জামিআ আবু বকর সিদ্দীক -রা. কিশোরগঞ্জ

জামিআ আবু বকর সিদ্দীক -রা. কিশোরগঞ্জ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জামিআ আবু বকর সিদ্দীক -রা. কিশোরগঞ্জ, College & University, জামিআ আবু বকর সিদ্দীক রা, Kishoreganj.

কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী একটি মাদানী নেসাবের সিলেবাস অনুযায়ী পরিচালিত প্রতিষ্ঠান।
সেই সাথে এই প্রতিষ্ঠানটিতে পৃথকভাবে দরসে নেজামী (বেফাক বোর্ড এর সিলেবাস অনুযায়ী) বিশেষ জামাত সহ তাইসির থেকে মিশকাত পর্যন্ত চালু রয়েছে।

আলহামদুলিল্লাহ। 'আল এমদাদ ট্রাস্ট' পরিচালিত মাদরাসাসমূহে এ বছর প্রায় ৪ হাজার এতিম, অসহায়, গরিব ও দ্বীনি শিক্ষার্থী ইলমে ...
12/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ। 'আল এমদাদ ট্রাস্ট' পরিচালিত মাদরাসাসমূহে এ বছর প্রায় ৪ হাজার এতিম, অসহায়, গরিব ও দ্বীনি শিক্ষার্থী ইলমে দ্বীন অর্জনে নিয়োজিত রয়েছে।

এই শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছরের ন্যায় এবারও কুরবানীর আয়োজন করা হয়েছে। রয়েছে সহীহ ও শরীয়তসম্মত পন্থায় কুরবানির নিশ্চয়তা। আপনি বা আপনার পরিচিত যে কেউ সামর্থ্য অনুযায়ী শরীক হতে পারেন।

কুরবানীর এই গোশত দ্বীনি ইলেম অর্জনে নিয়োজিত শিক্ষার্থীদের খাবারের জন্য পরিবেশন করা হয়। আপনার অংশগ্রহণ একজন শিক্ষার্থীর জন্য হতে পারে আনন্দের উপলক্ষ্য। আপনার সহযোগিতা দ্বীনের খাদেম তৈরির পথে হতে পারে একটি উত্তম মাধ্যম।

সহীহ কোরবানির নিশ্চয়তায় আপনি বা আপনার পরিচিত যে কেউ সামর্থ্য অনুযায়ী শরীক থাকতে পারেন।

৪দিনব্যাপী হাতের লেখা সুন্দর করার বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সজামিআ আবু বকর সিদ্দীক রা. মারিয়া, কিশোরগঞ্জ এর উদ্যোগে আগামী ১১ই...
09/05/2026

৪দিনব্যাপী হাতের লেখা সুন্দর করার বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স

জামিআ আবু বকর সিদ্দীক রা. মারিয়া, কিশোরগঞ্জ এর উদ্যোগে আগামী ১১ই মে ২০২৬ রোজ সোমবার যোহরের পর থেকে ১৫ ই মে ২০২৬ রোজ শুক্রবার জুমার পূর্ব পর্যন্ত আরবী খত্বেরুকা ও বাংলা হাতের লেখা সুন্দর করার বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
কোর্সে অংশগ্রহণ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে যে কোন ছাত্র আরবী খত্বেরুকা ও বাংলা এই দুটির যেকোনো একটি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পারবে।

অভিভাবক সম্মেলন-২০২৬০৯ মে ২০২৬ রোজ: শনিবারসকাল ৯ টা হতে জোহর পর্যন্ত ।স্থান: মাদরাসা মসজিদ কামালিয়াচর রোড, বিসিক শিল্প ...
07/05/2026

অভিভাবক সম্মেলন-২০২৬

০৯ মে ২০২৬ রোজ: শনিবার
সকাল ৯ টা হতে জোহর পর্যন্ত ।

স্থান: মাদরাসা মসজিদ
কামালিয়াচর রোড, বিসিক শিল্প নগরীর সংলগ্ন, মারিয়া, কিশোরগঞ্জ।

ছাত্র শিক্ষক ও অভিভাবক সকলের প্রচেষ্টায় চলমান শিক্ষা বছরকে সাফল্যমণ্ডিত কড়াই আমাদের চেষ্টা।

অভিভাবক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দাওয়াত রইলো। সকল অভিভাবক যথাসময়ে উপস্থিত হয়ে আপনার সন্তানের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ গড়ার মতামত পেশ করবেন।

হজের আমলসমূহ💠 ৫ স্থানে ৫ দিনে ৯ কাজ সম্পন্ন করাকে হজ বলে।🔷 ৫ স্থান হলো : ১. বায়তুল্লাহ, ২. মিনা, ৩. আরাফাহ, ৪. মুযদালিফা...
18/04/2026

হজের আমলসমূহ

💠 ৫ স্থানে ৫ দিনে ৯ কাজ সম্পন্ন করাকে হজ বলে।

🔷 ৫ স্থান হলো :
১. বায়তুল্লাহ, ২. মিনা, ৩. আরাফাহ,
৪. মুযদালিফা, ৫. জামারাহ।

♦️ ৫ দিন হলো : ৮ জিলহজ থেকে ১২ জিলহজ

🌟 ৯ আমলের তিনটি ফরজ। ৬ টি হলো ওয়াজিব।

🌙 হজের ফরজ তিনটি:
১. ইহরাম। ২. আরাফার ময়দানে অবস্থান।
৩. তাওয়াফে জিয়ারাহ।

🌙 হজের ওয়াজিব ছয়টি:
১. মুযদালিফায় অবস্থান। ২. জামারায় পাথর মারা।
৩. কুরবানী করা। ৪. মাথা মুন্ডানো। ৫. সাঈ করা।
৬. বিদায়ী তাওয়াফ।

🌐 হজের মানচিত্র — এক নজরে সম্পূর্ণ গাইড

পবিত্র হজের সফরে বিভিন্ন স্থানগুলোর মধ্যে দূরত্ব ও ক্রম জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মানচিত্রে মসজিদুল হারাম থেকে মিনা, আরাফাত, মুযদালিফা এবং জামারাত পর্যন্ত পথ সহজভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

সঠিক তথ্যের মাধ্যমে আপনি আপনার হজকে আরও সহজ ও শান্তিপূর্ণ করতে পারেন। আল্লাহ তাআলা আপনার এই বরকতময় সফরকে সহজ করুন এবং আপনাকে হজে মাবরুর দান করুন।

নতুন শিক্ষাবর্ষ: নতুন উদ্যমে ইলম অন্বেষণে মগ্ন হইমাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেকالحمد لله وسلام على عباده الذين اصطفى، أم...
17/04/2026

নতুন শিক্ষাবর্ষ: নতুন উদ্যমে ইলম অন্বেষণে মগ্ন হই

মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক

الحمد لله وسلام على عباده الذين اصطفى، أما بعد!

আল্লাহ তাআলার অশেষ মেহেরবানী। তাঁর তাওফীকেই আমরা স্বাভাবিকভাবে আরেকটি নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু করতে যাচ্ছি— আলহামদু লিল্লাহ।

اللّٰهُمَّ مَا أَصْبَحَ بِي مِنْ نِعْمَةٍ أَوْ بِأَحَدٍ مِنْ خَلْقِكَ، فَمِنْكَ وَحْدَكَ لَا شَرِيكَ لَكَ، فَلَكَ الْحَمْدُ وَلَكَ الشُّكْرُ.

اللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَ هَذَا الْعَامِ فَتْحَهُ، وَنَصْرَهُ، وَنُورَهُ، وَبَرَكَتَهُ، وَهُدَاهُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِيهِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهُ.

সূচনার এ সময়টিতে সাধারণত সবার মধ্যে নতুন উদ্যম ও নতুন উৎসাহ বিরাজ করে। এই নব উদ্যমকে কাজে লাগানো উচিত। একে অলসতা ও অবহেলা করে নষ্ট করা অন্যায়। এতে সময়ের বরকত চলে যায়। ইলমের মহব্বত কমে যায়। অতএব শুরুকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো জরুরি।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন—

احْرِصْ عَلَى مَا يَنْفَعُكَ، وَاسْتَعِنْ بِاللهِ، وَلَا تَعْجَزْ.

যা তোমার উপকার করবে তার প্রতি আগ্রহী হও, আল্লাহর কাছে সাহায্য চাও এবং অক্ষম হয়ে বসে পড়ো না। —সহীহ মুসলিম, হাদীস ২৬৬৪

এ হাদীসে আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পাথেয় রয়েছে। ছোট্ট একটি বাক্যে তিনি আমাদের কাজের মূলনীতি ও কর্মপন্থা বলে দিয়েছেন।

এখানে তিনটি বিষয়ের আদেশ করা হয়েছে—

এক. احْرِصْ عَلَى مَا يَنْفَعُكَ

‘যা তোমার জন্য উপকারী হবে তার প্রতি আগ্রহী হও।’

আগ্রহ ও মহব্বত মানসিক শক্তির অন্যতম উৎস। কোনো বিষয়ে ভালোবাসা ও আগ্রহ তৈরি হয়ে গেলে মানুষ তার জন্য কষ্ট ও পরিশ্রম করতে প্রস্তুত হয়ে যায়। সেজন্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রথমে আগ্রহ তৈরি কর, অন্তরে কাজের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি কর।

তাই একজন তালিবে ইলমের প্রথম করণীয়, অন্তরে ইলমের প্রতি মহব্বত সৃষ্টি করা। নিজের ভেতর ইলমের পিপাসা তৈরি করা। এমন পিপাসা, যা নিবারণ হয় না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—

مَنْهُومَانِ لا يَشْبَعَانِ : طَالِبُ عِلْمٍ وَطَالِبُ دُنْيَا.

দুই লোভাসক্ত কখনো তৃপ্ত হয় না— দুনিয়া অন্বেষী এবং ইলম অন্বেষী। —মুসনাদে বাযযার, হাদীস ৪৮৮০; আলকামিল, ইবনে আদী ৭/৫৫৮

ইলম অতি মূল্যবান। এর মূল্য যেমন বেশি, তার জন্য পরিশ্রমও করতে হয় বেশি। সালাফের এই বাণী তো আমরা বহুবার শুনেছি—

العِلْمُ شَيْءٌ لَا يُعْطِيْكَ بَعْضَهُ حَتَّى تُعْطِيَهُ كُلَّكَ، فَإِذَا أَعْطَيْتَهُ كُلَّكَ فَأَنْتَ مِنْ إِعْطَائِهِ لَكَ الْبَعْضَ عَلَى خَطَرٍ.

‘ইলম এমন জিনিস, তার জন্য তোমার সর্বস্ব না বিলিয়ে দিলে সে তোমাকে সামান্যও দেবে না। বরং তার জন্য তোমার সর্বস্ব বিলিয়ে দিলেও সে তোমাকে কিছু দেবে কি না— সে ব্যাপারে সন্দেহ আছে। —তারীখে বাগদাদ ৫/৭২-৭৩ (নায্যামের জীবনী), ১২/২২৪ (আবু ইউসুফ রাহ.-এর জীবনী)

অর্থাৎ ইলমের জন্য বিলীন না হয়ে যাওয়া ব্যতীত ইলমে রুসূখ ও দৃঢ়তা আসে না; দ্বীনের সঠিক সমঝ ও বুঝ হাসিল হয় না। কিন্তু অন্তরে ইলমের প্রতি মহব্বত ও আগ্রহ না থাকলে বিলীন হওয়া তো দূরের কথা, ইলমের জন্য সামান্য কষ্ট সহ্য করাও সম্ভব হবে না। ইলমের জন্য মেহনত-মুজাহাদা ও ত্যাগ-তিতিক্ষা তখনই সম্ভব হবে, যখন অন্তরে ইলমের প্রতি অত্যধিক লোভ ও আগ্রহ থাকবে এবং ইলমের মহব্বতে অন্তর একদম পরিপূর্ণ থাকবে। তখন দেখা যাবে, ইলমের জন্য যে কোনো কষ্ট সহ্য করতে দেহ-মন প্রস্তুত হয়ে আছে। আগে যেসব ওয়াসওয়াসা ও কুমন্ত্রণা মনে ভীড় করত সেগুলো দূর হয়ে গেছে। কারণ ইলমের মহব্বতটাই অনেক রোগের প্রতিষেধক।

ইলমের মহব্বত পয়দা করার অনেক উপায় রয়েছে। এ বিষয়ে ইতিপূর্বে এ বিভাগে লেখা হয়েছে। আগ্রহীগণ ‘তালিবানে ইলম : পথ ও পাথেয়’ কিতাব থেকে (পৃ. ১০০-১০৭) এ বিষয়ক লেখাটি পড়ে নিতে পারেন। লেখাটির শিরোনাম ‘তালিবে ইলম ভাইদের প্রতি আবেদন, নিজের মধ্যে ইলমের অনির্বাণ তৃষ্ণা সৃষ্টি করুন’। সেখানে ইলমের মহব্বত বৃদ্ধির ১২টি উপায় বলা হয়েছে।

দুই. وَاسْتَعِنْ بِاللهِ

‘আল্লাহর কাছে সাহায্য চাও।’

এর কোনো বিকল্প নেই। মেহনত-মুজাহাদা ও চেষ্টা-পরিশ্রম কখনো দুআ ও সাহায্য প্রার্থনার বিকল্প হতে পারে না। ইমাম আবুল আব্বাস কুরতুবী (৬৫৬ হি.) রাহ. লিখেছেন—

وَمَعَ إِنْهَاءِ الاجتهادِ نِهايتَه، وإبلاغِ الحِرْصِ غايتَه، فلا بُدَّ مِن الاستعانةِ باللهِ، والتوكُّلِ عليه، والالْتِجاءِ في كلِّ الأمورِ إليه، فَمَنْ سَلَكَ هذين الطريقين حَصَلَ على خيرِ الدَّارَيْن.

অর্থাৎ চূড়ান্ত চেষ্টা-পরিশ্রম ও পরিপূর্ণ আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও অনিবার্য করণীয় হল, আল্লাহ তাআলার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করা, তাঁর উপর ভরসা করা এবং সব বিষয়ে তাঁরই আশ্রয় গ্রহণ করা। এই দুই বিষয় যে অবলম্বন করবে সে উভয় জাহানের কল্যাণ লাভ করবে। —আলমুফহিম লিমা আশকালা মিন তালখীসি কিতাবি মুসলিম, আবুল আব্বাস কুরতুবী ৬/৬৮২

অতএব কুরআন-সুন্নাহ্য় ইলম সংশ্লিষ্ট যেসব দুআ আছে সেগুলোর প্রতি যত্নবান হতে হবে। কিছু দুআ এই-

১. رَبِّ زِدْنِیْ عِلْمًا (সূরা ত-হা : ১১৪)

২. رَبِّ اشْرَحْ لِيْ صَدْرِيْ. وَ يَسِّرْ لِيْۤ اَمْرِيْ. وَ احْلُلْ عُقْدَةً مِّنْ لِّسَانِيْ. يَفْقَهُوْا قَوْلِيْ (সূরা ত-হা : ২৫-২৮)

৩. رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوْبَنَا بَعْدَ اِذْ هَدَيْتَنَا وَ هَبْ لَنَا مِنْ لَّدُنْكَ رَحْمَةً اِنَّكَ اَنْتَ الْوَهَّابُ (সূরা আলে ইমরান : ৮)

৪. اللّٰهُمَّ انْفَعْنِي بِمَا عَلَّمْتَنِي، وَعَلِّمْنِي مَا يَنْفَعُنِي، وَارْزُقْنِي عِلْمًا تَنْفَعُنِي بِهِ (আদদুআ, তবারানী : ১৪০৫)

৫. اللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ، وَالْكَسَلِ، وَالْجُبْنِ، وَالْبُخْلِ، وَالْهَرَمِ، وَعَذَابِ الْقَبْرِ، اللّٰهُمَّ آتِ نَفْسِي تَقْوَاهَا،

وَزَكِّهَا أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا، أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا، اللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ، وَمِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ، وَمِنْ نَفْسٍ لَا تَشْبَعُ، وَمِنْ دَعْوَةٍ لَا يُسْتَجَابُ لَهَا.

(সহীহ মুসলিম : ২৭২২)

৬. اللّٰهُمَّ إِنِّي عَبْدُكَ،ابْنُ عَبْدِكَ،ابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِي بِيَدِكَ،مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُلِّ اسْمٍ هُوَ

لَكَ، سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ،أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيعَ قَلْبِي، وَنُورَ صَدْرِي، وَجِلَاءَ حُزْنِي، وَذَهَابَ هَمِّي.

(মুসনাদে আহমাদ : ৪৩১৮; সহীহ ইবনে হিব্বান : ৯৭২)

৭. اللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا (সুনানে ইবনে মাজাহ : ৯২৫)

(হাদীসে আছে, এই দুআটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামাযের সালাম ফেরানোর পর পড়তেন।)

সকাল-সন্ধ্যার একটি দুআ আছে—

أَصْبَحْنَا وَأَصْبَحَ الْمُلْكُ لِلهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ، اللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَ هَذَا الْيَوْمِ فَتْحَهُ، وَنَصْرَهُ، وَنُورَهُ، وَبَرَكَتَهُ، وَهُدَاهُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِيهِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهُ.

(সুনানে আবু দাউদ : ৫০৮৪)

এই দুআয় যেসব জিনিস প্রার্থনা করা হয়েছে সেগুলো অত্যন্ত ব্যাপক। ইলমী বিষয়সমূহও এর অন্তভুর্ক্ত। সেজন্য দুআটি পাঠের সময় ইলম সংক্রান্ত বিষয়গুলোও খেয়াল রাখা যায়। অর্থাৎ মনে মনে এই দুআও করা— আল্লাহ! আমি একজন তালিবুল ইলম। এই দিবসে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি ইলম সংক্রান্ত যত কল্যাণ ও বিজয় আছে, যত সাহায্য ও নূর আছে এবং যত বরকত ও হেদায়েত আছে, সব আপনি আমাকে দান করুন। তেমনি এই দিনে ও তার পরবতীর্ দিনসমূহে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি ইলম সংক্রান্ত যত অকল্যাণ আছে, সব অকল্যাণ থেকে আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি।

সালাতুল হাজতের অভ্যাস গড়ে তুলুন। কোথাও আটকে গেলে, মাসআলা বুঝে না আসলে কিংবা সবক কঠিন মনে হলে দুই রাকাত সালাতুল হাজত পড়ে আল্লাহর কাছে দুআ করুন।

ইসতিগফার ও দরূদ শরীফের ইহতিমাম করুন এবং দুআ কবুলের মুহূর্তগুলোতে দুআর প্রতি যত্নবান হোন।

ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রাহ. তাঁর এক শাগরিদকে নসীহত করেছিলেন—

سُبْحَانَ اللهِ! رَجُلٌ يَطْلُبُ الْعِلْمَ، لَا يَكُونُ لَهُ وِرْدٌ مِنَ اللَّيْلِ!

সুবহানাল্লাহ! একজন ইলম তলব করে, অথচ রাতে তার নির্ধারিত কোনো আমল (নফল নামায) নেই! —আলজামে, খতীব বাগদাদী, পৃ. ১৪৩; মাআলিমু ইরশাদিয়্যা, মুহাম্মাদ আওয়ামা, পৃ. ২৪০

এককথায় আমরা নিজেদের لَحَلِیْمٌ اَوَّاهٌ مُّنِیْبٌ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করি।

তিন. وَلَا تَعْجَزْ

‘অক্ষম হয়ে বসে পড়ো না।’

কোনো ভালো ও উপকারী কাজ শুরু করার পর হাল ছেড়ে দেওয়া ও হতোদ্যম হয়ে পড়া মুমিনের শান নয়। ওযীর ইয়াহইয়া ইবনে হুবায়রা (৫৬০ হি.) রাহ. লিখেছেন—

فأمَّا قولُه: (وَلَا تَعْجَزْ)، فَإِنَّهُ لَا يَحْسُنُ بِالُمُؤْمِنِ أَنْ يَعْجَزَ؛ وَقَدْ بَقِيَ فِي الْأَمْرِ مَطْلَعٌ لِاحْتِيَالٍ.

অর্থাৎ যতক্ষণ ঘুরে দাঁড়াবার কোনো না কোনো সুযোগ অবশিষ্ট রয়েছে ততক্ষণ অক্ষম ও হতোদ্যম হয়ে বসে পড়া মুমিনের পক্ষে শোভনীয় নয়। —আলইফসাহ আন মা‘আনিস সিহাহ, ইবনে হুবায়রা ৮/৪৩

অতএব তালিবে ইলমের কাজ হল, সে কখনো হাল ছাড়বে না। সবর ও ইসতিকামাতের সঙ্গে ইলম অর্জনের প্রচেষ্টায় যথাসম্ভব লেগে থাকবে।

আবু বকর কফ্ফাল (القفّال) মারওয়াযী। পূর্ণ নাম আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ, আবু বকর কফ্ফাল মারওয়াযী। শাফেয়ী মাযহাবের একজন ফকীহ। ওফাত ৪১৮ হি.। তাঁর সম্পর্কে প্রসিদ্ধ আছে, তিনি বয়স হয়ে যাবার পর ইলম শিখতে গিয়েছেন। তাঁর প্রথম দিনের সবক ছিল একটিমাত্র বাক্য—

هَذَا كِتَابٌ اخْتَصَرْتُهُ.

সবক ইয়াদ করার জন্য তিনি রাতের বেলা বাড়ির ছাদে ওঠেন। এশা থেকে ফজর পর্যন্ত এই একটি বাক্যই জপতে থাকেন। ফজরের সময় তার ঘুম চলে আসে। চোখ খুলে দেখেন, বাক্যটি আর মনে নেই। পেরেশান হয়ে যান তিনি।

দিনের বেলা উস্তাযকে পুরো ঘটনা খুলে বলেন। তখন উস্তায তাকে নসীহত করেন—

لَا يَصُدَّنَّكَ هَذَا عَنِ الْاِشْتِغَالِ، فَإِنَّكَ إِذَا لَازَمْتَ الْحِفْظَ وَالْاِشْتِغَالَ صَارَ لَكَ عَادَةً.

অর্থাৎ এ কারণে তুমি ইলম অন্বেষণ থেকে পিছিয়ে যেয়ো না। তুমি যদি অব্যাহতভাবে হিফয ও ইলম অন্বেষণের কাজে লেগে থাক, দেখবে একসময় এটা তোমার অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। —মু‘জামুল বুলদান, ইয়াকুত হামাবী ৫/১১২-১১৩

এই মারহালা তালিবে ইলমের জন্য বড় পরীক্ষার মারহালা। প্রথম কিছুদিন হয়ত পড়ার আগ্রহ থাকে; এরপর ভাটা পড়তে থাকে। একসময় হারিয়ে যায়। এই ক্রমাবনতির বিভিন্ন কারণ রয়েছে। তবে সেগুলো থেকে বাঁচারও উপায় আছে। নিম্নে কয়েকটি উপায় উল্লেখ করা হল—

১. সবর ও ইস্তিকামাতের সঙ্গে মেহনতে লেগে থাকার চেষ্টা করা। মেহনতের মধ্যে যেন ছেদ না পড়ে। যেমন, একদিন পড়লাম, আরেকদিন পড়লাম না। জুমার দিন ও বিরতির দিনগুলো পড়াশোনা ছাড়া এমনিতেই কাটিয়ে দিলাম। কোনো কারণে উস্তায সবকে আসেননি, তাই গল্পগুজবে সময় পার করে দিলাম। এসব করলে মুতালাআর অভ্যাস হবে না। অথচ আমাদের উদ্দেশ্য হল, মুতালাআ ইনহিমাক এগুলো যেন একদম অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়।

২. ইলম অন্বেষণে যেসব জিনিস প্রতিবন্ধক, সেসব জিনিস থেকে বেঁচে থাকা। কারো সঙ্গে অতিরিক্ত মেলামেশা থেকে বিরত থাকা।

মোবাইল, ইন্টারনেট ও এজাতীয় জিনিসগুলো তালিবে ইলমের জন্য বিষ। এগুলো ইলমের আগ্রহকে একদম নষ্ট করে দেয়।

৩. দরসে নিয়মিত হাজিরির বিষয়ে পূর্ণ মনোযোগী থাকা।

৪. প্রতিদিনের সবক প্রতিদিন ইয়াদ করার চেষ্টা করা। অলসতা করে সামনের জন্য রেখে দেবে না। এতে পড়া জমতে থাকে এবং একপর্যায়ে পড়াশোনার আগ্রহ দমে যায়।

বছরের শুরু থেকেই হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রাহ.-এর নসীহতটির উপর গুরুত্বের সঙ্গে আমল করবে। তিনি বলতেন, ‘ব্যস তোমরা তিনটি কাজ নিজেদের জন্য আবশ্যক করে নাও। আমি দায়িত্ব নিচ্ছি, তোমাদের ইলমী ইসতি‘দাদ হাসিল হয়ে যাবে (ইনশাআল্লাহ)।

ক. দরসের আগে অবশ্যই সামনের সবক মুতালাআ করবে। এটা কোনো কঠিন কাজ নয়। কারণ এই মুতালাআর উদ্দেশ্য কেবল এটুকু যে—

معلومات اور مجہولات متميز ہو جائيں۔

জানা আর অজানা বিষয় চিহ্নিত হয়ে যাওয়া। (অর্থাৎ কতটুকু বুঝেছি আর কতটুকু বুঝিনি— এটা চিহ্নিত হয়ে যাওয়া।) ব্যস, এর বেশি (আপাতত) দরকার নেই।

খ. এরপর দরসে উস্তাযের নিকট সবক ভালোভাবে বুঝে পড়বে। (বিশেষভাবে লক্ষ রাখবে, মুতালাআর সময় যা বুঝেছিলাম তা সঠিক ছিল কি না। আর যে অংশ বুঝিনি তা খুব ভালো করে শুনব, যাতে এখন বুঝে নিতে পারি।) তখন যদি উস্তাযের মন প্রস্তুত না থাকে এবং জিজ্ঞেস করলে বিরক্ত হওয়ার আশংকা থাকে তাহলে অন্যসময় বুঝে নেবে।

গ. দরসের পর পুরো সবকের সারকথা তাকরার করে নেবে। কোনো সাথী না পেলে নিজের সঙ্গে নিজে তাকরার করবে।

এই তিন কাজ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়মিত করতে পারলে নিশ্চিন্ত হয়ে যাও; পেছনের পড়া মনে আছে কি না— এ নিয়ে দুশ্চিন্তা করো না। ইনশাআল্লাহ অবশ্যই ইসতি‘দাদ হয়ে যাবে।

এই তিন কাজ তো ওয়াজিব পর্যায়ের। আরেকটি কাজ আছে মুস্তাহাব পর্যায়ের। প্রতিদিন ‘আমুখতা’ অর্থাৎ পেছনের কিছু পড়া দোহরাবে।’ —আশরাফুস সাওয়ানেহ, খ. ১, পৃ. ৫০-৫১; খুতুবাতে হাকীমুল উম্মত, খ. ২৫, পৃ. ৫২ (হুদূদ ওয়া কুয়ূদ)

৫. প্রথম জামাত থেকেই বুঝে বুঝে পড়া। এ ব্যাপারে সবোর্চ্চ গুরুত্বারোপ করা। কারণ প্রথম জামাতগুলোই ইলমী ইসতি‘দাদের ভিত্তি। সেজন্য এক্ষেত্রে কোনো রকমের অবহেলা গ্রহণযোগ্য নয়। এই জামাতগুলোতে না বুঝে পড়লে পরবর্তীতে কিছুই বুঝবে না। তখন দেখা যাবে, নিজেও পড়ে না আবার আরেকজনের পড়ারও ক্ষতি করে।

৬. নিজের মুহাসাবা করা। আমার উন্নতি হচ্ছে, নাকি অবনতি? অবনতি হলে খেয়াল করা, কী কারণে অবনতি হচ্ছে। উস্তাযের কাছে নিজের অবস্থা পেশ করা। সমস্যা নিয়ে বসে না থাকা। এতে সমস্যা আরো বড় হয়।

৭. তাজদীদে নিয়ত তথা নিয়ত নবায়ন করা। উস্তাযে মুহতারাম হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রশীদ নুমানী রাহ. বলতেন, প্রতিদিন সকালে যখন কাজ শুরু করবে তখন নতুন করে নিয়ত বিশুদ্ধ করবে।

৮. গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করা। কারণ গুনাহ মনকে কলুষিত করে; ফলে নেক কাজের আগ্রহ শেষ হয়ে যায়। সেজন্য কখনো গুনাহ হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে তওবা-ইসতিগফার করা এবং ক্ষতিটা যথাসম্ভব নেক আমলের দ্বারা পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা।

মনে রাখবেন, শুরু তো অনেকেই করে; কিন্তু সবর ও ইস্তিকামাতের সঙ্গে টিকে থাকে খুব কম মানুষই। টিকে থাকে তারাই, যাদের ইলমের প্রতি সাচ্চা পেয়ার ও মহব্বত আছে, দুআ ও রোনাজারি আছে। আর আছে অক্লান্ত পরিশ্রম।

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সেই সৌভাগ্যবান তালিবে ইলমদের কাতারে শামিল হওয়ার তাওফীক দান করুন— আমীন।

وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين.

15/04/2026

জামিআ আবু বকর সিদ্দীক রা. এর চলমান শিক্ষা বর্ষে একটি জামাত আছে 'বিশেষ জামাত' নামে। যে জামাতটিকে আমরা বুনিয়াদি জামাত বলে থাকি।

একজন ছাত্র হেফজ শেষ করে বা হেফজ না পড়তে পেরে যখন কিতাব বিভাগে আসে; তখন আমাদের মধ্যে একটা কমন বিষয়ক কাজ করে। ছেলেটি বড় হয়ে গেছে। তাকে আরবি প্রথম বর্ষে ভর্তি করে দেওয়া হোক। কিন্তু এই সিদ্ধান্তটি আমাদের সন্তানের জন্য কখনোই কল্যাণকর হয় না। বরং শিক্ষার্থীকে ভীত ও অবসাদগ্রস্থ করে ফেলে।

আমাদের দরসে নেজামির বর্তমান সিস্টেমে একজন ছাত্র লম্বা সময়ে নাযেরা এবং হেফজ পড়ার সময়ে বাংলা, গণিত ও ইংরেজির সাথে কোন প্রকার সম্পর্ক না থাকার কারণে সে সমস্ত জেনারেল সাবজেক্টে অনেক বেশি দুর্বল থাকে। তাই আমাদের প্রত্যেক অভিভাবকের জন্য জরুরী হল আপনার সন্তানকে মাদানী নেসাবের প্রথম বর্ষ বা অন্য কোন জামাতে ভর্তি করার পূর্বে বিশেষ জামাত পড়িয়ে তার আত্মবিশ্বাসকে মজবুত করা।

আমরা বিশেষ জামাতের একজন ছাত্রকে বাংলা, গণিত ও ইংরেজি প্রথম শ্রেণী থেকে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত হাতে-কলমে শিক্ষা দিয়ে থাকি। সেই সাথে উর্দু এবং আরবির শব্দ ভান্ডারে পরিপূর্ণ করার চেষ্টা করি।

বিশেষ জামাতের সিলেবাস।
১.বাংলা- ১ম -২য়-৩য়-৪র্থ শ্রেণী
২.ইংরেজি- ১ম -২য়-৩য়-৪র্থ শ্রেণী
৩.গণিত ১ম -২য়-৩য়-৪র্থ শ্রেণী
৪.উর্দু কায়দা
৫.এসো উর্দু শিখি
৬.উর্দু কি পেহলী
৭.উর্দু কি দুসরি
৮.তানজিমুল আদব ১ম-২য় খন্ড
৯.হিফযে হাদীস (হাদীসের আলো কিতাব থেকে)
১০.হাতের লেখা(আরবি, বাংলা, ইংরেজি, উর্দু)

13/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ, নতুন বছর নতুন উদ্যমাতা নিয়ে ক্লাস চলছে । আজ ১০ দিন নূরানী, নাযেরা, হিফযুল কুরআন ও কিতাব বিভাগ পৃথকভাবে "মাদানী নেসাব" "দরসে নেজামী" বিশেষ জামাত সহ আরবি প্রথম বর্ষ থেকে মিশকাত জামাত পর্যন্ত প্রতিটি ক্লাস এলেম পিপাসুদের দ্বারা পরিপূর্ণ।

বিগত বছরে বেফাক, তানযীম ও মাদানী নেসাবের বোর্ডে ধারাবাহিক সফলতাকে আরো সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রথম দিন থেকে ছাত্র ওস্তাদ গণ মেহনত শুরু করেছেন।

আরবি প্রথম বর্ষ, চলতি শিক্ষা বর্ষের নেসাব।

১.এসো আরবি শিখি
২.আত্ তামরীনুল কিতাবী
৩.কাসাসুন নাবিয়্যিন ১ম খন্ড
৪.এসো সরফ শিখি
৫.মিযানুস সরফ ও মুনশায়িব
৬.সফওয়াতুল মাছাদির
৭.সাহিত্য সওগাত ৭ম
৮.বাংলা ব্যাকরণ ৫ ম
৯.এসো কলম মেরামত করি (এর নির্বাচিত অংশ,)
১০.সহজে ইংরেজি শিখব
১১. গণিত ৫ ম
১২. হিফযে হাদিস (হাদিসের আলো থেকে)
১৩.হাতের লেখা (আরবি, বাংলা, ইংরেজি,)

আল্লাহ আমাদের প্রতিটি ছাত্রকে পরিপূর্ণ যোগ্যতা সম্পন্ন আলেম হিসেবে কবুল করেন।

জামিআ আবু বকর সিদ্দীক -রা.
বিসিক শিল্পনগরী সংলগ্ন, মারিয়া , কিশোরগঞ্জ ।

তালীম, তারবিয়ত ও তাযকিয়ার সমন্বয়ে যোগ্য আলেম গড়ার মিশন বাস্তবায়নে জামিআর পরিবারে নতুন যারা যুক্ত হলেন।আমাদের জামিআর...
29/03/2026

তালীম, তারবিয়ত ও তাযকিয়ার সমন্বয়ে যোগ্য আলেম গড়ার মিশন বাস্তবায়নে জামিআর পরিবারে নতুন যারা যুক্ত হলেন।

আমাদের জামিআর তালিমী মুরুব্বি ( শিক্ষা উপদেষ্টা)
হযরত মাওলানা মুফতী রফী উদ্দিন দা: বা:
নায়েবে মুহতামিম ও শাইখুল হাদীস
মাদরাসা বাইতুল উলূম, ঢালকানগর, ঢাকা।
সদস্য, জাতীয় মুফতি বোর্ড বাংলাদেশ।

২০২৬/২৭ ইং শিক্ষাবর্ষে পুরাতন শিক্ষকদের সাথে যুক্ত হওয়া জামিআ আবু বকর সিদ্দীক রা. এর পরিবারভুক্ত নতুন শিক্ষক পরিচিতি।

০১.মুফতি আমিনুল ইসলাম সাহেব
পিতা- জহির উদ্দিন
গ্রাম- বানিহালা । পো-মাঝিয়ালী।
থানা তারাকান্দা । জেলা- ময়মনসিংহ।

শিক্ষাগত যোগ্যতা :
তাইসির -মুমতায-বেফাক- ১৯৯৫ ইং
মাহবেমীর -মুমতায -বেফাক-১৯৯৭ ইং
শরহে বেকায়া- জা. জি. -বেফাক-২০০১ ইং
মিশকাত- মুমতায -বেফাক-২০০৩ ইং
তাকমিল -জা .জি -বেফাক-২০০৫ ইং

তাইসির থেকে তাকমীল :
জামিয়া আরাবিয়া আশরাফুল উলুম বালিয়া ফুলপুর ,ময়মনসিংহ।

ইফতা- মুমতায ২০২০/২১ ইং
জামিয়া মাদানিয়া দারুল উলুম, মোমেনশাহী।

খেদমত (অভিজ্ঞতা)
জামিয়া হুসাইনিয়া মোমেনশাহী ২০০৫ ,এক বছর।
দারুল উলুম নেযামিয়া(বাড়েরা মাদ্রাসা ) মোমেনশাহী ২০০৬ থেকে ২০২৩ /২৪ ইং মোট ১৮ বছর।
জামিয়া মাদানিয়া মোমেনশাহী ২০২৪/২৫ ইং
দুই বছর
খেদমত কাল মোট ২১ বছর।

০২.মুফতি মাহমুদুল হাসান সাহেব
পিতার নাম: মোহাম্মদ আলী
গ্রাম: মাসাইল । ডাকঘর: কুমুরিয়া।
থানা: হালুয়াঘাট । জেলা: মোমেনশাহী।

শিক্ষাগত যোগ্যতা:
১.হিফজ-মুমতায-বেফাক- ২০১৩ ইং-
দাওয়াতুল হক নূরানী মাদরাসা, চায়না মোড় মোমেনশাহী।
2.তাইসীর-মুমতায মেধাস্থান ৬৯-বেফাক- ২০১৪ ইং জামিয়া ফয়জুর রহমান (রহ.) বড় মসজিদ মোমেনশাহী।
মাদানী নেসাব:
3.প্রথম বর্ষ- মুমতায, ৪র্থ ২০১৫ সাল
মাদরাসাতুন নূর, মোমেনশাহী।
4.দ্বিতীয় বর্ষ- মুমতায ২য় স্থান ২০১৬ ইং
মাদরাসাতুন নূর, মোমেনশাহী।
5.তৃতীয় বর্ষ- মুমতায,মেধা স্থান ৩য় ২০১৭ ইং
মাদরাসাতুন নূর, মোমেনশাহী।
6.চতুর্থ বর্ষ- মুমতায ১ম স্থান ২০১৮ ইং মাদরাসাতুন নূর, মোমেনশাহী।
7.মেশকাত-মুমতায-বেফাক- ২০২০ ইং
জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী ঢাকা।
8.দাওরায়ে হাদীস-মুমতায-বেফাক- ২০২১ ইং
জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী ঢাকা।
9.ক্বিরাতে-হাফ্স্- মুমতায- ২০২২ ইং
জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী ঢাকা।
10.ইফতা-মুমতায, মারকাযুত তাকওয়া ঢাকা ২০২৩ ইং

অভিজ্ঞতা:
জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলূম কেওয়া, শ্রীপুর, গাজীপুর ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ প্রায় দেড় বছর।

০৩.মুফতি ওসামা মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ
পিতা: মাওলানা মঈনুদ্দিন আকন্দ (রহ;)
গ্রাম: বড়জোনা । পোস্ট: কাপাসিয়া।
থানা: কাপাসিয়া । জেলা: গাজীপুর।

শিক্ষাগত যোগ্যতা:
১.তাইসির _মুমতায_বেফাক বোর্ড(২০১৫_১৬)(২০১৭_১৮)জামিয়াতু ইব্রাহিম মাহমুদনগর সাইনবোর্ড ডেমরা ঢাকা।
২.নাহবেমির-_মুমতাজ_বেফাক বোর্ড(২০১৭/১৮)জামিয়াতু ইব্রাহিম মাহমুদনগর সাইনবোর্ড ডেমরা ঢাকা।
৩.শরহে বেকায়া_মুমতাজ_বেফাক বোর্ড(২০২০/২১)মাদ্রাসা বাইতুল উলুম ঢালকানগর গেন্ডারিয়া ঢাকা।
৪.মিশকাত_মুমতাজ_বেফাক বোর্ড(২০২২/২৩)জামিয়া ইসলামিয়া বাইতুন নূর সায়দাবাদ, ঢাকা।
৫.তাকমীল""জায়্যিদ জিদ্যান"" আল হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ( ২০২৩/২৪)জামিয়া ইসলামিয়া কোতোআলী রোড,তাঁতীবাজার , ঢাকা।
৬.ইফতা: _মুমতাজ_(২০২৪/২৫)জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা গুলশান ঢাকা।

অভিজ্ঞতা:
শিক্ষক,জামিয়া ইসলামিয়া ইয়াকুবিয়া দক্ষিণ জগৎসার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।২০২৫/২৬

০৪.মাস্টার মোঃ শাফিউদ্দিন
পিতা -মোঃ হাসিম উদ্দিন
বর্তমান ঠিকানা- কাচারীবাজার, গাইটাল রোড, কিশোরগঞ্জ ।

শিক্ষাগত যোগ্যতা :
1.এস.এস.সি ব্যবসায় শিক্ষা ,ঢাকা বোর্ড ২০১১ ইং 3.81 আজিম উদ্দিন হাই স্কুল কিশোরগঞ্জ।
2. এইচ.এস.সি ব্যবসায় শিক্ষা, ঢাকা বোর্ড ২০১৩ ইং 3.00 গুরুদয়াল সরকারি কলেজ, কিশোরগঞ্জ
3. পাস কোর্স বি.এস.এস ২০১৬ ইং 3.06 ওয়ালি নেওয়াজ খান কলেজ।
4. মাস্টার্স -ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি-2019 ইং 3.00গুরুদয়াল সরকারি কলেজ।

অভিজ্ঞতা :
আয়েশা সিদ্দিকা মহিলা মাদ্রাসা (হিসাব বিভাগ) ।
জামিয়া রশিদিয়া মাদ্রাসা (শিক্ষক) ।
বিদ্যাবাড়ি ( অনলাইন ইউটিউব মার্কেটিং)।
বিসিএস কনফিডেন্স (অফিসার)।

০৫.মাস্টার আশরাফুল ইসলাম শাকিল
পিতা- মোঃ আব্দুল মতিন
গ্রাম- জাটিয়াপাড়া । পো-গুজাদিয়া ।
ইউনিয়ন -গুজাদিয়া । উপজেলা- করিমগঞ্জ।
জেলা- কিশোরগঞ্জ ।

শিক্ষাগত যোগ্যতা:
এস. এস. সি বিজ্ঞান, ঢাকা বোর্ড ২০১৯ ইং 4.06
এইচ. এস. সি বিজ্ঞান, ঢাকা বোর্ড ২০২১ ইং 4.33
ডিপ্লোমা- কৃষি- বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, চলমান ,পঞ্চম সেমিস্টার
স্নাতক - কৃষি শিক্ষা ,শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চলমান, দ্বিতীয় সেমিস্টার।

আলহামদুলিল্লাহ এ বছর আমাদের জামিআয় বাংলা, ইংরেজি ও গণিত সহ নূরানী, নাযেরা, হিফযুল কুরআন ও কিতাব বিভাগ পৃথকভাবে "মাদানী নেসাব" "দরসে নেজামী" বিশেষ জামাত সহ আরবি প্রথম বর্ষ থেকে মিশকাত জামাত পর্যন্ত ভর্তি চলছে।

জামিআ আবু বকর সিদ্দীক -রা.
বিসিক শিল্পনগরী সংলগ্ন, মারিয়া , কিশোরগঞ্জ ।
ভর্তি সংক্রান্ত প্রয়োজনে: 01775442233.01738940000

মাদানী নেসাবের কেন্দ্রীয় বোর্ড ইত্তেহাদুল মাদারিস আল আরাবিয়া বাংলাদেশ এর অধীনে অনুষ্ঠিত প্রথম বর্ষের কেন্দ্রীয় পরীক্ষা...
06/03/2026

মাদানী নেসাবের কেন্দ্রীয় বোর্ড ইত্তেহাদুল মাদারিস আল আরাবিয়া বাংলাদেশ এর অধীনে অনুষ্ঠিত প্রথম বর্ষের কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় জামিআ আবু বকর সিদ্দীক -রা. কিশোরগঞ্জ অংশগ্রহণ করে যেই সফলতা অর্জন করেছে।

আলহামদুলিল্লাহ,কিশোরগঞ্জ জেলায় মাদানী নেসাবের সিলেবাসে পরিচালিত মাদরাসা গুলোর প্রথম বর্ষের কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে একমাত্র আমরাই মেধা তালিকা স্থান পেয়েছি।

এই বছর বাংলাদেশে ১৩৪টি কেন্দ্রের মাধ্যমে মাদানী নেসাবের ২৩৭টি মাদরাসার ছাত্ররা প্রথম বর্ষের কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল।


এই ধারাবাহিক সাফল্য সম্ভব হয়েছে সম্মানিত আসাতিযায়ে কেরাম, প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং সম্মানিত অভিভাবকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, দো‘আ ও ত্যাগের মাধ্যমে।

তানযীমুল মাদারিসিল কাওমিয়া আল-আরাবিয়া, বৃহত্তর মোমেনশাহী বোর্ড-এর অধীনে অনুষ্ঠিত বৃত্তি পরীক্ষায় জামিআ আবু বকর সিদ্দীক র...
05/03/2026

তানযীমুল মাদারিসিল কাওমিয়া আল-আরাবিয়া, বৃহত্তর মোমেনশাহী বোর্ড-এর অধীনে অনুষ্ঠিত বৃত্তি পরীক্ষায় জামিআ আবু বকর সিদ্দীক রা. মারিয়া, কিশোরগঞ্জ প্রথমবার অংশগ্রহণ করে যেই সফলতা অর্জন করেছে।

আরবি প্রথম বর্ষ (মীযান জামাত)

মোট ০৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ০৩ জন বৃত্তি অর্জন করেছে।

আরবি তৃতীয় বর্ষ (হেদায়াতুন্নাহু জামাত)

মোট ০৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ০১ জন বৃত্তি অর্জন করেছে।

হেফয বিভাগ

মোট ০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ০১ জন বৃত্তি অর্জন করেছে।

এই উজ্জ্বল সাফল্য সম্ভব হয়েছে সম্মানিত আসাতিযায়ে কেরাম, প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং সম্মানিত অভিভাবকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, দো‘আ ও ত্যাগের মাধ্যমে।

জামিআ আবু বকর সিদ্দীক -রা.ও আয়েশা সিদ্দীকা রা. মহিলা মাদরাসা, মারিয়া, কিশোরগঞ্জ এর পক্ষ থেকে দ্বীনদরদী ও ধর্মীয় বিদ্য...
23/02/2026

জামিআ আবু বকর সিদ্দীক -রা.ও আয়েশা সিদ্দীকা রা. মহিলা মাদরাসা, মারিয়া, কিশোরগঞ্জ এর পক্ষ থেকে দ্বীনদরদী ও ধর্মীয় বিদ্যানুরাগী ব্যক্তিদের নিকট বিশেষ আবেদন।

Address

জামিআ আবু বকর সিদ্দীক রা
Kishoreganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জামিআ আবু বকর সিদ্দীক -রা. কিশোরগঞ্জ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share