22/11/2020
৮ম শ্রেণীর ৪থ অ্যাসাইনমেন্টর উত্তর
*বিজ্ঞান
*ইংরেজি
*বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
ক) আইসােটোপ কাকে বলে?
উত্তর: যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।
খ) পারমাণবিক সংখ্যা বলতে কী বুঝ?
উত্তর: পারমাণবিক সংখ্যা বলতে প্রোটন সংখ্যাকে বোঝায়:
কোনো মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটনের সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলা হয়।
কোনো পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা দ্বারা ঐ পরমাণু কে চেনা যায়। প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা কে Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
গ) উদ্দীপকের ছকে উল্লিখিত Z মৌলের ১ টি পরমাণুতে বিদ্যমান নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয় কর।
উত্তর: উদ্দীপকের উল্লিখিত Z মৌলটি হল C (কার্বন)। কার্বন মৌলের একটি পরমাণুতে বিদ্যমান নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয়-
দেওয়া আছে,
নিউট্রন এর পারমাণবিক সংখ্যা/প্রোটন সংখ্যা, Z =৬ এবং, ভরসংখ্যা, A =১৪
সুতরাং, নিউট্রন সংখ্যা =ভর সংখ্যা – প্রোটন সংখ্যা
=A-Z
=১৪-৬
=৮
সুতরাং, কার্বন মৌলের একটি পরমাণু তে বিদ্যমান নিউট্রন সংখ্যা ৮;
ঘ) উদ্দীপকের ছকে উল্লিখিত X ও Y মৌল দুটির পরমাণুসমুহের মধ্যে যৌগ গঠন সম্ভব- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ কর:
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত X মৌলটি হল ক্লোরিন (Cl) এবং Y মৌলটি হল সোডিয়াম (Na)।
মৌল দুটির মধ্যে যৌগ গঠন সম্ভব।
সোডিয়াম এবং ক্লোরাইড মৌল দুটি আয়নিক যৌগ গঠন করে। দুটি মৌলের মধ্যে ইলেকট্রন আদান প্রদানের মাধ্যমে যে যৌগ গঠিত হয় তাকে আয়নিক যৌগ বলে।
এখানে সোডিয়াম হল ধাতু এবং ক্লোরিন হল অধাতু। ধাতু এবং অধাতুর মধ্যে যৌগ গঠনকালে আয়নিক বন্ধন তৈরি হয়।
আমরা জানি, সোডিয়ামের ইলেকট্রন সংখ্যা 11 এবং ক্লোরিনের ইলেকট্রন সংখ্যা 17।
সোডিয়াম মৌলের শেষ কক্ষপথে ১টি ইলেকট্রন এবং ক্লোরিন মৌলের শেষ কক্ষপথে ৭টি ইলেকট্রন রয়েছে।
প্রত্যেকটা পরমাণুই চায় তার শেষ কক্ষপথের ইলেকট্রন অষ্টক পূর্ণ হোক বা নিষ্ক্রিয় গ্যাসের কাঠামো অর্জন করুক।
তাই, সোডিয়াম তার শেষ কক্ষপথের ইলেকট্রনটি ছেড়ে দিয়ে অষ্টক পূর্ণ হয় এবং ক্লোরিন সেই ইলেকট্রনটি গ্রহণ করে আর্গনের কাঠামো অর্জন করে।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, X ও Y মৌল দুটির পরমাণুসমূহের মধ্যে আয়নিক যৌগ গঠন সম্ভব।
অর্থাৎ, সোডিয়াম ও ক্লোরিন এর সমন্বয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড(NaCl) গঠন সম্ভব। এটি খাবার লবণের সংকেত।
1. It was a great sight.
Ans: Wasn’t it a great sight?
2. No one can tolerate this.
Ans: Who can tolerate this?
3. Nobody salutes the setting sun.
Ans: Who salutes the setting sun?
4. Gulliver could hear his watch ticking in his pocket.
Ans: Couldn’t Gulliver hear his watch ticking in his pocket?
5. It is useless to cry over spilt milk.
Ans: Isn’t it useless to cry over spilt milk?
6. The beauty of nature beyond description.
Ans: Doesn’t the beauty of nature beyond description?
7. Everybody has heard of Darwin.
Ans: Who hasn’t heard of Darwin?
8. He has his dinner at seven every evening.
Ans: Hasn’t he has his dinner at seven evenings?
9. I told him to practise regularly.
Ans: Didn’t I tell him to practise regularly?
10. Virtue has its own reward.
Ans: Hasn’t virtue its own reward?
Paragraph:
My Visit to a Historical Place
Historical place means a place which bears the testimony to history. So, visiting a historical place is truly interesting and exciting.
Last summer I had a wonderful time in Delhi. I visited there by train. I stayed there at my uncle’s house with my parents. Delhi is a place of historical interest.
I saw there the Red Fort, the Moti Masjid and the Qutub Minar. I also visited the parliament house, Santiban, the Rajghat and the Bijoyghat.
One day we went to Agra to visit the Tajmahal, one of the wonders of the world. Many tourists come to see this beautiful structure from different parts of the world.
It was built by Shah Jahan in memory of his beloved wife Mumtaz on the bank of the river Jamuna. The Taj has an area of about 1003 acres or 405 hectares.
It is made up of white marble. Taj Mahal is the finest example of Mughal architecture. It combines the art of Persia, Turkey and India.
It took 21 years and thousands of artisans and craftsmen to complete the Taj Mahal.
In fact, it looks like a dream in a moon-lit night. The Taj Mahal is considered one of the seven wonders of the world.
I like this place very much. It impressed me so much. The majestic beauty of the Taj will ever remain imprinted in my mind.
ক) সাংস্কৃতিক আত্তীকরণ বলতে কি বুঝায়?
উত্তর: যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং গোষ্ঠী অন্যের সংস্কৃতি আয়ত্ত করে, তাকে সাংস্কৃতিক আত্তীকরণ বলে।
খ) সামাজিক পরিবর্তনের ২টি উদাহরণ দাও।
উত্তর: সাধারনত সামাজিক পরিবর্তন বলতে উন্নয়ন বা সামাজিক উন্নয়ন কে বোঝায়।
সামাজিক পরিবর্তনের দুটি উদাহরণ নিম্নে-
১. বাংলাদেশে অনেক জায়গায় এখন লাঙ্গল এর পরিবর্তে ট্রাক্টর ব্যবহার হচ্ছে।
২. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হাতে-কলমে পড়ালেখা করানোর পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের মাধ্যমে পাঠদান করা হচ্ছে।
গ) রনিদের এলাকার মতাে পরিস্থিতিতে তােমার এলাকায় কোভিড আক্রান্তদের জন্য বিদ্যালয়ের বন্ধুরা মিলে কী ধরনের স্বেচ্ছাসেবা মূলক উদ্যোগ নেয়া যায়, তার একটি তালিকা প্রণয়ন কর:
উত্তর: রনিদের এলাকার মতো পরিস্থিতিতে আমার এলাকায় কোভিড আক্রান্তদের জন্য বিদ্যালয়ের বন্ধুরা মিলে যে ধরনের স্বেচ্ছাসেবামূলক উদ্যোগ নেয়া যায়, তার একটি তালিকা প্রণয়ন করা হলো-
১. গণপরিবহন এড়িয়ে চলার জন্য সাধারণ জনগণকে সচেতন করতে পারি।
২. মাস্ক ব্যবহারের সঠিক নিয়ম জানাতে পারি।
৩. কর্মক্ষেত্রে অবস্থানকালে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করার জন্য আহ্বান করতে পারি।
৪. জনসমাগমস্থল এড়িয়ে চলার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে পারি।
৫. করমর্দন ও কোলাকুলির মাধ্যমেও কোভিড ছড়াতে পারে। তাই এ ব্যাপারে সচেতন করতে পারি।
৬. করোনা আক্রান্তদের আর্থিকভাবে সহায়তার জন্য জনমত গড়ে তুলতে পারি।
৭. আক্রান্তদের জন্য ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম গঠন করতে পারি।
৮. দুজন ব্যক্তির মধ্যে কমপক্ষে দূরত্ব ২ হাত বা ৩ ফুট হতে হবে এ ব্যাপারে জানাতে পারি।
ঘ) উদ্দীপকে বর্ণিত পরিস্থিতিতে তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি আমাদের সামাজিকীকরণে কী ধরনের প্রভাব বিস্তার করছে তা ব্যাখ্যা কর;
উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত পরিস্থিতিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের সামাজিকীকরণে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করছে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
সামাজিকীকরণ মানুষের জীবনব্যাপী একটি চলমান প্রক্রিয়া। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে।
এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যক্তি সমাজ জীবনের কাঙ্ক্ষিত আচরণ উপযোগী হয়ে গড়ে উঠে।
এ প্রক্রিয়ায় সমাজের নিয়ম-নীতি, মূল্যবোধ, বিশ্বাস, আদর্শ ইত্যাদি আয়ত্ত করে ব্যক্তি যেমন নিজের উন্নয়ন ঘটায় তেমনি সমাজ উন্নয়নেও অংশগ্রহণ করে।
ইন্টারনেট প্রযুক্তি বর্তমানে দেশ বা দেশের বাইরে একজনের সঙ্গে অন্যজনের যোগাযোগকে খুবই সহজ করে দিয়েছে।
আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ভাববিনিময, পরস্পরের খোঁজখবর নেওয়া কিংবা ব্যবসায়িক প্রতিপক্ষের সঙ্গে পণ্যবিনিময় সংক্রান্ত আলোচনা, চুক্তি ইত্যাদি এখন ঘরে বসে অল্প সময়েই করা যায়; কিছুদিন আগেও যা ভাবা যেত না।
এভাবে ব্যক্তির সামাজিকীকরণের মাধ্যম এ সমাজের উন্নয়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের সামাজিকীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।