15/07/2019
আর সহ্য হচ্ছে না। ইতিহাস জানেন???
পুরাটা পড়ার জন্য সবাই কে বিশেষভাবে অনরোধ জানাচ্ছি।
"
যখন ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন সরযন্ত্র করে পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজ্জোদৌলাকে পরাজিত করে ঐ ব্রিটিশ/ ইংলান্ড। তারাই এদেশে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করে এবং বিচার ও শাসন দ্বয়িত্ব অর্পন করেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোস্পানির হাতে রাজস্ব ও দেশ রক্ষার দায়িত্ব অর্পন করে। আর তখন থেকেই রবার্ট ক্লাইভের দ্বৈত শাসন নীতি জনগনের উপর বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার, নিপীড়ন, শোষণের ফলে জনগনের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় হয়ে পড়ে। যেখানে ১৫৮২ সালে সম্রাট আকবরের সময় টোডরমল বাংলাদেশ থেকে রাজস্ব আদায় হতো ১০৬.৯৩ লক্ষ টাকা। ১৭২৮ সালে সুখাজা রাজস্ব আদায় করত ১৪২.৪৬ লক্ষ টাকা। ১৭৯০ সালে কোম্পানি ২২০.০০ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করত।দেওয়ানি পাবার পর প্রথম ছয় বছরে (১৭৬৫-১৭৭১) কোম্পানি মোট আদায়কৃত রাজস্বের পরিমান ছিল ২০ কোটি টাকা। আর এসব ভ্যাট থেকে কোম্পনির সমস্ত খরচের পরে উদ্বত্ত থাকে ৪ কোটি টাকা। যার পুরোটাই ইংল্যান্ড পাচার করে।(তখন কার সময়ে ২.০০ টাকাই এক মন শরিষার তেল, ২.৭৫ টাকাই একমণ ঘি, ১.৫০ টাকাই এক মণ মেষের গোস্ত, ০.৫০ টাকাই এক মন চাল পাওয়া যেত।এই চিত্র থেকে বোঝা যায় তারা এদেশ থেকে কত অর্থ নিয়ে গেছে।)
তাছাড়া ১৭৭০ সালের খরা ও অনাবৃষ্টিরর কারণে দুর্ভিক্ষ হয়, তার ফরে প্রায় ১কোটি মানুষের প্রনহানি ঘটে। তারপর ১৭৯৩ সালে "লর্ড কর্ন ওয়ালিস" সূর্যাস্ত আইন পাশ করেন। ফলে সূর্যস্তের আগে কর বা খাজনা দিতে অসমর্থ হলে তাদের জমি নিলামে বিক্রি করে দিত। ব্রিটিশ দের জুলুমে, অত্যাচরে অনেক কৃষক ভিটে মাটি ছাড়া হলো।
শুধু তাই নয়, এদেশ মুসলিন কাপড় এর জন্য বিখ্যাত ছিল। যারা মুসলিন কাপরের কারিগর ছিলেন তাদের হাত কেটে দেওয়া ও তাদের হত্যা করে এ বিকাশমান শিল্প ধংস করে দেওয়া হয়। তাত শিল্প ও কুটির শিল্প গুলো ধংস করে দেওয়া হয়। তাতীদের বুড়ো আংগুল কেটে দেয় ফলে তারা বাধ্য হয়ে কৃষি কাজ করতে।
যার কারনে বাংলাদেশ আমাদের এই সোনা ফলানো দেশ অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়েছে।
ব্রিটিশ/ ইংল্যান্ড এবং পাকিস্হান এর শোষন এর হাতে না পড়লে আজ বাংলাদেল উন্নত দেশের কাতারে থাকত।
আর ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড করে কিসের এতো মাতামাতি। ঘৃণা হয় ওদের ওপর।
পোস্টি শেয়ার করে সবাই কে জানার সুযোগ করে দিন। উপকৃত হলে আমাদের পেজ এ লাইক দিন।