আমরা জামিয়ার গর্বিত সন্তান

Directions

আমরা জামিয়ার গর্বিত সন্তান আমরা কোন ব্যাক্তি বা দলের মতাদর্শ নয়।
আমরা জামিয়ারই সন্তান। জামিয়ায় আমাদের স্বপ্ন।।

মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী প্যারোলে মুক্তি নিয়ে পুত্রের জানাজায় এসেছিল, তখন উনার কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছিল!মু...
11/09/2026

মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী প্যারোলে মুক্তি নিয়ে পুত্রের জানাজায় এসেছিল, তখন উনার কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছিল!

মুফতি শাখাওয়াত হোসাইন রাজীর পিতা ইন্তেকাল করলে তিনাকে হ্যান্ডকাপ পরা অবস্থায় এনে পিতার জানাজা পড়িয়ে পূনরায় কারাগারে প্রেরণ করেছিল!

মুফতি নুর হোসাইন নুরানীর পিতা ইন্তেকাল করলে প্যারোলে মুক্তি নিয়ে আসার পর মধুপুরীর পীর সাহেবকে জড়িয়ে কান্নার দৃশ্য এখনো হৃদয়ে দাগ কাটে!

বেগম খালেদা জিয়ার পার্সোনাল সেক্রেটারি, শিমুল বিশ্বাসের মা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, লুৎফরজামান বাবরের মায়ের মৃত্যুর পর প্যারোলে মুক্তি নিয়ে জানাজায় এসে কি রকম বেদনার বিদুর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল তা কমবেশি সবার জানা।

জামাত নেতা শাহজাহান চৌধুরীর মায়ের মৃত্যুর পর উনাকে প্যারোলে মুক্তি দিলে জানাজায় আসার পর অবুঝ শিশুর মত হাওমাও করে কান্না দেখে উপস্থিত সবার অশ্রুসিক্ত হয়েছিল!

আজকে তথাকথিত প্রভুর ( চিন্ময় দাস)'র জন্য যারা মায়াকান্না দেখাচ্ছে তারা তখন কোথায় ছিল?

বন্যার্ত মানুষের পাশে সপ্তমবারের মতো মাওলানা احمد باقر عزيز ي  সাহেব। ২০০ ঘরে জনপ্রতি দিচ্ছে নগদ পাঁচ হাজার টাকা সহ ৩২ ম...
11/09/2026

বন্যার্ত মানুষের পাশে সপ্তমবারের মতো মাওলানা احمد باقر عزيز ي সাহেব।
২০০ ঘরে জনপ্রতি দিচ্ছে নগদ পাঁচ হাজার টাকা সহ ৩২ মিমি দুইবান টিন

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন মাওলানা আহমদ বাকের আজিজী দা.বা.। তার তত্ত্বাবধানে সপ্তম ধাপেও বন্যাকবলিত অসহায় ২০০ পরিবারের মাঝে পুনর্বাসন সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে আজ। প্রতিটি পরিবারকে দেওয়া হচ্ছে নগদ ৫ হাজার টাকা এবং দুই বান ৩২ মিমি টিন, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলো আবারও নিজেদের ঘর পুনর্নির্মাণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।

এর আগে ছয় ধাপে প্রায় ১২০০ পরিবারের মাঝে একই পরিমাণ পুনর্বাসন সামগ্রী বিতরণ করেছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে বাঁশখালী, সাতকানিয়া, ফেকুয়া ইত্যাদি এলাকার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি যে বৃহৎ মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন, তা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

আমাদের জানা মতে, বন্যাকবলিত বাঁশখালীতে এ পর্যন্ত এত বড় পরিসরের পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে আর কেউ কাজ করেননি। সরকারি কিংবা বেসরকারি কোনো সংস্থার পক্ষ থেকেও এমন ধারাবাহিক ও বৃহৎ উদ্যোগের নজির পাওয়া যায়নি।

কে এই মাওলানা আহমদ বাকের আজিজী, যিনি মানবতার সেবায় নিজেকে উজাড় করে দিচ্ছেন?

তিনি উপমহাদেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, কুতবে আলম শাহ মুফতি আজিজুল হক রহ.-এর নাতি। তিনি জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ার সম্মানিত উস্তাদ এবং শাহ আজিজ ইসলামি রিসার্চ সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পরিচালক।

ইলমে দ্বীনের খেদমতের পাশাপাশি মানবসেবাকেও তিনি নিজের দায়িত্বের অংশ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। বন্যার্ত মানুষের দুর্দিনে তাঁর এই নিরলস প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে সমাজের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

01/09/2026

এখন জিলাপি খেতেও হাদীসের রেফারেন্স লাগে🤣🤣

01/09/2026

প্রিয় নবীজি (সা.)-এর শানে মনোমুগ্ধকর শের |

-মাওঃ আহমদ বাকের আজিজী..
সম্মানিত উস্তাদ! আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া চট্টগ্রাম

22/08/2026

যেমন লেখনী তেমনি সুরের বাহার❤️❤️❤️❤️
‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ ‎‎‎‎‎— সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম :💜
‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎

☕ পটিয়া থানা মোড়ে চায়ের কাপে বড় ধাক্কা! 😱😂তখন চা খেতে খেতে মনে হতো, “জীবনটা বেশ সুন্দর!” ☕❤️এখন সেই একই চা ২০ টাকা! 😭 মা...
22/08/2026

☕ পটিয়া থানা মোড়ে চায়ের কাপে বড় ধাক্কা! 😱😂

তখন চা খেতে খেতে মনে হতো, “জীবনটা বেশ সুন্দর!” ☕❤️
এখন সেই একই চা ২০ টাকা! 😭 মানে চায়ের কাপেও ৫ টাকার উন্নয়ন! 📈😂

“চলো এক কাপ চা খাই”
এই কথাটাও এখন অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ! 😂💔

📍 আল মদিনা হোটেল, পটিয়া থানা মোড়
💰 আগে: ১৫ টাকা
💰 এখন: ২০ টাকা

চা গরম, দাম আরও গরম! 🔥☕সাধারণ মানুষের পকেট ঠান্ডা! 😂💸

22/08/2026

প্রচলিত দাঁড়িয়ে মিলাদের বিপেক্ষে কথা বললেন পীর সাহেব....

জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ায় মেজর জিয়ার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ ও আল্লামা হাজী ইউনূছ রহ. (হাজী সাহেব) হুজুরের প্রতি ভক্তি-শ্...
16/08/2026

জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ায় মেজর জিয়ার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ ও আল্লামা হাজী ইউনূছ রহ. (হাজী সাহেব) হুজুরের প্রতি ভক্তি-শ্রদ্ধা!

-শামসুল হক শারেক
সাংবাদিক ও গবেষক

'...মুক্তি যুদ্ধের সময় এই মাদরাসার অবদানের কথা হয়ত মেজর জিয়ার মনে ছিল। তাই রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর একদিন তিনি এই মাদরাসার সার্বিক অবস্থা পরিদর্শনে এসেছিলেন। তখন মাদরাসার পরিচালক ছিলেন মরহুম মাওলানা মুহাম্মদ ইউনুস (প্রকাশ হাজী সাহেব হুজুর)। দিন তারিখ মনে নেই। রেওয়াজ অনুযায়ী একদিন মাদরাসা মসজিদে ঘোষণা দেয়া হল রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান মাদরাসা পরিদর্শনে আসবেন। মাদরাসায় রাষ্ট্রপতি আসবেন অনেক বড় আয়োজন। চলছিল নানা ধরনের প্রস্তুতি। অন্যান্য আয়োজনের সাথে ব্যানার, ফেস্টুন, গেট তৈরি ও দেয়ালে নানা স্লোগান লিখতে হবে। এজন্য যাদের হাতের লেখা সুন্দর তাদের ডাক পড়ল। এদের মধ্যে আমিও বাদ পড়লাম না। ছোট বেলায় বাবার তাগিদে হাতের লেখা সুন্দর করার যেন পুরস্কার পেলাম! শুভেচ্ছা স্বাগতম, মেজর জেনারেল রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বলে প্রধান গেইটের লেখাটি ছিল আমার। আমাদের টিমে মেধাবী ছাত্র রামুর হাফেজ নুরুল হকও ছিলেন। তিনি এখন প্রবাসে।

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই মাদরাসার ছিল এক গৌরব উজ্জ্বল অবদান। যুদ্ধের সময় তৎকালীন ১নং সেক্টর (চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ফেনী নদী পর্যন্ত) কমাণ্ডার মেজর (পরে রাষ্ট্রপতি) জিয়াউর রহমান তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রের ট্রান্সমিটারসহ কৌশলগত কারণে এই মাদরাসায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। মুক্তি যোদ্ধারা এই মাদরাসায় আশ্রয় নেয়ার খবর পেয়ে পাকিস্তান বাহিনী মাদরাসায় বোমা বর্ষণ করেছিল। এতে মাদরাসার জেষ্ট্য শিক্ষক ও মোহাদ্দিস মাওলানা দানেশ শহীদ হয়েছিলেন।

অনুষ্ঠানের দিন রাষ্ট্রপতি জিয়া যথাসময়ে মাদরাসায় আসলেন। মাদরাসার শিক্ষক-ছাত্রদের প্রতি সমীহ দেখালেন। মুক্তিযুদ্ধে এই মাদরাসার অবদানের কথা স্মরণ করলেন। বিশেষ করে হাজী সাহেব হুজুরের প্রতি যে ভক্তি শ্রদ্ধা তিনি দেখালেন তা ছিল লক্ষণীয়। হাজী সাহেব হুজুরের পেছনে পেছনে হেঁটে রাষ্ট্রপতি জিয়া দারুল হাদিস, দারুত্তাফরির ও লাইব্রেরীসহ বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে ঘুরে দেখছিলেন। মাঝে মধ্যে হাজী সাহেব হুজুর রাষ্ট্রপতি জিয়াকে তাঁর হাত ধরে এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে নিয়ে গেলেন। সে দিন দুপুরে রাষ্ট্রপতি পটিয়া ডাকবাংলোতে বিশ্রাম নিয়ে বিকেলে পটিয়া কলেজ মাঠে এক জনসভায় ভাষণ দিয়েছিলেন।...'

(বি. দ্র. উপরের শিরোনামটি আমার দেয়া)
[সূত্র: আওয়ার ইসলাম, ২০১৬-১২-১৬, লিংক- https://ourislam24.com/2016/12/16/মুক্তিযুদ্ধে-পটিয়া-মাদরা/]

প্রেসিডেন্ট জিয়ার দুই লাখ টাকার অনুদান: হাজী সাহেব হুজুর রহ. এর অস্বীকৃতি

জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ার সাবেক প্রধান পরিচালক শাইখুল আরব ওয়াল আজম আলহাজ মুহাম্মদ ইউনুস (হাজী সাহেব হুজুর) রহ. এর শাগরেদ ও খাদেম মাওলানা মাহবুব (মিরসসরাই) বলেন, "১৯৭৮ সালের কথা। আমরা তখন পটিয়া মাদরাসায় জামাতে হাস্তুমে (৬ষ্ট শ্রেণি) পড়ি। প্রেসিডেন্ট জিয়া এলেন হাজী সাহেব হুজুরের সঙ্গে দেখা করতে। একেবারে সাদাসিধে অবস্থায়। হুজুর তাঁকে হাত ধরে পুরো মাদরাসা ঘুরে দেখালেন। তারপর মেহমানদারির ব্যবস্থা করলেন। মাদরাসার কবরস্থানের পাশের জায়গাটি রেলওয়ের ছিল।প্রেসিডেন্ট জিয়া জায়গাটি মাদরাসার জন্য বিধিসম্মত মূল্য পরিশোধ সাপেক্ষে লিজ দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। যাওয়ার সময় প্রেসিডেন্ট জিয়া হুজুরকে বললেন, হুজুর আপনাদের জন্য তো কিছু করতে পারি নি। মাদরাসায় দু' লাখ টাকা অনুদান দিতে চাই। হুজুর জিজ্ঞেস করলেন, টাকাগুলো কি আপনার ব্যক্তিগত? তিনি বললেন, আমার তো এত টাকা নেই। এগুলো সরকারি ফান্ড থেকে দিচ্ছি। হুজুর বললেন, আমরা সরকারী অনুদান গ্রহণ করি না। পরে প্রেসিডেন্ট জিয়া তাঁর কাছে দোয়া চেয়ে বিদায় গ্রহণ করেন।"

সরকারী অনুদান যেহেতু সন্দেহযুক্ত উৎস থেকে সংগ্রহীত সেহেতু তিনি তা গ্রহণ করেন নি। আল্লাহু আকবর! হারাম ও সন্দেহযুক্ত অর্থকড়ি যাতে মাদরাসার তহবিলে ঢুকতে না পারে সেজন্যে যারপরনাই সতর্ক ছিলেন তিনি!

16/08/2026

সময় দিতে না পারলে একজন জনপ্রিয় বক্তাকে বক্তব্যর মঞ্চে ডাকেন কেন??
আমরা ভদ্রতা আর কবে শিখব? এ কেমন শিষ্টাচার??

আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ার সিনিয়র মুহাদ্দিস ও খতিব, প্রখ্যাত ওয়ায়েজ আল্লামা কাজী আখতার হোসাইন আনোয়ারী দা.বা. যখন বক্তব্য শুরু করেন, তখন বক্তব্যের মাত্র দেড় মিনিট অতিবাহিত হওয়ার পর থেকেই দেখা যায়, উত্তরার মুফতি কেফায়েত উল্লাহ সাহেব তাঁর পিঠে বারবার হাত দিয়ে বক্তব্য শেষ করার ইঙ্গিত দিতে শুরু করেন। অথচ তখনো হুজুরের জন্য নির্ধারিত চার মিনিট সময়ের প্রায় দুই মিনিট বাকি ছিল। এরকম আরো কয়েকজন বক্তার ক্ষেত্রেও ঘটেছে।

ওনার স্টেজ পরিচালনার দক্ষতা সম্পর্কে যার ধারনা নেই সে তো এমন করবেই।।
সম্ভবত মুফতি কেফায়েত উল্লাহ সাহেব জামিয়া পটিয়া ও আল্লামা কাজী আখতার হোসাইন আনোয়ারী দা.বা.এর মঞ্চ পরিচালনা ও উপস্থাপনা দক্ষতা সম্পর্কে অবগত নন। জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়া বাংলাদেশের একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ও বৃহৎ কওমি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শৃঙ্খলা, ব্যবস্থাপনা ও নিয়ম-কানুনের ক্ষেত্রে এ প্রতিষ্ঠানের সুনাম সর্বজনবিদিত।

মাওলানা কাজী আখতার হাসাইন জামিয়া পটিয়ার বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলন সহ প্রায় সকল বড় প্রোগ্রাম গুলোতে যুগযুগ ধরে মঞ্চ পরিচালনা করে আসছেন জামিয়ার মুহাদ্দিস, খতিব ও দক্ষ উপস্থাপক আল্লামা কাজী আখতার হোসাইন আনোয়ারী দা.বা.। মঞ্চ পরিচালনা, সময় ব্যবস্থাপনা ও উপস্থাপনার ক্ষেত্রে তাঁর সচেতনতা ও দক্ষতা সম্পর্কে চট্টগ্রামসহ দেশের প্রায় সকলেই অবগত।
এবং তিনি পুরো বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় ওয়ায়েজ। এবং জনপ্রিয় বক্তা।।

অতএব, এমন একজন অভিজ্ঞ ও সচেতন উপস্থাপক যখন নিজেই বক্তব্য দিচ্ছেন, তখন তাঁকে পেছন থেকে বারবার এভাবে হস্তক্ষেপ করা শুধু দৃষ্টিকটু নয়;
বক্তার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত কোনোভাবেই এমন আচরণ কাম্য নয়। আর সময় শেষ হয়ে গেলেও প্রকাশ্যে পেছন থেকে হাত দিয়ে ইঙ্গিত না করে, আদবের সঙ্গে লিখিত সংকেত দেওয়া যেতে পারে। এটাই মঞ্চের শিষ্টাচার ও ভদ্রতার দাবী রাখে।

একটি সুন্দর মঞ্চ কেবল বক্তার বক্তব্যে নয়, বরং উপস্থাপকের আচরণ, ধৈর্য, প্রজ্ঞা ও শিষ্টাচারের মাধ্যমেও সৌন্দর্যমণ্ডিত হয়। তাই যারা স্টেজ ম্যানেজমেন্টের পূর্ণ জ্ঞান রাখেন না, তাদের উচিত এ দায়িত্ব গ্রহণের আগে প্রয়োজনীয় আদব ও দক্ষতা অর্জন করা।
মঞ্চের মর্যাদা রক্ষা করা যেমন উপস্থাপকের দায়িত্ব, তেমনি মঞ্চের আদব রক্ষা করাও তাঁর অন্যতম প্রধান যোগ্যতা।

একটা অনুষ্ঠানে ১০০ জনকে বক্তব্য দিতে হবে কেন? যারা সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বলতে পারেন তাদের মধ্য থেকে ১০/১৫ জন বক্তব্য দিলে তো হয়। তাহলে তো আর উপস্থাপককে বক্তাকে বক্তব্য শেষ করার জন্য পিঠে হাত বুলাতে হবে না। ঘাড় মালিশ করে দিতে হবে না! এসব দেখকে খুবই বিশ্রী লাগে!

#কাজী আখতার হোসাইন আনোয়ারী হযরতের প্রতি আমরা এই দৃষ্টিকুটু আচার-আচরণের জবাবদিহিতমূলক বক্তব্য চাই। একজন আখতার হোসাইন এই উম্মহরের সম্পদ, হয়তো আপনারা চিনেন নাই।। আমরা এর তীব্র নিন্দা প্রস্তাব করছি।।
দুঃখজনক বিষয় হলো, আমাদের জাতীয় পর্যায়ের অনেক সভা-সম্মেলনেই এমন অসৌজন্যমূলক আচরণ দেখা যায়। বক্তা কথা শুরু করার কিছুক্ষণ পরই তাঁকে শেষ করার জন্য তাগাদা দেওয়া হয়, তাও অভদ্র সিস্টেমে।

15/08/2026

বাণীতে- আবুল কালাম বয়ানী🤣🤣🤣🤣🤣

Address

Chittagong
PATIYA

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমরা জামিয়ার গর্বিত সন্তান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share