Govt. Mujibur Rahman Women's College, Bogra

Govt. Mujibur Rahman Women's College, Bogra This college was set up on 31 July, 1963 on the edge of the Subilkhal. Now it is one of the popular

কথায় আছে ,লোভ পাপ ,আর পাপে মৃ*'ত্যু 🙂এই কারনেই জানতে হবে যে কোথায় থামতে হবে 🙂এই যে লোক টা উনাকে বলা সর্বকালের সেরা ইউটিউ...
26/11/2025

কথায় আছে ,লোভ পাপ ,আর পাপে মৃ*'ত্যু 🙂

এই কারনেই জানতে হবে যে কোথায় থামতে হবে 🙂

এই যে লোক টা উনাকে বলা সর্বকালের সেরা ইউটিউবার।মাসিক আয় ২৪ কোটি টাকা।সেটা শুধু ইউটিউব থেকে।

তার নাম পিউডিপাই,সুইডেন এর নাগরিক। ২২ বছর বয়স থেকে ইউটিউব জগতে এসে তিরিশ বছরের শুরুতেই তিনি অবসর নেন।উদ্দেশ্য পরিবার নিয়ে সময় কাটাবেন।আর কোন লাইক কমেন্ট ভিউ সাবস্ক্রাইব এর চিন্তায় থাকতে চান না।কাজ ছেড়েছেন পুরোপুরি।নিজেদের মনমতো বাংলো কিনে স্ত্রী আর সন্তানসহ আনন্দের জীবন কাটাচ্ছেন তিনি।এই প্রসঙ্গে সফল ইউটিউবার বলেন
আমি জানি কোথায় থামতে হয়। জীবনের একেক পর্যায়ে মানুষের প্রাধান্য বদলে যায়। আমার মনে হয়, আমি যথেষ্ট আয় করেছি। আর এখন আমি সেটা পরিবারের সঙ্গে উপভোগ করতে চাই।
কি চমৎকার দৃষ্টি ভঙ্গি।যেটা হয়তো অনেকের মাঝে থাকে না।টাকার পেছনে ছুটতে ছুটতে একসময় জীবন ফুরিয়ে আসে।প্রিয় মানুষদের সাথে প্রিয় মুহুর্তগুলো কখনোই পার করা হয়না।জীবনে টাকা যেমন প্রয়োজন,তেমনি পর্যাপ্ত টাকা হয়ে গেলে প্রয়োজন নিজের মতো জীবনযাপনও করাও।কিন্তু সেটা বোঝে কয়জন?

Huge Respect all student's. 🫡❤️আজকে সারাদিন কেউ এই ভিডিও দেখেছেন? সারাদিন দেখতেছি এই ভিডিও টা দেখে,অনেকেই হাসিঠাট্টা করছ...
26/10/2025

Huge Respect all student's. 🫡❤️

আজকে সারাদিন কেউ এই ভিডিও দেখেছেন?

সারাদিন দেখতেছি এই ভিডিও টা দেখে,অনেকেই হাসিঠাট্টা করছেন কারণ টা না জেনেই?

এই স্কুলেরই একটা মেয়ের ক্যা*ন্সার হওয়ার পর তার সব চুল কেটে ফেলছিলো,কারন কেমোর জন্য চুল পরে যাচ্ছিলো ,তাই সে লজ্জায় আসতে চায় নাই আর স্কুলে,পড়ে স্কুলের সকল স্টুডেন্ট তাদের চুল কেটে মাথা একেবারে ন্যা*রা করে ফেলছে😥

একটু শুধু ভাবেন কত মহত্ত্ব দেখায়ছে তারা,আর আমরা মজা নিচ্ছি

জীবনে কম বন্ধু রাখুন, কিন্তু বন্ধুর মত বন্ধু রাখুন।
12/07/2025

জীবনে কম বন্ধু রাখুন, কিন্তু বন্ধুর মত বন্ধু রাখুন।

ছবিটির দিকে তাকিয়ে দেখুন, শেখার আছে অনেক কিছু।বেইজিং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে গত পরশু সমাবর্তন অনুষ্ঠা...
29/06/2025

ছবিটির দিকে তাকিয়ে দেখুন, শেখার আছে অনেক কিছু।বেইজিং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে গত পরশু সমাবর্তন অনুষ্ঠানে গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একজন ছাত্রী বক্তব্য দিচ্ছিলেন, ওই ছাত্রীর বক্তব্য চলাকালীন হটাৎ গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হলে পাশে থাকা একজন প্রফেসর দৌঁড়ে গিয়ে একটা ছাতা নিয়ে এসে সে ছাত্রীর মাথার উপর ধরেন। পুরো বক্তব্য চলাকালীন তিনি ছাতাটা ছাত্রীর মাথার উপর ধরে রেখেছিলেন। ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো, ওই প্রফেসর একইসাথে ডিপার্টমেন্টের প্রধান এবং শিক্ষকদের লিডারও।

আপনি কল্পনা করতে পারেন, বাংলাদেশের কোনো ভার্সিটি কনভোকেশন অনুষ্ঠানে এমন দৃশ্য?

কখনো নয়। এ ধরনের মানবিক এবং নৈতিক চর্চা আমাদের দেশের শিক্ষকদের মধ্যে গড়ে উঠেনি এবং উঠবেও না। এর অন্যতম কারণ, ইগো। কোনো শিক্ষক এমন মহৎ কাজ করতে যাবে না তার ভেতর প্রচন্ড ইগোর কারণে, তার মধ্যে
সবসময় এই চিন্তা কাজ করে যে, আমি শিক্ষক হয়ে কেন শিক্ষার্থীদের মাথায় ছাতা ধরতে যাব। হোক না বৃষ্টি, তাতে কী!

অথচ দেখেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশ্বের অন্যতম সেরা ভার্সিটিগুলির একটি ভার্সিটির প্রফেসর তার ইগো ঠেলে কনভোকেশনে বক্তব্য দেওয়া কালে বৃষ্টি আসলে অনায়সে একজন ছাত্রীী মাথায় ছাতা ধরে রেখে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন, একইসাথে অন্যদের নৈতিকতাও শিক্ষা দিলেন।

শিক্ষকতা হলো ঠিক এমনই মহৎ পেশা। শ্রেষ্ঠ মানুষজনই এই পেশায় আসবেন, এটাই স্বাভাবিক রীতি। এই শিক্ষকের কর্মেই তার প্রমাণ মেলে। যে শিক্ষক পাবলিকলি মানুষ হিসেবে ভালো মনের অধিকারী এবং অনুকরণীয় হওয়ার পরিচয় দিয়েছেন মানবিক কর্মের মাধ্যমে, নিশ্চয়ই সেই শিক্ষক ক্লাসরুমেও শিক্ষার্থীদের কাছে সেরা হবেন। তার জন্য সম্মান এবং শ্রদ্ধা।

আক্ষেপের বিষয় হলো, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এমন শিক্ষকতার চর্চা নেই। অনুকরণীয় তো পরের বিষয়, মহৎ হৃদয়ের মানুষ এই পেশায় নেই বললেই চলে। আমাদের দেশে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক হয়ে গেছে কমার্শিয়াল৷ অথচ ইউরোপ-আমেরিকায় ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক হলো বন্ধুত্বের, সহযোগিতা, সম্মান এবং ভালোবাসার।

© Md Mazharul Haque Himu

07/06/2025

ঈদ মোবারক

~ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। গণিত ক্লাস চলছে। এক ছাত্র ঘুমিয়ে পড়লো। ক্লাস শেষে'র চেঁচামেচিতে ঘুম ভাঙলো তার। লেকচার শেষ হয়ে ...
20/05/2025

~ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। গণিত ক্লাস চলছে। এক ছাত্র ঘুমিয়ে পড়লো। ক্লাস শেষে'র চেঁচামেচিতে ঘুম ভাঙলো তার। লেকচার শেষ হয়ে গেছে! হোয়াইটবোর্ডের দিকে তাকালো সে— ওখানে ম্যাথের দু'টি সমস্যা লিখে গেছেন লেকচারার। ছাত্রটি ধরে নিলো অমীমাংসিত সমস্যা-দু'টি পরের ক্লাসের জন্য দেওয়া অ্যাসাইনমেন্ট। খাতায় তুলে নিলো সে।

ঘরে এসে, সমস্যা দু'টি সমাধান করতে গিয়ে সে বুঝতে পারলো, দু'টিই ভীষণ কঠিন এবং জটিল অঙ্ক! হাল ছাড়লো না। জেদে পেয়ে বসেছে। লাইব্রেরি থেকে লাইব্রেরিতে ঘুরে, বিভিন্ন রেফারেন্স বই ঘেঁটে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যয় শেষে, অঙ্ক দু'টির একটি সমাধান করতে পারলো সে।

পরবর্তী ক্লাসে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে গিয়ে, সে বিস্মিত— আগের ক্লাসের অঙ্ক দু'টি হোমওয়ার্ক ছিল না! তাকে লেকচারার মনে করিয়ে দিলেন— আমি তো সেদিন বিজ্ঞানের জটিলতম ও আনসল্‌ভ্‌ড সমস্যা আলোচনা করতে গিয়ে উদাহরণস্বরূপ ওই দু'টি জটিল গাণিতিক সমস্যা নিয়ে আলাপ করছিলাম, যেগুলো বিজ্ঞানীরা এখনও সমাধান করতে পারেননি।

ধাক্কা খেলো ছাত্রটি! "কিন্তু, আমি তো ওখানের একটি সমস্যার সমাধান করে ফেলেছি!"— জানালো সে।

হ্যাঁ, সেই উদ্ভাবনটি পরবর্তীতে ছাত্রটির নামে প্যাটেন্ট করা হয়েছিলো, এবং পেপারগুলো কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ডকুমেন্টেড। তার লিখা সেই উদ্ভাবনের পেপার চারটি আজও বিশ্ববিদ্যালয়টায় ডিসপ্লে করা হয়।

ছাত্রটি, সমস্যাটির সমাধান করতে পেরেছিলো একটিমাত্র কারণে— লেকচারারের "আজ পর্যন্ত কেউই এর সমাধান করতে পারেনি" কথাটি সে শুনতে পায়নি সেদিন ক্লাসে ঘুমিয়ে পড়ার কারণে। তার বদলে, সে ভেবেছিলো— সমস্যাটি সমাধানযোগ্য; এবং এগিয়েছিলো ভয়-উদ্বেগ ছাড়াই, আর সফল হয়েছিলো। "তুমি পারবে না" বলাদেরকে এড়িয়ে না-চললে, কিছুই অর্জন করা সম্ভব নয়। আমরা প্রত্যেকের মধ্যে যোগ্যতা আছে, আমরা কেবল আটকে থাকি নিগেটিভিটি ও ভীতিতে।

সেই ছাত্রটি— জর্জ ডান্থজিগ। এবং এই জিনিয়াসের সমাধান করা বিষয়টি হচ্ছে বহুল-প্রয়োজনীয় ম্যাথম্যাটিক্স স্ট্যাক এক্সচেঞ্জার!

মারিয়ানার খাত বা Mariana Trench — এটি আমাদের পৃথিবীর গভীরতম স্থান!পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে, গুয়ামের কাছে অবস্থিত এই বি...
16/05/2025

মারিয়ানার খাত বা Mariana Trench — এটি আমাদের পৃথিবীর গভীরতম স্থান!

পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে, গুয়ামের কাছে অবস্থিত এই বিস্ময়কর খাতটির সবচেয়ে গভীর অংশের নাম চ্যালেঞ্জার ডিপ (Challenger Deep), যার গভীরতা প্রায় ১০,৯১৬ মিটার বা ৩৫,৭৬০ ফুট — সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে!

কোথায় এটি অবস্থিত?

ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা থেকে প্রায় ২,৫০০ কিমি দূরে

গুয়ামের দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ২০০ কিমি দূরত্বে

কীভাবে তৈরি হলো এই খাত?
প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট যখন মারিয়ানা প্লেটের নিচে ঢুকে পড়ে — তখনই এই বিশাল গভীর খাতের সৃষ্টি হয়। এই অঞ্চলটি পৃথিবীর ভয়ঙ্কর ‘Ring of Fire’-এর অংশ, যেখানে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির সক্রিয়তা অনেক বেশি।

কেন এটি এত রহস্যময়?

অতল গভীরতা

তীব্র পানির চাপ
এই দুটি কারণে মানুষ খুব একটা এই এলাকায় পৌঁছাতে পারেনি। এখানের জীববৈচিত্র্য এবং ভূতাত্ত্বিক রহস্য আজও বিজ্ঞানীদের চমকে দেয়।

তুলনা করে দেখুন:

একটি আধুনিক সাবমেরিন নামতে পারে সর্বোচ্চ ~৩২৮ ফুট

সবচেয়ে গভীরতম ডাইভিং সাবমার্সিবল গিয়েছে ~৩৫,৭৬০ ফুট!

এই গভীরতা বোঝার জন্য কিছু তুলনা:

এভারেস্ট যদি উল্টো করে এই খাতে রাখা হয়, তার চূড়াও পানির নিচে থাকবে!

এখানকার চাপ এমন যে, কোনো সাধারণ সাবমেরিন এক সেকেন্ডেই চূর্ণ হয়ে যাবে!

মারিয়ানার খাত শুধু এক রহস্য নয়, এটি আমাদের গ্রহের ভেতরের রহস্য খোলার এক মহাজানালা।

সার্বিয়ার এক সুন্দরী তরুণী, নাম মারিয়া আব্রামোভিচ, ১৯৭৪ সালে এক ভয়ংকর সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল পৃথিবীকে, একটি এক্স...
21/03/2025

সার্বিয়ার এক সুন্দরী তরুণী, নাম মারিয়া আব্রামোভিচ, ১৯৭৪ সালে এক ভয়ংকর সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল পৃথিবীকে, একটি এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে। ওই এক্সপেরিমেন্টের নাম ছিল রিদম জিরো। লোকজনে ভর্তি একটি রুমের ভেতর মারিয়া স্ট্যাচুর মতোন দাঁড়িয়ে ছিল। সামনে টেবিলে রাখা অপ্রাসঙ্গিক, অগুরুত্বপূর্ণ, একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কহীন বাহাত্তরটি জিনিস। লিপস্টিক, কেক, ছুরি, কাঁচি, গোলাপ, পিস্তল সহ আরো অনেক কিছু। বলা হয়েছিল, রাত আটটা থেকে দুইটা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টা মানুষ যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে মারিয়ার সঙ্গে। অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর ছিল মারিয়ার। প্রথম আড়াই ঘণ্টা মারিয়াকে ফুল দিয়েছিল মানুষ। চুল আঁচড়ে দিয়েছিল, ভালোবেসেছিল।

সময় যতই গড়াল, লোকজন ততই হিংস্র হয়ে উঠল। শেষ দুই ঘণ্টায় মারিয়াকে থাপ্পড় মারা হয়, পরনের জামাকাপড় ছিঁড়ে নগ্ন করে ফেলা হয়, ছুরি দিয়ে শরীরে আঘাত করা হয়, এমনকি শেষদিকে একজন পিস্তল নিয়ে মারিয়ার গলা চেপে ধরে ট্রিগার টানতে যাচ্ছিল প্রায়!

মারিয়া কি ওদের কোনো ক্ষতি করেছিল? ওদের কারোর জায়গা জমি নিজের বলে দাবি করেছিল? ওদের কাউকে মারধর করেছিল? কারো সাথে প্রতারণা করেছিল? সে তো কাউকে চিনতও না। কিন্তু ওরা মারিয়াকে থাপ্পড় মেরেছিল, গায়ে থুথু ছিটিয়েছিল, পরনের পোশাক ছিঁড়ে ফেলেছিল, একের পর এক আঘাতে করেছিল ক্ষতবিক্ষত! এক্সপেরিমেন্ট শেষে মারিয়া যখন হেঁটে চলে যাচ্ছিল, তখন তাকে অপমান করা একটি লোকও চোখের দিকে তাকাতে পারছিল না তার, লজ্জায়।

১৯৯৮ সালে জার্মানিতে চৌদ্দজন লোককে স্বেচ্ছায় টাকার বিনিময়ে একটি সাইকোলজিক্যাল পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয় যার নাম ছিল দাস এক্সপেরিমেন্ট। এরপর ওই লোকগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ওদের কাছে সময় পনের দিন। এই পনের দিন ওদের একভাগ কারাগারের কয়েদি হিসেবে অভিনয় করবে, বাকিরা থাকবে কারাগারের গার্ড। সবার অজান্তে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পরিস্থিতি মনিটর করা হবে। শর্ত ছিল, কোনো গার্ড কোনো কয়েদিকে শারীরিকভাবে আঘাত করতে পারবে না। অর্থাৎ কোনরকম ভায়োলেন্স অ্যালাউড না।

প্রথম প্রথম সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও ২ দিন পার হওয়ার আগেই গার্ডরা কয়েদিদের ওপর ক্ষমতা প্রয়োগ করা শুরু করে। শেষদিকে তো পুরো এক্সপেরিমেন্টেরই বারোটা বেজে যায়।

লক্ষ্য করুন, ওরা জানে ওরা কেউই আসল গার্ড নয়। যারা কারাগারে বন্দি, তারাও সত্যিকারের কয়েদি নয়। ওদের শুধু অভিনয় করতে বলা হয়েছে কয়েকটা দিনের জন্য। অথচ বাহাত্তর ঘন্টা পার হওয়ার আগেই শুধুমাত্র বন্দিদের ওপর নিজেদের ক্ষমতা জাহির করার জন্য ওরা কারাগারের লাইট অফ করে, গ্যাস ছেড়ে, কয়েদিদের জামাকাপড় খুলে উলঙ্গ করে শোয়ার একমাত্র বিছানাটাও বের করে নেয় যাতে কেউ ঘুমাতে না পারে। শুধু তাই নয়, সময় গড়ানোর সাথে সাথে গার্ডের দল কয়েদিদের হাত পা বেঁধে নির্যাতন করে, তাদের মুখের ওপর প্রস্রাব করে, এক নারী কয়েদিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং এমনকি একজনকে মেরে ফেলেছিল প্রায়!

মানুষের মনস্তত্ত্ব সম্পর্কে একটু পড়াশোনা করলে আপনি জানতে পারবেন, মানুষ অন্যকে ঘৃণা করে, অপছন্দ করে, হত্যা করে নানা কারণে। ওর বুদ্ধি বেশি, আমার কম কেন? ওর টাকা বেশি, আমার কম কেন? ওর সম্মান বেশি, আমার কম কেন?

রিদম জিরো এবং দাস এক্সপেরিমেন্ট আপনাকে শেখাবে, একটা মানুষের কাউকে ঘৃণা, অপছন্দ বা অত্যাচার করতে আসলে কোনো কারণ লাগে না। একজন মানুষ কোনোরকম কারণ ছাড়াই আরেকজনকে হিংসা করে, ক্ষতি করে, তার বদনাম রটায়, কেননা মানুষের স্বভাবই অমন। মানুষ কোনোদিনই শান্তিকামী ছিল না, নয় এবং থাকবেও না। সে সবসময়ই হিংস্র, লোভী, বর্বর এবং ভণ্ড। তাহলে প্রশ্ন জাগে, এই দুনিয়ায় কি ভালো মানুষ বলে কেউ নেই? হ্যাঁ, আছে হাতেগোনা দুচারজন। বাকিরা সুযোগের অভাবে ভালো।

Source : Internet

28/01/2025

মাত্র দুটি কাজ করলেই ক্যান্সার উধাও!
ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, কিন্তু মানুষ এই রোগে মারা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতার কারণে।
তার মতে, মাত্র দুটি উপায় vঅনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। উপায়গুলো হচ্ছে:-
১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেননা, শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে।
২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার।
মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভাল।
৩. প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যান্সার সেরে যাবে।
চিনি পরিহারের পর নিচের দুটি থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহণ গ্রহণ করুন। ক্যান্সার আপনাকে ঘায়েল করতে পারবে না। তবে অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই।
উল্লেখ্য, ক্যান্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ডা. গুপ্তপ্রসাদ গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রচার করছেন।
সেই সঙ্গে তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন এই তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।
তিনি বলেছেন, “আমি আমার কাজটি করেছি। এখন আপনি শেয়ার করে আপনার কাজটি করুন এবং আশেপাশের মানুষকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করুন।”
সূত্র :- রেড্ডি।

ছবিতে আলজেরিয়ান ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার জামেল হাজ আইসা এবং এইটি সিংহের শাবককে একত্রে দেখা যাচ্ছে!বনজঙ্গল, মরুভূমি কিংবা ব...
23/01/2025

ছবিতে আলজেরিয়ান ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার জামেল হাজ আইসা এবং এইটি সিংহের শাবককে একত্রে দেখা যাচ্ছে!

বনজঙ্গল, মরুভূমি কিংবা বরফে ঢাকা পাহাড়ে প্রাণিদের ছবি তোলার সময় কত সমস্যারই না সম্মুখীন হতে হয়৷ তবে এক মধুর সমস্যাতেই পড়েছিলেন জামেল হাজ আইসা। এরকমই এক ছবি তোলার সময়ে হঠাৎ করে একটি সিংহের শাবক চলে আসে জামেলের কাছে৷ অবশ্য তিনি খুব বেশি বিচলিত ছিলেন না এবং ঘটনাটিকে স্বাভাবিক ভাবেই নিয়েছেন বলেই মনে হয়েছে৷ অবশ্য ফেসবুকে ছবিটি আপলোড করার পর সবাই ফটোশপের কাজ বলে উড়িয়ে দেন ঘটনাটিকে৷ পরে এই জবাবে প্রায় ১৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। যেখানে সিংহের শাবক এবং জামেলকে এক সাথে দেখা যায়!

অবশ্য ছবিটি কোথায় তোলা হয়েছে এবং কী কাজে তিনি ওখানে ছিলেন তা জানা জায়নি!

ড. জোসেফ মার্ফির লেখা "The Power of Your Subconscious Mind" বইটি মানুষের মনস্তত্ত্বের গভীরে গিয়ে আমাদের জীবনে ইতিবাচক প...
07/12/2024

ড. জোসেফ মার্ফির লেখা "The Power of Your Subconscious Mind" বইটি মানুষের মনস্তত্ত্বের গভীরে গিয়ে আমাদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ক্ষমতা সম্পর্কে আলোকপাত করে। প্রতিটি অধ্যায় আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, অবচেতন মন কতটা প্রভাবশালী এবং এর শক্তিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করলে আমরা আমাদের জীবনকে নিজেদের ইচ্ছেমতো রূপ দিতে পারি। লেখক আমাদের ভাবতে শেখান যে, সাফল্য ও ব্যর্থতা আসলে আমাদের চিন্তা ও বিশ্বাসের ফসল।

বইটির মূল বক্তব্য হলো—অবচেতন মন কখনও ঘুমায় না, এটি সর্বদা কাজ করে। আমরা যদি আমাদের চিন্তা ও বিশ্বাসকে ইতিবাচকভাবে পরিচালনা করতে পারি, তাহলে তা আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে। এই বিষয়ে মার্ফি বলেন, "Your subconscious mind never sleeps. It is always on the job."
(তোমার অবচেতন মন কখনও ঘুমায় না। এটি সবসময় কাজ করে।)

মার্ফি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, জীবনে সাফল্য পেতে হলে প্রথমেই নিজেকে বিশ্বাস করতে হবে। তিনি বলেন, "Change your thoughts, and you change your destiny."
(তোমার চিন্তা পরিবর্তন করো, তাহলে তোমার ভাগ্যও পরিবর্তিত হবে।)
এই লাইনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমাদের মনের চিন্তাগুলোই আমাদের ভবিষ্যত তৈরি করে। নেতিবাচক চিন্তা আমাদের বাধা দেয়, আর ইতিবাচক চিন্তা আমাদের সাফল্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।

বইটির আরেকটি আকর্ষণীয় লাইন হলো, "The only path by which another person can upset you is through your own thought."
(অন্য কেউ তোমাকে কষ্ট দিতে পারে কেবল তোমার নিজস্ব চিন্তার মাধ্যমেই।)
এটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে, বাইরের পরিস্থিতি নয় বরং আমাদের নিজস্ব প্রতিক্রিয়াই আমাদের মানসিক অবস্থাকে প্রভাবিত করে। এই উপলব্ধি আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং জীবনকে সহজতর করে তোলে।

বইটি অত্যন্ত সহজ ভাষায় লেখা, যা পাঠককে ভাবতে শেখায় এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ করে। উদাহরণ হিসেবে, অবচেতন মনের সাহায্যে রোগমুক্তির কথা বলা হয়েছে। মার্ফি বলেন, "You can discover the miracle-working power of your subconscious by plainly stating to your subconscious prior to sleep that you wish a certain specific thing to be accomplished."
(তুমি ঘুমানোর আগে অবচেতন মনের কাছে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বললে, তা কাজ করে যায়।)

সব মিলিয়ে, "The Power of Your Subconscious Mind" এমন একটি বই, যা আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ক্ষমতা রাখে। এটি শুধু আত্মউন্নয়নের জন্য নয়, বরং জীবনের সব স্তরে সাফল্য ও সুখ অর্জনের জন্য অত্যন্ত কার্যকর।

বইটি পড়ার সময় এমন অনেক মুহূর্ত আসে যখন মনে হয়, 'এটা তো আমারই জন্য লেখা!'। এটাই এই বইটির শক্তি—প্রতিটি পাঠক যেন তাদের জীবনের সঙ্গে বইটির মর্মার্থ মিলিয়ে নিতে পারেন। মানুষ সবসময়ই নিজের জীবনকে উন্নত করার উপায় খোঁজে, আর এই বইটি সেই খোঁজেরই একটি নিখুঁত উত্তর। বইটি শুধু পড়ার জন্য নয়, জীবনধারায় প্রয়োগ করার জন্য।

হ্যাপি রিডিং ❤️

কর্ম ব্যস্ত মানুষরা একটু সময় পেলে নিজের জন্য পড়ে নিও। 💕💞

Address

Mohila College Road
Bogura
5800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Govt. Mujibur Rahman Women's College, Bogra posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Govt. Mujibur Rahman Women's College, Bogra:

Share