20/05/2026
এই যে দেখছেন, জার্মানি ল্যাভেন্ডার (অর্কিড ফুল/রক্তকাঞ্চন) প্রজাতির ফুলগাছগুলো আজ নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে। আর তাদের এই অস্তিত্ব জানান দেওয়ার পেছনে জড়িয়ে আছে আমার হাড়ভাঙা পরিশ্রম, স্বপ্ন আর ভালোবাসা।
“যদি নিশ্চিতভাবে জানো যে কিয়ামত এসে গেছে, তখনও হাতে যদি একটি গাছের চারা থাকে যা রোপণ করা সম্ভব, তবে সেই চারাটি রোপণ করবে।” — মুসলিম, হাদিস: ৫৬৬০
শহীদ আনাস হলের সামনের গাছগুলো থেকে প্রায় ২০০০–৩০০০ বীজ সংগ্রহ করেছিলাম। এরপর শাহ আজিজুর রহমান হলের সামনের পরিত্যক্ত জঙ্গল পরিষ্কার করে মাটিকে চাষাবাদযোগ্য বানিয়ে সেখানে বীজ রোপণ করেছিলাম। আল্লাহর বিশেষ রহমতে, আজ এক হাজারেরও বেশি গাছ বড় হচ্ছে।
স্বপ্ন দেখি এই গাছগুলো একদিন পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে। ফিলিস্তিনের নির্যাতিত মানুষের স্মরণে, আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে এগুলো রোপণ করতে চাই।
আজ নয়তো কাল, যখন নিজের সন্তানকে নিয়ে এই ক্যাম্পাসে আসব, তখন যেন বুক ভরে বলতে পারি, “আমার ছাত্রজীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি, আমি এই ক্যাম্পাসকে কিছু দিয়ে যেতে পেরেছি।”
ইন শা আল্লাহ, ছুটির পর পূর্ণ বর্ষা শুরু হলে গাছ রোপণের কাজ শুরু করব। বিশ্বাস করি, এই গাছগুলো বড় হলে আমাদের ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।
এই গাছগুলোর রোপণ, পরিচর্যা, এবং ক্যাম্পাসের কোন কোন স্থানে লাগালে সৌন্দর্য আরও বাড়বে, এ বিষয়ে বড় ভাই ও বন্ধু মনে করে আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ কামনা করছি। ধন্যবাদ
ইতি
আপনার ভাই ও বন্ধু
Muhammad Manik Rahman
Department of Human Resource Management,
Islamic University,Kushtia
Session: 2022-23