Khulna University Campus

Call Website

Khulna University Campus Related Khulna University Issues Khulna University (Bengali: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়) is the 9th public university in Bangladesh, established in 1987.

It is situated at Gollamari, Khulna, Bangladesh, by the river Moyur, beside the Khulna-Satkhira highway. The academic programs of Khulna University started on 31 August 1991 with only 80 students in four disciplines. Khulna University has 29 disciplines under 8 schools and one institute. The most promising characteristic of this university is that it is free from student politics. No session jam in academic activities. A big number of professors, associate professors and assistant professors are working as faculty member of various disciplines. Many national and international research projects are on going. There are 3 halls for male students and 2 for female students. Library and laboratory facility is also of high quality. Students and stuffs are provided with transport facility. Overall student quality of this university is very satisfying. Graduates of this university are working all over the world with a lot of fame.

গত ১০ দিন ধরে নিখোঁজ বোন-কে খুজে পেতে এভাবেই আজকে নড়াইল জেলা জর্জ কোর্টে মানববন্ধন করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের '২১ ব্যাচ...
22/09/2026

গত ১০ দিন ধরে নিখোঁজ বোন-কে খুজে পেতে এভাবেই আজকে নড়াইল জেলা জর্জ কোর্টে মানববন্ধন করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের '২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী সবুজ দাস

নর্থ ওয়েস্টান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আজমুল হোসেনের হ/ত্যা/কা/ন্ডে/র সন্দেহভাজন আসামী হাসনাত হাব...
22/09/2026

নর্থ ওয়েস্টান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আজমুল হোসেনের হ/ত্যা/কা/ন্ডে/র সন্দেহভাজন আসামী হাসনাত হাবিব রিফাতকে এসআরবি-৬ পিরোজপুর নেছারাবাদ থেকে আ/টক করেছে বলে নিশ্চিত করেন এসআরবি খুলনা।

মেসের ম্যানেজার মেহেদীকে আ/টক করছে না কেন?

গত শুক্রবার রাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামনগর মসজিদগলি এলাকায় চুয়াডাঙ্গার ছেলে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আজ...
22/09/2026

গত শুক্রবার রাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামনগর মসজিদগলি এলাকায় চুয়াডাঙ্গার ছেলে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আজমুলকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার পর থেকেই ঘটনাটি নিয়ে কয়েকটি প্রশ্ন সামনে আসে।
শুরুতে আমি শুনেছিলাম, আজমুল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। পরে সহকর্মী সিনিয়র ভিডিও জার্নালিস্ট মিলন ভাই ওইদিন সকালেই টেক্সট করে জানান, আজমুল নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ছাত্র।
এরপর হত্যার কারণ হিসেবে একে একে তিনটি বিষয় সামনে আসে-খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খান জাহান আলী হলে গিয়ে চুরি, ইসলামনগরের ওই মেসে টাকা-পয়সা চুরি এবং মেসে মিল না দিয়েই ভাত খাওয়া। সংবাদ মাধ্যম গুলো শুরুতে এই তিনটা কারণের একটা উল্লেখ করে প্রচার করছিল, শনিবার দিনের মাঝামাঝি সময়ে এসে না বলে ভাত খাওয়ার বিষয়টি উপরে উঠে আসে।
এখানেই খটকা লাগে।
রবিবার সমকালে প্রকাশিত এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনের একটি অংশে চোখ আটকে যায়। আজমুলের বাবা কুতুব উদ্দীন সেখানে এমন একটি তথ্য দিয়েছেন, যা পুরো ঘটনাটাকেই নতুন করে দেখার সুযোগ তৈরি করে। বিষয়টি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভুয়া ভর্তি নিয়ে।
আমি পরে কুতুব উদ্দীনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করি। তাঁর কাছ থেকে একই ধরনের তথ্য সহ অতিরিক্ত বেশ কিছু জানতে পারি।
কুতুব উদ্দীন জানান, ২০২৪ সালে চুয়াডাঙ্গা থেকে এইচএসসি পাস করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কোচিং করতে আজমুল ঢাকায় যায়। পরে খুলনায় আসে। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েও কোথাও সুযোগ পায়নি।
এরপর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের ওই মেসে মেহেদী নামে একজনের সাথে তার পরিচয় হয়। ওই মেসের ম্যানেজার। সেখানে উঠে পড়ে আজমুল।
আজমুলের বাবা বলেন, মেহেদী তার ছেলেকে জানিয়েছিল, চার বছর পর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাল সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। এ নিয়ে এক লাখ ২০ হাজার টাকার চুক্তিও হয়।
কুতুব উদ্দীনের ভাষ্য, ছেলে আজমুল ফোন করে তাকে জানায়, সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। ছেলের কথা বিশ্বাস করে তিনি ভর্তির টাকা দেন।
চুয়াডাঙ্গার একজন সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার সহায়তায় এক বছর পর হঠাৎ জানতে পারেন, আজমুল আসলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়নি। অনেক চাপাচাপির পর আজমুলও বিষয়টি স্বীকার করে এবং বিদেশে চলে যাওয়ার কথা বলে IELTS করার ইচ্ছা প্রকাশ করে। ছেলেকে বুঝিয়ে শুনিয়ে গত ১০ই সেপ্টেম্বর খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি করা হয়। বাবা কুতুব উদ্দিনই ভর্তি করে দিয়ে আসেন।
কুতুব উদ্দীন আরও বলেন, নর্থ ওয়েস্টার্নে ভর্তির বিষয়টি মেহেদী জানতে পারে। প্রতারণার টাকা হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পড়ে সে। আজমুল গত বৃহস্পতিবার বাড়িতে এসেছিল। ওই দিন দুপুর ১২টার দিকে মেহেদী ফোন করে তার কাছে ৫৮ হাজার টাকা চায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বাবদ। আজমুল বলে , তার কাছে ২৩ হাজার টাকা আছে। তখন ওই টাকা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পাঠিয়ে তাকে দ্রুত খুলনায় ফিরে আসতে বলা হয়। আজমুল সেই কাজই করে। জানা গেছে, মেহেদী আজমুলকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নকল আইডি কার্ড বানিয়ে দেয়। যে আইডি কার্ডটি এখন পুলিশের হাতে।
আজমুলের বাবা দাবি করেন, মেহেদীই তাকে চুয়াডাঙ্গা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। ভর্তি জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। আজমুলকে যখন পিটানো হচ্ছিল তখন তার ফোন থেকে মেহেদি কথা বলে বাবা কুতুব উদ্দিনের সাথে। তাকে এক লাখ টাকা নিয়ে দ্রুত খুলনায় যেতে বলা হয়। আজমুলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ঘটনার সময় মেস ম্যানেজার মেহেদী নিয়ে নেয়। পরে সেটি পুলিশ জব্দ করেছে। কুতুবউদ্দিন বলেছেন, ফোন থেকে সম্ভবত আলামত মুছে দিয়েছে ওই মেহেদী।
আজমুলকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় শনিবার রাতে নগরীর হরিণটানা থানায় মামলা করেন তার বাবা কুতুব উদ্দীন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। দুই দিন পেরিয়ে গেলেও এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
মামলায় নাম রয়েছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফএমআরটি ডিসিপ্লিনের ১৭ ও ১৯ ব্যাচের রবিন ও মবিন, গণিত ডিসিপ্লিনের ১৯ ব্যাচের সাগর এবং এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের ২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী ওবায়দুলের। ওবায়দুল ছাড়া বাকিরা সাবেক শিক্ষার্থী।

রোববার সন্ধ্যায় আজমুলের বাবা দাবি করেন, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন মেসের ম্যানেজার মেহেদী। তবে মামলার এজাহারে মেহেদীর নাম নেই।
এদিকে আজমুল হত্যার বিচার ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আজ সোমবার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা খুলনায় সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে বলে জানা গেছে।
এসব বিষয়গুলো শুরু থেকেই তদন্ত হওয়া উচিত, আজমুলকে কেন শুক্রবার বিকেলের মধ্যে চুয়াডাঙ্গা থেকে ডেকে নেওয়া হয়েছিল? একটা পরিবারের সাথে এক বছরেরও বেশি সময় প্রতারণা করা, টাকা পয়সা হাতানো, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি জালিয়াতির মত কাজে সম্পৃক্ততার অভিযোগ যে মেহেদীর বিরুদ্ধে, সে কিভাবে পার পেয়ে গেল? এজাহারে মেসের ম্যানেজার মেহেদীর নাম কেন নেই? আমি আজমুলের বাবার কাছে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এতসব অভিযোগ যার বিরুদ্ধে, মামলায় কেন সেই মেহেদির নাম দিলেন না? তিনি বলেছেন, ছেলে মারা যাওয়ার পর, ছোট ছেলের কাছ থেকে গতকাল রবিবার দুপুরের পর ওই ছেলের বিষয়ে সব কিছু জানতে পেরেছি। হাউ মাউ করে কেঁদে উঠে বললেন, ওরা কয়েকজন সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে মেরেছে - এর যেন সুষ্ঠু বিচার হয়, দেখবেন ভাই। -

ফাইজার চৌধুরী, চুয়াডাঙ্গা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার।
#আজমুল

মেহেদীকে পুলিশ কেন এখনো গ্রে/প্তার করছে না? পালিয়ে যাবার পরে করবে?

22/09/2026

কালকে আমাদের খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ছবি শেয়ার দিয়ে নর্দান আর নর্থ ওয়েস্টার্নের শিক্ষার্থীরা এমন সব ক্যাপশান দিচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে তারা কয়েকহাজার শিক্ষার্থী নিয়ে ইতোমধ্যে একটা বিক্ষোভ সমাবেশ করে ফেলেছে।

এখন পর্যন্ত যতটুকু জানি তারা তাদের ক্যাম্পাসের সামনে আমাদের থেকেও কম শিক্ষার্থী নিয়ে একটা প্রেস ব্রিফিং মত করেছে। অথচ এখানে তাদের শিক্ষার্থী সবার আগে তাদের নামা উচিত ছিলো।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কি পিছিয়ে আছে? তারা তো মানববন্ধন করেছে। সত্য উদঘাটনে আমাদের সাংবাদিক সমিতি কাজ করছে। অনলাইন মিডিয়া হিসেবেও আমরা সর্বচ্চ সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছি। সমস্যা সৃষ্টি করছে খুলনার কিছু আতেল। এরা এই ঘটনাকে পুঁজি করে জুলাইকে টেনে আনছে। এনে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে ভিলেন বানিয়ে দু একটা লাইক ভিউ নিচ্ছে। এতে আসলে লাভটা আজমুলের না হলেও তাদের হচ্ছে। এরা যারা স্টাটাস দিচ্ছে এদের আজমুল হত্যার বিচার চাওয়ার চেয়েও খুবির প্রতি বিষোদগার বেশি।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সব সংকটে সংগ্রামে সবার আগে মাঠে নামে। এ বিষয়ে আপোস নাই। খুলনার সাধারণ মানুষকে রক্ত দেওয়া,খুলনার মানুষের অধিকার আদায়, জাতীয় সংকট সর্বদা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে সবার আগে পাওয়া যায়।

তবে হ্যাঁ সম্প্রতি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু মা/দকাসক্ত শিক্ষার্থীদের জন্য খুবিকে নিয়ে আজ বাইরের মানুষেরা কথা বলতে সাহস পাচ্ছে। তাদের উ/শৃংখল আচরণ এটার জন্য বেশ দায়ী। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে এদের যে মিনিমাম নর্মস থাকা জরুরি সেগুলো এদের নাই। তবে হাতের পাঁচ আঙ্গুল যেমন সমান নয় সব শিক্ষার্থী সমান নয়। আমরা হয়তো ৫০ জন নিয়ে বিক্ষোভ করেছি আপনারা ১০০জন নিয়ে করুন। তাতেই তো সমাধান হয়ে যা। আমরা ৫০ জন দাঁড়িয়ে তো খুনিদের সেফ দিচ্ছি না তাদের বিচার চাইছি আপনি আপনার জায়গা থেকে ১০০ জন নিয়ে চান তবেই না আসল খুনি ধরা পড়বে। তা না করে লোক কম হয়েছে এসব আলাপের তো দরকার নাই লোক কম নিয়ে হলেও খুবি যেখানে রাজপথে আছে বিচার চাইছে আপনি লোক বেশি নিয়েও কি করছেন? আপনার দায় টা কোথায়?

মুনতাসির মামুন।

নিহত আজমুলের বাবা কুতুব উদ্দীন জানান, চুয়াডাঙ্গায় ২০২৪ সালে এইচএসসি পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির কোচিং করতে ঢাকায় যায় আ...
21/09/2026

নিহত আজমুলের বাবা কুতুব উদ্দীন জানান, চুয়াডাঙ্গায় ২০২৪ সালে এইচএসসি পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির কোচিং করতে ঢাকায় যায় আজমুল। সেখান থেকে খুলনায় আসে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা দিয়ে ভর্তির সুযোগ পায়নি। তিনি বলেন, ‘মেহেদীর সঙ্গে ওর (আজমুল) পরিচয় হয়। মেহেদী বলে চার বছর পর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট দিয়ে দেবে। এ নিয়ে এক লাখ ২০ হাজার টাকার চুক্তি হয়। কেউ এটি জানলে আজমুলকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। তখন আজমুল ফোনে আমাকে জানায়, সে ভর্তির চান্স পেয়েছে। আমি ছেলেকে বিশ্বাস করে ভর্তির টাকা দেই।’

কুতুব উদ্দীন আরও বলেন, ‘হঠাৎ শুনতে পাই আমার ছেলে চান্স পায়নি। সে স্বীকার করে এবং বলে বিদেশ চলে যাবে। শেষ পর্যন্ত সে নর্থ ওয়ের্স্টান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। এ বিষয়টা মেহেদী জানতে পারে। আজমুল গত বৃহস্পতিবার বাড়িতে গিয়েছিল। ওই দিন ১২টার দিকে তাকে ফোন করে ৫৮ হাজার টাকা চায় মেহেদী। আজমুল তখন মেহেদীকে বলে ২৩ হাজার টাকা আছে। ওই টাকা পাঠিয়ে দ্রুত খুলনায় চলে আসতে বলে মেহেদী।’ কুতুব উদ্দিন দাবি করেন, ‘মেহেদী আমার ছেলেকে ডেকে নিয়ে গেছে এবং সব প্রকাশ করে দেবে এই ভয়ে তাকে মেরে ফেলেছে।’

©সমকাল

খুলনায় আজমুল হোসেন নামের এক ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় চার তলা ভবনের মেসের ম্যানেজার মেহেদী এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স...
21/09/2026

খুলনায় আজমুল হোসেন নামের এক ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় চার তলা ভবনের মেসের ম্যানেজার মেহেদী এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান চার শিক্ষার্থীসহ কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার রাতে এ ঘটনায় নগরীর হরিণটানা থানায় মামলা করেছেন আজমুলের বাবা কুতুব উদ্দীন। মামলার চার জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয় আরও ২০–২৫ জনকে আসামি করা হয়। তবে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
মামলার আসামিরা হলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফএমআরটি ডিসিপ্লিনের ১৭ ও ১৯ ব্যাচের রবিন ও মবিন, গণিত ডিসিপ্লিনের ১৯ ব্যাচের সাগর এবং এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের ২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী ওবায়দুল। আজমুলের বাবা রোববার সন্ধ্যায় দাবি করেন, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী মেসের ম্যানেজার মেহেদী। তবে এজাহারে তার নাম আসেনি।

আজমুলের বাবা কুতুব উদ্দীন জানান, চুয়াডাঙ্গায় ২০২৪ সালে এইচএসসি পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির কোচিং করতে ঢাকায় যায় আজমুল। সেখান থেকে খুলনায় আসে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা দিয়ে ভর্তির সুযোগ পায়নি। তিনি বলেন, ‘মেহেদীর সঙ্গে ওর (আজমুল) পরিচয় হয়। মেহেদী বলে চার বছর পর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট দিয়ে দেবে। এ নিয়ে এক লাখ ২০ হাজার টাকার চুক্তি হয়। কেউ এটি জানলে আজমুলকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। তখন আজমুল ফোনে আমাকে জানায়, সে ভর্তির চান্স পেয়েছে। আমি ছেলেকে বিশ্বাস করে ভর্তির টাকা দেই।’

কুতুব উদ্দীন আরও বলেন, ‘হঠাৎ শুনতে পাই আমার ছেলে চান্স পায়নি। সে স্বীকার করে এবং বলে বিদেশ চলে যাবে। শেষ পর্যন্ত সে নর্থ ওয়ের্স্টান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। এ বিষয়টা মেহেদী জানতে পারে। আজমুল গত বৃহস্পতিবার বাড়িতে গিয়েছিল। ওই দিন ১২টার দিকে তাকে ফোন করে ৫৮ হাজার টাকা চায় মেহেদী। আজমুল তখন মেহেদীকে বলে ২৩ হাজার টাকা আছে। ওই টাকা পাঠিয়ে দ্রুত খুলনায় চলে আসতে বলে মেহেদী।’ কুতুব উদ্দিন দাবি করেন, ‘মেহেদী আমার ছেলেকে ডেকে নিয়ে গেছে এবং সব প্রকাশ করে দেবে এই ভয়ে তাকে মেরে ফেলেছে।’

নিচতলা ও দ্বিতীয় তলার ৫ জন শিক্ষার্থীর সঙ্গে পৃথকভাবে কথা বলেছেন এই প্রতিবেদক। তারা জানান, মেহেদীকে তারা গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে জানেন।
মালিকের পক্ষে তিনি প্রতি মাসে ভাড়া আদায় করেন। ওই ভবনে জিনিসপত্র প্রায়ই চুরি হতো। ওই সড়কের অন্যান্য মেসেও প্রায়ই চুরি হয়।

চুরির ঘটনায় শুক্রবার রাতে মেহেদী ও অন্য ছাত্ররা আজমুলকে মারধর শুরু করে। চোর ধরা পড়েছে শুনে আশপাশের মেস থেকেও ছাত্ররা আসে। একপর্যায়ে ছাদে নিয়ে তাকে আবারও মারপিট করা হয়। অনেকেই তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও পারেনি। ওই ভবনের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘চোর ধরা পড়েছে শুনে আশপাশের মেসের লোকজনও ছাদে এসে আজমুলকে জিনিসপত্র ফেরত দিতে বলে। একপর্যায়ে তার বাবাকে ফোন দিয়ে টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু কিভাবে ছাদ থেকে পড়েছে আমরা জানি না।’

[SAMAKAL | GET THE LATEST ONLINE BANGLA NEWS](https://samakal.com/)
[\*\*](https://samakal.com/whole-country/article/373857/%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%93-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A7%AA-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80)
1. [\*\*](https://samakal.com/)
2. [সারাদেশ](https://samakal.com/whole-country)

# # খুলনায় পিটিয়ে হত্যা
# সন্দেহের কেন্দ্রে মেসের ম্যানেজার ও খুবির ৪ শিক্ষার্থী
# #
সন্দেহের কেন্দ্রে মেসের ম্যানেজার ও খুবির ৪ শিক্ষার্থী
×
খুবির খানজাহান আলী হল ফটকের বিপরীতে ইসলামনগর মসজিদ গলিতে সরোয়ার হোসেনের চার তলা মেস। এখানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আজমল হোসেন। আজ রোববার তোলা ছবি: সমকাল
হাসান হিমালয়, খুলনা
** প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২২:৪১ | আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২২:৪৮
[Facebook](https://samakal.com/ )[X](https://samakal.com/ )[WhatsApp](https://samakal.com/ )[LinkedIn](https://samakal.com/ )[Telegram](https://samakal.com/ )[Messenger](https://samakal.com/ )[Email](https://samakal.com/ )[Share](https://www.addtoany.com/share =https%3A%2F%2Fsamakal.com%2Fwhole-country%2Farticle%2F373857%2F%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25A8%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25A6%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25B9%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25B0-%25E0%25A6%2595%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25A8%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25A6%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25B0%25E0%25A7%2587-%25E0%25A6%25AE%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25B0-%25E0%25A6%25AE%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25AF%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%25A8%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%259C%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%25B0-%25E0%25A6%2593-%25E0%25A6%2596%25E0%25A7%2581%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%25B0-%25E0%25A7%25AA-%25E0%25A6%25B6%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%2595%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%25B0%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25A5%25E0%25A7%2580&title=%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%93%20%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%20%E0%A7%AA%20%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80)
-অ+**
খুলনায় আজমুল হোসেন নামের এক ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় চার তলা ভবনের মেসের ম্যানেজার মেহেদী এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান চার শিক্ষার্থীসহ কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার রাতে এ ঘটনায় নগরীর হরিণটানা থানায় মামলা করেছেন আজমুলের বাবা কুতুব উদ্দীন। মামলার চার জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয় আরও ২০–২৫ জনকে আসামি করা হয়। তবে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
মামলার আসামিরা হলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফএমআরটি ডিসিপ্লিনের ১৭ ও ১৯ ব্যাচের রবিন ও মবিন, গণিত ডিসিপ্লিনের ১৯ ব্যাচের সাগর এবং এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের ২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী ওবায়দুল। আজমুলের বাবা রোববার সন্ধ্যায় দাবি করেন, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী মেসের ম্যানেজার মেহেদী। তবে এজাহারে তার নাম আসেনি।
এদিকে আজমুল হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে রোববার দুপুরে ক্যাম্পাসে মানববন্ধন করেছেন খুবির শিক্ষার্থীরা। তারা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
গত শুক্রবার রাতে চুরির অপবাদ দিয়ে আজমুলকে পেটানো হয়। এক পর্যায়ে আজমুল চার তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে যান। হাসপাতালের নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। তিনি ছাদ থেকে লাফ দিয়েছেন, নাকি মেরে ফেলে দেওয়া হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত শেষে চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা গ্রামের বাড়িতে আজমুলকে দাফন করা হয়।
আজমুলের বাবা কুতুব উদ্দীন জানান, চুয়াডাঙ্গায় ২০২৪ সালে এইচএসসি পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির কোচিং করতে ঢাকায় যায় আজমুল। সেখান থেকে খুলনায় আসে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা দিয়ে ভর্তির সুযোগ পায়নি। তিনি বলেন, ‘মেহেদীর সঙ্গে ওর (আজমুল) পরিচয় হয়। মেহেদী বলে চার বছর পর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট দিয়ে দেবে। এ নিয়ে এক লাখ ২০ হাজার টাকার চুক্তি হয়। কেউ এটি জানলে আজমুলকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। তখন আজমুল ফোনে আমাকে জানায়, সে ভর্তির চান্স পেয়েছে। আমি ছেলেকে বিশ্বাস করে ভর্তির টাকা দেই।’
কুতুব উদ্দীন আরও বলেন, ‘হঠাৎ শুনতে পাই আমার ছেলে চান্স পায়নি। সে স্বীকার করে এবং বলে বিদেশ চলে যাবে। শেষ পর্যন্ত সে নর্থ ওয়ের্স্টান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। এ বিষয়টা মেহেদী জানতে পারে। আজমুল গত বৃহস্পতিবার বাড়িতে গিয়েছিল। ওই দিন ১২টার দিকে তাকে ফোন করে ৫৮ হাজার টাকা চায় মেহেদী। আজমুল তখন মেহেদীকে বলে ২৩ হাজার টাকা আছে। ওই টাকা পাঠিয়ে দ্রুত খুলনায় চলে আসতে বলে মেহেদী।’ কুতুব উদ্দিন দাবি করেন, ‘মেহেদী আমার ছেলেকে ডেকে নিয়ে গেছে এবং সব প্রকাশ করে দেবে এই ভয়ে তাকে মেরে ফেলেছে।’
আজ রোববার ওই এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ছাত্র হলের পাশে আবাসিক এলাকা। হলে যারা আসন পান না, তাদের বেশিরভাগই ওই এলাকায় ভাড়া থাকেন। খুবির খানজাহান আলী হল ফটকের বিপরীতে ইসলামনগর মসজিদ গলিতে সরোয়ার হোসেনের চার তলা ভবনের চতুর্থ তলায় অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে থাকতেন আজমুল।
নিচতলা ও দ্বিতীয় তলার ৫ জন শিক্ষার্থীর সঙ্গে পৃথকভাবে কথা বলেছেন এই প্রতিবেদক। তারা জানান, মেহেদীকে তারা গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে জানেন।
মালিকের পক্ষে তিনি প্রতি মাসে ভাড়া আদায় করেন। ওই ভবনে জিনিসপত্র প্রায়ই চুরি হতো। ওই সড়কের অন্যান্য মেসেও প্রায়ই চুরি হয়।
চুরির ঘটনায় শুক্রবার রাতে মেহেদী ও অন্য ছাত্ররা আজমুলকে মারধর শুরু করে। চোর ধরা পড়েছে শুনে আশপাশের মেস থেকেও ছাত্ররা আসে। একপর্যায়ে ছাদে নিয়ে তাকে আবারও মারপিট করা হয়। অনেকেই তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও পারেনি। ওই ভবনের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘চোর ধরা পড়েছে শুনে আশপাশের মেসের লোকজনও ছাদে এসে আজমুলকে জিনিসপত্র ফেরত দিতে বলে। একপর্যায়ে তার বাবাকে ফোন দিয়ে টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু কিভাবে ছাদ থেকে পড়েছে আমরা জানি না।’

রোববার ভবনে গিয়ে মেহেদীর কক্ষ তালাবদ্ধ পাওয়া গেছে। তার মোবাইল নম্বরও বন্ধ।
নর্থ ওয়েস্টার্নের ইংরেজি বিভাগের প্রধান মেহেদী হাসান জানান, ‘আজমুল গত ১০ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। এ পর্যন্ত মাত্র তিন দিন ক্লাস করেছেন। মৃত্যুর খবর শুনে আমরা মর্গে গিয়ে তার পরিবার এবং পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’
নগরীর হরিণটানা থানার ওসি ইকবাল হোসেন বলেন, ‘আজমুলের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে। আমরা প্রতিটি তথ্য যাচাই করে দেখছি। ঘটনায় জড়িতরা দ্রুত গ্রেপ্তার হবে। নিরীহ কেউ যাতে হয়রানী না হয়, সেটিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

মেহেদী গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও মসজিদ গলির ওই (ঘটনাস্থলের) মেসের ম্যানেজার ছিলেন...
21/09/2026

মেহেদী গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও মসজিদ গলির ওই (ঘটনাস্থলের) মেসের ম্যানেজার ছিলেন।

18/09/2026

Assalamualikum, Respected all. খুবি Econ '11 ব্যাচের বন্ধু রবিউল ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে ইসলামি ব্যাংক হাসপাতাল, খুলনাতে ভর্তি আছে। এই মুহূর্তে জরুরি রক্তের প্রয়োজন; রক্তের গ্রুপ B+, যোগাযোগ: ০১৫৭১-৭১২৭০১।

প্রিয় আ্যলামনাই,সকল সিনিয়র এবং জুনিয়র ভাই বোনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাইপূজা দীর্ঘদিন ধরে ব্যয়বহুল চিকিৎসার মধ্যে আছে...
11/09/2026

প্রিয় আ্যলামনাই,সকল সিনিয়র এবং জুনিয়র ভাই বোনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই

পূজা দীর্ঘদিন ধরে ব্যয়বহুল চিকিৎসার মধ্যে আছে, ইতোমধ্যে তার চিকিৎসা ব্যয় প্রায় ৩২ লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে, তার অবস্থা অনুযায়ী এই চিকিৎসা এখনো দীর্ঘসময় প্রয়োজন। আমরা প্রাথমিকভাবে ২০ লক্ষ টাকা কালেকশন করার লক্ষ্য স্থির করেছিলাম। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে আমাদের কালেকশন খুব কম হচ্ছে,আমরা লক্ষ্য মাত্রা থেকে প্রায় সাড়ে বারো লক্ষ পিছিয়ে আছি। এমন অবস্থায় পূজার চিকিৎসা চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে।

এজন্য সকল আ্যলামনাই কে অনুরোধ জানাচ্ছি সবাই নিজেদের সাধ্যমতো সকল চ্যানেলে পৌঁছানোর জন্য আমাদের পাশে দাড়াবেন।

ধন্যবাদান্তে
ইএস ১৬ ব্যাচের পক্ষ থেকে
মো: তৌফিক ইমতিয়াজ ফরহাদ

10/09/2026

আমার বড় ছেলে জাহিন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে। আমার ছেলের জন্য AB+ রক্তের প্রয়োজন। সহৃদয় ব্যক্তিদের সহযোগিতার জন্য বিনীত আহবান করছি।

মোবাইলঃ ০১৯২১৭৭৩৪৩২

On behalf of Mohiuddin (SOC’09)
Md Al Masud Uddin Moni
CSE’09

Address

Gollamari
Khulna
9208

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khulna University Campus posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share