Faculty of Engineering and Technology, Islamic University, Kushtia, BD

Faculty of Engineering and Technology, Islamic University, Kushtia, BD This Faculty was opened in 1995.

সবাইকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা। ইসলাম ধর্মমতে সবচেয়ে পবিত্রতম মাস এটি। এই মাসে ইসলাম ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআ...
12/03/2024

সবাইকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা। ইসলাম ধর্মমতে সবচেয়ে পবিত্রতম মাস এটি। এই মাসে ইসলাম ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআন ইসলামের নবি মুহাম্মদের নিকট অবতীর্ণ হয়েছিল।

আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার রোজার মাধ্যমে মানুষের শারীরিক ভারসাম্য ও সুস্থতার ব্যবস্থা করেছেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে রোজা একই সঙ্গে দেহের রোগ প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।





🌙রমজানুল মোবারক 🌙

04/03/2024

💔💔ধুমপান করি না, আত্মীয়-বন্ধু করে, ক্ষতিটা কী💔💔
💔পুষ্টিবিদ মোঃআবু সাইদুজ্জামান সাইদ

ধূমপান করে না, তবে বেশির ভাগ সময়েই ধোঁয়া খেতে হয়, তাতে ঠিক কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে? ধূমপান করলে শুধু যে ধূমপায়ীর ক্ষতি হয়, তা তো নই। সেই ধোঁয়া যাঁদের শরীরে প্রতি দিন প্রবেশ করছে, তাঁরাও একই ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর- সাধারণ মানুষকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে এই সতর্কবাণী চোখে পড়ে সর্বত্র। ধূমপান করলে শুধু যে ধূমপায়ীর ক্ষতি হয়, তা তো নয়। সেই ধোঁয়া যাঁদের শরীরে প্রতি দিন প্রবেশ করছে, ক্ষতি তাঁদেরও হয়। চিকিৎসকেরা বলছেন, প্যাসিভ স্মোকিং বা পরোক্ষ ধূমপানে ক্ষতির পরিমাণ তুলনায় কম। কিন্তু সিগারেট খাই না বলে যে নিশ্চিন্ত থাকবেন, সেই উপায়ও নেই। বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা মহিলা ও শিশুদের ক্ষেত্রে এই পরোক্ষ ধূমপানের ফল কিন্তু মারাত্মক হতে পারে। ঠিক কী ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে পরোক্ষ ধূমপান?

১) শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা:
বারোমাসই কাশি হতে পারে। ধূমপায়ীদের আশপাশে থাকলে ক্রনিক শ্বাসনালির রোগ, ব্রঙ্কাইটিস ও নিউমোনিয়া হওয়া অস্বাভাবিক নই। বিশেষ করে, শিশুদের নাকে সিগারেটের ধোঁয়া ঢুকলে ভবিষ্যতে তাদের মধ্যে অ্যালার্জি, হাঁপানি, অ্যাজ়মায় ভোগার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

২) ফুসফুসের ক্যানসার:
নিজে ধূমপান করে না, অথচ দিনের বেশির ভাগ সময়েই ধূমপায়ীদের আশপাশে থাকতে হয়। এমন ব্যক্তিদের ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ। তামাকের মধ্যে থাকা বেঞ্জিন ও ফর্ম্যালডিহাইড ফুসফুসের কোষগুলির লাইনিং ধ্বংস করে। পরবর্তী কালে সিওপিডি-র মতো রোগ দেখা দিতে পারে।

৩) হার্টের সমস্যা:
পরোক্ষ ধূমপানে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। সিগারেটের মধ্যে থাকা রাসায়নিকগুলি রক্তবাহিকা, ধমনীর পথ ক্রমশ সরু করে তোলে। ফলে রক্তচাপ বেড়ে যায়। রক্তজমাট বাঁধার প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে।

৪) মানসিক স্বাস্থ্য:
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পরোক্ষ ধূমপান মানসিক স্বাস্থ্যের উপরেও প্রভাব বিস্তার করতে পারে। মানসিক চাপ, উদ্বেগ, অবসাদও বাড়িয়ে তুলতে পারে। শিশুদের কোনও কিছু শেখার ক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।

৫) দাঁত, মুখগহ্বরের সমস্যা:
নিজে সিগারেট না খেলেও এই বস্তুটির মধ্যে থাকা রাসায়নিক মাড়ি, দাঁত কিংবা মুখগহ্বরের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

27/02/2024
Alhamdulillah, It gives me pleasure to inform you that the ResearchGate citation of my research publications was 948 and...
20/02/2024

Alhamdulillah, It gives me pleasure to inform you that the ResearchGate citation of my research publications was 948 and h-index 14 today. I am grateful to my MS & PhD Supervisor, Co-supervisor, research team members, and research collaborators for carrying out fruitful research and help in writing up the papers.

In sha Allah, citations will also be increased in the coming days. Keep me in your prayers.

18/02/2024

💔💔বোতলে জল খান? বিষ ঢুকছে শরীরে💔💔
💔পুষ্টিবিদ মোঃআবু সাইদুজ্জামান সাইদ

ভাবতেও পারছেন না কী কী রোগ বাসা বাঁধছে শরীরে?প্লাস্টিকের বোতলের পানি, হতে পারে ক্যানসার থেকে ডায়াবেটিস-সহ বহু জটিল রোগ। রাসায়নিক বিক্রিয়ায় পানি আর পানি থাকছে না।

প্লাস্টিকের বোতলে পানি আমরা প্রায় সকলেই খাই। রাস্তায় দোকান থেকে জলের বোতল কিনে খাই আমরা সবাই। আবার জল শেষ হয়ে গেলে সেই বোতলে আবার জল ভরে রাখি। এমনকি বাড়িতে জল খাওয়ার জন্যও আমরা অনেকেই প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার করি। কিন্তু জানেন কী এতে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে?

>সম্প্রতি একটি গবেষণায় চমকে দেওয়া তথ্য সামনে এসেছে! বলা হচ্ছে প্লাস্টিকের বোতলে জল খাওয়া একেবারতেই উচিত নয়। দীর্ঘ সময় প্লাস্টিকের বোতলে জল রেখে খেলে মারণ রোগ পর্যন্ত হতে পারে।

>সামনেই গরম কাল আসছে। তবে শীত কালেও প্লাস্টিকের বোতল রোদের সংস্পর্শে আসতে পারে। যত ভালই বোতল হোক না কেন রোদের সংস্পর্শে আসলে তার সঙ্গে জলের বিক্রিয়ায় তৈরি হয় ক্ষতিকারক রাসায়নিক যৌগ। যা ডেকে আনতে পারে ক্যানসারের মতো অসুখও।

>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাড়ির মধ্যেও প্লাস্টিকের বোতলে জল রাখবেন না। কারণ সূর্যের তাপে গাড়িও গরম হয়, সেখান থেকে কিন্তু জলের বোতল গুলোও গরম হয়। যার ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় চটজলদি ভেঙে যায় ক্ষতিকর রাসায়নিক যৌগতে। ফলে শরীরে বিষক্রিয়া পর্যন্ত হতে পারে।

>চিকিৎসকরা বলছেন, প্লাস্টিকের বোতলে জল খেলে সেখান থেকে হতে পারে পেটের সমস্যাও। আসতে পারে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা। প্লাস্টিকের বোতলে জল খাওয়াও কিন্তু PCOS-এর মতো সমস্যাও হতে পারে।

>প্লাস্টিকের বোতলে জল খেলে ডিম্বাশয়ের ক্যানসার, ব্রেস্ট ক্যানসার, কোলন ক্যানসার, প্রোস্টেট ক্যানসার এবং আরও অনেক ক্যানসারের মতো মারণ রোগ হতে পারে।

>সূর্যের আলো আর প্লাস্টিকের সঙ্গে বিক্রিয়ায় ডাইঅক্সিন তৈরি হয়। এই ডাইঅক্সিন জন্য স্তন ক্যানসার হতে পারে।

>এই বোতলে তৈরি হয় বাইফেনাইল- যা ইস্ট্রোজেনের ক্ষরণকে কমিয়ে দেয়। ডেকে আনে ডায়াবেটিস, ওবেসিটি, মানসিক ভারসাম্যহীনতার মত একাধিক সমস্যা।

>প্লাস্টিকের মধ্যে phthalates নামক এক রকম রাসায়নিক যৌগ থাকে। যা পুরুষদের শরীরে শুক্রাণুর সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে। সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতাও কমতে থাকে। লিভার ক্যানসারের জন্যও কিন্তু দায়ী Phthalates কণা।

তাই আর সময় নষ্ট না করে এখুনি ফেলে দিন প্লাস্টিকের জলের বোতল। কাঁচের বোতল বা স্টিলের বোতলে পানি পান করুন। সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই মানুন।

11/02/2024

💔💔পিতা-মাতার রক্তের গ্রুপ একই হলে সন্তানের যেসব সমস্যা হয়💔💔
💔পুষ্টিবিদ মোঃআবু সাঈদুজ্জামান সাইদ
প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক মানুষে মানুষে রক্তের গ্রুপ কেন আলাদা হয়। বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে রক্তের গ্রুপ ভাগ করা হয়। এবিও গ্রুপিং পদ্ধতিতে চারটি রক্তের গ্রুপ আছে—এ, বি, এবি এবং ও।
এই রক্তের গ্রুপগুলোর কোনোটি সাধারণত গর্ভস্থ শিশুর ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে না।
তবে এবিও গ্রুপের অসামঞ্জস্যতার জন্য ভূমিষ্ঠ শিশুর জন্ডিস হতে পারে। আরএইচ অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে রক্তের গ্রুপ হতে পারে পজিটিভ অথবা নেগেটিভ। এ ক্ষেত্রে যে ঘটনা সমূহ ঘটতে পারে—
১. স্বামী-স্ত্রী দুজনের রক্তের গ্রুপ পজিটিভ: গর্ভস্থ সন্তানের রক্তের গ্রুপও পজিটিভ হয়। ফলে মায়ের সঙ্গে সন্তানের রক্তের গ্রুপের সামঞ্জস্য থাকে এবং দুজনই নিরাপদ থাকে।
২. স্বামীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ ও স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ পজিটিভ: গর্ভস্থ সন্তানের রক্তের গ্রুপ পজিটিভ বা নেগেটিভ যে কোনোটাই হতে পারে। তবে মায়ের রক্তের গ্রুপ যেহেতু পজিটিভ, সেহেতু দুজনের কারোরই ক্ষতির শঙ্কা নেই।
৩. স্বামী-স্ত্রী দুজনেরই রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ: এ ক্ষেত্রে সন্তানের রক্তের গ্রুপও নেগেটিভ হয়। ফলে কোনো সমস্যা হয় না।
৪. স্বামীর রক্তের গ্রুপ পজিটিভ কিন্তু স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ: গর্ভস্থ সন্তানের রক্তের গ্রুপ পজিটিভও হতে পারে অথবা নেগেটিভও হতে পারে। যদি পজিটিভ হয়, সে ক্ষেত্রে সন্তানের শরীর থেকে কিছু পজিটিভ লোহিত রক্তকণিকা মায়ের শরীরে চলে আসে এবং অ্যান্টিবডি তৈরি করে। সাধারণত প্রথম বাচ্চার কোনো সমস্যা হয় না। তবে পরবর্তী সময়ে মা যদি অন্তঃসত্ত্বা হন এবং গর্ভস্থ সন্তান পজিটিভ রক্তের হয়, তাহলে এই অ্যান্টিবডি সন্তানের লোহিত রক্তকণিকাগুলোকে ধ্বংস করে। ফলে গর্ভস্থ শিশুর শরীরে রক্তশূন্যতা ও জন্ডিস দেখা দেয়। রক্তশূন্যতার মাত্রা তীব্রতর হলে লিভার ও হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা ব্যাহত হয় এবং শিশুর শরীরে পানি জমতে থাকে। তখন গর্ভস্থ শিশুর শরীর ফুলে যায়, যাকে বলে হাইড্রপস ফেটালিস। এ অবস্থায় সঠিক চিকিৎসা না হলে শিশু পেটের মধ্যে মারা যেতে পারে। এ ঘটনা পরবর্তী সব পজিটিভ রক্তধারী শিশুর ক্ষেত্রেই ঘটতে থাকে। তবে সন্তান যদি নেগেটিভ গ্রুপের হয়, তাহলে সাধারণত কোনো সমস্যা হয় না।
প্রতিরোধ ও চিকিৎসা:
১. অন্তঃসত্ত্বা প্রত্যেক মায়ের রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করতে হবে। সম্ভব হলে সন্তান ধারণের পরিকল্পনা করার সময়ই করে নিন।
২. অন্তঃসত্ত্বা মায়ের রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হলে অবশ্যই স্বামীর রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করতে হবে।
৩. স্বামীর রক্তের গ্রুপ পজিটিভ হলে মায়ের রক্তে আগেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কি না, দেখার জন্য আরএইচ অ্যান্টিবডি নির্ণয় করতে হবে।
৪. মায়ের শরীরে আরএইচ অ্যান্টিবডি অনুপস্থিত থাকলে ২৮ সপ্তাহে মাকে অ্যান্টিবডি টিকা দিতে হবে এবং সন্তানের জন্মের পর তার রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করতে হবে। সন্তানের রক্তের গ্রুপ পজিটিভ হলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পুনরায় মাকে টিকা দিতে হবে।
৫. যদি মায়ের শরীরে আগে থেকেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে থাকে, তাহলে আর টিকার কোনো ভূমিকা নেই। ওই মাকে অবশ্যই উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অন্তঃসত্ত্বা হিসেবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিতে হবে।

07/02/2024

💔💔বাত প্রতিরোধ অল্প বয়সে কি করনীয়💔💔
💔পুষ্টিবিদ মোঃআবু সাঈদুজ্জামান সাইদ

বয়স কালে বাতের ব্যাথায় আক্রান্ত না হতে চাইলে কম বয়সে মেনে চলতে হবে নিন্ম নিয়ম সমূহ। বয়স বাড়লে কৃত্রিম রঙে সাদা চুল ঢেকে ফেলা সহজ। তবে বয়স বাড়লে হাড়ের ঘুণ ধরা প্রতিরোধ করা মোটেই সহজ নয়। তখন রোদ্দুরে ঘোরাঘুরি আর ক্যালশিয়ামে সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া ছাড়া উপায় নেই। চুলে রং লাগানোর মতো চটজলদি সমাধান এ ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। হাড়ের প্রধান উপাদান ক্যালশিয়াম ও ফসফরাস। এ ছাড়াও আছে নানা ধরনের খনিজ। ঋতুবন্ধের পর মহিলাদের পোস্ট মেনোপজাল অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বেশি থাকে। তবে এ কথাও ঠিক যে, বেশি বয়সে হাড়ের ক্যালশিয়াম কমে গিয়ে হাড়ে ঘুণ ধরার মতো সমস্যা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেরই হতে পারে। ৪০-এর পরে তাই হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে হলে অল্প বয়স থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। রোজের কিছু অনিয়ম বাড়িয়ে দিতে পারে অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি। জেনে নিন, হাড় ভাল রাখার উপায়।

১) হাড়ের ক্ষয় আটকাতে ক্যালশিয়ামে সমৃদ্ধ খাবারের উপর জোর দেওয়া উচিত। দুধ, দই, ছানা খাওয়া সবচেয়ে ভাল, যাঁদের মিল্ক অ্যালার্জি আছে তাঁদের সয়াবিনের দুধ, টোফু খাওয়া দরকার। এ ছাড়া ক্যালশিয়াম পাবেন যে কোনও সবুজ শাক সব্জিতেও। এ ছাড়া মাছ, চিকেন, ডিমও খাওয়া দরকার।

২) নিজেকে সব সময়ে সচল রাখতে হবে। এক জায়গায় দীর্ঘ ক্ষণ বসে কাজ করা যাবে না। ঘণ্টাখানেক পর পর চেয়ার থেকে উঠে ঘোরাফেরা করুন। বয়স বাড়লে অনেকেই শরীরচর্চা এড়িয়ে চলেন। ভারী শরীরচর্চা না করলেও হালকা ব্যায়াম নিয়মিত করতে হবে। সকালে বা বিকেলে হাঁটাহাঁটি করুন। হাঁটুর ব্যায়াম করুন।

৩) ওজন বাড়লে পুরো শরীরের ভার হাঁটুর উপরে পড়তে শুরু করে। তাই হাঁটুর হাড় ক্ষয় হতে শুরু করে। এই সমস্যা এড়িয়ে চলতে হলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা ভীষণ জরুরি। তাই কেবল কোলেস্টেরল, হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমাতেই নয়, অস্টিওপোরোসিসের হাত থেকে নিস্তার পেতেও ওজন বাগে রাখা জরুরি। এর জন্য শরীরচর্চার জন্য সময় বার করতে হবে।

৪) অতিরক্ত ধূমপান করলে পুরুষদের টেস্টোস্টেরোন হরমোনের কার্যক্ষমতা কমে গিয়ে হাড় পলকা হতে শুরু করে, নিয়ম করে মদ্যপান করলে শরীরে নতুন হাড় তৈরির পদ্ধতি ব্যাহত হয় বলে হাড় ভঙ্গুর হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই ধূমপান আর মদ্যপান এড়িয়ে চলাই ভাল। বংশে কারও এই রোগ থাকলেও অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়বে।

৫) শরীরে পর্যাপ্ত জলের জোগান না থাকলে হাড়ের সন্ধিগুলিতে থাকা তরলের মাত্রা কমে যায়। ফলে হাড় ভঙ্গুর হতে শুরু করে। তাই এই সময়ে বেশি করে জল খেতে হবে।

15/01/2024

💔💔ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় শীতের সবজি💔💔
💔পুষ্টিবিদ মোঃআবু সাঈদুজ্জামান সাইদ

শীত মানেই বাজারে ভরপুর সবজি। আর এই শীতেও অনেকে সবজি রাখেন না পাতে। কিন্তু শীতকালীন সবজিতে রয়েছে ভয়াবহ রোগের ওষুধ। মরণব্যধি ক্যানসারের ঝুঁকিও কমে এসময়ের সবজিতে।

সবুজ আর লাল বর্ণের সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এ ধরণের সবজি দেহের মেদ কমাতে সাহায্য করে। কোলন ক্যানসার বা কিডনি ক্যানসার প্রতিরোধেও রঙিন সবজি গুরুত্ব রাখে।

জেনে নিই কোন কোন সবজিতে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে-

১) শীতের সবজি বাঁধাকপি সবাই চিনলেও এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আমাদের জানা নেই। রান্না ও সালাদ তৈরিতে বাঁধাকপি খেয়ে থাকি আমরা, যা খাবারে বাড়তি স্বাদ যোগ করে।

২) গবেষণা বলছে, ভিটামিন সি, ই, কে, ফলিক অ্যাসিড, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যারোটেনেয়ড সমৃদ্ধ সবজি হচ্ছে বাঁধাকপি। এই সবজি ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে।

৩) গবেষণায় আরও দেখা গেছে, নিয়মিত বাঁধাকপি খেলে রক্তচাপ কমে, হজমশক্তি বাড়ায়, প্রদাহ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৪) তছাড়া লাল বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা ক্যানসারের সেল বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত করে।

৫) ইউরোপিয়ান জার্নাল অব নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক তথ্য থেকে জানা যায়, বাঁধাকপির জুস স্তন ক্যান্সারের সেল বৃদ্ধি কমায়। বয়োঃসন্ধির সময় নিয়মিত বাঁধাকপির রস খেলে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি ৭২ শতাংশ কমে যায়। এটি প্রস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধেও বেশ কার্যকরী।

৬) গবেষণায় দেখা গেছে ব্রকলি স্তন ও প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। নারীর ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে যায়। তাছাড়া ব্রকলিতে ভিটামিন কে হাড়ের স্বাস্থ্য কে শক্তিশালী করে, হার্ট কে রক্ষা করে, মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ও চোখের শক্তি বাড়ায়।

৭) যদি আপনি প্রোস্টেট বা স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে চান বা ক্যানসার রোগে ঝুঁকি কমাতে চান বা কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে চান, তাহলে নিয়মিত গাজর খেতে পারেন।

৮) ফুলকপি পুষ্টি সমৃদ্ধ সবজি। ফুলকপিতে রয়েছে ভিটামিন ‘বি’, ‘সি’, ‘কে’, ক্যালসিয়া,আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও জিংক। বাল্টিমোর জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের গবেষকরা ফুলকপির পাতায় আইসো থায়োসায়ানেটস নামক এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ পেয়েছেন যা ক্যানসার নিরোধক হিসেবে কার্যকর।

07/01/2024

💔💔ইউরিন ইনফেকশন হতে বাঁচতে করনীয়💔💔
💔পুষ্টিবিদ মোঃআবু সাঈদুজ্জামান সাইদ

একসময় ধারণা করা হতো, এটি বোধ হয় শুধু মেয়েদের রোগ। প্রকৃতপক্ষে তা নয়, আজকাল বয়স্ক বা অল্পবয়স্ক ছেলেরাও এই ইউরিন ইনফেকশনে ভুগছে। মানবদেহে দুটি কিডনি, দুটি ইউরেটাস, একটি ইউরিনারি ব্লাডার (মূত্রথলি) ও ইউরেট্রা (মূত্রনালি) নিয়ে রেচনতন্ত্র গঠিত। এই রেচনতন্ত্রের যেকোনো অংশে যদি সংক্রমণ ঘটে, তাহলে আমরা বলে থাকি ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশন বা ইউরিন ইনফেকশন (ইউটিআই)।

এই ইনফেকশন বা সংক্রমণ কখনো সব অঙ্গে একসঙ্গে বা আলাদাভাবে হতে পারে। রোগটি এতই সাধারণ যে প্রতি পাঁচজন নারীর মধ্যে একজন প্রস্রাবের প্রদাহে আক্রান্ত হন। বছরে প্রায় আট থেকে ১০ মিলিয়ন রোগী এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন।

লক্ষণ:
প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, প্রস্রাবে দুর্গন্ধ পাওয়া, প্রস্রাবের রং গাঢ় হলুদ ও লাল হওয়া, অনিয়মিত প্রস্রাব বা শেষে ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব হওয়া, ঘন ঘন প্রস্রাব, তলপেটে বা পিঠের নিচের দিকে ব্যথা, সারাক্ষণ জ্বর জ্বর ভাব বা সন্ধ্যার পর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া, কোমরে ব্যথা, রাতে ঘুমের মধ্যেও ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।

কারণ:
কম পানি পান করলে, শরীরে ডিহাইড্রেশন থাকলে, বেশি সময় ধরে প্রস্রাব আটকে রাখলে, প্রস্রাব ও পায়খানার পর ভালোমতো পরিষ্কার না করার ফলে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে, টাইট বা আঁটসাঁট অন্তর্বাস পরলে, খাবারে পর্যাপ্ত ফাইবার বা আঁশ না থাকলে, পরিধেয় কাপড় ঠিকমতো পরিষ্কার না করলে এই সিস্টেমে ব্যাঘাত ঘটে।

করণীয়:
বেশি করে পানি, ফল, ফলের রস পান করুন। খাবার প্লেটে রাখুন পর্যাপ্ত আঁশজাতীয় খাবার, যা শরীরে পানি আটকে রাখতে সহায়তা করবে।
কখনোই বেশি সময় ধরে প্রস্রাব আটকে রাখবেন না।

তা ছেলেই হোক বা মেয়ে। বিশেষ করে মেয়ে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে স্কুলের টাইমেও বাথরুমে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করুন।

১) যাঁদের ঘন ঘন প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাঁরা দৈনিক অন্তত তিন লিটার পানি পান করুন। এর মধ্যে অবশ্যই লেবুর পানি, ডাবের পানি বা গ্লুকোজ ওয়াটার রাখুন।

২) প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি জাতীয় খাবার রাখুন। যেমন—লেবুর পানি, কমলা বা মাল্টার রস। কেননা ভিটামিন সি ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে মূত্রনালি ভালো রাখে এবং প্রস্রাবের জ্বালা ভাবও কমায়।

৩) আর যাঁদের ঘন ঘন ইউরিন ইনফেকশন হওয়ার প্রবণতা থাকে, তাঁরা হাই অক্সালিক এসিডসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলবেন। যেমন—কামরাঙা।

৪) ঘন ঘন ইউরিন ইনফেকশন কিডনির সুস্থভাবে কাজ করার পরিপন্থী। তাই পর্যাপ্ত পানি খাবেন, সুস্থ থাকবেন।

12/12/2023

💔💔যেসব অভ্যাস ত্বকে ক্যান্সার সৃষ্টি করে💔💔
💔পুষ্টিবিদ মোঃআবু সাঈদুজ্জামান সাইদ

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ত্বকের ক্যান্সার হলে আমরা বুঝতে পারি না। যথাসময়ে চিকিৎসা না করালে এর পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ। ত্বকের যত্নে অনেকেই বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করেন। মনে রাখা প্রয়োজন আমাদের শরীরের বেশিরভাগ জায়গাজুড়ে রয়েছে ত্বক। তাই যথাযথ পরিচর্যা না করলে শরীরের অন্য অঙ্গের মতো ত্বকও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবে।

দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের কারণে হতে পারে ত্বকের ক্যান্সারও। সেই অভ্যাসগুলো কী কী তা জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

১. সানস্ক্রিন ব্যবহার না করা:
বিভিন্ন গবেষণা ও পরিসংখ্যানে দেখা গেছে ভারতীয় উপমহাদেশে অধিকাংশ মানুষ নিয়মিত ত্বকে লোশন, ক্রিম ব্যবহার করেন না। ফলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বকের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ত্বকে সানস্ক্রিন ব্যবহারের ফলে এই ঝুঁকি কমে যায়।

২. ডায়েটজনিত সমস্যা:
ডায়েট করা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। তবে আপনার ডায়েটের খাদ্য তালিকায় যদি সবজি, ফলমূল না থাকে তাহলে ত্বক রুক্ষ হয়ে পড়বে। কেননা সবজি, ফলমূলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ত্বকের ক্যান্সারসহ অন্যান্য ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৩. অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়া:
নিয়মিত অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন- মিষ্টি, কোমল পানীয় চকলেট খাওয়া ত্বকের ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান কারণ। এছাড়া অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে ডায়বেটিস, স্থূলতা, কিডনির সমস্যাসহ নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৪. বাইরে গেলে ত্বক না ঢাকা:
বাতাসে যে পরিমাণ ময়লা, ধুলাবালি থাকে তা ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বাইরে বের হওয়া সময় মুখে মাস্ক (মুখোশ), পায়ে মোজাসহ ধুলোবালি ত্বকে না লাগে এমন কিছু পড়ে বের হবেন। এতে ত্বক সুস্থ থাকবে।

৫. ধূমপান:
ধূমপানের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে কমবেশি আমরা সবাই জানি। ধূমপান করলে ত্বকের ক্যান্সারও হয়। সিগারেটের বিষাক্ত নিকোটিন ফুসফুস ক্যান্সারের পাশাপাশি ত্বকের ক্যানসারের জন্য দায়ী।

৬. অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার:
বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ছাড়া এক মুহূর্ত যেন চলে না। নারী, পুরুষ নির্বিশেষে সবাই এখন মোবাইল ফোনের প্রতি আসক্ত। কিন্তু দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মোবাইল ফোন থেকে উৎপন্ন বিকিরণ রশ্মির কারণে হতে পারে ত্বকের ক্যান্সার।

৭. দীর্ঘ সময় বসে থাকা:
অফিসে দীর্ঘ সময় যারা কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করে তাদের ত্বকের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অনেকক্ষণ বসে থাকলে মাংসপেশীতে চাপ পড়ে। যার প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপর।

৮. অতিরিক্ত মেকআপ:
নারীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মেকআপ করার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। মেকআপের উপকরণে অনেক বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য মেশানো থাকে। তাই প্রতিদিন সেসব নারীরা অতিরিক্ত মেকআপ করেন তাদের ত্বকের ক্যান্সারের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

Address

Kushtia
7003

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Faculty of Engineering and Technology, Islamic University, Kushtia, BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Faculty of Engineering and Technology, Islamic University, Kushtia, BD:

Share