09/02/2022
🔴👨🏫বিসিএস ক্যাডার কী এবং কেন আমরা BCS ক্যাডার হতে চাই? বিসিএসের পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস 📒
✅আসুন বিস্তারিত জেনে নেই:-
👉🏿) বিসিএস পরীক্ষা কী?
উত্তরঃ
বিসিএস এর পুরো অর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস। আর বিসিএস পরীক্ষা হচ্ছে এই সিভিল সার্ভিসে ঢোকার জন্যে যে পরীক্ষা দেওয়া হয় সেইটা।
👉🏿) সিভিল সার্ভিস জিনিসটা কী?
উত্তরঃ
সিভিল সার্ভিস হচ্ছে সরকারী চাকুরি। যে কোন দেশে সরকারী চাকুরি মোটামুটি দু ভাগে বিভক্তঃ
মিলিটারি আর সিভিল। মিলিটারি বলতে আর্মি,নেভি, এয়ারফোর্স বোঝায়, আর সিভিল সার্ভিস বলতে প্রশাসন (মানে যাঁরা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলার ডিসি, মন্ত্রনালয়ের সচিব এসব হন), পুলিশ, ট্যাক্স , পররাষ্ট্র, কাস্টমস ,অডিট , শিক্ষা ইত্যাদি ২৭টি সার্ভিসকে বোঝায়।
👉🏿) ক্যাডার মানে কী?
উত্তরঃ
ক্যাডার মানে হচ্ছে কোন সুনির্দিষ্ট কাজ করার জন্যে বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি দল। সরকারী চাকুরির সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করতে নিয়োগপ্রাপ্তদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে গড়ে তোলা হয়, তাই এদের সিভিল সার্ভিস ক্যাডার বা বিসিএস ক্যাডার বলা হয়।
👉🏿বিসিএস অফিসারদেরকে প্রথম শ্রেনীর গেজেটেড অফিসার বলা হয় কেন?
উত্তরঃ
বাংলাদেশ সরকারের চাকুরিতে চারটি শ্রেণি আছে,যার সর্বোচ্চ শ্রেণিটাকে বলা হয় প্রথম শ্রেণি বা ফার্স্ট ক্লাস। এদের নিয়োগের সময় সরকারী গেজেট বা বিজ্ঞপ্তি বের হয়, স্বয়ং প্রেসিডেন্ট এদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
সামগ্রিক দিক বিবেচনায় মান মর্যাদা, দায়িত্ব-কর্তব্যের পরিধি এবং সুযোগ সুবিধার দিক দিয়ে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড অফিসারগণ তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকেন।
👉🏿) ক্যাডার কত প্রকার?
উত্তরঃ
বিসিএস ক্যাডার মূলতঃ দুই প্রকার। যথা:
১) জেনারেল (পুলিশ, এডমিন, পররাষ্ট্র ইত্যাদি);
২) টেকনিকাল (শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সড়ক ও জনপদ ইত্যাদি)।
জেনারেল ক্যাডারে যে কেউ যে কোন সাবজেক্ট থেকে পরীক্ষা দিয়ে চাকুরি করতে পারেন, কিন্তু টেকনিকাল ক্যাডারে চাকুরি করতে হলে নির্দিষ্ট বিষয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা লাগবে।
যেমনঃ
এমবিবিএস ডিগ্রি ছাড়া কেউ সরকারী ডাক্তার হয়ে চাকুরি করতে পারবেন না।
👉🏿বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা কি?
উত্তরঃ
বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, নির্দিষ্ট বয়স সীমার ভেতরে বয়স থাকতে হবে।
যেকোন বিষয়ে চার বছরের অনার্স বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
তিন বছরের অনার্স ও এক বছরের মাস্টার্স করা প্রার্থীরাও পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিদেশে পড়াশোনা করা ছাত্রছাত্রীরাও শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে তাদের ডিগ্রি বাংলাদেশের চার বছরের ডিগ্রির সমান- এই সার্টিফিকেট দেখিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
👉🏿ভাইয়া আমি তো ডাক্তার / ইঞ্জিনিয়ার / আর্কিটেক্ট / সেক্সোলজিস্ট। আমি কি বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে পুলিশ, ডিপ্লোম্যাট, ট্যাক্স অফিসার ইত্যাদি হতে পারব?নাকি আমি ডাক্তার বলে আমাকে স্বাস্থ্য সার্ভিসেই যেতে হবে?
উত্তরঃ
অবশ্যই পারবেন। কোন কোন ক্ষেত্রে আপনার এই টেকনিকাল ডিগ্রি বিশাল সুবিধা বয়ে আনবে। যেমন,
আপনি যদি ডাক্তার হয়ে পুলিশে যোগদান করেন, সেক্ষেত্রে ইউ এন মিশন গুলোতে আপনাকে নিয়ে কাড়াকাড়ি পড়ে যাবে। আপনি যেমন এক দিক দিয়ে পুলিশের প্রধানও হয়ে যেতে পারেন, আরেক দিক দিয়ে ডাক্তারি প্র্যাকটিসও করতে পারবেন অনুমতি সাপেক্ষে।
আপনি ইঞ্জিনিয়ার হলে পুলিশে বিভিন্ন টেকনিকাল ক্রাইমের ট্রেনিং এ
আপনাকে প্রাধান্য দেয়া হবে। বহু ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার আছেন যারা টেকনিকাল ক্যাডারে না গিয়ে সচিব, রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি হয়েছেন। ইংরেজি পড়েছেন বলেই শেকস্পীয়ার হতে হবে, এই ধারণা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন।
👉🏿ভাইয়া, আমি তো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় , বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়, মফস্বলের ডিগ্রি কলেজ , মঙ্গলগ্রহের এলিয়েন একাডেমি এসব জায়গা থেকে পড়াশোনা করেছি। আমি কি বিসিএস পরীক্ষা দিতে পারব?
উত্তরঃ
ভাই, আপনি যেখানেই পড়েন না কেন, আপনার যদি লাইফে একটার বেশি থার্ড ক্লাস না থাকে এবং আপনারর সব মিলিয়ে যদি ৬ পয়েন্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ করে থাকেন-
আপনি পরীক্ষা দিতে পারবেন।
ইংলিশ মিডিয়ামের / মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীরাও পরীক্ষা দিতে পারবেন।
আপনার প্রতিষ্ঠান না, পরীক্ষার খাতায় আপনি কি লিখছেন তার উপর নির্ভর করবে আপনি চাকুরি পাবেন কি পাবেন না।
👉🏿ভাইয়া, সিভিল সার্ভিসের মেডিকেল টেস্ট কেমন হয়?
পুলিশের মেডিকেল টেস্ট কি আর্মির মত হয়? আর এই মেডিকেল টেস্টে কি বাদ পড়ার সম্ভাবনা থাকে?
উত্তরঃ
সিভিল সার্ভিসের মেডিকেল টেস্ট একেবারেই সাধারণ এবং বেসিক হয়, যে কোন সরকারী হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করলেই জানতে পারবেন।
আপনার যদি অতি গুরুতর কোন সমস্যা না থাকে, সেক্ষেত্রে বাদ পড়ার সম্ভাবনা নেই। পুলিশের মেডিকেল টেস্ট বাকি সব ক্যাডারদের
মতই হয়, আলাদা না। শুধুমাত্র উচ্চতা আর ওজনে পার্থক্য আছে কিছুটা।
পুলিশের ক্ষেত্রে চোখের নিয়ম হচ্ছে, আপনার চোখ যাই হোক না কেন, যদি চশমা পরার পর সেটা ৬/৬ হয়, তাহলে কোন সমস্যা নেই।
👉🏿) ভাইয়া, শুনেছি অনার্স কমপ্লিট না করেও বিসিএস পরীক্ষা দেয়া যায়, এটা কি সত্যি?
উত্তরঃ
না, অনার্স না করে পরীক্ষা দেয়া যায়না। তবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত তারিখের মধ্যে অনার্স এর সব পরীক্ষা শেষ হয়েছে কিন্তু রেজাল্ট দেয়া বাকি আছে- এরকম হলে বিভাগীয় পরীক্ষার প্রধানের কাছ থেকে সার্টিফিকেট নিয়ে পরীক্ষা দেয়া যায়। পরবর্তীতে ভাইভার সময় মূল সার্টিফিকেট নিয়ে যেতে হয়।
যদি স্বপ্ন থাকে আপনি একজন BCS CADRE হবেন। তবে সময় নষ্ট না করে, আজকে থেকেই শুরু করে দেন। আপনিও হবেন একজন BCS CADRE, যদি সফল ব্যক্তিদের মত আপনিও ধৈর্য সহকারে লেগে থাকতে পারেন।
।।।।।
Bcs exam related full syllabus in details অনেকেরই প্রশ্ন জাগে বিসিএস কি,কেন, কিভাবে? সহজ কথায় বিসিএস হচ্ছে একটি পরীক্ষা। প্রতিটি পরীক্ষারই নির্দিষ্ট সিলেবাস বা পাঠ্যক্রম থাকে। সিলেবাসবিহীন পরীক্ষা খুব কমই আছে দুনিয়ায়। বিসিএস- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার ও নির্দিষ্ট সিলেবাস আছে। সিলেবাস এর বাইরে কোন প্রশ্ন করা হয় না। বিসিএস এর মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সঠিক পরিকল্পনা অনেক জরুরী। ইংরেজীতে একটি কথা আছে, ” A good plan is half Done.” এই পরিকল্পনার জন্য প্রথমেই সিলেবাস ও মানবন্টন জেনে নেয়া দরকার।
এই পরীক্ষার মাধ্যমে সিভিল সার্ভিস বা সরকারি প্রথম শ্রেণীর চাকরিতে নিয়োগ পাওয়া যায়। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারের শূন্য পদগুলো পূরণ করা হয় বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে। বিপিএসসির (বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন) সুপারিশ অনুযায়ী বিসিএস ক্যাডারদের নিয়োগ দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
তাহলে চলুন “বিসিএস” পরীক্ষার প্রতিটি ধাপের পূর্ণাঙ্গ বিসিএস সিলেবাস ও মানবন্টন দেখে নিইঃ
বিসিএস পরীক্ষা ৩ টি ধাপে হয়।
১ম ধাপঃ প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় ২০০ নম্বর থাকে।
২য় ধাপঃ লিখিত পরীক্ষা। ৯০০ নম্বরের এই পরীক্ষায় গড় পাস নম্বর ৪৫০।
First Slide
৩য় ধাপঃ ভাইভা পরীক্ষা। ভাইভা তে ২০০ নম্বর থাকে।
বিসিএস সিলেবাস
বিসিএস পরীক্ষা সফলভাবে পাস করার জন্য বিসিএস সিলেবাস ভালোভাবে দেখে প্রস্তুতি নিতে হয়। এই পরীক্ষায় নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে প্রিলির দরজা পার হতে হয়। এই প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বিসিএস এর মূল পরীক্ষায় কোন প্রভাব ফেলে না। কোন মতে টিকলেই হয় এই পরীক্ষায়। কারণ এই পরীক্ষার নম্বর লিখিত বা ভাইভাতে কোন কাজে আসে না। এই পরীক্ষায় শুধু প্রার্থীর সংখ্যা কমানো হয়।
বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য শুধু লিখিত এবং ভাইভায় প্রাপ্ত নম্বর গণনা করা হয়। কিন্তু প্রিলিমিনারি পার না করলে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়া যাবে না। আবার লিখিত ছাড়া তো পিএসসিতে (পাবলিক সার্ভিস কমিশন) চা-পান করার সুযোগ পাবেন না!
বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বিস্তারিত সিলেবাস-
এই পরীক্ষায় মোট ১০ টি বিষয়ে ২০০ নম্বর থাকে।
১।বাংলা ভাষা ও সাহিত্য – ৩৫
২। English Language and Literature – 35
৩।বাংলাদেশ বিষয়াবলি – ৩০
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি – ২০
৫।সাধারণ বিজ্ঞান – ১৫
৬।কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি – ১৫
৭।গাণিতিক যুক্তি – ১৫
৮।মানসিক দক্ষতা – ১৫
৯।নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন – ১০
১০।ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্বঃ) পরিবেশ ও দুর্যোগব্যবস্থাপনা – ১০
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য – মোট নম্বর ৩৫
বাংলা ভাষা (নম্বর ১৫)
প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ
বানান ও বাক্যশুদ্ধি
পরিভাষা
সমার্থকশব্দ
বিপরীতশব্দ
ধ্বনি ও বর্ণ
শব্দ
পদ
বাক্য
প্রত্যয়
সন্ধি
সমাস
বাংলা সাহিত্য (নম্বর ২০)
প্রাচীনযুগ
মধ্যযুগ
আধুনিকযুগ
English Language & Literature – Total Number 35
PART- I: Language -20
A. Parts of Speech:
The Noun:
The Determiner
The Gender
The Number
The Pronoun
The Verb
The Finite: transitive, intransitive
The Non-finite: participles, infinitives, gerund
The Linking Verb
The Phrasal Verb
Modals
The Adjective
The Adverb
The Preposition
The Conjunction
B. Idioms & Phrases:
Meanings of Phrases
Kinds of Phrases
Identifying Phrases
C. Clauses:
The Principal Clause
The Subordinate Clause:
The Noun Clause
The Adjective Clause
The Adverbial Clause & its types
D. Corrections:
The Tense
The Verb
The Preposition
The Determiner
The Gender
The Number
Subject-Verb Agreement
E. Sentences & Transformations:
The Simple Sentence
The Compound Sentence
The Active Voice
The Complex Sentence
The Passive Voice
The Positive Degree
The Comparative Degree
The Superlative Degree
F. Words:
Meanings
Synonyms
Antonyms
Spellings
Usage of words as various parts of speech
Formation of new words by adding prefixes and suffixes
G. Composition:
Names of parts of paragraphs/letters/applications
PART- II: Literature -15
H. English Literature:
Names of writers of literary pieces from the Elizabethan period to the 21st Century.
Quotations from drama/poetry of different ages
বাংলাদেশ বিষয়াবলী – মোটনম্বর ৩০
বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলী
প্রাচীনকাল থেকে সম-সাময়িক কালের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি
বাংলাদেশেরস্বাধীনতাযুদ্ধেরইতিহাসঃভাষাআন্দোলন
১৯৫৪সালেরনির্বাচন
ছয়দফাআন্দোলন১৯৬৬
গণ-অভ্যুত্থান১৯৬৮ – ১৯৬৯
১৯৭০সালেরসাধারণনির্বাচন
অসহযোগআন্দোলন
৭মার্চেরঐতিহাসিকভাষণ – স্বাধীনতাঘোষণা
মুজিবনগরসরকারেরগঠনওকার্যাবলী
মুক্তিযুদ্ধেররণকৌশল – মুক্তিযুদ্ধেবৃহৎশক্তিবর্গেরভূমিকা
পাকবাহিনীরআত্মসমর্পণএবংবাংলাদেশেরঅভ্যুদয়।
বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ
শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখী করণ
খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা
বাংলাদেশের জনসংখ্যা
আদমশুমারি
জাতি – গোষ্ঠী – উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াবলী
বাংলাদেশের অর্থনীতি
উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী
জাতীয় আয় – ব্যয়
রাজস্বনীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি
দারিদ্র্য বিমোচন
বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য
শিল্প উৎপাদন
পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করণ
গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা
বৈদেশিক লেন-দেন ও অর্থপ্রেরণ
ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা
বাংলাদেশের সংবিধান
প্রস্তাবনা ও বৈশিষ্ট
মৌলিক অধিকারসহ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ
সংবিধানের সংশোধনীসমূহ
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা
রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, ভূমিকা ও কার্যক্রম
ক্ষমতাসীন ও বিরোধীদলের পারস্পরিক সম্পরকাদি
সুশীল সমাজ ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ এবং এদের ভূমিকা
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা
আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ
আইন প্রণয়ন
নীতি নির্ধারণ
জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার কাঠামো
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার
বাংলাদেশেরজাতীয়অর্জন
বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব
গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ
জাতীয় পুরস্কার
খেলাধুলা
চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী – মোটনম্বর ২০
বৈশ্বিক ইতিহাস
আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা
ভু-রাজনীতি
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক
বিশ্বের সাম্প্রতিক ও চলমান ঘটনা প্রবাহ
আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি
আন্তর্জাতিক সংগঠনসমূহ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানাদি
সাধারণ বিজ্ঞান – মোটনম্বর ১৫
১ম অংশ: ভৌত বিজ্ঞান (নম্বর ৫)
পদার্থের অবস্থা, এটমের গঠন
কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার
এসিড, ক্ষার, লবণ
পদার্থের ক্ষয়
সাবানের কাজ
ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ
ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন
চৌম্বকত্ব
তরঙ্গ ও শব্দ
তাপ ও তাপগতিবিদ্যা
আলোর প্রকৃতি
স্থির ও চলতড়িৎ
ইলেক্ট্রনিক্স
আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞান
শক্তির উৎস এবং এর প্রয়োগ
নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস
পারমাণবিক শক্তি ও উৎস
খনিজ উৎস
শক্তির রূপান্তর
আলোক যন্ত্রপাতি
মৌলিক কণা
ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগ সমূহ
অধাতব পদার্থ
জারণ-বিজারণ
তড়িৎকোষ
অজৈবযৌগ
জৈবযৌগ
তড়িৎ চৌম্বক
ট্রান্সফরমার
এক্সরে
তেজস্ক্রিয়তা
জীববিজ্ঞান (নম্বর ৫)
পদার্থের জীববিজ্ঞান বিষয়ক ধর্ম
টিস্যু
জেনেটিক্স
জীববৈচিত্র্য
এনিমেল ডাইভার্সিটি
অর্গান এবং অর্গানসিস্টেম
সালোকসংশ্লেষণ
ভাইরাস
ব্যাকটেরিয়া
জুওলজিক্যাল নমেনক্লেচার
বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার
প্রাণীজগৎ
উদ্ভিদ
ফুল – ফল
রক্ত ও রক্তসঞ্চালন
হৃৎপিণ্ড ও হৃদরোগ
স্নায়ু ও স্নায়ুরোগ
খাদ্য ও পুষ্টি
ভিটামিন
মাইক্রোবায়োলজি
প্লান্ট নিউট্রিশন
পরাগায়ন
আধুনিক বিজ্ঞান (নম্বর ৫)
পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস
কসমিক রে
ব্ল্যাক হোল
হিগের কণা
বারিমণ্ডল
টাইড ও বায়ুমণ্ডল
টেকটনিক প্লেট
সাইক্লোন ও সুনামি
বিবর্তন
সামুদ্রিক জীবন
মানবদেহ, রোগের কারণ ও প্রতিকার
সংক্রামক রোগ
রোগজীবাণুর জীবনধারণ
মা ও শিশুসাস্থ্য
ইম্যুনাইজেশন ও ভ্যাকসিনেশন
এইচআইভি ও এইডস
টিবিও পোলিও
জোয়ার ভাঁটা
এপিকালচার
সেরিকালচার
পিসিকালচার
হরটিকালচার
ডায়োড ও Transistor
আইসি (IC)
আপেক্ষিক তত্ত্ব
ফোটন কণা ইত্যাদি
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি – মোটনম্বর ১৫
কম্পিউটার (১০ নম্বর)
কম্পিউটার পেরিফেরালস- কীবোর্ড, মাউস, ও সিআর ইত্যাদি
কম্পিউটারের অঙ্গ সংগঠন- সিপিইউ, হার্ডডিস্ক, এএলইউ ইত্যাদি
কম্পিউটারের পারফরমেন্স
দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার- কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি
কম্পিউটারের নম্বর ব্যবস্থা
অপারেটিং সিস্টেম
এমবেডেড কম্পিউটার
কম্পিউটারের ইতিহাস
কম্পিউটারের প্রকারভেদ
কম্পিউটার প্রোগ্রাম- ভাইরাস, ফায়ারওয়াল ইত্যাদি
ডেটাবেস সিস্টেম।
তথ্যপ্রযুক্তি (৫ নম্বর)
ই-কমার্স
সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক- টুজি, থ্রিজি, ফোরজি, ওয়াইম্যাক্স ইত্যাদি
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক- ল্যান, ম্যান, ওয়াইফাই, ওয়াইম্যাক্স ইত্যাদি
দৈনন্দিন জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি
স্মার্টফোন
ওয়ার্ল্ডওয়াইড ওয়েব (www)
ইন্টারনেট
নিত্যপ্রয়োজনীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তি- ইমেইল, ফ্যাক্স ইত্যাদি
ক্লাইন্ট সার্ভার ম্যানেজমেন্ট
মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য সমূহ
তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান ও তাদের সেবা/তথ্যসমূহ- গুগল, মাইক্রোসফট, আইবিএম ইত্যাদি
ক্লাউড কম্পিউটিং
সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং- ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি
সাইবার অপরাধ।
গাণিতিকযুক্তি – মোটনম্বর ১৫
পাটিগণিত (৩ নম্বর)
বাস্তবসংখ্যা
লসাগু ও গসাগু
শতকরা
সরল ও যৌগিক মুনাফা
অনুপাত ও সমানুপাত
লাভ – ক্ষতি
বীজগণিত (৬ নম্বর)
বীজগাণিতিক সূত্রাবলী
বহুপদী উৎপাদক
সরল ও দ্বিপদী সমীকরণ, দ্বিপদী অসমতা, সহসমীকরণ
সূচক ও লগারিদম
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
জ্যামিতি (৩ নম্বর)
রেখা ও কোন
ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ সংক্রান্ত উপপাদ্য
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
পরিমিতি- সরলক্ষেত্র ও ঘনবস্তু
বিচ্ছিন্নগণিত (৩ নম্বর)
সেট
বিন্যাস ও সমাবেশ
পরিসংখ্যান
সম্ভাব্যতা
মানসিক দক্ষতা – মোটনম্বর ১৫
ভাষাগত যৌক্তিক বিচার (Verbal Reasoning)
সমস্যা সমাধান (Problem Solving)
বানান ওভাষা (Spelling and Language)
যান্ত্রিক দক্ষতা (Mechanical Reasoning)
স্থানাংক সম্পর্ক (Space Relation)
সংখ্যাগত ক্ষমতা (Numerical Ability)
নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন – মোটনম্বর ১০ (ETHICS, VALUES & GOOD GOVERNANCE)
Definition of Values and Good Governance
Relation between Values and Good Governance
General Perception of Values and Good Governance
Importance of Values and Good Governance in the life of an individual as a citizen as well as in the making of society and national ideals
Impact of Values and Good Governance in national development
How the element of Good Governance and Values can be established in society in a given social context
The benefit of Values and Good Governance and the cost society pays adversely in their absence
ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা – মোট নম্বর ১০
বাংলাদেশ ও অঞ্চল ভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব।
অঞ্চল ভিত্তিক ভৌত পরিবেশ (ভূ-প্রাকৃতিক), সম্পদের বণ্টন ও গুরুত্ব।
বাংলাদেশের পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জ সমূহ।
বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন: আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামক সমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন :অভিবাসন, কৃষি, শিল্প, মৎস্য ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের ধরন, প্রকৃতি ও ব্যবস্থপনা।
প্রিলিমিনারি বিসিএস সিলেবাস অনুসারে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হয়।
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার বিসিএস সিলেবাসঃ
# লিখিত পরীক্ষার বিষয়সমূহ ও নম্বর বণ্টন : মোট নম্বর ৯ ০০
লিখিত পরীক্ষায় সাধারণ ও প্রফেশনাল ক্যাডারের জন্য ভিন্ন সিলেবাস থাকে। প্রফেশনাল বা টেকনিক্যাল ক্যাডারে; যেমনঃ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার পদ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ২০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হয়। কেউ ডাক্তার হতে চাইলে ডাক্তারি অতিরিক্ত ২০০ নম্বরের পরীক্ষা দিবেন।
(১) সাধারণ ক্যাডারের জন্য :
(১। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি= ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি = ১০০ নম্বর
(২) প্রফেশনাল বা টেকনিক্যাল ক্যাডারের জন্য :
১। বাংলা প্রথম পত্র= ১০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। স্নাতকে পঠিত বিষয়= ২০০ নম্বর
প্রতিটি ২০০ নম্বরের পরীক্ষার সময় ৪ ঘণ্টা।
প্রতিটি ১০০ নম্বরের পরীক্ষার সময় ৩ ঘণ্টা।
লিখিত পরীক্ষায় গড় পাস মার্ক ৫০%। অর্থাৎ ৯০০ নম্বরের মধ্যে সব বিষয় মিলিয়ে ৪৫০ নম্বর পেলেই আপনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।
তবে কোন প্রার্থী চাইলে একই সাথে সাধারণ এবং প্রফেশনাল ক্যাডারে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে পরীক্ষার সময় সাধারণ ক্যাডারের বিসিএস সিলেবাস অনুযায়ী ৯০০ নম্বরের সাথে প্রফেশনাল ক্যাডারের সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ২০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে। অর্থাৎ তখন ঐ প্রার্থীর লিখিত পরীক্ষায় মোট ১১০০ নম্বরের পরীক্ষা দিবেন। উভয় ক্যাডারে পাশ করতে হলে ১১০০ নম্বরের ৫০% মানে ৫৫০ পেতে হবে।
ভাইভা পরীক্ষার বিসিএস সিলেবাস ও মানবন্টনঃ
ভাইভা পরীক্ষার নির্দিষ্ট কোন সিলেবাস নেই। ভাইভা বোর্ডে সাধারণত নিজের সম্পর্কে, নিজের জেলা সম্পর্কে, অনার্সে পঠিত বিষয় সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়।
এছাড়াও সমসাময়িক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। প্রার্থীর প্রদত্ত ক্যাডার পছন্দক্রম থেকে বিভিন্ন ক্যাডার সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।
ভাইভাতে মোট ২০০ নম্বর থাকে। পাশ মার্ক ৫০%। মানে ১০০ পেলেই আপনি ভাইভায় পাশ করবেন।
লিখিত ও ভাইভায় প্রাপ্ত মোট নম্বর অনুযায়ী প্রার্থীদের বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশ করে পাবলিক সার্ভিস কমিশন।