ইক্বরা মহিলা মাদরাসা & ইক্বরা রওজাতুল উলুম মাদরাসা, লাকসাম, কুমিল্লা।

  • Home
  • Bangladesh
  • Cumilla
  • ইক্বরা মহিলা মাদরাসা & ইক্বরা রওজাতুল উলুম মাদরাসা, লাকসাম, কুমিল্লা।

ইক্বরা মহিলা মাদরাসা & ইক্বরা রওজাতুল উলুম  মাদরাসা, লাকসাম, কুমিল্লা। ইক্বরা মহিলা মাদরাসা ও ইক্বরা রওজাতুল উলুম মাদরাসা ।পৃথক বালক/বালিকা শাখা,(দাওরায়ে হাদীস পর্যন্ত)।

30/04/2026

প্রিয় দর্শক প্রথমেই এই কথাটি মাথায় রাখুন যে ধ" র্ষণের সাথে কোন হুজুর, মাদ্রাসার শিক্ষক সম্পৃক্ত থাকবে আর দেশের প্রশাসন, হলুদ মিডিয়া ও কথিত সুশীলরা চুপ থাকবে এটা কোনভাবেই সম্ভব না। কোনো না কোনভাবে তিল পরিমাণ সম্পৃক্ততা পেলে হুজুর ও মাদ্রাসার চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করে ছাড়ত এই দাজ্জালী শাসন ব্যবস্থা ও হলুদ মিডিয়া। সেখানে এক বছরেও কোন প্রমাণাদি নিয়ে পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

আর এই ঘটনার এক বছর অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পরও #নিউজ_24 নতুন করে মাদ্রাসা ও হুজুরদের ফাঁসানোর পরিকল্পনায় মাঠে নেমেছে অত্যন্ত দুর্বল কিছু স্ক্রিপ্ট সামনে নিয়ে।

১. নিউজের পোস্টমর্টেম এর ছবি দিয়ে বলা হচ্ছে ধ" র্ষণের আলামত পাওয়া গেছে কিন্তু সেটা কতদিন আগের তা মিডিয়া স্পষ্ট করেনি। কারণ এখানে যে আলামত দেখা গেছে সেটা অনেক দিন আগের যখন সে এই মাদ্রাসাতেই ছিল না। অর্থাৎ পোস্টমর্টেম রিপোর্টে যে ধ" র্ষণের চিহ্ন পাওয়া গেছে সেটা পূর্ব ধ" র্ষণের।

২. প্রশাসন কর্তৃক তদন্ত শেষ হওয়ার পরেও হুজুরের সাক্ষাৎকার নিয়ে দাবি করা হচ্ছে প্রশাসনের তদন্ত নথিপত্র নাকি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। অথচ ভিডিওতে শোনা যায় তারা বলছিল নথিপত্র আছে এছাড়াও মিডিয়া চাইলেই প্রশাসনিক ভাবেও খোঁজ নিতে পারত যে প্রশাসন এটার তদন্ত করেছে কি-না!

৩. সামিয়ার নামে একটি অডিও রেকর্ড প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে দাবি করা হয়েছে বোরকা পরে কেউ তাকে গভীর রাত্রে ডেকে নিয়ে ছাদে থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে হ"ত্যার পরিকল্পনায় এই চিত্রটি অনেক দুর্বল স্ক্রিপ্ট নয় কি? তিন-চার দিন যাবত মাদ্রাসায় আসা নতুন ছাত্রী সামিয়াকে কেন এভাবে হ"ত্যা করতে হবে?!

৪. মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী সামিয়া মাদ্রাসা ছিল ৩ থেকে ৪ দিন আবার ছাদ থেকে পড়ে যাওয়ার স্থানের সিসিটিভি নষ্ট ছিল। মিডিয়া এগুলোকে ভুয়া দাবি ও হাজিরা খাতা দিতে ব্যর্থতা বলে অভিযোগ তুলেছেন। #কিন্তু তারা চাইলেই অন্যান্য ছাত্রদের থেকে ও অভিভাবকদের জবানবন্দী নিয়ে বের করতে পারত আসলেই সামিয়া কতদিন যাবত মাদ্রাসায় ছিলেন এবং সিসি ক্যামেরা আসলে নষ্ট কিনা মেকানিক্স দিয়ে চেক করা যেত। কিন্তু মিডিয়া সেগুলো করেনি কারণ তাদের পরিকল্পনা ছিল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ব্যর্থ চেষ্টা করা।

৫. এক বছর আগের এই ঘটনার সাথে অভিভাবকরা তদন্তে যখন সত্যতা না পায় তখন আপোষ করে নেয়। মিডিয়ার ভিডিও সাক্ষাৎকারে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আপোষ নামা তাদের কাছে আছে বলার পর মিডিয়া দাবি করে তারা দেখাতে পারেনি। মিডিয়া চাইলেই আপোষনামা কাদের সামনে হয়েছিল কখন কিভাবে হয়েছিল অভিভাবকদের জবানবন্দিতে ক্লিয়ার করতে পারতো কিন্তু হলুদ মিডিয়া সেগুলো ধোঁয়াশায় রেখেছে।

৬. সামিয়ার স্বভাবজাত আচরণের তদন্তে পাওয়া যায় তিনি প্রচুর পরিমাণ উশৃংখল, মাদ্রাসা আবাসিক থাকায় দ্বিমতের ছিলেন। ৩-৪ দিনের মধ্যেই তার খালা ও বড় বোন জোরপূর্বক মাদ্রাসায় রেখে ছাত্রীদের সামনেই মারধর করে জোরপূর্বকে রেখে গিয়েছিলেন। এই কয়েকদিনের মধ্যেই মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যাওয়ার রেকর্ডও ছিল । এর আগের মাদ্রাসায় অনাবাসিক ছিলেন আবাসিক রাখার জন্য জোরপূর্বক অভিভাবক সামিয়ার অমতে এই মাদ্রাসায় ভর্তি করায়।

৭. এমনকি ২০২৫ এর এই ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর মাদ্রাসার সকল শিক্ষকের ডিএনএ টেস্ট পর্যন্ত নেয়া হয়েছিল কিন্তু কোন ক্লু ধরা পড়েনি।

#প্রিয়_সচেতন ভাই ও বন্ধুগণ এতগুলো প্রমাণাদি যখন মাদ্রাসা ও হুজুরদের পক্ষে গিয়ে তাদের সম্পৃক্ততাকে নাকচ করছে তখনও দেশের হলুদ মিডিয়া সর্বোচ্চ উজাড় করে আপ্রাণ চেষ্টা করছে তাদেরকে ফাঁসানোর আর সেই ফাঁদে পা দিচ্ছে দেশের কথিত ইসলামিক সুশীল ও চিন্তাবিদ #আরিফ_আজাদের মত লেখকেরা।

প্রিয় দর্শক এ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ও নথিপত্র কমেন্ট বক্স থেকে দেখে নিবেন। ইসলাম, মুসলিম, হুজুর, মাদ্রাসা কিংবা মসজিদের বিরুদ্ধে হলুদ মিডিয়ার কোন তথ্য বিশ্বাস করার পূর্বে হাজার বার ভাববেন।

এটা Islamic Bangladesh দতন্তু ও বিশ্লেষণ। বাস্তব সম্মত হলে সুস্থ বিবেককে অনুসরণের অনুরোধ আর যদি অবাস্তব ভুল কোন তদন্ত থাকে তার দায়ভার ইসলামিক বাংলাদেশের উপরই এবং এর উপর যৌক্তিক আপত্তি ও প্রশ্ন উত্থাপনের থাকবে অবাধ সুযোগ। আর যারা সুপরিকল্পিতভাবে মাদ্রাসাও হুজুরদের এ্যাটাক করার ঘৃণ্য খেলায় মাঠে নেমেছে তাদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি প্রশাসনের কাছে।

.

#কুমিল্লা
#মাদরাসা

#বাংলাদেশ
#সর্বশেষ_সংবাদ
#সাম্প্রতিক_সংবাদ
#ইসলামিকসংবাদ



30/04/2026
14/04/2026

মাদরাসার শিক্ষা ব্যবস্থায় উস্তাদ এবং অভিভাবক হলেন একটি পাখির দুটি ডানা। যেকোনো একদিকের চেষ্টায় ঘাটতি থাকলে ছাত্রের চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করা কঠিন। তাই অভিভাবক সম্মেলনে এমন বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত, যা অভিভাবক ও মাদরাসার মাঝে সেতুবন্ধন তৈরি করবে।
একটি ফলপ্রসূ অভিভাবক সম্মেলনের জন্য নির্ধারিত আলোচ্যসূচি বা এজেন্ডা নিচে সুন্দরভাবে গুছিয়ে দেওয়া হলো, যা আপনি সরাসরি সম্মেলনে পয়েন্ট আকারে আলোচনা করতে পারেন:

অভিভাবক সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয়সমূহ (এজেন্ডা)
১. পড়ালেখার অগ্রগতি ও সিলেবাস (বিশেষ করে হিফজ ও নাজেরা)
* ছাত্রদের বর্তমান পড়ার অবস্থা এবং আগামী ৬ মাসের লক্ষ্যমাত্রার (টার্গেট) ব্যাপারে অভিভাবকদের ধারণা দেওয়া।
* হিফজ বিভাগের ছাত্রদের ক্ষেত্রে 'নতুন পড়া' বা পেছনের পড়া ইয়াদ রাখার গুরুত্ব বোঝানো।
* বাসায় গেলে ছাত্ররা যেন পড়া একেবারে ছেড়ে না দেয়, সেদিকে নজর রাখতে বলা।

২. আমল, আখলাক ও তারবিয়াত (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট)
* মাদরাসায় শেখানো সুন্নাতগুলো (যেমন— সালাম দেওয়া, খাওয়ার আদব, ঘুমানোর আদব ইত্যাদি) ছাত্ররা ছুটিতে বাসায় গিয়ে আমল করে কি না, তা অভিভাবকদের কাছে জানতে চাওয়া।
* পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, বিশেষ করে ফজরের সময় অভিভাবকদের নিজ দায়িত্বে সন্তানদের ঘুম থেকে তুলে মসজিদে পাঠানোর গুরুত্ব বোঝানো।
* বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করার বিষয়ে পারিবারিক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া।

৩. ডিজিটাল আসক্তি ও স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ।
* বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় ব্যাধি হলো মোবাইল ও ইন্টারনেট। ছুটিতে বাসায় গেলে সন্তানের হাতে যেন অনিয়ন্ত্রিতভাবে স্মার্টফোন না দেওয়া হয়, সে বিষয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করা।
* অতিরিক্ত মোবাইল বা গেমসের কারণে হিফজ ভুলে যাওয়া এবং মেধা নষ্ট হওয়ার বাস্তব উদাহরণ তুলে ধরা।

৪. স্বাস্থ্য, খাবার ও পরিচ্ছন্নতা (আবাসিকদের জন্য বিশেষ)
* ছাত্রদের শারীরিক সুস্থতার জন্য বাইরের খোলা খাবার বা অতিরিক্ত ক্ষতিকর খাবার (চিপস, ফাস্টফুড) মাদরাসায় দিয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা।
* ছুটির পর মাদরাসায় আসার সময় সন্তানের নখ কাটা, চুল ছোট রাখা এবং পরিষ্কার জামাকাপড় ও বিছানাপত্র গুছিয়ে দেওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া।

৫. মাদরাসার নিয়মকানুন ও প্রশাসনিক বিষয়।
* **ছুটি ও সাক্ষাৎ:** মাদরাসার নির্ধারিত ছুটির বাইরে অযথা ছুটি না চাওয়া এবং সাক্ষাতের নির্দিষ্ট সময় মেনে চলার জন্য বিনীত অনুরোধ করা।
* **বেতন ও ফান্ড:** মাদরাসার বেতন বা লিল্লাহ ফান্ডের অনুদান মাসের শুরুতে পরিশোধ করার গুরুত্ব বোঝানো, যাতে প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন খরচ ও শিক্ষকদের বেতন আটকে না যায়।
* **অভিযোগ প্রক্রিয়া:** সন্তান বাসায় গিয়ে মাদরাসা বা উস্তাদদের সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক কথা বললে, সাথে সাথে তা বিশ্বাস না করে বা অন্য অভিভাবকের সাথে সমালোচনা না করে, সরাসরি মুহতামিম সাহেবের সাথে যোগাযোগ করে সত্যতা যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া।

৬. উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর ও পরামর্শ গ্রহণ ।
* সম্মেলনের শেষ অংশে অভিভাবকদের কথা শোনার সুযোগ দেওয়া। মাদরাসার পড়ালেখা, খাবার বা ব্যবস্থাপনা নিয়ে তাদের কোনো গঠনমূলক পরামর্শ বা অভিযোগ থাকলে তা নোট করে নেওয়া।
* সবশেষে, সন্তান যেন একজন যোগ্য আলেম ও হাফেজ হতে পারে, সেজন্য উস্তাদ, পিতা-মাতা এবং ছাত্রের সম্মিলিত দোয়ার মাধ্যমে সম্মেলন শেষ করা।

**সারকথা:** সম্মেলনের পরিবেশ হতে হবে আন্তরিক। অভিভাবকরা যেন মনে করেন মাদরাসা কর্তৃপক্ষ তাদের সন্তানদের নিজের সন্তানের মতোই ভালোবাসে এবং তাদের উন্নতির জন্যই এত মেহনত করছে।

✍️👉🏻 Hafez Mehedi Hasan

সবাই আমার সাথে যুক্ত হোন

Address

LAKSHAM. Cumilla
Cumilla

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইক্বরা মহিলা মাদরাসা & ইক্বরা রওজাতুল উলুম মাদরাসা, লাকসাম, কুমিল্লা। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to ইক্বরা মহিলা মাদরাসা & ইক্বরা রওজাতুল উলুম মাদরাসা, লাকসাম, কুমিল্লা।:

Share