16/10/2025
ইম্পেরিয়াল কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-অধিভুক্ত), কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) বিভাগের উদ্যোগে আজ অনুষ্ঠিত হলো এক অনুপ্রেরণামূলক আয়োজন —
“Programming for All” Workshop No. 1
এই কর্মশালায় শিক্ষার্থীরা ডুব দিয়েছে প্রোগ্রামিংয়ের বিশাল সমুদ্রে, যেখানে প্রতিটি কোড ছিলো যুক্তির নদী, প্রতিটি সমস্যা ছিলো চিন্তার চূড়া জয় করার এক নতুন অভিযান।
ওয়ার্কশপের মূল বিষয়বস্তু:
শিক্ষার্থীরা শিখেছে কীভাবে শুরু করতে হয় অনলাইন প্রোগ্রামিং জার্নি, কীভাবে নিজেকে গড়ে তুলতে হয় প্রতিদিনের চর্চার মাধ্যমে। তারা জেনেছে বিভিন্ন Online Judge যেমন — Codeforces, AtCoder, LeetCode, এবং Vjudge — যেগুলো আজকের প্রোগ্রামারদের প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র ও দক্ষতা যাচাইয়ের মঞ্চ।
তারা শিখেছে কীভাবে (Consistency) একজন প্রোগ্রামারের আসল শক্তিতে রূপ নেয় — যেখানে প্রতিদিনের অনুশীলন ধীরে ধীরে জন্ম দেয় আত্মবিশ্বাস, যুক্তিবোধ আর ধৈর্যের।
প্র্যাক্টিকাল সেশন:
ওয়ার্কশপে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে সমাধান করেছে
Subset Sum Problem — যেখান থেকে তারা শিখেছে ব্যাকট্র্যাকিং ও ডাইনামিক প্রোগ্রামিংয়ের সূক্ষ্মতা।
Prefix Sum & Suffix Sum — ডেটা প্রক্রিয়াকরণের দক্ষ উপায়, যা বড় ইনপুটেও দ্রুত ফলাফল বের করতে সাহায্য করে।
Time Complexity সেশন: তারা শিখেছে কিভাবে একটি অ্যালগরিদমের সময় জটিলতা বিশ্লেষণ করতে হয় কোথায় O(n²) মানে ধীরগতি, আর কোথায় O(log n) মানে গতি ও নিখুঁততা। শুধু কোড লেখা নয়, বরং কোডের গতি, দক্ষতা ও সৌন্দর্য নিয়েও তারা চিন্তা করেছে।
প্রতিটি শিক্ষার্থীর চোখে ছিলো শেখার আগ্রহ, প্রতিটি কোডের মধ্যে ছিলো সৃজনশীলতার ঝলক।
ওয়ার্কশপ শেষে শুধু প্রোগ্রামিং নয়, তারা শিখেছে চিন্তা করা, বিশ্লেষণ করা, আর সমস্যাকে ভয় নয় — বরং বন্ধু হিসেবে দেখা।
Imperial College of Engineering — যেখানে শিক্ষার্থীরা শেখে শুধু প্রোগ্রাম নয়, শেখে কৌশল, যুক্তি, আর আত্মবিশ্বাসে এগিয়ে যাওয়ার গল্প।