Momtaj Uddin Ahamad - মমতাজ উদ্দিন আহমদ

Directions Website Contact the university

Momtaj Uddin Ahamad - মমতাজ উদ্দিন আহমদ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Momtaj Uddin Ahamad - মমতাজ উদ্দিন আহমদ, Community College, Alikadam, Chittagong, Bandarban.

দৈনিক শাহ আমানত পত্রিকায় প্রকাশিত আজকের কলাম“তুরস্কের ‘নিউক্লিয়ার বামা’: বাস্তব সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক সীমাবদ্ধতা” (১ম পর...
21/09/2026

দৈনিক শাহ আমানত পত্রিকায় প্রকাশিত আজকের কলাম
“তুরস্কের ‘নিউক্লিয়ার বামা’: বাস্তব সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক সীমাবদ্ধতা” (১ম পর্ব)

আলীকদম প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠার গল্প
21/09/2026

আলীকদম প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠার গল্প

দৈনিক নয়াদিগন্তের ‘ইসলামী জীবন’ পাতায় প্রকাশিত আমার আজকের নিবন্ধ “মৃত্যুর স্মরণে জীবনের দীপ্তি”
21/09/2026

দৈনিক নয়াদিগন্তের ‘ইসলামী জীবন’ পাতায় প্রকাশিত আমার আজকের নিবন্ধ
“মৃত্যুর স্মরণে জীবনের দীপ্তি”

যা চলে যায়, তাকে যেতে দাও
25/08/2026

যা চলে যায়, তাকে যেতে দাও

দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকায় প্রকাশিত উপসম্পাদকীয়“অসীম চেতনা, আল্লাহপ্রেম ও মানবাত্মার মুক্তি”
30/06/2026

দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকায় প্রকাশিত উপসম্পাদকীয়
“অসীম চেতনা, আল্লাহপ্রেম ও মানবাত্মার মুক্তি”

“আত্মার শান্তি: স্মরণ, সমর্পন ও প্রত্যাবর্তন”দৈনিক শাহা আমনত পত্রিকায় প্রকাশিত উপসম্পাদকীয়
29/06/2026

“আত্মার শান্তি: স্মরণ, সমর্পন ও প্রত্যাবর্তন”
দৈনিক শাহা আমনত পত্রিকায় প্রকাশিত উপসম্পাদকীয়

অশ্রু থেকে অতলে: নজরুল-অতুল প্রসাদের গীতিসংলাপ
28/06/2026

অশ্রু থেকে অতলে: নজরুল-অতুল প্রসাদের গীতিসংলাপ

27/06/2026

নিশীথের অন্তরধন: অন্ধকারে প্রেম, সমর্পণ ও আত্মার গোপন আলোকযাত্রা
।। মমতাজ উদ্দিন আহমদ ।।

মানুষ সাধারণত আলোকে ভালোবাসে, কারণ আলোতে সব দেখা যায়, সব চেনা যায়, সবকিছু স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কিন্তু জীবনের গভীরতম সত্য সবসময় আলোর প্রকাশে ধরা দেয় না। অনেক সময় যে সত্য আমাদের সবচেয়ে বেশি বদলে দেয়, সে আসে নীরবে, অন্ধকারের অন্তরালে, নিশীথের বাদলধারার মতো গোপন সুরে। এই অন্ধকার তাই নিছক রাত্রি নয়; এটি প্রেমের গোপন আশ্রয়, আত্মসমর্পণের নিভৃত ক্ষেত্র, এবং আত্মার অন্তঃসলিলা আলোকযাত্রার রহস্যময় ভূমি।

নিশীথরাত্রির বৃষ্টি মানুষের হৃদয়ে এক বিশেষ আবহ সৃষ্টি করে। বাইরে যখন পৃথিবী ঘুমিয়ে পড়ে, জানালার ওপারে ঝরে পড়ে নিরবচ্ছিন্ন জলধারা, তখন অন্তরের গভীরতম কক্ষটি যেন খুলে যায়। দিনের কোলাহলে যে আকুতি চাপা থাকে, রাতের অন্ধকারে সে ধীরে ধীরে জেগে ওঠে। এই জাগরণ উচ্চকণ্ঠ নয়; এটি মৃদু, লজ্জাবনত, নিবিড়। যেন হৃদয় কারও জন্য অপেক্ষা করে, কিন্তু সেই অপেক্ষার কথা কাউকে জানাতে চায় না।

প্রেমের একটি বড় সৌন্দর্য তার গোপনতা। যে প্রেম সবসময় প্রকাশ্য হতে চায়, সে অনেক সময় বাহিরের আলোতেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু যে প্রেম অন্তরের অন্ধকারে নিজের নীরব আসন পেতে বসে, সে গভীরতর, দীর্ঘস্থায়ী, আত্মিক। সেখানে প্রিয়তম কেবল দৃশ্যমান রূপে আসেন না; তিনি আসেন সুরে, স্পর্শে, বৃষ্টির শব্দে, নিঃসঙ্গতার কম্পনে। তাঁকে চোখ দিয়ে যতটা দেখা যায়, তার চেয়ে বেশি অনুভব করা যায়। প্রেম তখন দেহের নয়, দর্শনের নয়, বরং অন্তরের শ্রবণশক্তির বিষয় হয়ে ওঠে।

অন্ধকারের এই প্রেমময় ব্যঞ্জনা ধ্রুপদী সাহিত্যে বহুকাল ধরে বিদ্যমান। রাত্রি সেখানে শুধু বিরহের নয়, মিলনেরও; শুধু শূন্যতার নয়, পূর্ণতারও। অন্ধকার মানুষকে বাহিরের দৃষ্টি থেকে ফিরিয়ে এনে অন্তরের দিকে তাকাতে শেখায়। দিনের আলোতে মানুষ বহু মুখ, বহু কাজ, বহু পরিচয়ে বিভক্ত থাকে; কিন্তু রাত্রির নিঃসঙ্গতায় সে নিজের আসল মুখের কাছে ফিরে আসে। তখন সে বুঝতে পারে, তার গভীরতম অভাব কোনো বস্তুতে পূর্ণ হয় না; তার আকুলতা আসলে এক পরম সান্নিধ্যের জন্য।

এই নিবিড় অন্ধকারে আত্মসমর্পণ জন্ম নেয়। মানুষ যখন নিজের সব জ্ঞান, অহংকার, দাবি ও হিসাব নামিয়ে রাখে, তখনই তার ভেতরে প্রেমের প্রকৃত দরজা খুলে যায়। প্রেম সেখানে অধিকার নয়, আশ্রয়; দাবি নয়, নিবেদন; প্রকাশ নয়, বিলয়। প্রিয়তমের কাছে নিজেকে ঢেকে দিতে চাওয়া মানে নিজের ক্ষুদ্র সত্তাকে বৃহত্তর করুণার মধ্যে সমর্পণ করা। এই ঢেকে যাওয়া হারিয়ে যাওয়া নয়; বরং নিজেকে সত্যিকার অর্থে খুঁজে পাওয়া।

অন্ধকারকে তাই ভয় করার প্রয়োজন নেই। কারণ অন্ধকার কখনো কখনো আলোর বিপরীত নয়, আলোর গর্ভ। বীজ যেমন মাটির অন্ধকারে অঙ্কুরের প্রস্তুতি নেয়, তেমনি মানুষের আত্মাও অনেক সময় দুঃখ, নিঃসঙ্গতা ও নীরবতার গভীরে নতুন জন্মের আভাস পায়। যে অশ্রু রাতে ঝরে, তা শুধু বেদনার নয়; তা পরিশুদ্ধিরও। যে একাকীত্ব হৃদয়কে ব্যথিত করে, তা কখনো কখনো প্রেমের জন্য অন্তরকে প্রস্তুত করে।

নিশীথের বাদলধারা এই জন্য এক গভীর রূপক। বৃষ্টি যেমন ধূলি ধুয়ে দেয়, তেমনি অন্তরের গোপন আকুতি মানুষের অহংকার, ক্লান্তি ও জমাট বেদনা ধুয়ে দেয়। বৃষ্টির শব্দ একদিকে করুণ, অন্যদিকে মধুর; তার মধ্যে আছে বিরহের দীর্ঘশ্বাস, আবার মিলনের পূর্বাভাসও। তাই বৃষ্টির রাত প্রেমিক আত্মার কাছে এক অনির্বচনীয় সাধনাক্ষণ—যেখানে দুঃখও সুর হয়ে ওঠে, অন্ধকারও আশ্রয় হয়ে ওঠে, আর অপেক্ষাও পূজারূপ লাভ করে।

এই ভাবলোকের প্রধান রস করুণ ও প্রেমরসের মিশ্রণে নির্মিত। করুণরস আসে বিরহ, আকুলতা, নিঃসঙ্গতা ও অন্তর্লীন বেদনা থেকে। প্রেমরস আসে প্রিয়তমের গোপন প্রত্যাশা, অন্তরঙ্গ আহ্বান ও সুরময় উপস্থিতির আকাঙ্ক্ষা থেকে। এর সঙ্গে মিশে থাকে শান্তরসের মৃদু দীপ্তি—কারণ আত্মসমর্পণের শেষে হৃদয় আর অস্থির থাকে না; সে জানে, যে আসেন তিনি প্রকাশ্যে না এলেও অন্তরে উপস্থিত।

মানবজীবনের অনেক সত্যই সরাসরি দেখা যায় না। বিশ্বাস দেখা যায় না, কিন্তু অনুভূত হয়; প্রেম ধরা যায় না, কিন্তু জীবনকে বদলে দেয়; ঈশ্বরকে সবসময় চোখে দেখা যায় না, কিন্তু তাঁর অনুপস্থিতির মধ্যেও তাঁর গভীর উপস্থিতি অনুভব করা যায়। এই কারণেই অন্ধকার কখনো কখনো দৃশ্যের চেয়ে অনুভবকে বড় করে তোলে। আলো জিনিসকে প্রকাশ করে, অন্ধকার তার মর্মকে জাগায়।

সারকথা, নিশীথরাত্রির অন্ধকার ও বাদলধারা প্রেমময় আত্মার এক ধ্রুপদী অন্তরযাত্রার প্রতীক। এখানে অন্ধকার ভয় নয়, গোপন ধন; নিঃসঙ্গতা শূন্যতা নয়, অন্তরঙ্গতার প্রস্তুতি; বৃষ্টি শুধু প্রকৃতির শব্দ নয়, আত্মার অনুচ্চারিত প্রার্থনা। এই নিবিড় রাত্রিতে মানুষ বুঝতে শেখে—প্রেমের সবচেয়ে গভীর আগমন অনেক সময় নীরবে ঘটে, সুরের রূপে ঘটে, অশ্রুর আড়ালে ঘটে। আর সেই গোপন আগমনের মুহূর্তে সমস্ত দুঃখ, সমস্ত আকাঙ্ক্ষা, সমস্ত অন্ধকার ধীরে ধীরে এক অমৃতময় আলোকের মধ্যে রূপান্তরিত হয়ে যায়।

লেখক: সভাপতি, আলীকদম প্রেসক্লাব, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
তারিখ: ২৭/০৬/2026 খিষ্টাব্দ।

08/06/2026

বর্ষণমুখর সন্ধ্যা : নীরবতার ভিতর এক কাব্যিক সময়
প্রকৃতি, স্মৃতি ও অন্তর্লোকের ধীর প্রবাহ
।। মমতাজ উদ্দিন আহমদ ।।
বর্ষণমুখর সন্ধ্যা এমন এক সময়, যখন দিন তার ক্লান্ত আলো গুটিয়ে নেয়, আর আকাশ ধীরে ধীরে নিজেকে মেঘের ভেতর লুকিয়ে ফেলে। তখন বৃষ্টি নামে—কখনো টিপটিপ, কখনো নিরবচ্ছিন্ন ধারা হয়ে—আর সেই বর্ষণের ভেতর সন্ধ্যা আর সাধারণ সময় থাকে না; তা হয়ে ওঠে এক অন্তর্মুখী অভিজ্ঞতা।

এই সময় প্রকৃতি যেন নিজের ভাষা বদলে ফেলে। আলো কমে আসে, শব্দ ধীর হয়, আর বাতাসে ভেসে থাকে এক অদ্ভুত ভার—যা মানুষকে বাইরের জগত থেকে ভেতরের জগতে ফিরিয়ে নেয়।

বর্ষণের সন্ধ্যায় নীরবতা কেবল শব্দহীনতা নয়; এটি এক ধরনের উপস্থিতি, যা অনুভব করা যায় কিন্তু ব্যাখ্যা করা কঠিন। এই নীরবতার ভেতরেই মানুষ নিজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।
দিনের ব্যস্ততা, কথার ভিড়, আর চিন্তার দ্রুত প্রবাহ ধীরে ধীরে থেমে যায়। তখন যে অবশিষ্ট থাকে, তা হলো—নিজের ভেতরের কণ্ঠ। সেই কণ্ঠ কখনো প্রশ্ন করে, কখনো স্মৃতি টেনে আনে, আবার কখনো নিঃশব্দে শুধু তাকিয়ে থাকে।

রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর বর্ষার সন্ধ্যাকে কেবল প্রকৃতির দৃশ্য হিসেবে দেখেননি; তিনি একে ভেতরের প্রতীক্ষা ও নিঃসঙ্গতার রূপ হিসেবে অনুভব করেছেন। তাঁর গানে সন্ধ্যার মেঘ যেন মানুষের অন্তর্গত শূন্যতার প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে।
“মেঘের পরে মেঘ জমেছে, আঁধার করে আসে…”

এই পঙ্‌ক্তির ভেতরে বর্ষণমুখর সন্ধ্যার যে আবহ তৈরি হয়, তা কেবল আবহাওয়ার বর্ণনা নয়; এটি এক মানসিক অবস্থার চিত্র—যেখানে মানুষ অপেক্ষা করে, কিন্তু জানে না কিসের জন্য। সেই অপেক্ষাই সন্ধ্যাকে আরও গভীর করে তোলে।
স্মৃতির ধীর উন্মোচন

বর্ষণমুখর সন্ধ্যা স্মৃতির জন্য এক বিশেষ সময়। বৃষ্টির একটানা শব্দ যেন স্মৃতির দরজায় আলতো করে টোকা দেয়।

কখনো কোনো পুরোনো পথ মনে পড়ে, কখনো কোনো হারানো কণ্ঠ, আবার কখনো অকারণ এক অনুভব—যার কোনো নির্দিষ্ট নাম নেই, কিন্তু উপস্থিতি প্রবল। এই স্মৃতিগুলো হঠাৎ আসে না; তারা ধীরে ধীরে ভেতরের নীরবতা থেকে উঠে আসে, যেমন জলাশয়ের তলদেশ থেকে বুদবুদ ওঠে।
এই সময় মানুষ অতীতকে আর দূরবর্তী কিছু হিসেবে দেখে না; বরং তা বর্তমানের ভেতরেই বসে থাকে, নিঃশব্দভাবে।

শহরের বর্ষণমুখর সন্ধ্যা ভিন্ন রূপ নেয়, কিন্তু তার গভীরতা কমে না। রাস্তার আলো ভেজা পিচে প্রতিফলিত হয়, গাড়ির শব্দ ধীর হয়ে আসে, আর জানালার কাচে বৃষ্টির রেখা এক নতুন দৃশ্যপট তৈরি করে।

এই পরিবেশে মানুষ বাইরে নয়, নিজের ভেতরেই ফিরে যায়। কেউ বইয়ের পাতায় ডুবে যায়, কেউ নীরব গান শোনে, কেউ আবার শুধু তাকিয়ে থাকে বৃষ্টির দিকে—যেন সেখানে কোনো অদৃশ্য উত্তর লেখা আছে।

শহুরে জীবনের ভেতর এই সন্ধ্যা এক ধরনের বিরতি, যেখানে সময় নিজেই ধীর হয়ে যায়।

বর্ষণমুখর সন্ধ্যা কেবল দিনের শেষ অধ্যায় নয়; এটি এক মানসিক অবস্থান, যেখানে মানুষ নিজের ভেতরের জগতকে স্পষ্টভাবে অনুভব করে।
এই সময় বৃষ্টি যেমন বাইরে পড়ে, তেমনি ভেতরেও এক ধরনের নীরব বর্ষণ ঘটে—স্মৃতি, চিন্তা, আর অনুভবের।

তাই বর্ষণমুখর সন্ধ্যা শেষ পর্যন্ত প্রকৃতির ঘটনা নয়; এটি মানুষের অন্তর্লোকের এক কাব্যিক দরজা, যা খুলে গেলে আমরা নিজেদেরই আরও গভীরভাবে দেখতে পাই।

বাংলাদেশের আমলাতান্ত্রিক দুর্নীতি:ইতিহাস, সংকট ও উত্তরণের পথ।। মমতাজ উদ্দিন আহমদ ।।
08/06/2026

বাংলাদেশের আমলাতান্ত্রিক দুর্নীতি:
ইতিহাস, সংকট ও উত্তরণের পথ
।। মমতাজ উদ্দিন আহমদ ।।

Address

Alikadam, Chittagong
Bandarban
4650

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Momtaj Uddin Ahamad - মমতাজ উদ্দিন আহমদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Momtaj Uddin Ahamad - মমতাজ উদ্দিন আহমদ:

Shortcuts

Share