09/10/2015
:::::: বারহাট্টা কলেজের ইতিহাস ::::::
প্রতিষ্ঠা ও নামকরণ:: কলেজটি বারহাট্টার সকলের প্রিয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার
চিন্তা চেতনাকে মূল্যায়ন করে নামকরণ করা হয় “বারহাট্টা কলেজ”। ১৯৮৬ সালে এলাকার কিছু সংখ্যক তরুণ ও কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সর্বজনাব গনেশ কিশোর দাস,মোঃ আনিছুল আলম তালুকদার, অসিত কুমার মজুমদার,আতাউর রহমান খান মোহন, আব্দুল বারী হুমায়ুন, শামছুল আরেফিন বাদল প্রমুখ ব্যাক্তিগণের এলাকায় ব্যাপক
গণসংযোগ ও এলাকাবাসির দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক উপজেলা
চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল কাদির খান
বারহাট্টা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে
এলাকার সর্বস্তরের জনগনকে
নিয়ে একটি সভা আহবান করেন।
সে সভায় “বারহাট্টা কলেজ” নামে
একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মরহুম
আব্দুল কাদির খান কে আহবায়ক ও
বারহাট্টা উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্তমান সভাপতি জনাব আজিজুর রহমানকে যুগ্ম
আহবায়ক করে ২২ সদস্য বিশিষ্ঠ
একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
পরবর্তীতে এলাকার শিক্ষিত যুবক
দীপেন্দ্র চন্দ্র গোস্বামীকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ
হিসেবে এবং এলাকার শিক্ষিত যোগ্য যুবকদেরকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রভাষক পদে নিয়োগ দিয়ে ১৯৮৬-৮৭ শিক্ষাবর্ষে ১৪ জন
ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করে একাদশ শ্রেণীর ক্লাস শুরু করা হয়। বর্তমানে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা
১৫৫০ জন । সে সময় কলেজটি পরিচালনা করার ক্ষেত্রে বারহাট্টার সকল স্তরের জনগনের অক্লান্ত শ্রম ও সার্বিক সহযোগিতা বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল। তবে এ
ক্ষেত্রে যে সমস্ত রাজনৈতিক ও
বিদ্যোৎসাহী ব্যাক্তিবর্গ বিশেষ
অবদান রেখেছিলেন। তারা হলেন
বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি
আজিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক
কাজী আব্দুল ওয়াহেদ, উপজেলা
আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি
মরহুম আব্দুল মালেক তালুকদার ও
সুলতান আহমেদ নূরী,বর্তমান
মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহ মোহাম্মদ আব্দুল কাদির , সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান খান রিজভি এলাকার
বিদ্যোৎসাহী ব্যাক্তি মরহুম কমরুদ্দিন খান , মরহুম আলেফ উদ্দিন খান, মরহুম আছাব উদ্দিন খান,বর্তমান উপজেলা বি.এন.পির
সভাপতি রহমত আলী তালুকদার,
সাবেক সভাপতি শামছুদ্দিন আহমদ
বাবুল, বীরমুক্তিযোদ্ধা মীর মোঃ আব্দুল কাদের, গণতন্ত্রী পার্টির বর্তমান
সভাপতি আলকাছ উদ্দিন আহম্মেদ সে
সময়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার,
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং
সাবরেজিষ্টার হিসেবে যারা দায়িত্বে
ছিলেন তাদের সহযোগিতাও ছিল
অনেক বেশী। কলেজটি ১৯৮৯
সালে একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ
করে এ ক্ষেত্রে সাবেক
উপসচিব (ধর্মমন্ত্রনালয়) মরহুম
জনাব নূরুল ইসলাম (খোকা মিয়া) এবং
নেত্রকোনা জেলার সাবেক
জেলা প্রশাসক জনাব এম.এন.
নবীর অবদান বারহাট্টাবাসী কোন
দিন ভুলবেনা। পরবর্তীতে ১৯৯৩
সালে কলেজটি স্বীকৃতি লাভ
করে ১৯৯৪ সালে এম.পি.ও ভুক্ত
হয়। তখন অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত)
হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জনাব
পঙ্কজ মোহন সরকার যিনি বর্তমান
অধ্যক্ষ। এক্ষেত্রে সাবেক
এম.পি বাণী আশরাফের
সহযোগিতা ছিল। পরবর্তীতে
কলেজের অবকাঠামোগত
সহযোগিতা করেন সাবেক এম. পি.
মরহুম জনাব আবু আব্বাস । কলেজটি
১৯৯৭ সালে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিগ্রি
কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ
করে। এক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতা করেছিলেন নেত্রকোনা জেলা আওয়মীলীগের সাবেক সভাপতি
ও সাবেক এম. পি মরহুম জনাব
,ফজলুর রহমান খান, তাছাড়া
কলেজের সার্বিক এবং
অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যপক
অবদান রেখেছেন সাবেক এম.পি
বর্তমান জেলা আওয়ামীলীগের
সাধারণ সম্পাদক জনাব আশরাফ আলী
খান খসরু। ১৯৯৪ সাল বর্তমান প্রধানমন্ত্রী
গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা তখন বিরোধী দলীয় নেত্রী।
বারহাট্টা কোর্ট বিল্ডিং মাঠে বারহাট্টা উপজেলা আওয়ামীলীগের
উদ্দ্যোগে এক বিশাল জনসভায় আওয়ামীলীগের দূর্গ হিসেবে
বারহাট্টা বাসীর দাবীর প্রতি শ্রদ্ধা
রেখে ঘোষনা দিয়েছিলেন তার
দল যদি ক্ষমতায় যায় তবে বারহাট্টা
কলেজটিকে সরকারিকরণ করবেন।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তার প্রতিশ্রুতি রেখেছেন।
কলেজের বর্তমান সভাপতি
নেত্রকোনা জেলার কৃতি সন্তান
জাতীয় ক্রীড়াবিদ জননেত্রী
শেখ হাসিনার স্নেহভাজন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
সরকারের মাননীয় যুব ও ক্রীড়া
উপমন্ত্রী জনাব আরিফ খান জয়
এম,পি মহোদয় কলেজের সার্বিক
উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে
আসছেন। তিনি সভাপতি হিসেবে
দায়িত্ব নিয়ে প্রথম সভাতেই
বলেছিলেন একবছরের মধ্যেই
বারহাট্টা কলেজটি সরকারিকরণ করার
জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা
গ্রহন করবেন । তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতি
রেখেছেন। বর্তমান প্রধান
মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা
ইতিমধ্যে কিছু সংখ্যক বেসরকারি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সরকারিকরণের
উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেন। তারই অংশ
হিসেবে বারহাট্টা কলেজ গভর্নিং
বডির সভাপতি মাননীয় যুব ও ক্রীড়া
উপমন্ত্রী জনাব আরিফ খান জয়
এম.পি বারহাট্টাবাসীর প্রাণের দাবী
বারহাট্টা কলেজকে সরকারিকরণের
লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ে আবেদন করেন এবং
তার পরিপ্রেক্ষিতে মাননীয়
প্রধানমন্ত্রীর কর্যালয়ের স্মারক
নং- ০৩.০০১.০০০.০০.০০.০৬.২০১৫-২৫
তারিখ-১০-৩-২০১৫ এর মাধ্যমে
বারহাট্টা কলেজ সরকারিকরণের
প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়নের
প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ
গ্রহনের জন্য শিক্ষামন্ত্রনালয়ের
সচিব মহোদয়কে অনুরোধ
করেন।