30/11/2024
#রেজা_কথন_১
এনার্জি হারভেস্ট ইউজিং বাইসাইকেল
চলুন শুনি রেজা খানের কিছু গল্প, যা প্রমাণ করে লোকটা কত বড় রকমের অযোগ্য একজন লোক।
আমাদের সাথে ওনার দুইটা প্রজেক্ট বেজড ল্যাব ছিল। ল্যাব এর নাম ভুলে গেছি। তো প্রথম ল্যাবে সে আমাদেরকে Raspberry Pi ইউজ করে প্রজেক্ট বানাতে বলে। পয়েন্ট টু বি নোটেড হিয়ার, ওই টাইম Raspberry Pi পাওয়া এত সহজ ছিল না। শুধু এটাই না, প্রজেক্ট শেষে সে আমাদের থেকে সব Raspberry Pi নিয়ে নেয়, যার দাম তখন চড়া। যাই হোক, সেটা সেপারেট ডিসকাশন। এই ডিসকাশন এর পার্ট না। তো, এই লেখার মেইন টার্গেট হল, অয় না বুঝে যে কি সব করত সেগুলা।
প্রথম ল্যাবে A পাওয়ার এক্সপ্লয়েটঃ আমরা যেই আইডিয়া ই শেয়ার করতাম, কোনোটাই তার মনপুতঃ হত না। এই সমস্যা, সেই সমস্যা, তার মন মত না হলে প্রজেক্ট ই শুরু করতে দিত না। টাইম চলে যায়, প্রজেক্ট করতে দেয় না। আরতো গাইডেন্স দূরে থাক। মনে হয় কোনো রিয়েলিটি শো এর জাজমেন্ট করতেছে। পরে সেমিস্টার যখন প্রায় শেষ, প্রজেক্ট এখন দিতেই হবে, আমরা গিটহাব থেকে একটা Raspberry Pi-compatible operating system for CCTV camera নামিয়ে কিছুটা সেটিংস টুইকিং করে তাকে প্রেজেন্ট করি। এখন ভাইভা তে তো অবশ্যই এক্সপ্লয়েট করব। তো আমরা বলি এই operating system ই আমাদের বানানো। এন্ড হি ডিড নট ইভেন ভেরিফাই। এবং A দিয়ে দেয়।
বাট এটা তো কেবল শুরু।
পরবর্তী ল্যাব প্রজেক্ট এ আমরা ভাবলাম যে ঠিক আছে, ওনার খাইসলত তো এমন, একটা নভেল প্রজেক্ট সিরিয়াসলি করি। তো আমরা এক্সাইটেড হয়ে একটা প্রজেক্ট প্রোপোস করিঃ 'to control a wheelchair using eye movements’ । প্রথম দুই ডিসকাশন সে বলে এটা অনেক ভালো, কর কর। কিন্তু কিভাবে করব, মেথডলজি, কিছুই জিজ্ঞেস করে না। হঠাৎ করে এই লোক সেমিস্টার শেষের ঠিক আগে, প্রোজেক্ট সাবমিসন এর কয়দিন আগে মিটিং-এ বলে। এটা আবার কেমন প্রজেক্ট। আমরা কি পাগল? চোখ দিয়ে কিভাবে কন্ট্রোল করে। আজব প্রজেক্ট ভাবতেছি।
একদম বুঝি নাই আমরা কয়েক দিন পরে সাবমিশন আর আজকে সে এটা বলতেছে এবং বলতেছে প্রজেক্ট চেঞ্জ কর। আর এত আজাইরা কথা বার্তা, মনে হয় এগুলো নিয়ে বিশ্বে আর কেউ কিছু করতেছে না। অশিক্ষিত কথা বার্তা পুরা।
এখন কিভাবে নিউ প্রজেক্ট করি কয়েকদিনে? আমরা পিভট করি। ফ্রেন্ডদের আস্ক করি, কে কি করতেছে। তো এক টিম বলল , তারা সাইকেল চালায়ে এনার্জি হারভেস্ট এর প্রজেক্ট করতেছে। তো আমদের কিছু একটা জমা দিতে হবে এজন্য আমরা মিশনে নেমে পড়ি। We copied another team’s project but did it in a DIY way. আমরা একটা বড় ব্যাটারি ‘শো’ হিসেবে জোগাড় করি। টিমমেট রা বাইসাইকেল ম্যানেজ দেই। এক ফ্রেন্ড এর পা ভাঙ্গার পর ব্যান্ডেজ করা ছিল, সে তা খুলে ফালায়ে দিছিল। দড়ি নাই, কি করব? ব্যান্ডেজ দিয়ে কোনোভাবে আমরা জিনিসপাতি সাইকেল এর সাথে লাগাই। দেন একটু এনার্জি হারভেসট হইছে দেখাইতে কিছু LED, AAA ব্যাটারি এর সাথে লাগিয়ে লাইট জালাই। এবং এটা সাবমিট করি।
আমরা এই প্রজেক্ট গিয়ার তুলে ‘প্রেজেন্ট’ করি। এবং আমরা আগের টিম এর থেকে শুনতে পাই যে কম্পিটিশন বা পেপার এর কথা বললেই বাজিমাত। তো গিয়ার উপড়ে তুলে রুমে ঢুকে বলে দেই IEEE থেকে ফান্ডিং পাচ্ছি। যেই লোক কয়েকটা দিন আগে, ওই আগের প্রজেক্ট ক্যান্সেল করে দেয়। সে এই ব্যান্ডেজ জড়ানো সাইকেল দেখে বলে মারভেলাস। এবং বলে রাখি, আমাদের প্রজেক্ট আর যেই ফ্রেন্ড রা পুরা সেমিস্টার খাটল, যাদের থেকে আইডিয়া নিলাম। আমরা সেম গ্রেড পাই।
এই হল এই লোকের, প্রহসনের ল্যাব এবং প্রহসনের ইভালুয়েশন। না জানে কিছু, না পারে কিছু, না দিতে পারে গাইডেন্স। শুধু পারে, পাওয়ার এর অসদ্ব্যবহার আর গুন্ডাগিরি করতে। ইটস হাই টাইম দিস ইডিয়ট গেটস ব্যানিশড।