17/07/2016
"একটি রেজুলশনের পূর্বে মামলা,
আন্দোলন, হামলা, কর্মবিরতি
প্রসঙ্গক্রমে
প্রতিটি Medical Technologistকে কিছু সত্য
কথা জানতেই হবে।"
বিগত ১৮/০১/২০১৩ইং তারিখে
পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে
মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও
ফার্মাসিস্ট নিয়োগ প্রকাশ করে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয়
চিকিৎসা অনুষদ থেকে পাশকৃতরাই
আবেদনের যোগ্য ছিলেন। কারিগরি
শিক্ষাবোর্ড থেকে ভূয়া মেডিকেল
টেকনোলজি কোর্স সম্পন্নকারীরা
এতে সংক্ষুব্ধ হয়ে আদালতে স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে একটি রিট করে।
এই রিটের শুনানি বিভিন্ন বেঞ্চ
ঘুরেফিরে ২০১৫ইং সালে
হাইকোর্টের ২৭ নম্বর বেঞ্চে এসে
স্থিতিলাভ করে।.
আমরা যারা প্রাইভেট জব করি এবং
যারা বেকার তারা "সরকারের
মামলা নিষ্পত্তির গতিবেগ দেখে
চিন্তিত হই এবং আরো সন্দেহপোষণ
করি যদি সরকার মামলা আপোষ করে
নেয় তখন কি হবে!"
এসব চিন্তা থেকেই BMTA সভাপতি
জনাব আলমাছ আলী খান বেকারদের
চাপে পরে মামলায় ৩য় পক্ষ(Third Party)
হওয়ার চেষ্টা করেন। এও জনশ্রুতি
রয়েছে যে তিনি প্রায় ১.৫ লক্ষ টাকা
এক আইনজীবীকে দিয়েছিলেন বটে,
কিন্তু প্রতারিত হয়েছিলেন!
আরোও জনশ্রুতি রয়েছে যে, কিছু
সংগঠনও নাকি চেয়েছিলেন মামলার
Additional Responded (Third Party) হতে, কিন্তু
সুযোগ* নিতে পারেন নি।.
Anyhow Additional Responded হতেই হবে, এই
দৃঢ় শপথ নিয়ে পরিক্ষিত কিছু ছেলে
পর্দার আড়ালে থেকেই চেষ্টা
করেছেন নিরন্তর। পরিশেষে তারা
সফল হয়েছিলেন। এই তারা কারা?
১) শফিক, ২) শিবলী, ৩) সিরাজ(সরকারী
চাকুরীর বয়স শেষ), ৪) শেখ সাদি, ৫)
জলিল, ৬) শাকিল, ৭) মুস্তাফিজুর সহ নাম
না জানা আরো অনেক কাণ্ডারি*।
এরা সবাই একটি সংগঠনের সদস্য, নাম
যার "বেকার & প্রাইভেট সার্ভিসেস
মেডিকেল টেকনোলজিস্ট
এসোসিয়েশন/BPSMTA"।
এই সংগঠনটি রাজনৈতিক নয়,
ভবিষ্যৎকালেও যাতে এটি
রাজনৈতিক রুপ না পায় এব্যাপারে
সবাইকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে।
ছাত্র এবং সরকারী চাকুরীজীবী
ব্যতীত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সব
মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এই
সংগঠনের সদস্য। আপনি যেকোন দলকেই
সমর্থন করতে পারেন, সেই স্বাধীনতা
আমারো আছে।
যাইহোক প্রথমদিকে নিজেদের
পকেটের টাকায় তারা মামলার
পিছনে ছুটছে। যখন পেরে উঠতে পারে
নাই হাত পেতেছে সাধারণ/অসাধারণ
মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের নিকট।
কেউ হেল্প করেছেন, কেউ করেননি
বরং উল্টো চাঁদাবাজ তকমা
দিয়েছেন!, নানারকম উপহাস করেছেন।
কিছু সংগঠন টোপ দিয়েছেন মামলার
ক্রেডিট* তাদেরকে দিলে অর্ধেক খরচ
তারা বহন করতো!
যাইহোক, তারুণ্য লাজলজ্জা ত্যাগ করে
একটি পেশাকে বাঁচাতে, বেকারদের
কর্মসংস্থান করতে, অধ্যয়নরত
জুনিয়িরদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতে পিছু
হটেনি, বরং উপহাস ও তাচ্ছিল্যকে
আরোও অনুপ্রেরণা হিসেবে নিয়ে
সামনে এগিয়েছে।.
জানুয়ারিতে মিটিং করে তারা
মামলার বর্তমান(তৎকালীন) অবস্থা
আমাদের সবাইকে জানিয়েছিলেন।
এরপর থেকেই আমি Ripon Sarkar Pallab
নিয়মিত প্রতিটি শুনানিতে উপস্থিত
থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।
অতিসামান্য আর্থিক হেল্প (যা ওইসময়
আমার কাছে অনেক বিশাল ছিল)
করেছি। যখন যেখানে যেতে বলছে
গিয়ে সেই কাজটা করবার চেষ্টা
করছি। আমি এই BPSMTA-এর কোন সদস্য নই।
হৃদয়ে যার বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রক্ত বহমান,
তার কোন সংগঠনের দরকার আছে বলে
মনে করি না। এজন্যই আমি কোন
সংগঠনের সাথেই জড়িত নই।.
মামলার শুনানি চলাকালীন সময়ে
আদালত, আইনজীবী, বিচারপতি ও
বিচারের সিস্টেম সম্পর্কে নানারকম
অবস্থার বিবরণ দিয়ে নিয়মিত
লেখালেখি আমি করে গেছি।
আমি বলেছিলাম শক্ত মাঠ কাঁপানো
আন্দোলন দরকার। সবাই মুখিয়ে ছিলেন,
কিন্তু কেউ ডাক দিচ্ছিলেন না।
একপর্যায়ে বিবেকের তাড়োনায়
একাই প্রেসক্লাবের সামনে
দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে আরোও
দশজনকে সাথে নিয়ে ০৭ মে
দাঁড়িয়েছিলাম। ঘুম ভাঙা শুরু হলো। ১৩
তারিখে বৃহৎ মানববন্ধন হলো।
ধারাবাহিক আন্দোলন ব্যক্তিগতভাবে
হয় না। ১৪ তারিখ থেকে MT Samiul
Bashir, Hadiatul Islam Shibly, Joshim Jony
ছাত্রদের নিয়ে ধারাবাহিক
আন্দোলন শুরু করলেন। ৩২ বছর পর
কর্মবিরতি দিতে বাধ্য হলো
পেশাজীবীরা, ইতিহাস সৃষ্টি
হয়েছিল।.
আন্দোলন চলাকালীন সময়েই ২৪/০৫/১৬
ইং তারিখে দেশের জনস্বাস্থ্য
বিরোধী একটা রায় আসলো। জাতীয়
দাবী বাস্তবায়ন পরিষদের যে
পরিমাণ ক্ষোভে ফেটে করার কথা
তারা সেই পরিমাণ ক্ষোভের বিন্দু
পরিমাণ দেখাননি। তারা কোন
প্রস্তুতি ছাড়াই মহাসমাবেশের ডাক
দিলেন ২৯/০৫/১৬ ইং তারিখে। আমরা
নিজেদের প্রচেষ্টায় নিজেরা
হাজির হয়েছিলাম, সফল করেছিলাম।
তারা লোক দেখানো ০৫/০৫/১৬ ইং
তারিখের কর্মবিরতি ঘোষণা করলেন
এবং ০৪/০৫/১৬ ইং তারিখেই পিছু
হটলেন! তাদের তীরে এসে তরী
ডোবানো চরিত্র তারা প্রকাশ
করলেন। মামলায় হেরে গেলাম, অথচঃ
একটি বারের জন্যও কোর্টে আসলেন না
তারা। ফোন করে কোন হেল্প করবেন,
তাও না!..
এইবার আসি তাদের ২৭ তারিখের
রেজুলেশন নিয়ে।
কিছু প্রশ্ন আছে আমাদের, যৌক্তিক
জবাব থাকলে দয়া করে দিবেনঃ
১) BPSMTAকে কোনদিন আর্থিকভাবে
সাহায্য না করে হঠাৎ কেন্দ্রীয়ভাবে
মামলা চালানোর সাধ/ইচ্ছাটা ঠিক
কোন কারনে? জানতে চাই।
২) BPSMTA যখন ২৮ তারিখে এত কষ্ট করে
আইনজীবীদের মাধ্যমে আপিল
বিভাগে গিয়ে পিটিশন অর্ডার
নিলেন, তখন কোন ধরনের হেল্প
করেছেন বাবু চন্দ্র শেখর অথবা
পারভেজ আলম খান সাহেব?
জানামতে করেন নাই। বরং আগের
আইনজীবী নিজের পকেট থেকে ১৫
হাজার টাকা বের করে বর্তমান
আইনজীবীকে দিয়ে আমাদেরকে
বাঁচাইছেন সেদিন।
৩) ২৭ তারিখে মিটিং করলেন, কেউ
জানলো না? নাকি পিছনের তারিখ
(Back date) দিয়ে ১ তারিখে রেজুলেশন
প্রকাশ করলেন? মহান আল্লাহ্ আর
আপনারাই সত্যটা জানেন, আমি না।
৪) BPSMTAকে সেই মিটিং-এ সাথে
নিয়ে চূড়ান্ত করেছেন মামলা
আপনারা চালাবেন?
৫) পিটিশনার BPSMTAর ছেলেরা,
মামলা চালাবেন আপনারা?....
সবাইকে সতর্ক থাকতে সর্বোচ্চ অনুরোধ
করছি। ঠিক যে মুহুর্তে আমরা সব
প্রেক্ষাপট অনুকূলে রাখার চেষ্টা
করছি, তখন নতুন করে মামলার দায়িত্ব
ব্যর্থ জাতীয় দাবী বাস্তবায়ন
পরিষদকে দেওয়ার প্রশ্ন সম্পূর্ণ অবান্তর।
ছাত্র এবং বেকারদের যা করার করতে
হবে, নতুন কোন ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া
যাবে না।
সরকারী চাকুরেদের ওই সংগঠন
আমাদের জন্য কিছুই করবে না। জসিম-
শিবলীকে এ ব্যাপারে সংগঠিত
হওয়ার অনুরোধ করছি। তারা ভাল
কাজে ডাকুক, সবাই যাবে। জসিম-
শিবলী, সামিউল বশিরকে
মহাসমাবেশে কথা বলতে সুযোগ না
দেওয়ার সেই অপশক্তি কারা? আমি
পারভেজ আলমকে বারবার বলা
সত্ত্বেও কেন সেদিন ৫ মিনিট ওয়েট
করে নি শহিদ মিনারে ঢাকা IHT র
জন্য? শুধু বিতর্কিত করবার জন্য। শুধুই
ক্রেডিট নেওয়ার জন্য আলমাছ ও
সিনিয়রদের বাদ দিয়ে কমিটি হইছে,
ফলে কর্মবিরতি successful হয়নি। মার
খেলেন সিরাজ-আলমগীররা। পুলিশ
ধরলেন শিবলীদের।
সত্য কথা বলাতে আমার দেহের মরণ
হতে পারে, আমার আদর্শের মরণ হবে
না।
Physical dead নিয়ে অত চিন্তিত নই। ১ জন
রিপনের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা হলে, ১০০০
জন রিপনের মুখ দিয়ে সত্য বের হবে।
পালানোর পথটুকুও পাবে না জাতীর
শত্রুরা।..
ভাই-বোনদের একটি অনুরোধ করছি,
যারা মামলা চালাচ্ছে তাদের ঈদ
আনন্দ নেই। আপনার-আমার অস্তিত্বের
স্বার্থে আগের জামাকাপড় পরেই ঈদ
যাবে শফিক সিরাজদের। হাইকোর্টের
আগের আইনজীবীর পেমেন্ট due আছে।
আবার নতুন করে সুপ্রিমকোর্টে আপীল
process, প্লিজ বোনাসের থেকেই একটু
হেল্প করো ভাই-বোন।
মামলার প্রায় >60% তোমরাই দিচ্ছো।
শেষ পর্যায়ে হাল ছেড়ো না প্লিজ।
সহযোগীতা পাঠানো যাবেঃ
নামঃ Md. Shofiqul Islam, Md. Sirajul Islam,
Sheikh Sadi.
একাউন্টঃ 09471-01- 205-839.
পূবালী ব্যাংক, শাহবাগ শাখা।
বিকাশঃ 01716-240935.
DBBL: 01717-9293098.
বিকাশঃ 01737-867302.
[বিঃদ্রঃ যেকোন ভালো কাজে
ভালো মন নিয়ে ডাকলে আমি অবশ্যই
যাবো। যেকোন সংগঠনের ব্যানার
ধরতেও রাজী আছি। রাজনীতি
অস্তিত্বের সাথে নয়।
আমি তেল মারায় বিশ্বাসী না!]