30/09/2026
মৃত ব্যক্তির জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার হলো, তার জন্য ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করা।
যাদের প্রিয়জন কবরে চলে গেছে, তাদের উচিত কবরবাসীর জন্য বেশি বেশি ইস্তিগফার করা।
ইমাম মাকরিযি রাহিমাহুল্লাহর স্ত্রী কম বয়সে মারা যান। স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি তার জন্য বেশি বেশি ইস্তিগফার করতেন। কোনো একদিন তাকে কাফনের কাপড় পরা অবস্থায় স্বপ্নে দেখলেন। তখন জিজ্ঞাসা করলেন, ‘মুহাম্মাদের মা, প্রতিদিন আমার উপহার (ইস্তিগফার) পৌঁছাচ্ছে তো?’
স্ত্রী প্রথমে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমার কাছে প্রতিদিন আপনার উপহার আসছে।’ তারপর কেঁদে বলেন, ‘সাইয়্যিদি! আমি জানি, আপনার প্রতিদান দিতে আমি অক্ষম।’ মাকরিযি বলেন, ‘দুশ্চিন্তার কিছু নেই। শীঘ্রই আমাদের সাক্ষাৎ হবে।’
[দুরারুল উকুদিল ফারিদাহ: ২/৯৯]
[সাইয়্যিদি: আরব নারীরা তাঁদের স্বামীদেরকে এভাবে সম্বোধন করেন। এর অর্থ: আমার নেতা, আমার অভিভাবক বা আমার প্রিয়জন]
মৃত ব্যক্তির জন্য ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করা কুরআনের আয়াত দ্বারা প্রমাণিত।
رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا الَّذِيْنَ سَبَقُوْنَا بِالْإِيْمَانِ
‘‘হে আমাদের রব! আমাদের ক্ষমা করুন এবং যারা আমাদের পূর্বে ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছে, তাদেরকেও ক্ষমা করুন।’’ [সুরা হাশর, আয়াত: ১০]
মৃত মা-বাবা এবং মৃত মুসলিমদের জন্য কুরআনে বর্ণিত দু‘আ দিয়ে ইস্তিগফার করতে পারেন। ইবরাহিম (আ.)-এর দু‘আ।
رَبَّنَا اغْفِرْ لِيْ وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ يَوْمَ يَقُوْمُ الْحِسَابُ
‘‘হে আমাদের রর! যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন আপনি আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দিয়েন।’’ [সুরা ইবরাহিম, আয়াত: ৪১]
Copy