03/09/2026
আমাদের স্কুলের প্রথম জিপিএ ফাইভ(এ+) প্রাপ্ত সুভাষ বৈদ্য, যিনি ২০০৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বিএম কলেজ থেকে গণিত বিষয়ে পড়াশুনা করেছেন এবং বর্তমানে হাবিবপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।
যেদিন ওই ব্যাচের রেজাল্ট হয়েছিলো সেদিনের একটি স্মৃতিচারণ করি। তখন তো অনলাইনে ফলাফল পাওয়া যেতো না। স্কুল থেকে কাউকে উপজেলায় বা বোর্ডে গিয়ে রেজাল্ট নিয়ে আসতে হতো। তো, সেদিন স্কুল থেকে কেউ গিয়েছিলো কিনা সেটা অস্পষ্ট ছিলো।
সবাই বলাবলি করছিলো, জগদীশ স্যার যিনি তখন সৈয়দ আজিজুল হক কলেজে অধ্যাপনা করতেন, তিনি রেজাল্ট নিয়ে আসছেন। তখন, পুরোনো খেয়াঘাট হয়ে যেহেতু স্যার আসবেন তাই সবাই মন্দির আঙ্গিনায় ভিড় করেছিলো।
একদম বিকেলের দিকে স্যার খেয়া থেকে নেমে, মন্দিরে আঙিনায় উত্তর পাশে দাঁড়িয়ে ফলাফল ঘোষণা করেছিলেন। যখন তিনি সুভাষ বৈদ্য এ+ পেয়েছে জানালেন, পুরো মন্দির প্রাঙ্গণ উল্লাসে মেতে উঠেছিল; সবাই তাকে অভিনন্দন শুভেচ্ছা জানাচ্ছিল।
পরবর্তীতে একদিন, সুভাষ দাদার কাছেই শুনেছিলাম এ+ পেলে নাকি স্কুল থেকে স্বর্ণপদক দেয়ার ঘোষণা ছিলো। কিন্তু তাকে আর সেই স্বর্ণ পদক দেয়া হয়নি 😅😅। তবে, ২০০৬ সালের একজন শিক্ষার্থীর জন্য এ+ পাওয়া সত্যিই অভূতপূর্ব সাফল্য ছিলো।
প্রায় ২১ বছর আগের ঘটনা, স্মৃতিচারণা করলাম একটু এদিক সেদিক হতে পারে; ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
থ্যাংক ইউ 🤗
#হারতা