GREEN BUDS International School

GREEN BUDS International School Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from GREEN BUDS International School, House # 16, New I & A Block, Artillery Road, Halishahar, Chittagong, Bangladesh. Phone : 01554304894, Delhi.

News of the `GBIS Annual Sports and Cultural Competition Award Ceremony 2026' published in various dailies.
21/02/2026

News of the `GBIS Annual Sports and Cultural Competition Award Ceremony 2026' published in various dailies.

The prize distribution ceremony of the 'GBIS Annual Sports and Cultural Competition 2026' was held on February 16 in a c...
21/02/2026

The prize distribution ceremony of the 'GBIS Annual Sports and Cultural Competition 2026' was held on February 16 in a colorful atmosphere of joy, excitement and creativity. With the lively participation of students throughout the day, the enthusiastic presence of guardians and the sincere cooperation of teachers, the campus turned into a gathering of souls.
The program was presided over by the President of GBIS Managing Committee, eminent journalist Absar Mahfuz. Director General of Chittagong Academy Lion Jahangir Mia and President of Chittagong Creative Publishers Council Md. Sahab Uddin Hasan Babu were present as honored guests at the program.
The program began with the welcome speech of the school's principal Arpita Nargis. Her speech clearly reflected the school's educational philosophy, values ​​and commitment to creative education. Speeches were delivered by school teacher Ayesha Akhter and guardian Tahmina Akhter. The entire program was moderated by Campus Coordinator Farjahan Chowdhury.
Medals and certificates were distributed among the winners of the sports competition. Encouragement prizes were awarded to all students participating in the competition.

মহান ভাষাশহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা
21/02/2026

মহান ভাষাশহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

05/02/2026

ছেলেশিশুকে যেভাবে শেখাবেন গুড টাচ–ব্যাড টাচের কথা

GBIS Annual Result Publication Festival 2025
31/12/2025

GBIS Annual Result Publication Festival 2025

Green Buds International Schoolat a glanceLocation :House 16, Artillery Road, New I Block, Halishahar, Chattogram.Phone ...
04/12/2025

Green Buds International School
at a glance

Location :
House 16, Artillery Road, New I Block, Halishahar, Chattogram.
Phone : 01758801605, 01554304894.

Features :
♣ Quality education with minimum expense.
♣ Students friendly joyful teaching method.
♣ Well educated & experienced teaching staff.
♣ No book burden.
♣ Emphasis on English and religious education.
♣ Completion of lesson within school hour.
♣ Fully education environment.
♣ National Curriculum Bengali & English Version.
♣ There is no homework outside of studying in class.
♣ Emphasis on handwriting, spelling and pronunciation.

Facilities :
♣ Fully secured campus.
♣ Play zone for kids.
♣ Waiting room for guardians.
♣ Audio-visual lecture materials.

Co-curricular Activities :
♣ Art Competition.
♣ Debate & Book Reading Competition.
♣ Demonstration & Speech Competition.
♣ Study Tour.
♣ Games & Sports.

School Offer :
♣ 2nd Child from a family 25% discount in admission fee.

Humble Request to Guardian :
Please, visit our campus before getting admission of your child to any school.

শিশুর নিউমোনিয়াযেসব বিষয় খেয়াল রাখবেনডা. শেখ শিমুল রহমান নিউমোনিয়া বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। প্রতিবছর...
26/11/2025

শিশুর নিউমোনিয়া
যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন
ডা. শেখ শিমুল রহমান


নিউমোনিয়া বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। প্রতিবছর প্রায় ২৪,০০০ শিশু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। শিশুর দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা, অপুষ্টি এবং স্বাস্থ্যসেবার সীমিত প্রবেশযোগ্যতা মৃত্যুহারের মূল কারণ।
নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের বায়ুথলিতে প্রদাহ সৃষ্টিকারী সংক্রমণ, যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা অন্যান্য প্যাথোজেন দ্বারা হতে পারে। শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তারা এই সংক্রমণে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। বাংলাদেশে শিশুমৃত্যুর প্রধান কারণগুলোর মধ্যে নিউমোনিয়ার প্রভাব ব্যাপক।
UNICEF এবং IEDCR-এর মতে, প্রতি বছর বাংলাদেশে প্রায় ২৪,০০০ শিশু নিউমোনিয়ায় মারা যায়। মোট শিশু মৃত্যুর প্রায় ২৪% নিউমোনিয়ার কারণে।
নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত মাত্র ৬০% শিশু প্রাথমিক চিকিৎসা পায় বাকি ৪০% সাধারণত চিকিৎসা সেবা পায় না। শীতকাল এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় রোগের প্রকোপ বেশি হয়।

নিউমোনিয়ার কারণ
ব্যাকটেরিয়া: স্ট্রেপ্টোকক্কাস নিউমোনিয়া, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি (Hib)
ভাইরাস: রেসপিরেটরি সিনসিটিয়াল ভাইরাস (RSV), ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস
অ্যাসপিরেশন: খাদ্য বা তরল শ্বাসনালিতে প্রবাহিত হওয়া

অপুষ্টি ও দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা
লক্ষণ ও উপসর্গ
জ্বর ও ঠান্ডা
কাশি ও শ্বাসকষ্ট
বুকের ব্যথা
ক্ষুধামান্দ্য ও ক্লান্তি
নীলাভ ঠোঁট বা নখ (গুরুতর ক্ষেত্রে) চিকিৎসা পদ্ধতি
অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপি: ব্যাকটেরিয়াল নিউমোনিয়ার জন্য
জ্বরনাশক ওষুধ: জ্বর কমানোর জন্য
অক্সিজেন থেরাপি: হাইপক্সিয়ার ক্ষেত্রে
নেবুলাইজার থেরাপি: শ্বাসনালি খোলার জন্য

প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা
টিকাদান: নিউমোকোক্কাল ও ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকা
হাত ধোয়া ও স্যানিটেশন
ধূমপানমুক্ত পরিবেশ
সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য
দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণের সচেতনতা

উপসংহার
শিশু নিউমোনিয়া একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা। তবে সচেতনতা, টিকাদান, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস এবং দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে রোগ নিয়ন্ত্রণযোগ্য। পারিবারিক সচেতনতা এবং সরকারি নীতি শিশুদের জীবন রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

[শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ, আলোক মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার, মিরপুর]

সূত্র : দৈনিক সমকাল,
২৫ নভেম্বর ২০২৫

Alhamdulillah! The Typhoid Vaccination Program was successfully completed at Green Buds International School. The purpos...
16/10/2025

Alhamdulillah! The Typhoid Vaccination Program was successfully completed at Green Buds International School. The purpose of this program, organized by the school, was to enhance students’ immunity and promote health awareness. Typhoid is an infectious disease that spreads through contaminated food and water. Timely vaccination can provide protection against this illness. Along with the students, parents and teachers also actively participated in the program. In addition to administering vaccines, the healthcare workers emphasized the importance of cleanliness, drinking pure water, and consuming safe food to prevent typhoid. The principal and teachers encouraged students to undergo regular health check-ups and to stay updated with necessary vaccinations. Such initiatives undoubtedly play a vital role in building a healthy and aware generation.

There is no alternative to washing hands scientifically for a healthy life. With this message in mind, GREEN BUDS Intern...
15/10/2025

There is no alternative to washing hands scientifically for a healthy life. With this message in mind, GREEN BUDS International School organized an important program on the occasion of Global Handwashing Day. In this event, attended by the students, they were taught the scientific methods and correct techniques of handwashing.
According to the World Health Organization (WHO), regular and proper handwashing is the most effective way to prevent infectious diseases. Especially before and after eating, after using the toilet, and after coughing or sneezing—washing hands is crucial to stop the spread of germs. During the program, students were practically taught the seven steps of handwashing, such as cleaning the palms, between the fingers, under the nails, and up to the wrists. Through this demonstration, they not only gained theoretical knowledge but also developed hands-on practice.
Teachers and health experts at the school emphasized that building the habit of washing hands from an early age ensures a lifetime of good health. At the end of the program, students pledged to maintain the habit of washing their hands scientifically every day and to raise awareness about it among their families and communities.
Undoubtedly, this initiative by Green Buds International School will help foster awareness and a sense of responsibility among students to follow proper hygiene practices. It will guide the next generation toward a cleaner and disease-free future.

শিশুর ডেঙ্গু জ্বর: যেসব বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবেসাধারণভাবে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত শিশুর লক্ষণ বড়দের মতোই হয়ে থাকে। তবে ডেঙ...
02/10/2025

শিশুর ডেঙ্গু জ্বর: যেসব বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে

সাধারণভাবে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত শিশুর লক্ষণ বড়দের মতোই হয়ে থাকে। তবে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম এবং ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারের মতো জটিলতাগুলো শিশুর ক্ষেত্রে দ্রুত ও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে

ডেঙ্গু জ্বর একটি মশাবাহিত রোগ, যা এডিস মশা দ্বারা ছড়ায়। ছোটদের ক্ষেত্রে ডেঙ্গু জ্বর অনেক সময় জটিল আকার ধারণ করতে পারে। এ কারণে অভিভাবকদের সতর্ক থাকা এবং সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ : সাধারণভাবে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত শিশুর লক্ষণ বড়দের মতোই হয়ে থাকে। তবে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম এবং ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারের মতো জটিলতাগুলো শিশুর ক্ষেত্রে দ্রুত ও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। সে কারণে শিশু ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হয়।

জ্বর: শিশুর শরীরে মাঝারি বা তীব্র মাত্রার জ্বর এক থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

সাধারণ উপসর্গ: জ্বরের সঙ্গে দেখা দেয় ক্ষুধামান্দ্য এবং বমি বমি ভাব। অনেক সময় শরীরে র‍্যাশ দেখা দেয়।
শারীরিক অস্বস্তি: মাথা বা শরীরের ব্যথায় শিশু অযথা কান্নাকাটি বা বিরক্ত করতে থাকে।

অন্যান্য লক্ষণ: কখনও কখনও বমি, পাতলা পায়খানা, পেটে ব্যথা, এমনকি খিঁচুনি হতে পারে।

সিভিয়ার ডেঙ্গুর চিহ্ন (রক্তক্ষরণ): অনেক সময় সিভিয়ার ডেঙ্গু হলে শরীরের বিভিন্ন জায়গা যেমন মাড়ি, নাক, চোখের কনজাংটিভায় রক্তক্ষরণের চিহ্ন দেখা যেতে পারে।

পানি জমা: ফুসফুসে বা পেটে পানি জমার কারণে শিশুর কাশি, শ্বাসকষ্ট অথবা পেট ফুলে যেতে পারে।

কিশোরী মেয়েদের ক্ষেত্রে: মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত হতে পারে।

শক বা অচেতন অবস্থা (সংকটকালীন লক্ষণ) : জ্বর কমে যাওয়ার দু-তিন দিন পর রোগটি প্রশমিত না হয়ে উল্টো শরীরে শক বা অচেতন অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। শুরুতে শিশুর নাড়ির স্পন্দন দ্রুত বাড়তে থাকে, একসময় রক্তচাপ কমে যায় এবং নাড়ির স্পন্দন তখন অনুভূত হয় না। শিশু শকে চলে যায়। এই শক প্রতিহত করতে না পারলে তা থেকে প্রাণহানির কারণ হতে পারে। এ জন্য শিশু বা বড় যে কোনো রোগীর জ্বর কমে গেলেও নাড়ির স্পন্দন এবং রক্তচাপ ঠিক আছে কিনা, সেদিকে নিবিড়ভাবে নজর রাখতে হবে।

মা-বাবা বা অভিভাবকের করণীয় : ডেঙ্গু রোগাক্রান্ত শিশুর যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে মা-বাবা বা অভিভাবকের সতর্কতা ও সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা অপরিহার্য।

জ্বর নিয়ন্ত্রণ: শিশুর শরীরে তীব্র জ্বর দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শে নির্দিষ্ট মাত্রায় প্যারাসিটামল সেবন করাতে হবে। স্পঞ্জিং বা হালকা গরম পানিতে শরীর মুছে দেওয়ার মাধ্যমে জ্বর কমানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

পর্যাপ্ত তরল খাবার: বেশি বেশি তরল খাবার পানের ব্যবস্থা করতে হবে। যেমন খাওয়ার স্যালাইন, ডাবের পানি, শরবত, স্যুপ, ডালের পানি ইত্যাদি।

প্রস্রাব পর্যবেক্ষণ: শিশু যথেষ্ট ও ঠিকমতো প্রস্রাব করছে কিনা, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ছয় ঘণ্টার মধ্যে প্রস্রাব না হলে শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর করা উচিত।

শারীরিক পরিমাপ: নিয়মিত নাড়ির স্পন্দন ও রক্তচাপ মাপা জরুরি। শিশুর রক্তচাপ মাপার জন্য নির্দিষ্ট মাপের ব্লাডপ্রেশার কাফ ব্যবহার করতে হবে। এ জন্য নিকটস্থ চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ নিন।

সময়মতো পরীক্ষা: শিশুর জ্বরের সঙ্গে রোগসংক্রান্ত জটিলতা দেখা দেওয়ার আগেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। তাঁর নির্দেশে রক্তের কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (CBC) এবং এনএস-১ অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করাবেন। কোনো শিশুর জ্বর ৫-৬ দিন পার হয়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শে ডেঙ্গুর উপস্থিতি নির্ণয়ের জন্য অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাবেন। ডেঙ্গুর অ্যান্টিবডি (IgM/IgG) সাধারণত ৫-৬ দিন আগে ধরা পড়ে না। এ জন্য আগেভাগে অ্যান্টিবডি টেস্ট করার দরকার নেই। এ ক্ষেত্রে অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করাতে হবে।

সংকটকালীন সতর্কতা: জ্বর কমে গেলেও অর্থাৎ ষষ্ঠ দিন থেকে নিশ্চিন্ত না হয়ে বরং আরও নিবিড়ভাবে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। এই সময়টিই সবচেয়ে সংকটপূর্ণ।

মানসিক সমর্থন: শিশু অসুস্থ হলে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হতে পারে। তাকে পর্যাপ্ত মানসিক সমর্থন দিন এবং আশ্বস্ত করুন।

বিশেষ সতর্কবার্তা: ঝুঁকিপূর্ণ শিশু : যেসব শিশু আগে থেকেই অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত, যেমন কিডনি রোগ, রক্তজনিত রোগ, লিভারসংক্রান্ত জটিলতা বা বিশেষায়িত ওষুধ সেবন করছে, তাদের জ্বর আসার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।
ডেঙ্গু জ্বর হলে অভিভাবকরা প্রথমেই রক্তের প্লাটিলেটের সংখ্যা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন। এ রোগে প্লাটিলেট-সংক্রান্ত জটিলতা স্বল্পসংখ্যক রোগীর ক্ষেত্রেই দেখা দেয়। অধিকাংশ রোগী পানিশূন্যতা, বুক ও পেটে পানি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে আসে। তাদের চিকিৎসা শুধু বিশেষায়িত হাসপাতালেই সম্ভব। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা এবং সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সন্তানের মধ্যে ডেঙ্গুর কোনো লক্ষণ দেখা দিলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

ডা. আহাদ আদনান
শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ; ফয়সল হাসপাতাল, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ।

সূত্র : দৈনিক সমকাল; প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ০৬:৩৫ |

বুদ্ধির ওপর পুষ্টির প্রভাবআখতারুন নাহার আলোআমাদের বুদ্ধির সীমাটা বেশ বড়। এর মধ্যে আছে স্মৃতিশক্তি, মনোসংযোগ করার ক্ষমতা,...
19/07/2025

বুদ্ধির ওপর পুষ্টির প্রভাব
আখতারুন নাহার আলো

আমাদের বুদ্ধির সীমাটা বেশ বড়। এর মধ্যে আছে স্মৃতিশক্তি, মনোসংযোগ করার ক্ষমতা, চিন্তার প্রসারতা ইত্যাদি। দৈনন্দিন কাজকর্ম ঠিকমতো করার জন্য মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ থাকা জরুরি। রক্তের লোহিত কণিকাই এ অক্সিজেন বহন করে নিয়ে যেতে পারে।

যারা ছোটবেলা থেকে রক্তস্বল্পতায় ভুগছে, তাদের মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা বেশ কম। নতুন কোনো বিষয় শেখার সময়ও তাদের সমস্যা হয়। বড়দের ক্ষেত্রে দেখা যায়, লৌহের অভাবে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে যায়। সচেতনতা, বোধবুদ্ধি বজায় রাখা ও কথা-বার্তা সঠিকভাবে বলার ক্ষেত্রেও লৌহের ভূমিকা রয়েছে। যেসব খাদ্য থেকে লৌহ পাওয়া যায়, সেগুলো হলো-কলিজা, গরুর মাংস, ডিমের কুসুম, গুড়, বিট, বিনস, খেজুর, কিশমিশ, সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল।

মানবদেহের উৎকৃষ্ট অংশ হলো মস্তিষ্ক। এর গঠন অত্যন্ত জটিল। আর মস্তিষ্কের ভেতরে উৎকৃষ্ট স্থান হচ্ছে ব্রেন। এখানেই থাকে আমাদের ভাব, ভাষা, কর্মশক্তি, কর্মপ্রেরণা, মানবিক, অমানবিক সব বিষয়। এ গুরুত্বপূর্ণ স্থান রোগাক্রান্ত হলে শরীরে প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ফলে আমাদের সব আবেগ, অনুভূতি, কর্মশক্তি, কর্মপ্রেরণা হঠাৎ স্তব্ধ হয়ে যায়। এজন্য প্রয়োজন মাথা ঠান্ডা রাখা, পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টিকর খাবার যা মাথার কোষগুলোকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। মস্তিষ্কে বেশ কয়েকটি স্নায়ুকোষ আছে। স্নায়ুকোষ দুর্বল হয়ে পড়লে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতাও হ্রাস পায়। এদিকে মস্তিষ্কের সঠিক ক্রিয়াকলাপের জন্য ভিটামিন ‘বি’-এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এর অভাবে স্মৃতিশক্তি লোপ পায় এবং অলিক ভাবনা-চিন্তার উৎপত্তি ঘটে। বুদ্ধি লোপের ফলে আমাদের ব্যক্তিত্বও পরিবর্তিত হতে পারে। যারা নিয়মিত মদ্যপান করেন, তাদের দেহে থায়ামিন বা ভিটামিন ‘বি১’-এর অভাব দেখা যায়। থায়ামিনের অভাবে সিদ্ধান্ত নিতে জড়তা দেখা যায়। থায়ামিনের উৎস হলো-ইস্ট, চালের কুঁড়া, গমের ভুসি, গোটা শস্য, সয়াবিন, ডিমের কুসুম, মাছ, ওটমিল, চিনাবাদাম, সবজি, দুধ ইত্যাদি।

বার্ধক্যজনিত বুদ্ধি বিভ্রম এড়াতে প্রয়োজন খাবারে ভিটামিন ‘বি৬’ ও তামা বা কপার। যেসব খাবারে ভিটামিন ‘বি৬’ আছে, সেগুলো হলো-ডিমের কুসুম, কলিজা, মাছ, মাংস, দুধ, গাজর ও শাকসবজি। তামা বা কপার আছে-কলিজা, বাদাম, শুকনা ফল, ডাল, মাংস, মাছ, ফল ও সবজিতে।

যদি খাবারে ভিটামিন ‘বি১২’, ভিটামিন ‘সি’, ফলিক এসিড ও রাইবোফ্লাভিন থাকে, তাহলে মনোযোগ তেমন নষ্ট হয় না। ভিটামিন ‘বি১২’ পাওয়া যাবে-দুধ, পানীয়, ডিম, কলিজা ইত্যাদি থেকে। যারা পুরোপুরি নিরামিষভোজী এবং দুধ ও দুধজাত খাবার খান না, তাদের এ ভিটামিনের অভাব হয়ে থাকে। ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া যাবে-পেয়ারা, আমলকী, লেবু, কাঁচামরিচ, সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি থেকে। রাইবোফ্লাভিন বা ভিটামিন ‘বি২’ আছে-দুধ, কলিজা, পানীয়, সবুজ পাতা জাতীয় সবজি, মাছ, ডিম, শিম ও দইয়ে।

মস্তিষ্কের প্রধান রাসায়নিক উপাদান হচ্ছে অ্যাসিটিলকোলাইন। এটি উৎপন্ন করার জন্য থায়ামিন ও ভিটামিন ‘বি১২’-এর প্রয়োজন। যুক্তিবোধ, জানার ক্ষমতা ও স্মরণশক্তির জন্য কোলাইন গুরুত্বপূর্ণ। কোলাইন মস্তিষ্কের কোষের সংযোজক ক্ষমতা বাড়ায়। আবার অবস্থা অনুযায়ী কাজ করার ক্ষমতা বাড়ায়। এটি আলঝেইমার নিরাময়ে উন্নতি ঘটায়। কোলাইন-এর উৎস হলো-মাছ, কলিজা, ডিম, সয়াবিন ও চিনাবাদাম।

লেসিটিন স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ওষুধ, খাবার, এমনকি কসমেটিকসে লেসিটিন ব্যবহার করা হয়। পশ্চিমা দেশগুলোতে হার্টের ওষুধ এবং ওজন কমানোর ওষুধেও লেসিটিন ব্যবহৃত হয়। লেসিটিনের সঙ্গে কোলাইন বিশেষভাবে যুক্ত। এর অভাবে স্মরণশক্তি কমে যেতে থাকে।

কলমি শাক স্নায়ুরোগীদের জন্য উপকারী। এটি মস্তিষ্ক বিকারগ্রস্তদের জন্যও ভালো। পর্যাপ্ত ঘুমের জন্য প্রয়োজন রুই, মাগুর, দুধ, দুধের সর, বাদাম, পাকা কলা, গমের পায়েস, কিশমিশ, ডাবের পানি, নানিকেল কোরা, ঘিয়ে রান্না করা খাবার ইত্যাদি।

নারিকেল মাথাব্যথা রোগীদের জন্য উপকারী। এর দুধ গরুর দুধের চেয়ে ভালো। দক্ষিণ ভারতীয়রা বৃদ্ধিবৃত্তি এবং মেধার দিক থেকে অন্যদের তুলনায় ভাল। যেসব অঞ্চলে নারিকেলের ব্যবহার বেশি, তাদের মস্তিষ্কের উৎকর্ষ সাধন হবে বেশি। এছাড়া বুদ্ধি বাড়ার জন্য প্রয়োজন-মটর ডালের বেসন, খোসাসহ মুগডাল, মাখন, গোলমরিচ, তেঁতুল, কচি ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙা, দুধ, কিশমিশ, চিনাবাদাম, ছোলা ও রাজমা।

লেখক : চিফ নিউট্রিশন অফিসার ও বিভাগীয় প্রধান (অব.), বারডেম। সভাপতি, ডায়াবেটিস নিউট্রিশনিস্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশ, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শ্যামলী ও অ্যাডভান্স হাসপাতাল, ঢাকা।

সূত্র : দৈনিক যুগান্তর
১৯ জুলাই ২০২৫

একরোখা শিশু সামলাবেন কীভাবে?মেখলা সরকারনয় বছরের তমালকে (ছদ্মনাম) নিয়ে তো প্রায়ই বিপদে পড়তে হয় ওর বাবা-মায়ের। শপিং মলে গে...
02/07/2025

একরোখা শিশু সামলাবেন কীভাবে?
মেখলা সরকার

নয় বছরের তমালকে (ছদ্মনাম) নিয়ে তো প্রায়ই বিপদে পড়তে হয় ওর বাবা-মায়ের। শপিং মলে গেলে কোনো কিছু কেনা তার চাই-ই চাই। আর সেটা না কিনে দিলে মাটিতে গড়াগড়ি। সবার সামনেই চিৎকার, কান্নাকাটি—সে এক হুলুস্থুল অবস্থা। আদর দিয়ে, ধমক দিয়ে, বুঝিয়ে—নানাভাবেই চেষ্টা করে দেখেছেন, কোনোভাবেই তমালকে বোঝানো যায় না। ফলে চাহিদামতো জিনিস তাকে কিনে না দিয়ে কোনো উপায়ও থাকে না।
অপর দিকে ছয় বছরের ছোট্ট মিথিলা (ছদ্মনাম) খুব মিষ্টি হলেও খাওয়া, পড়া সবকিছুতেই তার জেদ ধরা চাই। একবার না বললে কোনোভাবেই যেন সেটা হ্যাঁ হবে না। মনোবিজ্ঞানে কিছু শিশুকে বলা হয় ‘সহজে মানানো যায় না এমন শিশু’ বা ‘ডিফিকাল্ট চাইল্ড’। ১০ শতাংশ শিশু এমন হয়ে থাকে। এ ধরনের বাচ্চারা অল্পতেই উত্তেজিত হয়। একরোখা হয়। সহজে কথা শোনে না বা সন্তুষ্ট হয় না। মনোবিজ্ঞানী চেস ও থমাসের মতে, ৪০ শতাংশ শিশুকে বলা হয় ‘সহজে মানানো যায় এমন শিশু’। যাদের খাওয়া, ঘুম, বাথরুম ইত্যাদি সবকিছুই একধরনের নিয়মের মধ্যে থাকে। এরা যেকোনো কথা সহজে শোনে। এ দুই ধরনের বৈশিষ্ট্যের মিশ্রণ থাকে বাকি ৫০ শতাংশ শিশুর মধ্যে।
একরোখা ভাব বা যেকোনো কিছু নিয়ে জেদ করা অনেক শিশুরই বিশেষ এক বৈশিষ্ট্য। কোনো কিছু চাইলে সেটা দিতেই হবে, যেকোনো কিছুতেই তারস্বরে চেঁচানো, জিনিসপত্র নষ্ট করা ইত্যাদি তাদের যেন জেদেরই বহিঃপ্রকাশ।
শিশুদের জেদ কেন হয়—এ প্রশ্নের উত্তরে বলা যায়, জন্মগতভাবে পাওয়া বৈশিষ্ট্য এবং চারপাশের পরিবেশের প্রভাবেই বিকশিত হতে থাকে শিশুর মনের গঠন। অর্থাৎ, তার সঙ্গে আমাদের আচরণ কেমন হচ্ছে, তার কোনো ব্যবহার বা আচরণ আমাদের মাধ্যমে অজান্তে উৎসাহ পাচ্ছে কি না, বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে তার মেলামেশা, চারপাশে সে কী দেখে বড় হচ্ছে ইত্যাদি নানা কিছুই প্রভাব ফেলে তার মনে। এরই প্রতিফলন দেখি শিশুর আচরণে।

মনোবিজ্ঞানের একটা নিয়ম হলো, সন্তানের যেসব আচরণে মা-বাবা মনোযোগ দেবেন, সেসব আচরণ সে বারবার করবে। এই মনোযোগ যেমন আমরা আদর বা প্রশংসা করা, দাবি পূরণ করার মাধ্যমে দিতে পারি, তেমনি ‘বকা দেওয়া’, ‘বোঝানো’র মাধ্যমেও হতে পারে। যেমন, কোনো বাচ্চা কোনো কিছু কেনার জন্য জেদ করলে তাকে সেটা কিনে দিলে তার জেদ করার প্রবণতা আরও বাড়বে।
আবার কেউ যদি কোলে ওঠার জন্য মাটিতে গড়াগড়ি দেয় আর কেউ তাকে কোলে তুলে নেয়, তাহলে তার গড়াগড়ি দেওয়ার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণটি মনোযোগ পাবে। পরে এ আচরণটি আরও বাড়বে। এমনকি শিশুদের দুষ্টুমি নিয়ে বা জেদ নিয়ে তাদের সামনে অন্যদের সঙ্গে গল্প করলেও শিশুর এসব আচরণে পরোক্ষভাবে উৎসাহ দেওয়া হয়।

সন্তান জিনিসপত্র নষ্ট করলে ওর কিছু চাহিদা কম পূরণ করা ভালো। মডেল: ফারহান
সন্তান জিনিসপত্র নষ্ট করলে ওর কিছু চাহিদা কম পূরণ করা ভালো। মডেল: ফারহান
তাহলে একরোখা শিশুদের সামলাতে কী করা উচিত? শিশু যখন জেদ করে সবার সামনে কান্নাকাটি করতে বা গড়াগড়ি দিতে থাকবে, তখন তার দাবি না মেটালে সামলাবেন কীভাবে? অথবা জেদ করে যখন না খেয়ে থাকবে, তখন তার ইচ্ছা পূরণ না করেই বা উপায় কী?
আচরণ যেমন মনোযোগ দিলে বাড়ে, আবার যেকোনো ব্যবহার, আচরণ যদি ক্রমাগত উপেক্ষা করা হয়, তাহলে সেসব আচরণ কিন্তু কমে যাবে।
সুতরাং শিশুর কোনো আচরণ পছন্দ না হলে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করুন। অর্থাৎ, বাচ্চা জেদ করলে তাকে বকা দেওয়া, বোঝানো, দাবি পূরণ করা, তাকে কটাক্ষ করা ইত্যাদি থেকে নিজেকে বিরত রাখুন এবং সম্পূর্ণ উপেক্ষা করুন। ধৈর্য ধরে দৃঢ়তার সঙ্গে ক্রমাগত যেকোনো জেদে এমন আচরণ করতে পারলে শিশু বুঝে যাবে যে জেদ করে কোনো কিছু আদায় করা যায় না। ছোটখাটো জেদকে প্রশ্রয় না দিয়ে এ অভ্যাসটি শুরু করুন ঘর থেকেই।
একটা জনপ্রিয় প্রশ্ন হলো, ক্ষেত্রবিশেষে শিশুরা যখন সীমা ছাড়িয়ে যায় (যেমন বেয়াদবি করা, জিনিসপত্র নষ্ট করা ইত্যাদি), তখন শাস্তি কতখানি গ্রহণযোগ্য? উত্তর হলো, ক্ষেত্রবিশেষে শাস্তি সাময়িকভাবে কার্যকর হলেও শিশু এ ক্ষেত্রে কোনো শিক্ষা গ্রহণ করে না। বরং বারবার শাস্তি দিলে শাস্তির গুরুত্ব কমে যায়। শিশুমনে একধরনের নেতিবাচক আবেগ তৈরি হয়।
সুতরাং শাস্তিযোগ্য কোনো কাজে শাস্তির পরিবর্তে সন্তানের কিছু সুবিধা (যেমন আদর করা, কথা বলা, প্রশংসা করা, উপহার দেওয়া) ইত্যাদি সাময়িকভাবে কমিয়ে ফেলুন।
কী করবেন?
* শিশুর যেকোনো ভালো কাজে প্রশংসা করুন।
* পড়ালেখার পাশাপাশি সাধারণ আচরণ, নিয়ম-কানুন শেখান।

* সামাজিক পরিবেশে কোন ধরনের আচরণ গ্রহণীয় এবং কোনগুলো গ্রহণযোগ্য নয়, সেটা স্পষ্ট করে জানান।
* সমবয়সী শিশুদের সঙ্গে মিশতে দিন। তার জিনিসপত্র শেয়ার করতে শেখান।
* যেকোনো জেদ সম্পূর্ণ উপেক্ষা করুন।

কী করবেন না?
* যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ সম্পূর্ণ উপেক্ষা করুন।
* জেদে অতিরিক্ত বোঝানো, বকা দেওয়া বা তিরস্কার করবেন না।
* জেদ নিয়ে বাচ্চার সামনে অন্যদের সঙ্গে গল্প করবেন না।
* জেদ করে কোনো কিছু চাইলে সেই দাবি পূরণ করবেন না। স্বাভাবিকভাবে চাইলে তখন দেবেন।

মেখলা সরকার : মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, সহকারী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা

সূত্র : প্রথম আলো

Address

House # 16, New I & A Block, Artillery Road, Halishahar, Chittagong, Bangladesh. Phone : 01554304894
Delhi
4100

Telephone

+8801758801605

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GREEN BUDS International School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share