Islamic community - MTEC

Islamic community - MTEC Building bridges of faith, knowledge, and community.

৩৬টি বালা-মুসীবত থেকে রাসূলুল্লাহ (সা.) আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন,১- অপারগতা। ২- অলসতা। ৩- ভীরুতা। (কাপুরুষতা)৪- কৃপণতা।...
15/07/2026

৩৬টি বালা-মুসীবত থেকে রাসূলুল্লাহ (সা.) আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন,

১- অপারগতা।
২- অলসতা।
৩- ভীরুতা। (কাপুরুষতা)
৪- কৃপণতা।
৫- অতিশয় বৃদ্ধাবস্থা।
৬- কঠোরতা।
৭- অমনোযোগিতা।
৮- সামর্থহীনতা।
৯- অপমান।
১০- দারিদ্রতা।
১১- কপর্দকহীনতা।
১২- কুফর।
১৩- শির্ক।
১৪- দীন বিরোধিতা।
১৫- দীনের অবাধ্যতা।
১৬- মুনাফেকী।
১৭- শোনানোর প্রবণতা।
১৮- প্রদর্শনেচ্ছা।
১৯- বধিরতা।
২০- মুক অবস্থা।
২১- অপ্রকৃতিস্থতা। (পাগলামী)
২২- কুষ্ঠ।
২৩- শ্বেত (ধবল)।
২৪- খারাপ রোগ।
২৫- ঋণের প্রাদুর্ভাব।
২৬- মানুষের নীপিড়ন।
২৭- নেয়ামত চলে যাওয়া।
২৮- নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া।
২৯- হঠাৎ বিপদ।
৩০- আল্লাহর সবধরণের অসন্তুষ্টি।
৩১- অধৈর্য করে দেয়া বিপদ।
৩২- দু্র্ভাগা হওয়া।
৩৩- ফয়সালার খারাপি।
৩৪- শত্রুদের দ্বারা জিঘাংসা চরিতার্থ করা।
৩৫- দুশ্চিন্তা।
৩৬- পেরেশানী।

সুতরাং প্রতিটি মুসলিমের উচিত এগুলো থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা।

ড. আবু বকর মোহাম্মদ জাকারিয়া (হাফি:)

09/07/2026
সালাত = ইমান
06/07/2026

সালাত = ইমান

05/07/2026

এক ব্যক্তি বিবাহ করল। বিয়ের প্রথম দিন সে, তার মা ও তার নববধূ একসাথে খাবার টেবিলে বসল।
সে খাবারের বড় অংশ ও যত্নের আচরণ নববধূর প্রতি করল—এই ভেবে যে, আজ তার জীবনের প্রথম দিন, তাই তাকে খুশি রাখা দরকার।
আর তার মায়ের জন্য দিল সামান্য খাবার, কোনো যত্ন বা মনোযোগ ছাড়াই।

নববধূ বিষয়টি লক্ষ্য করল। সে ছিল জ্ঞানী ও বংশে মহীয়সী নারী।
তখনই সে স্বামীকে বলল:
“আমাকে এখনই তালাক দাও।”

স্বামী অবাক হয়ে অনুরোধ করল, “তুমি এমন কথা কেন বলছ? কী হয়েছে?”
সে উত্তর দিল:
“কারণ রক্তের বৈশিষ্ট্য বংশে বহমান হয়, আমি চাই না আমার সন্তান এমন একজনের রক্ত বহন করুক, যে নিজের মাকে এমনভাবে অপমান করে।”

দুঃখজনকভাবে অনেক নারী মনে করে—যখন স্বামী তাকে মায়ের ওপরে প্রাধান্য দেয়, তখন সে জয়ী হয়েছে, এখন তার জীবন নিশ্চিন্ত!
কিন্তু সে ভুলে যায় — “যেমন করবে, তেমনই প্রতিদান পাবে (كما تدين تدان)”।

নারীটি তার থেকে তালাক নিল।
এরপর আল্লাহ তাকে এমন এক স্বামী দান করলেন, যে তার মায়ের প্রতি অত্যন্ত অনুগত ও সদাচারী।
এরপর অনেক বছর কেটে গেল, সে সন্তান-সন্ততি পেল।

একদিন সে উটের হাওদায় (পর্দাযুক্ত আসন) চড়ে সফরে ছিল।
তার সন্তানরা মায়ের হাওদার যত্ন নিচ্ছিল, যেন মা ক্লান্ত না হন।
পথে তারা এক কাফেলা দেখতে পেল, যার পেছনে এক বৃদ্ধ খালি পায়ে হেঁটে চলেছে, কেউ তার খেয়াল রাখছে না।

সে তার সন্তানদের বলল:
“ওই মানুষটিকে আমার কাছে নিয়ে এসো।”
তারা নিয়ে এলো।
দেখে সে বলল, “তুমি কি আমাকে চিনতে পেরেছ?”
বৃদ্ধ বলল, “না।”
সে বলল, “আমি তোমার সেই আগের স্ত্রী — মনে আছে আমি বলেছিলাম, ‘العرق دساس’ — রক্তের স্বভাব বংশে বহমান হয়।”
“দেখো, আজ আমার সন্তানরা কত অনুগত, কীভাবে আমার যত্ন নেয়; আর তুমি দেখো তোমার অবস্থা — কোথায় তোমার সন্তানরা?
কারণ তুমি তোমার মাকে অপমান করেছিলে — এটাই তোমার প্রতিফল।”

তারপর সে সন্তানদের বলল:
“ওনার যত্ন নাও, আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে।”

উপদেশ:
প্রত্যেক স্ত্রী যেন মনে রাখে —
যেমন করবে, তেমনই প্রতিদান পাবে (كما تدين تدان)।
এবং হে স্বামী! এ কথাটি তোমার জন্যও প্রযোজ্য।

তোমাদের মায়েদের ও পিতাদের প্রতি কোমল হও, তাদের অবহেলা কোরো না, কষ্ট দিয়ো না।
হে স্ত্রী, তোমার স্বামীকে তার মায়ের প্রতি অনুগত হতে দাও, বরং তাকে সহায়তা করো।
আর হে স্বামী, তোমার স্ত্রীকে তার মায়ের প্রতি অনুগত হতে দাও, তাকেও সহায়তা করো।

কারণ জীবন খুবই সংক্ষিপ্ত, আর একদিন তোমারও তোমার কাজের প্রতিদান পেতে হবে।

- শায়েখ ড. আবু বকর মোহাম্মাদ জাকারিয়া হাফিযাহুল্লাহ

এই রিয়েলাইজেশনটা আসা জরুরি যে, 'হায়াতের যতটুকু "স্ক্রিনটাইমের" পেছনে ব্যয় হয়েছে ততটুকুই জীবন থেকে হারিয়ে গেছে।'যেটাকে আপ...
05/07/2026

এই রিয়েলাইজেশনটা আসা জরুরি যে,
'হায়াতের যতটুকু "স্ক্রিনটাইমের" পেছনে ব্যয় হয়েছে ততটুকুই জীবন থেকে হারিয়ে গেছে।'

যেটাকে আপনি নিরীহ স্ক্রলিং ভাবছেন সেটাই আপনার পার্সোনালিটি, সাইকোলজি, ইমোশন সবকিছুকে নিয়ন্ত্রণ করছে। একটু বিশ্রাম নেয়ার সময় যখন আপনি মোবাইলটা হাতে নিয়ে বিভিন্ন কন্টেন্ট কনজিউম করছেন, তখন আপনার বডি, নার্ভাস সিস্টেম স্ট্রেসড আউট হচ্ছে।

সারাদিন কিছুই না করেও যদি শুধু ফোন ব্যবহার করেন তবুও দেখবেন আপনি অনেক ক্লান্ত। অন্যদিকে শর্টস, রিলস দেখতে দেখতে আপনার অ্যাটেনশন স্প্যান কমে গিয়ে কোনো ডিপ কনভার্সেশনে আপনি পার্টিসিপেট করতে পারবেন না, কোনোকিছু নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে পারবেন না, আপনার চিন্তার পরিধি সীমিত হয়ে যাবে।

আপনার ইমোশনের ডেপথ কমে গিয়ে সবকিছুই আপনার কাছে সহনীয় হয়ে যাবে, অন্যদের জীবনের সফলতার গল্প দেখতে দেখতে আপনি নিজের জীবনটা ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে কাটিয়ে দেবেন। আপনার যে পটেনশিয়াল ছিলো, সেটা স্ক্রিনের রঙিন আলোর মাঝে হারিয়ে যাবে।

আপনার যে একটা জীবন ছিলো, সেটা আপনার পকেটে থাকা এই নিরীহ ডিভাইসের কারণে আপনি ভুলে যাবেন। সব দায়িত্ব আপনার কাছে বোঝা মনে হবে। ঠিক এই জিনিসগুলোসহ আরো অনেক ক্ষতি "Brainrot" তথা মস্তিষ্কে পচন ধরার কারণে হবে।

It is high time to ask yourself, "আমি ডিভাইস চালাবো নাকি ডিভাইস আমাকে চালাবে?"

লেখা : Mayraj Hossain

পরিবেশ ধীরে ধীরে আমাদের নফস, চিন্তাভাবনা ও চরিত্রকে প্রভাবিত করে।বিশেষ করে ফিতনাময় পরিবেশ— যেখানে ফ্রি-মিক্সিং, এমন সংস...
29/06/2026

পরিবেশ ধীরে ধীরে আমাদের নফস, চিন্তাভাবনা ও চরিত্রকে প্রভাবিত করে।

বিশেষ করে ফিতনাময় পরিবেশ— যেখানে ফ্রি-মিক্সিং, এমন সংস্কৃতি প্রচলিত যেখানে আল্লাহর বিধানকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না— সেখানে ঈমান ও তাকওয়া রক্ষা করা অনেক কঠিন হয়ে যায়। মানুষ যতই দ্বীনদার হোক না কেন, প্রতিনিয়ত নিজেকে সুরক্ষিত রাখার চেষ্টা না করলে বিভিন্ন ফিতনায় পতিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। চোখের হেফাজত, অন্তরের পবিত্রতা এবং আমলের ধারাবাহিকতা— সবকিছুই তখন বড় একটি পরীক্ষায় পরিণত হয়।

একইভাবে, আমাদের বন্ধু-বান্ধব ও সঙ্গীদের প্রভাবও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি এমন মানুষের সান্নিধ্যে থাকি যারা নিয়মিত অপ্রয়োজনীয় ও অনর্থক কথাবার্তা বা হারামে লিপ্ত, তাহলে অজান্তেই সেই পরিবেশ আমাদের হৃদয় ও নফসের উপর প্রভাব ফেলতে শুরু করবে। ধীরে ধীরে যা একসময় খারাপ মনে হতো, তা-ই স্বাভাবিক মনে হতে পারে। আর এভাবেই মানুষ অজান্তেই ভুল পথে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। হেদায়েত পেয়েও হেদায়েত হারিয়ে ফেলে।

তাই প্রকৃত দ্বীনদার হওয়ার জন্য নিজের সঙ্গ, পরিবেশ এবং ডিজিটাল জগতের উপস্থিতি— সবকিছু সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষ করে ফেসবুক বা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে কাদের বন্ধু হিসেবে যুক্ত করছি, কাদের অনুসরণ করছি এবং কী ধরনের কনটেন্ট নিয়মিত দেখছি— সেদিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন। কারণ হৃদয়ের উপর প্রভাব শুধু বাস্তব পরিবেশ থেকেই নয়, ভার্চুয়াল পরিবেশ থেকেও আসে।

নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন, নেককার ও আল্লাহভীরু মানুষের সঙ্গ গ্রহণ করুন। একাকী সময়গুলোকে দ্বীনি বই পড়া, কুরআন তিলাওয়াত এবং উপকারী জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে কাজে লাগান। একজন মানুষের ঈমান, চরিত্র ও জীবনধারা গঠনে তার সঙ্গ ও পরিবেশ গভীর প্রভাব ফেলে।

লিখা : নাথিফা আফরিন

26/06/2026

صَلَّىٰ ٱللَّٰهُ عَلَيْهِ وَآلِهِ وَسَلَّمَ

"পড়ো তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।" (সূরা আল-আলাক: ১)আলহামদুলিল্লাহ!সফলভাবে সম্পন্ন হলো MTEC ইসলামিক লাইব্রেরির শ...
26/06/2026

"পড়ো তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।" (সূরা আল-আলাক: ১)
আলহামদুলিল্লাহ!
সফলভাবে সম্পন্ন হলো MTEC ইসলামিক লাইব্রেরির শুভ উদ্বোধন, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।
জ্ঞান অর্জন, ইসলামী মূল্যবোধের চর্চা এবং আত্মশুদ্ধির লক্ষ্যকে সামনে রেখে শুরু হলো আমাদের এই নতুন যাত্রা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল সম্মানিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। আপনাদের মূল্যবান উপস্থিতি ও উৎসাহ আমাদের এই উদ্যোগকে আরও অর্থবহ ও অনুপ্রেরণামূলক করে তুলেছে।
আমরা মহান আল্লাহ তাআলার নিকট দোয়া করি, তিনি যেন এই লাইব্রেরিকে উপকারী জ্ঞান অর্জন, গবেষণা, চিন্তাশীলতা এবং দ্বীনের সেবার এক সমৃদ্ধ কেন্দ্র হিসেবে কবুল করেন।
"যে ব্যক্তি জ্ঞান অর্জনের পথে চলে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন।" (সহীহ মুসলিম)
জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও নৈতিকতার আলোয় আলোকিত হোক MTEC পরিবার।

আলহামদুলিল্লাহ "MTEC ইসলামি লাইব্রেরী"উদ্বোধনের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই যুক্ত হয়েছে নতুন ৬৪ টি বই আলহামদুলিল্লাহ। আপনাদের সবাইক...
25/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ
"MTEC ইসলামি লাইব্রেরী"

উদ্বোধনের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই যুক্ত হয়েছে নতুন ৬৪ টি বই আলহামদুলিল্লাহ। আপনাদের সবাইকে লাইব্রেরির পাঠক হবার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি ।

24/06/2026

যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে।

— সহীহ বুখারী, হাদিস : ৬০১৮

Address

Madaripur Textile Engineering College, Shibchar
Madaripur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic community - MTEC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share