Comilla University

Comilla University This page is the official Page of Comilla University run by the University Administration.
(2)

নৃবিজ্ঞান সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সংগঠন এনথ্রোপলজি সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত বর্ণাঢ্য...
26/07/2026

নৃবিজ্ঞান সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সংগঠন এনথ্রোপলজি সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে নেতৃত্ব দান এবং কেক কেটে নৃবিজ্ঞান সপ্তাহের শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এম এম শরীফুল করীম। এসময় উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম এবং বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

21/07/2026
প্রেস রিলিজকুবিতে শিক্ষকদের ফাউন্ডেশন ট্রেনিং শুরুকুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে এবং ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্...
18/07/2026

প্রেস রিলিজ

কুবিতে শিক্ষকদের ফাউন্ডেশন ট্রেনিং শুরু

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে এবং ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেলের ব্যবস্থাপনায় শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং একাডেমিক মানোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো ‘ফাউন্ডেশন ট্রেনিং ফর টিচার্স’ শীর্ষক ৭ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যা শেষ হবে আগামী ২৪ জুলাই।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ৯টায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে (বার্ড) প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশন ট্রেনিং কোর্স কো-অর্ডিনেশন কমিটির কোর্স পরিচালক ও অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাকির ছায়াদউল্লাহ খান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “বর্তমান বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন, উদ্ভাবন ও আন্তঃবিষয়ক গবেষণার যুগ। এ বাস্তবতায় শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা, নৈতিকতা, নেতৃত্বগুণ ও আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতিতে নিজেদের আরও সমৃদ্ধ করতে হবে। একজন শিক্ষক কেবল জ্ঞানদানকারী নন; তিনি শিক্ষার্থীদের আদর্শ ও অনুপ্রেরণার উৎস। তাই নিরপেক্ষ মূল্যায়ন, সময়ানুবর্তিতা, পেশাদারিত্ব এবং শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’ দর্শনকে সামনে রেখে ‘স্টুডেন্ট সাপোর্ট সার্ভিস ইউনিট’ চালু করতে যাচ্ছি। এই ইউনিটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সেবা দ্রুত সময়ে নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে খাবারের নিরাপত্তা ও গুণগত মান নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে শিক্ষার্থী-সংশ্লিষ্ট সেবা ইউনিটগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় এনে একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থার মধ্যে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা আমাদের নতুন ক্যাম্পাসকে একটি ‘গ্রিন ক্যাম্পাস’ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি যাত্রা। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক, শিক্ষণ-শেখনকেন্দ্রিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় কেবল জ্ঞান বিতরণের স্থান নয়; এটি জ্ঞান সৃষ্টি, উদ্ভাবন, মুক্তচিন্তা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের কেন্দ্র। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও বৈশ্বিক পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষকদের গবেষণামুখী, প্রযুক্তি-সচেতন, নৈতিক ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক হতে হবে। তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না; বরং ন্যায়পরায়ণতা, সততা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আদর্শ হিসেবে গড়ে তোলেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ফাউন্ডেশন ট্রেনিং প্রোগ্রাম নবনিযুক্ত শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা, গবেষণা সক্ষমতা, নৈতিক নেতৃত্ব ও আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতিতে সমৃদ্ধ করবে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়ক হবে।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষকদের পাঠদান, গবেষণা ও প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক, সৃজনশীল ও সমস্যা সমাধানভিত্তিক শিক্ষাদানে গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে আজীবন শিক্ষার্থী হিসেবে নিজেকে নিয়মিত হালনাগাদ রাখতে হবে এবং একাডেমিক মূল্যায়নে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা, পেশাগত সততা ও আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নিয়মানুবর্তিতা ও আর্থিক কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা প্রতিটি শিক্ষকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। নবনিযুক্ত শিক্ষকরা এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশাগত উৎকর্ষ অর্জন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান বলেন, উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক অঙ্গীকার, দক্ষ শিক্ষক এবং পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা—এই তিনটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, শিক্ষকদের পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনে ফাউন্ডেশন ট্রেনিং একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ, যা আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষাদান, গবেষণা এবং একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষককে পেশাদারিত্ব, সময়ানুবর্তিতা, নিরপেক্ষ মূল্যায়ন, কোর্স প্রোফাইল ও কোর্স ফাইল হালনাগাদ এবং মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নবনিযুক্ত শিক্ষকরা আরও দক্ষ, দায়িত্বশীল ও গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সক্ষম হবেন বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. জাকির ছায়াদউল্লাহ খান বলেন, নবনিযুক্ত শিক্ষকদের পেশাগত উৎকর্ষ ও উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে ফাউন্ডেশন ট্রেনিং একটি সময়োপযোগী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো প্রাতিষ্ঠানিক অঙ্গীকার, দক্ষ শিক্ষক এবং পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা। তাই শিক্ষকদের পেশাদারিত্ব, সময়ানুবর্তিতা, মানসম্মত পাঠদান, নির্ভুল মূল্যায়ন এবং কোর্স প্রোফাইল ও কোর্স ফাইল নিয়মিত হালনাগাদ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রশিক্ষণের প্রতিটি সেশন নবনিযুক্ত শিক্ষকদের দক্ষতা ও পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সফল করতে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

উল্লেখ্য, প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের মোট ৩০ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেছেন। তন্মধ্যে ২৬ জন প্রভাষক, ৩ জন সহকারী অধ্যাপক এবং ১ জন সহযোগী অধ্যাপক রয়েছেন।

মোহাম্মদ এমদাদুল হক
ডেপুটি রেজিস্ট্রার
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রেস বিজ্ঞপ্তিকুবিতে "জুলাই শহিদ দিবস" উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত"জুলাই শহিদ দিবস" উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্র...
16/07/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

কুবিতে "জুলাই শহিদ দিবস" উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

"জুলাই শহিদ দিবস" উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রূহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

দোয়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম বলেন, জুলাইয়ের আন্দোলন ছিল মানুষের ন্যায়সঙ্গত অধিকার, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সংগ্রাম। তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে যারা দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি শহীদ আবু সাঈদসহ জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।

ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন বলেন, 'কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত জুলাই শহীদদের স্মরণে এই দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণের জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ, ওয়াসিমসহ যাঁরা শহীদ হয়েছেন, তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন তাঁদের জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।'

মোহাম্মদ এমদাদুল হক
ডেপুটি রেজিস্ট্রার
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

16/07/2026

ঘোষণা:

১৬ জুলাই ‘জুলাই শহিদ দিবস’ উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বাদ যোহর দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে উক্ত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

- বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

প্রেস রিলিজকুবির কলা এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ১৪০ শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি ও স্টাইপেন্ড প্রদানকুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ...
15/07/2026

প্রেস রিলিজ

কুবির কলা এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ১৪০ শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি ও স্টাইপেন্ড প্রদান

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কলা ও মানবিক এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ১৪০ জন শিক্ষার্থীকে মেধার স্বীকৃতি স্বরূপ মেধাবৃত্তি ও মেধাবী স্টাইপেন্ড প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক বিজ্ঞান অনুষদের হল রুমে এ বৃত্তি প্রদান করা হয়।

বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কলা ও মানবিক এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ৭২ জন শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি এবং ৬৮ জন শিক্ষার্থীকে মেধাবী স্টাইপেন্ড প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে কলা ও মানবিক অনুষদের অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, মেধাবৃত্তি ও আর্থিক সহায়তা শুধু শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহযোগিতা নয়, বরং তাদের মেধা, অধ্যবসায় ও সম্ভাবনার স্বীকৃতি। তিনি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষের পাশাপাশি নেতৃত্বের গুণাবলি, গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড, স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম এবং উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানভিত্তিক গবেষণা, নতুন ধারণা সৃষ্টি এবং স্টার্ট-আপ সংস্কৃতিতে সম্পৃক্ত হতে হবে। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তির পরিধি আরও সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি দেশ ও সমাজের কল্যাণে জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, শিক্ষা একটি জাতির সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি। আর্থিক সংকটের কারণে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষা যেন ব্যাহত না হয়, সেই লক্ষ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় মেধাবৃত্তি ও আর্থিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তিনি শিক্ষার্থীদের নিষ্ঠা, সততা ও অধ্যবসায়ের সঙ্গে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে দেশের নেতৃত্ব দেবে। তাই নিজেদের দক্ষ, দায়িত্বশীল ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, সরকারের ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে। তিনি শিক্ষার্থীদের অর্জিত সুযোগকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে একাডেমিক উৎকর্ষের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ, ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, কোনো শিক্ষার্থী যেন নিজের বিষয় নিয়ে হীনম্মন্যতায় না ভোগে; বরং নিজ নিজ ক্ষেত্রে দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শামসুজ্জামান মিলকী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবৃত্তি ও আর্থিক সহায়তা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জোগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও অর্জন ধরে রাখতে দায়িত্বশীলতা, একাডেমিক উৎকর্ষ এবং নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সাফল্য ও দেশ-সমাজের কল্যাণে অবদান রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

‎পরে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মেধাবৃত্তি ও স্টাইপেন্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখার আহ্বান জানান।

‎উল্লেখ্য, গত ৩০ জুন ৬ ফ্যাকাল্টিতে মেধাবী, অসচ্ছল মেধাবী এবং স্পোর্টস ক্যাটাগরিতে মোট ৪০২ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তির চেক প্রদান হয়৷ পরবর্তীতে ফ্যাকাল্টিগুলো আলাদাভাবে সমন্বয় করে অনুষ্ঠান করে শিক্ষার্থীদের মাঝে চেকগুলো বিতরণ করেন।

মোহাম্মদ এমদাদুল হক
ডেপুটি রেজিস্ট্রার
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয

প্রেস রিলিজকুবির বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ১১৭ শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি ও স্টাইপেন্ড প্রদান ‎‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ক...
15/07/2026

প্রেস রিলিজ

কুবির বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ১১৭ শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি ও স্টাইপেন্ড প্রদান

‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের মোট ১১৭ জন মেধাবী ও অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেধাবৃত্তি ও মেধাবী স্টাইপেন্ড প্রদান করা হয়েছে।

‎বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের হল রুমে এ বৃত্তি প্রদান করা হয়।

‎অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র মজুমদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, প্রকৌশল অনুষদের ডিন ড. মাহমুদুল হাছান এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম । এছাড়াও বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “মেধাবৃত্তির আর্থিক মূল্য অপেক্ষা এর স্বীকৃতি ও প্রেরণার মূল্য অনেক বেশি, যা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য অর্জনে অনুপ্রাণিত করে। তিনি গবেষণা ও উদ্ভাবনমুখী শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সুযোগ ও অর্থায়ন সম্প্রসারিত হয়েছে এবং স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাও গবেষণা অনুদানের সুযোগ পাচ্ছে। তিনি বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক দক্ষতা অর্জন, গবেষণামুখী মনোভাব গড়ে তোলা, ক্লাব কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়া এবং পরিচ্ছন্ন, শৃঙ্খলাপূর্ণ একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে ভালো ফলাফলের পাশাপাশি নেতৃত্বের গুণাবলি, গবেষণার অভিজ্ঞতা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের আহ্বান জানান।”

তিনি আরও বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে আগ্রহী। আমরা যদি তাঁকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে আমন্ত্রণ জানাতে পারি এবং আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতিভা, উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও সাফল্যগুলো তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করতে পারি, তাহলে তা নিঃসন্দেহে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গৌরবের বিষয় হবে। একই সঙ্গে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বয়ে নিয়ে আসবে।”

‎মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, “অসংখ্য মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে একটি অংশ আজ আপনাদের একাডেমিক এক্সিলেন্সির মাধ্যমে এই সম্মানজনক পুরস্কার লাভ করেছেন। রাষ্ট্র ও জনগণের সহযোগিতায় অর্জিত উচ্চশিক্ষার সুযোগকে দেশের উন্নয়ন ও মানবকল্যাণে কাজে লাগানোর দায়িত্ব শিক্ষার্থীদেরই। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), রোবোটিক্স, বায়োটেকনোলজি, সাইবার সিকিউরিটি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ উদীয়মান প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি, যোগাযোগ দক্ষতা, দলগত কাজ, অভিযোজনক্ষমতা ও নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে অবদান রেখে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে এবং পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও শিক্ষাবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই বৃত্তি প্রদান কর্মসূচিকে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ এবং এ ধরনের মহৎ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রকৌশল অনুষদের ডিন, ড. মাহমুদুল হাছান বলেন, “ভবিষ্যতে বৃত্তির পরিধি আরও সম্প্রসারণ করা হলে শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় আরও বেশি উৎসাহিত হবে। বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী গবেষণায় সম্পৃক্ত করে বৃত্তির সুযোগ বৃদ্ধি করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি ।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “বৃত্তির পরিমাণ ও সুযোগ বৃদ্ধি পেলে দেশের সবচেয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদে ভর্তি হতে আরও আগ্রহী হবে। এটি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। এ ধরনের বৃত্তি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও নিয়মিত ও ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রাখার জন্য তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। "

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড.মো. আব্দুল হাকিম বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতে আরও অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীকে বৃত্তির আওতায় আনার আহ্বান জানান। তিনি শিক্ষার্থীদের অর্জিত বৃত্তির অর্থের একটি অংশ বাবা-মায়ের হাতে তুলে দিয়ে তাঁদের দোয়া নেওয়ার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, শুধু মেধাবী হলেই একজন মানুষ পরিপূর্ণ হয় না; একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মধ্যে মানবিকতা, শিষ্টাচার, সুন্দর আচরণ ও নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয় থাকতে হবে। এসব গুণাবলি ধারণ করেই শিক্ষার্থীদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান তিনি।

‎সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র মজুমদার বলেন, "মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরাদের মধ্যে সেরা এবং তাঁদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে হবে। তিনি বর্তমান সময়ে ডিভাইস ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত আসক্তি থেকে দূরে থেকে প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে জ্ঞান অর্জন ও দক্ষতা উন্নয়নের কাজে ব্যবহারের আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, শুধু ভালো সিজিপিএ নয়; এআই লিটারেসি, ডিজিটাল দক্ষতা, যোগাযোগ দক্ষতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমেই ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সফল হওয়া সম্ভব। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে নিয়মিত কাউন্সেলিং, অনুপ্রেরণা ও সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।”

পরে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মেধাবৃত্তি ও স্টাইপেন্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

‎উল্লেখ্য, গত ৩০ জুন ৬ ফ্যাকাল্টিতে মেধাবী, অসচ্ছল মেধাবী এবং স্পোর্টস ক্যাটাগরিতে মোট ৪০২ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তির চেক প্রদান হয়৷ পরবর্তীতে ফ্যাকাল্টিগুলো আলাদাভাবে সমন্বয় করে অনুষ্ঠান করে শিক্ষার্থীদের মাঝে চেকগুলো বিতরণ করেন।

মোহাম্মদ এমদাদুল হক
ডেপুটি রেজিস্ট্রার
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ব্যবসায় শিক্ষা ও আইন অনুষদের যৌথ উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীর মধ্যে মেধাবৃত্তি ও স্টাইপেন্...
15/07/2026

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ব্যবসায় শিক্ষা ও আইন অনুষদের যৌথ উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীর মধ্যে মেধাবৃত্তি ও স্টাইপেন্ড প্রদান করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সম্মেলন কক্ষে এ বৃত্তি প্রদান করা হয়।

এতে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন ড. মো. এমদাদুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে ব্যবসায় শিক্ষা ও আইন অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী উপদেষ্টা, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানানো হয় এবং তাদের ভবিষ্যৎ একাডেমিক ও পেশাগত জীবনের সাফল্য কামনা করা হয়।

প্রেস রিলিজকুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইন্ডাস্ট্রি ৫.০ ও স্কিলস ৫.০: আমরা কতটা প্রস্তুত?’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিতইন্ডাস্ট্...
14/07/2026

প্রেস রিলিজ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইন্ডাস্ট্রি ৫.০ ও স্কিলস ৫.০: আমরা কতটা প্রস্তুত?’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ইন্ডাস্ট্রি ৫.০-এর যুগোযোগী চাহিদার প্রেক্ষাপটে উচ্চশিক্ষা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং গবেষণা-উদ্ভাবনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি)কর্তৃক আয়োজিত ‘ইন্ডাস্ট্রি ৫.০ ও স্কিলস ৫.০: আমরা কতটা প্রস্তুত?’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাশরুমে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড.এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। কিনোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়েস্টার্ন নরওয়ে ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস-এর অর্গানাইজেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট এর অধ্যাপক ড. আব্দুল কুদ্দুস। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, ইন্ডাস্ট্রি ৫.০-এর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একাডেমিয়া ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা বৃদ্ধি, পাঠ্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আন্তঃবিষয়ক শিক্ষার সংযোজন এবং ভবিষ্যৎ উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সময়ের দাবি। তিনি বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা, উদ্ভাবন এবং মানসম্মত শিক্ষার মাধ্যমে একটি উৎকর্ষের কেন্দ্রে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, ইন্ডাস্ট্রি ৫.০ ও স্কিলস ৫.০-এর বাস্তবতায় উচ্চশিক্ষায় মৌলিক সংস্কার, শিল্পমুখী ও আন্তঃবিষয়ক পাঠ্যক্রম, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তা তৈরির ওপর অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি মানসম্মত শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের গ্র্যাজুয়েট তৈরির আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি কার্যক্রম চালু হওয়া গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তিনি আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা, বিশ্লেষণী চিন্তাশক্তি, ডিজিটাল দক্ষতা, নেতৃত্ব এবং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতাকে ইন্ডাস্ট্রি ৫.০-এর যুগে অপরিহার্য দক্ষতা হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ইনোভেশন হাব, গ্রিন ক্যাম্পাস, আউটকাম-বেইজড এডুকেশন (ওবিই) এবং তথ্যভিত্তিক মাননিশ্চয়তা কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কিনোট স্পিকার অধ্যাপক ড. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ইন্ডাস্ট্রি ৫.০-এর চাহিদা পূরণে উচ্চশিক্ষায় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ জন্য আন্তঃবিষয়ক শিক্ষা, উদ্ভাবন এবং একাডেমিয়া-শিল্পখাতের মধ্যে আরও শক্তিশালী সহযোগিতা গড়ে তোলা জরুরি। তিনি প্রযুক্তি, ব্যবসা, সমাজবিজ্ঞান, নৈতিকতা ও টেকসই উন্নয়নকে সমন্বিত করে পাঠ্যক্রম পুনর্গঠনের আহ্বান জানান, যাতে শিক্ষার্থীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর বিশ্বে সফলভাবে নেতৃত্ব দিতে পারে। পাশাপাশি বিশ্লেষণী চিন্তাশক্তি, সৃজনশীলতা, সক্রিয় শিক্ষণ, দলগত কাজ, আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা এবং নতুন ধারণা সৃষ্টির সক্ষমতাকে ভবিষ্যৎ বিশ্বের অপরিহার্য দক্ষতা হিসেবে উল্লেখ করেন।

সভাপতির অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান বলেন, বহুমাত্রিক পাঠ্যক্রম, মাননিশ্চয়তা, গবেষণা, পেশাদারিত্ব এবং একাডেমিয়া-শিল্পখাতের সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যৎমুখী উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবপ্রবর্তিত পিএইচডি কর্মসূচি, একাডেমিক স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্ক-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কার্যক্রমকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষ অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা ইন্ডাস্ট্রি ৫.০-এর প্রেক্ষাপটে উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ, পাঠ্যক্রম সংস্কার, উদ্ভাবন এবং দক্ষতা উন্নয়ন নিয়ে প্রাণবন্ত ও ফলপ্রসূ আলোচনা করেন।

মোহাম্মদ এমদাদুল হক
ডেপুটি রেজিস্ট্রার
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রেস রিলিজকুবিতে ‘প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপিতকুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘প্রতিরোধ দিবস’উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উ...
12/07/2026

প্রেস রিলিজ

কুবিতে ‘প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপিত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘প্রতিরোধ দিবস’উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও স্মৃতিচারণসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে আহত ৩৫ জন শিক্ষার্থী, পাঁচ জন সাংবাদিক, আন্দোলনে সহায়তাকারী ৮ জন স্থানীয় ব্যক্তি ও অংশগ্রহণকারী আরও ২১ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম-সহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন‘প্রতিরোধ দিবস’উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “প্রশাসনের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সিন্ডিকেটেই ১১ জুলাইকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডারে 'প্রতিবাদ দিবস' হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছি। আমি আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় যুগ যুগ ধরে এ দিনটিকে ধারণ করবে। আমাদের শিক্ষার্থীরা শান্ত ও নম্র হলেও সময়ের প্রয়োজনে প্রতিবাদী, প্রতিরোধী এবং বিজয়ী। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে তারা প্রমাণ করেছে, দায়িত্ব পালনের সময় এলে তারা সাহসিকতার সঙ্গে নিজেদের ভূমিকা রাখতে সক্ষম।”

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’ নীতিকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীবান্ধব বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে প্রশাসন কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ছাত্রীদের জন্য ‘অরুণিমা কর্নার’ প্রতিষ্ঠা, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে ক্যান্টিন ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে একটি বাস্তবভিত্তিক মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের মূখ্য আলোচক অধ্যাপক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস বলেন,“১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে সাহস, আত্মত্যাগ ও ঐক্যের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। এদিনের প্রতিরোধ কেবল একটি ঘটনার স্মৃতি নয়; বরং অন্যায়, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধের প্রতীক। তিনি আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শ্রমিক, ব্যবসায়ী এবং সর্বস্তরের মানুষের অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।”

তিনি বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল মানুষের অবিচ্ছেদ্য ঐক্য। নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সবাই একসঙ্গে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল বলেই আন্দোলন সফলতা অর্জন করে। “জুলাই কারও একার নয়, জুলাই পুরো জাতির”—উল্লেখ করে তিনি এ চেতনাকে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি হিসেবে ধারণ করার আহ্বান জানান।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা, মেধার মূল্যায়ন এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিচারহীনতার অবসান, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, চাকরিতে মেধাভিত্তিক নিয়োগ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের যুক্তিবাদী, মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মকেই নেতৃত্ব দিতে হবে।”

মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন,“২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন। এই দিনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাহস, আত্মত্যাগ ও দৃঢ়তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। ইতিহাস শুধু আমাদের অতীতের কথা মনে করিয়ে দেয় না, ইতিহাস আমাদের ভবিষ্যতের পথও দেখায়। প্রতিরোধের প্রকৃত শিক্ষা হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী হওয়া, প্রতিহত করা, সত্যের পথে অবিচল থাকা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা।”তিনি শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, “ইতিহাসে অন্যায়, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিটি আন্দোলনে ছাত্রসমাজ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। রাষ্ট্র গঠনের দায়িত্ব আমাদের সবার। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে ন্যায় ও মানবতার মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে এবং আগামী প্রজন্ম গর্ব করে এ দেশকে নিজেদের বলতে পারবে। আজকের তরুণরাই আগামী দিনের নীতিনির্ধারক।”

অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, “১১ জুলাই ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি সফল করতে সহযোগিতা করা সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। বিশেষ করে মুখ্য আলোচক, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, ডিনবৃন্দ, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।"

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১১ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিত পুলিশি হামলার প্রতিবাদ ও তাদের ঐতিহাসিক প্রতিরোধকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিন্ডিকেটের ১১০তম সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে ১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে।

Address

Comilla University, Kotbari
Comilla
3506

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Comilla University posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Comilla University:

Shortcuts

Share