03/07/2026
বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার সমর্থক গুনে শেষ করা কঠিন। তাই ৪ জুলাই বিশ্বকাপের শেষ ৩২–এ আর্জেন্টিনার ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা থাকবে তুঙ্গে।
কিন্তু প্রতিপক্ষ? কেপ ভার্দে। বাংলাদেশের অনেক ফুটবলপ্রেমীর কাছেই দেশটির নাম এখনো নতুন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে কেপ ভার্দেতে রপ্তানির পথ খুলেছিল ২০১০ সালের নভেম্বরে।
সে সময় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রতিষ্ঠান অ্যাগ্রিকালচার মার্কেটিং কোম্পানি দেশটিতে ১১ হাজার ডলারের খাদ্যপণ্য রপ্তানি করে।
এরপর ধীরে ধীরে এই ছোট বাজারে যুক্ত হয় হাশেম ফুডস, ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।
বর্তমানে প্রাণ-আরএফএলের খাদ্যপণ্যের পাশাপাশি ওয়ালটনের ওয়াশিং মেশিন, ইলেকট্রিক কেটলি ও ওভেনও যাচ্ছে কেপ ভার্দেতে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ দেশটি থেকে মূলত লোহার স্ক্র্যাপ আমদানি করে।
এনবিআরের হিসাবে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে কেপ ভার্দেতে প্রায় ২ লাখ ৫১ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
একই সময়ে দেশটি থেকে আমদানি হয়েছে প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার ডলারের পণ্য। সে হিসাবে কেপ ভার্দের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যে উদ্বৃত্ত রয়েছে।
বিশ্বকাপের বছর দুই দেশের বাণিজ্যে যুক্ত হয়েছে নতুন পণ্য ফুটবল জার্সি।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার উত্তরার গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড অ্যাসেম্বলিং লিমিটেড এ বছর কেপ ভার্দেতে ১২ হাজার ৫৭৩টি জার্সি, শার্ট ও জ্যাকেট রপ্তানি করেছে।
এসব পণ্যের রপ্তানিমূল্য প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।
চালানভেদে প্রতিটি পণ্যের রপ্তানিমূল্য ছিল ৮ থেকে ১৬ ডলারের মধ্যে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৯৮৭ থেকে ১ হাজার ৯৭৪ টাকা।
গত মার্চ থেকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে এসব চালান পাঠানো শুরু হয়।
©প্রথম আলো