গুণবতী ডিগ্রী কলেজ/Gunabati Degree College

Directions

গুণবতী ডিগ্রী কলেজ/Gunabati Degree College “ গুণবতীসহ সকল তথ্য জানতে জানাতে”

04/09/2026
প্রতিটি শিশুই ভালোবাসার যোগ্য                   অবহেলিত অর্ক আর তার ছোট্ট স্বপ্নহৃদয়পুর গ্রামটি ছিল বেশ সুন্দর ও গোছানো।...
04/09/2026

প্রতিটি শিশুই ভালোবাসার যোগ্য

অবহেলিত অর্ক আর তার ছোট্ট স্বপ্নহৃদয়পুর গ্রামটি ছিল বেশ সুন্দর ও গোছানো। সেই গ্রামের এক কোণে তার নানীর সাথে থাকত আট বছরের এক অনাথ ছেলে, অর্ক। অর্কর বাবা-মা ছোটবেলাতেই এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। অর্কর নানী অন্যের বাড়িতে কাজ করে খুব কষ্ট করে তাকে বড় করছিলেন। অর্কর জামাকাপড় ছিল কিছুটা ছেঁড়া আর মলিন, তাই গ্রামের অন্য বাচ্চারা বা তাদের অভিভাবকেরা তাকে একদম পছন্দ করত না। তাকে সবাই "অলক্ষ্মী" বা "অভাগা" বলে দূরে ঠেলে দিত।গ্রামের স্কুলের বাচ্চারা যখন নতুন জামা পরে মাঠে খেলত, অর্ক তখন দূর থেকে গাছের আড়ালে দাঁড়িয়ে একা একা তা দেখত। কেউ তাকে খেলায় নিত না, বরং ধমক দিয়ে তাড়িয়ে দিত। অর্কর মনে কোনো ক্ষোভ ছিল না, সে শুধু ভাবত, "আমিও তো একটা বাচ্চা, আমাকে সবাই একটু ভালোবাসলে কী এমন ক্ষতি হতো?"অর্কর একমাত্র আনন্দ ছিল পড়াশোনা। সে গ্রামের স্কুলের ভাঙা জানালার পাশে বাইরে দাঁড়িয়ে শিক্ষকদের পড়া শুনত এবং মাটিতে কাঠি দিয়ে তা লিখে রাখত। তার এই শেখার তীব্র ইচ্ছা দেখেও গ্রামের মানুষ তাকে অবহেলা করত, কেউ তাকে একটা নতুন খাতা বা কলম কিনে দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি। সবাই তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করত, যেন সে এই সমাজের কেউ না।একদিন গ্রামের প্রধানের ছেলের জন্মদিনের বড় উৎসব ছিল। পুরো গ্রামের শিশুদের নিমন্ত্রণ করা হলেও অর্কর কপালে জুটেছিল শুধু অপমান। সে যখন দূর থেকে উৎসবের আলো দেখছিল, তখন কয়েকজন তাকে "অপয়া" বলে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়। অর্ক কাঁদতে কাঁদতে নদীর ধারের এক অন্ধকার ঘাটে গিয়ে বসে একা একা আকাশের তারা দেখতে লাগল। সে জানত না, এই অবহেলাই এক গভীর ট্র্যাজেডি ডেকে আনছে।

সেই কালরাত এবং একটি গভীর ট্র্যাজেডিসেই রাতেই হৃদয়পুর গ্রামে হঠাৎ করেই বন্যা ধেয়ে আসে। পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি নিমেষেই গ্রাম প্লাবিত করতে শুরু করে। মাঝরাতে যখন পুরো গ্রামবাসী ঘুমে মগ্ন, তখন নদীর পাড়ে থাকা অর্কই প্রথম পানির গর্জন শুনতে পায়। সে বুঝতে পারে, এখনই সবাইকে না জাগালে গ্রামের কোনো মানুষ, বিশেষ করে কোনো শিশুই বাঁচবে না।অর্ক নিজের জীবনের পরোয়া না করে অন্ধকারের মধ্যে প্লাবিত ঠাণ্ডা পানির স্রোত ভেঙে গ্রামের প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে চিৎকার করে সবাইকে জাগাতে লাগল, "সবাই উঠুন! বন্যা এসেছে! বাচ্চাদের বাঁচান!"তার চিৎকার শুনে গ্রামের মানুষ জেগে ওঠে এবং দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে শুরু করে। সবাই যখন নিজেদের সন্তানদের বুকে জড়িয়ে উঁচু টিলার দিকে ছুটছিল, তখন কেউ খেয়াল করেনি যে ছোট অর্ক পানির তীব্র স্রোতের সাথে লড়াই করে গ্রামের শেষ প্রান্তে আটকে পড়া আরেকটি ছোট বাচ্চাকে উদ্ধার করতে গেছে। অর্ক সেই বাচ্চাটিকে নিরাপদে একটি উঁচু গাছের ডালে তুলে দিতে সক্ষম হয়। কিন্তু ততক্ষণে পানির গতি অনেক বেড়ে গেছে। ক্লান্ত, ক্ষুধার্ত এবং শীতে কাঁপতে থাকা ছোট অর্ক আর নিজের শরীরকে ধরে রাখতে পারল না। এক বিশাল স্রোত এসে অর্কর ছোট শরীরটিকে ভাসিয়ে নিয়ে গেল।পরদিন সকালে বন্যার পানি কিছুটা কমলে গ্রামের মানুষ অর্কর নিথর দেহটি নদীর চরে খুঁজে পায়। যে ছেলেটিকে তারা সারাজীবন অবহেলা করেছে, ঘৃণা করেছে, আজ সেই নিজের জীবন দিয়ে গ্রামের প্রতিটি শিশুকে বাঁচিয়ে দিয়ে গেল।পুরো গ্রামে তখন কান্নার রোল পড়ে গেল। গ্রামের প্রধান অর্কর নিথর দেহের পাশে হাঁটু গেঁড়ে বসে কাঁদতে কাঁদতে বললেন, "আমরা কতটা অন্ধ ছিলাম! এই শিশুটিকে আমরা একটুও ভালোবাসা দিতে পারিনি, অথচ সে আমাদের বাচ্চাদের জন্য নিজের জীবন দিয়ে দিল।"গল্পের আসল শিক্ষা:এই ট্র্যাজেডিটি হৃদয়পুর গ্রামের মানুষের চোখ খুলে দিয়েছিল। তারা বুঝতে পারল যে—শিশুর কোনো জাত, ধর্ম বা ধনী-দরিদ্রের ভেদ থাকে না। পৃথিবীর প্রতিটি শিশুই নিষ্পাপ এবং প্রতিটি শিশুই সমান ভালোবাসা, যত্ন ও শিক্ষার অধিকার রাখে। কোনো শিশুকে অবহেলা করা মানে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎকে হত্যা করা। আমাদের সবার উচিত প্রতিটি শিশুকে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসা।

মিমের বাবা, রহমান সাহেব, প্রতিদিন দুপুর দুইটায় স্কুলের গেটে এসে দাঁড়িয়ে থাকতেন। মিম গেট দিয়ে বের হয়েই "বাবা!" বলে একটা চ...
01/09/2026

মিমের বাবা, রহমান সাহেব, প্রতিদিন দুপুর দুইটায় স্কুলের গেটে এসে দাঁড়িয়ে থাকতেন। মিম গেট দিয়ে বের হয়েই "বাবা!" বলে একটা চিৎকার দিয়ে তার কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ত। এটাই ছিল রহমান সাহেবের সারাদিনের ক্লান্তি দূর করার একমাত্র ওষুধ। আজকেও তিনি গেটের উল্টো পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন, মুখে ছিল চওড়া হাসি।মিম বাবাকে দেখে হাত নাড়ল। তার ছোট্ট পায়ে তখন ছুটির আনন্দ। সে কেবলই রাস্তা পার হতে যাবে, ঠিক তখনই সেই ঘাতক অটো রিক্সাটি মিমকে পিষে দিয়ে চলে গেল।রহমান সাহেব যখন রক্তাক্ত মিমকে কোলে তুলে নিলেন, তখনো তার মেয়ের শরীরটা গরম। তিনি চিৎকার করে কাঁদতেও ভুলে গেলেন। শুধু মিমের কানের কাছে মুখ নিয়ে বলতে লাগলেন, "মা মনি, চোখ খোলো। এই তো বাবা চলে এসেছি। বাড়ি চল, আজ তোমার প্রিয় পায়েস রান্না করেছে মা।" কিন্তু মিমের নিথর দেহ কোনো সাড়া দিল না। তার ছোট্ট হাতের মুঠো থেকে ঝরে পড়ল ক্লাসে আঁকা সেই প্রজাপতির ছবি, যা ততক্ষণে মিমেরই রক্তে লাল হয়ে গেছে।

মিমের মৃত্যুর ঠিক দুই ঘণ্টা পর, তাদের বাড়িতে একটি কুরিয়ার সার্ভিস থেকে পার্সেল আসে। রহমান সাহেব তখনো মিমের রক্তমাখা জামা জড়িয়ে ধরে ঘরের কোণে স্তব্ধ হয়ে বসে আছেন। পার্সেলটি খুলে দেখা গেল, সেখানে একটি সুন্দর গোলাপি রঙের ফ্রক।আসলে, পরের দিনই ছিল মিমের ১১তম জন্মদিন। মিম বেশ কিছুদিন ধরে এই ফ্রকটার জন্য বায়না ধরছিল। রহমান সাহেব তার সামান্য বেতনের টাকা জমিয়ে লুকিয়ে মিমের জন্য এই জামাটি অর্ডার করেছিলেন। ভেবেছিলেন, রাতে মিম যখন ঘুমিয়ে পড়বে, তখন মাথার পাশে জামাটি রেখে তাকে চমকে দেবেন।আজ জামাটি ঠিকই এসেছে, কিন্তু সেটি গায়ে দেওয়ার মতো মিম আর এই পৃথিবীতে নেই। ডাইনিং টেবিলে মিমের মায়ের রান্না করা পায়েস ঠান্ডা হয়ে জমে গেছে, আর তার পাশেই পড়ে রইল মিমের জন্মদিনের না পরা সেই নতুন ফ্রকটি।

পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গল্প, মাত্র ছয় শব্দেরএই ছয়টি শব্দ পরবর্তীতে পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত ক্ষুদ্র ছোট গল্প হয়ে গেল। তিনি লিখ...
14/06/2026

পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গল্প, মাত্র ছয় শব্দের
এই ছয়টি শব্দ পরবর্তীতে পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত ক্ষুদ্র ছোট গল্প হয়ে গেল। তিনি লিখলেন- "For sale: baby shoes, never worn." অর্থাৎ 'বিক্রির জন্য, শিশুর জুতো, ব্যবহৃত নয়'।
গল্পটির ভাবার্থ এইরকম- বাচ্চার জন্য জুতো কেনা হয়েছিল। তবে সেই বাচ্চাটি পৃথিবীর আলোই দেখেনি। মায়ের গর্ভেই শিশুটির মৃত্যু হয়। ছয় শব্দে গর্ভে মারা যাওয়া শিশুর জন্য মায়ের অনুভূতি! এ ধরণের গল্পকে বলা হয় 'ফ্ল্যাশ ফিকশন' বা অণুগল্প। মাইক্রো শর্ট স্টোরি নামেও ডাকা হয় এসব গল্পকে। গল্পটি দারুণ পছন্দ হলো ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভরা দু'জনেরই। ক্যাস্ত্রো সঙ্গে সঙ্গে ১০ ডলার বের করে বকশিশ দিলেন হ্যামিংওয়েকে।

অনেক বছর আগের ঘটনা, একবার এক চাষি তার বাড়ির উঠোনে বসে বিশ্রাম করছিলেন। এমন সময় তার একমাত্র ছেলে ছুটে আসে এবং বাবাকে খবর ...
10/06/2026

অনেক বছর আগের ঘটনা, একবার এক চাষি তার বাড়ির উঠোনে বসে বিশ্রাম করছিলেন। এমন সময় তার একমাত্র ছেলে ছুটে আসে এবং বাবাকে খবর দেয়, যে রাস্তার ধারের পুকুরে একটি ছেলে ডুবে যাচ্ছে।

শুনে চাষী তৎক্ষণাৎ পুকুরের কাছে পৌঁছায়। গিয়ে দেখে তার ছেলের বয়সী একটি ছেলে জলে হাবুডুবু খাচ্ছে। পোশাক পরিচ্ছদ দেখে কোন শহরের ধনীর দুলাল বলে মনে হচ্ছে।

সাথে বেশ কিছু বন্ধু বান্ধব থাকলেও তারা সাঁতার না জানায় পারে দাঁড়িয়ে বন্ধুর সাহায্যের জন্য চিৎকার করছে। চাষী আর একমুহূর্ত সময় নষ্ট না কোরে জলে ঝাপিয়ে পরে এবং ছেলেটিকে উদ্ধার করেন।

এই ঘটনার দিন দুয়েক পর হঠাৎ একদিন গ্রামের পথে ধুলো উড়িয়ে এক ঘোড়ায় টানা সুসজ্জিত গাড়ি, আগু পিছু অস্ত্রধারী অশ্বারোহী নিয়ে চাষীর বাড়ির সামনে এসে থামলো।

চাষী কিছুটা ভয় পেয়েছিল বৈকি। এরপর গাড়ি থেকে যে ব্যক্তি নেমে এলেন তার ব্যক্তিত্ব তার ঐশ্বর্যের পরিচয় বহন করে কিন্তু তার মুখের স্মিত হাসি চাষীকে কিছুটা আস্বস্ত করেন। তিনি স্মিত হেসে বলেন,

--- "আপনি সেই মহানুভব যিনি আমার একমাত্র ছেলের জীবন বাঁচিয়ে ছিলেন?" কৃষক মৃদু হেসে বললেন,

--- "আজ্ঞে হ্যা।" সেই ব্যক্তি এরপর গরিব চাষীর হাত ধরে অশ্রু সজল চোখে বলেন,

--- "আপনার ঋণ আমি শোধ করতে পারবো না। তবু বলুন আমি আপনার জন্য কি করতে পারি?" চাষী প্রথমে কিছু নিতে রাজি হয় না, শেষ মেষ অনেক অনুরোধের পর বলেন,

--- "দেখুন আমার সেই ক্ষমতা নেই যে আমার ছেলেকে ভালো স্কুলে পড়াই। তাই যদি আপনি ওর একটা ভালো স্কুলে পড়ার ব্যবস্থা করদেন তাহলেই আমি চির কৃতজ্ঞ থাকবো আপনার কাছে।" এই শুনে সেই ভদ্রলোক হেসে বললেন,

--- "ঠিক আছে এই যদি আপনার ইচ্ছা হয় তবে আজ থেকে আপনার ছেলে আমার ছেলের সাথে একসাথে পড়াশুনো করবে, এবং ওকে আমি আমার বাড়িতে রেখে পড়াবো।"

এরপর অনেক বছর কেটে গেছে। চাষীর ছেলে আর ধনী দুলালের বন্ধুত্ব সময়ের সাথে আরো গভীর হয়েছে। দুজনেই অত্যন্ত মেধাবী, যদিও দুজনের পছন্দ ছিল সম্পূর্ন আলাদা।ধনীর দুলালের আকর্ষণ রাজনীতি, আর তার বন্ধুর চিকিৎসা বিজ্ঞান।

স্নাতক হবার পর একজন মন দেয় অণুজীব নিয়ে গবেষণায়, আর একজন রাজনীতিতে।গবেষক বন্ধুর এক একটা গবেষণা পত্র যখন চিকিৎসা দুনিয়ায় আলোড়ন ফেলছে। তখন আর এক বন্ধুর নেতৃত্ব দানের ক্ষমতা আকৃষ্ট করছে ইংল্যান্ডের যুব সমাজকে।

এর মধ্যেই সেই রাজনীতিবিদ বন্ধু এক গভীর অসুখে আক্রান্ত হয়। অনেক বড় বড় চিকিৎসক যখন ব্যর্থ হয় ফিরে যায়, তখন সেই গবেষক বন্ধু এগিয়ে আসে।

দিন রাত এক করে নিজের তৈরি ওষুধে চিকিৎসা করতে থাকেন নিজের বন্ধুর। এবং সম্পূর্ন সুস্থ করে তোলেন নিজের প্রাণাধিক প্রিয় বন্ধুকে। কারণ তাকে ছাড়া তো আধুনিক বিশ্বের ইতিহাস লেখাই অসম্পূর্ন থাকতো

জানেন এই দুজন কে? সেই চাষীর ছেলে হলেন বিশ্ববন্দিত বিজ্ঞানী, পেনিলিসিলিনের আবিস্কারক স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। আর তার বন্ধুটি হলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল।

♥- - - - - - - সমাপ্ত - - - - - - - -♥

বন্ধুত্বের কোনো শেষ নেই। বন্ধুত্ব, সৃষ্টিকর্তার এক অমূল্য সৃষ্টি। ওদের ছাড়া জীবন সত্যিই খুব অসম্পূর্ণ। এই পোস্টটা আমাদের আইডি সমস্ত ফলোয়ার বন্ধুদের উৎসর্গ করলাম ।

28/05/2026

"Women cry to hide their mistakes.
Men smile to hide their pain.
That's why never trust a crying women and never believe a smiling man."

"নারীরা তাদের ভুল লুকাতে কাঁদে। পুরুষরা তাদের কষ্ট লুকাতে হাসে।
তাই,কখনোই একজন কান্নারত নারীকে বিশ্বাস করো না এবং একজন হাসিমুখের পুরুষকে বিশ্বাস করো না।"

(a proverb)

26/05/2026

লাইফলাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যায়ন ও দৃষ্টিনন্দন মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করলাম!

24/05/2026

রাজনীতিতে সমঝোতা কতটা হয় সেটা আমার জানা নেই কিন্তু সংসার রাজনীতি সমঝোতার বিকল্প নেই!

রাজনীতিতে সমঝোতা কতটা হয় সেটা আমার জানা নেই কিন্তু সংসার রাজনীতি সমঝোতার বিকল্প নেই!একটি দল হারলে অন্যজন স্বভাবতই "সেভেন...
24/05/2026

রাজনীতিতে সমঝোতা কতটা হয় সেটা আমার জানা নেই কিন্তু সংসার রাজনীতি সমঝোতার বিকল্প নেই!
একটি দল হারলে অন্যজন স্বভাবতই "সেভেন আপ" বা পেনাল্টি মিসের মতো বিষয়গুলো নিয়ে হাসাহাসি করে। ম্যাচ চলাকালীন সময়ে বসার ঘরে দুই মেরুর দুই সমর্থক যেন আস্ত একটি স্টেডিয়ামের আমেজ তৈরি করেন। ভিন্ন মতাদর্শ বা পছন্দের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং অন্যজনের আবেগকে হাসিমুখে মেনে নেওয়ার মানসিকতা তৈরি হয়।

20/05/2026

কুমিল্লা জেলার অক্সফোর্ড একাডেমী কেজি শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোঃ তাসিনুর রহমান জিহাদ গত ১৮ মে ২০২৬ তারিখে কুসাইতলি সাহেব বাড়ির মসজিদ সংলগ্ন পুকুরের পানিতে ডুবে মারা যায়। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

Address

Cumilla
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গুণবতী ডিগ্রী কলেজ/Gunabati Degree College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share