Department of Psychology, Government Titumir College

Call Contact the university

Department of Psychology, Government Titumir College This page represents the Department of Psychology, Govt. Titumir College which is monitored by it’s officials and students.

শুভ জন্মদিন স্যার! 🎂🎉আপনার নেতৃত্ব, প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতায় আমাদের ডিপার্টমেন্ট আরও সমৃদ্ধ ও এগিয়ে যাক বহুদূর। আপনার সুস্ব...
30/09/2026

শুভ জন্মদিন স্যার! 🎂🎉

আপনার নেতৃত্ব, প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতায় আমাদের ডিপার্টমেন্ট আরও সমৃদ্ধ ও এগিয়ে যাক বহুদূর। আপনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সাফল্য কামনা করছি। 🌸

23/09/2026

আমি জীবনে প্রায় দশ হাজার খাতা দেখেছি। বাংলা পরীক্ষার খাতা। লাল কালির কলম দিয়ে নম্বর দিয়েছি। কোথাও আট। কোথাও বারো। কোথাও পঁচিশ। কোথাও শূন্য। মানুষের লেখা দেখে মানুষকে বিচার করা আমার পেশা ছিল। কখনো ভাবিনি, একদিন একটা খাতা আমার নিজের জীবনটাকেই বিচার করবে।

ঘটনাটা আজ থেকে প্রায় বাইশ বছর আগের।

তখন আমি মোহনগঞ্জ হাই স্কুলের শিক্ষক। নবম শ্রেণির খাতা দেখতাম। সেবার একটা রচনা ছিল, “আমার দেখা একটি বর্ষার দিন।”

বেশিরভাগ ছাত্র একই কথা লিখেছিল। বৃষ্টি। কাদামাটি। ছাতা। ভেজা রাস্তা। খিচুড়ি। নদী। কারও কারও লেখায় রবীন্দ্রনাথও এসেছিলেন। কারও লেখায় নজরুল। কেউ লিখেছিল, “বর্ষা আমার প্রিয় ঋতু।” কেউ লিখেছিল, “বর্ষার সৌন্দর্য অপরূপ।” সবই পরিচিত কথা।

তারপর একটা খাতা পেলাম। খাতাটা অন্যগুলোর মতো ছিল না। ছেলেটা লিখেছিল,
“আমাদের বাড়িতে বৃষ্টি হলে মা হাঁড়ির নিচে আরেকটা হাঁড়ি বসায়। কারণ ছাদ দিয়ে পানি পড়ে।”
আমি পড়তে থাকলাম।
“আমার মা বলে, বৃষ্টি ভালো। কারণ বৃষ্টি হলে ধুলো কমে।”
তারপর,
“আমি বৃষ্টি পছন্দ করি না।”
পরের লাইনে কারণ লিখেছে,
“বৃষ্টির দিনে বাবার মেজাজ খারাপ থাকে।”
আমি একটু থেমে গেলাম।
ছেলেটা লিখেছে,
“বাবা রিকশা চালায়। বৃষ্টি হলে মানুষ রিকশায় কম ওঠে। তাই সেদিন আমাদের ভাত কম হয়।”
তারপর শেষ দিকে একটা লাইন,
“আমি বড় হয়ে এমন একটা কাজ করতে চাই, যেদিন বৃষ্টি হলে কারও ভাত কমবে না।”

আমি অবাক হয়ে দেখলাম, ছেলেটা সবগুলো প্রশ্নের উত্তর লেখেনি। মাত্র তিনটা প্রশ্নের উত্তর লিখেছে। বাকী দুইটাতে তেরো পেয়েছে। অর্থাৎ রচনায় বিশের মধ্যে বিশ না পেলে ছেলেটা ফেইল করবে।

জানি না কেন, আমি আমার শিক্ষাগত জীবনে প্রথমবারের মতো নিয়ম ভাঙলাম। আমি খাতাটা বন্ধ করলাম। উপরে নম্বর দিলাম, ৩৩।
৩৩ খুব বেশি নম্বর না। ছেলেটা ভালো লিখেছিল।
আমি খাতার উপর ছোট করে লিখে দিলাম,
“ভাষা ভালো। নিজের অভিজ্ঞতা ধরে রাখবে।”

সেদিন প্রায় একশো বিশটা খাতা দেখেছিলাম। রাতে বাসায় ফিরে খাতাটার কথা ভুলে গেলাম।

বারোদিন পর স্কুল থেকে একটা চিঠি এলো। কয়েকটা খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য পাঠানো হয়েছে। একটা খাতায় অভিযোগ, নম্বর বেশি দেওয়া হয়েছে। খাতাটা আমার হাতে এলো। আমি নাম দেখে চিনতে পারলাম। সেই ছেলেটা। নাম,
সাইফুল ইসলাম। তার নম্বর ৩৩ থেকে ২০ করার সুপারিশ করা হয়েছে।
কারণ হিসেবে হেডস্যার লিখেছেন,
“অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ। প্রশ্নের বিষয়বস্তু যথাযথভাবে উপস্থাপিত হয়নি।”

আমি আবার খাতাটা পড়লাম। একই লেখা। একই বৃষ্টি। একই ভাঙা ছাদ। একই রিকশাওয়ালা বাবা। আমি ৩৩ ই রাখলাম।

হেডস্যার আমার উপর প্রচন্ড ক্ষিপ্ত হলেন। এই কারণেই কি-না, মাসখানেক পর আমাকে রাঙামাটি সরকারি হাইস্কুলে বদলি করা হলো।

তারপর অনেক বছর কেটে গেল।

আমি অবসর নিলাম। আমার ছাত্ররা দেশের নানা জায়গায় ছড়িয়ে গেল। কেউ ডাক্তার। কেউ ব্যাংকার। কেউ শিক্ষক। কেউ বিদেশে। কেউ আর কোনোদিন যোগাযোগ করেনি। এটাই স্বাভাবিক। শিক্ষকের জীবনে ছাত্ররা আসে। থাকে।তারপর চলে যায়। শুধু কিছু খাতা থেকে যায়। কিছু বাক্য থেকে যায়।

একদিন দুপুরে আমার বাসায় একজন যুবক এল। বয়স পয়ত্রিশের কাছাকাছি। পরনে খুব সাধারণ শার্ট। হাতে একটা ফাইল।
সে বলল,
“স্যার, আমাকে চিনেছেন?”
আমি বললাম,
“চেহারা পরিচিত লাগছে।”
সে হাসল।
“চিনবেন না।”
তারপর ফাইল খুলে একটা পুরোনো কাগজ বের করল।
আমার লেখা।
লাল কালিতে।
“ভাষা ভালো। নিজের অভিজ্ঞতা ধরে রাখবে।”
আমি অনেকক্ষণ কাগজটার দিকে তাকিয়ে থাকলাম।
তারপর বললাম,
“সাইফুল?”
সে মাথা নেড়ে হাসল।
“জি।”
আমি অবাক হয়ে বললাম,
“এত বছর পর?”
“আপনাকে একটা জিনিস দেখাতে আসছি।”

সে ফাইল থেকে একটা ছবি বের করল। ছবিতে একটা বড় ঘর। অনেকগুলো মেশিন।
দেয়ালে লেখা,
“বৃষ্টির দিনেও কাজ বন্ধ হবে না।”
আমি ছবিটার দিকে তাকিয়ে বললাম,
“এটা কী?”
সে বলল,
“আমার কারখানা।”
“তুমি কারখানা করেছ?”
“জি।”
“কী তৈরি করো?”
“রেইনকোট।”
আমি হেসে ফেললাম।

সে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল।
আমি তাকে চা দিলাম।
সে বলল,
“স্যার, আমি একটা কথা বলতে চাই।”
“বলো।”
“আপনি যদি ঐ খাতায় ৩৩ না দিতেন!”
সে থেমে গেল।
“তাহলে?”
“বাবা আমার লেখাপড়া বন্ধ করে দিতো।”
তারপর একটা লম্বা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো।
”হয়তো বাবার মতো আমাকেও রিকশা চালাতে হতো।”
আমি জিজ্ঞেস করলাম,
“তুমি সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দাওনি কেন?”
সে একটু নিচের দিকে তাকাল।
“আমার মা খুব অসুস্থ ছিল।”
আমি চুপ করে শুনছিলাম।
“নেত্রকোনা হাসপাতালে ভর্তি ছিল। পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময়ও জানতাম না মা বাঁচবে কি না। হলের মধ্যে বসে বারবার মনে হচ্ছিল, আমি এখানে কী করছি?”
সে একটু থামল।
“সেদিন আমার মাথায় পরীক্ষা ছিল না, স্যার। শুধু মনে হচ্ছিল, মা একা শুয়ে আছে।”
“তোমার মা?”
“একমাস পর মারা গেছেন।”
আমি কিছুক্ষণ চুপ করে রইলাম।
বললাম,
“কলেজে ভর্তি হয়েছিলে?”
“জি”
“বিশ্ববিদ্যালয়?”
“জি?”
“কী নিয়ে পড়েছো?
“টেক্সটাইল।”
আমি হেসে বললাম,
“তাহলে রেইনকোটের সঙ্গে সম্পর্ক আছে।”
সে বলল,
“আছে।”
তারপর কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল।
“কিন্তু আমার আসল কাজ অন্য।”
“কী?”
সে জানালার দিকে তাকিয়ে বলল,
“আমি এমন কাপড় বানানোর চেষ্টা করি যেটা খুব সস্তায় মানুষের শরীর শুকনো রাখতে পারে।”
আমি বললাম,
“কেন?”
সে আমার দিকে তাকাল।
“কারণ আমি বৃষ্টিতে ভাত কম খেয়েছি।”

আমি আর কথা বললাম না। তারপর সে আমাকে কারখানায় নিয়ে গেল। বিশাল কারখানা। হাজারের উপর কর্মী। বেশিরভাগই নারী।
একটা মেশিনের সামনে দাঁড়িয়ে সাইফুল বলল,
“বৃষ্টি হলে এখানে কারো ভাতের অভাব হয় না।”
আমি বললাম,
“তুমি কি সব কর্মীকে বৃষ্টির দিনে বাড়তি টাকা দাও?”
সে বলল,
“না।”
“তাহলে?”
“বৃষ্টি হলে কাজ বেশি দিই।”
আমি বুঝলাম না।
সে বলল,
“বাইরে যারা রাস্তায় কাজ করতে পারে না, তাদের জন্য এই কারখানাটা খোলা থাকে।”

তারপর আরেকটা মেশিনের পাশে গিয়ে দাঁড়াল।
একজন মহিলা সেলাই করছিল।
সাইফুল তাকে বলল,
“খালা, আজ কয়টা?”
মহিলা বললো,
“বত্রিশ।”
সাইফুল হেসে বলল,
“ঠিক আছে।”
আমি জিজ্ঞেস করলাম,
“তার নাম?”
“শাহিদা।”
“কতদিন ধরে কাজ করে?”
“দুই বছর।”
শাহিদা আমাদের দিকে তাকিয়ে একটু হাসলো।
তারপর আবার কাজ করতে লাগলো।

বাড়ি ফেরার আগে সে আমাকে একটা ছোট প্যাকেট দিল।
আমি বললাম,
“এটা কী?”
“পড়ে খুলে দেখবেন।”
“কেন?”
“আমার সামনে খুললে আমি লজ্জা পাব।”
আমি হেসে প্যাকেটটা নিলাম।

বাড়ি ফেরার পথে খুলে দেখি, একটা রেইনকোট। খুব সুন্দর। ভেতরে ছোট একটা কাগজ। তাতে লেখা- “স্যার, আপনি আমাকে নম্বর দিয়েছিলেন। আমি শুধু চেষ্টা করেছি, নম্বরটার মান রাখতে।”
আমি অনেকক্ষণ কাগজটা হাতে নিয়ে বসে থাকলাম। সময়টা উদযাপন করতেই কি-না, বৃষ্টি পড়তে শুরু করলো। আমি রেইনকোটটা ব্যাগ থেকে বের করে গায়ে দিলাম। রাস্তা ভিজে যাচ্ছিল। রিকশাগুলো ধীরে চলছিল। দোকানের টিনের চাল থেকে পানি পড়ছিল। একটা বাচ্চা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে ছিল। তার হাতে ছাতা নেই। কিন্তু সে ভয় পাচ্ছিল না। আমি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে তাকে দেখলাম। তারপর হঠাৎ মনে হলো, মাঝে মাঝে পৃথিবীর এক প্রান্তে নিয়ম ভাঙতে হয়, যেন পৃথিবীর আরেক প্রান্তে দারুণ কিছু গড়ে ওঠে।

আমি হয়তো সারা জীবন খাতায় নম্বর দিয়েছি। কিন্তু সেদিন প্রথমবারের মতো বুঝতে পেরেছি, কখনো কখনো একজন শিক্ষক শুধুমাত্র ছাত্রের খাতা দেখেন না। তার সামনে পড়ে থাকে একজন মানুষের ভবিষ্যৎ। আর সেই ভবিষ্যৎকে পাশ করিয়ে দেওয়ার জন্য সামান্য কয়টা নম্বরই যথেষ্ট!

©সংগৃহিত

Artwork by Rohana Zaman 💥
22/09/2026

Artwork by Rohana Zaman 💥

21/09/2026

Psychology💥

17/09/2026

All eyes on 22nd September 🖤
Video credit: Fuad Mahbub

15/09/2026

All eyes on 22 September!
24-25 Dhaka Central University PsychologyX25-26 Orientation
Camera : Jayed Omar
Edit : Fuad Mahbub
Acting : Shamsun Nahar Ela ,Sanjana Yeasmin,fuad , Momin Muhimim Prince

Tujhe koi yaad karega Q?Koi Teri baat Q sunega?Koi Teri saat Chalega Q?কারন আপনি ভাইভাবোর্ডে নার্ভাস ছাত্রটির প্রতিরক্ষা...
05/05/2026

Tujhe koi yaad karega Q?
Koi Teri baat Q sunega?
Koi Teri saat Chalega Q?
কারন আপনি ভাইভাবোর্ডে নার্ভাস ছাত্রটির প্রতিরক্ষা ঢাল।কারন আপনি সর্বদা সাহায্যকারী ছিলেন।কারন আপনি মানবিক গুনের অধিকারী।

যাইহোক একটু ফ্লাশব্যাকে যাই, ২০১৯ এ যখন ভর্তি হই,তখন ভাবতাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বুঝি রাগী ও গুরুগম্ভীর হয়।কিন্তু আমার ভুল ভাঙতে সময় লাগলো না।যথেষ্ট ফ্রেন্ডলি ও হেল্পফুল শিক্ষক আমরা পেয়েছি।তাদের মধ্যে সাজিয়া ম্যামও অন্যতম।সাজিয়া ম্যাম ডিপার্ট্মেন্টের শুরু থেকেই আছেন।শুরু থেকেই সবকিছু আগলে রেখে ডিপার্টমেন্টের সম্প্রসারণ করেছেন।আজ উনি চলে যাচ্ছেন, কিন্তু ডিপার্টমেন্টকে রেখে যাচ্ছেন।

আজ মনের মধ্যে একটা মিশ্র অনুভূতি কাজ করছে।খুশি কারন একজন মহান মানুষকে সম্মান জানাতে পারছি আর বেদনা কারন উনার অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটছে।

ম্যামের সম্পর্কে যদি একটি শব্দ বলি অসাধারণ আর ম্যামের ক্লাস নেওয়ার ধরন সম্পর্কে যদি বলি- ম্যাম সর্বদা রিয়েলিস্টিক ও জীবনমুখী উদাহরণ যেমন সিএনজিওয়ালা,রিকশাওয়ালা, কাজের বুয়া, নিজের পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে কঠিন বিষয়কেও সহজে বুঝিয়ে দিতেন।ম্যাম ক্লাসে আমাদেরকে শুধু পড়ানই নয়, জীবমলর মানে খুজতে শিখিয়েছেন।

Wo Ustad hi kya jo sirf Sabaq sikha de,
Ustad to wo hai jo jindagi Sikha de.

ম্যাম সেই শিক্ষক যিনি বইয়ের বাইরে বাস্তব দুনিয়ার অনেক কিছুই শিখিয়েছেন। ম্যামের একটি বিখ্যাত উক্তি রয়েছে," আমরা আবেগি হবো কিন্তু আবেগ দ্বারা পরিচালিত হবো না।"
আমাদের জীবনের প্রতিটি মোড়ে আপনার কথা, উপদেশ পথ দেখাবে।আপনি অবসর নিলেও এর প্রভাব কখনোই অবসর নিবে না।

Rukhsat to ho rahe ho,magar yaad rakhna,
Har dil main apka ek maqam rehega.

আপমার অবসরোত্তর জীবন সুখ, শান্তি, আনন্দ, গৌরবের হোক।আপনি আমাদের হদয়ে থাকবেন চিরকাল।ধন্যবাদ আমাদের গুরু হওয়ার জন্য, ধন্যবাদ আমাদেরকে শিখানোর জন্য।

30/04/2026

আসসালামু আলাইকুম,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।

আমাদের সবার প্রিয় ও শ্রদ্ধেয় Professor সাজিয়া আফরিন খান ম্যাম আগামী ৫ মে ২০২৬ তারিখে অবসর গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। ম্যামের শেষ কর্মদিবস ৪ মে।

এই উপলক্ষে আমরা সাইকোলজি ডিপার্টমেন্টের রানিং স্টুডেন্টরা মিলে একটি ছোট্ট অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি।

মনোবিজ্ঞান বিভাগের বর্তমান সকল ব্যাচ এবং সাবেক সকল ব্যাচের শিক্ষার্থীদের প্রতি আমাদের আন্তরিক অনুরোধ ও আমন্ত্রণ—
আপনারা সবাই অবশ্যই উপস্থিত থাকবেন।

একজন প্রিয় শিক্ষকের জন্য আমাদের এই মুহূর্তটা খুবই বিশেষ। আমরা চাই, আমাদের ডিপার্টমেন্টের সবাই একসাথে থেকে এই দিনটাকে স্মরণীয় করে রাখি।

আপনাদের উপস্থিতিই এই আয়োজনের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য।

📅 তারিখ: ৫ মে ২০২৬, সময়: সকাল ৯.০০ টা থেকে শুরু হবে।

[Note: আরও বিস্তারিত নিজ নিজ ব্যাচ গ্রুপ থেকে জেনে নিতে পারবেন]

13/04/2026

🌼✨ পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ ✨🌼

তিতুমীর কলেজের আয়োজনে বসছে বৈশাখী উৎসবের বর্ণিল আয়োজন,
যেখানে প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট থাকছে নিজস্ব স্টল নিয়ে।

সাইকোলজি ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য থাকছে—
❝মনমেলা-১৪৩৩❞
স্টল নং: ২০

এখানে থাকছে মনের রঙে রঙিন কিছু ভিন্নধর্মী আয়োজন,আর মজার মজার বিভিন্ন খাবার...

সবাইকে আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ
বন্ধু-বান্ধব, সহপাঠী— সবার সাথে চলে আসুন
মনমেলা-১৪৩৩ (স্টল নং: ২০)-এ 💛

So proud of you, Bristy Ghosh! 💙Congratulations on being selected as a Primary Assistant Teacher.The classroom just gain...
08/02/2026

So proud of you, Bristy Ghosh! 💙
Congratulations on being selected as a Primary Assistant Teacher.
The classroom just gained a teacher with heart and dedication 🌸✨

Best of luck for the future and achieve your dream ⏳

Address

Narayanganj
1461

Telephone

+8801744743512

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Department of Psychology, Government Titumir College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Department of Psychology, Government Titumir College:

Shortcuts

Share