Jamiatul Imam Muslim Cox's Bazar - JIMC

Jamiatul Imam Muslim Cox's Bazar - JIMC The Official page of the Jamiatul Imam Muslim Cox's Bazar - JIMC, a leading institute in Cox's Bazar.

শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর।

অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, দীর্ঘদিন পরে হলেও ইমাম মুসলিম (রহ) ইসলামিক সেন্টারের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ, ইউটিউব চ্যানেল এবং ওয়েবসাইট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করতে যাচ্ছি, আল-হাম-দুলিল্লাহ।

উক্ত পেইজে ইমাম মুসলিম (রহ) ইসলামিক সেন্টারের যাবতীয় তথ্য

াদি উপস্থাপন করা হবে এবং দ্বীন প্রচারের স্বার্থে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে, ইনশা’আল্লাহ।

আপনারা জানেন, বিগত ২০০০ইং মোতাবেক ১৪২১ হিজরি সালের এক শুভলগ্নে ইসলামি শিক্ষাবিপ্লবের প্রত্যয় নিয়ে ককসবাজার শহরের উপকন্ঠে, ককসবাজার সরকারি (বিশ্ববিদ্যালয়) কলেজের পাশে, সম্পূর্ণ কোলাহলমুক্ত পরিবেশে আমরা “ইমাম মুসলিম (রহ) ইসলামিক সেন্টার ককসবাজার” এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করি। সকলের নিষ্ঠা, ত্যাগ, ঘামঝরা মেহনতে আজ সার্বিক মূল্যায়নে এটি জেলার অন্যতম সেরা কওমি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

বর্তমানে এখানে (নুরানি) শিশু শ্রেণি থেকে শুরু করে কওমি কারিকুলাম এর সর্বোচ্চ শিক্ষাস্তর দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স কোর্স) পর্যন্ত প্রায় ২২৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। জেনে খুশি হবেন, এখানে রয়েছে ককসবাজার জেলার সর্ববৃহৎ এতিমখানা, যেখানে প্রায় ৯ শতাধিক এতিম বালক/বালিকা লালিত পালিত হচ্ছে। শিক্ষা-দীক্ষা সহ তাদের যাবতীয় ভরণ-পোষণ এ প্রতিষ্ঠানই বহন করছে।

ভবিষ্যতে এ প্রতিষ্ঠানকে আমরা আরো উন্নত, যুগোপযোগি বিশ্বমানের সেরা একটি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ দিতে চাই, ইনশা আল্লাহ।

আশা করি আপনারা, আপনাদের সাধ্যের সবটুকু দিয়ে আমাদের এই উদ্যোগের সহযাত্রী হবেন।

আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।


মা’আসসালামাহ


সালাহুল ইসলাম
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক
ইমাম মুসলিম (রহ) ইসলামিক সেন্টার ককসবাজার

আগামীর নেতৃত্বে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান সাবেক ধর্ম উপদেষ্টারঅন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক ধর্ম উপদেষ্...
18/05/2026

আগামীর নেতৃত্বে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান সাবেক ধর্ম উপদেষ্টার

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার পরিদর্শন করেছেন।

আজ (১৮ মে) রবিবার সকাল ১০ টায় তিনি জামিয়ার ক্যাম্পাসে আসলে শায়েখ সালাহুল ইসলাম তাঁকে স্বাগত জানান। এই সময় জামিয়ার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে ইমাম বুখারী রাহঃ মসজিদ কমপ্লেক্সে সংবর্ধনা দেয়া হয়। এই সময় তিনি মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা, আধুনিকায়ন ও ঐতিহ্য নিয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিকতার উন্নয়নে ব্যাতিক্রম ধর্মী আন্তর্জাতিক মানের দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার বহুমুখী শিক্ষা পদ্ধতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা শায়েখ সালাহুল ইসলামের অক্লান্ত পরিশ্রমের কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন। বর্তমানের বাস্তবতা সাথে সমন্বয় করে যে শিক্ষার আলোকে যোগ-উপযোগী সিলেবাসে স্বতন্ত্র দ্বীনি শিক্ষা স্বীদ্ধান্তের উল্লেখ করেন, এখান থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা যোগ্য নাগরিক হিসেবে সমাজের নেতৃত্বের ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছে। দেশে-বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
মাদ্রাসার শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি মাদ্রাসা শিক্ষার স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে অতীত ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। আগামীর স্বপ্নপূরণে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে। এজন্য প্রস্তুতি লাগবে। যোগ্য হয়েই সুযোগ্য স্থানে অধিষ্ঠিত হতে হবে। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সকল ক্ষেত্রে যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে হবে। দেশ ও জাতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে।

সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, আমাদের অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। আমরা একটি স্থানে আসতে পেরেছি। এখানেই শেষ নয়, আরো বহুদূর যেতে হবে। এই পথ পাড়ি দিতে কোনো বাধা আসলে আমাদের থেমে গেলে চলবে না। সকল বাধা অতিক্রম করেই এগিয়ে যেতে হবে।
ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ড. খালিদ বলেন, সকল ভেদাভেদ ও মতপার্থক্য ভুলে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। যে সুযোগ এসেছে সেটাকে পরিপূর্ণ কাজে লাগাতে হবে। এ সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেলে আমাদের বহু বছর সুযোগের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তিনি সবাইকে কালেমা তায়্যেবার পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার অনুরোধ জানান।

জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শায়েখ সালাহুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে শিক্ষকবৃন্দরা বক্তৃতা করেন।

কক্সবাজার জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসকএটিএম নুরুল বশর চৌধুরী সংবর্ধিতকক্সবাজার জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত প্রশাসক এটিএম ন...
12/05/2026

কক্সবাজার জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক
এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী সংবর্ধিত

কক্সবাজার জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত প্রশাসক এটিএম নুরুল বশর চৌধুরীকে সংবর্ধনা দিয়েছেন জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার।

আজ (১২মে) মঙ্গলবার বিকেলে জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ মসজিদ কমপ্লেক্সে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

দেশের স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক মানের দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার উদ্যোগে আয়োজিত এই সংবর্ধনা সভায় প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সালাহুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন কক্সবাজার জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী।

সভাপতির বক্তব্যে শায়েখ সালাহুল ইসলাম
কক্সবাজারের বিশিষ্ট রাজনীতিবিধ ও সমাজ সেবক এটিএম নুরুল বশর চৌধুরীকে পর্যটন জেলা শহরে কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এটিএম নুরুল বশর চৌধুরীর যোগ্য নেতৃত্বে জেলার উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে।

সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী এবং বিএনপি সেই আদর্শকে ধারণ করে রাজনীতি করে। তিনি আরও বলেন, মানুষের কর্মই মৃত্যুর পর তার জবাবদিহিতার ভিত্তি হবে—এই বিশ্বাস থেকেই তিনি সবসময় ভালো কাজ করার চেষ্টা করেন।

তিনি জামেয়ার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা, বহুভাষিক বক্তব্য উপস্থাপন, কবিতা আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষার সমন্বিত কার্যক্রমেরও প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জামেয়ার নির্বাহী পরিচালক মাওলানা ক্বারী ওসমান, শাইখুল হাদিস মাওলানা আব্দুল গফুর নদীম, ইসলামী অর্থনীতিতে মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডিপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ ড. মাসুম বিল্লাহ এবং উখিয়া-টেকনাফের সাবেক এমপি আব্দুল গফর চৌধুরীর সন্তান আফসার চৌধুরী।

ড. মাসুম বিল্লাহ তার বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার্থীদের উন্মুক্ত চিন্তার বিকাশ, আধুনিক জ্ঞানচর্চা এবং বহির্বিশ্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে জামেয়া ইমাম মুসলিম যে যুগোপযোগী কারিকুলাম বাস্তবায়ন করছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক ও জাগতিক জ্ঞানে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলার উদ্যোগ বর্তমান সময়ের দাবি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ওসমান গণি।
শেষে সংবর্ধিত অতিথির হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

05/04/2026

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে কক্সবাজারের লিংক রোডে মাদরাসা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে উদ্বোধনী দরস অনুষ্ঠিত হয়।

কক্সবাজারজামিয়াতুল ইমাম মুসলিম (রহঃ) এ সহীহুল বুখারীর দরস --------আল্লামা সাইফুল্লাহ আইয়ুবী★ইলমে দ্বীন মুমিনদের সিরাতুল ...
02/04/2026

কক্সবাজারজামিয়াতুল ইমাম মুসলিম (রহঃ) এ সহীহুল বুখারীর দরস --------আল্লামা সাইফুল্লাহ আইয়ুবী
★ইলমে দ্বীন মুমিনদের সিরাতুল মোস্তাকিমের পথ দেখায়

কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম (রহঃ) মাদ্রাসায় সহীহুল বুখারীর উদ্বোধনী দরস শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ( ২ এপ্রিল) সকালে কক্সবাজারের লিংক রোডস্থ মাদ্রাসা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে সহীহুল বুখারীর উদ্বোধনী দরস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকাস্থ মারকাযুত তারবিয়াহ'র প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আল্লামা সাইফুল্লাহ আইয়ুবী (হাফি.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ইলমে দ্বীন হাসিল করলো, সে আল্লাহর জিম্মায় চলে গেলো। ইলমে দ্বীন একজন মুমিনকে সিরাতুল মোস্তাকিমের পথ দেখায় এবং এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। তিনি বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) আমাদের শেষ নবী, কেয়ামত পর্যন্ত আল্লাহর পক্ষ হতে আর কোন নবীর আগমন পৃথিবীতে ঘটবেনা। কিন্তু কেয়ামত পর্যন্ত ইলমে দ্বীনকে জারি রাখতে সময়ের ধারাবাহিকতায় নায়েবে নবী আসবেন। যুগে যুগে এরাই মুসলমানদের সঠিক পথ দেখাবেন। আসুন সকল হীনমন্যতা ছেড়ে দিয়ে ইলমে দ্বীনের কাজে আরও বেশি নিজকে আত্মনিয়োগ করি।

কক্সবাজার জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম( রহঃ) এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শায়েখ সালাহুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত মুহাদ্দিস মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ আরমান (হাফি.), কাজাখিস্তান থেকে আগত ইসলামী স্কলার বেরিক, পারভিজ।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন,শায়খুল হাদিস আল্লামা আবদুল গফুর নদীম, সাবেক প্রিন্সিপাল মাওলানা জাফর উল্লাহ নুরী, জামিয়ার সিনিয়র শিক্ষক ও মদিনাবিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. মাসুম বিল্লাহ,
জামিয়ার নির্বাহী পরিচালক শায়েখ ক্বারী ওসমান প্রমূখ। পরে অতিথি, শিক্ষক, বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে মোনাজাতের মাধ্যমে সহীহুল বুখারীর উদ্বোধনী দরস শুরু হয়।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জামিয়ার শিক্ষক ইসমাইল মুসা।

শতাধিক বয়োবৃদ্ধ কুরআন শিখে বাড়ী ফিরলেন বয়োবৃদ্ধদের কুরআন ও নামাজ  শিক্ষা একটি অত্যন্ত মহৎ ও অনুকরণীয় উদ্যোগ। কক্সবাজার...
20/03/2026

শতাধিক বয়োবৃদ্ধ কুরআন শিখে বাড়ী ফিরলেন

বয়োবৃদ্ধদের কুরআন ও নামাজ শিক্ষা একটি অত্যন্ত মহৎ ও অনুকরণীয় উদ্যোগ। কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকার সুবিধাবঞ্চিত পথহারা শতাধিক বয়োবৃদ্ধদের জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আল্লাহর কালামের জ্ঞান অর্জন ও সহি করে নামাজ শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছে জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার। পবিত্র রমজান উপলক্ষে মাসব্যাপী এমন মহতি উদ্যোগ নিয়েছিলেন জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শায়েখ সালাহুল ইসলাম। প্রায় শতাধিক বয়স্ক ব্যক্তিদের নিয়ে ১ রমজান থেকে ৩০ রমজান প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জামিয়ার মসজিদ কমপ্লেক্সে কোরআন শিক্ষা ও সুন্নাহভিত্তিক আকিদা বিষয়ক হাতে কলমে দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ রমজান) সমাপনী অনুষ্ঠানে মাধ্যমে তাদেরকে ঈদ সালামী হিসেবে প্রতিজনকে ৫০০০/- হাজার করে হাদিয়া দেয়া হয়। জামিয়ার কতৃপক্ষ থেকে পুরো রমজান মাসব্যাপী শতাধিক বয়স্কদের উন্নতমানের থাকা ও খাবারের ব্যবস্থা করেছেন। এই পুরো রমজান মাসব্যাপী প্রায় শতাধিক বয়স্কদেরক জামিয়া মসজিদ কমপ্লেক্সে কয়েকটি গ্রুপ করে দক্ষ প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে কোরআান শিক্ষার পাশাপাশি সুন্নাহভিত্তিক আকিদা বিষয়ক প্রশিক্ষণ নেন। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সুবিধাবঞ্চিত এই সব বয়স্করা সহীহ্ভাবে কুরআন রিডিং পড়া, তাজবিদ ও মৌলিক দ্বীনী বিষয়গুলো শিখছেন, যা তাদের ঈমান ও মানসিক প্রশান্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক। বয়স্কদের কুরআন শিক্ষা একটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ। যা তাদের দ্বীনি জ্ঞান বৃদ্ধিতে এবং আত্মতৃপ্তিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। সহিহ ও বিশুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াতের প্রচেষ্টা কষ্টসাধ্য হলেও এর জন্য দ্বিগুণ সওয়াব রয়েছে।

এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নেয়া মুসল্লী বদরুদ্দোজা তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে জানিয়েছেন, বয়স্ক এবং জেনারেল শিক্ষিতদের জন্য বিশুদ্ধ কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থার আয়োজন খুব কমই দেখা যায়। কিন্তু পবিত্র কোরআন শিক্ষার এমন আয়োজনের মহান খেদমত বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার ও শায়েখ সালাহুল ইসলাম এমন মহতি উদ্যোগ নেয়ায় অনেক পথহারা শতাধিক বয়োবৃদ্ধ কুরআন শিক্ষা পেয়ে সত্যি অভিভূত।
বিশেষ করে সৌদি রাজকীয় দূতাবাসের রিলিজিয়াস মেহমান দাঈ শায়েখ আহমদ বিন আলী বিন আহমদ জুরাইয়ী (হাফিযাহুল্লাহ) পিছনে নামাজ ও দ্বীনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ মাসালা-মাসায়েল শিখতে পেরেছি। উন্নত মানের খাবার ও থাকার ব্যবস্থা ছিল প্রশংসনীয়।

টেকনাফের জিমংখালী থেকে কুরআন শিখতে আাসা ফজল করিম জানিয়েছেন,
জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার সহিহ কোরআন শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা দেশবাসীর জন্য অনুকরণীয় হতে পারে।

কোরআন শিখতে আসা শিক্ষার্থী টেকনাফের মিনাবাজার থেকে আগত নুরুল ইসলাম বলেন, নামাজের জন্য কোরআনের সহিহশুদ্ধ তেলাওয়াত আবশ্যক। ছোটবেলায় কোরআন শিক্ষার সুযোগ না থাকায় রমজান মাসে কোরআন শিখার জন্য এই মাদরাসায় এসেছি। আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এখানে যে পদ্ধতিতে কোরআন শিক্ষা দেওয়া হয়- খুব সহজেই তা আয়ত্ব করা সম্ভব।

কুরআন সুন্নাহভিত্তিক আকিদা প্রশিক্ষকদের সমন্বয়ক ইসমাইল মুসা বলেন, রমজান মাসে যারা কোরআন শিখতে এসেছেন , তাদের মধ্য থেকে দূর্বল, মধ্যম ও কোরআন কিছু পড়তে পারেন- এমন ৩ শ্রেণিতে ভাগ করে হাতে-কলমে কোরআন শেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। সেই সঙ্গে নামাজ ও জরুরি মাসয়ালা-মাসায়েলও শেখানো হয়।

জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শায়েখ সালাহুল ইসলাম বলেছেন, বয়স্কদের জন্য কুরআন শিক্ষা একটি প্রশান্তিদায়ক যাত্রা। কুরআন শিক্ষা অর্জন করা ঈমানদারদের জন্য পরম আনন্দের, সৌভাগ্যের এবং সর্বোত্তম কাজের একটি। এটি পথহারা মানুষকে সঠিক পথের নির্দেশনা দেয়, অন্তরে প্রশান্তি আনে এবং পরকালে জান্নাত লাভের উসিলা হয়। রাসূল (সা.) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সেই, যে নিজে কুরআন শেখে এবং অন্যকে তা শেখায়” (বুখারী)।
কুরআন শিখলে দুনিয়া ও আখেরাতে শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। এর তেলাওয়াত ও অর্থ বোঝার মাধ্যমে হৃদয়ে প্রশান্তি আসে এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। প্রতিটি হরফ পাঠের বিনিময়ে ১০টি করে নেকি পাওয়া যায়। এটি মানবজীবনের অন্ধকার দূর করে হেদায়েতের আলো দেখায়। কুরআন শিক্ষার মাধ্যমে নিজের জীবনকে সুন্দরভাবে গড়া এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব।

বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার শায়েখ আহমদ জুরাইয়ী বিদায় সংবর্ধনাসৌদি আরবের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার শায়েখ আহমদ ...
18/03/2026

বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার শায়েখ আহমদ জুরাইয়ী বিদায় সংবর্ধনা

সৌদি আরবের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার শায়েখ আহমদ বিন আলী বিন আহমদ জুরাইয়ী (হাফিযাহুল্লাহ)- জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার উদ্যোগে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার (১৮ মার্চ ) সকাল সাড়ে ১১টায় ইমাম বুখারীর মসজিদ কমপ্লেক্সে এ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শায়েখ সালাহুল ইসলামের সভাপতিত্বে এই বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়া হয়।

বিদায়ী বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার শায়েখ আহমদ বিন আলী বিন আহমদ জুরাইয়ী (হাফিযাহুল্লাহ)- তার বক্তব্যে বলেন, সুদূর সৌদি আরবের জিদান শহর থেকে যখন আমাকে সৌদি রাজকীয় সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের থেকে যখন বাংলাদেশে কক্সবাজার এই জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার আসার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তখন খুবই চিন্তিত ছিলাম। কিন্তু এখানে এসে আপনাদের আতিথ্য ও ভালোবাসা আমাকে মুগ্ধ করেছে। এতো বড় আন্তর্জাতিক মানের সহি ইমান আকিদার খেদমতে নিয়োজিত দ্বীনি মারকজ দেখে সত্যি সত্যিই আনন্দিত। বিশেষ করে এই মারকজ শিক্ষার পরিবেশ দেখে আসহাবে সুফফা কথা মনে পড়েছে। আসহাবে সুফফা হলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জমানায় মদিনার মসজিদে নববীর বারান্দায় বা চত্বরে আশ্রয় নেওয়া নিঃস্ব, অবিবাহিত ও জ্ঞানপিপাসু সাহাবীদের একটি দল। তাঁরা নিজেদের পুরোপুরি ইসলাম শিক্ষা ও আল্লাহর ইবাদতে উৎসর্গ করেছিলেন। প্রখ্যাত সাহাবীসহ অনেকে এই দলের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
তাঁরা অত্যন্ত দরিদ্র ছিলেন এবং অধিকাংশ সময়ই খাবারের অভাবে বা খেজুর খেয়ে দিন কাটাতেন। তাঁদের প্রধান কাজ ছিল নবীজী (সা.)-এর কাছ থেকে সরাসরি শিক্ষা গ্রহণ করা এবং সাহাবী হিসেবে দ্বীনের প্রচার করা।
আসহাবে সুফফা ছিলেন নবীজীর (সা.) সান্নিধ্যে থাকা ত্যাগী এবং জ্ঞানসাধক সাহাবী, যারা পার্থিব জীবনের ভোগবিলাস ত্যাগ করে ইসলামের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করেছিলেন।

ঠিক তেমনিভাবে আপনাদের এই বৃদ্ধ বয়সে কুরআন সুন্নাহভিত্তিক জীবনযাপনে প্রশিক্ষণ ও আল্লাহ ইবাদতের মনযোগ দেখে আমি সত্যি অভিভূত হয়েছি।
আল্লাহ কাছে দোয়া করছি, এই জামিয়া ও যারা এর খেদমতে নিয়োজিত তাদেরকে আল্লাহ কবুল করুন। বিনিময়ে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চতর মাকাম দান করুন।

এ সময় জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, মুসল্লী ও রমজান উপলক্ষে কুরআন সুন্নাহভিত্তিক আকিদা বিষয়ক প্রশিক্ষণার্থী বয়োজ্যেষ্ঠ মুরুব্বি উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শেষে উপস্থিত মুসল্লীরা বিদায়ী মেহমানের হাতে-কপালে চুমু ও পথরোধ করে আলিঙ্গন সেই এক আবেগঘন পরিবেশে দ্বীনের নিভৃত এক দাঈকে বিদায়। অশ্রুস্বজলে বিদায়ী মেহমানের হাতে হাত রেখে নিবেদন করা হচ্ছে ভালোবাসা। অশ্রুসিক্ত উপস্থিত মুসল্লীদের একবুক ভরা ভালোবাসা নিয়ে আলিঙ্গন। বিদায়ী পথরোধ করে দাড়িয়ে আছে অসংখ্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী। সাথে বিদায়ী আরবিতে নাশিদাহ। জামিয়ার নিজস্ব গাড়ী নিয়ে প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শেষ বারের মতো কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছে
এমনই রাজকীয় এক সংবর্ধনায় তাকে জানানো হয় বিদায়।

উল্লেখ্য, সৌদি দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে দ্বায়ী শায়েখ আহমেদ বিন আলি বিন আহমদ জুরাইয়ী সহি ইমান আকিদা বিষয়ক প্রশিক্ষন দেয়ার জন্য পবিত্র রমজান উপলক্ষে জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার এসেছিলেন। গত ১০ রমজান বিকেলে তিনি জামিয়া প্রাঙ্গণে পৌছলে মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষার্থীরা তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান।
ইসলামি স্কলার ও বিশেষ দ্বায়ী শায়েখ আহমেদ বিন আলি বিন আহমদ জুরাইয়ী রিলিজিয়াস এ্যাটাসের রাজকীয় সৌদি দূতাবাসের তত্বাবধানে জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম (রহঃ) কক্সবাজার মেহমান হিসাবে এসেছিলেন । রমজান মাস উপলক্ষে কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় দ্বীনি শিক্ষা মতবিনিময় করেছিলেন । তিনি প্রতিদিন জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম (রহঃ) কক্সবাজার জামে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও খতমে তারাবির ইমামতি করছিলেন। এছাড়া রমজান মাসব্যাপী জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম (রহঃ) কক্সবাজার ক্যাম্পাসে ক্বেরাত ও আরবি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন । পাশাপাশি জামিয়ার উচ্চতর ক্লাসের শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিদিন সহি ইমান আকিদা বিষয়ক নসিহত পেশ করছিলেন।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা ১০টি গুরুত্বপূর্ণ  নিষেধাজ্ঞার যা বলেছেন সৌদি আরবের দাঈ শায়েখ আহমেদ জুরাইয়ীসৌদি রাজকীয় সরকার...
17/03/2026

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা ১০টি গুরুত্বপূর্ণ নিষেধাজ্ঞার যা বলেছেন সৌদি আরবের দাঈ শায়েখ আহমেদ জুরাইয়ী

সৌদি রাজকীয় সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিশিষ্ট দাঈ শায়েখ আহমেদ বিন আলি বিন আহমদ জুরাইয়ী পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা ১০টি গুরুত্বপূর্ণ নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করেছেন, যা ইসলামের মৌলিক শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত।
আজ মঙ্গলবার বাদে জোহরের নামাজের পর জামিয়ার মসজিদ কমপ্লেক্সে মুসল্লী ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী আলেমদের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবের ইসলামি স্কলার উপরোক্ত কুরআনের উদ্বৃতিসমুহ মহামূল্যবান নসিহত করেন।
এই সময় জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শায়েখ সালাহুল ইসলাম সাবলীল বাংলায় অনুবাদের মাধ্যমে মহামূল্যবান নসিহতের ব্যাখাসহ উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, আলেম ও মুসল্লীদের বুঝিয়ে দিয়েছেন।
সৌদি আরবের জিযান শহর থেকে রাজকীয় সরকারের দ্বীনের দ্বায়ী হিসেবে ১০ রমজান জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার সহি ইমান আকিদা বিষয়ক প্রশিক্ষণ (কুরআন সুন্নাহভিত্তিক আকিদা বিষয়ক প্রশিক্ষণ) পাশাপাশি কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন মসজিদে মুসল্লীদের উদ্দেশ্যে পুরো রমজানে নসিহত পেশ করেছেন। কাল বুধবার সকালে তার নিজ দেশে রওয়ানা দেয়া কথা রয়েছে। তিনি অত্যান্ত আবেগঘন ভালবাসা ও দ্বীনি দরদী কণ্ঠে কোন ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সমাপনী যুগোপযোগী মূল্যবান নসিহত করেন।

১. আল্লাহর সাথে শরিক করা: একমাত্র তাঁরই ইবাদত করতে হবে, অন্য কাউকে তাঁর সমকক্ষ করা যাবে না।
২. পিতামাতার অবাধ্যতা: পিতামাতার সাথে সর্বদা সদ্ব্যবহার করতে হবে।
৩. সন্তান হত্যা: দারিদ্র্যের ভয়ে বা অন্য কোনো কারণে সন্তান হত্যা করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
৪. অশ্লীলতা: প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো ধরনের অশ্লীল কাজে লিপ্ত হওয়া যাবে না।
৫. অন্যায়ভাবে হত্যা: আল্লাহ যাকে হারাম করেছেন, তাকে ন্যায়সংগত কারণ (যেমন বিচারিক দণ্ড) ছাড়া হত্যা করা যাবে না।
৬. এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ: এতিম বড় না হওয়া পর্যন্ত তার সম্পদের কাছেও যাওয়া যাবে না, কেবল তাদের উপকারের স্বার্থে ছাড়া।
৭. মাপে কম দেওয়া: ব্যবসা-বাণিজ্যে ওজন ও মাপে পূর্ণ ইনসাফ কায়েম করতে হবে।
৮. অবিচার করা: কথা বলার সময় সর্বদা সত্য ও ন্যায়নিষ্ঠ হতে হবে, এমনকি তা যদি নিজের নিকটাত্মীয়ের বিরুদ্ধেও যায়।
৯. অঙ্গীকার ভঙ্গ করা: আল্লাহর নামে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বা সাধারণ চুক্তিগুলো পূর্ণ করতে হবে।
১০. ভ্রান্ত পথে চলা: আল্লাহর দেখানো সরল পথ (সিরাতুল মুস্তাকিম) ছেড়ে অন্য কোনো ভ্রান্ত মতাদর্শ বা দলের অনুসরণ করা যাবে না।
তাঁর আরবী ভাষার বক্তব্যকে অত্যান্ত সহজ ও সরল বাংলা ভাষায় ব্যাখা করেন বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার ও জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শায়েখ সালাহুল ইসলাম।

১. আল্লাহর সাথে শরিক করা শিরককে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সর্বাবস্থায় সকল সৃষ্টির জন্য হারাম করেছেন। প্রকাশ্য শিরক ও প্রচ্ছন্ন শিরক। আল্লাহ সমকক্ষ বা ইবাদত ও আনুগত্যের ক্ষেত্রে কাউকে অংশীদার মনে করা।

২.মাতা-পিতার অবাধ্য না হওয়া। আল্লাহ পরে সংসার জীবনের সবকিছু উজাড় করে এমনকি নিজের প্রাণাদি বিলিয়ে দিয়ে হলেও মাতা-পিতার চাহিদা পূরণ ও তাদেরকে সন্তুষ্ট রাখার দায়িত্ব পালন করে যেতে হবে।
৩. দরিদ্রতা তথা অভাবের আশঙ্কায় সন্তান-সন্ততিকে হত্যা বা তাদের জন্মরোধ করা। এটা মহান রাব্বুল আলামিনের ইচ্ছার বৈরী কাজ।

৪. অশ্লীলতা তথা নির্লজ্জতার ধারে কাছেও যেতে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা নিষেধ করেছেন এবং সমাজে নির্লজ্জতা, বেপর্দা ও ব্যভিচার ও বেহায়াপনা চালুর বিরুদ্ধে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা কঠোর হুঁশিয়ারি জারি করেছেন। বিশেষ বিবাহিত নারী-পুরুষ যেনায় লিপ্ত হলে উপযুক্ত সাক্ষীদের সাক্ষাৎ হত্যা করা।

৫. অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যাকে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা অত্যন্ত কঠিন শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে ঘোষণা করেছেন। খুনখারাবি, মারামারি এগুলো যে মানবসমাজকে ধ্বংসের অতল গহবরে তলিয়ে দেয় তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
৬. ইয়াতিমের ধনসম্পদ অবৈধভাবে ভক্ষণ করা। আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা ইয়াতিম ও অসহায়দের মালসম্পদ যথাযথ সংরক্ষণের প্রতি জোর তাগিদ প্রদান করেছেন এবং এদের ধনসম্পদ গ্রাস করার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।
৭. ওজন তথা পরিমাপের ক্ষেত্রে হেরফের করা তথা মাপে দেয়ার সময় কম ও নেয়ার ক্ষেত্রে বেশি নেয়ার বিরুদ্ধে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কঠিন বার্তা জারি করেছেন। সকল আম্বিয়ায়ে কেরামই এ ব্যাপারে ন্যায়পরায়ণতার নীতি অনুসরণের জন্য আল্লাহর আদেশ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। ব্যবসা বাণিজ্যসহ সকল প্রকার লেনদেনের ক্ষেত্রে সঠিক পন্থা পদ্ধতি মেনে চলার প্রতি মানুষের জন্য চিরস্থায়ী বিধান বাধ্যতামূলক করেছেন।
৮. মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়টি এ সূরায় হারাম করা হয়েছে তা হলো ন্যায় ও সুবিচারের জন্য। বিচারের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও ন্যায়সঙ্গত নীতির অনুসরণ করা তথা সত্য কথা বলা ও সত্য সাক্ষ্য দেয়া যদিও সেটা ঘনিষ্ঠ আত্মীয় এমনকি সন্তান-সন্ততি, মা বাপও হয়।
৯. আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার সাথে কৃত ওয়াদার বরখেলাফকে হারাম করা হয়েছে। এখানে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার সাথে কৃত ওয়াদার দুটো অর্থ হতে পারে। প্রথমত : আলমে আরোয়ায় অর্থাৎ রূহের জগতে আল্লাহ মানুষের কাছে যে ওয়াদা নিয়েছিলেন সেটাও হওয়া স্বাভাবিক।
যেমন: তিনি বলেছিলেন ‘ আমি তোমাদের রব তথা পালনকর্তা নই? সমস্ত মানবাত্মা উত্তরে বলেছিল ‘হ্যাঁ, হে প্রভু! দ্বিতীয়ত : আল্লাহর দ্বীন তথা শরিয়তের যাবতীয় আদেশ নিষেধ মেনে চলার যে ওয়াদা তথা স্বীকৃতি আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার কাছে করা হয় সেটাই মূলত এ অঙ্গীকারের আসল অর্থ। যেমন একজন মানুষ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহর স্বীকৃতি দিয়ে মুখে উচ্চারণ করে মুসলমান হিসেবে পরিচয় দেয়। এর আসল অর্থই হলো একমাত্র আল্লাহ তায়ালাকেই ইলাহ মানতে হবে এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদকে (সা.) আদর্শ নেতা হিসেবে মেনে চলার অঙ্গীকার করা। আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদার অর্থই হলো খালেসভাবে তাঁর ইবাদত তথা দাসত্বের অঙ্গীকার করা।
১০. ভ্রান্ত পথে না চলা বা সঠিক পথে অটল থাকা মানে হলো জ্ঞান, বিবেক ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে শিরক, বিদআত এবং অন্ধানুকরণ বর্জন করা। এটি আল্লাহর নির্দেশিত সুদৃঢ় পথ (সীরাতুল মুস্তাকীম), যা শয়তানের প্ররোচনা ও ধ্বংসাত্মক কাজ থেকে রক্ষা করে। সঠিক পথে চলার জন্য কুরআন-হাদীস অনুসরণ, নেতিবাচক প্রভাব ও অন্ধবিশ্বাস ত্যাগ করা প্রয়োজন।

"আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরার আহ্বান"সৌদি রাজকীয় সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিশিষ্ট দাঈ শায়েখ আহমেদ বিন আলি বিন আহ...
16/03/2026

"আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরার আহ্বান"

সৌদি রাজকীয় সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিশিষ্ট দাঈ শায়েখ আহমেদ বিন আলি বিন আহমদ জুরাইয়ী আল্লাহর রজ্জু বা পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহকে ঐক্যবদ্ধভাবে আঁকড়ে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। এটি পরস্পর বিভেদ ভুলে, মুসলিম উম্মাহর ভ্রাতৃত্ব বজায় রেখে সরল পথে চলার একমাত্র উপায় কুরআন ও হাদিস।

আজ সোমবার বাদে জোহরের নামাজের পর জামিয়ার মসজিদ কমপ্লেক্সে মুসল্লী ও শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য নসিহত পেশ করছিলেন।

এই সময় জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম (রহঃ) কক্সবাজার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার আল্লামা সালাহুল ইসলাম হাফিজাহুল্লাহ তাঁর সাবলীল ভাষায়, মনমুগ্ধকর তরজমা করে উপস্থিত মুসল্লীদের বুঝিয়ে দিয়েছেন।

তিনি কোরআনে উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন,
‘আর তোমরা সবাই আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধর এবং পরস্পর বিভক্ত হয়ো না।
তাই আমাদেরকে উচিত, আল্লাহর রুজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরা। বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শিক্ষার ওপর আমল করে জীবন পরিচালনা করা।

তিনি আরো বলেন, ইসলামের আবির্ভাবের আগে নৈতিকতা বিবর্জিত এবং সব ধরনের ঘৃণ্য আচার-আচরণ এবং নির্লজ্জতা নিয়ে গৌরবকারী, দাম্ভিক ও বিদ্রোহী মনোভাব সম্পন্ন জাতি ছিল। যখন এই অসভ্য ও বর্বর জাতি বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মতো পবিত্রকারী ও সম্মানিত রাসুলের আঁচল ধরে, তার আনুগত্যবরণ করে এবং আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে তখন তাদের জীবনাচার পাল্টে যায়। তারা অসুস্থ্য ও পাপচারযুক্ত সভ্যতা থেকে মানুষ এবং মানুষ হতে উন্নত স্বভাব-চরিত্রের অধিকারী মানুষে পরিণত হয়। তারা হয়ে ওঠে উত্তম স্বভাবে পরিপূর্ণ আল্লাহপ্রেমী মানুষ।

উল্লেখ্য,শায়েখ আহমেদ বিন আলি বিন আহমদ জুরাইয়ী ঢাকাস্থ সৌদি আরবের দূতাবাস-এর রিলিজিয়াস অ্যাটাশের তত্ত্বাবধানে দ্বীনের দাওয়াতি সফরে সৌদি সরকারের নির্দেশে জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজারে আসেন গত ১০ রমজান। তিনি পুরো রমজান উপলক্ষে উক্ত জামিয়ায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সহীহ ইমান ও আকীদা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান জামিয়া মসজিদ কমপ্লেক্সে ৫ ওয়াক্ত নামাজ ও কক্সবাজারে বিভিন্ন এলাকায় দাওয়াতী কার্যক্রমকে বেগবান করাই তাঁর সফরের মূল উদ্দেশ্য।

"লা তুশরিক বিল্লাহ" "আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করা এক মহা জুলুম।” বিশিষ্ট দাঈ শায়েখ আহমেদ বিন আলি বিন আহমদ জুরাইয়ী বলেছেন,...
15/03/2026

"লা তুশরিক বিল্লাহ" "আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করা এক মহা জুলুম।”

বিশিষ্ট দাঈ শায়েখ আহমেদ বিন আলি বিন আহমদ জুরাইয়ী বলেছেন,আল্লাহর সত্তা, গুণাবলী বা ইবাদতে অন্য কাউকে সমকক্ষ বা অংশীদার করা যাবে না। ইসলামে সবচেয়ে বড় গুনাহ বা মহাপাপ হলো ‘শিরক'।
"লা তুশরিক বিল্লাহ" যার অর্থ "আল্লাহর সাথে কোনো শরিক বা অংশীদার সাব্যস্ত করো না।" আল্লাহর একত্ববাদের মূল ভিত্তি এবং ইসলামের সবচেয়ে বড় গুনাহ ‘শিরক’ থেকে বাঁচার নির্দেশ।
আজ রবিবার বাদে জোহরের নামাজের পর জামিয়ার মসজিদ কমপ্লেক্সে মুসল্লী ও শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য নসিহত পেশ করছিলেন।
তিনি হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর সাহাবীদের নসিহত করার সময়ও এই বাক্যটি ব্যবহার করেছেন। হাদিসে এসেছে যে, আল্লাহ তায়ালার সাথে কাউকে শরিক করা যাবে না, এমনকি যদি তোমাকে মেরে ফেলা হয় বা পুড়িয়ে ফেলা হয় তবুও।
শায়েখ আহমেদ বিন আলি বিন আহমদ জুরাইয়ী
হজরত লোকমান (আ:) উপদেশে প্রসঙ্গ টেনে বলেছেন,“স্মরণ করো, যখন লুকমান উপদেশ দিতে গিয়ে তার পুত্রকে বলেছিল, হে বৎস, আল্লাহর সাথে কোনো শরিক করো না (লা তুশরিক বিল্লাহ); নিশ্চয়ই আল্লাহর সাথে শরিক করা এক মহা জুলুম।”
এটি শিরকমুক্ত ইমান গঠনের এক চিরন্তন উপদেশ, যা মানুষের আকিদাহ শুদ্ধ রাখার মূলমন্ত্র বলে মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, শায়েখ আহমেদ বিন আলি বিন আহমদ জুরাইয়ী ঢাকাস্থ সৌদি আরবের দূতাবাস-এর রিলিজিয়াস অ্যাটাশের তত্ত্বাবধানে দ্বীনের দাওয়াতি সফরে সৌদি সরকারের নির্দেশে জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজারে আসেন গত ১০ রমজান। তিনি পুরো রমজান উপলক্ষে উক্ত জামিয়ায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সহীহ ইমান ও আকীদা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান জামিয়া মসজিদ কমপ্লেক্সে ৫ ওয়াক্ত নামাজ ও কক্সবাজারে বিভিন্ন এলাকায় দাওয়াতী কার্যক্রমকে বেগবান করাই তাঁর সফরের মূল উদ্দেশ্য।

"কুরআন সুন্নাহভিত্তিক ইখলাস পূর্ণ ইবাদাত করুন"সৌদি আরবের বিশিষ্ট দাঈ শায়েখ আহমেদ বিন আলি বিন আহমদ জুরাইয়ী বলেছেন, আল্লাহ...
14/03/2026

"কুরআন সুন্নাহভিত্তিক ইখলাস পূর্ণ ইবাদাত করুন"

সৌদি আরবের বিশিষ্ট দাঈ শায়েখ আহমেদ বিন আলি বিন আহমদ জুরাইয়ী বলেছেন, আল্লাহর ইবাদতে শিরক করা ভয়াবহ মহাপাপ, যা আল্লাহ কখনোই ক্ষমা করেন না। চূড়ান্ত ভক্তি, শ্রদ্ধা, ইবাদত , দোয়া, সাহায্য প্রার্থনা ও ভয় কেবল মাত্র আল্লাহর জন্যই নির্দিষ্ট । লোকদেখানো ইবাদত (রিয়া) ইবাদতের শিরকের অন্তর্ভুক্ত, যা মানুষের সব আমল নষ্ট করে দেয়।
আজ শনিবার জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম জামে মসজিদ কমপ্লেক্সে বাদে জোহরের নামাজের পর মুসল্লীদের উদ্দেশ্য নসিহত পেশ করেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার ও জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শায়েখ সালাহুল ইসলাম।
তিনি আরো বলেন, শিরক থেকে বাঁচার জন্য
একনিষ্ঠ ভাবে আল্লাহ ইবাদত, সালাত, সিয়াম, দু‘আ শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা লাগবে। একনিষ্ঠ ভাবে আল্লাহর
ভয় ও আশা নিয়ে একমাত্র তাঁর কাছেই সাহায্য চাওয়া এবং তাঁর শাস্তি ও দয়া নিয়ে আশা রাখতে হবে।
শিরকমুক্ত ইবাদত ও জ্ঞান অর্জন করতে কুরআন সুন্নাহভিত্তিক ইখলাস পূর্ণ ইবাদাত করুন। ছোট (লোক দেখানো ইবাদত) ও বড় শিরক কী তা জানা এবং তা থেকে সতর্ক থাকতে হবে। শিরক থেকে বাঁচতে আল্লাহর কাছে নিয়মিত সাহায্য চাওয়া। আল্লাহই একমাত্র স্রষ্টা, রিযিকদাতা ও ক্ষমতার মালিক—এই বিশ্বাস দৃঢ় করা। আল্লাহ তা‘আলা শিরক ছাড়া অন্য যেকোনো গুনাহ চাইলে ক্ষমা করতে পারেন, কিন্তু শিরক করা অবস্থায় মারা গেলে চিরস্থায়ী জাহান্নাম।

উল্লেখ্য, শায়েখ আহমেদ বিন আলি বিন আহমদ জুরাইয়ী ঢাকাস্থ সৌদি আরবের দূতাবাস-এর রিলিজিয়াস অ্যাটাশের তত্ত্বাবধানে দ্বীনের দাওয়াতি সফরে সৌদি সরকারের নির্দেশে জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজারে আসেন গত ১০ রমজান। তিনি পুরো রমজান উপলক্ষে উক্ত জামিয়ায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সহীহ ইমান ও আকীদা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান জামিয়া মসজিদ কমপ্লেক্সে ৫ ওয়াক্ত নামাজ ও কক্সবাজারে বিভিন্ন এলাকায় দাওয়াতী কার্যক্রমকে বেগবান করাই তাঁর সফরের মূল উদ্দেশ্য।

"উন্নত আখলাকই একজন মুসলমানের জীবনের সৌন্দর্য"সৌদি আরবের বিশিষ্ট দাঈ শায়েখ শায়েখ আহমেদ বিন আলি বিন আহমদ জুরাইয়ী বলেছেন, ঈ...
13/03/2026

"উন্নত আখলাকই একজন মুসলমানের জীবনের সৌন্দর্য"

সৌদি আরবের বিশিষ্ট দাঈ শায়েখ শায়েখ আহমেদ বিন আলি বিন আহমদ জুরাইয়ী বলেছেন, ঈমান ও আখলাক ইসলামের অবিচ্ছেদ্য অংশ, যেখানে ঈমান (বিশ্বাস) হলো মূল ভিত্তি এবং আখলাক (উত্তম চরিত্র) হলো তার বাস্তব প্রতিফলন। ঈমান অন্তরের বিশ্বাস ও স্বীকৃতির নাম , আর আখলাক হলো মানুষের প্রশংসনীয় স্বভাব, আচরণ ও নৈতিক গুণাবলী। উত্তম চরিত্র ঈমানের পূর্ণতা নিশ্চিত করে এবং নবীজী (সা.)-কে প্রেরণের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ছিল উন্নত আখলাক প্রতিষ্ঠা করা।
আজ শুক্রবার বাদে আছরের নামাযের পর পশ্চিম লার পাড়া জামে মসজিদের মুসল্লীদের উদ্দেশ্য উপরোক্ত কথা গুলো পেশ করেন।

তিনি আরো বলেন, আল্লাহ ও রাসূল (সা.)-এর ওপর আন্তরিক বিশ্বাস, স্বীকৃতি এবং আনুগত্যের নাম ঈমান। এটি অন্তরের কথা, জিহ্বার উচ্চারণ এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কাজের সমন্বয়। আনুগত্যের মাধ্যমে ঈমান বাড়ে এবং পাপের কারণে কমে।
তিনি কুরআনের উদ্বৃতি দিয়ে বলেন,
ঈমান ও আখলাকের সম্পর্ক একে অপরের পরিপূরক। সুন্দর চরিত্র ছাড়া ঈমান অপূর্ণ থেকে যায়। মুমিন ব্যক্তি উত্তম চরিত্রের অধিকারী হয় এবং আখলাকের মাধ্যমে আল্লাহ ও রাসূল (সা.)-এর নৈকট্য লাভ করা যায়। মজবুত ঈমানই মানুষকে উন্নত আখলাকের অধিকারী হতে অনুপ্রাণিত করে, যা একজন মুসলমানের জীবনের সৌন্দর্য।

উল্লেখ্য, শায়েখ আহমেদ বিন আলি বিন আহমদ জুরাইয়ী ঢাকাস্থ সৌদি আরবের দূতাবাস-এর রিলিজিয়াস অ্যাটাশের তত্ত্বাবধানে দ্বীনের দাওয়াতি সফরে সৌদি সরকারের নির্দেশে জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম রহঃ কক্সবাজারে আসেন গত ১০ রমজান। তিনি পুরো রমজান উপলক্ষে উক্ত জামিয়ায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সহীহ ইমান ও আকীদা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান জামিয়া মসজিদ কমপ্লেক্সে ৫ ওয়াক্ত নামাজ ও কক্সবাজারে বিভিন্ন এলাকায় দাওয়াতী কার্যক্রমকে বেগবান করাই তাঁর সফরের মূল উদ্দেশ্য।

Address

South Mohori Para, Link Road, Jhilwanja
Cox's Bazar
4701

Opening Hours

Monday 07:00 - 18:00
Tuesday 07:00 - 18:00
Wednesday 07:00 - 18:00
Thursday 07:00 - 18:00
Friday 04:00 - 14:00
16:00 - 20:00
Saturday 07:00 - 22:00
Sunday 07:00 - 20:00

Telephone

+8801715076905

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jamiatul Imam Muslim Cox's Bazar - JIMC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Jamiatul Imam Muslim Cox's Bazar - JIMC:

Share