Bangladesh Forest Research Institute, Chittagong

Bangladesh Forest Research Institute, Chittagong বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের বন গবেষণা বিষয়ক একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট বন ও বনজ সামগ্রীর ওপর গবেষণা পরিচালনার জন্য চট্টগ্রামের ষোলশহরে অবস্থিত একটি জাতীয় গবষেণা ইনস্টিটিউট। এটি মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন এজেন্সির (USAID) কারিগরি সহায়তায় ১৯৫৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান বন গবেষণা পরীক্ষাগার (EPFRL) হিসেবে স্থাপিত হয়। শুরুতে উদ্দেশ্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের বনজ সামগ্রীর সদ্ব্যবহার, কিন্তু পরবর্তীকালে বনভূমিতে বৃক্ষের ঘনত্ব দ্রুত হ্রাস পাওয়ায

় বন ব্যবস্থাপনা গবেষণা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়ে। ফলে ১৯৬৮ সালে খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন প্রকল্প এই দুই প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় বন ব্যবস্থাপনা শাখা গঠিত হয় এবং পূর্ব পাকিস্তান বন গবেষণাগারটি অতঃপর পূর্ণাঙ্গ বন গবেষণা সংস্থা হয়ে ওঠে এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট এই নতুন নামে পুনর্গঠিত হয়।

এই সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য: দারিদ্র্য বিমোচনকল্পে প্রযুক্তিগত উপকরণাদি সরবরাহের মাধ্যমে পার্বত্য, সমতল, পল্লী ও উপকূলীয় বনের উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নয়ন; সর্বোত্তম ও পরিপোষক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য পতিত ও প্রান্তিক জমিতে বনায়ন ও কৃষিবনায়নে গবেষণা সুবিধা প্রদান; প্রযুক্তিগত উপকরণ যোগানোর মাধ্যমে বনজ দ্রব্যাদির যুক্তিযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিতকরণ; জাতীয় ও পল্লী বনাঞ্চলে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য সংরক্ষণে সহায়তা প্রদান।

পরিচালক এই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী প্রধান। বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট দুটি শাখার (বন ব্যবস্থাপনা শাখা ও বনজ সামগ্রী শাখা) অধীন ১৭টি গবেষণা বিভাগের মাধ্যমে বনজ দ্রব্যের ব্যবহারিক ও অভিযোজ্যতা (adaptive) গবেষণা পরিচালনা করে। বন ব্যবস্থাপনা শাখায় আছে: বনবিদ্যা গবেষণা, বন বংশাণুবিদ্যা, ম্যানগ্রোভ বনবিদ্যা, বৃক্ষচাষ পরীক্ষণ ইউনিট, বন-অর্থনীতি, বীজতলা, বনসম্পদের তালিকা প্রণয়ন, মৃত্তিকাবিজ্ঞান, বনরক্ষণ ও গৌণ বনজ দ্রব্যাদি। বৃক্ষপরিবেশগত (dendroecological) অবস্থার ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই সংস্থার ২১টি গবেষণা স্টেশন রয়েছে। বনজ সামগ্রী শাখার অন্তর্ভুক্ত গবেষণা বিভাগে আছে কাঠের কাজ ও কাষ্ঠ প্রকৌশল, টেকসইকরণ (seasoning) ও কাষ্ঠ পদার্থবিদ্যা, কাঠ সংরক্ষণ, মন্ড ও কাগজ, ভিনিয়ার ও মিশ্র কাষ্ঠদ্রব্য ও বনরসায়ন। প্রধান গবেষণা কর্মকর্তা শাখাপ্রধান এবং বিভাগীয় কর্মকর্তা বিভাগের প্রধান। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিবের নেতৃত্বে ১১ সদস্যবিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা বোর্ড গবেষণা ও অন্যান্য বিষয়ে নীতিনির্ধারক নির্দেশাবলি প্রদান করে।

এই প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণির ৭০ জন গবেষক এবং প্রায় ৬৫০ জন সহায়ক কর্মকর্তা ও কর্মচারী বর্তমানে কর্মরত। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গবেষণা কর্মসূচি হলো: টেকসই উৎপাদনের জন্য বৃক্ষপ্রজাতি উন্নয়ন; ক্লোনজাত ও বীজজাত চারাগাছের বাগান ও বীজতলা স্থাপন; মাইক্রোবিস্তারণ কৌশল উন্নয়ন; নার্সারি, বনায়ন এবং পাহাড়, সমতল ও ম্যানগ্রোভ বনের বনবিদ্যাগত উন্নয়ন; বৃক্ষরোপণ, পল্লী বনায়ন ও কাঠনির্ভর শিল্প সম্পর্কে আর্থ-সামাজিক সমীক্ষা পরিচালনা; বন ও নার্সারির জন্য সমন্বিত ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ ব্যবস্থাপনা; পরিবেশ ব্যবস্থাপনা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা গবেষণা; শিল্প ও অন্যান্য কাজে কাঠের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, গুণগত উন্নতি সাধনের জন্য কাঠ সিজনিং, বনজ দ্রব্যের স্থায়িত্ব বৃদ্ধির জন্য সংরক্ষক দ্রব্যাদি ব্যবহার; শিল্পকর্মে বর্জ্যকাঠের ব্যবহার, মন্ড উৎপাদনের উন্নত পদ্ধতি উদ্ভাবন, মন্ড আমদানির বিকল্প হিসেবে দেশী কাঁচামাল থেকে মন্ডপ্রস্ত্তত; সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শসেবা।

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি এবং বন ব্যবস্থাপনা ও বনসম্পদ সদ্ব্যবহারের প্রয়োজনীয় তথ্যাদি উদ্ভাবন করেছে। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য: বাঁশ-চাষের সহজ কৌশল, পল্লীগৃহের নির্মাণসামগ্রীর আয়ুষ্কাল বৃদ্ধির কৌশল, বনবৃক্ষ প্রজাতির বংশবিস্তার ও বাঁশের টিস্যু-কালচার, সৌরশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কাঠের সিজনিং এবং এজন্য রোদ কাজে লাগিয়ে কাঠ সিজনিংয়ের জন্য একটি সহজ, স্বল্পব্যয়ী ও কার্যকর সৌরভাঁটি উদ্ভাবন; রেলের স্লিপারের জন্য অপ্রচলিত কাঠ; নার্সারি ও আবাদের প্রধান ক্ষতিকারক কীটপতঙ্গ ও রোগবালাই শনাক্তকরণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ। কাঠের বর্জ্য কাজে লাগিয়ে নতুন ধরনের পণ্য, প্যানেল সামগ্রী ও পার্টিকেল বোর্ড তৈরির কৌশলও উদ্ভাবন করা হয়েছে।

এই ইনস্টিটিউট থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ৭০০টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত রয়েছে। ইনস্টিটিউটের সাময়িকী Bangladesh Journal of Forest Science বছরে দুবার প্রকাশিত হয়।

ইনস্টিটিউট নিয়মিত সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠান এবং বাঁশচাষ, নার্সারি কৌশল, কৃত্রিম বনের অধিক উৎপাদনশীলতা, স্থান নির্ধারণের জন্য জমির সম্ভাবনা মূল্যায়ন, কাঠশনাক্তি, কাঠ সংরক্ষণ, কাঠ সিজনিং, কাঠপ্রযুক্তি ইত্যাদি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করে থাকে। বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট বনের উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও ব্যবহার সম্পর্কে বিভিন্ন সংস্থাকে পরামর্শ ও কারিগরি সেবা দেয়।

চট্টগ্রাম শহরে প্রায় ৭৫ একর জমির উপর ইনস্টিটিউটের একটি প্রশাসনিক ভবন এবং দুইটি গবেষণাগার/অফিস ভবন রয়েছে। গবেষণাগারগুলিতে বনায়ন গবেষণা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা আছে। ফিল্ড স্টেশনগুলিতে প্রায় ৩,৫০০ একর জমিসহ গবেষণাগার, অফিস ও আবাসিক সুবিধা রয়েছে।

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটে বনায়ন ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর ১২ হাজারের বেশি বইপত্রের একটি আধুনিক গ্রন্থাগার আছে। তদুপরি ইনস্টিটিউটের রয়েছে অনধিক ১৬,০০০টি ঔষধি লতাগুল্ম এবং উদ্ভিদতত্ত্ব গবেষণার জন্য শতাধিক প্রজাতির দেশী ও বিদেশী বৃক্ষসমৃদ্ধ একটি বৃক্ষ উদ্যান।

সোনাপাহাড় ফার্মহাউস রিসোর্টের প্রতিনিধিদলের বিএফআরআই পরিদর্শন :গতকাল ২৪ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে মীরসরাই, চট্টগ্রামস্থ সো...
25/08/2026

সোনাপাহাড় ফার্মহাউস রিসোর্টের প্রতিনিধিদলের বিএফআরআই পরিদর্শন :
গতকাল ২৪ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে মীরসরাই, চট্টগ্রামস্থ সোনাপাহাড় ফার্মহাউস রিসোর্টের ৪ (চার) সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের শুরুতে বিএফআরআই মিলনায়তনে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএফআরআই-এর বনজ সম্পদ উইং-এর মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমান, বিভাগীয় কর্মকর্তা (প্রশাসন) মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ শাখার সিনিয়র রিসার্চ অফিসার জনাব মো. জহিরুল আলম এবং ফিল্ড ইনভেস্টিগেটর জনাব মিজানুর রহমান।
মতবিনিময় সভায় বনজ সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, বন গবেষণা, নার্সারি ব্যবস্থাপনা, কাঠ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ, বনভিত্তিক বিভিন্ন প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গবেষণালব্ধ প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগসহ বিএফআরআই ও সোনাপাহাড় ফার্মহাউস রিসোর্টের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
মতবিনিময় সভা শেষে প্রতিনিধিদল বিএফআরআই-এর সিলভিকালচার জেনেটিক্স বিভাগের নার্সারি, কাষ্ঠ যোজনা বিভাগ, কাষ্ঠ সংরক্ষণ বিভাগ এবং মণ্ড ও কাগজ বিভাগ পরিদর্শন করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও গবেষকগণ তাঁদের নিজ নিজ বিভাগের গবেষণা কার্যক্রম, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং ব্যবহারিক প্রয়োগ সম্পর্কে প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন। প্রতিনিধিদল বিএফআরআই-এর গবেষণা অবকাঠামো ও বিভিন্ন প্রযুক্তি সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বনভিত্তিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে প্রতিনিধিদল তাঁদের রিসোর্টের কটেজগুলো ট্রিটেড বাঁশের মাধ্যমে করার বিষয়ে বিএফআরআই এর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। বিএফআরআই এর পক্ষ হতে তাঁদেরকে কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ সহ সার্বিক সহায়তার আশ্বাস প্রদান করা হয়।
পরিদর্শন কার্যক্রমটি সার্বিকভাবে জনাব মো. মিজানুর রহমান, ফিল্ড ইনভেস্টিগেটর, বিএফআরআই সমন্বয় করেন।
পরিদর্শনটি বিএফআরআই-এর গবেষণা ও প্রযুক্তি সম্পর্কে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের ধারণা বিনিময় এবং ভবিষ্যতে বনভিত্তিক গবেষণা ও প্রযুক্তির ব্যবহারিক সম্প্রসারণে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারী কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক/শিক্ষার্থীদের পরিদর্শন : ১৮ আগস্ট২০২৬ তারিখে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া...
19/08/2026

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারী কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক/শিক্ষার্থীদের পরিদর্শন :
১৮ আগস্ট২০২৬ তারিখে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ৫২ জন শিক্ষার্থী ও ৭ জন শিক্ষক বিএফআরআই পরিদর্শন করেন। শুরুতে প্রতিষ্ঠান মিলনায়তনে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে ভিডিও ডকুমেন্টারির মাধ্যমে ব-ইনস্টিটিউটের সার্বিক কার্যক্রম উপস্থাপন করা হয়। পরে বনজ সম্পদ উইং এর মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা ড. মো : মাহবুবুর রহমান গবেষণা কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ব্যাখ্যা করেন। তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ শাখার সিনিয়র রিসার্চ অফিসার জনাব মো : জহিরুল আলম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় শিক্ষার্থী খায়রুল ইসলাম রাফির প্রশ্নের জবাবে ড. মাহবুব টিস্যু কালচার ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিএফআরআই এর ফিল্ড ইনভেস্টিগেটর জনাব সুজন চন্দ্র সরকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে বিএফআরআই এর কলাবরেশন বিষয়টি ব্যাখ্যার অনুরোধ করলে ড. মাহবুব জানান যে, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ এক মাস মেয়াদে ইন্টার্নশিপ এখানে করতে পারেন। পরিদর্শন দলটি মণ্ড ও কাগজ, সিলভিকালচার অ্যান্ড জেনেটিক্স এবং বন রসায়ন বিভাগ পরিদর্শন করেন। সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কর্মকর্তা ও গবেষকগণ গবেষণা কার্যক্রম উপস্থাপন করেন। এরুপ পরিদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা গবেষণা কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন এবং বনজ গবেষণা, উদ্ভাবন ও উচ্চশিক্ষার সম্ভাবনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান অর্জন করেন।

গতকাল ১৭ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অনার্স ৩...
18/08/2026

গতকাল ১৭ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অনার্স ৩য় বর্ষের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ৩৪ জন শিক্ষার্থী ও ২ জন শিক্ষক বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের শুরুতে বিএফআরআই মিলনায়তনে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের বনজসম্পদ উইংয়ের মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা ড. মো : মাহবুবুর রহমান মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ শাখার সিনিয়র রিসার্চ অফিসার জনাব মো : জহিরুল আলম। মতবিনিময় সভার শুরুতে বিএফআরআই এর কার্যক্রম ও গবেষণা উদ্ভাবন নিয়ে প্রায় ৫ মিনিটের একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে ড. মো : মাহবুবুর রহমান বিএফআরআই-এর গবেষণা কার্যক্রম, প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং দেশের বনায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।
প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষার্থী অতুল বড়ুয়া বাঁশের গবেষণা বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটে প্রাধান্য পাওয়ার কারণ জানতে চান জানতে চাইলে উত্তরে ডক্টর মাহবুবুর রহমান বলেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিতে বর্তমানে বাঁশের গুরুত্ব অনেক। বাঁশের উৎপাদন অতি অল্প সময়ে হয়, ফলে কাঠের বিকল্প হিসাবে বাঁশকে ব্যবহার করা যায়. বাঁশের যোজিতপণ্য তৈরি করে উন্নত মানের ফার্নিচার তৈরি করা হচ্ছে।
শিক্ষার্থী জিয়াউল করিম রাবার গাছের ল্যাটেক্স পেতে অনেক বছর লেগে যায়, সেই ক্ষেত্রে বিএফআরআই কর্তৃক সম্প্রতি বিদেশ থেকে আনা তিনটি ক্লোন এর মাধ্যমে এরুপ সমস্যার সমাধান হবে কিনা জানতে চাইলে উত্তরে ড. মাহবুব বলেন, মালয়েশিয়ার রাবারের উৎপাদন তিন হাজার কেজি/ট্রি/ইয়ার। কিন্তু বাংলাদেশে সেখানে উৎপাদন হলো তিনশো কেজি/ট্রি/ইয়ার। এখন যেই ক্লোনগুলো নতুন করে আনা হয়েছে, এগুলার উৎপাদন ক্ষমতা দেখা গেছে দুই হাজার কেজি/ট্রি/ইয়ার। বাংলাদেশেও উল্লেখিত তিনটি ক্লোন ভালো উৎপাদন দিবে বলে আশা করা যায়। প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবদুস ছালাম বিএফআরআই এর চারা জন সাধারণের জন্য উন্মুক্ত কিনা জানতে চাইলে উত্তরে বলা হয়, সরকার নির্ধারিত হারে রাজস্ব দিয়ে যেকেউ প্রাপ্যতা সাপেক্ষে চারা কিনতে পারেন এখানে।
পরিদর্শনকালে চারটি বিভাগ তাদের নিজ নিজ কার্যক্রম প্রদর্শন করে। বন রক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা ড. মো : আহসানুর রহমান, কাষ্ঠ যোজনা বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা জনাব মো : মাহবুবুর রহমান এবং গৌণ বনসম্পদ বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা ড. মো : শাহ আলম কার্যক্রম প্রদর্শন করেন। সিলভিকালচার জেনেটিক্স বিভাগের নার্সারি পরিদর্শনে সহায়তা করেন ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট জনাব মোনায়েম ভূঁইয়া। এভাবে শিক্ষামূলক ও ফলপ্রসূ পরিদর্শন কার্যক্রমটি সম্পন্ন হয়, যেখানে শিক্ষার্থীরা বন গবেষণার বাস্তব প্রয়োগ ও প্রযুক্তি সম্পর্কে অবহিত হন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের বিএফআরআই পরিদর্শন:অদ্য ১৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখ পরিবেশ,...
16/08/2026

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের বিএফআরআই পরিদর্শন:

অদ্য ১৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি মহোদয় বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই), চট্টগ্রাম পরিদর্শন করেন এবং প্রধান অতিথি হিসেবে ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তাগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউটের মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা (বন ব্যবস্থাপনা উইং) ড. হাসিনা মরিয়ম।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের সহধর্মিণী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক জনাব মিহির কুমার দো।

সিলভিকালচার জেনেটিক্স বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা ড. ওয়াহিদা পারভীনের সঞ্চালনায় সভায় বিএফআরআই সম্পর্কে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন ইনস্টিটিউটের মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা (বনজ সম্পদ উইং) ড. মো. মাহবুবুর রহমান।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয় বন বিষয়ক গবেষণা ও বনায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এসময় তিনি বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত সওয়াবের কাজ বলে সবাইকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহ প্রদান করেন।

সভায় মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে বিএফআরআই-এর পক্ষ হতে একটি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন স্মারক প্রদান করা হয়।

সভা শেষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয় বিএফআরআই ক্যাম্পাসে একটি শ্বেত চন্দনের চারা রোপণ করেন।

প্রতিমন্ত্রী মহোদয় তার বিএফআরআই পরিদর্শনের অংশ হিসেবে সিলভিকালচার জেনেটিক্স বিভাগের নার্সারিতে চলমান সম্প্রতি Rubber Research Institute Sri Lanka কর্তৃক প্রেরিত উচ্চ ফলনশীল ০৫ (পাঁচ)টি রাবার ক্লোন (RRISL 203, RRISL 208, RRISL 211, RRISL 219 এবং RRISL 2001) এর গ্রাফটিংসহ পরবর্তী গবেষণা কার্যক্রম এবং সম্পূর্ণ বৃক্ষে উন্নতমানের আগর রেজিন সঞ্চয়ন প্রযুক্তি উদ্ভাবন শীর্ষক প্রকল্পের নির্মিতব্য গবেষণা ভবন পরিদর্শন করেন।

চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আয়োজনে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন-অংশগ্রহণ করছে বিএফআরআই :চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আয়োজনে ও জেলা প্...
12/08/2026

চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আয়োজনে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন-অংশগ্রহণ করছে বিএফআরআই :

চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আয়োজনে ও জেলা প্রশাসনের সহায়তায় গতকাল বিকেলে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি মাঠে পনেরদিনব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষসম্পদ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সাধারণ জনগণকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ মেলার আয়োজন করা হয়।

বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলালুদ্দিন এবং মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আবু সুফিয়ান। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশের ডিআইজি, জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিএফআরআই এর কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপকারভোগী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসক জনাব জায়িদুল ইসলাম মিয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহাম্মদ মহসিন চৌধুরী। তিনি বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বৃক্ষসম্পদ বৃদ্ধিতে বন বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে আলোকপাত করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বে বন বিভাগের বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীদের মধ্যে প্রাপ্য অর্থের চেক বিতরণ করা হয়। এর মাধ্যমে উপকারভোগীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয় এবং বন সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে তাদের সম্পৃক্ততা আরও জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় অর্থমন্ত্রী বৃক্ষরোপণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ বছরে পাঁচ কোটি গাছ লাগানোর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে গাছ লাগানো ও পরিচর্যার প্রতি আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত দেড় কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা আরও বৃদ্ধি করে আড়াই কোটি গাছ লাগানোর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলালুদ্দিন বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা করেন। বক্তারা পরিবেশ রক্ষায় প্রতিটি নাগরিককে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত হওয়ার পাশাপাশি লাগানো গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণের আহ্বান জানান।

বিএফআরআইয়ের প্রযুক্তি প্রদর্শন

বৃক্ষমেলায় বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই), চট্টগ্রাম একটি স্টল স্থাপন করেছে। স্টলটিতে বন ও বনসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বৃক্ষ উৎপাদন, বাঁশ ও বেত, কাঠের ব্যবহার ও প্রক্রিয়াজাতকরণসহ বন গবেষণার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিএফআরআইয়ের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি, গবেষণালব্ধ ফলাফল ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান প্রদর্শন করা হচ্ছে।

বিএফআরআইয়ের স্টলটি মেলায় আগত সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, বনপ্রেমী, উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য বন ও বনসম্পদ বিষয়ে জ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে জানার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও বনজ সম্পদের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে এ স্টল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিএফআরআইয়ের পক্ষ থেকে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীদের বৃক্ষমেলায় এসে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্টল পরিদর্শনের জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। স্টল পরিদর্শনের মাধ্যমে দর্শনার্থীরা বিএফআরআইয়ের গবেষণা, উদ্ভাবিত প্রযুক্তি এবং বন ও বনসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সরাসরি ধারণা লাভ করতে পারবেন।

"বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশসবার আগে বাংলাদেশ।"জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬-এ বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআর...
09/08/2026

"বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ
সবার আগে বাংলাদেশ।"

জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬-এ বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) সরকারি/আধাসরকারি ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার অর্জন করে।

জাতীয় বৃক্ষমেলা ২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি মহোদয় বিএফআরআই-এর পরিচালক জনাব মোহাম্মদ তারিফুল বারী (যুগ্মসচিব) স্যারকে প্রথম স্থান অর্জনের পুরস্কার প্রদান করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক জনাব মো: আমীর হোসাইন চৌধুরী মহোদয়।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব কাজী রওনাকুল ইসলাম মহোদয়।

মঞ্চে আরও উপস্থিত ছিলেন ড. মো: জগলুল হোসেন, উপপ্রধান বন সংরক্ষক, সামাজিক বনায়ন উইং, বন ভবন, ঢাকা।

অদ্য ০৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখ জাতীয় বৃক্ষমেলা ২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠানটি আগারগাঁওয়ে বন ভবনের হৈমন্তী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

"বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশসবার আগে বাংলাদেশ।"জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬-এর সমাপনী দিনে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্ট...
08/08/2026

"বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ
সবার আগে বাংলাদেশ।"

জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬-এর সমাপনী দিনে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)-এর ৩৮,৩৯ নম্বর স্টল পরিদর্শন করেন ঢাকা সামাজিক বন বিভাগের উপ বন সংরক্ষক এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬ এর সদস্য-সচিব জনাব শারমীন আক্তার।

"বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশসবার আগে বাংলাদেশ।"বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)-এর সাবেক পরিচালক, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু ...
08/08/2026

"বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ
সবার আগে বাংলাদেশ।"

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)-এর সাবেক পরিচালক, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) জনাব শামিমা বেগম মহোদয় ০৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখ জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬-এ বিএফআরআই-এর ৩৮,৩৯ নম্বর স্টল ও নার্সারি পরিদর্শন করেন।

"বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশসবার আগে বাংলাদেশ।"জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬-এ বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআর...
04/08/2026

"বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ
সবার আগে বাংলাদেশ।"

জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬-এ বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)-এর ৩৮,৩৯ নম্বর স্টল ও নার্সারিতে প্রদর্শিত উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, বিরল, দেশীয় ও বিলুপ্তপ্রায় বৃক্ষ, বনজ বৃক্ষ, বাঁশ, ভেষজ উদ্ভিদ, ফলজ, শোভাবর্ধনকারী এবং ম্যানগ্রোভ প্রজাতির বৃক্ষ, গাছের নামের লেবেলিং, সাজসজ্জা পরিদর্শন, যাচাই ও মূল্যায়ন করা হয়।

মূল্যায়ন করেন জনাব শাহানারা ইয়াসমিন লিলি, যুগ্মসচিব (বন), পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; ড. মো. মাহবুবুর রহমান, মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা, বনজ সম্পদ উইং, বিএফআরআই, চট্টগ্রাম; জনাব হোসাইন মুহম্মদ নিশাদ, বন সংরক্ষক, ঢাকা সামাজিক বন অঞ্চল, বন অধিদপ্তর; জনাব মেহেদী ইসলাম, নির্বাহী স্থপতি, স্থাপত্য অধিদপ্তর, সেগুনবাগিচা, ঢাকা এবং জনাব শারমীন আক্তার, উপ বন সংরক্ষক, ঢাকা সামাজিক বন বিভাগ, বন অধিদপ্তর।

04/08/2026

"বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ
সবার আগে বাংলাদেশ।"

জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬-এ বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)-এর ৩৮,৩৯ নম্বর স্টল ও নার্সারিতে প্রদর্শিত উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, বিরল, দেশীয় ও বিলুপ্তপ্রায় বৃক্ষ, বনজ বৃক্ষ, বাঁশ, ভেষজ উদ্ভিদ, ফলজ, শোভাবর্ধনকারী এবং ম্যানগ্রোভ প্রজাতির বৃক্ষ, গাছের নামের লেবেলিং, সাজসজ্জা পরিদর্শন, যাচাই ও মূল্যায়ন করা হয়।

মূল্যায়ন করেন জনাব শাহানারা ইয়াসমিন লিলি, যুগ্মসচিব (বন), পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; ড. মো. মাহবুবুর রহমান, মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা, বনজ সম্পদ উইং, বিএফআরআই, চট্টগ্রাম; জনাব হোসাইন মুহম্মদ নিশাদ, বন সংরক্ষক, ঢাকা সামাজিক বন অঞ্চল, বন অধিদপ্তর; জনাব মেহেদী ইসলাম, নির্বাহী স্থপতি, স্থাপত্য অধিদপ্তর, সেগুনবাগিচা, ঢাকা এবং জনাব শারমীন আক্তার, উপ বন সংরক্ষক, ঢাকা সামাজিক বন বিভাগ, বন অধিদপ্তর।

Address

Sholashahar
Chittagong
4211

Opening Hours

Monday 09:30 - 17:00
Tuesday 09:30 - 17:00
Wednesday 09:30 - 17:00
Thursday 09:30 - 17:00
Sunday 09:30 - 17:00

Telephone

+8802334481577

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Forest Research Institute, Chittagong posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share