28/01/2025
পরাশক্তির দুইদেশের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে মাইন্ড গেইম দেখে হাসি পাচ্ছে।
এগুলো নিয়ে কোনভাবেই ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বাংলাদেশ এসব Ai যুগ ছাড়িয়ে আরও ৫০ বছর Advanced Situation এ আছে, মাশাল্লাহ।
এই ধরেন, দেশসেরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাইনাল পরীক্ষার ফি জমা দিতে হলে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস > ডিপার্টমেন্ট > হল > লাইব্রেরি > রেজিস্ট্রার অফিস > পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসে এক থেকে তিনবার যেতে হয়। যখন তখন গেলে চলবে না, লাঞ্চের আগে যেতে হয় এটা শুনতে "লাঞ্চের পরে আসেন"। লাঞ্চের পরে গেলে শুনতে হয় "আগামীকাল আসেন"।
আবার ধরুন অফিসগুলোতে ইমেইলে কোন ডকুমেন্ট পাঠালেই হবে না, সেটা আবার প্রিন্ট করে হার্ড কপি দিয়ে আসতে হবে। যেনতেন প্রিন্ট করলেই হবে না, এগুলো আবার প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করতে হবে।
আমার কাছে এটাই বেস্ট উপায় মনে হয়। Internet এর যুগে মানুষের মধ্যে সামাজিকতা কমে যাচ্ছে, সারাক্ষণ মোবাইল/কম্পিউটারে মাথা গুজে থাকে। এটা থেকে মুক্তি পেতে হলে এমন Social Interaction অনেক জরুরি। একবার ফি জমা দিতে কত কত শ্রেণিপেশার মানুষের সাথে দেখা হলো, কথা হলো, কুশল বিনিময় হলো!
এটাই আধুনিকতা, এটাই সামাজিকতা। Ai যুগ আমার কাছে অন্ধকার যুগ মনে হয়। আলহামদুলিল্লাহ, বাংলাদেশ এসব থেকে বের হয়ে এসেছে।
আশা করবো, সো কোল্ড উন্নত দেশগুলোও এসব আর্টিফিশিয়াল জিনিসপত্র বাদ দিয়ে "ন্যাচারাল ইন্টেলিজেন্সের" দিকে ধাবিত হবে।