Shimakhali High School ॥ সীমাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়

  • Home
  • Bangladesh
  • Magura
  • Shimakhali High School ॥ সীমাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়

Shimakhali High School ॥   সীমাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সীমাখালী স্কুল এ্যান্ড কলেজ আমাদের অনেক প্রিয় সীমাখালী হাই স্কুল,যারা এই স্কুলকে অনেক বেশী ভালবাসেন তারা পেজে লাইক দিন ।

চীনের সরকারি সংস্থাগুলোতে Windows OS সরানোর নির্দেশ! ২০২৭ সালের আগেই Linux-based দেশীয় সিস্টেমে স্যুইচ করার পথে চীন। স্থ...
24/08/2026

চীনের সরকারি সংস্থাগুলোতে Windows OS সরানোর নির্দেশ!

২০২৭ সালের আগেই Linux-based দেশীয় সিস্টেমে স্যুইচ করার পথে চীন। স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও তৈরি করেছে Windows-এর বিকল্প।

পাকিস্তানে একটি কবরের উপর লেখা ছিলো, "ইধার সো রাহা হে এক গা_দ্দা_র" !  (মানে এখানে শুয়ে আছে এক বে_ঈ_মা_ন)।বাংলাদেশের সাথ...
24/08/2026

পাকিস্তানে একটি কবরের উপর লেখা ছিলো, "ইধার সো রাহা হে এক গা_দ্দা_র" ! (মানে এখানে শুয়ে আছে এক বে_ঈ_মা_ন)।
বাংলাদেশের সাথে যারা বে_ই_মা_নী করেছে তাদেকে কি দেশ_দ্রো_হী বলা যাবেনা.?
পাকিস্তানের সেই গা_দ্দা_র_টি কে জানেন? আমাদের বাংলাদেশের গর্ব আর অহংকার বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান !
ছবির এ কঙ্কালটাই তিনি! ২০০৬ সালের ২৩ জুন তাঁর দেহাবিশেষ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, কিন্তু আমরা কয়জনই বা জানি তা!
আমাদের দূর্ভাগ্য, মতিউরকে নিয়ে আমরা নাটক সিনেমা বানাতে পারিনি।
করাচি থেকে বিমান ছি_ন_তাই করে নিয়ে আসার সময় বিমান বিধ্বস্ত হয়ে তিনি শহীদ হন। এমন ঘটনা ভারতে হলে বলিউড অসংখ্য সিনেমা বানিয়ে ফেলত। কিন্তু আমরা পারিনি...
আমরা এখন টিভি নাটকে পাকিস্তানী সৈনিক যে কিনা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে লড়েছে, তার নাতনিকে বিয়ে করে দেশে আনা দেখাই।
সংলাপ দেই।
আফসোস হয় ভীষন, এই অযোগ্য জাতি নয় মাসে লাখো শহীদের জীবনের বিনিময়ে, মা বোনের ধ_র্ষ_নের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা পেলো, তার মূল্যায়নটাও করতে পারল না...
অবাক হই এই দেশে পাকিস্তান যখন খেলতে আসে "ম্যারি মি" লেখা প্লেকার্ড নিয়ে স্টেডিয়ামে যায় বাংলার তরুনী, তারা আবার বাড়ির ছাদে পাকিস্তানের পতাকা উড়ায়, ব্রিজের রেলিংএ।
এ কোন বাঙ্গালী??
#বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমানের ৫৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা, আল্লাহ যেন তার ভুল ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে দিয়ে জান্নাত দান করেন। 💐
* সংগৃহীত

Motivation:Inspiration:নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের একটি স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতার মঞ্চে কিশোরী রেবেকা শাফির বুদ্ধি...
24/08/2026

Motivation:
Inspiration:

নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের একটি স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতার মঞ্চে কিশোরী রেবেকা শাফির বুদ্ধিদীপ্ত বক্তব্য ও সাবলীল বাচনভঙ্গি নজর কেড়েছিল।

সেই সময়ের একটি বিতর্কের ভিডিও বহু বছর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নতুন করে আলোচনায় আসেন তিনি।

ছোটবেলার সেই বিতার্কিকই পরবর্তী সময়ে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিজের জায়গা করে নেন।

বাংলাদেশে জন্ম ও বেড়ে ওঠা রেবেকার শিক্ষাজীবনও ছিল ব্যতিক্রমী।

নিজের পরিচিতিতে তিনি জানিয়েছেন, একই সময়ে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার SSC ও HSC

এবং

University of London-এর O/A Levels সম্পন্ন করেছিলেন।

এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে।

ক্যালিফোর্নিয়ার বিখ্যাত California Institute of Technology—Caltech-এ Physics নিয়ে পড়াশোনা করেন রেবেকা।

সেখান থেকে তিনি ৪.০০-এর মধ্যে ৪.০০ CGPA অর্জন করে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

ছোটবেলার বিতর্কের মঞ্চ থেকে বিশ্বের অন্যতম কঠিন একাডেমিক পরিবেশে এমন ফল তাঁর মেধা ও অধ্যবসায়েরই পরিচয় বহন করে।

Caltech-এর পর তাঁর গন্তব্য হয় Boston। তাঁর নিজের ভাষায়, Pasadena-এর পর তিনি যান ‘snowy Boston’-এ।

সেখানে Harvard University-তে Physics-এ পিএইচডি করেন।

তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ব্ল্যাক হোল—বিশেষ করে ব্ল্যাক হোলের spin বা ঘূর্ণন নিয়ে।

পদার্থবিদ্যা ও অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে এই দীর্ঘ পথ পেরিয়ে রেবেকা পরে গবেষণার ক্ষেত্র বদলে ফেলেন।

এবার তাঁর আগ্রহের কেন্দ্র হয়ে ওঠে মানুষের মস্তিষ্ক ও জেনেটিক্স।

বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের National Institute of Mental Health (NIMH)-এ Research Fellow হিসেবে কাজ করছেন।

তাঁর গবেষণা মূলত neuroscience ও human genetics-এর সংযোগস্থলে, যেখানে মানুষের মস্তিষ্কের গঠন ও জিনগত বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক নিয়ে কাজ করছেন।

অর্থাৎ রেবেকা শাফির পথচলায় একের পর এক এসেছে ভিন্ন ভিন্ন জগত—

বাংলাদেশের বিতর্কের মঞ্চ, Physics-এ অসাধারণ একাডেমিক ফল, Caltech, Harvard-এ ব্ল্যাক হোল নিয়ে পিএইচডি,

আর এখন মানুষের মস্তিষ্ক ও জিন নিয়ে গবেষণা।

তাঁর গল্পের সবচেয়ে অনুপ্রেরণার জায়গাটি সম্ভবত এখানেই—

একটি ক্ষেত্রের গণ্ডিতে নিজেকে আটকে না রেখে তিনি বারবার নতুন জ্ঞানের জগতে প্রবেশ করেছেন।

ছোটবেলার সেই বিতার্কিক রেবেকা শাফি আজ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মানসিক স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানে মানবমস্তিষ্কের জটিলতা বোঝার কাজে যুক্ত।

বিজ্ঞানের বিষয় বদলেছে, কিন্তু অজানাকে জানার কৌতূহলটি রয়ে গেছে একই।

Source: Publician

আমি পঁচিশ বছর ধরে কুরিয়ার সার্ভিসে কাজ করি। চিঠি, পার্সেল, কাগজপত্র, নোটিশ, সব পৌঁছে দিই। আগে চিঠি বেশি আসতো। এখন আসে ব...
23/08/2026

আমি পঁচিশ বছর ধরে কুরিয়ার সার্ভিসে কাজ করি। চিঠি, পার্সেল, কাগজপত্র, নোটিশ, সব পৌঁছে দিই। আগে চিঠি বেশি আসতো। এখন আসে ব্যাংকের কাগজ, চাকরির কাগজ, আদালতের নোটিশ, অনলাইন অর্ডারের বাক্স।
​আমার নাম কামাল। ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, কলাবাগান, হাজারীবাগ, এই এলাকাগুলোতে আমার রুট। প্রতিদিন একটা ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ঘুরি। বৃষ্টি হলে ভিজি। রোদ হলে পুড়ি। শীত হলে কাঁপি। কাজটা ভালো লাগে না। তবু ছাড়িনি।
​আমাদের অফিসে একটা নিয়ম আছে। ঠিকানা ভুল হলে তিনবার চেষ্টা করতে হয়। তারপর লেখা হয়-
"প্রাপককে পাওয়া যায়নি।"
​এই তিনটা শব্দ আমি জীবনে অসংখ্যবার লিখেছি। কিন্তু একদিন একটা খামের উপর এই তিনটা শব্দ লিখতে গিয়ে আমার হাত থেমে গিয়েছিল। খামের উপর লেখা ছিল-
প্রেরক: আবদুল হালিম
প্রাপক: রাশেদ হালিম
বাড়ি: ১৭/বি, লালমাটিয়া, ঢাকা।
নিচে ছোট করে লেখা-
জরুরি। ব্যক্তিগত।
অর্থাৎ, আবদুল হালিম নামে এক বয়স্ক বাবা তাঁর ছেলে রাশেদ হালিমের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। কিন্তু মজার বিষয় হলো, প্রেরক ও প্রাপক দুজনেরই ঠিকানা একই দেয়া-
১৭/বি, লালমাটিয়া, ঢাকা। মানে বাবা তাঁর নিজের বাড়ির ঠিকানাতেই ছেলের নামে চিঠি পোস্ট করেছেন!
​আমি ঠিকানায় গিয়ে দেখি, ১৭/বি বলে কোনো বাড়িই নেই।
১৭ আছে।
১৭/এ আছে।
১৭/সি আছে।
কিন্তু ১৭/বি নেই।
পাশের দোকানের লোককে জিজ্ঞেস করলাম। ​লোকটা বললো, "আগে ছিল।"
"এখন?"
"ভেঙে ফ্ল্যাট হইছে।"
"হালিম সাহেব?"
লোকটা কাঁধ ঝাঁকালো, "চিনি না।"
​আমি পাশের চায়ের দোকানে গেলাম। ​চা-ওয়ালা বললো, "আবদুল হালিম নামে একজন ছিল।"
"কোথায় গেছে?"
"মারা গেছে।"
"কবে?"
"অনেক বছর।"
​আমি অফিসে ফিরে খামটা "প্রাপককে পাওয়া যায়নি" লিখে জমা দিতে পারতাম। দিইনি। ​পরদিন আবার গেলাম। ১৭ নম্বর বাড়ির পুরোনো দারোয়ানকে পেলাম। বয়স অনেক। নাম গফুর। আমি খামের নামটা বলতেই লোকটা আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
​"আপনি আবদুল হালিম সাহেবের ছেলের লোক?"
"না। কুরিয়ার।''
লোকটা বললো, "আবদুল হালিম সাহেব তো নাই।"
​আমি জিজ্ঞেস করলাম, "তার ছেলে কোথায়?"
"বিদেশে।"
"কোন দেশে?"
"কানাডা।"
"যোগাযোগ নেই?"
"না।"
আমি জিজ্ঞেস করলাম, "কেন?"
লোকটা বললো, "বাপ ছেলের ঝামেলা।"
​এই কথাটা বাংলাদেশের মানুষের খুব প্রিয়। সবকিছুর ব্যাখ্যা এক কথায় হয়ে যায়, "ঝামেলা ছিল।"
​আমি বললাম, "কী ঝামেলা?"
লোকটা বললো, "সেইটা আমি জানি না।"
তারপর একটু থেমে বললো, "তবে শেষের দিকে আবদুল হালিম সাহেব প্রতিদিন বিকেলে গেটের সামনে বসে থাকতেন।"
"কেন?"
"ছেলের জন্য।"
"ছেলে আসতো?"
"না।"
​আমি চুপ করে গেলাম।
​কানাডায় ছেলেটার নাম ছিল রাশেদ হালিম। ফেসবুকে খুঁজলাম। পেলাম না। লিংকডইনে পেলাম একজনকে। নাম মিলে যায়। ঢাকায় জন্ম। কানাডায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। বয়সও মিলে। আমি তার প্রোফাইলের ছবি দেখলাম। একজন হাসিখুশি মানুষ। বউ। দুইটা বাচ্চা। বরফের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছবি। ক্যাপশনে লেখা-
"Home is where your people are."
​আমি অনেকক্ষণ ঐ কথাটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। হোম ইজ হোয়্যার ইয়োর পিপল আর। মানুষ কত সহজে ইংরেজিতে এমন কথা লিখে ফেলে। নিজের ভাষায় বলতে গেলে বুক কাঁপে।
​আমি তাকে মেসেজ পাঠালাম, "আপনার নামে একটা চিঠি এসেছে।"
কোনো উত্তর নেই।
দুই দিন পর উত্তর এলো, "Who are you?"
আমি বললাম, "আমি কুরিয়ার সার্ভিসে কাজ করি। আপনার বাবা একটা চিঠি পোস্ট করেছে।"
সে লিখলো, "My father died years ago."
আমি বললাম, "চিঠিটা আপনার জন্যই।"
অনেকক্ষণ কোনো উত্তর নেই।
তারপর লিখলো, "Don't contact me again."
​আমি চুপ করে গেলাম। চিঠিটা আমার ড্রয়ারে রয়ে গেল।
তারপর এক সপ্তাহ। দুই সপ্তাহ। এক মাস। আমি চিঠিটা অফিসে জমা দিইনি।
​একদিন সন্ধ্যায় রাশেদের কাছ থেকে মেসেজ এলো, "What does the letter say?"
আমি বললাম, "আমি খুলি নাই।"
সে আবার লিখলো, "Can you send me a picture?"
​আমি খামের ছবি পাঠালাম।
সে অনেকক্ষণ কোনো উত্তর দিলো না।
তারপর লিখলো, "That's my father's handwriting."
আমি বললাম, "আপনি চিঠিটা চান?"
অনেকক্ষণ পর উত্তর এলো, "Yes."
আমি বললাম, "ঠিকানা দেন।"
​সে ঠিকানা দিল। সেদিনই আমি চিঠিটা পাঠিয়ে দিলাম। কাজ শেষ। ভাবলাম, এবার আমার দায়িত্ব শেষ। তিন দিন পর একটা ফোন এলো। বিদেশি নম্বর। আমি ধরলাম। ওপাশ থেকে একটা পুরুষের গলা।
​"আপনি কামাল?"
"জি।"
"আমি রাশেদ।"
"জি।"
"চিঠিটা পেয়েছি।"
​আমি চুপ করে থাকলাম।
​সে বললো, "আপনি কি জানেন, আমার বাবা মারা যাওয়ার আগে শেষবার আমাকে কী বলেছিলেন?"
"না।"
"বলেছিলেন, তুই যদি কোনোদিন ফিরে আসিস, আমার কাছে আসিস না।"
আমি কিছু বললাম না।
সে বললো, "আমি আর ফিরিনি।"
​তারপর দীর্ঘ নীরবতা।
​"চিঠিতে কী ছিল জানেন?"
"না।"
সে হাসলো।
তারপর বললো, "আমার বাবা কখনো কাউকে চিঠি লিখতেন না।"
আমি অবাক হলাম।
বললাম, "কিন্তু এটা তো আপনার বাবার হাতের লেখা।"
"হ্যাঁ।"
"তাহলে?"
"তিনি লিখেছিলেন। কিন্তু পাঠাননি।"
আমি বুঝলাম না।
রাশেদ বললো, "চিঠিটা তিনি নিজের আলমারিতে রেখে গিয়েছিলেন।"
"কীভাবে পোস্ট হলো?"
"তার বাড়ি বিক্রি করার পর নতুন মালিক পুরোনো আলমারির কাগজপত্রের মধ্যে খামটা পেয়েছিলেন। হয়তো ভেবেছেন পোস্ট করা হয়নি, তাই দয়ায় পড়ে ডাকবাক্সে ফেলে দিয়েছেন।"
আমি বললাম, "চিঠিতে কী ছিল?"
রাশেদ কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললো, "একটা মাত্র বাক্য।"
"কী?"
"আমি ভুল করেছিলাম।"
আমি বললাম, "এইটুকু?"
"হ্যাঁ।"
"আর কিছু?"
"না।"
আমি বললাম, "তাহলে আপনি কাঁদছেন কেন?"
রাশেদ কান্না থামিয়ে বললো, "আমি ভেবেছিলাম, বাবারা কখনো ভুল করে না।"
​আমি জানি না কেন, কথাটা শুনে আমার নিজের বাবার কথা মনে পড়লো। আমার বাবা ছিলেন রাগী মানুষ। আমি ছোটবেলায় একবার স্কুল থেকে পালিয়ে সিনেমা দেখতে গিয়েছিলাম। বাবা জানতে পেরে আমাকে এমন মেরেছিলেন যে তিনদিন স্কুলে যেতে পারিনি। তারপর আমি ঠিক করেছিলাম, কোনোদিন বাবার সঙ্গে কথা বলবো না।
দুদিন পরই বাবা মারা গেলেন। আমার রাগটা রয়ে গেল। বাবা রইলেন না। মানুষের রাগেরও একটা সমস্যা আছে। যার ওপর রাগ করা হয়, সে না থাকলেও রাগটা থেকে যায়। তারপর একদিন সেই রাগের কোনো ঠিকানা থাকে না।
​রাশেদ বলল, "কামাল ভাই?"
"জি?''
"আপনি কি একটা কাজ করবেন?"
"কী?"
"আমার বাবার কবরটা খুঁজে দিতে পারবেন?"
আমি বললাম, "পারবো।"
"কেন জানি না, আমি যেতে চাই।"
"আসবেন?"
"হ্যাঁ।"
​তিন মাস পর রাশেদ ঢাকায় এলো। আমি তাকে বিমানবন্দর থেকে নিতে যাইনি। কিন্তু সে নিজেই আমাকে ফোন করলে।
​"কামাল ভাই, আমি ঢাকায়।"
"কোথায়?"
"পুরোনো বাসার সামনে।"
​আমি গেলাম। সে গাড়ি থেকে নামলো। আমি প্রথমে চিনতেই পারিনি। ছবির চেয়ে মানুষ বাস্তবে অন্যরকম।
​সে আমাকে দেখে বললো, "আপনিই কামাল?"
"জি।"
​সে হাত বাড়ালো। আমি হাত ধরলাম। তার হাত কাঁপছিল। আমরা একসঙ্গে কবরস্থানে গেলাম। তার বাবার কবর খুঁজে পেলাম। রাশেদ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল। তারপর বসে পড়লো।
কোনো দোয়া পড়লো না। কিছু বললো না। শুধু মাটির উপর হাত রাখলো।
​অনেকক্ষণ পর বললো, "বাবা, আমি এসেছি।"
​আমি একটু দূরে দাঁড়িয়ে ছিলাম।
​সে আবার বললো, "তুমি বলেছিলে, আসিস না।''
চুপ
''আমি আসিনি।''
চুপ
''তুমি ভুল করেছিলে।"
চুপ
"আমিও ভুল করেছিলাম বাবা।"
​আমি আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলাম না। দূরে সরে গেলাম।
মানুষের কিছু কথার সাক্ষী হওয়া উচিত না। কিছু কথা মৃত মানুষের আর জীবিত মানুষের মাঝেই থাকা ভালো।
​ফেরার সময় রাশেদ আমাকে বললো, "কামাল ভাই, আপনি না থাকলে আমি আসতাম না।"
আমি বললাম, "আমি তো শুধু চিঠি পৌঁছাইছি।"
সে বললো, "না।"
"তাহলে?"
"আপনি আমার কাছে একটা ঠিকানা পৌঁছে দিয়েছেন।"
আমি হেসে বললাম, "কবরের ঠিকানা?"
সে মাথা নাড়লো, "না।"
"তাহলে?"
সে বললো, "বাবার কাছে যাওয়ার ঠিকানা।"
​আমি কিছু বললাম না। অফিসে গিয়ে আমার ছেলেকে ফোন করলাম। সে ধরলো না। আবার করলাম। ধরলো।
​বললো, "কী হয়েছে?"
আমি বললাম, "কিছু না।"
"তাহলে ফোন করছো কেন?"
আমি বললাম, "তুই কেমন আছিস?"
সে বললো, "ভালো।"
আমি বললাম, "তোর সঙ্গে আমার কোনোদিন খুব বেশি রাগারাগি হয়েছে?"
ওপাশে সে হাসলো, "আপনার তো প্রতিদিনই রাগারাগি হয়।"
আমি বললাম, "আমি যদি কোনোদিন ভুল করে থাকি?"
সে চুপ করে গেল।
আমি বললাম, "তাহলে আমাকে বলিস।"
"কেন?"
"যাতে আমি ঠিক করতে পারি।"
সে কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললো, "আব্বা, আপনি ঠিক আছেন তো?''
"হ্যাঁ।"
"কিছু খাইছেন?"
"না।"
"খেয়ে ঘুমান।"
​ফোন কেটে গেল।
​আমি অনেকক্ষণ ফোনটার দিকে তাকিয়ে রইলাম। তারপর ড্রয়ার খুললাম। রাশেদের বাবার চিঠির একটা ফটোকপি সেখানে রেখেছিলাম। মাত্র এক লাইন।
''আমি ভুল করেছিলাম।''
আমি কাগজটা হাতে নিয়ে ভাবলাম, মানুষ পৃথিবীতে কত কিছু লিখে। উপন্যাস। কবিতা। ইতিহাস। আইন। প্রেমপত্র। ক্ষমাপত্র। কিন্তু জীবনের সবচেয়ে কঠিন চিঠিটা সম্ভবত এই তিনটা শব্দের, আমি ভুল করেছিলাম। এই তিনটা শব্দ বলতে একজন বাবার পঁচাত্তর বছর লাগে। একজন ছেলের ত্রিশ বছর। কখনো কখনো পুরো একটা জীবন।
​পরদিন অফিসে গিয়ে টেবিলে এক পুরোনো পার্সেল পড়ে থাকতে দেখলাম। প্রাপক মৃত, প্রেরকের খোঁজ নেই। ফেরত যাওয়ার অপেক্ষায় ধুলো জমছে খামের উপর। আমি কিছুক্ষণ সেটার দিকে তাকিয়ে রইলাম। মনে হলো, পৃথিবীতে কত অভিমান, কত অসম্পূর্ণ কথা এভাবেই কোনো না কোনো টেবিলে ঠিকানাহীন হয়ে জমা পড়ে থাকে।
​অফিসে ভালো লাগলো না। আমি বাড়ি ফিরে এলাম।
আমার ছেলে তখন ঘরে বসে ফোন দেখছিল। আমি তার পাশে গিয়ে বসলাম। সে তাকালো।
আমি বললাম, "তোর সাথে আমার একটা কথা ছিল।"
সে অবাক হয়ে বললো, "কী কথা?"
আমি ড্রয়ার থেকে রাশেদের বাবার চিঠির ফটোকপিটা বের করে তার সামনে রাখলাম।
সে খামটার দিকে, তারপর আমার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল।
তারপর হঠাৎ উঠে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলো।
অনেক বছর পর। খুব অল্প সময়ের জন্য। কিন্তু যথেষ্ট। আমি তার পিঠে হাত রাখলাম। কিছু বললাম না। আমার মনে হলো, সেদিন যদি রাশেদের বাবার চিঠিটা পৌঁছে না দিতাম, তাহলে হয়তো আমার ছেলেকে আমি এই কথাগুলো কোনোদিন বলতাম না।
​আমি এখনও কুরিয়ারে কাজ করি। এখনও ভুল ঠিকানার পার্সেল আসে। এখনো অফিসে তিনটা শব্দ লেখা হয়,
"প্রাপককে পাওয়া যায়নি।"
​কিন্তু আমি আর আগের মতো সহজে লিখতে পারি না। কারণ আমি জানি, কখনো কখনো মানুষ ঠিকানায় থাকে না। অভিমানে থাকে। দূরত্বে থাকে। ভুল বোঝাবুঝিতে থাকে। কখনো বিদেশে থাকে। কখনো কবরের নিচে। আর কখনো, একই বাড়িতে থেকেও একটা দরজার ওপাশে থাকে। তাই কোনো চিঠি হাতে নিয়ে যদি মনে হয়, "লোকটা তো নেই।" আমি একটু অপেক্ষা করি। কারণ ঠিকানাটা ভুল হতে পারে। কিন্তু চিঠিটা নয়। চিঠি সাধারণত ঠিক মানুষটার কাছেই যেতে চায়। শুধু পৌঁছাতে কখনো কখনো একজন কামালের দরকার হয়!
-কপি: সোহেল ভাই।

বৃহত্তর যশোরের সন্তান কৌতুক অভিনেতা মজিবর রহমান বাংলাদেশের একজন অন্যতম জনপ্রিয় লোক-কৌতুক শিল্পী। ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজে...
23/08/2026

বৃহত্তর যশোরের সন্তান কৌতুক অভিনেতা মজিবর রহমান বাংলাদেশের একজন অন্যতম জনপ্রিয় লোক-কৌতুক শিল্পী। ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার, দুধসর ইউনিয়নের,নাকোইল গ্রামের এই কৃতি সন্তান যিনি মূলত তাঁর নিজস্ব গ্রামীণ আঞ্চলিক ভাষা ও হাস্যরসাত্মক ভঙ্গির মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেছেন।ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ার প্রসারের আগে ক্যাসেট ও সিডি-ভিসিডির যুগে তাঁর কৌতুকগুলো ঘরে ঘরে বিপুল সাড়া ফেলেছিল। নিচে তাঁর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরা হলো:প্রাথমিক জীবন ও কৌতুক জগতে আগমনআঞ্চলিক শৈলী: তিনি বাংলাদেশের বিশেষ গ্রামীণ লোকজ পটভূমি এবং আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করে তাঁর কৌতুকগুলো সাজিয়ে থাকেন।
ক্যাসেট যুগের তারকা: নব্বইয়ের দশক এবং ২০০০ সালের শুরুর দিকে তাঁর কৌতুক ও হাস্যরসাত্মক গান সংবলিত অডিও ও ভিডিও ক্যাসেট বাজারে দেদারসে বিক্রি হতো।অনলাইন মাধ্যমে সক্রিয়তা: ক্যাসেটের যুগ পেরিয়ে বর্তমানে ইউটিউব এবং ফেসবুকের মতো ডিজিটাল মাধ্যমেও তিনি নিজস্ব নাটক ও মজার গান প্রকাশ করে নিয়মিত বিনোদন দিয়ে যাচ্ছেন।কাজের ধরণ ও উল্লেখযোগ্য
বিষয়সমূহবাস্তবধর্মী হাস্যরস: গ্রামীণ সমাজের প্রাত্যহিক ঘটনা, পারিবারিক কলহ ও সাধারণ মানুষের আচার-আচরণকে তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপন করেন।জনপ্রিয় নাটক ও গান: তাঁর "৪ বউ" বা "তোরে বিয়া কইরা"র মতো বহু কমেডি গান ও নাটিকা শ্রোতাদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়।লোকশিল্পী হিসেবে সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বি। সমসাময়িক অনেক ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার কৌতুক এবং বিভিন্ন ভাইরাল গান গুলো কপি করা। সত্যি বলতে এখন যদিও এগুলো ব্যাকডেটেড মনে হয় কিন্তু দুই হাজার সালের দিকে বা পরবর্তীতে মানুষের বিনোদন বলতে এগুলা বেশ কার্যকারী ছিল।গ্রামের সহজ সরল মানুষ গুলোই বেশি ভক্ত ছিল তার।সারা বাংলাদেশে এখনো তার যথেষ্ট ভক্ত রয়েছে।মুজিবুর রহমান আপনি ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আপনার জন্য দোয়া রইল।

আমার জীবনের প্রিয় চার ব্যক্তিত্ব!...🫡প্রথম ভাইয়ের কাছ থেকে সুন্দরবনের খাঁটি মধু নেই। মধু খেয়ে ডায়াবেটিস বেড়ে গেলে জাহাঙ্...
16/08/2026

আমার জীবনের প্রিয় চার ব্যক্তিত্ব!...🫡
প্রথম ভাইয়ের কাছ থেকে সুন্দরবনের খাঁটি মধু নেই। মধু খেয়ে ডায়াবেটিস বেড়ে গেলে জাহাঙ্গীর কবির স্যারের কাছে যাই। স্যারের ডায়েট করে ডায়াবেটিস কমাই।
কিন্তু কিটো ডায়েট ফলো করতে গিয়ে দুর্বল হয়ে গেলে জামশেদ ভাইয়ের কাছ থেকে হানি নাটস নেই।
হানি নাটস খেয়ে বল-শক্তি ফিরে পেলে পূর্ণ উদ্যমে পিনাকী স্যারের ভিডিও দেখি। স্যারের ভিডিও দেখে অতিরিক্ত জোশে উত্তেজিত হয়ে আবগে মধু খেয়ে ফেলি।
মধু খেয়ে ডায়াবেটিস বেড়ে গেলে জাহাঙ্গীর কবির স্যারের কাছে যাই!...🥴
#মানবজীবন :)

📢 ই-পাসপোর্টের জন্য ফিঙ্গার দিতে যাবেন?🇸🇦 সৌদি প্রবাসী ভাইদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য!ই-পাসপোর্টের আবেদন করার পর ফিঙ্গার/...
12/08/2026

📢 ই-পাসপোর্টের জন্য ফিঙ্গার দিতে যাবেন?
🇸🇦 সৌদি প্রবাসী ভাইদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য!
ই-পাসপোর্টের আবেদন করার পর ফিঙ্গার/বায়োমেট্রিক দিতে যাওয়ার সময় প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সঙ্গে নেওয়া খুবই জরুরি। কোনো কাগজ বাদ না যায়, তাই যাওয়ার আগে নিচের তালিকাটি অবশ্যই মিলিয়ে নিন। ✅
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🟢 ১️⃣ জন্মনিবন্ধন দিয়ে আবেদন করলে
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📄 ১। অনলাইনে পূরণকৃত আবেদনপত্র — ৪ কপি
📸 ২। বর্তমান পাসপোর্টের ছবি/কপি — ১ কপি
🪪 ৩। ইকামার ছবি/কপি — ১ কপি
📜 ৪। সিলওয়ালা জন্মনিবন্ধনের কপি — ১ কপি
🌐 ৫। জন্মনিবন্ধনের অনলাইন ভেরিফাইড কপি — ১ কপি
📌 মোট: ৮টি ডকুমেন্টস
➕ মূল পাসপোর্ট অবশ্যই সঙ্গে রাখবেন। ✅
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔵 ২️⃣ NID দিয়ে আবেদন করলে
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📄 ১। অনলাইনে পূরণকৃত আবেদনপত্র — ৪ কপি
📸 ২। বর্তমান পাসপোর্টের ছবি/কপি — ১ কপি
🪪 ৩। ইকামার ছবি/কপি — ১ কপি
🆔 ৪। NID-এর ছবি/কপি — ১ কপি
📌 মোট: ৭টি ডকুমেন্টস
➕ মূল পাসপোর্ট অবশ্যই সঙ্গে রাখবেন। ✅
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: যাওয়ার আগে আপনার নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিস/দূতাবাসের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী ডকুমেন্টের তালিকা মিলিয়ে নেবেন। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত কপি সঙ্গে রাখাই ভালো।
📌 পোস্টটি সেভ করে রাখুন এবং প্রয়োজন আছে এমন একজন প্রবাসী ভাইয়ের কাছে শেয়ার করে দিন। ❤️
🇧🇩 প্রবাসীদের প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

একজন প্রফেসরের ছেলের যদি এই জীর্ণ দশা হয় তাহলে আমাদের মত সাধারন পরিবারকে কিভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবো বলেন???খবর- খাজুরা নিউজ...
12/08/2026

একজন প্রফেসরের ছেলের যদি এই জীর্ণ দশা হয় তাহলে আমাদের মত সাধারন পরিবারকে কিভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবো বলেন???

খবর- খাজুরা নিউজ
চতুরবাড়িয়া বাজারে পুলিশি অভিযান: ৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার জহুরপুর ইউনিয়নের চতুরবাড়িয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ পিস ইয়াবাসহ মিনহাজুর রহমান (স্বাধীন ) (২৯) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে শালিখা থানা পুলিশ।
​সোমবারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শালিখা থানা পুলিশের একটি দল চতুরবাড়িয়া বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে। আটককৃত মিনহাজুর রহমান বাঘারপাড়া উপজেলার হলদা গ্রামের প্রফেসর মিজানুর রহমানের ছেলে।
​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চতুরবাড়িয়া বাজার এলাকায় মাদকের লেনদেন হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। পরে মিনহাজুর রহমানকে তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানা পুলিশ জানায়, আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

Dad, I still can't believe you're gone. It hasn't sunk in, or rather, I don't want to. It's so hard to imagine that I wo...
12/08/2026

Dad, I still can't believe you're gone. It hasn't sunk in, or rather, I don't want to. It's so hard to imagine that I won't see you anymore, that we won't talk anymore. I know you were suffering and that it's for the best, but you left too soon. We still had so much to enjoy together.

You kept asking me to play in the last World Cup, and it was just days before it started that you were at your worst. It was the first time you weren't going to be at a tournament, but Mom kept telling me you'd be better and that you'd be well enough to travel. I kept telling you we were going to make it to the final so you could go.

Every time a game ended, I waited and missed your message. That's when I realized how awful the situation really was. Even so, I kept thinking about going as far as possible, to give you time to see a game. We made it to the final, and you couldn't be there. I wanted to win it so I could take it home and show you a new one. I couldn't, my legs just wouldn't give out. This time I tried to push myself against my body, but I couldn't. I never felt right.

When I arrived, you thought we'd lost the final on penalties. We couldn't talk about anything that happened. You couldn't enjoy it at all. We weren't champions, but you have no idea how much we enjoyed every single match. Once again, you were right: I had to be there and play.

I'm telling you this because it was the only thing we couldn't talk about, because you already know everything else. We talked every day and saw each other whenever my schedule allowed.

I don't know what I'm going to do without you, I don't know how to go on. I just played football, and now I seriously doubt I'll be able to keep doing it for much longer. You were by my side from the very beginning, there was so little time left until the end. Why couldn't you stick it out just a little longer and we could have finished together? I know your happiness came from seeing your family, your wife, your children, and above all, without anyone else finding out, seeing me play… 😉 It was always like that from a young age. You took me to every practice as soon as you got home from work. My mom took me to many of them because you were working.

Of course, you never missed a game. You suffered watching me play and enjoyed it so much, even though you never showered me with praise.

You were a father, a friend, and an agent. You were always the person you needed to be in every situation, and you were never wrong about anything. Despite a few disagreements or arguments, you were always right. In the end, things always worked out the way you said they would.

I'm going to miss you so much, but you'll always be present, especially in my children's upbringing, because I teach and raise them the way you raised me.

Rest in peace and watch over us from above as you did here. Thank you for everything. I love you, Dad. ❤️ @ Leo Messi

বাবা, আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না যে তুমি চলে গেছো। ব্যাপারটা এখনও আমার মাথায় ঢুকছে না, বা বলা ভালো, আমি ঢুকতেই চাই না। এটা ভাবা খুব কঠিন যে আমি তোমাকে আর দেখতে পাব না, আমাদের আর কথা হবে না। আমি জানি তুমি কষ্ট পাচ্ছিলে এবং এটাই তোমার জন্য ভালো হয়েছে, কিন্তু তুমি খুব তাড়াতাড়ি চলে গেলে। আমাদের একসাথে উপভোগ করার মতো আরও কত কিছু ছিল।

তুমি আমাকে গত বিশ্বকাপে খেলার জন্য বারবার অনুরোধ করছিলে, অথচ বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েকদিন আগে তোমার অবস্থা সবচেয়ে খারাপ ছিল। এই প্রথমবার তুমি কোনো টুর্নামেন্টে থাকতে পারছ না, কিন্তু মা আমাকে বারবার বলছিল যে তুমি ভালো হয়ে যাবে এবং ভ্রমণের জন্য যথেষ্ট সুস্থ হয়ে উঠবে। আমি তোমাকে বারবার বলছিলাম যে আমরা ফাইনালে উঠব, যাতে তুমি যেতে পারো।

প্রতিবার খেলা শেষ হওয়ার পর, আমি অপেক্ষা করতাম আর তোমার মেসেজ পেতাম না। তখনই আমি বুঝতে পারলাম পরিস্থিতিটা আসলে কতটা ভয়াবহ ছিল। তা সত্ত্বেও, আমি যতটা সম্ভব দূরে যাওয়ার কথা ভাবছিলাম, যাতে তুমি একটা খেলা দেখার সুযোগ পাও। আমরা ফাইনালে পৌঁছেছিলাম, আর তুমি সেখানে থাকতে পারলে না। আমি এটা জিততে চেয়েছিলাম, যাতে আমি এটা বাড়ি নিয়ে গিয়ে তোমাকে একটা নতুন শিরোপা দেখাতে পারি। আমি পারিনি, আমার পা দুটো যেন কিছুতেই চলছিল না। এবার আমি নিজের শরীরের বিরুদ্ধে গিয়ে নিজেকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু পারিনি। আমার কখনোই ঠিক মনে হচ্ছিল না।

আমি যখন পৌঁছালাম, তুমি ভেবেছিলে আমরা পেনাল্টিতে ফাইনালটা হেরে গেছি। যা যা ঘটেছিল, তার কোনোটা নিয়েই আমরা কথা বলতে পারিনি। তুমি ব্যাপারটা একেবারেই উপভোগ করতে পারোনি। আমরা চ্যাম্পিয়ন ছিলাম না, কিন্তু আমাদের প্রত্যেকটা ম্যাচ যে কতটা ভালো লেগেছিল, সে সম্পর্কে তোমার কোনো ধারণাই নেই। আরও একবার, তুমিই ঠিক ছিলে: আমাকে সেখানে থাকতেই হতো এবং খেলতেই হতো।

আমি তোমাকে এটা বলছি কারণ এটাই একমাত্র বিষয় ছিল যা নিয়ে আমরা কথা বলতে পারতাম না, কারণ বাকি সবকিছুই তো তুমি জানো। আমরা প্রতিদিন কথা বলতাম এবং আমার সময়সূচী অনুযায়ী যখনই সুযোগ পেতাম, দেখা করতাম।

তোমাকে ছাড়া আমি কী করব জানি না, কীভাবে এগিয়ে যাব জানি না। আমি শুধু ফুটবল খেলেছি, আর এখন আমার গুরুতর সন্দেহ হচ্ছে যে আমি আর বেশিদিন এটা চালিয়ে যেতে পারব কি না। তুমি একদম শুরু থেকেই আমার পাশে ছিলে, শেষ হতে আর খুব অল্প সময় বাকি ছিল। তুমি আর একটু ধৈর্য ধরতে পারলে না কেন, যাতে আমরা একসাথে শেষ করতে পারতাম? আমি জানি তোমার আনন্দ আসত তোমার পরিবার, তোমার স্ত্রী, তোমার সন্তানদের দেখে, এবং সর্বোপরি, অন্য কেউ জানতে না পেরে, আমাকে খেলতে দেখে… 😉 ছোটবেলা থেকেই সবসময় এমনটাই ছিল। কাজ থেকে বাড়ি ফিরেই তুমি আমাকে প্রত্যেকটা অনুশীলনে নিয়ে যেতে। আমার মা আমাকে অনেকগুলোতে নিয়ে যেত কারণ তুমি কাজে থাকতে।

অবশ্যই, তুমি কোনো খেলাই বাদ দিতে না। আমাকে খেলতে দেখে তুমি কষ্ট পেতে এবং একই সাথে খুব উপভোগ করতে, যদিও তুমি কখনো আমার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলে না।

তুমি ছিলে একজন বাবা, একজন বন্ধু এবং একজন এজেন্ট। তুমি সবসময় প্রত্যেক পরিস্থিতিতে ঠিক সেই মানুষটাই ছিলে যেমনটা হওয়া দরকার, এবং কোনো কিছুতেই তোমার ভুল হতো না। কিছু মতবিরোধ বা তর্কবিতর্ক সত্ত্বেও, তুমিই সবসময় সঠিক ছিলে। শেষ পর্যন্ত, সবকিছু ঠিক সেভাবেই ঘটত যেভাবে তুমি বলতে।

আমি তোমাকে খুব মিস করব, কিন্তু তুমি সবসময় আমার মাঝে থাকবে, বিশেষ করে আমার সন্তানদের বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে, কারণ তুমি আমাকে যেভাবে বড় করেছ, আমিও তাদের সেভাবেই শেখাই এবং বড় করি।

শান্তিতে ঘুমাও এবং এখান থেকে যেমন আমাদের উপর নজর রাখতে, উপর থেকেও ঠিক তেমনই রাখো। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ। আমি তোমাকে ভালোবাসি, বাবা। ❤️ @ Leo Messi

আড়ুয়াকান্দি নিবাসী ঘরের স্বাদ হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এর ২নং মালিক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম শিকদার অপারেশন এরপর আজ ভোর ৪টার দিকে...
12/08/2026

আড়ুয়াকান্দি নিবাসী ঘরের স্বাদ হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এর ২নং মালিক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম শিকদার অপারেশন এরপর আজ ভোর ৪টার দিকে স্ট্রোক জনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন।
(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
আল্লাহ তাআলা উনার সকল গুনাহ খাতা মাফ করে দিন, তাঁর ওপর রহমত নাজিল করুন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন। এই কঠিন সময়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সুন্দর ধৈর্য্য (সবরে জামিল) ধারণ করার তৌফিক দান করুন।

Address

Magura

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shimakhali High School ॥ সীমাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Shimakhali High School ॥ সীমাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়:

Shortcuts

Share