Chittagong University of Engineering & Technology - CUET

Call Directions Website Contact the university

Chittagong University of Engineering & Technology - CUET Official Page of Chittagong University of Engineering & Technology (CUET), Chattogram-4349, Bangladesh.

Phone: 02-334490111, 02-334490102
Fax: 02-334490110, 02-334490103
E-mail:
[email protected], [email protected], [email protected]
Web: www.cuet.ac.bd History of CUET
Former Bangladesh Institute of Technology, Chittagong, abbreviated as BIT Chittagong is presently Chittagong University of Engineering & Technology (CUET). It is one of the prominent and prestigious autonomous self-degree-awarding institute in the engineering education of Bangladesh. This Institute was created out of Engineering College, Chittagong that was established in 1968. The Chittagong Engineering College functioned as the Faculty of Engineering of the University of Chittagong. Through a Government ordinance in 1986, the college was converted into an Institute of Technology. In 2003 this institute of technology was converted into a public university. The honorable President of Bangladesh is the Chancellor of the University. Chittagong University Of Engineering & Technology abbreviated as CUET, is one of the prominent and prestigious degree awarding institute in the engineering education of Bangladesh. This University was created out of Engineering College, Chittagong, that was established in 1968. The Engineering College , Chittagong , functioned as the Faculty of Engineering of the University of Chittagong. Though a Government Ordinance in 1986 the college was converted into an institution (BIT, Chittagong).The honorable President of Bangladesh is the visitor of the institute . A Board of Governors headed by a Chairman appointed by the President is the policy making and administrative authority. There were three other similar Institutes of Technology in the country namely BIT Khulna, BIT Rajshahi and BIT Dhaka that are converted to Khulna University Of Engineering, Rajshashi University Of Engineering & Technology(RUET) & Technology(KUET),Dhaka University Of Engineering & Technology(DUET)

CUET is unique and incompatible due to its proximity to Chittagong, the major sea-port and the beautiful Hill city of the country. The University is situated by the side of the Chittagong-Kaptai road some 25 kilometers off from the center of Chittagong City. Moreover all the tourist attractions of the country like the large hydroelectric plant, the natural beauty of the lake of Kaptai, hill sports of Rangamati, Bandarban, the longest sea beach of the world and tourist resort of Cox's Bazar are only a few hours journey.

চুয়েটে "Academic and Examination Rules and Regulations for the Undergraduate Students" শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিতচট্টগ্রাম...
21/09/2026

চুয়েটে "Academic and Examination Rules and Regulations for the Undergraduate Students" শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)—এর ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে “Academic and Examination Rules and Regulations for the Undergraduate Students" শীর্ষক সেমিনারের ১ম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২১ সেপ্টেম্বর (সোমবার) ২০২৬ খ্রি. চুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়েটের ভাইস—চ্যান্সেলর (রুটিন দায়িত্ব) এবং তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন। এতে স্পিকার ছিলেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোঃ মইনুল ইসলাম এবং ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ সাইফুল ইসলাম। সেমিনার সঞ্চালনা করেন ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের সহকারী—পরিচালক জনাব প্রিয়ন্তি পাল টুম্পা।

আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি. তারিখ রোজ বুধবার ‘ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম’ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের অফিস আদেশ
20/09/2026

আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি. তারিখ রোজ বুধবার ‘ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম’ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের অফিস আদেশ

সাবেক প্রতিমন্ত্রী, সাবেক রাষ্ট্রদূত, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র, বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ জনাব মীর মোহাম্মদ নাছির উদ...
19/09/2026

সাবেক প্রতিমন্ত্রী, সাবেক রাষ্ট্রদূত, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র, বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ জনাব মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন চুয়েট এর মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম মহোদয়। জনাব মীর নাছির এর চট্টগ্রাম মহানগরীর চট্টেশ্বরী রোডস্থ বাসভবন "ডালিয়া হাউজ"-এ এই মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

18/09/2026

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের লেভেল-১ স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ২৩ জানুয়ারি, ২০২৭ খ্রি. শনিবার।

16/09/2026

চুয়েটে পিএমই বিভাগের সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত
বিশ্ব জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : বিইপিআরসি চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল (বিইপিআরসি) এর চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) জনাব মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন এনডিসি বলেছেন, ভবিষ্যতে বিশ্ব ব্যবস্থায় নতুন সংকট বা বিপর্যয়ে নিজেদের সক্ষমতা দিয়ে তা মোকাবিলা করে টিকে থাকার জন্য গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় একটি ক্ষেত্র। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের মেধা ও সক্ষমতা ধারণ করে। তারা গবেষণা, উদ্ভাবন ও স্থানীয় বাস্তবতার আলোকে নতুন সমাধান খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে আমাদের জ্বালানি সংকট ও নিরাপত্তার সমস্যাগুলোর কার্যকর এবং টেকসই সমাধান বের করা সম্ভব। এর মধ্য দিয়েই আমরা পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করে নিজেদের জ্বালানি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং একটি শক্তিশালী ও টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে আমদানিকৃত কয়লার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় কয়লা ব্যবহার করা গেলে রাষ্ট্রকে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর একটি বড় ধরনের চাপ থেকে মুক্তি দেওয়া সম্ভব। তবে খনিজ সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই পরিবেশের সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সাথে আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। নবায়নযোগ্য উৎসের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে আমরা দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা গড়ে তুলতে পারি। এ ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে উৎসাহিত করছেন। এই উদ্যোগকে সামনে রেখে আমাদেরও এগিয়ে যাওয়ার জন্য সর্বাত্মক প্রয়াস শুরু করা প্রয়োজন।
আজ ১৬ সেপ্টেম্বর (বুধবার) ২০২৬ খ্রি. সকালে চুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং (পিএমই) বিভাগের উদ্যোগে “Advancing Sustainable Energy Strategy for Bangladesh: Research, Innovation & Collaboration” শীর্ষক সিম্পোজিয়ামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে চিফ প্যাট্রন ছিলেন চুয়েটের ভাইস—চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। সিম্পোজিয়ামে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) ড. মো. রফিকুল ইসলাম এবং চুয়েটের মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পিএমই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মোঃ মিজানুর রহমান। সিম্পোজিয়াম সঞ্চালনা করেন পিএমই বিভাগের প্রভাষক জনাব শ্রাবনী তালুকদার। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন চুয়েটের কেন্দ্রীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা ক্বারী নুরুল্লাহ।
চিফ প্যাট্রন এর বক্তব্যে চুয়েটের ভাইস—চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য ও অনবায়নযোগ্য উভয় ধরনের জ্বালানির সম্ভাবনা ও বাস্তবতা নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের জন্য টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার পথ খুঁজে বের করতে হবে। জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষকদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ব্যবস্থার পরিবর্তন ও সম্ভাব্য সংকট বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশের বাস্তবতার আলোকে গবেষণাকে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করতে হবে। বাংলাদেশ এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার রিসার্চ কাউন্সিল (বিইপিআরসি) গবেষণায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের জন্য গবেষণা প্রকল্প ও অনুদান প্রদান করছে। এসব সুযোগ সম্পর্কে শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের আরও স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে গবেষণা প্রস্তাবনা যথাযথভাবে প্রণয়ন ও উপস্থাপনের ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।

এদিকে সিম্পোজিয়ামের টেকনিক্যাল টক সেশনে রিসোর্স পারসন ছিলেন চুয়েটের ভাইস—চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম, টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (SREDA) —এর পরিচালক (উপসচিব) প্রকৌশলী মো. মুজিবুর রহমান এবং বিইপিআরসি—এর পরিচালক (ইনোভেশন) ড. হাসান মাহমুদ। এরপর “Industry-Academia Collaboration in Bangladesh: Current Landscape and Future Prospects” শীর্ষক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে রিসোর্স পারসন ছিলেন বিইপিআরসি এর চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) জনাব মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন এনডিসি, চুয়েটের ভাইস—চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম এবং চুয়েটের সাবেক ভাইস—চ্যান্সেলর এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া।

চুয়েটে পিএমই বিভাগের সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিতবিশ্ব জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : বিইপিআরসি চেয়ার...
16/09/2026

চুয়েটে পিএমই বিভাগের সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত
বিশ্ব জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : বিইপিআরসি চেয়ারম্যান

বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল (বিইপিআরসি) এর চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) জনাব মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন এনডিসি বলেছেন, ভবিষ্যতে বিশ্ব ব্যবস্থায় নতুন সংকট বা বিপর্যয়ে নিজেদের সক্ষমতা দিয়ে তা মোকাবিলা করে টিকে থাকার জন্য গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় একটি ক্ষেত্র। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের মেধা ও সক্ষমতা ধারণ করে। তারা গবেষণা, উদ্ভাবন ও স্থানীয় বাস্তবতার আলোকে নতুন সমাধান খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে আমাদের জ্বালানি সংকট ও নিরাপত্তার সমস্যাগুলোর কার্যকর এবং টেকসই সমাধান বের করা সম্ভব। এর মধ্য দিয়েই আমরা পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করে নিজেদের জ্বালানি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং একটি শক্তিশালী ও টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে আমদানিকৃত কয়লার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় কয়লা ব্যবহার করা গেলে রাষ্ট্রকে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর একটি বড় ধরনের চাপ থেকে মুক্তি দেওয়া সম্ভব। তবে খনিজ সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই পরিবেশের সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সাথে আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। নবায়নযোগ্য উৎসের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে আমরা দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা গড়ে তুলতে পারি। এ ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে উৎসাহিত করছেন। এই উদ্যোগকে সামনে রেখে আমাদেরও এগিয়ে যাওয়ার জন্য সর্বাত্মক প্রয়াস শুরু করা প্রয়োজন।

আজ ১৬ সেপ্টেম্বর (বুধবার) ২০২৬ খ্রি. সকালে চুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং (পিএমই) বিভাগের উদ্যোগে “Advancing Sustainable Energy Strategy for Bangladesh: Research, Innovation & Collaboration” শীর্ষক সিম্পোজিয়ামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে চিফ প্যাট্রন ছিলেন চুয়েটের ভাইস—চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। সিম্পোজিয়ামে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) ড. মো. রফিকুল ইসলাম এবং চুয়েটের মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পিএমই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মোঃ মিজানুর রহমান। সিম্পোজিয়াম সঞ্চালনা করেন পিএমই বিভাগের প্রভাষক জনাব শ্রাবনী তালুকদার। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন চুয়েটের কেন্দ্রীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা ক্বারী নুরুল্লাহ।
চিফ প্যাট্রন এর বক্তব্যে চুয়েটের ভাইস—চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য ও অনবায়নযোগ্য উভয় ধরনের জ্বালানির সম্ভাবনা ও বাস্তবতা নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের জন্য টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার পথ খুঁজে বের করতে হবে। জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষকদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ব্যবস্থার পরিবর্তন ও সম্ভাব্য সংকট বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশের বাস্তবতার আলোকে গবেষণাকে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করতে হবে। বাংলাদেশ এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার রিসার্চ কাউন্সিল (বিইপিআরসি) গবেষণায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের জন্য গবেষণা প্রকল্প ও অনুদান প্রদান করছে। এসব সুযোগ সম্পর্কে শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের আরও স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে গবেষণা প্রস্তাবনা যথাযথভাবে প্রণয়ন ও উপস্থাপনের ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।

এদিকে সিম্পোজিয়ামের টেকনিক্যাল টক সেশনে রিসোর্স পারসন ছিলেন চুয়েটের ভাইস—চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম, টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (SREDA) —এর পরিচালক (উপসচিব) প্রকৌশলী মো. মুজিবুর রহমান এবং বিইপিআরসি—এর পরিচালক (ইনোভেশন) ড. হাসান মাহমুদ। এরপর “Industry-Academia Collaboration in Bangladesh: Current Landscape and Future Prospects” শীর্ষক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে রিসোর্স পারসন ছিলেন বিইপিআরসি এর চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) জনাব মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন এনডিসি, চুয়েটের ভাইস—চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম এবং চুয়েটের সাবেক ভাইস—চ্যান্সেলর এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া।

**চুয়েটে কাল একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘Advancing Sustainable Energy Strategy for Bangladesh’ শীর্ষক স...
15/09/2026

**চুয়েটে কাল একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘Advancing Sustainable Energy Strategy for Bangladesh’ শীর্ষক সিম্পোজিয়াম**

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং (পিএমই) বিভাগের উদ্যোগে ‘Advancing Sustainable Energy Strategy for Bangladesh: Research, Innovation & Collaboration’ শীর্ষক সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামীকাল ১৬ সেপ্টেম্বর (বুধবার) ২০২৬ খ্রি. সকালে চুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে অনুষ্ঠিতব্য সিম্পোজিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল (বিইপিআরসি) এর চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) জনাব মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন এনডিসি। এতে চিফ প্যাট্রন হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। সিম্পোজিয়ামে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) ড. মো. রফিকুল ইসলাম এবং চুয়েটের মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

এছাড়া, সিম্পোজিয়ামের টেকনিক্যাল টক সেশনে রিসোর্স পারসন হিসেবে থাকবেন চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম, টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (SREDA)-এর পরিচালক (উপসচিব) প্রকৌশলী মো. মুজিবুর রহমান এবং বিইপিআরসি-এর পরিচালক (ইনোভেশন) ড. হাসান মাহমুদ। এরপর ‘Industry–Academia Collaboration in Bangladesh: Current Landscape and Future Prospects’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এতে রিসোর্স পারসন থাকবেন বিইপিআরসি এর চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) জনাব মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন এনডিসি, চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) ড. মো. রফিকুল ইসলাম এবং চুয়েটের সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া।

উল্লেখ্য, সিম্পোজিয়ামটি বাংলাদেশে টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি নিরাপত্তা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম এর সাথে গত ১১ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. CUET CAREER CLUB এর শু...
14/09/2026

চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম এর সাথে গত ১১ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. CUET CAREER CLUB এর শুভেচ্ছা বিনিময়। এ সময় CUET CAREER CLUB এর চিফ এডভাইজার ও যন্ত্র কৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র বনিক এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

১৪ উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে চুয়েট: স্টল পরিদর্শন করলেন চুয়েট ভিসিগবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিনির্ভর ...
14/09/2026

১৪ উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে চুয়েট: স্টল পরিদর্শন করলেন চুয়েট ভিসি

গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানের সম্ভাবনা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে ঢাকায় ১২-১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ অংশ নিয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)। মেলায় চুয়েটের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত ও গবেষণালব্ধ ১৪টি প্রকল্প প্রদর্শন করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রকৌশল ও প্রযুক্তির সম্ভাবনাকে তুলে ধরা হয়েছে।

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. (শনিবার) রাজধানীর নভোথিয়েটারে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এ মেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। এদিন বেলা ১২.০০ ঘটিকায় মেলায় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর স্টল পরিদর্শন করেন চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। এসময় তিনি মেলায় প্রদর্শিত চুয়েটের ১৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সঙ্গে প্রকল্পগুলোর উদ্ভাবনী বৈশিষ্ট্য, ব্যবহারিক প্রয়োগ ও সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের বাস্তবায়নে ‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুরু হওয়া এ মেলায় নিজেদের তৈরি নানা ধরনের উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রদর্শন করছে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ৭৩টি বিশ্ববিদ্যালয়সহ উদ্ভাবক ও গবেষকেরা। এছাড়া মেলায় প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, পরিবেশসহ বিভিন্ন উদ্ভাবন ও ধারণা প্রদর্শন করা হচ্ছে।

চুয়েটের স্টলে প্রদর্শিত ১৪টি প্রকল্পে প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জ্বালানি, পরিবেশ, অবকাঠামো, যোগাযোগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী ধারণা ও প্রযুক্তিগত সমাধান তুলে ধরা হয়েছে। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে গবেষণাকে বাস্তবমুখী করা, প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগ বৃদ্ধি এবং দেশের উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রকৌশলভিত্তিক উদ্ভাবনের সম্ভাবনা তুলে ধরা হচ্ছে। চুয়েটের প্রকল্পগুলোর সমন্বয় ও মনিটরিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন চুয়েটের গবেষণা ও সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর পরিচালক অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র বনিক এবং গবেষণা ও সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর সেকশন অফিসার জনাব ইসহাক মজুমদার।

চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের স্টল পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় এ অংশগ্রহণকে আরও উৎসাহিত করেছে। তিনি চুয়েটের গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলোকে বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

চুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ-এর “Drone-Assisted and Forecast-Informed Automated Cleaning of Industrial Rooftop Solar PV in Bangladesh” শীর্ষক প্রকল্পটি বাংলাদেশের ৭০০টি শিল্প রুফ-টপকে সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে পরিষ্কার রাখার একটি প্রকল্প। বাংলাদেশের শিল্পকারখানায় সোলার প্যানেলে ধুলাবালি ও ময়লা জমার কারণে প্রতিবছর ১০-২০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন অপচয় হয়। প্রচলিত পরিষ্কার পদ্ধতি হলো ম্যানুয়াল, যা ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ। উক্ত মডেল আবহাওয়া ও ধুলা জমার পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করে ঠিক কখন পরিষ্কার করা লাভজনক, তা নির্ধারণ করবে এবং তখনই ড্রোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিষ্কার করবে।

চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আয়শা আখতার-এর নেতৃত্বে “Assessment of Groundwater, Surface Water and Rainwater Availability under Climate Change Scenarios in the Chittagong Hill Tracts (Integrated Water CHT)” শীর্ষক প্রকল্পটি পার্বত্য চট্টগ্রামে পানির প্রাপ্যতা নিয়ে কাজ করছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে অনেক বৃষ্টিপাত হওয়া সত্ত্বেও পানির প্রাপ্যতায় অনেক সমস্যা দেখা যায়। এছাড়া যেখানে-সেখানে নলকূপ খনন করার কারণে অনেক সময় পানির লেয়ার পাওয়া যায় না এবং এর কারণে সরকারের অর্থ ও সম্পদ নষ্ট হয়। এখানে software, field visit I community -এর সঙ্গে কথা বলে পানির সম্ভাব্য মানচিত্র তৈরি করা হয়েছে, যা অনুসরণ করে যেখানে পানির পর্যাপ্ততা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে, সেখানে নলকূপ বসালে পানি পাওয়া যাবে। শুধুমাত্র নলকূপের পানির ওপর নির্ভর না করে উপরিভাগের পানিকেও (লেক/হ্রদ/পুকুর) ট্রিটমেন্ট করে ব্যবহারের সম্ভাবনা এবং যেসব জায়গা দুর্গম, সেখানে বৃষ্টির পানি ধরে রাখার সম্ভাব্য মানচিত্র তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া যেসব সেটআপ আজকের জন্য প্রযোজ্য, কিন্তু তা ৫০ বছর পরেও feasible হবে কি না, তাও গবেষণা করা হচ্ছে। উক্ত প্রকল্পের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন পুরকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব সুলতান মোহাম্মদ ফারুক এবং একই বিভাগের ছাত্র আয়মান মাহদিয়া খান।

চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. সাদিকুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে “Mechanical and Durability Performance of Induction Furnace Slag as Coarse Aggregate in Standard and Pile Concrete” শীর্ষক প্রকল্পটি বাংলাদেশের steel production থেকে উৎপন্ন steel slag -এর কার্যকর ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে। বাংলাদেশে steel production থেকে বিপুল পরিমাণ steel slag উৎপন্ন হয়, যা বেশিরভাগ সময় মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। এতে পরিবেশ ও land-use -এর ওপর বড় চাপ তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে concrete industry -তে natural aggregate -এর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে এবং aggregate import -এর প্রয়োজন তৈরি করছে। এই দুই সমস্যার সমাধানে CUET ও BSRM -এর collaboration -এ steel slag -কে processing I grading -এর মাধ্যমে natural coarse aggregate -এর বিকল্প হিসেবে concrete -এ ব্যবহার করা হচ্ছে। গবেষণায় steel slag aggregate -এর properties, concrete -এর strength ও durability মূল্যায়ন করা হয়েছে, যা এর ব্যবহারের সম্ভাবনা দেখায়। এর কার্যকারিতা structural concrete ও pile concrete-এই দুই গুরুত্বপূর্ণ application-এর জন্য মূল্যায়ন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে industrial waste -কে valuable construction material -এ রূপান্তর করে resource conservation, waste reduction এবং circular construction এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। উক্ত প্রকল্পের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন পুরকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মোঃ মিরাজুল ইসলাম এবং একই বিভাগের শিক্ষার্থী শতাব্দী চৌধুরী শ্রাবণী।

চুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব অমিত ইমতিয়াজ-এর “A Multi-Dimensional Prototype for Future Hydrological Infrastructure” শীর্ষক প্রকল্পটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের অবকাঠামোগত স্থাপত্যকে শুধু নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার না করে, এর মাধ্যমে আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন পূরণের একটি ধারণা নিয়ে কাজ করছে। এই অবকাঠামোটি যদি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশাপাশি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় একাধারে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, সুপেয় পানির জলাধার, বিদ্যালয়, স্থানীয় বাজার এবং আবাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনগুলোকে একসঙ্গে ধারণ করতে পারে, এমন একটি সামগ্রিক স্থাপত্যের ধারণা থেকেই এই প্রোটোটাইপ প্রকল্পের সূচনা। এই অবকাঠামো একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বসবাসযোগ্য গ্রামের মতোই কাজ করবে। এই প্রকল্প প্রায় ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ তৈরি করতে সক্ষম, যা এই অবকাঠামোর নিজস্ব চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আশপাশের গ্রামগুলোতেও বিদ্যুতের যোগান দিতে পারবে। স্বল্প সম্পদের এই দেশে এই ধরনের প্রোটোটাইপগুলো একটি টেকসই অবকাঠামো নির্মাণে নতুন নতুন ধারণাকে আত্মস্থ করতে ভবিষ্যতে স্থপতি, প্রকৌশলী ও নীতি-নির্ধারকদের অনুপ্রানিত করবে।

চুয়েটের শিক্ষার্থী মোঃ রায়হানুল নাঈম-এর নেতৃত্বে “Borno - Automatic Printing Machine” শীর্ষক প্রকল্পটি একটি সেলফ-সার্ভিস নিয়ন্ত্রিত প্রিন্টিং মেশিন, যার মাধ্যমে সর্বনিম্ন খরচে অ৪ বা লিগ্যাল সাইজের কাগজে রঙিন ও সাদা-কালো প্রিন্ট করা সম্ভব। মেশিনটিতে ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে এবং এটি সেলফ-সার্ভিস হওয়ায় ২৪/৭ পরিচালিত হতে পারে। ফলে শিক্ষার্থীরা সার্বক্ষণিক প্রিন্টিং সুবিধা পাবে। উক্ত প্রকল্পের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন জি. এম ফয়সাল তায়সীর এবং এ. এন. এম সামিউল আলম।

চুয়েটের শিক্ষার্থী মীর জি. এইচ. এম. শাহরিয়ার-এর নেতৃত্বে “SusTire (সাসটায়ার)” প্রকল্পটি পরিত্যক্ত টায়ার পুনর্ব্যবহার করে টেকসই জুতা তৈরির একটি উদ্ভাবনী প্রকল্প। সাসটায়ার ফেলে দেওয়া টায়ার থেকে জুতার সোল তৈরি করে এবং সেই সোল দিয়ে পুরো জুতা তৈরি করা হয়। টায়ার থেকে ক্রাম্ব রাবার, এরপর সেই রাবার থেকে রাবার শিট এবং রাবার শিট থেকে কেটে সোল তৈরি করা হয়। পুরো কাজটিতে কোনো ধরনের পাইরোলাইসিস বা গলানোর ধাপ নেই। এতে ফেলে রাখা টায়ারের কারণে মাটি ও পরিবেশ যে দূষণের শিকার হতো, তা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে। আমদানি করা EVA Foam এবং PU-এর পরিবর্তে নিজেদের তৈরি আরামদায়ক জুতা বানানোর কাজ স্থানীয় কারিগরদের হাতে হওয়ায় কর্মসংস্থানও তৈরি হচ্ছে। উক্ত প্রকল্পের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন প্রিয়ম চক্রবর্তী এবং আরিবা রহমান।

চুয়েটের শিক্ষার্থী জিসান মিয়ার নেতৃত্বে “XIBOT” শীর্ষক প্রকল্পটি শিক্ষার্থী এবং ডেস্কে কর্মরতদের জন্য তৈরি একটি ক্ষুদ্রাকৃতির স্মার্ট ডেস্ক কম্প্যানিয়ন। এর মূল উদ্দেশ্য পড়ার টেবিলে স্মার্টফোনের নোটিফিকেশনের আসক্তি দূর করা, কাজের গভীর মনোযোগ (Deep Work) বাড়ানো এবং ডেস্কেই তাৎক্ষণিক শারীরিক স্বাস্থ্য ও মানসিক চাপ পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করা। উক্ত প্রকল্পের সদস্য ছিলেন মোঃ নায়জার আলম।

চুয়েটের শিক্ষার্থী মোঃ রেদওয়ান মাহমুদের নেতৃত্বে “PaperCode -A Handwriting-to-Code Recognition Learning Platform” শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী খাতায় কোড লিখে স্মার্টফোন দিয়ে স্ক্যান করেই সরাসরি রান করতে পারবে। বাংলাদেশের ৯% শিক্ষার্থীর কাছে কম্পিউটার রয়েছে। অথচ ৯০% শিক্ষার্থীর হাতেই পৌঁছে গেছে স্মার্টফোন। ডিভাইসের এই বিশাল বৈষম্য শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রোগ্রামিং শিক্ষার এক বিস্তর ব্যবধান তৈরি করছে। এই সমস্যার সমাধানে এসেছে PaperCode । এখন প্রোগ্রামিং শিখতে আর দামি কম্পিউটারের প্রয়োজন নেই। এছাড়া এতে থাকছে সম্পূর্ণ বাংলায় সাজানো প্রোগ্রামিং লেসন, কুইজ এবং কোডিং সমস্যা। শিক্ষার্থীরা তাদের থিওরি সরাসরি খাতায় লিখে অ্যাপের মাধ্যমে স্ক্যান করেই তাৎক্ষণিক ফলাফল দেখতে পারবে। উক্ত প্রকল্পের সদস্য ছিলেন খন্দকার মুবিনুল ইসলাম আলবাব।

চুয়েটের শিক্ষার্থী সুমাইয়া বিনতে মান্নান-এর নেতৃত্বে “Low Cost Base Isolation Technology for Earthquake-Resistant Building Design” শীর্ষক প্রকল্পটি ভূমিকম্প সহনশীল ভবন নির্মাণে স্বল্পব্যয়ী প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রচলিত সিসমিক বেজ আইসোলেশন প্রযুক্তি কার্যকর হলেও তুলনামূলক ব্যয়বহুল। এ প্রকল্পে রাবার, পুনর্ব্যবহৃত টায়ারের রাবার ও ওয়্যার মেশ ব্যবহার করে কম খরচে বিকল্প বেজ আইসোলেশন প্রযুক্তি (STRP) তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে সহজলভ্য উপকরণ ব্যবহারের মাধ্যমে এ প্রযুক্তি ভূমিকম্পজনিত ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি বর্জ্য পুনর্ব্যবহার, পরিবেশের সুরক্ষা ও সম্পদের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে। উক্ত প্রকল্পের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ফাহিম নুজহাত জাহিন এবং নুসরাত খানম।

চুয়েটের শিক্ষার্থী সৌরভ তরফদারের নেতৃত্বে “Braille Embosser”শীর্ষক প্রকল্পটি বাংলাদেশে ৭,৫০,০০০-এরও বেশি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্য সাশ্রয়ী ব্রেইল প্রিন্টিং সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। উচ্চমূল্যের (>$৪,০০০) আমদানিকৃত ব্রেইল এমবসার এবং পরিবেশগত অসামঞ্জস্যের কারণে তারা গুরুতর শিক্ষাগত প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন। এই প্রকল্পে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য উপযোগী একটি বহনযোগ্য ও স্বল্পমূল্যের Sinc Braille Embosser উপস্থাপন করা হয়েছে, যার মূল্য প্রায় ২৮,৫০০ টাকা (BDT)। ডিভাইসটিতে CNC-অনুপ্রাণিত কার্টেসিয়ান মেকানিজম এবং একটি মাত্র ১২v সোলেনয়েড অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়েছে, যা উচ্চ আর্দ্রতাযুক্ত উষ্ণমÐলীয় পরিবেশে ব্যর্থ হওয়া ভঙ্গুর পাইজো-ইলেকট্রিক প্রিন্ট হেডের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। সমন্বিত সিস্টেমটি একটি স্থানীয় সফটওয়্যার স্ট্যাকের মাধ্যমে বাংলা ভাষার টেক্সটকে ব্রেইলে রূপান্তর করার সুবিধাসহ অফলাইন কার্যক্রম সমর্থন করে। পরীক্ষামূলক ফলাফলে ৯৮% ডট নির্ভুলতা, উচ্চ কাঠামোগত নির্ভরযোগ্যতা এবং প্রতি সেকেন্ডে ১টি অক্ষর মুদ্রণের গতি প্রদর্শিত হয়েছে। প্রচলিত সমাধানের তুলনায় ৯৫% পর্যন্ত খরচ কমিয়ে এবং বিদ্যুৎবিহীন পরিবেশেও কার্যকারিতা নিশ্চিত করে, এই উদ্ভাবনটি শিক্ষাক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈষম্য কমাতে সহায়তা করবে এবং বিশ্বব্যাপী অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার জন্য একটি সম্প্রসারণযোগ্য সমাধানের ভিত্তি তৈরি করবে। উক্ত প্রকল্পের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ইফাজ হোসেন এবং মোঃ ইমাম রশীদ সাগর।

চুয়েটের শিক্ষার্থী মোঃ আবিদুর রহমান-এর “Shotick - Adaptive Exam and Evaluation Platform (EdTech)” শীর্ষক প্রকল্পটি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য একটি সম্পূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এখানে নৈর্ব্যক্তিক, এক কথায় উত্তর, সৃজনশীল উত্তর, উত্তরের ছবি তুলে অথবা টাইপ করে দিলেই শিক্ষার্থীরা মূল্যায়িত হবে। তাদের দুর্বলতা চিহ্নিত করা, বন্ধুদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা এবং personalised session-এর মাধ্যমে দুর্বলতা দূর করা সম্ভব হবে।
চুয়েটের শিক্ষার্থী আব্রার ফাইরুজ রায়হান-এর নেতৃত্বে “Project ATLAS” শীর্ষক প্রকল্পটি বৃহৎ এবং generalized Large Language Model (LLM)-এর বিভিন্ন আচরণগত ও নিয়মতান্ত্রিক সীমাবদ্ধতা দূর করে AI-এর পূর্ণ সক্ষমতা বাস্তবায়নে অভিসন্ধি AI-এর অভিনব infrastructure philosophy “Project ATLAS”। এটি ভূ-রাজনৈতিক বিধিনিষেধমুক্ত ও সম্পূর্ণ সুরক্ষিত ডেটা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অত্যন্ত কম খরচে সর্বোচ্চ পর্যায়ে frontier reasoning সরবরাহ করে, যেখানে প্রথাগত বিশাল আকৃতির মডেলের তুলনায় hyper-specialized ক্ষুদ্র AI মডেলগুলো নির্দিষ্ট কাজে অনেক বেশি শক্তিশালী performanc দিয়ে থাকে। এই পূর্ণাঙ্গ model family খুব শীঘ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। তবে এর অংশ হিসেবে প্রথম পরীক্ষামূলক সংস্করণ ATLAS 0.1 Competitive Programming এখন বিনামূল্যে গবেষণা ও পরখ করে দেখার জন্য Odysseyai.dev ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত আছে। উক্ত প্রকল্পের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ইসরাত জাহান, সৌভিক বিশ্বাস, অর্পিতা বৈষ্ণব, মোনতাসির শাকিল এবং মুশফিকুল ইসলাম অঙ্কন।

চুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাইরুজ রাইয়ান-এর নেতৃত্বে “Nexacore” শীর্ষক প্রকল্পটি বাংলাদেশের প্রথম end-to-end semiconductor electronics ecosystem venture । বাংলাদেশে বসেই high-level consumer products I robotics-Gi components দিয়ে শুরু করে ধাপে ধাপে local fabrication assets বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ নিজস্ব design I manufacturing infrastructure তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া প্রথম in-house products robotics module, professional macropads -এর ordering ও pre-order process ইতিমধ্যে চালু হয়েছে। উক্ত প্রকল্পের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ইসরাত জাহান, সৌভিক বিশ্বাস, অর্পিতা বৈষ্ণব, মোনতাসির শাকিল এবং মুশফিকুল ইসলাম অঙ্কন।

চুয়েটের শিক্ষার্থী রুদ্র চক্রবর্তীর নেতৃত্বে “Soft Pneumatic Actuator Based Tele-Rehabilitation System for Hand Injured Patient” শীর্ষক প্রকল্পটিতে সফট রোবোটিক্সের মাধ্যমে একটি hand glove তৈরি করা হয়েছে। এটি একটি control system দ্বারা প্রত্যেকটি আঙুলের exercise নিয়ন্ত্রণ করে। Tele-rehabilitation system-এর মাধ্যমে যেকোনো জায়গা থেকে ডিভাইসটির নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তাই remote area -তে যেসব রোগী পর্যাপ্ত চিকিৎসা পান না, তাদেরকে এর মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে ঘরে বসে rehabilitation programme -এর আওতায় আনা যায়। প্রজেক্টটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে স্বল্প মূল্যে রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা যায়। উক্ত প্রকল্পের সদস্য ছিলেন মোঃ জাকারিয়া ইসলাম মাহি।

চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম এর সাথে Water Resources and Research Organization (WR...
13/09/2026

চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম এর সাথে Water Resources and Research Organization (WRRO) এর শুভেচ্ছা বিনিময়। এ সময় WRRO এর ফ্যাকাল্টি এডভাইজর ও পানি সম্পদ কৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সামিউন বাসির, উক্ত বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Address

Kaptai Road, Pahartoli, Raozan, Bangladesh Chittagong Division
Chittagong
4349

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chittagong University of Engineering & Technology - CUET posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Chittagong University of Engineering & Technology - CUET:

Shortcuts

Share