে আন্দোলনকারীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেন এবং অন্যথায় বলপ্রয়োগের হুমকি দেন। এর কিছুক্ষণ পরই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অডিটোরিয়াম থেকে উসকানিমূলক স্লোগান দিতে দিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা হ্যান্ডমাইক ভাঙচুর করে এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নির্বিচারে সংঘবদ্ধ আক্রমণ শুরু করে। এ হামলায় জকসুর নেতৃবৃন্দ, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি, ছাত্র ফ্রন্ট, ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং নারী শিক্ষার্থীরাও আহত হন।
হামলার একপর্যায়ে ছাত্রশক্তির আহ্ববায়কসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করেও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়। ভিন্নমত পোষণকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পরিকল্পিত আক্রমণের মাধ্যমে পুরো ক্যাম্পাসে ভীতি ও অস্থিরতার পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়।
এই হামলায় জকসুর ভিপি এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার সম্পাদক রিয়াজুল ইসলামকে লক্ষ্য করে আঘাত করা হয়। পরবর্তীতে জকসুর জিএস এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আব্দুল আলিম আরিফের ওপর দলবদ্ধ


হামলা চালিয়ে তাঁর মাথা ফাটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, হামলাকারীরা এখনও ক্যাম্পাসে ভিন্নমত পোষণকারী শিক্ষার্থীদের খুঁজে খুঁজে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এই ন্যক্কারজনক হামলার সঙ্গে জড়িত সকল সন্ত্রাসীর অবিলম্বে গ্রেপ্তার, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয় ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ক্যাম্পাসে সকল শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে।

আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই সন্ত্রাস, হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি কিংবা গণতান্ত্রিক অধিকার কখনোই দমন করা যাবে না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অতীতের মতো ভবিষ্যতেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবে। ন্যায়সঙ্গত দাবি আদায় এবং সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।


বার্তা প্রেরক

মোস্তাফিজুর রহমান
প্রচার সম্পাদক
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

বেরোবিতে ছাত্রশিবিরের জুলাই আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদরংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের...
03/08/2026

বেরোবিতে ছাত্রশিবিরের জুলাই আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদ

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের জুলাই অভ্যুত্থানভিত্তিক আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে ছাত্রদল সন্ত্রাসীদের হামলা, ভাঙচুর এবং দায়িত্বশীলদের আহত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। আজ (৩ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের পূর্বনির্ধারিত ‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী চলাকালে সন্ধ্যায় ছাত্রদল পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে স্টল ভাঙচুর এবং নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণ করে। এতে সাবেক কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক ও সাবেক শাখা সভাপতি সোহেল রানাসহ ছাত্রশিবিরের বেশ কয়েকজন জনশক্তি আহত হন। এর আগেও গত ২ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলে হল প্রভোস্টের কক্ষে বৈঠক চলাকালে প্রভোস্টের সামনেই ছাত্রশিবির ও হল সংসদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। অভ্যুত্থান-পরবর্তী ধারাবাহিক এসব ঘটনা প্রমাণ করে, শিক্ষার্থী ও ভিন্নমতের প্রতি সহিংস আচরণ এবং শিক্ষক লাঞ্ছনা ছাত্রদলের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে।”

নেতৃবৃন্দ বলেন, “ক্ষমতার দম্ভ ও অহংকারে ছাত্রদল আজ ফ্যাসিবাদী আচরণের পথেই হাঁটছে। তারা অতীতের সন্ত্রাসী ও সহিংস রাজনৈতিক ধারা থেকে বের হতে পারেনি। এমনকি জুলাই অভ্যুত্থানে সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের নির্মম পরিণতি থেকেও ন্যূনতম শিক্ষা গ্রহণ না করে সেই একই সংঘাতমুখী রাজনীতির পুনরাবৃত্তি করছে। অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ছাত্রশিবির যখন শিক্ষার্থীদের অধিকার, কল্যাণ ও গঠনমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তখন ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ক্যাম্পাসে একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।”

নেতৃবৃন্দ বলেন, “নিজস্ব শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মসূচি না থাকায় ছাত্রদল শিক্ষার্থী নির্যাতন, হামলা ও ভয়ভীতির মাধ্যমে আলোচনায় থাকার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। অতীতে বুয়েট শিক্ষার্থী সনি হত্যাকাণ্ড, নারী শিক্ষার্থীদের শ্লীলতাহানি, সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন থেকে শুরু করে অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তেজগাঁওয়ে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, নারী নির্যাতন ও শিক্ষক লাঞ্ছনার মতো ঘটনাগুলো প্রমাণ করে, সহিংসতা ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি থেকে তারা এখনো সরে আসতে পারেনি।”

বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এই ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লব উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।...
29/07/2026

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লব উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শাখা সভাপতি ও জকসুর জিএস আব্দুল আলিম আরিফের সভাপতিত্বে ও শাখা অফিস সম্পাদক তারেকুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ বিলাল হোসাইন।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জকসুর ভিপি ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার সম্পাদক মোঃ রিয়াজুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, সাবেক শাখা সভাপতি শাহীন আহমেদ খান, আসাদুল ইসলাম এবং ইকবাল হোসাইন শিকদার।

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ছাত্রশক্তি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি শাহিন মিয়া,জকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক নুর নবী, জবি ইনকিলাব মঞ্চের আহবায়ক ও জকসুর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ।

"জুলাই বিপ্লব: ছাত্র-জনতার অদম্য ঐক্য ও গণবিজয়ের ইতিহাস"বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে...
28/07/2026

"জুলাই বিপ্লব: ছাত্র-জনতার অদম্য ঐক্য ও গণবিজয়ের ইতিহাস"

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে আগামীকাল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।

🗓️ তারিখ: ২৯ জুলাই ২০২৬
🕑 সময়: দুপুর ২:০০টা
📍 স্থান: শহীদ মিনার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাদর আমন্ত্রণ।

"জুলাই বিপ্লব: ছাত্র-জনতার অদম্য ঐক্য ও গণবিজয়ের ইতিহাস"বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে...
28/07/2026

"জুলাই বিপ্লব: ছাত্র-জনতার অদম্য ঐক্য ও গণবিজয়ের ইতিহাস"

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে আগামীকাল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।

*প্রধান আলোচক-

ড. মোঃ বিলাল হোসাইন
অধ্যাপক
ইতিহাস বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

*শুভেচ্ছা বক্তব্য-
মো নুর নবী
সাবেক প্রধান সমন্বয়ক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

*বিশেষ অতিথি-

শাহীন আহমেদ খান
সাবেক সভাপতি
জবি শিবির
সমাজকল্যাণ সম্পাদক
ঢাকা দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামী।

মোঃ রিয়াজুল ইসলাম
ভিপি,জকসু।
কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার সম্পাদক
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

আসিফ আব্দুল্লাহ
কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
পরিবহন সম্পাদক, ডাকসু

মোঃ ইকবাল হোসাইন
সাবেক সভাপতি
ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

মোঃ আসাদুল ইসলাম
সাবেক সভাপতি
ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

🗓️ তারিখ: ২৯ জুলাই ২০২৬
🕑 সময়: দুপুর ২:০০টা
📍 স্থান: শহীদ মিনার

"জুলাই বিপ্লব: ছাত্র-জনতার অদম্য ঐক্য ও গণবিজয়ের ইতিহাস"বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে...
28/07/2026

"জুলাই বিপ্লব: ছাত্র-জনতার অদম্য ঐক্য ও গণবিজয়ের ইতিহাস"

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে আগামীকাল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।

🗓️ তারিখ: ২৯ জুলাই ২০২৬
🕑 সময়: দুপুর ২:০০টা
📍 স্থান: শহীদ মিনার

Address

Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share