Shimakhali High School ॥ সীমাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়

  • Home
  • Bangladesh
  • Magura
  • Shimakhali High School ॥ সীমাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়
Website Contact the university

Shimakhali High School ॥   সীমাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সীমাখালী স্কুল এ্যান্ড কলেজ আমাদের অনেক প্রিয় সীমাখালী হাই স্কুল,যারা এই স্কুলকে অনেক বেশী ভালবাসেন তারা পেজে লাইক দিন ।

হুমায়ূন ফরীদিকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, “আপনি এত অসাধারণ একজন অভিনেতা। সিনেমায় ভিলেনের এসব ভাঁড়ামি কেন করেন?”ফরীদি খুব...
27/09/2026

হুমায়ূন ফরীদিকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, “আপনি এত অসাধারণ একজন অভিনেতা। সিনেমায় ভিলেনের এসব ভাঁড়ামি কেন করেন?”

ফরীদি খুব সহজভাবে উত্তর দিয়েছিলেন, “পেটের দায়ে করি।”

তিনি আরও বলেছিলেন, থিয়েটারে কাজ করার সময় রিকশায় যাতায়াত করতেন। টেলিভিশনে কাজ শুরু করার পর ট্যাক্সিতে যাতায়াত করেছেন। আর সিনেমায় কাজ শুরু করার পর নিজের গাড়িতে যাতায়াত শুরু করেছেন।

এই কথার ভেতরেই আমাদের দেশের শিল্পীদের বাস্তবতার একটা নির্মম ছবি লুকিয়ে আছে।

আমাদের দেশে যারা শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করেন, তারা অনেকটা জেনেবুঝেই এমন একটি পথে হাঁটেন, যেখানে অর্থের নিশ্চয়তা নেই, সামাজিক নিরাপত্তা নেই, অনেক সময় প্রাপ্য সম্মানটুকুও নেই। তবুও মানুষ তার জীবনের একটা বড় সময় এখানে ব্যয় করেন। নিজের মেধা, শ্রম, স্বপ্ন এবং সৃষ্টিশীলতার সবটুকু ঢেলে দেন।

কিন্তু কেন?

কবি রিফাত চৌধুরীর কথাই ধরা যাক। আজকের মিডিয়া তাকে মূলত অভিনেতা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়। অথচ আশির দশকের অন্যতম শক্তিমান কবি রিফাত চৌধুরী। সময়ের সঙ্গে মানুষ কবিকে ভুলে গেছে, অভিনেতাকে মনে রেখেছে।

এমনকি প্রথম আলোর মতো পত্রিকাকেও শিরোনাম করতে হয়েছে, “অভিনেতা রিফাত চৌধুরী এখন কেমন আছেন?”

অথচ এই মানুষটি কত অসাধারণ, কত শক্তিশালী কবিতা লিখেছেন, তা নিয়ে আমাদের সাংস্কৃতিক পরিসরে কতটা আলোচনা হয়েছে? রাষ্ট্রই বা তাঁর মতো একজন কবির পাশে কতটা দাঁড়িয়েছে?

মারজুক রাসেলের ক্ষেত্রেও একই বাস্তবতা।

যারা তাঁর কবিতা পড়েছেন, তাঁর লেখা গান শুনেছেন, তারা জানেন তিনি কতটা শক্তিমান একজন কবি ও গীতিকার। অথচ জীবিকার প্রয়োজনে তাঁকে নিয়মিত টেলিভিশনে অভিনয় করতে হয়। জনপ্রিয় ধারাবাহিকেও কাজ করতে হয়।

ফলে একটি প্রজন্ম মারজুক রাসেলকে তাঁর কবিতা কিংবা গীতিকবিতার জন্য নয়, একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবেই বেশি চেনে। তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়, তাঁর কাব্যিক শক্তি অনেকটাই আড়ালে পড়ে গেছে।

সমস্যাটা শুধু শিল্পীদের নয়। সমস্যাটা আমাদেরও।

আমরা শিল্পীর সবচেয়ে সহজলভ্য পরিচয়টাকেই মনে রাখি। যে পরিচয়টি আমাদের বিনোদন দেয়, সেটিই সামনে রাখি। কিন্তু সেই মানুষটির দীর্ঘদিনের সাধনা, সাহিত্য, মেধা ও সৃষ্টিশীলতার জায়গাগুলো নিয়ে খুব কমই কথা বলি।

হুমায়ূন ফরীদিকে দিয়েই শেষ করি।

ফরীদি কত বড় মাপের অভিনেতা ছিলেন, সেটা হয়তো বাংলাদেশে জন্ম না নিলে পৃথিবী আরও ভালোভাবে দেখতে পেত। আমরা ইরফান খান, নাসিরুদ্দিন শাহদের অভিনয় প্রতিভার প্রশংসা করি। অথচ হুমায়ূন ফরীদি তাঁদের চেয়ে কোনো অংশে কম ছিলেন না।

কিন্তু আমাদের প্রজন্মের বড় একটি অংশ তাঁকে চেনে বাংলা সিনেমার ভিলেন কিংবা হাস্যরসাত্মক চরিত্রের অভিনেতা হিসেবে। মঞ্চের সেই শক্তিমান ফরীদি, কিংবা টেলিভিশনের কানকাটা রমজান, তাঁর অভিনয়ের গভীরতা এবং ব্যাপ্তি অনেকের কাছেই অচেনা।

একজন শিল্পী যখন জীবিকার প্রয়োজনে এমন কিছু কাজ করেন, যা তাঁর প্রকৃত শিল্পীসত্তাকে আড়াল করে দেয়, তখন শুধু শিল্পী নন, ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো সমাজ।

কারণ একজন কবিকে শুধু অভিনেতা হিসেবে মনে রাখা, একজন গীতিকারকে শুধু অভিনয়শিল্পী হিসেবে চেনা কিংবা একজন অসাধারণ অভিনেতাকে শুধু ভিলেন হিসেবে মনে রাখা মানে তাঁর সৃষ্টিশীল জীবনের একটি বড় অংশকে হারিয়ে ফেলা।

শিল্পীদের শুধু হাততালি নয়, প্রয়োজন সম্মান, পৃষ্ঠপোষকতা এবং বেঁচে থাকার নিরাপত্তা।

কবি রিফাত চৌধুরীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।

রাষ্ট্র এবং সমাজ যেন তাঁর মতো একজন শক্তিমান কবির প্রতি যথাযথ দায়িত্ব ও সম্মান দেখায়। তাঁর সাহিত্যকর্ম যেন নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছায়। কারণ একজন কবিকে বাঁচিয়ে রাখা মানে শুধু একজন মানুষকে বাঁচিয়ে রাখা নয়, আমাদের সাহিত্য ও সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে বাঁচিয়ে রাখা।

খুবই চুপচাপ স্বভাবের মেয়ে শারমীন। ক্লাসের অনেকেই হয়তো তাকে ঠিকভাবে চিনতও না। অথচ নীরবে, নিজের মতো করে, জীবনের সবচেয়ে কঠি...
25/09/2026

খুবই চুপচাপ স্বভাবের মেয়ে শারমীন। ক্লাসের অনেকেই হয়তো তাকে ঠিকভাবে চিনতও না। অথচ নীরবে, নিজের মতো করে, জীবনের সবচেয়ে কঠিন লড়াইটা চালিয়ে যাচ্ছিল সে।
২০২১ সালে জন্ম নেয় তার জমজ সন্তান। একদিকে সংসার, অন্যদিকে দুই সন্তানকে সামলানো, তার ওপর নিজের স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখা। এই পথটা কতটা কঠিন ছিল, তার পরিমাণ হয়তো খুব কম মানুষই জানে। এমনকি ১৮তম বিজেএসের লিখিত পরীক্ষার সময়ও তার সন্তান হাসপাতালে ভর্তি ছিল। মায়ের মন পড়ে ছিল হাসপাতালে, কিন্তু স্বপ্নের পরীক্ষার জন্য তাকে সেই সময়টায় কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে।
কারও ন্যূনতম ধারণাও ছিল না, এই চুপচাপ মেয়েটিই একদিন সিভিল জজ হবে!
মেধাক্রম ২৪!
শারমীনের নিজের ভাষায় -
“২০১৫ সালে SSC পরীক্ষা শেষ করার পর ২০১৬ সালে আমার বিয়ে হয়। এরপর ২০২১ সালে আমি জমজ সন্তানের মা হই। এই দীর্ঘ পথচলায় আমার স্বামী মো. আশাদুল হক ছায়াসঙ্গী হিসেবে সবসময় পাশে থেকেছে। উচ্চশিক্ষার প্রতি আমার আগ্রহকে সবসময়ই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির মানুষজন উৎসাহ ও সহযোগিতা করেছেন।
আমার এই স্বপ্ন পূরণের পথে শিক্ষক, বন্ধুবান্ধব ও পরিবারকেও পাশে পেয়েছি। অনার্স-মাস্টার্সের গণ্ডি পেরিয়ে অবশেষে বসলাম বিজেএস পরীক্ষায়। শুরুতে বাচ্চা ও সংসার সামলে বিজেএসের প্রস্তুতির জন্য সময় বের করতে পারিনি। কিন্তু মনের জেদটা ছিল তীব্র।
অবশেষে ১৮তম বিজেএসে সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলাম।
যে মহান দায়িত্ব পেতে চলেছি, তা যেন নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পালন করতে পারি এই জন্য সকলের কাছে দোয়া চাই।”
শারমীনের গল্পটা শুধু একজনের সাফল্যের গল্প নয়।
এটা নীরবে লড়ে যাওয়া একজন মায়ের গল্প, একজন স্ত্রীর গল্প, একজন স্বপ্নবাজ নারীর গল্প।
সংসার তাকে থামাতে পারেনি, মাতৃত্ব তাকে থামাতে পারেনি, প্রতিকূলতাও পারেনি। কারণ কিছু স্বপ্নের কাছে পথ যত কঠিনই হোক-হাল ছেড়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না।
আমাদের শারমিনের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।
© Islamic University, Kushtia

25/09/2026

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় বক্তব্য দিয়ে ভাইয়া ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন..!

TIN Certificate করতে চান? এখন আর ঝামেলা নয়!TIN Certificate করতে কোথায় যাবেন, কী লাগবে—এসব নিয়ে চিন্তায় আছেন?আমরা আপনাকে ...
24/09/2026

TIN Certificate করতে চান? এখন আর ঝামেলা নয়!
TIN Certificate করতে কোথায় যাবেন, কী লাগবে—এসব নিয়ে চিন্তায় আছেন?
আমরা আপনাকে সহজ ও দ্রুতভাবে TIN Certificate তৈরির সার্ভিস দিচ্ছি। ✅
✔️ সহজ প্রসেস
✔️ প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা
✔️ অনলাইনভিত্তিক সার্ভিস
✔️ সময় বাঁচান, ঝামেলা কমান
📩 TIN Certificate করতে চাইলে এখনই ইনবক্স করুন।

01723-372042

সন্তানকে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার না বানিয়ে প্রবাসী বানান।দূরে থাক, তবু বেঁচে থাক।
24/09/2026

সন্তানকে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার না বানিয়ে প্রবাসী বানান।
দূরে থাক, তবু বেঁচে থাক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী মালিক ফারিহা মেহনাজ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের (বিজেএস) ১৮তম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ...
24/09/2026

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী মালিক ফারিহা মেহনাজ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের (বিজেএস) ১৮তম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সিভিল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তিনি মেধাক্রমে তৃতীয় হয়েছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী মালিক ফারিহা মেহনাজ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের (বিজেএস) ১৮তম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সিভিল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তিনি মেধাক্রমে তৃতীয় হয়েছেন
এর আগে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তার স্বামী আল জাদিদ ১৭তম বিজেএস পরীক্ষায় তৃতীয় হয়ে উত্তীর্ণ হন। পরে তিনি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এবার ফারিহার সাফল্যে পরিবারে যুক্ত হলো নতুন আনন্দ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের ওয়েবসাইটে ১৮তম বিজেএস পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ২০০ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।
ফল প্রকাশের পর ফারিহার সাফল্যের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন তার স্বামী আল জাদিদ। স্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। আমার স্ত্রীকে সিভিল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে। মেধাক্রম ৩য় (আমার মতোই)।’
অন্যদিকে, মালিক ফারিহা মেহনাজ নিজের ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। সিভিল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত। মেধাক্রম ৩য়। ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা।’
© Post Credit the Daily Campus

Inspiration:ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়ছেন হৃদয় আহমেদ। ভোলা জেলার বোরহানউদ্দীনের একেবারে স্থানীয় একটি গ্রাম থেকে উঠে এসেছেন তি...
22/09/2026

Inspiration:

ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়ছেন হৃদয় আহমেদ।
ভোলা জেলার বোরহানউদ্দীনের একেবারে স্থানীয় একটি গ্রাম থেকে উঠে এসেছেন তিনি।
পরিবারে তিনিই প্রথম, যিনি উচ্চশিক্ষার জন্য এতদূর পর্যন্ত পড়াশোনা করছেন। তাঁর বাবা-মায়েরও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বেশি পড়াশোনা করার সুযোগ হয়নি। একসময় IELTS কী, সেটিও ভালোভাবে জানতেন না হৃদয়। বিদেশে পড়াশোনা করার স্বপ্নও ছিল না। অথচ সেই হৃদয়ই শেষ পর্যন্ত IELTS-এ অর্জন করেছেন কাঙ্ক্ষিত Band 9.0।

গল্পের শুরুটা হয়েছিল এক বন্ধুর IELTS পরীক্ষার ফলকে ঘিরে। বন্ধুটি অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার জন্য IELTS পরীক্ষা দিয়ে ৭.৫ পেয়েছিলেন। সেই উপলক্ষে দেওয়া হয়েছিল ট্রিট। আড্ডার একপর্যায়ে যখন হৃদয়ের কথা উঠল, তখন তাঁকে নিয়ে এমনভাবে কথা বলা হলো, যেন গ্রামের একটি ছেলে ইংরেজি শেখার স্বপ্ন দেখাটাই অস্বাভাবিক কিছু।

‘ও তো চর অঞ্চল থেকে পড়াশোনা করেছে! ওর স্বপ্নই তো IELTS-এ ৭.৫ পাওয়া!’

ভোলার বোরহানউদ্দীনের সেই গ্রামের ছেলেটির ইংরেজি তখনও ভালো ছিল না। Vocabulary কম ছিল।

তবে এসবের মধ্যেও একটা জিনিস তাঁর ছিল—শেখার জেদ।

একসময় নিজের কাছেই সিদ্ধান্ত নেন, যে ইংরেজি নিয়ে তাঁকে আজ অপমান করা হচ্ছে, একদিন সেই ইংরেজিই তাঁর পরিচয়ের একটি অংশ হবে।

তারপর শুরু হয় কঠিন এক যাত্রা। প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে ইংরেজি শেখা ও IELTS প্রস্তুতির সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে রাখেন হৃদয়। প্রতিদিন অনুশীলন করেছেন। ভুল করেছেন। আবার সেই ভুল থেকে শিখেছেন। কেউ হাসলেও অনুশীলন করেছেন। কেউ নিরুৎসাহিত করলেও থামেননি।

সব দিন অবশ্য সমান ছিল না। অনেক রাত গেছে

ঠিক সেই সময় পাশে ছিলেন তাঁর কাছের মানুষ সম্রাট কাকা।

হতাশ হয়ে তাঁকে ফোন করে হৃদয় বলতেন, ‘কাকা, হচ্ছে না। হতাশ লাগে।’

কাকার উত্তর ছিল খুব সাধারণ, কিন্তু হৃদয়ের জন্য তা হয়ে উঠেছিল বড় শক্তি।

একবার নয়, দুবার নয়, শেষ পর্যন্ত তিনবার IELTS পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ অনুশীলন, প্রস্তুতি, ভুল এবং হতাশা পেরিয়ে তৃতীয়বার অর্জন করেন Band 9.0।

যে ছেলেকে একদিন বলা হয়েছিল, ‘চর অঞ্চল থেকে পড়াশোনা করেছে, ওর তো স্বপ্ন ৭.৫ পাওয়া’, সেই ছেলেই শেষ পর্যন্ত IELTS-এ পেলেন ৯.০।

তাঁর কাছে Band 9.0 তাই শুধু একটি স্কোর নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে অপমান, অবহেলা, আত্মবিশ্বাস হারানোর মুহূর্ত, অসংখ্য ভুল, একাকীত্ব, প্রতিদিনের অনুশীলন এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, হাল না ছাড়ার সিদ্ধান্ত।

ইংরেজি শেখার শুরুতে যে ছেলেটি ভাবতেন, ‘আমি গ্রামের ছেলে, আমি কি সত্যিই পারব?’ আজ সেই প্রশ্নের উত্তর তিনি নিজের ফলাফল দিয়েই দিয়েছেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি ইংরেজি শেখা এবং IELTS প্রস্তুতিতে বছরের পর বছর সময় দেওয়া সহজ ছিল না। কিন্তু তিনি বুঝেছিলেন, দক্ষতা তৈরি হয় এক দিনে নয়। প্রতিদিনের ছোট ছোট অনুশীলনই একসময় বড় পরিবর্তন তৈরি করে।

আজ পেছনে ফিরে তাকালে তাই তাঁর কাছে IELTS-এর ৯.০ শুধু একটি অর্জন নয়, বরং একটি উত্তর। সেই মানুষগুলোর জন্যও উত্তর, যারা একসময় তাঁর স্বপ্নকে ছোট করে দেখেছিলেন।

তবে এই গল্প থেকে হৃদয়ের উপলব্ধি আরও বড়।

মানুষ আপনার স্বপ্ন নিয়ে হাসতে পারে। আপনাকে অবহেলা করতে পারে। আপনার সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। এমনকি আপনার স্বপ্নকেও ছোট করে দেখতে পারে।

কিন্তু আপনার স্বপ্নের মূল্য আপনাকেই ধরে রাখতে হবে।

কারণ কখনো কখনো মানুষের দেওয়া সবচেয়ে বড় অপমানটাই জীবনের সবচেয়ে বড় জেদ হয়ে দাঁড়ায়।

আর সেই জেদ যদি নিয়মিত পরিশ্রমের সঙ্গে মিশে যায়, তাহলে ভোলার একটি গ্রামের ছেলেও একদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়তে পড়তে IELTS-এর স্কোরবোর্ডে লিখতে পারেন Band 9.0।

Source: Publician

22/09/2026

কখন কার দরজায় কাকে দাঁড়াতে হবে,
এটা সৃষ্টিকর্তাই ভালো জানেন,
তাই কখনো মানুষের সাথে,অমানুষের মতো
আচরণ করা উচিত নয়...!

এটা কি সত্যিই মেনে নেওয়া যায়?কী অপরাধ ছিল তার? কেন তাকে এভাবে শাস্তি পেতে হলো? 💔কার কাছে বিচার চাইব?কার কাছে তুলে ধরব এই...
20/09/2026

এটা কি সত্যিই মেনে নেওয়া যায়?
কী অপরাধ ছিল তার? কেন তাকে এভাবে শাস্তি পেতে হলো? 💔
কার কাছে বিচার চাইব?
কার কাছে তুলে ধরব এই অসহায়ত্বের কথা?
কখনো কখনো মনে হয়—
এই দেশে জন্ম নেওয়াটাই যেন আজন্মের পাপ!
অন্যায় দেখেও নীরব থাকতে হয়,
অসহায় মানুষের কান্না দেখেও শুধু চোখের পানি ফেলতে হয়। 😔
হে আল্লাহ, তুমি সব দেখো, সব জানো।
এই নির্যাতিত মানুষের কান্নার ন্যায়বিচার তুমি দাও।
জুলুমের অবসান হোক, সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হোক। 🤲🖤

Address

Magura

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shimakhali High School ॥ সীমাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Shimakhali High School ॥ সীমাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়:

Shortcuts

Share