06/08/2026
রাঙ্গুনিয়া থেকে কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়াটা খুবই দুরূহ ব্যাপার। বিগত দিনে যারাই বিভিন্ন জায়গায় পড়াশোনার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছে, তাদের পেছনে ছিলো একান্তই নিজের প্রচেষ্টা ও সামাজিক সহযোগিতা।
ঠিক সে জায়গা থেকে উঠে আসা একটা মেয়ে যখন হাজার-হাজার শিক্ষার্থীদের পেছনে ফেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পায়, তখন সে পেছনে ফেলে আসে অক্লান্ত পরিশ্রম, হার না মানা অজস্র প্রচেষ্টা ও সামাজিক নানা বাধা-বাধ্যকতা।
ছবিতে থাকা মেয়েগুলোর গল্পগুলো তেমনই, হয়তো বইয়ের পাতায় এসব কথা কখনো ঠাঁই পাবে না;সুযোগের অভাবে আমাদের কত মেয়েরাই যে এই স্থানে আসতে পারে নি, সে গল্পও কেউ মনে রাখবে না।
আজকে আমাদের মেয়েরা সংখ্যায় কম, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়তো তাদের অংশগ্রহণের জায়গাগুলো সীমিত। কিন্তু এরাই বাংলাদেশের আগামীর ভবিষ্যৎ গড়ে দেবে। নারীর আসল ক্ষমতায়ন শুধু বই-পুস্তকেই নয় বরং সামনে থেকে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমান ভূমিকা রাখবে বলে আমরা প্রত্যাশা রাখি।
রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্টস এলাইয়েন্স অব ঢাকা ইউনিভার্সিটি (RSADU) সবসময় ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের অংশীদারদের নিয়ে কাজ করার আশা ব্যাক্ত করেছে। আগামী দিনে যাতে কেউ সুবিধা ও সহযোগিতার অভাবে পেছনে থেকে না যায়, সেই দিকটাও আমরা সর্বোচ্চ বিবেচনায় রাখবো।
ধন্যবাদান্তে,
-ইয়াসিন আরাফাত আলিফ।
প্রেসিডেন্ট,
রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্টস এলাইয়েন্স অব ঢাকা ইউনিভার্সিটি।