Comilla Victoria College-Economics Department

Comilla Victoria College-Economics Department Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Comilla Victoria College-Economics Department, College & University, Dharmo pur, Cumilla.

26/02/2024
11/06/2023

আল্লাহর রাসুল (সঃ) এর একটি হাদিসই যথেষ্ট আমাদের জীবনের মোড়কে ঘুরিয়ে দিতে।

খালিদ বিন ওয়ালিদ রাঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- একদা এক ব্যক্তি রাসুল (সঃ) এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল!
আমি আপনার কাছে ইহকালীন ও পরকালীন কিছু বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে চাই।
জবাবে রাসুল (সঃ) বললেন- তোমার যা ইচ্ছে হয় জিজ্ঞেস কর। তখন উক্ত ব্যক্তি এক এক করে প্রিয় রাসূলকে ২৪ টি প্রশ্ন করলেন। যথাঃ

প্রশ্ন-১ঃ
আমি সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী হতে চাই। ( কিভাবে সবচেয়ে জ্ঞানী হওয়া যায়।?)
রাসূল (সঃ) জবাবে বললেন-
"তুমি আল্লাহকে ভয় কর। তাহলে তুমি সবচেয়ে অধিক জ্ঞানী হয়ে যাবে।"

প্রশ্ন-২ঃ
আমি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে অমুখাপেক্ষী হতে চাই।
জবাবঃ
"তুমি অল্পে তুষ্ট থাক। তবেই সবচেয়ে অধিক অমুখাপেক্ষী হবে।"

প্রশ্ন-৩ঃ
আমি মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি হতে চাই।
জবাবে রাসূল স. বললেন-
"মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি যে মানুষের উপকার করে। সুতরাং তুমি মানুষের উপকারী হয়ে যাও”।

প্রশ্ন-৪ঃ
আমি মানুষের মধ্যে সর্বাধিক ন্যায়পরায়ণ হতে চাই।
জবাবঃ
"তুমি তোমার নিজের জন্য যা পছন্দ কর মানুষের জন্যও তাই পছন্দ কর। তাহলেই তুমি সর্বাধিক ন্যায়পরায়ণ হয়ে যাবে।"

প্রশ্ন-৫ঃ
আমি আল্লাহর নিকট বিশিষ্ট ব্যক্তি হতে চাই।
আল্লাহর রাসূল স. বললেন-
"তুমি বেশী করে আল্লাহকে স্মরণ (জিকির) কর।তাহলেই তুমি আল্লাহর নিকট বিশিষ্ট বান্দা হয়ে যাবে। "

প্রশ্ন-৬ঃ
আমি অনুগ্রহকারীদের (মু্হসিন) দলভুক্ত হতে চাই।
জবাবঃ
"আল্লাহর ইবাদত ঐভাবে কর যেন তুমি আল্লাহকে দেখছো। যদি তা না পার অন্ততঃ এতুটুকু বিশ্বাস কর যে তিনি তোমাকে দেখছেন।"

প্রশ্ন-৭ঃ
আমি পরিপূর্ণ ঈমানদার হতে চাই।
নবী স. জবাবে বললেন-
"তোমার চরিত্র ভালো কর। তবেই তোমার ঈমান পুর্ণতা পাবে।"
প্রশ্ন-৮ঃ
আমি আল্লাহর আনুগত্যকারীদের অন্তর্ভূক্ত হতে চাই।
জবাবঃ
"তুমি আল্লাহর ফরজ বিধানসমুহ আদায় কর। তবেই তুমি আনুগত্যশীলদের অন্তর্ভূক্ত হবে।"

প্রশ্ন-৯ঃ
আমি পাপমুক্ত অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করতে চাই।
জবাব তিনি বললেন-
"তুমি অপবিত্র হলে ভালো করে পবিত্রতার গোসল কর। তাহলেই কিয়ামতের দিন বে-গুনাহ অবস্থায় আল্লাহর সাথে মিলিত হবে।"

প্রশ্ন-১০ঃ
আমি কিয়ামতের দিবসে নুরের মধ্যে আমার হাশর হওয়া পছন্দ করি।
রাসূল স. এর জবাব-
"তুমি কারো উপরে জুলুম করো না। তাহলেই কিয়ামতের দিবসে নূরের মধ্যে তোমার হাশর হবে।"

প্রশ্ন-১১ঃ
আমি পছন্দ করি আমার রব আমার উপর দয়া করুক।
জবাবে রাসূল স. বললেন-
"তুমি তোমার নিজের প্রতি ও আল্লাহর সৃষ্টজীবের প্রতি দয়া কর। তাহলে আল্লাহ তোমার উপর দয়া করবেন।

প্রশ্ন-১২ঃ
আমি চাই যে আমার গুনাহ কম হোক।
জবাবঃ
"আল্লাহর কাছে তওবা করো। তাহলে (ক্ষমাপ্রাপ্ত হয়ে) তোমার গুনাহ কমে যাবে।”

প্রশ্ন-১৩ঃ
আমি মানুষের মাঝে সম্মানিত হওয়াকে পছন্দ করি।
রাসূল স. এর জবাবঃ
"তুমি মানুষের নিকট আল্লাহর বিরুদ্ধে নালিশ করো না। তাহলে তুমি সম্মানিত হতে পারবে।"

প্রশ্ন-১৪ঃ
আমি চাই আমার রিজিক বিস্তৃত হোক।
জবাবে তিনি বললেন-
"সর্বদা পবিত্র অবস্থায় থাক। তাহলে তোমার রিজিক প্রশস্ত হবে। "

প্রশ্ন-১৫ঃ
আমি আল্লাহ ও তার রাসূলের প্রিয়জনের অন্তর্ভুক্ত হতে চাই।
জবাব ছিলো-
"তবে আল্লাহ ও তার রাসুল যা পছন্দ করেন তুমিও তাই পছন্দ কর।"

প্রশ্ন-১৬ঃ
আমি আল্লাহর ক্রোধ থেকে নিরাপদ থাকতে চাই।
জবাবঃ
"তুমি কারো প্রতি রাগান্বিত হয়ো না। তাহলে তুমি আল্লাহর ক্রোধ থেকে বেঁচে থাকতে পারবে।"

প্রশ্ন-১৭ঃ
আমার দোয়া কবুল হোক আমি তা পছন্দ করি।
জবাবঃ
"তুমি হারাম থেকে বিরত থাক, তাহলে তোমার দোয়া কবুল হবে।"

প্রশ্ন-১৮ঃ
আমি চাই যে আল্লাহ আমাকে জনসমক্ষে অপমান না করুক।
রাসূল স. বললেন-
"তোমার লজ্জাস্থানের হিফাজত কর, যেন জনসম্মুখে তোমাকে অপদস্ত করা না হয়।"

প্রশ্ন-১৯ঃ
আমি কামনা করি আল্লাহ যেন আমার দোষত্রুটি গোপন রাখেন।
জবাবে রাসূল স. বললেন-
"তুমি অপর মুসলিম ভাইয়ের দোষত্রুটি গোপন রাখো, তবে আল্লাহও তোমার দোষত্রুটি গোপন রাখবেন।"

প্রশ্ন-২০ঃ
কোন জিনিস আমার গুনাহসমুহ মিটিয়ে দিবে ?
রাসূল স. বললেন-
"চোখের পানি, নম্রতা এবং রোগব্যাধী তোমার গুনাহসমূহ মিটিয়ে দিবে”।

প্রশ্ন-২১ঃ
কোন নেক কাজ আল্লাহর নিকট সবচেয়ে উত্তম?
জবাবঃ
"উত্তম চরিত্র, বিনয়, বিপদে ধৈর্য ধারণ করা এবং আল্লাহর ফায়সালার উপর সন্তুষ্ট থাকা।"

প্রশ্ন-২২ঃ
কোন গুনাহ আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড়?
রাসূল স. জবাবে বললেন-
"মন্দ সভাব ও কৃপণতা আল্লাহর নিকট বড় গুনাহ।"

প্রশ্ন-২৩ঃ
কোন জিনিস আল্লাহর গজবকে প্রশমিত করে?
জবাবঃ
"গোপনে দান-সাদাকাহ করা এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা।"

প্রশ্ন-২৪ঃ
কোন জিনিস জাহান্নামের আগুন নিভিয়ে দেয়?
জবাবে রাসূল সাঃ বললেন-
"রোজা জাহান্নামের আগুন নিভিয়ে দেয়।"
[সুত্রঃ কানজুল উম্মাল, খন্ডঃ ১৬, পৃষ্ঠাঃ ১২৭, হাদিসনং ৪৪ এবং ১৫৪]

পরোয়ার দিগারে আলম আমাদের কে তোমার পিয়ারা হাবিবের প্রিয় উম্মতদের দল ভুক্ত করে নাও। আমিন।

03/07/2022

জীবনের সুন্দর একটি হিসাব দেখুন, বুঝুন এবং চিন্তা করুন।

যদি A, B, C, D, E, F, G, H, I, J, K, L, M, N, O, P, Q, R, S, T, U, V, W, X, Y, Z = 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10, 11, 12, 13, 14, 15, 16, 17, 18, 19, 20, 21, 22, 23, 24, 25, 26
অর্থাৎ A to Z এর মান যদি এমনভাবে ধরি যেখানে : A=1, B=2, C=3, D=4, E=5, F=6, G=7, H=8, I=9, J=10, K=11, L=12, M=13, N=14, O=15, P=16, Q=17, R=18, S=19, T=20, U=21, V=22, W=23, X=24, Y=25, Z=26

তাহলে,,,
তুমি যতই পরিশ্রমী হও না কেনো, তোমার পরিশ্রম তোমাকে ভালো একটা জায়গায় নিয়ে যাবে, কিন্তু শতভাগ না।
Hard Work:
H+A+R+D+W+O+R+K= 8+1+18+4+23+15+18+11=98%

তুমি যতই বিজ্ঞ হও না কেনো, কখনো কখনো তা কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে কম সফলতা আনতে পারে।
Knowledge:
K+N+O+W+L+E+D+G+E=
11+14+15+23+12+5+4+7+5=96%

আর তুমি যদি ভাগ্যের ভরসায় বসে থাকো, তা কোনো কূলেই তোমায় ভেরাবে না।
Luck:
L+U+C+K=
12+21+3+11=47%

অর্থাৎ এদের কোনোটাই 100% করতে পারে না, তাহলে সেটা কী যা 100% করতে পারে???
Money?? না, এটা 72%
Leadership?? না, এটা 97%
তাহলে??

সব সমস্যারই সমাধান করা সম্ভব, যদি আমাদের থাকে একটা পারফেক্ট Attitude বা দৃষ্টিভঙ্গি হ্যা, একমাত্র Attitude ই আমাদের জীবনকে করতে পারে 100% সফল......

A+T+T+I+T+U+D+E=
1+20+20+9+20+21+4+5=100%

সুতরাং দৃষ্টিভঙ্গি বদলান, জীবন এমনিতেই বদলে যাবে।

সংগৃহীত

03/04/2020

করোনা পরবর্তী দুনিয়া
লিখেছেন - বুরহানউদ্দীন আজাদ (তুরষ্ক থেকে)
__________________________________________

অনেক বড় বড় বিশেষজ্ঞগণ মতামত দিচ্ছেন যে, করোনা ভাইরাস ল্যাবরেটরীতে সৃষ্ট একটি যুদ্ধ। আর যদি এটা যুদ্ধই হয়ে থাকে তাহলে এটা হয় চীন শুরু করেছে না হয় অ্যামেরিকা। তবে এই যুদ্ধ যেই শুরু করুক না কেন তা এখন আর তাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। আর এই করোনার ভয়াবহতা এমন পর্যায়ে উপনীত হয়েছে যে করোনা পরবর্তী নতুন এক দুনিয়া আমাদের সামনে এসে দাঁড়াবে। করোনা পরবর্তী সময়ে যা যা হতে পারে,

১। দুনিয়ার অর্থনীতি নতুন করে গঠিত হবে। বর্তমান অর্থনীতি হল কেইনেসিয়ান অর্থনীতি। অর্থনৈতিক এই মডেল ১৯৩০ সালের মহামন্দার পরে প্রয়োগ করা হয় যা আজ অবধি চলে আসছে। তবে ২০০৮ সালের মন্দার পর এক অর্থে বলতে গেলে গ্লোবাল ফাইন্যান্স সিস্টেম একেবারে ধ্বসে পড়েছে। পুঁজিবাদীদের হাতে অন্য কোন মডেল না থাকায় ১২ বছর ধরে এই মডেল দিয়ে কোনমতে চালিয়ে আসছিল। কিন্তু করোনা এর পথও রুদ্ধ করে দিল। ২০১০ সাল থেকে অ্যামেরিকার ফেডারেল ব্যঙ্ক মোট ৯০০ বিলিয়িন ডলার ছাপিয়েছে। কিন্তু করোনা আক্রমণের পরে গত এক সপ্তাহেই ডলার ছাপিয়েছে ১ ট্রিলিয়ন ডলার! বেকার হয়েছে ৪০ লাখের বেশী মানুষ। ট্রাম্প এক দিকে চাচ্ছে FED দখলে নিতে আর FED চাচ্ছে ট্রাম্পকে ক্ষমতচ্যুত করতে। অবস্থা যাই হোক না কেন, করোনার পর সৃষ্ট হবে নতুন অর্থ ব্যবস্থা!

এখন প্রশ্ন আসে সেই অর্থনীতি কিসের ভিত্তিতে হবে? বণ্টন নীতি নাকি সম্পদকে গচ্ছিত করার নীতি? মুসলমানগণ যদি শক্তিশালী হত তাহলে এটা অনেক বড় একটা সুযোগ ছিল নতুন অর্থনীতিকে ইসলামী অর্থনীতির আলোকে সাজানোর।

২। পরাশক্তিদের মধ্যে পরিবর্তন আসবে। তবে এই যুদ্ধে যেই জিতুক মূল চাপ এসে পড়বে ভঙ্গুর দেশ সমূহের উপর। তথা এই যুদ্ধে পরাজিত দেশ এই দুর্বল ও ভঙ্গুর দেশ সমূহ থেকে সম্পদ লুণ্ঠন করে অতীতের মতই তাদের সাম্রাজ্য গড়ে তোলার চেষ্টা করবে। আর সম্পদ সমৃদ্ধ ও ভঙ্গুর দেশ সমূহ কোন গুলো?

এক কথায় উত্তর মুসলিম দেশ সমূহ !

সকল সম্পদে ভরুপুর এই দেশ সমূহ। যদি মুসলমানগণ নিজেদের সম্পদকে রক্ষা করার জন্য এখনি প্রস্তুতি নিতে শুরু করে তাহলে আগামীতে মুসলমানরাই হবে বিশ্বের অনুঘটক। আর যদি না পারে তাহলে আরও যে কত দিন মার খেতে হবে তা আল্লাহ জানেন।



৩। ধর্মকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিবে কারণ তথাকথিত আলেমদের অযাচিত কথা বার্তার কারণে ধর্ম ব্যাপকভাবে গ্রহণ যোগ্যতা হারাবে। একটি মাত্র টিকার কাছে হেরে যাবে দ্বীন। যদি এই সকল মহামারীর ইতিহাসের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাই যে, খৃষ্টান ধর্ম কিভাবে মানুষের কাছে তার গ্রহণ যোগ্যতা হারিয়েছিল। যার ফলে মানুষকে দ্বীনের পথে দাওয়াত দেওয়ার ক্ষেত্রে যে ভাষা ব্যবহার করা হয় সেটাতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।

৪। শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে। কারণ পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে এই বেকার তৈরির কারখানা আর কেউ চালাতে চাইবে না। যার ফলে নতুন এক শিক্ষা ব্যবস্থা আসবে।

আসুন ঘরে বসে অন্যান্য বিষয়ের সাথে এই সকল বিষয় নিয়েও চিন্তা করি কই আযান দিল, কই কে গরুর মূত্র পান করল , কই থানকুনি পাতা পাওয়া গেল এই সব রোমান্টিক বিষয় বাদ দিলে বিশ্বকে ডকট্রিনাল দৃষ্টি কোন থেকে বিবেচনা করার জন্য করোনার পেছনে কি ঘটছে তা দেখার চেষ্টা করি।।

29/03/2020

জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটি থেকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত একটা পোস্টের বাংলা অনুবাদ উপস্থাপন করলাম:
এটা থেকে করোনার বৈশিষ্ট, গতি -প্রকৃতি ও প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা পাওয়া যায়।

* ভাইরাস জীবন্ত প্রাণী নয়। এটি প্রোটিনের অণু (ডিএনএ) যা লিপিডের (চর্বি) মোড়কে মোড়ানো।এটা আমাদের নাক-চোখ-মুখের মাধ্যমে শরীরে ঢুকে গেলে নিজের জেনেটিক কোড বদলে ফেলে শক্তিশালী ও আত্রমণাত্মক হয়ে ওঠে।

* ভাইরাস যেহেতু কেবলই একটি প্রোটিন অণু এবং জীবন্ত নয় তাই এটাকে মেরেও ফেলা যায় না। তবে সে নিজে থেকে ধ্বংস হতে পারে। এটা কতক্ষণে ধ্বংস বা ক্ষয় হবে তা নির্ভর করে এর থাকার স্থানটির তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও স্থানটি কী উপাদানে তৈরি, তার উপরে।

* করোনা ভাইরাস ভঙ্গুর কারণ সুরক্ষার জন্য তা কেবল একটি চর্বির স্তর দিয়ে মোড়ানো। এ কারণেই সাবান ও ডিটারজেন্ট ভাইরাসটি থেকে মুক্ত হবার সহজ উপায়। সাবান ও ডিটারজেন্ট মূলত যে কোনো স্থানের তেল বা চর্বি সরাতে পারে। তেল বা চর্বি সরানোর উদ্দেশ্যে আমাদের অন্তত টানা ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার করতে হয় যাতে করে প্রচুর ফেনা তৈরি হতে পারে। এর ফলে ভাইরাসের উপরের চর্বির স্তর ভেঙে গিয়ে পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে যায়।

* গরম তাপমাত্রা চর্বি গলাতে কার্যকর। এজন্যে হাত বা কাপড় ধোয়ার ক্ষেত্রে অন্তত ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করা উচিত। এ ছাড়া, সাবান ব্যবহারের ক্ষেত্রে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে বেশি ফেনা তৈরি করতে পারে বলে ভাইরাসটিকে আরো দ্রুত অকার্যকর করতে পারে।

* অ্যালকোহল কিংবা অন্তত ৬৫% অ্যালকোহলের মিশ্রণ যে কোনো ধরনের তেল অথবা চর্বি ভাঙার জন্য উপযুক্ত। ভাইরাসের শরীরের বাইরের চর্বির স্তর ভাঙতে অ্যালকোহলের মিশ্রণ অত্যন্ত কার্যকর একটি উপায়।

* এক ভাগ ব্লিচ ও পাঁচ ভাগ পানির মিশ্রণ সরাসরি প্রয়োগে প্রোটিন ভেঙে যায়। তাই এই মিশ্রণ ভাইরাসটিকে ভিতর পর্যন্ত গলিয়ে ধ্বংস করতে পারে।

* সাবান, অ্যালকোহল এবং ক্লোরিন যদি অক্সিজেন চালনা করা পানির (অক্সিজেনেটেড ওয়াটার) সঙ্গে ব্যবহার করা হয় তবে তা অপেক্ষকৃত দীর্ঘ সময় ধরে ভাইরাসের কার্যক্ষমতা ঠেকাতে সাহায্য করে। এর কারণ অক্সিজেন চালনা করা পানিতে থাকা পারঅক্সাইড ভাইরাসের প্রোটিনকে গলিয়ে ফেলতে পারে। এটি বিশুদ্ধ হলে ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ত্বকের জন্য সুবিধাজনক নয়।

* ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসে যা ব্যবহার করা হয় তা দিয়ে ভাইরাস থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব না। ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার মতো জীবন্ত প্রাণী নয়। যা জীবন্ত নয় তাকে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করে হত্যা করার প্রশ্ন নেই। তবে আগে যা যা উপায় বলা হলো সেসব অনুসরণ করে ভাইরাসকে ভেঙে ধ্বংস করা সম্ভব।

* ব্যবহৃত বা অব্যবহৃত পোশাক, কাপড় বা চাদর ঝাড়া দেয়া যাবে না। কাপড় ঝাড়লে তা থেকে নিসৃত ভাইরাস কোথাও পড়লে সেখানেই আটকে থাকে। কাপড় বা সমধর্মী জিনিসে ৩ ঘণ্টা, তামা বা কাঠে ৪ ঘণ্টা (যেহেতু তামা নিজেই জীবাণু ধ্বংস করতে পারে এবং কাঠ ক্রমাগত আর্দ্রতা হারাতে থাকে), হার্ডবোর্ডের উপরে ২৪ ঘণ্টা, ধাতব জিনিসে ৪২ ঘণ্টা এবং প্লাস্টিকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত ভাইরাসটি টিকে থাকতে পারে। ভাইরাস আছে এমন কিছুকে ঝাড়া দিলে বা তার উপরে পালকের ডাস্টার ব্যবহার করলে ভাইরাসের অণুগুলো বাতাসে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত ভাসতে পারে এবং মানুষের নাকে ঢুকে যেতে পারে।

* ভাইরাস অণুগুলো ঠান্ডা আবহাওয়ায়, এমনকি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাড়ি বা গাড়িতে অত্যন্ত ভালোভাবে টিকে থাকতে পারে। বেশি কার্যকর থাকার জন্য ভাইরাসটির আর্দ্রতা এবং অন্ধকারের উপস্থিতির প্রয়োজন পড়ে। এ কারণে একদিকে শুকনো বা কম আর্দ্রতাবিশিষ্ট আবহাওয়া, অন্যদিকে, গরম এবং উজ্জ্বল পরিবেশে ভাইরাসটি দ্রুত ধ্বংস হয়।

* ইউভি লাইট ভাইরাসটিকে তার প্রোটিন ভেঙে যে কোনো কিছুর উপর থেকে ধ্বংস করতে পারে। এভাবে একটি মাস্ককে ব্যবহারের পর ভাইরাসমুক্ত করে আবারো ব্যবহার করা যেতে পারে। কিন্তু ইউভি লাইট যেহেতু ত্বকের কোলাজেন ভেঙে দেয় তাই মুখে বলিরেখা থেকে শুরু করে ত্বকের ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে।

* ভাইরাসটি সুস্থ এবং স্বাভাবিক ত্বকের ভিতরে সরাসরি প্রবেশ করতে পারে না।

* করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত হতে ভিনেগার কার্যকর নয় কারণ ভিনেগার প্রোটিন ধ্বংস করতে পারে না।

* স্প্রিট বা ভদকা ভাইরাসটি ধ্বংস করতে করতে কার্যকর নয়। ভদকায় অ্যালকোহলের সর্বোচ্চ মাত্রা হতে পারে ৪০% কিন্তু ভাইরাসটি ধ্বংস হতে কমপক্ষে ৬৫% অ্যালকোহল দরকার।

* করোনা ভাইরাসকে ধ্বংস করে, অ্যালকোহলসমৃদ্ধ এমন কিছুর কথা ভাবলে একমাত্র বলা যেতে পারে কোনো কোনো লিসটারিনের (মাউথ ওয়াশ) কথা যাতে ৬৫% অ্যালকোহল থাকে। তবে বেশিরভাগ লিসটারিনে থাকে ২০% থেকে ৩০% অ্যালকোহল যা ভাইরাসটি ধ্বংসে কার্যকর নয়।

* বদ্ধ স্থানে ভাইরাসটির প্রকোপ বেশি হবে। উলটোদিকে উন্মুক্ত এবং বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে ভাইরাসের উপস্থিতি কম হবে।

* এটা অবশ্য অনেকবার বলা হয়েছে, তবু আরেকবার বললে ক্ষতি নেই যে, নাক, খাবার, দরজার লক, যে কোনো সুইচ, রিমোট কন্ট্রোলার, সেল ফোন, ঘড়ি, কম্পিউটার, টেবিল ও টেলিভিশন জাতীয় জিনিস ধরার আগে ও পরে হাত ধোয়া জরুরি। ওয়াশরুম ব্যবহার করলে হাত তো ধুতে হবেই।

* বারে বারে ধোয়া হাত ভালোমতো শুকাতেও হবে। কারণ ত্বকের যে কোনো ফাটলে ভাইরাস লুকিয়ে থাকতে পারে। ত্বক আর্দ্রতাকারী লোশন বা ক্রিম যত ভারি ও তৈলাক্ত হয় তত ভালো।

* হাতের নখ ছোটো করে কেটে রাখা উচিত যেন তাতে ভাইরাস ঢুকে থাকতে না পারে।

সবাই সুস্থ থাকুন, ভাল থাকুন মহান আল্লার নিকট এই প্রার্থনা করি।

27/03/2020

‘ইট ইজ সিরিয়াস।
প্লিজ টেইক ইট সিরিয়াসলি’

কথাগুলো জার্মান সরকার প্রধান আঙ্গেলা মেরকেলের।
গভীর মূল্যবোধের authentic leader হিসেবে পরিচিত আঙ্গেলা মেরকেল। কোয়ান্টাম রসায়নে ডক্টরেট করা মানুষ, নিজে বিজ্ঞানী ছিলেন, জার্মান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সে অনেকদিন কাজ করেছেন। জার্মানির করোনা মনিটরিংয়ের দায়িত্বে আছে মাইক্রোবায়োলজির প্রবাদ পুরুষের প্রতিষ্ঠান, Robert Koch Institute. এর বিজ্ঞানীরা করোনা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, জন হপকিন্স ইউনিভারসিটি, ইমপিরিয়াল কলেজ লন্ডন আর চীনের ভাইরোলজিস্টদের সাথে কাজ করছেন। তাই করোনার বিষয়ে জার্মানির কথায় গুরুত্ব দেয়া যায়।

আঙ্গেলা মেরকেলের জার্মানি করোনাকে দারুণ সিরিয়াসভাবে নিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মিউজিয়াম, খেলার মাঠ, জিম, সুইমিংপুল, মুভিথিয়েটার সব বন্ধ; সীমান্ত সীল করা; বিদেশীদের প্রবেশ বারণ, ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক জমায়েত নিষেধ করা। তারা বলছে, মানুষকে ঘরে থাকতে হবে। অর্থনীতি শুকিয়ে যাচ্ছে, যাক। সামাজিক জীবন রুদ্ধ হচ্ছে, হোক। করোনা কোনো hoax না। hype না। এটা ভয়াবহ সত্যি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মানবতার সবচেয়ে বড় দুর্যোগ।

🔥🌀
'প্রতিদিন নতুন বাস্তব'
কেউ কি ভেবেছিল, ইউরোপ-আমেরিকা-জাপানের অর্থনীতি-বন্দর-এয়ারেপোর্ট-বর্ডার দিনের পর দিন shutdown থাকবে? শহরে পর শহর লকডাউন হবে, স্কুল-ক্লাব- পার্ক-শপিংমল বন্ধ করে কোটি কোটি মানুষ দিনের পর দিন ঘরে বসে থাকবে? ধনী দেশের বিত্তবান মানুষেরা এভাবে হাজারে হাজারে মরতে থাকবে, মৃত্যুর সময় পাশে কাউকে পাবেনা, প্রথাগত funeral টাও হবেনা? মসজিদুল হারামে নামাজ পড়া বন্ধ হবে, কাতারে আযানের বাণী বদলে যাবে (মসজিদের বদলে ঘরে নামাজের ডাক), সৌদি আরব-ইরানে জুমার নামাজ স্থগিত হবে, ভ্যাটিকানে প্রবেশ-প্রার্থনা বন্ধ হবে? কী হতে বাকী?
আমরা এখন 'dynamic normal' এ আছি। প্রতিদিন নতুন বাস্তবতা লিখা হচ্ছে। অস্বাভাবিক, অকল্পনীয় সব ব্যাপার ঘটছে।

সামনে পৃথিবী আরো অনেক কিছু দেখবে যা কেউ কখনো কল্পনাতেও আনে নি। সব কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
এখন অবাক হওয়ার সময় না। ভয় পাওয়ার, প্যানিক করার সময় না। এখন প্রতিজ্ঞা নিয়ে, অবিচল মনোবল নিয়ে, প্রজ্ঞা নিয়ে, সাহস ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে পরিস্থিতি সামাল নেয়ার সময়। Human race এর পরীক্ষার সময়। মানুষ হিসেবে আমাদের যোগ্যতা প্রমাণের সময়।

🔴🌑
দ্য টেইল অব টু সিটিজ
একশ বছর আগে, ১৯১৮-১৯১৯ সময়ে ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারী (স্প্যানিশ ফ্লু) পৃথিবীকে তছনছ করেছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলছে তখন; মার্কিন যুবকরা যুদ্ধে নাম লেখাচ্ছে, ব্যারাকে প্রশিক্ষন নিচ্ছে, প্রতিমাসে দলে দলে ইউরোপের যুদ্ধক্ষেত্রে যাচ্ছে, আসছে। এ অবস্থায় ১৯১৮ সালের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের এক সেনা ক্যাম্পে ফ্লু শুরু হয়। মার্কিন সৈন্যদের মাধ্যমে পরে তা ইউরোপ হয়ে বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্বের ৫০ কোটি লোক সে ফ্লুতে আক্রান্ত হয়; মারা যায় ৫ কোটি!

মিসৌরীর সেইন্ট লুইস শহরের হেলথ কমিশনার তখন ডা. ম্যাক্স স্টার্কলফ (Max Starkloff)। শহরের পাশে সেনা ব্যারাকে ভয়াবহ স্প্যানিশ ফ্লু ছড়িয়ে পড়ার খবর যখন শহরে আসে, হেলথ কমিশনার স্টার্কলফ সাথে সাথে শহরে সবাইকে জানিয়ে দিলেন কেউ যেন ব্যারাকে না যায়, সৈন্যদের সংস্পর্শে না আসে। কিন্তু খুব কাজ হলো না। কেউ বিপদ বুঝতে পারছে না। শহরের মানুষ গোপনে ব্যারাকে যাচ্ছে, সেন্যদের সাথে মিশছে।

সে সময় যুদ্ধব্যয় মেটানোর জন্য জনগণের কাছ থেকে Liberty Loan তোলা হতো। সে উপলক্ষে শহরে শহরে সৈন্যদের উপস্থিতিতে জাঁকঝমকপূর্ন প্যারেড হতো; হাজার হাজার মানুষ সে প্যারেড দেখতে আসতো। অক্টোবরের ৫ তারিখে সেইন্ট লুইসে একই পরিবারের সাতজন নতুন ফ্লুতে আক্রান্ত হলে ডা. স্টার্কলফ সেইন্ট লুইস শহরের Liberty Loan প্যারেড বন্ধ করালেন। দু’দিন পর, ৭ অক্টোবরে শহরে আক্রান্তের সংখ্যা যখন একলাফে একশতে উঠলো, ডা. স্টার্কলফ শহরের মেয়র, রেডক্রস প্রতিনিধি, ফেডারেল স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষাবিদ ও ব্যবসায়ীদের জরুরি সভায় ডাকলেন। তাদেরকে বুঝালেন, এটা ভয়াবহ মহামারী; এখন মানুষকে বাঁচানোর একটাই উপায়: শহর থামিয়ে দেয়া। মানুষকে ঘরে আটকে রাখা। একজনের সাথে আরেকজনকে মিশতে না দেয়া। অক্টোবরের ৮ তারিখ থেকে শহরের শপিংমল, সেলুন, মুভিথিয়েটারসহ প্রায় সব কিছু বন্ধ করে দেয়া হলো। চার্চে যাওয়া স্থগিত করা হলো। পরের দিন বন্ধ করে দেয়া হলো সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
ডা. স্টার্কলফ শহরের সব মেডিক্যাল স্টাফ, শিক্ষক, পাবলিক অফিসিয়ালস, ভলান্টিয়ারদেরকে মহামারী বিষয়ে প্রস্তুত করলেন। সবাইকে দায়িত্ব ভাগ করে দিলেন। ঝাপিয়ে পড়ার মন্ত্রে দীক্ষিত করে রাখলেন।

স্টার্কলফের পথ মসৃণ ছিলনা। কয়েক সপ্তাহ শহর অচল থাকায় ব্যবসায়ীরা অধৈর্য হয়েছে, জনগণ অস্থির হয়েছে। অনেকে তার উপর ক্ষুব্ধ হয়েছে। অহেতুক বাড়াবাড়ি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে। কিন্তু ডা. স্টার্কলফ দৃঢ়, অবিচল থেকেছেন।

সে সময়ের আরেক শহর ফিলাডেলফিয়াতে ১৯১৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর তারিখে যখন স্প্যানিশ ফ্লু দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে আসে, শহরের স্বাস্থ্যবিভাগের প্রধান ডা. উইলমার ক্রুসেন (Wilmer Krusen) খুব একটা গুরুত্ব দিলেন না। প্রস্তুতির দিকেও গেলেন না। বলতে থাকলেন, লোকজন যদি নিজেদের একটু warm রাখে, পা শুষ্ক রাখে, তাজা বাতাসে শ্বাস নেয়, পেট পরিস্কার রাখে তাহলে এই ফ্লুতে তেমন কিছু হবে না। ওদিকে শহরে রোগীর সংখ্য বাড়ছে। ২৮ সেপ্টেম্বর তারিখে শহরে Liberty Loan প্যারেড হবে; ডা. ক্রুসেন তাও থামালেন না।
ফিলাডেলফিয়ার দুই লাখ মানুষ ২৮ সেপ্টেম্বর তারিখের সে প্যারেড দেখতে আসে। তাদের অনেকে স্পানিশ ফ্লুর ভাইরাস নিয়ে বাড়ি ফেরে।
তিন দিনের মাথায় শহরের হাসপাতালগুলো আক্রান্ত মানুষে উপচে উঠে। রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকায় এখানেও স্কুল-কলেজ- বার- ব্যবসা বন্ধ করা হলো, কিন্তু পরিস্থিতি তখন নিয়ন্ত্রণের অতীত। মাস জুড়ে চলেছে মৃত্যুর মিছিল।

দুই শহরের মধ্যে আরো একটা পার্থক্য ছিল। সেইন্ট লুইসের মানুষেরা composure রেখে, একতাবদ্ধ হয়ে মহামারী মোকাবেলা করেছে। আর তখন ফিলাডেলফিয়া হয়ে পড়েছে এক বেসামাল, বিশৃঙ্খল, স্বার্থপর শহর। নিজের মানুষদের চিকিৎসার জন্য লোকজন মহল্লায় ডাক্তারদের আটকে রাখছে, নার্সদেরকে হাইজ্যাক করে নিজের বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছে!

একমাস পর যখন মহামারী থামে, ফিলাডেলফিয়া শহরে ১ লাখ ৫০ হাজার আক্রান্ত হয়েছে, প্রাণ হারিয়েছে ১৫ হাজার। যুক্তরাষ্ট্রের আর কোনো শহরে স্পানিশ ফ্লুতে এত বেশি হারে মানুষ আক্রান্ত হয়নি, মারা যায়নি। একই সময়ে ডা. স্টার্কলফের শহর সেইন্ট লুইসে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩১,৫০০, মৃত্যু ১৭০৩। সে সময়ের বিচারে অবিশ্বাস্য কম মৃত্যুহার।

একশ বছর পর ২০২০ সালেও মানুষ সেইন্ট লুইস আর ফিলাডেলফিয়া শহরের স্পানিশ ফ্লু মোকাবেলার সাফল্য-ব্যর্থতার গল্প পড়ে। ইতিহাস এমনই।
স্যালুট, সেইন্ট লুইস। স্যালুট, ডা. স্টার্কলফ।

🔶🔷
Social Distancing, and Social Distancing
যে কোনো দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ক্ষমতা সীমিত। করোনা রোগীর সংখ্যা হঠাৎ করে আকাশচুম্বী হয়ে গেলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। তখন অনেকে চিকিৎসা পায় না। মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যায়। ইতালীর লম্বার্ডিতে আমরা সেটা দেখছি।
তাই করোনা মহামারীতে সবার লক্ষ্য সংক্রমনের হার কমিয়ে রোগীর সংখ্যা manageable সীমায় রাখা। সংক্রমণের হার কমিয়ে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় প্রত্যেক মানুষকে আলাদা করে ফেলা; একজনকে আরেকজনের সংস্পর্শে আসতে না দেয়া। এটাই Social Distancing. ১৯১৮ সালের স্পানিশ ফ্লু মহামারীতে social distancing কোটি কোটি মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে। এবারের চিকিৎসার-অতীত করোনা মহামারীতেও ভাইরোলজিস্টরা বলছেন social distancing ই একমাত্র ভরসা।

নভেল করোনা ভাইরাস যেহেতু droplets এর মাধ্যমে ছড়ায়, তাই social distancing এর প্রথম নিয়ম হলো সব সময় সাড়ে চার থেকে ছয় ফুট দূরত্ব বজায় রেখে চলা। এছাড়া আছে, কেউ আক্রান্ত হয়ে গেলে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তাকে isolation এ রাখা, আক্রান্ত হয়েছে বলে সন্দেহ হলে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে আলাদা করে পর্যবেক্ষণে (quarantine) রাখা। সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ভাইরাসমুক্ত রাখা, অন্যের সান্নিধ্যে আসার সময় মাস্ক ব্যবহার করাও social distancing এর বর্ধিত অংশ।

সব মানুষ দায়িত্বশীল না। সবাই সমান সচেতনও না। অনেকে করোনা রোগ নিয়েই সুস্থ মানুষের কাছে যায়, ব্যবহার্য কমন জিনিস স্পর্শ করে। Droplets এর ভাইরাস দিয়ে সুস্থদেরকে সংক্রমন করে। অনেক সুস্থ মানুষও social distancing এর নিয়ম না মেনে নিজেকে সংক্রমিত করে। ভাইরাসের নতুন বাহক হয়।

22/03/2020

করোনা ভাইরাসের বিস্তার নিয়ে মহিউদ্দীন খালেদের স্ট্যাটাস

আমি একসময় কোচিংসেন্টারে গণিতের ক্লাস নিতাম। ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যারা গণিত ভালোবাসত, তারা আমাকেও ভালোবাসত। সেই সময় যদি আজকের পরিস্থিতির উদ্ভব হত তাহলে কোচিং সেন্টার বন্ধ দেবার আগে আমি সর্বশেষ একটা সচেতনতামূলক ক্লাস নিতাম। সেই ক্লাসটাই আজকে এখানে নিচ্ছি।

আজকে বিশ মার্চ। ধরা যাক, বাংলাদেশে এই মুহূর্তে শুধু একজন মানুষ মহিউদ্দিন তার শরীরে করোনাভাইরাস বহন করতেছে এবং সে যে করোনাভাইরাস বহন করতেছে সেটা এখনো সনাক্ত হয় নি। মহিউদ্দিন প্রেসক্লাব থেকে বাসে উঠে কারওয়ানবাজার নামল। বাসে তেমন ভিড় নেই। সে সীটে বসেই প্রেসক্লাব থেকে কারওয়ানবাজার পর্যন্ত এসেছে। বাস থেকে নামার আগে সে তেমন কিছুই করে নি। শুধু একবার হাঁচি দিছে। সেই হাঁচির ফলে তেমন কিছুই হয় নি। শুধু হাঁচির সাথে আসা লাখখানেক করোনাভাইরাস সীটের হাতলের সাথে লেগে গিয়েছে।

কারওয়ানবাজার থেকে শেওড়াপাড়া যাবার উদ্যেশ্যে বাসে উঠে মহিউদ্দিনের ছেড়ে যাওয়া সীটে উঠল খালেদ। আরাম করে সীটের হাতলে বাম হাত রাখল। মাত্র হাজারখানেক করোনাভাইরাস তার হাতের তালুতে জায়গা করে নিল।

শেওড়াপাড়া নেমে বাসা পর্যন্ত যাবার জন্য একটা রিকশা নিল খালেদ। রিকশার সীটে শ'পাঁচেক জীবন্ত করোনা দান করল!

বাসায় ঢুকে দু'হাতে ঠাস করে একটা মশা মারল খালেদ। বামহাত থেকে ডানহাতে করোনা ট্রান্সফার হয়ে গেল। একটু পরেই খালেদের মোবাইলে কল আসল। খালেদ মোবাইল কানে দিয়ে দশ পনের মিনিট কথা বলল। তারপর মোবাইল রেখে বাথরূমে ঢুকল গোসল করার জন্য।

খালেদ বাথরূমে থাকা অবস্থায় আবার কল আসল। খালেদের বৌ শোকরানা দেখল শ্বাশুড়ি কল করেছে। সে নিজেই ফোন ধরল। টানা কথা বলার মাঝখানে ঘুমন্ত বাবুসোনা জেগে উঠল। শোকরানা তাড়াতাড়ি মোবাইল রেখে বাবুসোনাকে কোলে নিল। নাক টিপে গাল টিপে আদর করে দিল! নাক দিয়ে সোজা বাবুসোনার ফুসফুসে ঢুকে গেল করোনাভাইরাস।

করোনাভাইরাসবহনকারী এক মহিউদ্দিন বাসে চড়ে প্রেসক্লাব থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত আসার ফলে ন্যূনতম একজন মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হল।

এর অর্থ হল, মহিউদ্দিন বা বাবুসোনা অসুস্থ হয়ে ডাক্তারখানায় গিয়ে চেকআপ করে ভাইরাস সংক্রমণ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে কোয়ারেন্টাইন্ড হতে যদি সাতদিন সময় লাগে তাহলে সেই সাতদিনের ভেতর তাদের দ্বারা আক্রান্ত হবে কমপক্ষে আরো ২×২×২×২×২×২×২= ১২৮ জন মানুষ!

তার মানে বর্তমান অবস্থায় সনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা যখন দুই তখন ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ন্যূনতম একশ আঠাশ।

বর্তমানে সনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা সতেরো। এই সনাক্তকৃত রোগীদের প্রতি দু'জন যদি একশ আঠাশজন করে ইতোমধ্যে সংক্রমিত করে থাকে তাহলে এই মুহূর্তে দেশে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ন্যূনতম ১৭÷২×১২৮=১০৮৮ জন!

এই করোনাভাইরাসবহনকারীরা রোগ লক্ষণ প্রকাশ পেয়ে হাসপাতালে যেতে যেতে আরো অন্তত ১০৮৮×২^৭=১৩৯,২৬৪ জন ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হবে।

মোদ্দাকথা, বর্তমানে যে পদ্ধতি অবলম্বন করা হচ্ছে তাতে করে, যখন সনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা হবে একহাজার তখন আপনি নির্দ্বিধায় ধরে নিতে পারেন সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা একলক্ষের উপরে অবশ্যই!

এই বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মার্চের শেষ নাগাদ বাংলাদেশে সর্বমোট করোনাসংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়াবে অন্তত ১২৮×২^১৬= ৮,৩৮৮,৬০৮ জন!

তার মধ্যে অন্তত ৮,৩৮৮,৬০৮×৩০÷১০০= ২,৫১৬,৫৮২.৪ অর্থাৎ প্রায় পঁচিশলক্ষ মানুষকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ শেষে হসপিটালাইজ করার প্রয়োজন দেখা দেবে শুধু করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে যেটা হসপিটাল ডাক্তার নার্স ভলান্টিয়ার সব মিলিয়ে আমাদের সেবা দেওয়ার সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে অনেক অনেক বেশি। জানপ্রাণ দিয়ে সেবা করলেও!

করোনাদের কোন নেতা নেই। কোন সংগঠন নেই। কাজেই তাদের সাথে সমঝোতায় আসার কোন পথ খোলা নেই!
করোনারা কোন ধর্মে বিশ্বাসী নয়, কোন জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী নয়,তাদের কোন আবেগ অনুভূতি নেই। তারা শুধু পোষকদেহ চেনে এবং সেই পোষকদেহ কি মুসলমানের নাকি খৃষ্টানের নাকি হিন্দুর নাকি ইহুদির নাকি নারীর, নাকি শিশুর, নাকি বৃদ্ধের, নাকি যুবকের, নাকি খাটাশের, নাকি বাদুড়ের সেটা নিয়ে তার কোন মাথাব্যাথা নেই। পোষকদেহের ভেতর ঢুকে বংশবৃদ্ধি করে নিজের প্রজাতিকে টিকিয়ে রাখাটাই তার একমাত্র মাথাব্যাথা। আর কিছু নয়!

কাজেই আমরা শুধুমাত্র একটা কাজ করতে পারি এবং সেটা হল, করোনাদের আগ্রাসনের পথে বাঁধা সৃষ্টি করতে পারি!

করোনায় সংক্রমিত হই বা না হই, আমাদেরকে যে যেখানে আছি সেখানে যতটুকু সম্ভব জড়বৎ হয়ে যেতে হবে। জীবনরক্ষার প্রয়োজন ছাড়া অন্য প্রয়োজনে ঘরের বাইরে যাওয়া যাবে না। জীবনরক্ষার প্রয়োজনে বাইরে গেলে ( বা না গেলেও!) কোথায় হাত লাগানোর পর হাত দিয়ে নাক-মুখ-চোখ-কান-যৌনাঙ্গ স্পর্শ করার আগে হাত অবশ্যই সাবান/স্যানিটাইজার দিয়ে নি:খুঁতভাবে পরিস্কার করতে হবে। মাস্ক পরতে হবে। থুথু, কফ ডাস্টবিন ছাড়া কোথাও ফেলাকে গর্হিত অপরাধ বলে গন্য করতে হবে।

করোনাভাইরাসবাহিনী সারাদেশে মার্চ করে ঢুকতেছে। পোষকদেহে ঢুকতে না পারলে তারা এমনিতেই মরে যাবে। তারা পোষকদেহে ঢোকার ব্রিজ হলাম আমরা। আমরা যদি বেশিরভাগ ব্রীজ অকেজো করে দিই অর্থাৎ আন্তদেশীয়-আন্তজেলা-আন্তএলাকা-আন্তপাড়া-আন্তবাসা-আন্তফ্ল্যাট যোগাযোগ যতটুক সম্ভব বন্ধ করে দিই, সকলপ্রকার গনজমায়েত অর্থাৎ সমস্ত সামাজিক-রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক-বৈজ্ঞানিক-ধর্মীয় জমায়েত বন্ধ করে দেই তাহলে তাদের বিস্তার গাণিতিকহারে কমে আসবে এবং একসাথে আক্রান্তের সংখ্যা আমাদের হাসপাতালগুলোর ধারণক্ষমতার মধ্যে থাকবে।

আমরা যদি সচেতন না হই, তাহলে নিজে হয়ত বয়স বা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে বেঁচে যাব। কিন্তু আমার বা আপনার, একজনের অসচেতনতার কারণেই ঘটতে পারে হাজার খানেক মানুষের মৃত্যু। কারণ সেই হাজারখানেক মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী যে করোনাভাইরাসগুলো, সেগুলো যে অসংখ্য ব্রীজ পার হয়ে তাদের কাছে পৌঁছেছে, সেই অসংখ্য ব্রীজের আমি বা আপনিও একটি!

কারণ, আপনি এইপোষ্ট পড়ে বা অন্যমাধ্যম থেকে এই জ্ঞান লাভ করবার পরও নিচের হয় সবগুলো অথবা যেকোন একটা কর্ম সম্পাদন করেছেন-

- সাবান বা স্যানাটাইজার দিয়ে হাত না ধুয়ে মুখ বা নাক বা চোখ বা কান বা যৌনাঙ্গে হাত দিয়েছেন।

- যেকোনপ্রকার গণজমায়েতে গিয়েছেন।

- নিতান্ত দরকারে ঘরের বাইরে গেলে মাস্ক পরেন নাই।

-নিতান্ত দরকারে ঘরের বাইরে গেলে অন্য মানুষের থেকে অন্তত তিনফুট নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখেন নাই।

- যত্রতত্র কফ থুথু ফেলেছেন।

উপরের লেখাটুকুর ভিত্তি নিরেট গণিত। চীনে বা ইটালিতে বা ইরানে বা অ্যামেরিকাতে বা কানাডাতে বা কোরিয়াতে যে প্রক্রিয়ায় ভাত ফুটে, বাংলাদেশেও একই প্রক্রিয়াতেই ভাত ফুটবে, এটা যদি আপনার বোধগম্য হয় তাহলে এই লেখাও আশা করি আপনার বোধগম্য হবে।

মহিউদ্দিন খালেদ
২০ মার্চ, ২০২০

#করো_না_ভাবনা

20/03/2020

#কুমিল্লা শহরে অবস্থিত সকল ক্লিনিক, ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল সমূহের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার।

১। ডি.এইচ. হসপিটাল
ইপিজেড রোড, টমছমব্রীজ, কুমিল্লা।
মোবাঃ ০১৮২০১১৩৩৬৫
০১৭৫১৬৮৯৫১০

২। মিডল্যান্ড হাসপাতাল
রাম ঘাটলা, কান্দির পাড়, কুমিল্লা।
মোবাঃ ০১৭১১৭৯৫৭৪০

৩। মুন হাসপাতাল প্রাঃ লিঃ
ঝাউতলা, কুমিল্লা।
ফোনঃ ৬৫৪৭১

৪। সিডি প্যাথ হাসপাতাল প্রাঃ লিঃ
মেটারনিটি রোড, বাদুরতলা, কুমিল্লা
ফোনঃ ৭৬৫২৭

৫। হেলথ এন্ড ডক্টরস হাসপাতাল
ঝাউতলা, কুমিল্লা।
মোবাইল : ০১৭১১৮১৫০৬০

৬। মুক্তি হসপিটাল
রেইস কোর্স, কুমিল্লা।
মোবাইল : ০১৭১১৭৯৬৯০৫

৭। নুরপুর মাতৃসদন ক্লিনিক, সুলতানা কটেজ, তেলিকোনা, কুমিল্লা।
মোবাঃ ০১৭১১-১৭৭৯২৪

৮। মীম হসপিটাল
শাসনগাছা, কুমিল্লা
০১৭১১-৩৮৬৫০১

৯। মিশন হাসপাতাল
শাসনগাছা, কুমিল্লা।
০১৭৩৯-১৪২১৭০

১০। রোকেয়া মেটারনিটি ক্লিনিক
দিগম্বরীতলা, কুমিল্লা।
০১৭১১-৪৮৫০৮৬

১১। নিউরন হসপিটাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার
রেইস কোর্স, কুমিল্লা।
০১৭১৭-৩২৩৩০৫

১২। ফয়সাল হাসপাতাল
আয়ুব ম্যানশন, চকবাজার, কুমিল্লা।
০১৮১৯০৪৬০২৩

১৩। কুমিল্লা সিটি হাসপাতাল বাদুরতলা, কুমিল্লা।
০১৮১৯-৬০৭১৫৬

১৪। কুমিল্লা মেটারনিটি ক্লিনিক
রামমালা রোড, ঠাকুরপাড়া, কুমিল্লা
০১৭১১১৮৬৪০৬

১৫। মাতৃছায়া ক্লিনিক
রহমান ভবন, ঝাউতলা, কুমিল্লা।
মোবাঃ ০১৯১১০৬১৫৭৮

১৬। কুমিল্লা আদর্শ হসপিটাল
সদর হাসপাতাল রোড, কুমিল্লা
০১৭১১-১২৩৫৭৯

১৭। জালালাবাদ মেটারনিটি
বিবির বাজার রোড, পাথুরিয়াপাড়া, কুমিল্লা।০১৭১১-০৭৯০৪০

১৮। এইচ অার হসপিটাল
ধর্ম সাগরের পশ্চিম পাড়, ঝাউতলা, কুমিল্লা
০১৭১১-১৫৭১৪১

১৯। মিউটাউন চক্ষু হাসপাতাল বাদুরতলা, কুমিল্লা।
০১৭১১১৫৭১৪১

২০। ডাঃ দেলোয়ার আই কেয়ার মাহাদী ভিলা ১৩৫৬/১, রেইস কোর্স, কুমিল্লা
০৮১-৬২৬২২

২১। লাইফ কেয়ার হসপিটাল
হাউজিং এস্টেট, কুমিল্লা ০১৭১১১৫৭১৪১

২২। কিডনি ডায়ালাইসিস
সদর হাসপাতাল রোড, কুমিল্লা।
০১৭১১-৩৩০৫০২

২৩। সোনার বাংলা হাসপাতাল
এয়াপোর্ট রোড, ইপি জেড, কুমিল্লা
০১৮১৯০৪৬০২৩

২৪। কুমিল্লা ডেন্টা জেনারেল হাসপাতাল
রেইসকোর্স, কুমিল্লা।
০১৭১১-২৬২৮৮৪

২৫। নিরাময় ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এন্ড হসপিটাল
ঝাউতলা, কুমিল্লা।
০১৭১৪-০৮৪৪৩৬

২৬। বন্ধন মেডিকেল সেন্টার
শাসনগাছা, কুমিল্লা।
০১৯১১-০০৯০০৮

২৭। মমতা মা ও শিশু হাসপাতাল
তালপুকুর (দঃ) রানীর বাজার রোড, কুমিল্লা।০১৭১১-১১৬৫৩৮

২৮। ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন
বাগিচাগাঁও, কুমিল্লা। ০১৮১৮-৫৮৭৫৫৫

২৯। বিডি ডেন্টাল ল্যাব
১৯৯, রহমান ভবন ঝাউতলা, কুমিল্লা।
০১৭৫০০০৪০০

৩০। কুমিল্লা নোভা মেডিকেল সেন্টার
ই পি জেড রোড টমছমব্রীজ, কুমিল্লা।
০১৭৫১৬৮৯৫১০

৩১। নিবেদীতা হাসপাতাল
তেলিকোনা, চকবাজার, কুমিল্লা।
০১৮২০১১৩৩৬৫

৩২। আজাদ জেনারেল হাসপাতাল (প্রাঃ) লিঃ
রেইস কোর্স, কুমিল্লা।

৩৩। হলিকেয়ার মেডিকেল সার্ভিসেস (প্রাঃ)
দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া, কোটবাড়ী রোড, কুমিল্লা।০১৭১১-০৭১২৫০

৩৪। মেডি হসপিটাল (প্রাঃ) লিঃ
ঝাউতলা, কুমিল্লা। ০৮১-৬৯৬৮৮

৩৫। কুমিল্লা ট্রমা সেন্টার
৫১১/ঙ নজরুল এভিনিউ রানীর বাজার রোড, কুমিল্লা। ০১৭৩৫-২৭৪০২০

৩৬। কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টার (প্রাঃ) লিঃ
লাকসাম রোড, কুমিল্লা টাওয়ার, কুমিল্লা।
০৮১-৬৮৯২১

৩৭। আখন্দ জেনারেল হাসপাতাল
রেইস কোর্স, কুমিল্লা।
০১৭১৭-০২৪৬৭৩

৩৮। মাদার কেয়ার
মহিলা কলেজ রোড, কুমিল্লা।
০১৭১২-১১০৩১৮

৩৯। মেরিগোল্ড হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক (মেটারনিটি)
৫৯৮, ঝাউতলা, কুমিল্লা।
০১৮১১-৫৭৫৭৫৯

৪০। শর্মা মেটারনিটি
মদিনা মসজিদ, ২য় কান্দিরপাড়, কুমিল্লা।
০৮১-৬৮৯১১

৪১। কুমিল্লা ন্যাশনাল হসপিটাল
দক্ষিণ চর্থা (সদর হাসপাতাল রোড), কুমিল্লা।

৪২। কুমিল্লা সেন্ট্রাল হসপিটাল
সৈয়দ ম্যানশন, টমছমব্রীজ, কুমিল্লা।
০১৭১১-০৬৮০৯১

৪৩। ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল
টিপরা বাজার, সেনানিবাস, কুমিল্লা।
০১৭৬৯-৩৩২৭৩৪

৪৪। মা মনি হাসপাতাল
তেলিকোনা চৌমহনী, চকবাজার, কুমিল্লা।
০১৭১১-৩৪৮৪০২

৪৫। কুমিল্লা পপুলার হসপিটাল
লাকসাম রোড, কুমিল্লা।
০১৭১১-৭৮৫৪৪২

৪৬। গোমতী হাসপাতাল
নজরুল এভিনিউ কান্দিরপাড়, কুমিল্লা
০১৭১১-৭৯৮০৮৩

৪৭। চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
শংকরপুর আলেখারচর, কুমিল্লা।

৪৮। সেবা হসপিটাল
রেইস কোর্স, কুমিল্লা।
০৮১-৬৭৩০০

৪৯। শিশু মাতৃ জেনারেল হাসপাতাল (প্রাঃ) লিঃ
রেইস কোর্স, কুমিল্লা।
০৮১৭১৩১১

৫০। খিদমাহ জেনারেল এন্ড স্পেশালাইজড হসপিটাল
বাদশা মিয়ার বাজার, শাসনগাছা, কুমিল্লা ।
০১৭১৬-৮৭৭২৮২

৫১। নিউভিশন মডেল হসপিটাল
ই পি জেড রোড, কুমিল্লা।
০১৭৪৮-৩৩৪৪১৪

৫২। বি-রহমান জেনারেল হাসপাতাল
বাগিচাগাঁও, পুলিশ লাইন, কুমিল্লা
০১৭১১-২৪৮১১৮

৫৩। কুমিল্লা এ্যাপোলো হসপিটাল
রামঘাট, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা।
০১৮১৩৭৭৫৭৫৯

৫৪। ন্যাশনাল ব্লাড ব্যাংক এন্ড ট্রান্সফিউশন সেন্টার
রামঘাটলা লাকসাম রোড, কুমিল্লা।
০১৭১৫-৮৪৯৬৩৩

৫৫। ইউনাইটেড হসপিটাল
টমছমব্রীজ, কুমিল্লা।
০১৭১২-২৪৩২৮১

৫৬। কুমিল্লা মেট্রপলিটন হাসপাতাল
সদর হাসপাতাল রোড, কুমিল্লা।
০১৭৫৬৫১৭৯৫৩৫

৫৭। কুমিল্লা ডেন্টাল
সুরভি ম্যানশন নজরুল এভিনিউ, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা।

৫৮। সিটি ডেন্টাল ক্লিনিক হিরাম্যানশন, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা।

৫৯। স্বজন হাসপাতাল
৮, জজকোর্ট রোড, কুমিল্লা।
০১৮৩৫-৮৩৩২৯২

৬০। নিউ সেইভ লাইফ ব্লাড
ব্যাংক এন্ড ডায়াগনস্টিক
পুলিশ লাইন, কুমিল্লা।
মোবাঃ ০১৭১০-৮৭৪৯১৯

৬১। মেডিকেয়ার হসপিটাল
ঝাউতলা, কুমিল্লা।
০১৭১৮৯৪১৮৩১

৬২। ফাষ্ট এইড হসপিটাল ( প্রস্তাবিত)
মোবাইল :০১৭৪২২২৯৭৪৩

৬৩।সেইফ মেডিকেল সেন্টার,
শহর রোড, পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, কুমিল্লা।
মোবাইল নম্বর ০১৭১১৪৩২৩৮৪

সংগৃহীত............ #কুমিল্লা শহরে অবস্থিত সকল ক্লিনিক, ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল সমূহের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার।

১। ডি.এইচ. হসপিটাল
ইপিজেড রোড, টমছমব্রীজ, কুমিল্লা।
মোবাঃ ০১৭১১১৫৭১৪১

২। মিডল্যান্ড হাসপাতাল
রাম ঘাটলা, কান্দির পাড়, কুমিল্লা।
মোবাঃ ০১৭১১৭৯৫৭৪০

৩। মুন হাসপাতাল প্রাঃ লিঃ
ঝাউতলা, কুমিল্লা।
ফোনঃ ৬৫৪৭১

৪। সিডি প্যাথ হাসপাতাল প্রাঃ লিঃ
মেটারনিটি রোড, বাদুরতলা, কুমিল্লা
ফোনঃ ৭৬৫২৭

৫। হেলথ এন্ড ডক্টরস হাসপাতাল
ঝাউতলা, কুমিল্লা।
মোবাইল : ০১৭১১৮১৫০৬০

৬। মুক্তি হসপিটাল
রেইস কোর্স, কুমিল্লা।
মোবাইল : ০১৭১১৭৯৬৯০৫

৭। নুরপুর মাতৃসদন ক্লিনিক, সুলতানা কটেজ, তেলিকোনা, কুমিল্লা।
মোবাঃ ০১৭১১-১৭৭৯২৪

৮। মীম হসপিটাল
শাসনগাছা, কুমিল্লা
০১৭১১-৩৮৬৫০১

৯। মিশন হাসপাতাল
শাসনগাছা, কুমিল্লা।
০১৭৩৯-১৪২১৭০

১০। রোকেয়া মেটারনিটি ক্লিনিক
দিগম্বরীতলা, কুমিল্লা।
০১৭১১-৪৮৫০৮৬

১১। নিউরন হসপিটাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার
রেইস কোর্স, কুমিল্লা।
০১৭১৭-৩২৩৩০৫

১২। ফয়সাল হাসপাতাল
আয়ুব ম্যানশন, চকবাজার, কুমিল্লা।
০১৮১৯০৪৬০২৩

১৩। কুমিল্লা সিটি হাসপাতাল বাদুরতলা, কুমিল্লা।
০১৮১৯-৬০৭১৫৬

১৪। কুমিল্লা মেটারনিটি ক্লিনিক
রামমালা রোড, ঠাকুরপাড়া, কুমিল্লা
০১৭১১১৮৬৪০৬

১৫। মাতৃছায়া ক্লিনিক
রহমান ভবন, ঝাউতলা, কুমিল্লা।
মোবাঃ ০১৯১১০৬১৫৭৮

১৬। কুমিল্লা আদর্শ হসপিটাল
সদর হাসপাতাল রোড, কুমিল্লা
০১৭১১-১২৩৫৭৯

১৭। জালালাবাদ মেটারনিটি
বিবির বাজার রোড, পাথুরিয়াপাড়া, কুমিল্লা।০১৭১১-০৭৯০৪০

১৮। এইচ অার হসপিটাল
ধর্ম সাগরের পশ্চিম পাড়, ঝাউতলা, কুমিল্লা
০১৭১১-১৫৭১৪১

১৯। মিউটাউন চক্ষু হাসপাতাল বাদুরতলা, কুমিল্লা।
০১৭১১১৫৭১৪১

২০। ডাঃ দেলোয়ার আই কেয়ার মাহাদী ভিলা ১৩৫৬/১, রেইস কোর্স, কুমিল্লা
০৮১-৬২৬২২

২১। লাইফ কেয়ার হসপিটাল
হাউজিং এস্টেট, কুমিল্লা ০১৭১১১৫৭১৪১

২২। কিডনি ডায়ালাইসিস
সদর হাসপাতাল রোড, কুমিল্লা।
০১৭১১-৩৩০৫০২

২৩। সোনার বাংলা হাসপাতাল
এয়াপোর্ট রোড, ইপি জেড, কুমিল্লা
০১৮১৯০৪৬০২৩

২৪। কুমিল্লা ডেন্টা জেনারেল হাসপাতাল
রেইসকোর্স, কুমিল্লা।
০১৭১১-২৬২৮৮৪

২৫। নিরাময় ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এন্ড হসপিটাল
ঝাউতলা, কুমিল্লা।
০১৭১৪-০৮৪৪৩৬

২৬। বন্ধন মেডিকেল সেন্টার
শাসনগাছা, কুমিল্লা।
০১৯১১-০০৯০০৮

২৭। মমতা মা ও শিশু হাসপাতাল
তালপুকুর (দঃ) রানীর বাজার রোড, কুমিল্লা।০১৭১১-১১৬৫৩৮

২৮। ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন
বাগিচাগাঁও, কুমিল্লা। ০১৮১৮-৫৮৭৫৫৫

২৯। বিডি ডেন্টাল ল্যাব
১৯৯, রহমান ভবন ঝাউতলা, কুমিল্লা।
০১৭৫০০০৪০০

৩০। কুমিল্লা নোভা মেডিকেল সেন্টার
ই পি জেড রোড টমছমব্রীজ, কুমিল্লা।
০১৭৫১৬৮৯৫১০

৩১। নিবেদীতা হাসপাতাল
তেলিকোনা, চকবাজার, কুমিল্লা।
০১৮২০১১৩৩৬৫

৩২। আজাদ জেনারেল হাসপাতাল (প্রাঃ) লিঃ
রেইস কোর্স, কুমিল্লা।

৩৩। হলিকেয়ার মেডিকেল সার্ভিসেস (প্রাঃ)
দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া, কোটবাড়ী রোড, কুমিল্লা।০১৭১১-০৭১২৫০

৩৪। মেডি হসপিটাল (প্রাঃ) লিঃ
ঝাউতলা, কুমিল্লা। ০৮১-৬৯৬৮৮

৩৫। কুমিল্লা ট্রমা সেন্টার
৫১১/ঙ নজরুল এভিনিউ রানীর বাজার রোড, কুমিল্লা। ০১৭৩৫-২৭৪০২০

৩৬। কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টার (প্রাঃ) লিঃ
লাকসাম রোড, কুমিল্লা টাওয়ার, কুমিল্লা।
০৮১-৬৮৯২১

৩৭। আখন্দ জেনারেল হাসপাতাল
রেইস কোর্স, কুমিল্লা।
০১৭১৭-০২৪৬৭৩

৩৮। মাদার কেয়ার
মহিলা কলেজ রোড, কুমিল্লা।
০১৭১২-১১০৩১৮

৩৯। মেরিগোল্ড হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক (মেটারনিটি)
৫৯৮, ঝাউতলা, কুমিল্লা।
০১৮১১-৫৭৫৭৫৯

৪০। শর্মা মেটারনিটি
মদিনা মসজিদ, ২য় কান্দিরপাড়, কুমিল্লা।
০৮১-৬৮৯১১

৪১। কুমিল্লা ন্যাশনাল হসপিটাল
দক্ষিণ চর্থা (সদর হাসপাতাল রোড), কুমিল্লা।

৪২। কুমিল্লা সেন্ট্রাল হসপিটাল
সৈয়দ ম্যানশন, টমছমব্রীজ, কুমিল্লা।
০১৭১১-০৬৮০৯১

৪৩। ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল
টিপরা বাজার, সেনানিবাস, কুমিল্লা।
০১৭৬৯-৩৩২৭৩৪

৪৪। মা মনি হাসপাতাল
তেলিকোনা চৌমহনী, চকবাজার, কুমিল্লা।
০১৭১১-৩৪৮৪০২

৪৫। কুমিল্লা পপুলার হসপিটাল
লাকসাম রোড, কুমিল্লা।
০১৭১১-৭৮৫৪৪২

৪৬। গোমতী হাসপাতাল
নজরুল এভিনিউ কান্দিরপাড়, কুমিল্লা
০১৭১১-৭৯৮০৮৩

৪৭। চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
শংকরপুর আলেখারচর, কুমিল্লা।

৪৮। সেবা হসপিটাল
রেইস কোর্স, কুমিল্লা।
০৮১-৬৭৩০০

৪৯। শিশু মাতৃ জেনারেল হাসপাতাল (প্রাঃ) লিঃ
রেইস কোর্স, কুমিল্লা।
০৮১৭১৩১১

৫০। খিদমাহ জেনারেল এন্ড স্পেশালাইজড হসপিটাল
বাদশা মিয়ার বাজার, শাসনগাছা, কুমিল্লা ।
০১৭১৬-৮৭৭২৮২

৫১। নিউভিশন মডেল হসপিটাল
ই পি জেড রোড, কুমিল্লা।
০১৭৪৮-৩৩৪৪১৪

৫২। বি-রহমান জেনারেল হাসপাতাল
বাগিচাগাঁও, পুলিশ লাইন, কুমিল্লা
০১৭১১-২৪৮১১৮

৫৩। কুমিল্লা এ্যাপোলো হসপিটাল
রামঘাট, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা।
০১৮১৩৭৭৫৭৫৯

৫৪। ন্যাশনাল ব্লাড ব্যাংক এন্ড ট্রান্সফিউশন সেন্টার
রামঘাটলা লাকসাম রোড, কুমিল্লা।
০১৭১৫-৮৪৯৬৩৩

৫৫। ইউনাইটেড হসপিটাল
টমছমব্রীজ, কুমিল্লা।
০১৭১২-২৪৩২৮১

৫৬। কুমিল্লা মেট্রপলিটন হাসপাতাল
সদর হাসপাতাল রোড, কুমিল্লা।
০১৭৫৬৫১৭৯৫৩৫

৫৭। কুমিল্লা ডেন্টাল
সুরভি ম্যানশন নজরুল এভিনিউ, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা।

৫৮। সিটি ডেন্টাল ক্লিনিক হিরাম্যানশন, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা।

৫৯। স্বজন হাসপাতাল
৮, জজকোর্ট রোড, কুমিল্লা।
০১৮৩৫-৮৩৩২৯২

৬০। নিউ সেইভ লাইফ ব্লাড
ব্যাংক এন্ড ডায়াগনস্টিক
পুলিশ লাইন, কুমিল্লা।
মোবাঃ ০১৭১০-৮৭৪৯১৯

৬১। মেডিকেয়ার হসপিটাল
ঝাউতলা, কুমিল্লা।
০১৭১৮৯৪১৮৩১

৬২। ফাষ্ট এইড হসপিটাল ( প্রস্তাবিত)
মোবাইল :০১৭৪২২২৯৭৪৩

৬৩।সেইফ মেডিকেল সেন্টার,
শহর রোড, পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, কুমিল্লা।
মোবাইল নম্বর ০১৭১১৪৩২৩৮৪

৬৪। ইনসাফ স্পেশালাইজড হাসপাতাল টমছমব্রীজ, রামমালা কুমিল্লা
মোবা :০১৭১১৩৮৫৩২০

সংগৃহীত............

Address

Dharmo Pur
Cumilla
3500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Comilla Victoria College-Economics Department posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share