Govt Tibbiya College and Hospital, Sylhet

Govt Tibbiya College and Hospital, Sylhet Medical College and Hospital.

11/06/2018

১। EPI অর্থ:
👌Expanded program on immunization
২। EPI প্রকল্পে সাহায্যদানকারী সংস্থার নাম কি?
👌ইউনিসেফ
৩। বাংলাদেশে জাতীয় টিকা দিবস কর্মসূচি গ্রহণ করে কবে?
👌১৯৯৫ সালে
৪। বাংলাদেশ সরকার সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি গ্রহন করে কবে?
👌৭ এপ্রিল ১৯৭৯।
৫। বিসিজি টিকা দেওয়া হয় কোন রোগের জন্য?
👌যক্ষার জন্য
৬। ইউনিসেফ কবে প্রতিষ্ঠিত হয় আর সদর দপ্তর কোথায়?
👌১৯৪৬ সালের ১১ ডিসেম্বর, নিউইয়র্ক।
৭। ইউনিসেফ কোন কোন খাতে সহযোগিতা দেয়?
👌নারী শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা,স্বাস্থ্য,পুষ্টি ও স্যানিটেশন।
৮। বাংলাদেশে সম্প্রতি ইপিআই কর্মসূচিতে কোন ভ্যাকসিন যুক্ত হয়েছে?
👌আই.পি.ভি ভ্যাকসিন
৯। জন্মের পর শিশুকে কি কি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়?
👌BCG, OPV-0
১০। Live Vaccine:
👌BCG
👌Mupms
👌Measles
👌Rubella
👌Influenza etc.
Killed Vaccine:
👌 Pertusis
👌Cholera
👌Rabies
👌Hepatitis-B etc

প্রয়োজন ব্যতীত সিজার করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচাল...
06/04/2018

প্রয়োজন ব্যতীত সিজার করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সিজারের (অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে শিশুর জন্ম) হার অনেক বেড়ে গেছে বলে একটা অভিযোগ আছে।

প্রয়োজন ব্যতীত সিজার করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরে....

মানুষ কেনো বোঝে না, যে সম্পর্ক শুরু হয় অনৈতিকভাবে সেখানে নৈতিকতা আশা করা বাতুলতা মাত্র।
03/04/2018

মানুষ কেনো বোঝে না, যে সম্পর্ক শুরু হয় অনৈতিকভাবে সেখানে নৈতিকতা আশা করা বাতুলতা মাত্র।

সিমিরা দুই ভাইবোন। ভাই সেভেনে পড়ে। ওরা থাকে মায়ের সাথে। ঢাকায়। মা একটা স্কুলে চাকরি করেন। বাবা সৌদি আরব থাকেন। গত ...

11/02/2017

কেবল খাবার হিসেবে নয়, বহুকাল আগে থেকে রসুন ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি জাতিই রসুনকে বিভিন্ন অসুখ...

 # চা তৈরির পর কী করেন... ???নিঃসন্দেহে চা-পাতা ফেলে দেন। আজ থেকে চা তৈরির পর টি ব্যাগ বা চা-পাতা গুলো ফেলে না দিয়ে বরং ...
22/06/2016

# চা তৈরির পর কী করেন... ???
নিঃসন্দেহে চা-পাতা ফেলে দেন। আজ থেকে চা তৈরির পর টি ব্যাগ বা চা-পাতা গুলো ফেলে না দিয়ে বরং ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে রাখুন। কেন? কারণ এই ফেলনা চা-পাতা ও টি ব্যাগগুলোই আপনার অর্থ সাশ্রয় করবে প্রতিদিন। জেনে নিন কেন ব্যবহার করা চা-পাতা ফেলে না দিয়ে ব্যবহার করা যায় দারুণ সব কাজে আর বাঁচানো যায় সময়-অর্থ সবই! সাথে দেখে নিতে পারেন ছোট্ট ভিডিওটিও।
১) পোকা কামড় দিয়েছে বা পুড়ে গিয়েছে কোথাও? একটা ব্যবহৃত টি ব্যাগ ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রাখুন। সব যন্ত্রণা নিমিষেই শেষ হয়ে যাবে। চোখের ফোলা ভাব দূর করতেও এটা দারুণ কাজে দেয়। পাতলা কাপড়ে চা পাতা বেঁধে পুঁটলি করেও ব্যবহার করতে পারেন।
২) ব্যবহৃত চা-পাতা ধুয়ে শুকিয়ে রাখুন। তারপর আপনার জুতোর মাঝে বা জুতোর আলমারিতে রেখে দিন। ঘামের বাজে গন্ধ আর কখনোই জুতোতে হবে না। টি ব্যাগও রাখতে পারেন।
৩) প্রতিদিনের ব্যবহৃত টি ব্যাগ রেখে দিন ফ্রিজে। চা-পাতা হলে টিস্যুতে মুড়ে রাখুন। ফ্রিজ থাকবে সতেজ ও পরিষ্কার, কোন রকম ফ্রেশনার ছাড়াই। এছাড়াও কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল ছিটিয়ে বাথরুমে, আলমারিতে রাখতে পারেন চা-পাতা বা টি ব্যাগ। রাখতে পারেন স্কুল কলেজে যাওয়ার কাপড়ের ব্যাগেও।
৪) তেল লাগানো চিটচিটে থালা বাসন বা হাঁড়ি পাতিল পরিষ্কার করতে চা-পাতার জুড়ি নেই। দামী ডিশ ওয়াসার বারের বদলে রাতের বেলা সিংকে পানি দিয়ে তাতে কিছু ব্যবহৃত চা-পাতা দিয়ে দিন। তেল চিটচিটে বাসন এতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে স্বাভাবিক ভাবেই ধুয়ে নিন। একদম ঝকঝকে হয়ে উঠবে।
৫) মাকড়সা এবং এই ধরণের ছোট পোকামাকড় চা খুবই অপছন্দ করে। ব্যবহৃত টি ব্যাগ বা চা পাতা ঘরের কোণায় কোণায় দিয়ে রাখুন, এরা থাকবে আপনার ঘর থেকে দূরে।
৬) গাছপালায় অনেক পোকামাকড়ের সমস্যা? ব্যবহৃত চা পাতা ধুয়ে গাছের গোঁড়ায় দিয়ে রাখুন। পোকামাকড় দূরে থাকবে, আবার গাছের সার হিসাবেও কাজ করবে।
৭) আধা ভেজা ব্যবহৃত চা পাতা কার্পেটে ছড়িয়ে দিন। সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে ঝাড়ু দিয়ে ফেলুন বা ভ্যাকুয়াম ক্লিন করে নিন। বাজে গন্ধ ও ময়লা সব গায়েব।
৮) আপনার কাঠের আসবাবগুলো প্রায় শুকনো ব্যবহৃত ব্যাগ দিয়ে ঘষে নিন। চকচকে হয়ে উঠবে।
৯) জেসমিন টি বা এমন যে কোন ফ্লেভারের টি ব্যাগ ভাত রান্নার শেষ দিকে পাতিলে দিয়ে দিতে পারেন। মিষ্টি একটা গন্ধ হবে।
১০) গরম পানির মাঝে ফেলনা চা-পাতা দিয়ে পা ভিজিয়ে রাখুন। পায়ের গন্ধ দূর হবে।
১১) ব্যবহৃত চা-পাতা জ্বাল দিয়ে ঘন লিকার তৈরির করুন। এই মিশ্রণ ব্যবহার করুন কুলি করতে, মাউথ ওয়াশের কাজ করবে। কন্ডিশনার হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন চুলে, গ্লাস ক্লিনার হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন অনায়াসে।
১২) শেভ করতে গিয়ে মুখ কেটে গেছে? একটা ব্যবহৃত টি ব্যাগ ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে কাটা স্থানে লাগিয়ে রাখুন। আরাম তো পাবেনই, রক্তপাতও বন্ধ হবে।
পরবর্তীতে দরকারের জন্য শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রেখে দিন

22/06/2016

জেনে নিন পূর্ণরূপগুলো...
১। J.S.C - এর পূর্নরূপ — Junior School
Certificate.
২। J.D.C - এর পূর্নরূপ — Junior Dakhil
Certificate.
৩। S.S.C - এর পূর্নরূপ — Secondary
School Certificate.
৪। H.S.C - এর পূর্নরূপ — Higher
Secondary Certificate.
৫। A.M - এর পূর্নরূপ — Ante
meridiam.
৬। P.M - এর পূর্নরূপ — Post
meridiam.
৭। B. A - এর পূর্নরূপ — Bachelor of
Arts.
৮। B.B.S - এর পূর্নরূপ — Bachelor of
Business Studies.
৯। B.S.S - এর পূর্নরূপ — Bachelor of
Social Science.
১০। B.B.A - এর পূর্নরূপ — Bachelor of
Business Administration
১১। M.B.A - এর পূর্নরূপ — এর পূর্নরূপ
— Masters of Business
Administration.
১২। B.C.S - এর পূর্নরূপ — Bangladesh
Civil Service.
১৩। M.A. - এর পূর্নরূপ — Master of
Arts.
১৪। B.Sc. - এর পূর্নরূপ — Bachelor of
Science.
১৫। M.Sc. - এর পূর্নরূপ — Master of
Science.
১৬। B.Sc. Ag. - এর পূর্নরূপ —
Bachelor of Science in Agriculture .
১৭। M.Sc.Ag.- এর পূর্নরূপ — Master
of Science in Agriculture.
১৮। M.B.B.S. - এর পূর্নরূপ — Bachelor
of Medicine and Bachelor of Surgery.
১৯। M.D. - এর পূর্নরূপ — Doctor of
Medicine./ Managing director.
২০। M.S. - এর পূর্নরূপ — Master of
Surgery.
২১। Ph.D./ D.Phil. - এর পূর্নরূপ —
Doctor of Philosophy (Arts &
Science)
২২। D.Litt./Lit. - এর পূর্নরূপ — Doctor
of Literature/ Doctor of Letters.
২৩। D.Sc. - এর পূর্নরূপ — Doctor of
Science.
২৪। B.C.O.M - এর পূর্নরূপ — Bachelor
of Commerce.
২৫। M.C.O.M - এর পূর্নরূপ — Master
of Commerce.
২৬। B.ed - এর পূর্নরূপ — Bachelor of
education.
২৭। Dr. - এর পূর্নরূপ — Doctor.
২৮। Mr. - এর পূর্নরূপ — Mister.
২৯। Mrs. - এর পূর্নরূপ — Mistress.
৩০। Miss - এর পূর্নরূপ — used before
unmarried girls.
৩১। M.P. - এর পূর্নরূপ — Member of
Parliament.
৩২। M.L.A. - এর পূর্নরূপ — Member
of Legislative Assembly.
৩৩। M.L.C - এর পূর্নরূপ — Member of
Legislative Council.
৩৪। P.M. - এর পূর্নরূপ — Prime
Minister.
৩৫। V.P - এর পূর্নরূপ — Vice
President./ Vice Principal.
৩৬। V.C- এর পূর্নরূপ — Vice
Chancellor.
৩৭। D.C- এর পূর্নরূপ — District
Commissioner/ Deputy
Commissioner.
৩৯। S.P- এর পূর্নরূপ —
superintendent of police
৪০। S.I - এর পূর্নরূপ — SubInspector..
অনেক কষ্ট করে এগুলো সংগ্রহ করেছি অন্তত
একটা thanks এর আশা করতে পারি ।____BaPpY__

19/06/2016

সমবয়সী কোন মেয়েকে বিয়ে করলে যা হয়
স্বামীর বয়স স্ত্রীর বয়সের দ্বিগুণ হওয়াটা বেশ কিছুদিন আগেও ছিল স্বাভাবিক বিষয়। সময়ের পরিবর্তনে শিক্ষিত মানুষের মধ্যে বয়সের কম ব্যবধানে বিয়ে করার প্রবণতা বেড়ে গেছে উল্লেখযোগ্য হারে। বিয়ে মানে এখন শুধু সন্তানের জন্য নয়। জীবনের সর্বাঙ্গীন সুখ-দুঃখ, হাসি-আনন্দ, সফলতা-বিফলতায় সমান ভাগিদার খোঁজা। তাই সমবয়সীদের মাঝে বিয়ের ব্যাপারটা ইদানীং খুব বেশি দেখা যাচ্ছে।
একইসঙ্গে পড়াশুনা বা চাকরি করতে গিয়ে কাছাকাছি আসা, মনের মিল খুঁজে পাওয়া এবং শেষে ঘর বাঁধা। সমবয়সী স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুর মতো সবকিছু শেয়ার করা যায়। নিজের ভালোলাগার বিষয়গুলো তার সঙ্গে মিলে যায় সহজেই। বিষয়গুলো আবার সব সময় একই রকম থাকে না।
কখনও পড়তে হয় দারুণ বিপাকে। তাইতো অনেক অভিভাবকই মেনে নিতে পারেন না ব্যাপারটা। সমবয়সী বিয়ের ক্ষেত্রে কিছু কমন সমস্যা আমরা প্রায়ই দেখতে পায়, যা বিষিয়ে তুলতে পারে দাম্পত্য জীবনে।
অনেক সময় দেখা যায়, সমবয়সী পুরুষ মহিলার কাছে মানসিক দিক থেকে ভ্রাতৃতুল্য হয়। কিন্তু পুরুষটির আচরণে এসে পড়ে কর্তৃত্ব। যেহেতু নারীটি ওই পুরুষ থেকে পরিণতমনস্ক, সেই কারণে তার থাকে দিদিগিরি। অচিরেই শুরু হয়ে যায় ব্যক্তিত্বের সংঘাত।
আবার এমনো হয়, যুক্তি-বুদ্ধি নিয়ে গড়ে ওঠা মেয়েটির নিজস্ব চিন্তা ভাবনাকে সম্মান দেখানোর মানসিকতা থাকে না পুরুষটির। মেয়েদের যেহেতু পারিপার্শ্বিকতা বোঝার ক্ষমতা একটু বেশি। ছেলেটির তুলনায় মেয়েটি যখন বেশি সচেতন তখন তা হয় দাম্পত্য জীবনে মতভেদ, জটিলতা ইত্যাদির কারণ হয়। একে অপরকে যথাযথ সম্মান দিতে নারাজ। আবেগের ভাটা পড়লে সম্পর্কের পরণতি হয় ডিভোর্সে।
তবে এই সংঘাতের মধ্যদিয়ে কেউ টিকে গেলে আসে আরেক ঝামেলা। দুজনেরই বয়স যখন ৪০ থেকে ৪৫-এর মধ্যে। নারীদের জীবনে এটি একটি টার্নিং পয়েন্ট। নানা স্বাভাবিক সঙ্কট তৈরি হয় এ সময়। সন্তান ধারনের ক্ষমতা হারায়, স্বামীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনিচ্ছা, ক্যালসিয়ামের অভাব ঘটে। একইসঙ্গে চলে মানসিক সমস্যা।
এসবে তা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। তারা ভাবতে শুরু করে, তার দেয়ার আর কিছু নেই। মনে চলে আসে বিষণ্ণতা। প্রাকৃতিক কারণে আগে পরিণত হওয়ায় নারীকে আগেই বার্ধক্য গ্রাস করে ফেলে।
একই বয়সে পুরুষটি তখন টাট্টু ঘোড়া। মধ্য-দুপুরে পুরুষটি তখন নিদারুণ অসহায়। দিশেহারা পুরুষের দাম্পত্য জীবনে প্রভাব। অশান্তিতে শুরু হয় ডিভোর্সের সম্ভাবনা। সমবয়সে বিয়ে করা মানে অশান্তিকে দাওয়াত দেয়া।
পাত্রীর চেয়ে পাত্রের বয়স কমপক্ষে ৫ বছর এবং বেশি হলে ১০ বছরের মধ্যে থাকা উচিত। ব্যতিক্রম ঘটনা থাকতেই পারে, কিন্তু সেটা আলোচনার মধ্যে আসতে পারে না। ব্যতিক্রম সবসময়ই ব্যতিক্রম। তাই কিছু সমবয়সী দম্পতিও হতে পারেন দারুণ সুখী

এলার্জিকে আজীবনের জন্য গুডবাই দিনডেস্ক: এলার্জিজনিত রোগের লক্ষণ ও করণীয় এলার্জি বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের কাছে এক অসহন...
19/06/2016

এলার্জিকে আজীবনের জন্য গুডবাই দিন

ডেস্ক: এলার্জিজনিত রোগের লক্ষণ ও করণীয় এলার্জি বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের কাছে এক অসহনীয় ব্যাধি। এলার্জি হাঁচি থেকে শুরু করে খাদ্য ও ওষুধের ভীষণ প্রতিক্রিয়া ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে এলার্জি সামান্যতম অসুবিধা করে, আবার কারো ক্ষেত্রে জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। ঘরের ধুলাবালি পরিষ্কার করছেন? হঠাৎ করে হাঁচি এবং পরে শ্বাসকষ্ট অথবা ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন বা গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ ও গরুর দুধ খেলেই শুরু হলো গা চুলকানি বা চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে ওঠা। এগুলো হলে আপনার এলার্জি আছে ধরে নিতে হবে। মানব জীবনে এলার্জি কতটা ভয়ংকর সেটা ভুক্তভোগী যে সেই জানে। উপশমের জন্য কতজন কত কি না করেন। এবার প্রায় বিনা পয়সায় এলার্জিকে গুডবাই জানান আজীবনের জন্য। যা করতে হবে আপনাকে –
১) ১ কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন।
২) শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুড়ো করুন এবং সেই গুড়ো ভালো একটি কৌটায় ভরে রাখুন।
৩) এবার ইসব গুলের ভুষি কিনুন। ১ চা চামচের তিন ভাগের এক ভাগ নিম পাতার গুড়া ও এক চা চামচ ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন।
৪) আধা ঘন্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।
৫) প্রতি দিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাত্রে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে।
৬) কার্যকারীতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে। ইনশাআল্লাহ ভালো হয়ে যাবে এবং এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না যেমন- হাঁসের ডিম, বেগুন, গরু, চিংড়ি সহ অন্যান্য খাবার খেতে পারবেন।
চিকিত্সা :- তবে অনেক দিন যাবৎ চুলকানি এবং এলার্জির সমস্যায় ভুগতে থাকলে অভিজ্ঞ এবং নিবন্ধনকৃত হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ মত কিছুদিন প্রপার ট্রিটমেন্ট নিতে পারেন, আশা করি আপনার এলার্জির সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

ইস! কৌশলটা আগে জানা থাকলে হয়তো বাবা স্ট্রোক করে মারা যেতেন না!চীনের অধ্যাপকরা বলছেন যে কারো স্ট্রোক হচ্ছে যদি এমন দেখেন ...
05/06/2016

ইস! কৌশলটা আগে জানা থাকলে হয়তো বাবা স্ট্রোক করে মারা যেতেন না!

চীনের অধ্যাপকরা বলছেন যে কারো স্ট্রোক হচ্ছে যদি এমন দেখেন তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।
যখন কেউ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তার মস্তিষ্ক কোষ ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়।মানুষের ফার্স্ট এইড এবং বিশ্রামের প্রয়োজন হয়।
যদি দেখেন স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সরানো যাবে না কারন মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বিস্ফোরিত হতে পারে, এটা ভাল হবে যদি আপনার বাড়ীতে পিচকারি সুই থাকে, অথবা সেলাই সুই থাকলেও চলবে , আপনি
কয়েক সেকেন্ডের জন্য আগুনের শিখার উপরে সুচটিকে গরম করে নেবেন যাতে করে জীবাণুমুক্ত হয় এবং তারপর রোগীর হাতের ১০ আঙ্গুলের ডগার নরম অংশে ছোট ক্ষত করতে এটি ব্যবহার করুন।এমনভাবে করুন যাতে প্রতিটি আঙুল থেকে রক্তপাত হয়, কোন অভিজ্ঞতা বা পূর্ববর্তী জ্ঞানের প্রয়োজন হবে না ।
কেবলমাত্র নিশ্চিন্ত করুন যে আঙ্গুল থেকে যথেষ্ট পরিমাণে রক্তপাত হচ্ছে কি না।
এবার 10 আঙ্গুলের রক্তপাত চলাকালীন, কয়েক মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন দেখবেন ধীরে ধীরে রোগী সুস্থ হয়ে উঠছে।
যদি আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ বিকৃত হয় তাহলে তার কানে ম্যাসেজ করুন। এমনভাবে তার কান ম্যাসেজ করুন যাতে ম্যাসেজের ফলে তার কান লাল হয়ে যায় এবং এর অর্থ হচ্ছে কানে রক্ত পৌঁছেছে।
তারপর প্রতিটি কান থেকে দুইফোঁটা রক্ত পড়ার জন্য প্রতিটি কানের নরম অংশে সুচ ফুটান।কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন দেখবেন মুখ আর বিকৃত হবে না।আরও অন্যান্য উপসর্গ দেখা যায়। যতক্ষণ না রোগী মোটামুটি স্বাভাবিক হচ্ছে অপেক্ষা করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেই যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভর্তি করান।
জীবন বাঁচাতে রক্তক্ষয় পদ্ধতি চীনে প্রথাগত ভাবে চিকিৎসার অংশ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এবং এই পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগ,100% কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে।
এই পোস্টটিকে লাইক করার চেয়ে শেয়ার করলে ব্যাপারটা সবাই জানতে পারবে।
দয়া করে এটিকে বেশি বেশি করে শেয়ার করুন।
যদি কেউ মনে করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর সাথে আলোচনা করতে পারেন।
মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য।

14/12/2015

যে কারণে মানুষের গায়ের রঙ সাদা কিংবা কালো হয়।

পৃথিবীতে কোটি কোটি মানুষের মধ্যে কেউ কালো, কেউ সাদা, কেউ বা শ্যমল বর্ণের হয়ে থাকে। কিন্তু কেন? যদি সব মানুষের গায়ের রং এক হতো তাহলে কেউ কাউকে নিশ্চয় অপছন্দ করতো না্।কিংবা নিজে ফর্সা বলেও কেউ অহংকার করতো না। তাই অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে মানুষের গায়ের রং ঠিক কি কারণে আলাদা বর্ণের হয়েছে। বিজ্ঞান এর নানারকম বর্ণনা দিয়েছে। তবে অনেকেরআগ্রহ কুরআন ও হাদিস এ প্রসঙ্গে কী বলেছে।এ প্রসঙ্গে কুরআন ও হাদিসের বেশ কিছু বর্ণনা পাওয়া যায়। আবু মুসা আশয়ারী রা. থেকে একটি বর্ণনা পাওয়া যায়। রাসুল সা. বলেছেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা আদমকে এক মুঠো মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং এই মাটি তিনি জমিনের সব জায়গা থেকে নিয়েছেন, যার কারণে আদম সন্তান হয়েছে জমিনের প্রকৃতির মতো, কেউ লাল, কেউ কালো, কেউ সাদা ও কেউ হলুদ এমন নানা বর্ণের । এভাবে কেউ হয়েছে নরম স্বভাবের, কেউ হয়েছে কঠিন, কেউ ভালো, আবার কেউবা খারাপ।’ (তিরমিযি, ইবনে হিব্বান)এই হাদিস পড়লেই স্পষ্ট হয়, মানুষের একেক রকম বর্ণ ও একেক রকম স্বভাব আল্লাহর একান্ত সৃষ্টি ও মানুষের তাকদির অনুসারে হয়েছে। মানুষ হয়েছে তার উপাদানের ধরণ অনুযায়ী। যে কালো মাটি থেকে সৃষ্ট তিনি কালো বর্ণের। যে সাদা বা লাল মাটি থেকে তৈরি তিনি সাদা বা লাল হয়ে থাকেন। আর এ বিষয়টি সবারই জানা, পৃথিবীর সব জায়গার মাটি এক বর্ণের নয়। আফ্রিকার মাটি আর যুক্তরাষ্ট্রের মাটির মধ্যে রাত দিন তফাৎ। যে কারণে তাদের চেহারাও আমরা পুরোপুরি ভিন্ন দেখতে পাই।আবার মাটির স্বভাবও বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। কোথাও কাদা মাটি কোথাও বা পাথরের মতো শক্ত। সেই মাটি অনুযায়ী মানুষের স্বভাবও হয়ে থাকে তেমনই নরম ও কঠিন। এগুলো আল্লাহর কুদরত ও মহান ক্ষমতার নির্দশন। তিনি চান সকল মানুষ তার ক্ষমতার অধীনে থাকুক। তিনিতার প্রজ্ঞা অনুসারে যেভাবে ইচ্ছা সৃষ্টি করতে পারেন। কেননা, তিনি যা চান, যেভাবে চান করতে পারেন।পবিত্র কুরআনে বর্ণের এ ভিন্নতা নিয়ে আল্লাহ বেশ কিছু আয়াত নাজিল করেছেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, বর্ণের এ ভিন্নতায় জ্ঞানীদের মধ্যে নিদর্শন রয়েছে। সত্যিই এটি নিয়ে কেউ চিন্তা করলেই বেশ কিছু বিষয় খুব সহজেই ধরা পড়ে। আল্লাহ বলেছেন, ‘আর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের ভিন্নতা। নিশ্চয়ই এর মধ্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে জ্ঞানীদের জন্য। (সুরা রুম, আয়াত ২২)আল্লামা শানকিতি রহ. বলেন, ‘একাধিক জায়গায় আল্লাহ তায়ালা পরিষ্কার ঘোষণা করেছেন, মানুষের রং ও বর্ণের পার্থক্য অথবা তার অন্যান্য সৃষ্টির মধ্যে তারতম্য আল্লাহর সৃষ্টিক্ষমতার বহির্প্রকাশ। এসব বস্তুর বিভিন্ন রং ও বর্ণ তার মহান সৃষ্টি ও নিখুঁত পরিকল্পনার ফসল।’ (আদওয়াউল বায়ান ৬/১৭৩)মানুষ ইচ্ছে করলেই গবেষণার মাধ্যমে বের করতে পারবে মানব রং-এর এ তারতম্য বিষয়ে। আর মানুষের হেকমত তো হলো তার ¯্রষ্টার সৃষ্টিকে মেনে নেয়া। কেননা তিনিই উত্তম বিধানদাতা।সুরা আল ইমরানের ৭ নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তিনি তোমার প্রতি যে গ্রন্থ অবতীর্ণকরেছেন, তার মধ্যে আছে বিধান-সংবলিত আয়াত; এগুলোই কিতাবের মূল। আর অন্যগুলো ‘মুতাশাবিহ’ (যা প্রচ্ছন্ন)। যাদের অন্তরে বক্রতা রয়েছে, তারা ফেতনার উদ্দেশ্যে এবং ভুল ব্যাখ্যার অনুসন্ধানে ‘মুতাশাবিহ’ আয়াতসমূহের পেছনে লেগে থাকে, অথচ আল্লাহ ছাড়া কেউ এর ব্যাখ্যা জানে না। আর যারা জ্ঞানে গভীরতা রাখে, তারা বলে, আমরা এগুলোর প্রতি ঈমান আনলাম, সবগুলো আমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে। আর বুদ্ধিমানেরই উপদেশ গ্রহণ করে।’

মানব অবয়ব।
23/11/2015

মানব অবয়ব।

22/11/2015

How to Spot a Heart Attack

Cardio vascular diseases are the number one cause of death worldwide. The World Health Organization reports that about 17.5 million people died from cardiovascular diseases in 2012, covering 31% of all global deaths. Ofthese, 7.4 million were attributed to coronary heart disease and 6.7 million were deaths by stroke. The same organization estimates that thenumber of people dying from CVD will increase to 23.3 million by 2030.A heart attack is often an indication of an underlying cardiovascular disease. Heart attacks occur when one of the coronary arteries that deliver blood and oxygen to the heart becomes blocked. This blockage starves the heart of oxygen, causing damage to the heartmuscle and even death. This event is called myocardial infarction.Not all heart attacks are the same. Some may be intense and come abruptly, while others build up gradually with little pain or discomfort. Learning to recognize theearly warning signs of a heart attack could save you or a loved one.The symptoms of a heart attack vary from person to person. The AmericanHeart Association gives the following common symptoms of a heart attack:1.Tightness, heaviness or pain in the chestChest pain is a classic symptom of a heart attack. It is often described as asense of discomfort at the center of the chest that lasts for a few minutes or goes away and comes back. The discomfort feels like a tight pressure, a squeezing or aching feeling in the chest or arms that could spread to the neck, jaw or back.1.Discomfort in other parts of the bodyYou may feel pain or discomfort in your neck, jaw, back, arms or stomach.1.Shortness of breathThis symptom may appear with or without chest pain. As an early warning to a heart attack, you may feel winded even though you’re not engage in any physical activity or exertion. The symptom continues or worsens as a sign of an impending heart attack.1.Rapid or irregular pulseDoctors say that an occasional skipped heartbeat is nothing to worryabout. But a sudden, unexplained episode of rapid, irregular pulse and heartbeat accompanied by weakness, dizziness and/or shortnessof breath could be a possible sign of a heart attack.1.Nausea, indigestion or stomachacheIf you experience nausea, indigestionor stomachache without any apparent cause, you might attribute an impending heart attack to a gastrointestinal problem. Angina or the pain caused by a blocked artery sometimes radiates down to the abdomen. Nausea, vomiting, and indigestion, on the other hand, may be caused by poor circulation or low levels of oxygen circulating in the blood.The pain worsens with exertion and gets better when you rest. The symptoms are sporadic and intermittent, easing and returning, rather than one continuous bout of indigestion.1.FatigueUnusual fatigue, particularly in women, can occur during a heart attack or during the days or weeks leading up to one. It comes on suddenly and doesn’t seem to be linked to lack of sleep or any other illness. Some women experience fatigue progressing over the course of the day, with most feeling exhausted by the afternoon.1.Coughing or wheezingPersistent coughing or wheezing could be a sign of an impending heart failure which results from fluid accumulation in the lungs. In some instances, people with heart failure cough up phlegm with blood.1.Excessive sweatingClammy skin, excessive sweatiness without exertion or flu-like symptomsthat aren’t accompanied by fever have just been recognized as a sign that frequently happens before a heart attack. Heavy perspiration occurs in many areas of the body, including on the scalp, chest, back, palms, or soles of the feet. For women this may feel similar to hot flashes or night sweats of menopause.1.Anxiety attacks and trouble sleepingDecrease in the body’s oxygen level caused by the changes in the heart as a result of a heart disease can trigger sudden changes that could lead to unexplained insomnia, anxiety or agitation. Research also shows that self-reported serious anxiety is strongly associated with heightened risk of fatal coronary heart disease.This symptom can take the form of insomnia, trouble falling asleep, or unexplained middle of the night wakings. Racing thoughts and an overwhelming feeling of impending doom are also signs to watch out for.Heart attacks are life threatening andrequires prompt medical attention. Don’t hesitate calling emergency services when you think or feel you’re having a heart attack. The sooner you receive medical attention, the better are your chances of survival.

Address

Road-14, Block-D, Shahjalal Uposahar
Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Govt Tibbiya College and Hospital, Sylhet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share