সবার জন্য শিক্ষা

  • Home
  • সবার জন্য শিক্ষা

সবার জন্য শিক্ষা শিক্ষার ক্ষেত্রে ধনী গরিব সবার জন্য সমান অধিকার।
আমার কাছে সবার মতামত অত্যন্ত মূল্যবান।
(2)

অনেকেই অনেক  কিছু বলবে
23/05/2026

অনেকেই অনেক কিছু বলবে

22/05/2026
আমার দাদার ১০০ বিঘা জমি ছিলো।  আমার বাবার ১০ বিঘা। এর কারণ এই নয় যে বাবারা ১০ ভাই ছিলেন।  কারণ এই যে, বাবা জানতেন দাদা ত...
21/05/2026

আমার দাদার ১০০ বিঘা জমি ছিলো। আমার বাবার ১০ বিঘা।
এর কারণ এই নয় যে বাবারা ১০ ভাই ছিলেন। কারণ এই যে, বাবা জানতেন দাদা তার জন্য ১০ বিঘা জমি রেখে যাবেন। তাই তিনি ঘুম আর খাওয়া ছাড়া পরিশ্রমের কোনো কাজ করেনি।

যে বাবা-মা সন্তানের জন্য নিরাপদ পরিমান সম্পদ রেখে যান তাদের সন্তানদের আমি দিনে দিনে নিঃশেষ হতে দেখেছি। জমিদারের ৩য় জেনারেশন তাই না খেয়ে মরে।

নিশ্চয়তা মানুষকে অলস থেকে অলসতর করে।
আপনি ভাবছেন আপনার রেখে যাওয়া অর্থ আপনার সন্তানকে নিরাপদ আগামী দেবে? ভুল। আপনার অর্থ আপনার ৫ বছরের বাচ্চাকে দামী খেলনা দাবী করার মানসিকতা দেবে। ক্লাস টেনে পড়তেই সে চাইবে আই ফোন। ইন্টারে বাইক। অনার্সে গাড়ি, বিস্তর পকেটমানি, সেশন গ্যাপ দেয়ার অধিকার, দামী ঘড়ি আর শুধু জাংক ফুডেই মাসে ১০ হাজার টাকা।

আপনি না দিলে সে বিরক্ত হবে, আপনাকে কৃপন আর সন্তানের ইমোশোনের গুরুত্ব না দেয়া হার্টলেস বাবা-মা মনে করবে।

আমি বিশ্বাস করি পৃথিবীটা পরকালের হাশরের ময়দানের মতোই হওয়া উচিত। যার যার পাপ পূর্ণের মতোই যার যার অর্থ, পরিশ্রমের প্রাপ্তি তার হওয়া উচিত।
আপনার কিছু স্বপ্ন ছিলো! আপনি কলেজে পড়ার সময় ভেবেছিলেন দুটো মেয়ের পড়ার খরচ চালাবেন, আমেরিকা না হোক অন্তত নেপাল ঘুরে আসবেন, হজ্বে যাবেন। সেই স্বপ্ন আপনি ভুলে গেছেন সন্তানের নিশ্চিত ভবিষ্যতের ভাবনায়।
আপনার এই ত্যাগ সন্তানের কাছে শুধুই দায়িত্ব পালন। অপরাধ সন্তানের নয় কিন্তু। ভুল আপনার। আপনি তাকে জানিয়েছেন 'যা আমার তার সবই তোমার'!

আমি তা করিনি, করবো না। যা আমার তা শুধুই আমার। আমার মৃত্যুর পর তারা পেলেও পেতে পারে, নাও পেতে পারে৷ আমার যদি কঠিন কোনো অসুখ হয় আমি ওয়ার্ল্ড ক্লাস ট্রিটমেন্ট নেবো সমস্ত প্রোপার্টি বিক্রি করে। মাত্র ৫ দিন বেশি বেঁচে থাকার জন্য হলেও এটা আমি করব। আমার সন্তানেরা সেটা জানে। তাই তাদের কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই তারা সারভাইভ করা শিখছে, আমি শিখিয়েছি।

আমি শুধু তাদের পড়া আর চিকিৎসা নিয়ে কোনো প্রকার কার্পণ্য করিনি, করবো না। মা হিসেবে, একজন মানুষ হিসেবে অন্য একজন মানুষ যাকে আমি এ ধরণীতে এনেছি তার প্রতি আমার এটুকুই দায়িত্ব। তারপর সে পৃথিবীর সন্তান। তারপর তাকে আরো লক্ষ সন্তানের সাথে দৌঁড় দিতে হবে, নিজের জায়গা নিজেকে তৈরী করতে হবে। যদি পারে সে তবেই জীবনের আনন্দ সে জানবে।
আমার রেখে যাওয়া অর্থ দিয়ে সুখে থাকা আর অন্যের আন্ডারওয়্যার পরে ইজ্জত ঢা

 # #  একটি শিক্ষনীয় বিষয়   # #⭕ ঘটনা - ১ইন্টারভিউ টেবিলের স্যার কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন । তারপর, ভারী গলায় বললেন - বাহ ! ...
20/05/2026

# # একটি শিক্ষনীয় বিষয় # #

⭕ ঘটনা - ১
ইন্টারভিউ টেবিলের স্যার কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন । তারপর, ভারী গলায় বললেন - বাহ ! তোমার সার্টিফিকেট তো বেশ ভালো ! তোমাকে আর প্রশ্ন করতে চাচ্ছি না । ধরে নাও তুমি চাকরিটি পেয়ে গেছো । কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বড় স্যারকে উপহার হিসেবে ৫ লাখ টাকা দিতে হবে । এক সপ্তাহের মধ্যে টাকাটা জমা করে দাও । তারপর তোমার নিয়োগ হবে । ছেলেটি ইন্টারভিউ রুম থেকে বের হয়ে বাড়িতে এসে তার বাবাকে জানালো, ৫ লাখ টাকা না হলে তার চাকরিটা হবে না । গ্রামের সহজ সরল বাবা নিজের ছেলের চাকরির জন্য ভিটা বাড়ি বিক্রি করে ৫ লাখ টাকা জোগাড় করলেন । তারপর বড় স্যারকে উপহার হিসেবে ৫ লাখ টাকা দিয়ে ছেলেটি চাকরি পেয়ে গেলো ।

⭕ ঘটনা - ২
আজ বড় স্যারের ছেলের জন্মদিন । বাড়িতে বিশাল পার্টির আয়োজন করা হয়েছে । তিনি বাড়িতে ঢুকেই তার ছেলের নাম ধরে ডাকতে শুরু করলেন । ছেলে কাছে আসতেই বড় স্যার “হ্যাপি বার্থডে মাই সান” বলতে বলতে ছেলের হাতে ৫ লাখ টাকার বাইকের চাবি তুলে দিলেন । বাইক পেয়ে ছেলেটি খুশিতে আত্মহারা হয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার দিয়ে বললো - আমার বাবা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা ।

⭕ ঘটনা - ৩
বড় স্যারের ছেলে আজ বাইক নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছে ঘন্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে রাজপথে ছুটে চলেছে বাইক । হঠাৎ ট্রাকের সাথে ধাক্কা সবকিছু থেমে গেলো । বড় স্যারের ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হলো হাসপাতালের বড় ডাক্তার সাহেব জানালেন আপনার ছেলের অবস্থা ভালো না, খুব জটিল একটা অপারেশন করাতে হবে, কাউন্টারে ১০ লাখ টাকা জমা করে দিন । বড় স্যার কোনও উপায় না দেখে মেয়ের বিয়ের জন্যে ব্যাংকে জমিয়ে রাখা টাকাটা কাউন্টারে জমা করে দিলেন ।

⭕ ঘটনা - ৪
বড় ডাক্তার সাহেব আজ খুব খুশি । ৩-৪ লাখ টাকার অপারেশনের জন্য ১০ লাখ টাকা নিয়েছেন, পুরোটাই লাভ । খুশিতে তিনি তার একমাত্র মেয়ের জন্য স্বর্ণের নেকলেস কিনে বাসায় ফিরলেন । বাসায় ঢুকেই তিনি তার কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে মামুনি মামুনি বলে ডাকতে শুরু করলেন । ডাক্তার সাহেবের বউ কাঁদতে কাঁদতে বললেন, তাদের মেয়ে এখনও বাসায় ফেরেনি । বড় ডাক্তার সাহেব তার মেয়েকে অনেক খোঁজাখুঁজি করলেন, কোথাও কোনও খোঁজ না পেয়ে তিনি যখন দিশেহারা হয়ে পড়লেন, ঠিক তখনই অপরিচিত এক নাম্বার থেকে ফোন এলো । ফোনেও ঐ প্রান্ত থেকে জানালো, আপনার মেয়ে আমাদের কাছে, মেয়েকে ফেরত পেতে হলে মুক্তিপণ হিসেবে ২০ লক্ষ টাকা দিতে হবে । কথাটা শুনে বড় ডাক্তার সাহেব

একদিন দুপুরবেলা রোদ চড়ে আছে। শিয়াল ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত, খিদেয় পেট চোচো করছে। হঠাৎ সে দেখতে পেল একটা ছাগল ঝোপের পাশে ঘাস...
20/05/2026

একদিন দুপুরবেলা রোদ চড়ে আছে। শিয়াল ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত, খিদেয় পেট চোচো করছে। হঠাৎ সে দেখতে পেল একটা ছাগল ঝোপের পাশে ঘাস খাচ্ছে। শিয়ালের মাথায় এক ঝলকেই একটা বুদ্ধি খেলে গেল।

সে ছাগলের কাছে গিয়ে বলল,
— “বন্ধু ছাগল! আমি আজ একটা গুপ্তধন খুঁজে পেয়েছি! কিন্তু সেটা একা তুলতে পারছি না। যদি তুমি আমাকে একটু সাহায্য করো, ধন দুজনে ভাগ করে নেব।”

ছাগল চোখ বড় বড় করে বলল,
— “গুপ্তধন! কোথায়?”

শিয়াল বলল,
— “এই বনেই একটা গর্তে। তবে গর্তে ঢুকতে হবে। আমি জানি কোথায়, তুমি ঢুকো, আমি পাহারা দিই। তারপর ধন তোল!”

ছাগল বিশ্বাস করে গর্তে ঢুকে পড়ল। শিয়াল বাইরে থেকে গর্তের মুখে বড় একটা পাথর গড়িয়ে দিল — আর ভিতর থেকে ছাগলের চিৎকার,
— “এটা কী করলে রে শিয়াল!”

শিয়াল হেসে বলল,
— “বন্ধু, গুপ্তধন তো তুই–ই! আজ রাতে তোকে রান্না করে খাব!”

কিন্তু গর্তের ভিতরে একটা সাপ ঘুমাচ্ছিল — ছাগলের চিৎকারে সে জেগে উঠল আর রেগে গিয়ে শিয়ালের দিকে ছুঁটে এল। শিয়াল পালাতে না পারায় সাপ তাকে ছোবল মারল।

ছাগল মুচকি হেসে বলল,
— “চালাকি করতে গেলে মাঝে মাঝে নিজের জন্যই গর্ত খুঁড়ে ফেলতে হয়!”

শিক্ষা: অন্যকে ফাঁকি দিতে গিয়ে নিজেই ফাঁস পড়ে যাওয়াটা চালাকির চরম শিক্ষা।

 #পড়া মনে রাখার ৫ বৈজ্ঞানিক উপায়:১. বিরতি নিয়ে রিভিশনজার্মান মনোবিদ হারমান এবিনঘসের মতে, যে কোনো কিছু পড়ার এক ঘণ্টা পর স...
19/05/2026

#পড়া মনে রাখার ৫ বৈজ্ঞানিক উপায়:

১. বিরতি নিয়ে রিভিশন
জার্মান মনোবিদ হারমান এবিনঘসের মতে, যে কোনো কিছু পড়ার এক ঘণ্টা পর সেটির মাত্র ৪৪ শতাংশ আমাদের মনে থাকে। তাই আমাদের উচিত তাৎক্ষণিক রিভিশন না দিয়ে, একটু বিরতি দিয়ে একই বিষয় আবার পড়া। তাতে পড়া মনে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বিরতি দিয়ে বারবার পড়লে যে কোনো পড়াই মনে থাকে অনেক দিন।

২. ফাইনম্যান পদ্ধতি
পদার্থবিদ রিচার্ড ফাইনম্যান প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় এই পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। কোনো কিছু খুব সহজভাবে অন্যকে বোঝানোর পদ্ধতিকে ফাইনম্যান পদ্ধতি বলা হয়। যে কোনো কিছু পড়ার পর তা অন্য কাউকে শেখানোর চেষ্টা করলে সেই পড়া আপনার মনে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। কোনো কিছু শেখানোর সময় আপনাকে সেই পড়াটি নিজের মতো গুছিয়ে সংক্ষেপ করে নিতে হয়; করতে হয় আলোচনাও। যা পড়াটি আপনার মাথায় গেঁথে যাওয়ার ক্ষেত্রে দারুণ ভূমিকা রাখে।

৩. পোমোডোরো পদ্ধতি
পড়াশোনার মাঝখানে মুঠোফোন হাতে নিয়ে ফেসবুক, ইউটিউবে ঢুঁ দেওয়া কিংবা অন্যমনস্ক হয়ে যাওয়া আমাদের এক নিত্য সমস্যা। যার ফলে পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে এবং পড়া ঠিকমতো না হওয়ায় তা মনে থাকার সম্ভাবনাও বেশ কমে যায়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পোমোডোরো পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে। এটি মূলত সময় ব্যবস্থাপনার একটি কৌশল। ১৯৮০ সালের শেষের দিকে ফ্র্যাঞ্চেস্কো নামের এক উদ্যোক্তা এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। ইতালীয় শব্দ পমোডোরো অর্থ ‘টমেটো সস’। ফ্র্যাঞ্চেস্কোর টমেটোর আকারের টেবিল ঘড়ি থেকেই মূলত এর নামকরণ। এই পদ্ধতিতে একজন মানুষ মোট ২৫ মিনিট সময় নিয়ে কোনো একটি কাজ করবেন এবং কাজ শেষে ৫ মিনিটের বিরতি নেবেন। ওই পঁচিশ মিনিট নিজেকে অন্য সবকিছু থেকে দূরে রাখতে হবে। আর বিরতির পাঁচ মিনিটকে বেছে নিতে হবে অন্য যে কোনো কাজ কিংবা বিশ্রামের জন্য। এতে করে মূল কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়ে, কাজের প্রভাবও বেড়ে যায় কয়েক গুণ। এই পদ্ধতি পড়াশোনায় প্রয়োগ করলে পড়া হবে আরও কার্যকর, আর মনেও থাকবে লম্বা সময় পর্যন্ত।

৪. প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম
যুক্তরাষ্ট্রের নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী জেসিকা পেইন এবং তাঁর কয়েকজন সহকর্মী মিলে একটি গবেষণা করেছেন। তাতে জানা যায়, পড়াশোনা শেষে নির্দিষ্ট সময় ঘুমালে তা পড়া মনে রাখায় বেশ সহায়তা করে। তাই লম্বা সময় পড়াশোনার পর কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নেওয়ার বিকল্প নেই। যাঁরা সারা রাত জেগে সকালে পরীক্ষা দিতে অভ্যস্ত, অনেক সময় দেখা

😂😅বৃদ্ধাশ্রম সৃষ্টি হওয়ার আগের কথা 😥😥কিছু বছর আগেও যখন আমরা মাদ্রাসায়/ স্কুলে পড়তাম, দূর থেকে স্যার আসছে দেখে চলন্ত সা...
18/05/2026

😂😅বৃদ্ধাশ্রম সৃষ্টি হওয়ার আগের কথা 😥😥

কিছু বছর আগেও যখন আমরা মাদ্রাসায়/ স্কুলে পড়তাম, দূর থেকে স্যার আসছে দেখে চলন্ত সাইকেল দুম করে ব্রেক কষে পড়িমরি করে সাইকেল থেকে আমরা ছাত্ররা নেমে পড়তাম।

প্রথমে স্যার কে সালাম দিতাম,অপরদিক থেকে স্যার এর স্নেহ মাখা গম্ভীর স্বর ভেসে আসতো- "আরে থাক থাক.."
ইতস্তত গলায় আমরা ছাত্ররা জিজ্ঞেস করতাম "স্যার ভালো আছেন?" কিংবা "স্যার কোথায় চললেন?"

দেখতে সাধারণ হলেও, এইসব ঘটনার মধ্যে দিয়ে আস্তে আস্তে ছাত্র ছাত্রীরা মানুষ হয়ে উঠতো। অবশ্য কিছু ডেপো ছাত্র ছিল যারা স্যারকে দেখেও ধাঁ করে বেড়িয়ে যেতো। আর কেউ দেখেও না দেখার ভান করে, নিউটনের চতুর্থ সূত্র আবিষ্কার করার চিন্তা করছে, এমন উদাসীন মুখ করে পাশ কাটিয়ে চলে যেত..

স্যারদের প্রতি সেই আন্তরিকতা, সম্মান, শ্রদ্ধাবোধ এখন বিলুপ্তির পথে প্রায়.....🙄😢

এই যুগে মা-বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে থাকতে হয়
আর শিক্ষক তো .............

Address


Telephone

+8801855221319

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সবার জন্য শিক্ষা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to সবার জন্য শিক্ষা:

  • Want your university to be the top-listed University?

Share