13/08/2025
ইতালির কারারা'র তুসখানি অঞ্চল সাদা মার্বেল পাথরের জন্য জগৎ বিখ্যাত ।
এই পাথর দামী পাথর । বিলিভ ইট অর নট , এই অঞ্চলের পাথর বিক্রি ও পর্যটন থেকে সরকারের আয় বিলিয়ন ডলার ।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা?
সিকিউরিটি চেক পয়েন্ট, ট্র্যাকিং সিস্টেম ,
অফিসিয়াল রেকর্ড ও আইনগত শাস্তি- সব মিলাইয়া কেউ পাথর চুরি / অবৈধ ভাবে নেওয়ার সাহস করে না।
আমার ধারণা নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকলেও ঐখান থেকে পাথর লুট হইতো না গণহারে ।
তরস্ক, জাপান এবং ভারতেও একই ধরনের পর্যটন স্থান আছে কিন্তু কোথাও গণহারে পাথর লুট হয় না ।
কারণ সেখানে আমাদের মতো রাজনৈতিক দলের নেতা নেই ।
গতকাল পত্রিকায় দেখলাম , জাফলং থেকে রাজনৈতিক নেতাদের আয় হবে ২০০ কোটি টাকার উপরে ।
সম্পদ কার?
দেশের । আমার, আপনার, সব জনগণের ।
কিন্তু আয় কার?
রাজনৈতিক নেতাদের । ইভেন এই আয় সরকারেরও না।
যেখান থেকে গণহারে পাথর লুট করা হচ্ছিলো , তার পাশে চারটা বিজিবি ক্যাম্প ছিলো । তাদের কোনো স্টেপ ছিলো না ।
আদতে স্টেপ ছিলো না উপরমহল থেকে।
সুন্দরী উপদেষ্টা রিজওয়ানা দেশের বিখ্যাত সমুদ্র সৈকত বন্ধ কইরা দিলো পরিবেশ রক্ষার অজুহাতে অথচ সিলেটের জাফলং এর পরিবেশ নিয়া উনি কনসার্ন না ।
একটা পর্যটন জায়গা থেকে যে শুধু সরকারি আয় হয়, ব্যাপারটা এমন না ।
সিলেটের জাফলংকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায় কোটি টাকার লেনদেন জড়িত আছে । রেস্টুরেন্ট ব্যবসা , ট্রান্সপোর্টের আয়, নৌকার মাঝিদের আয়, স্থানীয় দ্রব্যদি - এখানে অনেক লোকের জীবিকা জড়িত । এসব মুখ থুবড়ে পড়বে ।
শেষমেষ ইকোনমিরই লস হইলো দেশের!
এখন আর বালুভর্তি মরুভূমি দেখতে কেউ জাফলং যাবে না ।
আমাদের পাথরের খনি উপরে ।
ভাগ্য ভালো, আমাদের তেলের খনি নিচে , ওসব বালতি ভরে আনা যায় না । ইকুইপমেন্ট লাগে ।
গ্যাসও একই । ইক্যুইপমেন্ট দিয়ে সংগ্রহ করাও অনেক সময় বিপদজনক ।
নাহয় চাঁদাবাজরা শ্রমিক ধরাইয়া বালতি কইরা তেল তুলতো , সিলিন্ডার ভইরা কোটি কোটি টাকার গ্যাস তুলে আনতো...
এই অথর্ব সরকারের প্রশাসনের নাকের ডগার উপর দিয়েই!
খনিজ সম্পদের উপর ভেসে থাকা একটা দেশে ডুইবা যাইতেছে চোরের খনির ভারে , ভাবা যায়?
শেখ মুজিবের উক্তিটারে একটু আপডেট ভার্সন কইরা রিমিক্স করলে এরকম হয় ,
" সবাই পায় তেলের খনি আর আমাদের কপালে আছে চোরের খনি এবং বোকাচো** প্রশাসনওয়ালা সরকার! "
কপালে পাথর ছুঁইড়া মারলেও যাদের হুঁশ ফিরবে না আর কি!