20/04/2019
#হালুয়া-রুটির ইতিহাস :
কিন্তু এই রাতের সঙ্গে হালুয়া-রুটির বিষয়টি এলো কোত্থেকে। তার পিছনে ইতিহাস রয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্ববর্তী যুগে এখনকার মতো মুসাফির যাত্রীদের থাকার জন্যে আবাসিক হোটের-মোটেলের ব্যবস্থা ছিলো না। তখন পথচারীদের বিশ্রামের জন্যে ছিলো সরাইখানা কিংবা মুসাফিরখানা।
সফর অবস্থায় প্রয়োজনে মানুষ সেখানে রাত্রিযাপনও করতেন। আর এখানকার দায়িত্বশীল যারা ছিলেন, তারাই মুসাফিরদের খাবারের ব্যবস্থা করতেন। তো কোনো মুসাফির পবিত্র শবে বরাতে এসব স্থানে রাত্রি যাপন করলে হয়তো তিনি সারারাত ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাতেন ও পরের দিন রোযা রাখতেন।
যেহেতু স্বাভাবিকভাবে হালুয়া-রুটি ও গোশত-রুটি খাওয়া সুন্নাত, তাই তারা হালুয়া, রুটি, গোশত ব্যবস্থা করতেন সচরাচর। এছাড়াও আরব এলাকার লোকদের প্রধান খাদ্য রুটি-হালুয়া বা রুটি-গোশত। সেখান থেকে পর্যায়ক্রমে শবে বরাত উপলক্ষে হালুয়া-রুটির প্রচলন আমাদের দেশে ছড়িয়ে পড়ে। (আত্তাহযীর মিনাল বিদা)