Suri Vidyasagar College

  • Home
  • Suri Vidyasagar College

Suri Vidyasagar College Establish 1942

12/03/2020

Who You are?
1. I am Human frm India
2. I am Hindu frm India
3. I am Muslim frm India

22/02/2020
22/02/2020

বাংলা ভাষার জয়গান আজ বিশ্বজুড়ে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রক্তাক্ত রাস্তা সে পরিচিতি এনে দিয়েছে। বরকত, জব্বার, সালামদের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি পেয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিও। কিন্তু এর পাশাপাশি, মাতৃভাষার জন্য মানভূমের বাঙালিদের দীর্ঘ আন্দোলন নিয়ে যে কোনও রকম আলোচনা থেকে বিরত থাকেন অনেক বাঙালি। অবহেলা না আত্মবিস্মরণ? ভুলে গেলে চলবে না, আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে যতগুলো ভাষা আন্দোলন হয়েছে, তার মধ্যে দীর্ঘতম ভাষা আন্দোলনও এই বাংলার মাটিতেই। না, সেটি ২১ ফেব্রুয়ারির আন্দোলন নয়। তা হল মানভূমের ভাষা আন্দোলন।

আরও পড়ুন
‘হাতির মতো বড় উৎসব’ সহরায়ের সঙ্গে মিশে সাঁওতালদের ভিটে বাঁচানোর যুদ্ধের ইতিহাস

১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে ভারত স্বাধীনতা লাভ করার পর থেকে, ভাষাভিত্তিক রাজ্য পুনর্গঠনের নীতির বাস্তব রূপায়নের দাবিতে দেশের আঞ্চলিকতা বেড়ে উঠতে শুরু করে। সেই পরিস্থিতিতে, ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু দেশের ভাষাভিত্তিক প্রদেশ কমিশন নিয়োগ করেন। ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে কমিশন মত দেয় যে, শুধুমাত্র ভাষাভিত্তিক প্রদেশ গঠন না করে ভারতের ঐক্যবদ্ধতাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকেই, তৎকালীন বিহার সরকার ওই রাজ্যের মানুষদের ওপর হিন্দি ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। প্রাথমিক স্তরে ও সরকারি অনুদান যুক্ত বিদ্যালয়ে হিন্দি মাধ্যমে পড়ানোর নির্দেশ আসে, জেলা স্কুলগুলিতে বাংলা বিভাগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের স্কুলগুলোতে শুধুমাত্র হিন্দিতে শিক্ষা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বাঙালির মানভূমে তখন থেকেই শুরু হল এক রকম ‘হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ’। একের পরে এক বাংলা স্কুল পরিণত হল হিন্দি স্কুলে। পোস্ট অফিস-সহ সমস্ত সরকারি দফতরে হিন্দি বাধ্যতামূলক করা হল। এর বিরুদ্ধেই মানভূমের ভাষা আন্দোলন। গর্জে ওঠে লক্ষ লক্ষ বাঙালি। শিক্ষা ও প্রশাসনিক স্তরে তাদের মাতৃভাষা বাংলাকে স্বীকৃতির জন্য শুরু হয় আন্দোলন।

বিহার রাজ্য সরকার মানভূমে বাংলার ব্যবহার সীমিত করার জন্য কঠোর হতে শুরু করলে অতুলচন্দ্র ঘোষ, লাবণ্যপ্রভা ঘোষ, অরুণচন্দ্র ঘোষ, বিভূতিভূষণ দাশগুপ্ত সহ ৩৭ জন নেতা কংগ্রেসের জেলা কমিটি থেকে পদত্যাগ করে ‘লোক সেবক সংঘ’ গঠন করেন। এই সংঘ বাংলা ভাষার মর্যাদার প্রশ্নে সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করে।

কিন্তু ১৯৪৬-এর বিহার নিরাপত্তা আইনের ‘নামে’ অত্যাচার শুরু হল ভাষা আন্দোলনকারীদের উপরে। সত্যাগ্রহকে দমন করার জন্য হয়েছে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, বিচিত্র দমন-পীড়ন। শুরু হল ‘টুসু সত্যাগ্রহ’। মানভূমের লোকগান ‘টুসু’, সাধারণের স্বতোৎসারিত আবেগ মিশে থাকে। তাতেও ফুটে উঠতে লাগল বাংলা ভাষার প্রতি আবেগ। ১৯৫২ সালে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হলেন ‘লোকসেবক সংঘে’র দুই জন প্রার্থী (ভজহরি মাহাতো ও চৈতন মাঝি)। বিধানসভায় জিতে এলেন সাতজন। মানভূমে বাংলা ভাষার আন্দোলন দৃষ্টি আকর্ষণ করল কলকাতা ও দিল্লির।

সেই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় গান হল –

শুন বিহারী ভাই, তোরা রাখতে লারবি ডাঙ্ দেখাই
তোরা আপন তরে ভেদ বাড়ালি, বাংলা ভাষায় দিলি ছাই
ভাইকে ভুলে করলি বড় বাংলা-বিহার বুদ্ধিটাই
বাঙালী-বিহারী সবই এক ভারতের আপন ভাই
বাঙালীকে মারলি তবু বিষ ছড়ালি — হিন্দি চাই
বাংলা ভাষার পদবীতে ভাই কোন ভেদের কথা নাই
এক ভারতের ভাইয়ে ভাইয়ে মাতৃভাষার রাজ্য চাই
(গীতিকার – ভজহরি মাহাতো)

মানভূম ভাষা আন্দোলনে নারী বাহিনীর ভূমিকা ছিল অপ্রতিরোধ্য। জননেত্রী লাবণ্যপ্রভা দেবীকে পুলিশ ও রাজনৈতিক গুন্ডারা চুলের মুঠি ধরে ঘর থেকে বের করে, সঙ্গে চলে অকথ্য নির্যাতন ও সম্ভ্রমহানি। শবরনেত্রী রেবতী ভট্টাচার্যকে পিটিয়ে জঙ্গলের মধ্যে মৃতপ্রায় অবস্থায় ফেলে রেখে যায় বিহারি পুলিশ। জননেত্রী ভাবিনী মাহাতোর ওপর অকথ্য নির্যাতন করা হয়। এই সময় বিহারের জননিরাপত্তা আইনের ধারায় লোকসেবক সংঘের কর্ণধার অতুলচন্দ্র ঘোষ, লোকসভা সদস্য ভজহরি মাহাতো, লাবণ্যপ্রভা ঘোষ, অরুণচন্দ্র ঘোষ, অশোক চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়।

এরই মধ্যে শুরু হয় সীমা কমিশনের কাজ। সেই সময়ে পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের তৎকালীন দুই মুখ্যমন্ত্রীর (বিধানচন্দ্র রায় ও শ্রীকৃষ্ণ সিংহ) তরফে বঙ্গ-বিহার যুক্ত প্রদেশ গঠন করার প্রস্তাব আসে। ইতিমধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করে ‘টুসু সত্যাগ্রহ’ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মানভূমের ভাগ্যের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হওয়ায়, ১৯৫৬ সালের এপ্রিলে লোক সেবক সংঘের আন্দোলনকারীরা কলকাতা অভিমুখে পদযাত্রার সিদ্ধান্ত নেন। ২০শে এপ্রিল অতুলচন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে সাড়ে তিনশ’ নারীসহ হাজার দেড়েক আন্দোলনকারী দশটি বাহিনীতে ভাগ হয়ে পুঞ্চার পাকবিড়রা গ্রাম থেকে পদযাত্রা শুরু করেন। ষোলো দিন পর, ৬ই মে কলকাতায় উপস্থিত হয় সেই পদযাত্রা। ২০ এপ্রিল থেকে ৬ মে টানা প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পথ হেঁটেছিলেন সত্যাগ্রহীরা। কণ্ঠে ছিল ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’, ‘বাংলা ভাষা প্রাণের ভাষা রে’ গান।

কলকাতাবাসীদের পক্ষ থেকে হেমন্তকুমার, জ্যোতি বসু, মোহিত মৈত্র, সুরেশচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়ের মতো বিশিষ্ট নাগরিকগণ সহ অসংখ্য সাধারণ মানুষ উপস্থিত হয়ে আন্দোলনকারীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। সমাবেশ যেন না হতে পারে। এজন্য পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার আগে থেকে ১৪৪ ধারা জারি করে রেখেছিল। ফলে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের দায়ে পুলিশ ৯৬৫ জন আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করে। বন্দিদের পাঠানো হয় কলকাতা প্রেসিডেন্সি জেল, আলিপুর সেন্ট্রাল জেল ও আলিপুর স্পেশাল জেলে। বারো দিন পর তাঁরা মুক্তি পান। একই সময়ে পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য স্থানে প্রায় ৩,৩০০ আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করা হয়, যারা প্রধানত লোক সেবক সংঘ অথবা বাম দলগুলোর কর্মী ছিলেন।

আরও পড়ুন
জলের নিচে লুকিয়ে প্রাচীন মন্দির, উঁকি দেয় চূড়া, পুরুলিয়ার তেলাকুপির গল্প এমনই

বাধ্য হয়ে রদ করা হয় বাংলা-বিহার সংযুক্তির প্রস্তাব। বঙ্গ-বিহার ভূমি হস্তান্তর আইন পাশ হয়। ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ই আগষ্ট লোকসভায় ও ২৮শে আগষ্ট রাজ্যসভায় বাংলা-বিহার সীমান্ত নির্দেশ বিল পাশ হয়। ১লা সেপ্টেম্বর এতে ভারতের রাষ্ট্রপতি সই করেন।

মানভূম ভাষা আন্দোলনের চাপ তখন বাড়ছে ক্রমাগত। ১৯৫৬ সালে মানভূমকে তিন টুকরো করে, বাংলা অধ্যুষিত ১৬টি থানা অঞ্চল জুড়ে জন্ম নিল পুরুলিয়া জেলা। অন্তর্ভুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গের।

সীমা কমিশনের রিপোর্ট লোকসভা হয়ে ‘সিলেক্ট কমিটি’ ও আরও নানা স্তর পেরিয়ে ১ নভেম্বর, ১৯৫৬ ২৪০৭ বর্গ মাইল এলাকার ১১,৬৯,০৯৭ জন মানুষকে নিয়ে জন্ম নেয় আজকের পুরুলিয়া। সম্পূর্ণ ধানবাদ মহকুমা বিহার রাজ্যে রয়ে যায়। টুসু সাধিকাদের সেই ভাষা আন্দোলন আজ জনমানসে বিস্মৃতপ্রায় হলেও ইতিহাসের দলিলে তা উজ্জ্বল। মানভূমের এই ভাষা আন্দোলন কোনো স্বাধীন দেশ গড়ার আন্দোলন ছিল না, ছিল কেবল বাংলা ভাষাকে তার প্রাপ্য মর্যাদা দেওয়ার লড়াই। আজকের প্রশাসনিক পুরুলিয়া সেই লড়াইয়েরই ফসল

https://prohor.in/1-november-birthday-of-purulia/

বিদ্যুৎ অফিসের সামনে চায়ের দোকানে কলা ঝুলিয়ে রেখেছে বিক্রির জন্যে বিক্রেতা!!বিদ্যুৎ অফিসের একজন অফিসার চা খাওয়ার সময় জিজ...
01/02/2020

বিদ্যুৎ অফিসের সামনে চায়ের দোকানে কলা ঝুলিয়ে রেখেছে বিক্রির জন্যে বিক্রেতা!!

বিদ্যুৎ অফিসের একজন অফিসার চা খাওয়ার সময় জিজ্ঞেস করলো কলার দাম কত???

বিক্রেতা:- কি কাজে কলা ব্যবহার করবেন তার উপর নির্ভর করে কলার দাম!!

অফিসার:- মানে কি ?!?

বিক্রেতা:- যদি কোন ধর্মীয় কাজের জন‍্য নেন তাহলে 2 টাকা পিস, যদি রোগির জন্যে নেন তাহলে 3 টাকা পিস আর যদি নিজে খাওয়ার জন্যে নেন তবে 5 টাকা পিস।

অফিসার:- ইয়ার্কি কর, একই কলার দাম বিভিন্ন হয় কি করে ?!

বিক্রেতা:- একই খুঁটি হতে বিদ্যুৎ বাড়িতে গেলে একদর, দোকানে গেলে আরেক দর, কারখানায় গেলে আরেক দর। তাহলে আমার কলা কি দোষ করলো বলুন?

অফিসার হতবাক হয়ে গেলেন!!

----------------------------সংগৃহীত----------------------

ভুলিনি আপনাকে - জন্মদিনে প্রণাম 😊১৬১৬ সাল....পাদুয়া, ইতালী ।গুটি গুটি পায়ে প্রবেশ করলেন এক প্রৌঢ়, বিশাল কক্ষটিতে তখন বিচ...
16/01/2020

ভুলিনি আপনাকে - জন্মদিনে প্রণাম 😊
১৬১৬ সাল....পাদুয়া, ইতালী ।
গুটি গুটি পায়ে প্রবেশ করলেন এক প্রৌঢ়, বিশাল কক্ষটিতে তখন বিচারকদের আসনে বসে আছেন ধর্মীয় যাজকরা । শুরু হলো বিচার ...... প্রধান ধর্মযাজক চেয়ারে বসেই প্রৌঢ়ের দিকে আঙ্গুল তাক করে জিজ্ঞেস করলেন- “এই মহাবিশ্বের কেন্দ্র হলো পৃথিবী, সকল গ্রহ-নক্ষত্র এমনকি সূর্যও একে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। আপনি কি বাইবেলের এই মহাসত্যকে অস্বীকার করছেন?” অভিযুক্ত তার মাথাটা উঁচু করলেন, শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন কিছুক্ষণ প্রধান যাজকের দিকে। তারপর মাথাটা নীচের দিকে নামিয়ে কাঁপা কাঁপা ঠোঁটে আস্তে আস্তে বলে উঠলেন, ‘না’। যাজকদের মুখে ফুটে উঠলো বিজয়ের ক্রুর হাসি , দশর্কদের মধ্যে উঠলো মৃদু গুজন। কেউ একজন চীৎকার করে উঠল, ‘সত্যকে আজ হত্যা করা হলো’.........।

একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছিল কলকাতায়, ১৯৭৮ সালের ১৮ ই নভেম্বর। রাজ্যের বাম সরকার মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের অধীনে গঠিত একটি ‘বিশেষজ্ঞ কমিটি’কে নিযুক্ত করলেন ডাঃ সুভাষ মুখোপাধ্যায় নামক এক অভিযুক্তের ভাগ্য নির্ধারণের জন্য। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নিজেকে দাবি করেছেন দূর্গা নামে এক টেস্টটিউব বেবির স্থপতি রূপে। দ্বিতীয় অভিযোগ এই গবেষণার কথা দপ্তরের আমলাদেরকে না জানিয়ে মিডিয়াকে জানিয়েছেন !

কীভাবে তিনি তার সার্দান অ্যাভিনিউর ছোট ফ্ল্যাটে সামান্য কিছু উপকরণ আর একটা ছোট ফ্রিজ ব্যবহার করে এমন একটি অসম্ভব কাজকে সম্ভব করলেন যেখানে অন্যরা গবেষণার সকল উন্নত সুযোগ-সুবিধা পেয়েও সে চিন্তা করতে পারছে না? আর সবচেয়ে বড় অভিযোগ এই যে, তিনি কারো কাছে মাথা নোয়াতেন না। এই বিশেষজ্ঞ কমিটির সভাপতি ছিলেন একজন রেডিওফিজিসিস্ট। কমিটির সদস্যদের মধ্যে একজন গাইনোকলোজিস্ট, একজন ফিজিওলজিস্ট আর একজন নিউরোফিজিওলজিস্ট ছিলেন।

মজার বিষয় হলো এদের কারোরই আধুনিক প্রজনন পদ্ধতি (আইভিএফ-ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না। একজন বিশেষজ্ঞ প্রশ্ন করলেন, ‘আপনি ওই ভ্রূণগুলো কোথায় রেখেছিলেন?’ ডাঃ মুখোপাধ্যায় জবাব দিলেন, ‘সীল করা অ্যাম্পুলের মধ্যে’। ফের প্রশ্ন করা হলো, ‘অ্যাম্পুলটাকে সীল করেছেন কীভাবে?’ জবাব এলো, ‘সাধারণভাবে যেভাবে করে, তাপ দিয়ে।’ এভাবেই শুরু হলো জেরা-পাল্টা জেরা। কিছু অবান্তর ভিত্তিহীন, গবেষণার সাথে সম্পর্কহীন প্রশ্ন করে তাকে অপমানের চুড়ান্ত করা হলো। বলা হলো, ‘ওহ-তার মানে আপনি বলতে চাইছেন তাপের কারণে ভ্রূণগুলো নষ্ট হয়ে যায়নি?

কমিটি কী রায় দেবে তা যখন পূর্বনির্ধারিতই তখন এটা আর বলার প্রয়োজন নেই যে এর সব কিছুই আমলাতান্ত্রিক চালের কারণে হচ্ছে। রায় বেরুলো “Everything that Dr. Mukhopadhyay claims is bogus.”

ডাঃ মুখোপাধ্যায়ের অধীনে টেস্টটিউব বেবির জন্মের মাত্র ৬৭ দিন আগে ১৯৭৮ সালের ২৫ জুলাই রাত ১১ টা ৪৫ মিনিটে ইংল্যান্ডের ওল্ডহ্যাম জেনারেল হাসপাতালে পৃথিবীর প্রথম টেস্টটিউব বেবী লুইস ব্রাউন জন্ম নেয়। স্থপতি ছিলেন রবার্ট এডওয়ার্ডস এবং প্যাট্রিক স্টেপটো। এ প্রক্রিয়ায় তারা ল্যাপোরোস্কোপি যন্ত্রের সাহায্যে ডিম্বাণু সংগ্রহ করেন। এর আগে দীর্ঘ সময় নিয়ে ডিম্বাণুর বিভাজন ও পরিস্ফুটন পর্যবেক্ষণ করেন। তারপর কর্তন প্রক্রিয়ায় ডিম্বাণু সংগ্রহ করে একটা ডিস্কে শুক্রাণুর সাহায্যে সেটাকে নিষিক্ত করেন। এরপর এ থেকে ভ্রূণ উৎপন্ন হলে সেটাকে আবার জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করেন।

কিন্তু ডাঃ মুখোপাধ্যায় এক্ষেত্রে ল্যাপোরোস্কোপি যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই ডিম্বাণু সংগ্রহ করেন। এজন্য তিনি এক প্রকার হরমোনের সাহায্যে ডিম্বাণুর সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটান এবং ওখানেই এর বিকাশ সাধন করেন। এরপর ছোট একটা অপারেশনের সাহায্য নিয়ে ডিম্বাণু সংগ্রহ করেন। আর একারণে গর্ভধারণের সম্ভাবনাও অনেকাংশে বেড়ে যায়।
কিন্তু সহকর্মী এবং সরকারের রোষানলে পড়ে তাকে বরণ করে নিতে হলো করুণ পরিণতি।

প্রথমে তাকে বদলী করে দেয়া হলো কলকাতা থেকে বাঁকুড়ার একটি হাসপাতালের চক্ষু বিভাগে। যাতে তিনি পরবর্তীতে তার গবেষণা চালিয়ে যেতে না পারেন। এরপর তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হলেন। ফের চলে এলেন কলকাতায়। চারতলার সিঁড়ি বেয়ে তাকে রোজ কাজ করতে যেতে হতো। জাপান থেকে তার কাজের উপর একটা সেমিনারে বক্তৃতা করার আমন্ত্রণও পেয়েছিলেন। কিন্তু তাকে যেতে দেয়া হয়নি। চুড়ান্ত অপমান, উপহাস আর লাঞ্ছনা-গঞ্জনা সহ্য করার পর ১৯৮২ সালে ১৯ শে জুন আজকের দিনেই প্রতিভাবান মানুষটি নিজের বাড়িতেই আত্মহত্যা করেন।

আরো একবার যেন সত্যকে হত্যা করা হলো। ভারতের সরকার স্বীকৃত প্রথম টেস্টটিউব বেবীর স্থপতি হলেন ডা. টি এস আনন্দ কুমার যিনি ছিলেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিচার্সের ডিরেক্টর। ১৯৮৬ সালের ১৬ ই আগস্ট তার অধীনে জন্ম নেয় ভারতের প্রথম (আসলে দ্বিতীয়) টেস্টটিউব বেবী হর্ষ।

১৯৯৭ সালে ডা. আনন্দ একটা বিজ্ঞান সম্মেলনে যোগ দিতে কলকাতায় আসেন। তখন ডাঃ মুখোপাধ্যায়ের গবেষণার সকল কাগজপত্র তার হাতে তুলে দেয়া হয়। নিখুঁতভাবে যাচাই-বাছাই করে এবং সেই টেস্টটিউব বেবী যার জন্ম হয়েছিল ডাঃ সুভাষের অধীনে-দূর্গা সেই শিশুটির মা-বাবার সাথে আলাপ-আলোচনা করে তিনি নিশ্চিত হন যে, ডাঃ সুভাষ মুখোপাধ্যায় ছিলেন ভারতের প্রথম এবং পৃথিবীর দ্বিতীয় টেস্টটিউব বেবীর স্থপতি। ভাগ্যের কি নিষ্ঠুর পরিহাস, ডাঃ টি সি আনন্দ কুমারের উদ্যোগেই তিনি পরে এদেশে স্বীকৃতি পান।

যুগে যুগে কাজের স্বীকৃতি পেতে মানুষকে অনেক লড়াই করতে হয়েছে, বরণ করে নিতে হয়েছে লাঞ্ছনা, অপমান আর উপহাস-ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ। আর আমরা বাঙালীরা এই দিক দিয়ে অনেকটাই এগিয়ে। কি সাহিত্য কি বিজ্ঞান সবক্ষেত্রেই আমরা জীবদ্দশায় কৃতী ব্যক্তির সম্মান দিতে অপারগ থেকেছি। ডা. সুভাষের বেলায়ও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি।
সাধে কি আর বলে, বাঙালী কাঁকড়ার জাত !

আজ তাঁর জন্মদিন | আমাদের পেজ থেকে এই মহান মানুষটিকে প্রণাম ও শ্রদ্ধার্ঘ্য |

লেখক- স্বপন সেন Swapan Sen

তথ্য : Subhash Mukhopadhyay - the unlucky doctor behind India's first Test-tube baby .

"আমি JNUর ছাত্র। ঐ পাড়াতেই আমার বাড়ি। আজকের ঘটনার সময় আমি ওখানেই ছিলাম। ABVPর আচরণ খুবই শান্তিপূর্ণ ছিল। বাম ছাত্র সংগঠন...
06/01/2020

"আমি JNUর ছাত্র। ঐ পাড়াতেই আমার বাড়ি। আজকের ঘটনার সময় আমি ওখানেই ছিলাম। ABVPর আচরণ খুবই শান্তিপূর্ণ ছিল। বাম ছাত্র সংগঠন ক্রমাগত হিংসাত্মক প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ায় ABVPর ছাত্ররা শান্তিপ্রস্তাব দিতে যায়। কিন্তু তাতেও সাড়া মেলেনি। বাম সংগঠন শুরু থেকেই দেশবিরোধী ও উগ্রপন্থার সমর্থনে শ্লোগান দিতে থাকে। ABVP প্রথমে গোলাপ ফুল দিয়ে ঐশী ঘোষকে শান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু ভিড়ের মাঝখানে ঐশী গোলাপফুল চিনতে ভুল করেন ও সেটাকে পদ্মফুল ভেবে ভীষণ রেগে যান। তারপর তিনি একটি লাঠি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বাসভবনের উদ্দেশ্যে ছুঁড়ে মারেন। আকাশে মেঘ থাকায় লাঠিটি সঠিক রেডিও সিগন্যাল পায়নি। তাছাড়া ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর তিনজন মিলে ওজোনোস্ফিয়ারে প্রবল ধাক্কা দেওয়ায় লাঠিটি উল্টোপথে চালিত হয়ে ঐশী ঘোষের মাথায় এসে লাগে।
সম্পূর্ণ ঘটনায় ABVPর কোনো হাত ছিল না। তারা শুরু থেকেই সম্প্রীতির কথা বলছিল। বামেরাই নিজেদের দোষে আজকের ঘটনায় ভুক্তভোগী।

ও হ্যাঁ, আমি কিন্তু বিজেপি নই।"

(জনৈক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান, হোক্কপিপেস্ট ✊)

আজ  #৩রা_জানুয়ারি পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে।
04/01/2020

আজ #৩রা_জানুয়ারি পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে।

আজ মৃত্যুঞ্জয়ী ক্ষুদিরাম বসুর জন্মদিন=======ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসির সময় দুজন বাঙালী উপস্থিত ছিলেন।একজন হলেন বেঙ্গলী কাগজে...
03/12/2019

আজ মৃত্যুঞ্জয়ী ক্ষুদিরাম বসুর জন্মদিন
=======
ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসির সময় দুজন বাঙালী উপস্থিত ছিলেন।

একজন হলেন বেঙ্গলী কাগজের সংবাদদাতা ও উকিল উপেন্দ্র নাথ বসু আর অন্যজন হলেন ক্ষেত্রনাথ বন্দোপাধ্যায়।

উপেন্দ্র নাথ বসু ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসি নিয়ে সেই সময় একটা লেখা লেখেন, নিচে রইল সেই লেখাটিই............

"মজঃফরপুরে আমাদের উকিলদের একটি ছোট্ট আড্ডা ছিল। আমরা প্রতি শনিবার সেখানে একত্রিত হইয়া গল্প করিতাম, রাজা উজির বধ করিতাম।

১লা মে শোনা গেল মজঃফরপুর হইতে ২৪ মাইল দূরে উষা নামক স্টেশনে একটি বাঙ্গালী ছাত্রকে পুলিশ ধরিয়া আনিয়াছে। দৌড়িয়া স্টেশনে গিয়া শুনিলাম পুলিশ ছাত্রটিকে লইয়া সোজা সাহেবদের ক্লাবের বাড়িতে গিয়াছে। সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট মিঃ উডম্যান তাহার বর্ণনা লিপিবদ্ধ করিতেছেন।

পরদিন সকালে ডিস্ট্রিক ম্যাজিস্ট্রেট মিঃ উডম্যান বাঙালী উকিলদিগকে নিজের এজলাসে ডাকাইয়া পাঠাইলেন। আমাদের মধ্যে প্রবীন উকিল শ্রীযুক্ত শিবচরণ চট্টোপাধ্যায় ছিলেন সরকারী উকিল। তাঁর সঙ্গে আমরা ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে উপস্থিত হইয়া দেখি, কাঠগড়ায় দাঁড়াইয়া রহিয়াছে একটি ১৫/১৬ বছরের প্রিয়দর্শন বালক। এতোগুলো বাঙালী উকিল দেখিয়া ছেলেটি মৃদু মৃদু হাসিতেছে। কি সুন্দর চেহারা ছেলেটির, রঙ শ্যামবর্ণ কিন্তু মুখখানি এমনই চিত্তাকর্ষক যে দেখিলেই স্নেহ করিতে ইচ্ছা করে।

উডম্যান সাহেব যখন ছেলেটির বর্ণনা পড়িয়া আমাদের শোনাইতে লাগিলেন, তখন জানিলাম ছেলেটির নাম ক্ষুদিরাম বসু নিবাস মেদিনীপুর।

ক্ষুদিরামের বর্ণনা পড়িতে পড়িতে ক্রোধে উডম্যান সাহেবের বদন রক্তবর্ণ ও ওষ্ঠ কম্পিত হইতেছিল।

দায়রায় ক্ষুদিরামের পক্ষ সমর্থনের জন্য কালিদাসবাবুর নেতৃত্বে আমরা প্রস্তুত হইতে লাগিলাম। নির্ধারিত দিনে রঙপুর হইতে দুজন উকিল এই কার্যে সহয়তা করিতে আসিলেন। একজনের নাম সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী।

এজলাস লোকারণ্য, তিন-চার জন সাক্ষীর জবানবন্দী, জেরা ও বক্তৃতা শেষ হইলে, ক্ষুদিরামের উপর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ হইল।

আদেশ শুনিয়া ক্ষুদিরাম জজকে বলিলো, ‘একটা কাগজ আর পেনসিল দিন, আমি বোমার চেহারাটা আঁকিয়া দেখাই। অনেকেরই ধারণাই নাই ওই বস্তুটি দেখিতে কিরকম’।

জজ ক্ষুদিরামের এ অনুরোধ রক্ষা করিলেন না।
বিরক্ত হইয়া ক্ষুদিরাম পাশে দাঁড়ানো কনস্টেবলকে ধাক্কা দিয়া বলিল, ‘চলো বাইরে’।

ইহার পর আমরা হাইকোর্টে আপিল করিলাম। ক্ষীণ আশা ছিল, যদি মৃত্যুদণ্ডের বদলে যাব্বজীবন কারাদণ্ড হয়। জেলে তাহাকে এ প্রস্তাব করিতেই সে অসম্মতি জানালো, বলিল ‘চিরজীবন জেলে থাকার চেয়ে মৃত্যু ভালো’। কালিদাস বোঝাইলেন দেশে এমন ঘটনা ঘটিতেও পারে যে তোমায় বেশিদিন জেলে থাকিতে নাও হইতে পারে। অবশেষে সে সে সম্মত হইল। কলকাতা হাইকোর্টের আপিলে প্রবীন উকিল শ্রীযুক্ত নরেন্দ্র নাথ বসু হৃদয়গ্রাহী বক্তৃতা দিলেন। কিন্তু ফাঁসীর হুকুম বহাল রহিল।

১১ আগস্ট ফাঁসির দিন ধার্য হইল।

আমরা দরখাস্ত দিলাম যে ফাঁসীর সময় উপস্থিত থাকিব। উডম্যান সাহেব আদেশ দিলেন দুইজন মাত্র বাঙালী ফাঁসির সময় উপস্থিত থাকিতে পারিবে। আর শব বহনের জন্য ১২ জন এবং শবের অনুগমনের জন্য ১২ জন থাকিতে পারিবে। ইহারা কতৃপক্ষের নির্দিষ্ট রাস্তা দিয়া শ্মশানে যাইবে। ফাঁসির সময় উপস্থিত থাকিবার জন্য আমি ও ক্ষেত্রনাথ বন্দোপাধ্যায় উকিলের অনুমতি পাইলাম। আমি তখন বেঙ্গলী কাগজের স্থানীয় সংবাদদাতা। ভোর ছ’টায় ফাঁসী হইবে। পাঁচটার সময় আমি গাড়ির মাথায় খাটিয়াখানি ও সৎকারের অত্যাবশকীয় বস্ত্রাদি লইয়া জেলের ফটকে উপস্থিত হইলাম। দেখিলাম নিকটবর্তী রাস্তা লোকারন্য। সহজেই আমরা জেলের ভিতরে প্রবেশ করিলাম।

ঢুকিতেই একজন পুলিশ কর্মচারী প্রশ্ন করিলেন বেঙ্গলী কাগজের সংবাদদাতা কে?

আমি উত্তর দিলে হাসিয়া বলিল, আচ্ছা ভিতরে যান।

দ্বিতীয় লোহার দ্বার উন্মুক্ত হইলে আমরা জেলের আঙ্গিনায় প্রবেশ করিলাম। দেখিলাম ডানদিকে একটু দূরে প্রায় ১৫ ফুট উঁচুতে ফাঁসির মঞ্চ। দুই দিকে দুই খুঁটি আর একটি মোটা লোহার রড যা আড়াআড়িভাবে যুক্ত তারই মধ্যখানে বাঁধা মোটা একগাছি দড়ি ঝুলিয়া আছে। তাহার শেষ প্রান্তে একটি ফাঁস।

একটু অগ্রসর হইতে দেখিলাম ক্ষুদিরামকে লইয়া আসিতেছে চারজন পুলিশ। কথাটা ঠিক বলা হইল না। ক্ষুদিরামই আগে আগে অগ্রসর হইয়া যেন সিপাহীদের টানিয়া আনিতেছে। আমাদের দেখিয়া একটু হাসিল। স্নান সমাপন করিয়া আসিয়া ছিল। মঞ্চের উপস্থিত হইলে তাহার হাত দুইখানি পিছন দিকে আনিয়া রজ্জুবদ্ধ করা হল। একটি সবুজ রঙের টুপি দিয়া তাহার গ্রীবামূল পর্যন্ত ঢাকিয়া দিয়া ফাঁসি লাগাইয়া দেওয়া হইল। ক্ষুদিরাম সোজা হইয়া দাঁড়াইয়া রহিল। এদিক ওদিক একটুও নড়িল না।

উডম্যান সাহেব ঘড়ি দেখিয়া একটি রুমাল উড়াইয়া দিলেন।
একটি প্রহরী মঞ্চের একপ্রান্তে অবস্থিত একটি হ্যান্ডেল টানিয়া দিল।

ক্ষুদিরাম নিচে অদৃশ্য হইয়া গেল।

কেবল কয়েক সেকেণ্ড ধরিয়া উপরের দিকের দড়িটা একটু নড়িতে লাগিল।

তারপর সব স্থির।

কর্তপক্ষের আদেশে আমরা নির্দিষ্ট রাস্তা দিয়া শ্মশানে চলিতে লাগিলাম। রাস্তার দুপাশে কিছু দূর অন্তর পুলিশ প্রহরী দাঁড়াইয়া আছে। তাহাদের পশ্চাতে শহরের অগণিত লোক ভীড় করিয়া আছে। অনেকে শবের উপর ফুল দিয়া গেল। শ্মশানেও অনেক ফুল আসিতে লাগিল। চিতারোহণের আগে স্নান করাইতে মৃতদেহ বসাইতে গিয়া দেখি মস্তকটি মেরুদণ্ড চ্যুত হইয়া বুকের উপর ঝুলিয়া পড়িয়াছে। দুঃখে – বেদনায় – ক্রোধে ভারাক্রান্ত হৃদয়ে মাথাটি ধরিয়া রাখিলাম। বন্ধুগণ স্নান শেষ করাইলেন তারপর চিতায় শোয়ানো হইলে রাশিকৃত ফুল দিয়া মৃতদেহ সম্পূর্ণ ঢাকিয়া দেওয়া হইল। কেবল উহার হাস্যজ্বল মুখখানা অনাবৃত রহিল।

দেহটি ভস্মিভূত হইতে বেশী সময় লাগিলো না। চিতার আগুন নিভাইতে গিয়া প্রথম কলসী ভরা জল ঢালিতেই তপ্ত ভস্মরাশির খানিকটা আমার বক্ষস্থলে আসিয়া পড়িল। তাহার জন্য জ্বালা যন্ত্রনা বোধ করিবার মতন মনের অবস্থা তখন ছিল না।

আমরা শ্মশান বন্ধুগণ স্নান করিতে নদীতে নামিয়া গেলে পুলিশ প্রহরীগণ চলিয়া গেল। আর আমরা সমস্বরে বন্দেমাতরম বলিয়া মনের ভার খানিকটা লঘু করিয়া যে যাহার বাড়ি ফিরিয়া আসিলাম। সঙ্গে লইয়া আসিলাম একটি টিনের কৌটায় কিছুটা চিতাভস্ম, কালিদাসবাবুর জন্য। ভূমিকম্পের ধ্বংসলীলায় সে পবিত্র ভস্মাধার কোথায় হারাইয়া গিয়াছে ।"
"ক্ষুদিরাম হওয়া".......সহজ নয় ।

যারা নিজেদের সমস্ত সুখ স্বাচ্ছন্দ্য র যৌবন দেশ এর জন্য...উৎসর্গ করলেন...তাদের কি,আমাদের কাছ থেকে আরেকটু "সম্মান"প্রাপ্য নয় কি...!!!

Address

Suri

731101

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Suri Vidyasagar College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your university to be the top-listed University?

Share